হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ৩৪
সিনথিয়া ইসলাম সীমা
দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে এক বিশেষ উপহার ও আনন্দ উৎসব হলো ঈদ-উল ফিতর। দূর দূরান্তের স্বজন দের সম্মিলনের মাধ্যমে এদিন মেতে থাকে প্রতিটি মুসলিম ঘর। বাচ্চাদের আনন্দে সরব হয়ে উঠে চারিপাশ। পৃথিবীর বুকে এ যেন এক অতুলনীয় দৃশ্য।
ভোরের আলো ফোটার আগেই রান্নাবান্নার কাজে লেগে পড়েছে হুমায়রা। এদিক ওদিক হাত চালিয়ে ফ্রিজের নিকট এগিয়ে গেলো সে। হাতের টানে নরমাল আলগা করতেই সেখানে দৃশ্যমান হলো দুটো বেলিফুলের গাজরা। তৎক্ষণাৎ চোখ বড় বড় হয়ে গেল রমণীর। কিছুক্ষণ অবাক চোখে তাকিয়ে রইল। পরপর গাজরা দুটো হাতে নিয়ে ভাবনার জগতে ডুব দিল,
“ এইগুলো কে আনলো? বাড়িতে তো আপাতত কৃশান ছাড়া আর কেউই বাইরে যায়না না। তাহলে কি মানুষটাই আনলো তার জন্য? ”
ভাবতেই মুখে হাসি ফুটল। গাজরা দুটো উল্টে পাল্টে দেখল কিছুক্ষণ। তার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না যে এগুলো কৃশান এনেছে। অবশ্য আজকাল মানুষটার সব কান্ড কারখানাই কেমন অবিশ্বাস্য। অত বেশি ভাবতে গেল না সে। গাজরাগুলো আগের স্থানে রেখে আবারও কাজে লেগে পড়ল।
কাজের ফাঁকেই হুমায়রার হঠাৎ মনে পড়ল- মানুষটাকে গিয়ে ঘুম থেকে উঠাতে হবে। খানেক বাদেই ঈদের নামাজের জামায়াত শুরু হয়ে যাবে।
তড়িঘড়ি করে রুমের উদ্দেশ্যে হাঁটা দিল হুমায়রা। দরজার সামনে আসতেই পদ যুগল থেমে গেল মেয়েটার। ভিতরে ওয়াইন কালারের পাঞ্জাবি পরিহিত লম্বা চওড়া যুবককে নজরে আসতেই স্থীর হলো দৃষ্টি। উজ্জ্বল শ্যামবর্ণের সেই চেনা পুরুষটিকে আজ যেন পুরোপুরি অচেনা লাগছে। বখাটের কোনো চিহ্ন নেই তার মাঝে। যা আছে তার পুরোটাই মুগ্ধতা।
মিররের সামনে দাঁড়িয়ে যেলের সাহায্যে এলোমেলো চুলগুলো ঠিক করছিল কৃশান। তখনি দর্পণের কোণে দেখতে পেল কাঙ্ক্ষিত রমণীর অনড় অবয়ব। ওভাবেই ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল সে। হুমায়রার বিস্ময়ভরা চোখে চোখ রেখে ভ্রু নাচাল। ওমনিই নড়েচড়ে উঠল হুমায়রা। ঘন ঘন পল্লব ঝাপটে নিজেকে স্বাভাবিক করে নিল। এগিয়ে এসে প্রশ্ন ছুঁড়ল,
“ নামাজে যাচ্ছেন? “
স্ত্রীর দ্বিধান্বিত চোখ দেখে কৃশান ভাব নিয়ে চুলে হাত দিল। সেগুলো পিছন ঠেলে বলল,
“ শোন, আমি বখাটে ঠিক আছে। তাই বলে কি ঈদের নামাজও পড়ব না ভেবেছিস? তবে জেনে রাখ, এই কৃশান মির্জা কিন্তু একজন নিয়মিত বাৎসরিক মুসল্লি! ”
মানুষটার কথা বলার ভঙ্গি আর বাৎসরিক এর সামনে নিয়মিত শব্দটা শুনতেই ফিক করে হেসে উঠল হুমায়রা। পরক্ষনে তা পরিনত হলো খিলখিলে হাসিতে। মুহূর্তেই রিনরিনে হাসির সুরে মেতে উঠল কৃশানের নিঃস্তব্ধ কক্ষ। কৃশানের মনে হলো আজকের সবটুকু খুশি যেন এই হাসির মধ্যেই পাওয়া হয়ে গেল তার। মন্ত্রমুগ্ধের ন্যায় সামনের রমণীর পানে তাকিয়ে রইল সে। কিয়ৎক্ষণ এভাবেই কাটল। হঠাৎ হাসি থামিয়ে সিরিয়াস হয়ে উঠল হুমায়রা। ব্যাস্ত কণ্ঠে বলল,
“ আরে আপনার নামাজে দেরি হয়ে যাচ্ছে তো, তাড়াতাড়ি যান। আর অতি শীগ্রই বাৎসরিক মুসল্লি থেকে দৈনিক মুসল্লি হয়ে উঠুন। ”
শেষের লাইনটুকু আপনমনে বিড়বিড় করে বলল। উত্তরে কৃশান পা চালিয়ে বলল,
“ হুম যাচ্ছি। ”
ড্রয়িং রুমে এসে সকল মন মালিন্যতার ঊর্ধ্বে গিয়ে মা – চাচিদের উদ্দেশ্যে ঈদ মোবারক জানাল কৃশান। অনেক বছর পর তার মুখ থেকে ঈদ মোবারক শব্দটা শুনতেই বেশ অবাক হলেন দুই জা। গত ঈদ গুলোতেও অন্য এক কৃশানকে দেখে এসেছে তারা। চুপচাপ ঈদের নামাজ পড়ে ক্ষণিকের জন্য বাসায় আসতো সে।তারপর বন্ধুদের সাথে ট্যুরে চলে যেত। অতঃপর তার খুঁজ আর পায় কে!
