Home প্রণয় ব্যাকুলতা প্রণয় ব্যাকুলতা পর্ব ৯

প্রণয় ব্যাকুলতা পর্ব ৯

প্রণয় ব্যাকুলতা পর্ব ৯
ইনান হাওলাদার

ড্রয়িং রুমের একপাশে মাদুর পেতে তার উপর পরিষ্কার ধবধবে সাদা কাপড় মেলে সেখানে সেমাই পিঠা বানানোর তোড়জোড় করছেন বাড়ির তিন গিন্নি।লতা বেগম লম্বা লম্বা ছড়া তৈরি করে দিচ্ছেন আর বাকি দুইজন সেটাকে কেঁ’টে কেঁ’টে ছোট বানিয়ে রাখছেন।তাদের পাশেই গো’মড়া মুখে বসে আছে তাহি।
সেমাই পিঠা তূর্যের খুব পছন্দের।তবে পিঠার ভিতরে চিনি দিলে চলবে না।দুধ ঘন করে জ্বালিয়ে যতটুকু মিষ্টি হবে ততটুকুই যথেষ্ট ।বাড়তি মিষ্টি যোগ করলে মুখে দিয়েও দেখবে না।
সামনের সপ্তাহে তূর্যের ট্যুরে যাওয়ার দিন।সেই উদ্দেশ্যেই মূলত পিঠা বানানো হচ্ছে।সেদিন তাসিন ফোনে কথা বলার সময় পারভিন বেগমকে বারবার বলেছে ” আন্টি আপনার হাতের সেমাই পিঠা কিন্তু পাঠাবেন ”
যদিও ছেলেটা নিতে চাইবে না।জোর করে দিতে হবে।
ভেবেছিলেন তূর্যের যাওয়ার দুই – এক দিন আগে পিঠা বানাবেন।কিন্তু আজ আহি বাড়িতে নেয়।এজন্যই বানানো।মেয়েটা থাকলে নিশ্চিত এসে বলতো,

” দেখি আমাকে একটু দেও।আমিও বানাবো ”
বানানো তো দূরে থাক একগাদা আটা নষ্ট করে আরেকগাদা মুঠো ভরে নিয়ে চলে যেতো।ওর দেখা দেখি তাহিও এসে চাইতো।এইটুকু সময়ের মধ্যে মারুফা বেগমের কত ব’কাঝ’কা খেতো তার হিসাব নেয়।
” আম্মু,এরপর থেকে আহি আপু তোমার কাছে আসলে তাড়িয়ে দেবে বুঝলে ?” পারভিন বেগমের কাপড়ের আঁচল আঙুলে পেচাতে পেচাতে বলল তাহি
” কেন , মা? ”
” আবার কেন বলছো? একা একা ধেই ধেই করে নাচতে নাচতে চলে গেলো।কত করে বললাম আমাকে নিয়ে চলো।কিন্তু নিলো না ”

” আচ্ছা, তাহি তুই কী চো’ছা? একটু কেক খাওয়ার জন্য তখন থেকে মুখ কালো করে বসে আছিস।”
” শান্ত ভাইয়া,তুমি চুপ করো।আমি কিছু খেতাম নাকি? দরকার হলে দাঁড়িয়ে থাকতাম।শুধু মজাই তো করতাম ”
” আচ্ছা,তোর বন্ধুর জন্মদিনেও আহিপু কে নিবি না ।ওকে?”
” কিন্তু আমার তো কোনো বন্ধু নেই! ”
” বান্ধবি আছে না?”
তাহি এদিক ওদিক মাথা নাড়ল যার অর্থ ‘ না ।নেই ‘
শান্ত প্রান্তের দিকে আড় চোখে তাঁকিয়ে বলল,
” তাহলে এক কাজ করিস প্রান্তের একটা পছন্দের বান্ধবি আছে ।ওর বার্থডে তে প্রান্ত তোকে নিয়ে যাবে।নিবি না প্রান্ত?”
প্রান্ত রে’গে শান্তর দিকে তাঁকিয়ে খি’টখি’টে মে’জাজে বলল,

