সুখময় যন্ত্রণা তুমি পর্ব ১২৪+১২৫
neelarahman
নুর কে দেখে সাদাফের যেনো কম্পন শুরু হলো হৃদয়ে।ধুক ধুক করছে বুকের ভিতর।নুর আড়াআড়ি দুই হাত বুকে দিয়ে মাথা নিচু করে করে দাঁড়িয়ে আছে।ডিপ ডিপ করছে বুকের ভিতর। অসহনীয় যন্ত্রনা হচ্ছে।
সাদাফ এগিয়ে এলো নুরের দিকে। নুরের হাত পা কাঁপা কাপি শুরু হয়ে গেলো।সাদাফ এগিয়ে এসে বললো,” ভয় লাগছে? লজ্জা পাচ্ছিস?”
নুর চুপচাপ।কোন কথা নেই।হাত পা কাপছে নুরের।
সাদাফ হাতের শাড়ীর ভাজ খুলে নুরের কোমরে পেঁচিয়ে ধরলো।সাদাফের হাতের স্পর্শে নুর আরো কেঁপে উঠলো।সাদাফের ও হাত কাঁপছে।নুরের উন্মুক্ত উদরে বক্ষদেশে বার বার চোখ না চাইতেও চলে যাচ্ছে।শুকনো ঢোক গিললো বার বার সাদাফ।
নুরের মেদহীন পেট উন্মুক্ত কোমর সদ্য কৈশোর থেকে যৌবনে পা দেয়া নুরের নারী অবয়ব সাদাফের বুকের মধ্যে তোলপাড় শুরু করে দিয়েছে।
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
সাদাফ চোখ বন্ধ করে দীর্ঘ শ্বাস ছাড়লো।বললো,” চোখ বন্ধ করেছি।হাত সরা।শাড়ী পড়িয়ে দিচ্ছি।”
নুর চোখ খুললো ।সাদাফের দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে বুক থেকে হাত সরালো। ব্লাউজ পেটিকোট সম্পুর্ন নুরের সাইজের।সাদাফ ধীরে ধীরে নুরের শাড়ীর কুচি গুলো দিতে লাগলো। কুচি সব গুলো হাতে নিয়ে সাদাফ বললো কুচি গুলো গুঁজে নে।নুর হাত পাতলো।তাকালো সাদাফের দিকে।
দেখলো সাদাফের চোখ বন্ধ।নুর কুচি গুলো গুঁজে নিলো।সাদাফ ধীরে ধীরে ঝুকে এসে নুরের কানে কানে বললো,” কিছুক্ষণ পর খুলতেই হবে তাহলে পড়িয়ে লাভ কি?”
নুরের হাত থমকে গেলো।সাদাফ চোখ খুললো।খুলে মুচকি হেসে সাদাফ নুরের বুকের আঁচল ঠিক করে দিলো।নুর নিচের দিকে তাকিয়ে আছে।সাদাফ নুরের হাত ধরে আয়নার সামনে দাড় করিয়ে এলোমেলো চুল গুলো আচড়িয়ে দিলো।তার পর হাত দিয়ে পেচাতে লাগলো। কিন্তু খোপা করতে পারছেনা। বারবার হাত ফসকে চুল পড়ে যাচ্ছে।নুর বললো,”আমি করছি।” সাদাফ বললো,” হুম পারছিনা।এটা তুই কর।বাকি গুলো আমি করছি।”
বলেই ফুলগুলো বের করলো সাদাফ।
নুরের খোঁপা করা হলে সাদাফ খোঁপায় কাঠগোলাপ লাগিয়ে দিলো। হাতে গলায় পড়িয়ে দিলো বেলি ফুলের মালা।নুর এখোনো নিজেকে আয়নায় দেখেনি।
সাদাফ আয়নায় নুরের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।যেনো নুর নয় কোন ডানা কা*টা পরী।
সাদাফ ঘোর লাগা কন্ঠে ফিসফিস করে বললো,”চোখ খুলে দেখ নুর।মিসেস সাদাফ কে দেখ।দেখ আমার নুরজাহান কে কেমন লাগছে।
”
নুর কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে চোখ দুটো তুলে ধীরে ধীরে তাকালো আয়নার দিকে ।আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে যেন নিজে চিনতে পারছে না নুর ।এ কোন নূর দাঁড়িয়ে আছে আয়নার সামনে ।এই নুর কে তো চিনে না নূর।