প্রথম দফায় বিস্ময়ের চুটে কথা বলতে ভুলে বসলেন ভদ্রমহিলাগন। পরক্ষণেই নিজেদের ধাতস্ত করে তৃপ্তির হাসি হেসে ছেলের উদ্দেশ্যে উল্টো ঈদ মোবারক জানালেন। উত্তর পেয়ে আর দেরি করল না কৃশান। নামাজের জন্য রওনা হলো।
ড্রয়িং রুমে এসে পুরো ঘটনাই দৃষ্টিগোচর হলো হুমায়রার। মুচকি হেসে সৃষ্টিকর্তার নিকট শুকরিয়া আদায় করল সে। পরপরই মনে পড়ল সে কৃশানকে এখনো ঈদ মোবারক জানায়নি। তখন রুমে গিয়ে মানুষটাকে এই অচেনা রূপে দেখে সব ভুলেই বসেছিল মেয়েটা। নিজের কান্ডে নিজেই বিরক্ত হলো। পরক্ষণেই ভাবল- নামাজ থেকে আসলেই জানানো যাবে।
দুনিয়াবাসীর এতো আনন্দের বিপরীতে আকাশ আজ গোমট হয়ে আছে। প্রকৃতি প্রতীক্ষায় আছে সূর্য্যি মামার। তবে তার কোনো দেখা নেই।
হঠাৎ মেঘমালা দের ভেদ করে ধরণীতে নেমে এলো তুমুল বর্ষণ। মসজিদের বারান্দায় দাঁড়িয়ে তা দেখতে লাগল কৃশান। মাত্রই নামাজ শেষ করে ঈদগাহ হতে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছিল সে। তখনি সেই পথ বন্ধ করে হানা দিল জলরাশিরা। উপায় না পেয়ে সকলে এসে ঠাই নিল মসজিদের বারান্দায়।
এক পর্যায়ে বৃষ্টির ঘনত্ব কিছুটা কমে ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে পরিণত হলো। ওমনিই দ্রুত হস্তে বাড়ির পথ ধরল কৃশান।
বৃষ্টির পানিতে কাক ভেজা হয়ে বাড়িতে ফিরল কৃশান। রুমে ঢুকেই সর্বপ্রথম টাওয়াল দিয়ে চুল মুছায় লেগে পড়ল। তখনি হাতে সেমাইয়ের বাটি নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করল হুমায়রা। সেদিক খেয়াল করল না কৃশান। এগিয়ে এসে তার দিক বাটিটা বাড়িয়ে দিল হুমায়রা। মুখে বলল,
“ নিন। ”
কোনরূপ দ্বিরুক্তি ছাড়াই এক হাতে বাটিটা নিয়ে নিল কৃশান। অপর হাতে তোয়ালেটা চোখের সামনে থেকে সরিয়ে, বিছানায় ছুঁড়ে ফেলল। পরপর সামনে তাকাতেই হুমায়রা বলল,
“ ঈদ মোবারক। ”
এইদিকে পুরো দুনিয়া থমকে গেছে কৃশানের। তার কথা কানে পৌঁছেছে কিনা সন্দেহ। শাড়ি পরিহিত হুমায়রাকে নজরে আসতেই এক মুহূর্তের জন্য বুক সুদ্ধ কেঁপে উঠল তার। সচলতা হারিয়ে অচল হলো মস্তিষ্ক। ফ্লোরের মাঝে ঝনঝন শব্দ উত্তোলন করে পড়ে গেল হাতের বাটিখানা। সেম কালার অর্থাৎ তার দেওয়া ওয়াইন কালারের জামদানি শাড়ি পড়ে মাথায় ঘোমটা টেনে রেখেছে হুমায়রা। মুখের মধ্যে কোনোরূপ প্রসাধনীর অস্তিত্ব নেই, শুধু টানা টানা চোখের নিচে স্থান পেয়েছে সুরমার , যা রমণীর মায়াবী চোখকে বুকে ছু*রি ঢুকানোর অস্ত্রে পরিণত করেছে। গলা, হাত ও কানে স্বর্ণের মোটা মোটা অলঙ্কারের উপস্থিতি যেন মেয়েটার ফর্সা অবয়বকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। সবকিছু মিলিয়ে নেশা ধরানোর মতো অবস্থা।