” তোর স্পেশাল বান্ধবীর কথা বলে দেই ?”
শান্ত দ্রুত দুই হাত দ্বারা প্রান্তের মুখ চে’পে ধরে ঠেলতে ঠেলতে অন্যদিকে নিয়ে যেতে লাগলো আর প্রান্ত তাকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে আর মুখে “উমমম” আওয়াজ করছে।ছেলে – মেয়েদের কান্ড দেখে তারা তিন জা হাসা হাসি করতে লাগলেন।একমাত্র তূর্য ব্যতীত বাড়ির সবকটা ছেলে – মেয়ে দু’ষ্টু।তাদের মধ্যে আহি আর শান্ত উচ্চ লেভেলের দু’ষ্টু ।শান্তকে তাও তূর্য দমিয়ে রাখতে পারে।কিন্তু আহি? তাকে দ’মানোর মতো কেউ এখনো জন্ম নেয়নি।তবে সেও তূর্যকে ভয় পায়।কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ মুখে স্বী’কার করাতে পারেনি।

প্রণয় ব্যাকুলতা পর্ব ৯

রুমের লাইট অফ করে পায়ের উপর পা মেলে শুয়ে আছে আহি ।লম্বা বিনুনি খাট আর বালিশের মধ্যে থাকা ফাঁকা জায়গা দলা পাকিয়ে আছে।হাতে লতা বেগমের মোবাইল।খুব মনোযোগ সহকারে স্ক্রিনের দিকে তাঁকিয়ে আছে।
বাইরে যদি ছোট খাটো ভূ’মিকম্প হয়েও যায় সেটা তার বোধগম্য হবে না।এটা নিয়ে মারুফা বেগমের থেকে কম ব’কা খায়নি সে।
এই মুহূর্তে কেউ ঘরের দরজায় টোকা মা’রল।বি’রক্ত হলো সে। কে বা কখন থেকে নক করছে সেটা জানা নেয় তার। এইমাত্রই বোধগম্য হলো।মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ রেখেই বলল,

“কে? আসুন !”
লোকটা এসেই লাইট অন করে ব’দ্ধ, অ’ন্ধকার ঘরকে আলোকিত করলো।অনেকক্ষণ অ’ন্ধকারে থাকার দরুন হঠাৎ চোখে আলো পড়ায় চোখ – মুখ কুঁচকে সামনের দিকে তাঁকালো আহি।সামনে থাকা ব্যক্তিকে দেখে মোবাইলের সাইড বাটন চেপে সেটার আলো বন্ধ করে দ্রুত উঠে বসলো।
” আমার রুমে গিয়েছিলি তুই?” গ’ম্ভীর কণ্ঠের জেরা শুনে কিছুটা ভড়কে গেলো সে।এই লোক নিজে থেকে তার রুমে এসেছে মানে সে বিরাট বড় অ’ন্যায় করেছে নিশ্চিত।কিন্তু কী অ’ন্যায়,এইমুহুর্তে মাথায় আসছে না তার।সাথে সাথে উত্তর না দিয়ে একটু দেরি করে বলল,