নুর হতবিহবল হয়ে তাকিয়ে রইল আয়নায়।নিজেকে নিজের কাছে অজানা লাগছে ।পিছনে দাঁড়িয়ে আছে সাদাফ মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে নূরের দিকে ।যেন আয়না ভেদ করে সাদাফের দৃষ্টি নূরের এফোর ওফোর করে দিচ্ছে হৃদয়টাকে।
সাদাফ নুরের দিকে তাকিয়ে বললো,” চিনতে পারছিস নুর ?তাকিয়ে দেখ সামনে ।ওই যে মিসেস সাদাফ। সাদাফের নূর ।আমার নূর ।আমার নুরজাহান।”
নুর তাকিয়ে আছে।
তারপর সাদাফ ঘোর লাগা কন্ঠে বললো আর দেখিসনা নূর ।নজর লেগে যাবে ।আজ তোর উপরে নজর লাগার অধিকার তোরও নেই ।আজ তোর উপরে নজর লাগবে শুধু আমার ।সাদাফের।
বলেই সাদাফ নুর কে পাঁজাকোলে করে নিজের কোলে তুলে নিল ।নূর সাথে সাথে চোখ দুটো বন্ধ করে দুহাত দিয়ে খা*মচে ধরলো সাদাফ এর শার্ট।
নুরকে কোলে নিয়ে ধীরে ধীরে বিছানায় সুন্দর করে বসিয়ে দিল সাদাফ।বসিয়ে দিয়ে হাঁটু ভে*ঙ্গে বিছানার সামনে বসে এক দৃষ্টিতে অপলক চেয়ে রইলো নূরের দিকে।
এই দিন এইখন এই মুহূর্ত মনে মনে কত প্রতীক্ষা করেছে সাদাফ।
এই প্রথম নুরকে দেখে সাদাফের ঠোঁট বারবার শুকিয়ে যাচ্ছে ।সাদাফ জিভ দিয়ে বারবার শুষ্ক ঠোঁট জোড়া ভিজিয়ে নিচ্ছে আর শুকনো ঢোক গিলছে বারবার।
নুরের দিকে এইভাবে সাদাফ তাকিয়ে থাকার কারণে নূর যেন লজ্জায় মাথা তুলতে পারছে না ।মুখ দিয়ে একটি কথা ও বলতে পারছে না নূর।
সাদাফ এক হাত বাড়িয়ে ধীরে ধীরে নূরের ডান হাতটি নিজের হাতে নিল ।সাদাফের হাতের তালু ঘেমে উঠেছে।
নূরের হাত নিয়ে ধীরে ধীরে হাত টি সাদাফ নিজের গালের কাছে এনে নূরের উষ্ণ গরম হাত গালে ছোঁয়ালো ।তারপর ধীরে ধীরে হাতের পৃষ্ঠে একটু চু*মু খেয়ে গভীরভাবে বেলি ফুলের নিঃশ্বাস নিলো হাত থেকে।
নুর সাথে সাথে চোখ জোড়া বন্ধ করে ফেলল ।ঠোট দুটো অস্বাভাবিকভাবে তির তির করে কাঁপছে নূরের।সাদাফ নুরের দিকে তাকিয়ে বার বার শুকনো ঢোক গিলছে ।নূরের দিকে তাকিয়ে কেন এমন হচ্ছে সাদাফ বুঝতে পারছে না।
এমন তো নয় নুরকে প্রথমবার স্পর্শ করতে সাদাফ এর আগেও নূরকে ছুঁয়েছে জড়িয়ে ধরেছে চু*মু খেয়েছে ।কিন্তু আজকে কেন যেন সবকিছু অদ্ভুত এবং অবাক মনে হচ্ছে সাদাফ এর কাছে।
সাদাফ নুরের হাত ধরে থাকায় নুরের শরীরের কম্পন স্পস্ট অনুভব করছে।সাদাফ উঠে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে বিছানায় নুরের কাছে এসে বসলো। কিছকিছুক্ষণ অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে রইলো। ধীরে ধীরে নুরের কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললো,” এই প্রথম আমার ভয় লাগছে নুর।হয়তো তোর চেয়েও বেশি।
নুর চোখ তুলে তাকালো সাদাফের দিকে।সাদাফ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছে নুরের দিকে।নুর কাঁপা কাঁপা কন্ঠে বললো,” পানি খাবেন?”
সাদাফ,” না সুচক মাথা নাড়ল।”বললো,”না।এই তৃষ্ণা পানিতে মিটবে না।আমার শুষ্ক ঠোঁট আজ অন্য কিছু চায় নুর।তোর ইষৎ উষ্ণ আলিঙ্গন, তোর কম্পমান ঠোঁট জোড়ার স্পর্শ।
তোর হৃদয় নিংড়ানো ভালো বাসা তোর কোমল শরীরের উষ্ণতা, তোর বুকে চুমু খাওয়ায় অনুভূতি তোর মাঝে ডুবে যাওয়ার স্বাদ পেতে চায় নুর।দিবি? বিনিময়ে একটু সুখময় যন্ত্রনা দিবো তোকে।আমার সব টুকু ভালোবাসা উজার করে দিবো।নিবি না?”
নুরের বুকের মধ্যে তোলপাড় শুরু হলো সাদাফের কথা গুলো শুনে।
জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে নুর।বুকের উঠানামা ললক্ষ্য করছে সাদাফ।নুর কিছুই বলার সুযোগ না দিয়ে আকড়ে ধরলো নুরের উষ্ণ ঠোঁট জোড়া।নুর সাথে সাথেই চোখ জোড়া বন্ধ করে ফেললো।বাড়তে লাগলো সাদাফের চু*মুর প্রখরতা।নুর পারছে না নিজেকে সামলে নিতে। খাঁ*মচে ধরলো সাদাফের শার্টের কলার।
এদিকে বাইরে হঠাৎ শুরু হলো ঝড় হাওয়া।যেনো সব ভেঙ্গে চুরে শান্ত হতে চাইছে।সাদাফ ছাড়লো নুর কে।নুর হাপিয়ে উঠেছে।সাদাফ এবার পাগ*লের মতো নুরের গালে কপালে থুতনি তে চু*মু খেতে লাগলো।নুর দুহাতে জড়িয়ে ধরলো সাদাফের গলায়।
সাদাফ ধীরে ধীরে নুরের শাড়ীর আঁচলে হাত রাখলো। সাথে সাথেই নুর ধরে ফেললো সাদাফের হাত।সাদাফ তাকালো নুরের দিকে।ঘোর লাগা কন্ঠে ফিসফিস করে বললো,” হাত সরা।আজ কোন বাধা মানবো না।”
নুর বুঝতে পারলো সাদাফ আজ মানবে না তাই ধীরে ধীরে হাত আলগা করলো নুর।সাদাফ নুরের ঠোঁটে ঠোঁট দিয়ে আকড়ে ধরলো আবার।নুর চোখ বুজে ফেললো।ধীরে ধীরে সরিয়ে ফেললো নুরের বুকের আঁচল।নুর শরীর ধীরে ধীরে এলিয়ে দিলো বিছানায়।
সুখময় যন্ত্রণা তুমি পর্ব ১২২+১২৩
যেনো শরীরের ভার আর বইতে পারছে না নুর।সাদাফ নুর কে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে গায়ের শার্ট খুলতে লাগলো।নুর দুহাতে নিজের মুখ ঢেকে ফেললো।সাদাফ শার্ট টি খুলে ছুড়ে ফেললো দুরে কোথাও।