মেঝেতে খন্ড খন্ড হয়ে পড়ে থাকা বাটিটার দিক চোখ বড় বড় করে তাকাল হুমায়রা। পরপর সংকীর্ণ চোখ জোড়া তুলে চাইল সামনের পুরুষটির পানে। ঠোঁট নেড়ে কিছু বলতে নিবে তখনি শাড়ি ভেদ করে মেয়েটার সরু কোমড় জড়িয়ে, তাকে এক হ্যাঁচকা টানে নিজের সাথে মিশিয়ে নিল কৃশান। উদরে মানুষটার ঠান্ডা হাতের স্পর্শ পেতেই ক্ষণকালের জন্য, ভূমিকম্পের ন্যায় কেঁপে উঠল মেয়েটার ছোট্ট সত্ত্বা। শিরদাঁড়া বেয়ে নেমে গেলো ঠান্ডা স্রোত। শুষ্ক ঢোক গিলে নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাল সে। সেই চেষ্টায় জল ঢেলে সহসা কৃশান ঝুঁকতে লাগল তার দিক। এবেলায় এসে আর চোখ খুলে রাখতে সক্ষম হলো না হুমায়রা। আপনাআপনিই বুদে এলো আঁখিযুগল।
একটা সময় নিজের বাঁ কানের লতিতে কৃশানের হাতের স্পর্শ অনুভব করতেই চোখ মেলে তাকাল হুমায়রা। ততক্ষণে মাথা থেকে ঘোমটা পড়ে দৃশ্যমান হয়ে গেছে তার সুদীর্ঘ কেশরাশি। যার মাঝ বরাবর লাগানো একটি বেলিফুলের গাজরা। সেদিক এক পলক তাকিয়ে পুনরায় হুমায়রার চুলের সাথে পেঁচ খেয়ে, হালকা বেঁকে থাকা কানের দুলটা ঠিক করতে ব্যস্ত হলো কৃশান। ব্যাপারটা বুঝতেই ভিতরে বয়ে চলা ঝড় কিছুটা কমল হুমায়রার।
আলতো হাতে দুলের থেকে চুলগুলো ছাড়িয়ে, সেগুলো কানের পিছে গুঁজে দিল কৃশান। পরপর রমণীর মসৃণ ঘাড় উমোক্ত হতেই চোখ ধাঁধিয়ে উঠল। খেই হারানো সত্ত্বাকে আজকে আর দমাল না সে। ঠোঁট নামিয়ে চুমু খেল হুমায়রার কানের নিচে ঘাড় বরাবর। আকস্মিক ঘটনায় শিউরে উঠে দুহাতে কৃশানের কাঁধ খামচে ধরলো মেয়েটা। অচেনা অনুভূতির উতাল পাতাল সাগরে ডুবে স্থির হয়ে রইল স্বামীর বুকে। এর মাঝেই কানের কাছে শুনতে পেল মানুষটার মোহাবিষ্ট স্বর,
“ বাইকো…! ”
অপরিচিত শব্দখানা কর্ণপাত হতেই মনে প্রশ্ন জাগল হুমায়রার। তবে মুখ খুলে কিছু জিজ্ঞেস করল না। ওভাবেই কৃশানের বুকে গুঁজে রইল। তা দেখে হুমায়রার থুতনি ধরে মুখটা উঁচু করল কৃশান। বলল,
“ এদিক তাকা! ”
মানুষটার শ্বাস প্রশ্বাসের বারিতে ঠিকমতো চোখ টাই মেলতে পারছে না হুমায়রা। তবুও ঘন ঘন পল্লব ঝাপটে তাকানোর চেষ্টা চালাল। পূর্ণদৃষ্টিতে সবটা পরখ করল কