প্রেমের পাঁচফোড়ন সিজন ২ পর্ব ৫৭
Afnan Lara
আহানা ঘুম ঘুম কণ্ঠে বললো”থ্যাংক ইউ”
শান্ত হয়ত শুনলো না,সে এখন নানা চিন্তায় বিভোর,চিন্তা করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গেলো সে
পরেরদিন সকালে আহানা যখন ঘুম থেকে উঠলো তখনই ওর হুস আসলো যে আসলেই কাল রাতে কি কি হয়েছিলো,সে কি কি করেছিলো
সব মনে পড়তেই জিভে কামড় দিয়ে আহানা পাশে তাকালো,শান্ত উপুড় হয়ে ঘুমাচ্ছে এক কোণায়
আহানা আর ওখানে না থেকে বিছানা থেকে নেমে ওয়াসরুমের দিকে দৌড় দিলো
আয়নার কাছে এসে নিজেই নিজেকে দেখে লজ্জায় লাল হয়ে টমেটো সস হয়ে গেলো একদম
তারপর চোখ বুজে কোনো রকম ফ্রেশ হয়ে রান্নাঘরে চলে আসলো
শান্তর সামনে আর যাওয়া যাবে না,লজ্জায় তার মাথা কাটা যাচ্ছে সব ভেবে
চুপচাপ নাস্তা বানিয়ে নিলো আহানা,কাজ করার সময় সে খেয়াল করলো রিপা ওর দিকে চেয়ে মিটমিট করে হাসছে
এর কারন কি আহানা বুঝলো না তারপর কৌতুহলবশত জিজ্ঞেস করেই বসলো “যে কি সমস্যা?এরকম হাসার কারণ কি”
রিপা হাসি থামিয়ে বললো”না তো কিছু না,এমনি ”
আহানা আর জেরা করলো না,খাবারগুলো নিয়ে টেবিলে রাখতে গিয়েই দেখলো শান্ত গোসল করে তোয়ালে দিয়ে মাথা মুছতে মুছতে এদিকেই আসতেছে
পরনে হালকা নীল রঙের টিশার্ট আর গলায় ঝুলানো সাদা তোয়ালে,চুলগিলো এলোমেলো হয়ে আছে,ভিজে একাকার
আহানা কিছুক্ষনের জন্য সব কিছু ভুলে গিয়ে দাঁড়িয়ে শান্তকে দেখলো তারপর সব আবার মাথায় আসতেই পালিয়ে রান্নাঘরের দিকে গেলো সে
শান্ত সোফায় বসে টিভি অন করলো তারপর চেঁচিয়ে বললো”মা!!!খাবার খেতে আসো,নিতু তুমিও আসো,আমি সবার সাথে নাস্তা করে তারপর অফিসে যাবো”
নিতু চুলে জুটি করে এসে চেয়ারে বসেছে শান্তর কথামতন আর মা ও তার হুইলচেয়ার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে এদিকে আসলেন,রিপাও গেছে সার্ভ করতে এদিকে আহানা নড়ছে না রান্নাঘর থেকে,তার খুব লজ্জা লাগছে শান্তর সামনে যেতে
যে কিসের জন্য সে শান্তকে চড় মেরেছিলো সেই কিস কিনা সে নিজ থেকেই করে দিলো
হায়হায় কি লজ্জাকর একটা ব্যাপার!
শান্ত খেতে বসে এদিক ওদিক চেয়ে বললো”আহানা কোথায়?”
রিপা শান্তি রহমানের প্লেটে রুটি রাখতে রাখতে বললো”সে তো এতক্ষণ রান্নাবান্না সব করেছে,তাও রান্নাঘরে এখনও,মনে হয় চা বানাচ্ছে”
আহানা খেতে আসো,চা পরে হবে
আহানা ঢোক গিলো রান্নাঘরের দরজার কাছে এসে আড়ালে থেকে বললো”আমার শরীর খারাপ তো,পরে খাবো,খিধে নেই এখন”
শান্তর মনে পড়লো আহানার জ্বরের কথা,সে এবার এক ধমক দিয়ে বললো”তোমার জ্বর তার মধ্যে এতসব নাস্তা বানিয়েছো এখন আবার নাস্তা করতে লেট করছো,জলদি করে নাস্তা করে ঔষুধ খাও,আসো এদিকে!”
আহানা এবার কি করবে?কি বলবে?
কোনো উপস্থিত উপায় না পেয়ে মাথা নিচু করে ফ্লোরের দিকে চেয়ে সে পা টিপে টিপে ডাইনিং রুমে আসলো
শান্ত খেয়াল করেছে আহানা ভুলেও ওর দিকে তাকাচ্ছে না,কোনোমতে মায়ের দিকে চেয়ে উনার পাশে গিয়ে বসেছে সে
শান্ত আর ব্যাপারটা নিয়ে ভাবলো না,নাস্তা করে উঠে রুমে গেলো রেডি হতে
আহানা চায়ের কাপ হাতে নিয়ে রিপাকে খুঁজছে,শান্তকে দিয়ে আসার জন্য, সে কিছুতেই যাবে না
কিন্তু সমস্যা হলো রিপা নিতুকে রেডি করে দিচ্ছে ওর স্কুল বাস যেকোনো সময় চলে আসবে তাই
আহানা তাই বাধ্য হয়ে চায়ের কাপ নিয়ে করিডোর দিয়ে এসে চোরের মতন শান্তর রুমে ঢুকলো
শান্ত তখন বিছানায় বসে হাতে ঘড়ি পরছিলো
আহানা ওর দিকে চায়ের কাপটা বাড়িয়ে ধরে বললো”নিন”
শান্ত কাপটা নিলো তারপর আহানাকে কিছু বলার আগেই ও চলে যেতে নিলো,শান্ত তার আরেক হাত দিয়ে আহানার হাত ধরে ওকে আটকে ফেললো
আহানা চুপ করে আরেকদিকে ফিরে আছে
কি ব্যাপার বলোতো?আমার চোখে চোখ রাখতে এত কিসের সমস্যা??
এমনটা নয়ত যে কাল যে পাকনামি করছো তার মানে এখন বুঝে ভেতরে ভেতরে লজ্জায় মরে যাচ্ছো?
আহানা জিভ দিয়ে ঠোঁটজোড়া ভিজিয়ে বললো”নাহহহ তো!আসলে”
শান্ত আহানাকে টান দিয়ে নিজের কোলে বসিয়ে ফেললো তারপর চুপ করে ওর দিকে চেয়ে বললো”যাই হোক,যেটা করেছো ভালোই করেছো,নেক্সট টাইম তাহলে আর চড় খেতে হবে না আমাকে,কি বলো?”
আহানা নিচের দিকে তাকিয়ে আছে,কোনো কথা নেই মুখে
শান্ত ওকে দুলাতে দুলাতে বললো”কেমন লাগছে বরের কোলে বসে??দুলতে কেমন লাগছে?”
আহানা মনে হয় এবার মরেই যাবে লজ্জায়,উঠতে গিয়েও পারছে না
শান্ত ওর এক হাত দিয়ে আহানার পিঠ ধরে রেখেছে আরেক হাত থেকে চায়ের কাপ রেখে সেই হাত দিয়ে আহানার হাত ধরে রেখেছে
আহানা নিজেকে শক্ত করে বললো”মা কি করছে গিয়ে দেখে আসতে হবে,আমি যাই?”
শান্ত আহানার হাত ছেড়ে দিয়ে বললো”যান!সাবধানে থাকিয়েন”
আহানা কথাটা শুনে থেমে গিয়ে শান্তর দিকে তাকালো,তারপর এগিয়ে এসে শান্তর কোটটার দিকে চেয়ে বললো”আপনার বুকের ক্ষতটা সেরেছে?দেখি একটু”
সেরেছে,হালকা একটু বাকি,সেটাও ঠিক হয়ে যাবে
আজ অফিসে না গেলে হয় না?