” ক…খন ?”
” আমার নিউ ওয়াচ কোথায় ?”
যাক! এইবার তার মনে পড়েছে।এটা তো ছোট একটা অ’ন্যায়।এটার জন্য আবার তূর্য ভাই ক’ষ্ট করে তার রুমে আসতে গেলো কেন! তাকে ডাকলেই সে চলে যেতো।আহি বিছানা থেকে নেমে জুতা পরতে পরতে বলল,
” সেটা তো আরাফকে বার্থডে গিফট দিয়ে দিয়েছি !”
অবাকের চ’রম পর্যায়ে গিয়ে ঠেকলো তূর্য। ভ্রু কুঁচকে অ’বিশ্বাসের কন্ঠে বলল, ” হোয়াট? গিফট দিয়েছিস মানে ? আমি একদিনও হাতে দেইনি ,আহি! তুই দাম জানিস ওটার?”
” কতই বা হবে এক থেকে দেড় লাখই তো ?” গা ছাড়া ভঙ্গিতে বলল আহি।
“এক থেকে দেড় লাখ তোর টাকা মনে হচ্ছে না?
লাস্ট ওয়ার্নিং দিচ্ছি,ইন ফিউচার যদি আমার আর কোনো জিনিসে হাত দিয়েছিস ,তোর হাত আমি কেঁ’টে রেখে দিবো বে’য়াদব ”

” গিফট কী আর টাকা দিয়ে বিচার করতে হয়! গিফট তো গিফটই।ছোটলোক! “শেষ কথাটা বিড়বিড় করে বলল আহি।
” এত গিফট দিতে ইচ্ছা করে তোর বা’পের টাকায় দিবি।আমার জিনিস হাতিয়েছিস কেন?বড়লোক!”
যাক বাবা! বিড়বিড় করে বলেও কাজ হলো না।শেয়ালের কান!
আহি কেবলার মতো দাঁত বের করে বলল,
” আমার বা’প বাড়িতে ছিল না। তাই আমার সন্তানের বা’পেরটা নিয়ে নিয়েছি ”
আহির কথা শুনে বে’কুব বনে গেলো তূর্য।শেষে কিনা ওই গাঁ’ধার সন্তানের বা’প বানিয়ে দিলো? ও নিজেই একটা গাঁ’ধা আর যেটা জন্ম দিবে সেটাও আরেকটা গাধা হবে নিশ্চিত ।দুই গাঁ’ধা একসাথে পালবে কিভাবে সে ?চোখ বন্ধ করে নিজেকে শান্ত রাখার বৃ’থা চেষ্টা করলো তূর্য এবং বলল,

“আমি তোর সন্তানের বা’প,ই’ডি’য়েট ?”
” আল্লাহ! আপনার সন্তান আর আমার সন্তান তো এক ই ,ভাইয়া।আমি আপনার সন্তানের ফুপি হবো না ? আর ভাজতে – ভাতিজিরা তো ফুপিদের সন্তানের মতোই। ”
আহির আজ’গুবি যুক্তি শুনে কিছুক্ষণ ‘ থ ‘ মেরে চোয়াল শ’ক্ত করে দাঁড়িয়ে থাকলো তূর্য। এসব যুক্তি এই ব’লদ ছাড়া আর কারো মাথায়ই আসতে পারে না।জীবনেও না! ব’লদের গোডাউন একটা!
” বের হ,বে’য়াদব ” দাঁতে দাঁত চেপে বলল তূর্য।
আহি খাটে পা ঝুলিয়ে বসে দুই হাত দ্বারা পিছনে বিছানার উপর ভর দিয়ে আয়েশ করে বসতে বসতে বলল,
” তূর্য ভাই,আপনি বোধহয় ভুলে যাচ্ছেন আমি আপনার রুমে না আপনি আমার রুমে এসেছেন । চাইলে আপনি চলে যেতে পারেন !”
তূর্য আহির দিকে এগোতে এগোতে বলল,

” যাবো না।কি করবি তুই ?”
আহি বিছানা থেকে উঠতে উঠতে বলল,
” কি করবো? নিজেই বেরিয়ে যাবো !”
বলে দ্রুত তূর্যকে পাশ কাটিয়ে চলে গেল।
তূর্য ধীরে ধীরে পা ফেলে বিছানার দিকে এগিয়ে গেলো।দুই হাতে মাথা চেপে ধপ করে সেখানে বসে পড়েছে।এই যে সে একটু ক’ড়া কন্ঠে কয়েকটা কথা বলেছে ফা’জিল মেয়ে নিচে গিয়ে জনে জনে বলে বেড়াবে ‘একটা ঘড়ি নিয়েছিলাম তূর্য ভাইয়ের ।সেই অ’পরাধে তিনি আমাকে মে’রেছেন ‘ এই বিষয়ে তার কোনো স’ন্দেহ নেয়।অথচ,শেষ কবে আহির গায়ে হাত তুলেছে মনে নেয় ।ছুঁ’চো মে’রে হাত গ’ন্ধ করে কী লাভ তার?
তবে এভাবে চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই মা’র ওকে খেতে হবে।মা’র খাওয়া ফরজ হয়ে গেছে বে’য়া’দবটার।

জানালার পাতলা পর্দা ভেদ করে ভোরের আলো ধীরে ধীরে ঢুকে পড়েছে ড্রয়িং রুমে।বাইরের রাস্তায় গাড়ির হর্ন এখনো শুরু হয়নি , কেবল দূরের গাছের ডালে কিছু পাখির ডাক ভেসে আসছে।রান্নাঘরে চায়ের পানি ফুটাচ্ছেন মারুফা বেগম।
ফুটন্ত পানির টুপটাপ শব্দ যেন সকালের নীরবতার সঙ্গে মিলেমিশে যাচ্ছে।কাচের জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে আকাশ___নীলচে,হালকা রোদে ঝলমল করছে ।তবে এখনো দুপুরের মতো তীব্র হয়নি।
তূর্য ড্রয়িং রুমের সোফায় বসে খবরের কাগজ পড়ছে।কিছুক্ষণের মধ্যে আকবর চৌধুরী আসলেন ।তার সাথে সাথেই হাত ধরে আসছে তাহি ।আকবর চৌধুরী এসে তূর্যের বিপরীত পাশের সোফায় বসলেন।তার পাশ ঘেঁষেই তাহি বসেছে ,আর নানান কথা বলছে।বাবাকে দেখে তূর্য সামনে থাকা কাচের টি – টেবিলের উপর খবরের কাগজ রেখে ট্রাউজারের পকেট হতে মোবাইল বের করলো।আকবর চৌধুরী খবরের কাগজ হাতে তুলতে তুলতে বললেন,

” কংগ্রাচুলেশন’স !”
” থ্যাংক ইউ ”
” আব্বু,তুমি ভাইয়াকে কংগ্রেস কেন করলে?”
” তোমার ভাইয়া ডিফিকাল্ট একটা অপারেশন সাকসেসফুলি সম্পন্ন করেছে।সেটা কাল রাতে নিউজেও দেখলাম সেজন্য।বুঝলে?”
তাহি বাবার পাশ থেকে উঠে ভাইয়ের পাশে গিয়ে বসে খুশিতে গদগদ হয়ে বলল,
” কংগ্রাচুলেশন ,ভাইয়া”
তূর্য ফোনটা পাশে রেখে তাহিকে নিজের কোলে বসিয়ে গালে একটা চু’মু খেয়ে আদুরে গলায় বললো,
” থ্যাংকিউ,ভাইয়া ”

আহি ঘুম থেকে উঠে কেবল নিচে নামছিল।তাহিকে তূর্যের কোলে দেখে কিছুটা মন খারাপ হলো। তবে সেটা তাহিকে কোলে নিয়েছে বলে নয়!এই যে তূর্য ভাই তাহির সাথে সবসময় কী সুন্দর করে কথা বলেন। প্রত্যেকটা কথার শেষে হয় ভাইয়া নাহলে আপু জুড়ে দেয়।আর তার সাথে কথা বলার সময় খ্যাঁ’ক খ্যাঁ’ক করে আর প্রত্যেকটা কথার শেষে বে’য়াদব, ই’ডিয়েট নাহলে বদ’মাশ ইত্যাদি ইত্যাদি ট্যাগ লাগিয়ে দেবেন।
সেও তো তূর্যকে তাহির মতোই ভালোবাসে।একদম আপন ভাইয়ের মতো!যদিও তাদের বাড়িতে আপন ,চাচাতো বলে কোনো বি’ভেদ নেয়।সব বি’ভেদ তূর্য ভাই করে রেখেছেন।
চাচাতো বোনের নজরে দেখলেও হতো। সে তো পুরো স’তীনের নজরে দেখে।
মনে মনে এসব ভাবতে ভাবতে একটা চেয়ার টেনে বসে টেবিলের উপর থেকে এক কাপ চা আর একটা টোস্ট নিয়ে খেতে লাগলো সে।
এদিকে আকবার চৌধুরী পেপার পড়ছেন আর থেকে থেকে তূর্যকে কিছু প্রশ্নও করছেন।তূর্য সেগুলোর উত্তর দিচ্ছে আর মাঝে মাঝে নিজে থেকেও কিছু বলছে। একপর্যায়ে আকবর চৌধুরী প্রশ্ন ছুঁড়লেন,

” শুনলাম ট্যুরে যাচ্ছো নাকি?”
” হ্যাঁ ”
” কবে যাবে বলে ঠিক করেছ ?”
” এইতো দুই – তিন দিন পরেই ”
ঘুরতে যাওয়া নিয়ে আলাপচারিতা শুনে আহি দ্রুত চা আর টোস্ট টেবিলে রেখেই আকবর চৌধুরীর পাশে এসে দাঁড়িয়ে উৎফুল্লতার সহিত বলল,
” তূর্য ভাই,আমিও যাবো ”
তূর্য ক’ড়া দৃষ্টি মেলে আহির দিকে তাঁকালো।তার ক’ঠিন দৃষ্টি দেখে আহি বড় আব্বুকে মিনমিন করে বলল,
” বড় আব্বু,আমাকেও নিয়ে যেতে বলুন না।আমার তো এক্সাম শেষ !”
” দেখো তোমার ভাই যদি নিয়ে যায় তবে যাও”
” তূর্য ভাই ? নিবেন?”খুব গতি নিয়ে কথাটা শুরু করলেও তূর্যের চাহুনি দেখে আস্তে আস্তে কথাটার গতি কমে যায়। কণ্ঠটা মিনমিনে শোনায়।

তূর্য তাহিকে কোল থেকে নামিয়ে উপরে যেতে যেতে রান্নাঘরে মারুফা বেগমের উদ্দেশ্যে বলল,
” মেজো মা? আমার কফিটা উপরে পাঠিয়ে দিবেন,প্লীজ”
আহি মুখ গো’মড়া করে একটা আফ’সোসের নিশ্বাস ছাড়ল।পরমুহুর্তেই মুখে হাসি ফুটলো। ভাবলো, আজ তূর্যকে কফি দিতে সে যাবে।সেই সুযোগে আরেকটু বলে দেখবে।দেখা যাক মন নরম হয় কিনা !
” আর হ্যাঁ,কফিটা তাহিকে দিয়ে পাঠিয়েন না হলে আমি এসে নিয়ে যাবো।অন্য কেউ যেন আমার রুমে পা না ফেলে ”

প্রণয় ব্যাকুলতা পর্ব ৮

মাঝ সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে আহির দিকে তাঁকিয়ে মারুফা বেগমের উদ্দেশ্যে কথাটা বলে আবার সিঁড়ি বেয়ে উপরে হাঁটা শুরু করলো তূর্য।
যাহ বাবা! এতক্ষণ ধরে যে পরিকল্পনা করলো সব বিফলে চলে গেলো? থাক ,কোনো ব্যাপার না! হাতে এখনো দুই তিনদিন সময় আছে।কফি দিতে না যাক এমনি একদিন যাবে । ঘুরতে যাওয়ার জন্য নাহয় একটু বে’হায়া হলোই।তাতে সমস্যা কী?

প্রণয় ব্যাকুলতা পর্ব ১০