কাজ কে করবে?এমনিতেও প্রচুর মিস দিয়েছি আর দেওয়া সম্ভব না,ডোন্ট ওয়ারি
শান্ত ল্যাপটপের ব্যাগটা হাতে নিয়ে চলে গেলো
আহানা দরজার কাছে এসে ওর চলে যাওয়া দেখছে,ও চলে যেতেই আহানা এবার শান্তি রহমানের রুমে এসে হাজির হলো,উনি বারান্দার কাছে বসে গন্ধরাজ ফুলগুলোর সারি দেখছেন হাতে তফসি নিয়ে
মা একটা কথা বলবো??
মা বারান্দা থেকে চোখ সরিয়ে আহানার দিকে তাকালেন এবার
আহানা মুচকি হেসে বললো”তোমার শান্ত কি কাউকে ভালোবাসতো?
মা হাসলেন তারপর হুইলচেয়ার ঘুরিয়ে চললেন শান্তর রুমের দিকে
আহানাও এক রাশি প্রশ্ন নিয়ে উনার পিছু নিলো
উনি শান্তর রুমে ঢুকে ওর আলমারির কাছে আসলেন তারপর আলমারিটা খুলে নিচের ডেস্ক গুলো খুঁজে খুঁজে একটা ছবি বের করলেন যেটা কদিন আগে আহানাও দেখেছিলো
মা ছবিটা আহানার দিকে বাড়িয়ে ধরলেন
আহানা ছবিটা হাতে নিয়ে আবারও তাকালো মায়ের দিকে,কারণ কিছুই বুঝলো না সে
মা এবার নিজের আঁচলে জুলন্ত একটি চাবির গুচ্ছ একটা ছোট চাবি বের করে সেটা দিয়ে ৩য় তম ডেস্কটা খুললো,ভেতরে ১০/১৫টা ছবি,এখানে সব ছবি শুধু আহানার ছোটবেলার ছবি
এই ডেস্কটা সেদিন আহানা দেখেছিলো তবে লক ছিলো বলে সে খুলতে পারেনি,এর চাবি শান্ত আর তার মায়ের কাছে আছে তাহলে?
মা ছবি সব আহানার হাতে দিলেন
আহানার আর বুঝতে বাকি নেই শান্তর সেই অত্যন্ত কিউট আর দুষ্টু প্রেমিকাটি সে নিজেই”
আহানা মুখে হাত দিয়ে পিছিয়ে গেলো,মা হেসে রুম থেকে চলে গেলেন চেয়ার ঘুরিয়ে
আহানা ছবিগুলো হাতে নিয়ে চুপ করে আছে,শান্ত ওকে ছোট থেকেই ভালোবাসতো?
তাহলে মুখে কেন বলে না সে?
কেন স্বীকার করে না?
আহানার ফোন বাজতেছে,সেই কখন থেকে
টোনের আওয়াজ কানে আসতেই আহানা ছবিগুলো এক পাশে রেখে ফোন হাতে নিলো,রুপার কল
রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে কান্নার আওয়াজ ভেসে আসলো
যেন মরাকান্না,আহানা কিছুটা ভয় নিয়ে জিজ্ঞেস করলো আঙ্কেল আন্টি ঠিক আছে কিনা
রুপা কাঁদো কাঁদো স্বরে বললো “ঠিক আছে”
তাহলে এমন মরাকান্না জুড়ে দিয়েছিস কি জন্যে?কে মরছে তোর?
নওশাদ ভাইয়া ঠিক আছে তো?
আরে সব ঠিক আছে,জিজ্ঞেস কর আমি কেমন আছি
ওহ,তোর কি হলো?
আমি এখন তোদের বাসায় তোর রুমে ঘাপটি মেরে বসে আছি আর তোর আম্মু এক গ্লাস ট্যাংয়ের শরবত হাতে ধরিয়ে দিয়ে চলে গেছে নাস্তা বানাতে
ওমা সেকি,তুই আমাদের বাসায় গেছিস কেন?আমি তো শান্ত ভাইয়াদের বাসায়,আর মরাকান্না শুরু করলি ক্যান সেটা তো বললি না?
শান্ত ভাইয়া?আর ইউ সিরিয়াস আহানা?বিয়ের এতদিন হলো তুই এখনও ভাইয়া বলিস?তোর থেকে তো এডভাইস নিলে মনে হয় আমার দুদিনে ডিভোর্স হবে
ওসব বাদ দিয়ে আগে বল কাঁদতেছিলি কেন?
বাবা জোর করে কোথাকার কোন বুইড়া সরকারি চাকরি করা ছেলের সাথে বিয়ে দেওয়া ধরছিলো তাই ভেগে এসেছি তোদের বাসায়
বাহ!নওশাদ ভাইয়া জানে?
সেটাই তো মেইন সমস্যা! নওশাদ বিদেশে গেছে একটা কাজে,আজই ফিরবে,এখন কথা হল কি করে কি হবে আমি কিছুই বুঝতেছি না,তুই প্লিস আয়
আহানা বিচলিত হয়ে বললো”আচ্ছা কাঁদিস না,আমি আসতেছি,দেখি কি করা যায়”
আহানা সাইড ব্যাগ নিয়ে মাকে বলে বাসা থেকে বেরিয়ে গেলো সোজা তার বাসায়,শান্তকে ফোন করে কিছু বলার আগেই শান্ত বললো সে সবটা জানে,নওশাদ ওকে বলেছে সব
আর সে নওশাদকে এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে ওকে নিয়ে আহানাদের বাসায় আসবে বিকালের দিকে
আহানা তাই নিশ্চিন্তে রুপার কাছে আসলো,রুপা আহানাকে দেখে কান্না থামিয়ে বারবার জিজ্ঞেস করতেছে কি হবে নেক্সট
আহানা ওর হাত থেকে শরবতটা নিয়ে ঢকঢক করে খেয়ে বললো”আমি এমনিতেও ভেজালে আছি,শান্ত ভাইয়া,না মানে শুধু শান্ত সে আমাকে ভালোবাসে তবে মুখে স্বীকার করতে চায় না,এখন তার মুখ দিয়ে কি করে বের করাবো সেটা ভাবতে ভাবতেই মাথায় এসে জুটলো তোর এই চিন্তা,তোরা এক কাজ কর আমি আর
শান্ত যেমন করে বিয়ে করেছি তোরাও সেমন করে কর
আরে কোনোরকম হুজুর ডেকে বিয়ে করে ফেলবো,দলিল লাগবে না,রেজিস্টার পরেও করা যবে যখন পরিবার মানবে তখন এখন আপাতত ধর্মীয় মতে বিয়েটা করতে চাই
ওকে,নওশাদ ভাইয়া আসুক,উনি তোর থেকেও এনাফ ম্যাচিউর,উনি যেটা বলবেন সেটাই হবে,তুই আপাতত কান্না থামা
আহানা সবকিছু বাদ দিয়ে ভাবতেছে শান্ত ওকে ভালোবাসে আর সে নিজেই জানে না সেটা,একটাবার একটু হিনট ও পায়নি সে,কি আজব ব্যাপার,অথচ আমি ভেবেছিলাম অন্য একটা মেয়েকে নিয়ে,তার প্রতিচ্ছবি নিজের চোখের সামনে এনে কত কি ভেবেছিলাম আর সেখানে সেই মেয়েটাই কিনা আমি?
আজ উনার একদিন কি আমার যতদিন লাগে,স্টুপিড একটা!
শান্ত এয়ারপোর্ট থেকে নওশাদকে নিয়ে আহানাদের বাসায় ফিরলো,রুপা দৌড়ে এসে নওশাদকে জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে
আহানা রুপাকে কিছু বলার আগেই শান্ত ওর হাত ধরে টেনে একপাশে নিয়ে আসলো
কি ব্যাপার?এখানে নিয়ে আসলেন কেন কি হয়েছে?
নওশাদের মা নাকি রুপাকে পছন্দ করে না
সেকি!দুই পরিবারই একে অপরকে পছন্দ করে না তাহলে কি করে হবে
সেটাই তো,নওশাদ তার মায়ের মতের বিরুদ্ধেও যেতে পারবে না এদিকে রুপাকেও ছাড়তে পারবে না,এখন সে কি করবে আমার থেকে জানতে চাচ্ছে,আমাদের দুজনেরই পরিবারের মনের মিল ছিল আমাদের চেয়েও অনেক বেশি তাই আমরা এক হয়েছি সো আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই,কি করা যায় তুমি ভেবে বলো
রুপার বাবাকে রাজি করানো একদমই সম্ভব নাহ,উনি হিটলারের বড় ভাই,উনার কথাবার্তা শুনে ভয়ে গলা শুকিয়ে আসে তাই আমার মনে হয় টার্গেট করা উচিত নওশাদ ভাইয়ার ফ্যামিলিকে
তো কি করবা?
আগে বলুন নওশাদ ভাইয়ার মা রুপাকে পছন্দ করে না কেন?
রুপার ফ্যামিলি স্টেটাস লো আর রুপা নওশাদের বরাবর না মানে স্মার্ট না
রুপা তো যথেষ্ট স্মার্ট
আরে আমার কথা হচ্ছে উনার এমন মেয়ে পছন্দ যে বললেই শাড়ী পরতে পারবে আবার বললেই জিন্স,ওয়েস্টার্ন পরতে পারবে
ওসব পড়লেই স্মার্ট হয়ে যায়?বুঝলাম আন্টির মাথায় গোবর ঠেসা,সেটা সাফ করলেই রুপাকে মেনে নেবে
তা সেটা হবে কি করে?
চলুন আমরা যাই নওশাদ ভাইয়ার বাসায়,আমরা বুঝাবো তাদেরকে
আরে আমরা জোয়ান কাপল,আমাদের কথায় কোনো পাত্তাই দেবে না
সেটা আমি জানি,আগে বলেন নওশাদ ভাইয়ার পরিবার আপনাকে চেনে কিনা?
চেনে তো,আমি অনেকবার ওদের বাসায় গেছি
ধুর!তাহলে যা বুঝলাম আমাকেই সব করতে হবে
কি করবা তুমি?
পাশের বাসার আন্টি সেজে যাব
পাশের বাসার আন্টি মানে,ইউ মিন রেক্সিনা আন্টি?
এক্সাকলি
হোয়াট!তুমি রেক্সিনা আন্টি সেজে যাবে নওশাদের বাসায়??গিয়ে কি করবে?
সেটা কাজ হওয়ার পর বুঝবেন এখন আপাতত আমাকে রেক্সিনা আন্টি যে পোশাক পরেন ওগুলা বাজার থেকে এনে দেন জলদি
জীবনেও না,রেক্সিনা আন্টি অলওয়েজ হাতা কাটা একটা ফতুয়ার উপর দিয়ে শাড়ী ঝুলিয়ে কোনোরকম পরে যেন এখনই পড়ে যাবে ওরকম বিশ্রি সাজ তোমায় সাজতে হবে না
আরে নওশাদ ভাইয়ার মা তো বেশি স্মার্ট পছন্দ করেন তো আমি যখন তাকে জ্ঞান দিতে যাব আমাকে তো হাইলি ওভারস্মার্ট হতে হবে তাই না?
প্রেমের পাঁচফোড়ন সিজন ২ পর্ব ৫৬
ফতুয়া আর শাড়ী তো এনে দিবো বাট একটা শর্তে
কি শর্ত আবার?
কোমড় ঢাকবা ভালো করে
এক মিনিট তোমার কাছে কি আর কোনো অপশন ছিলো না?আমাদের তো অনেক পাশের বাসার আন্টি আছে,তাহলে বেছে বেছে রেক্সিনা আন্টিকে চুজ করলা কি জন্যে?
কারণ উনাকে দেখলে বলদ লাগলেও উনার কথার জোর আছে আর সাজ তো জাস্ট কি বলবো,নওশাদ ভাইয়ার আম্মু ইম্প্রেস হলেই হলো
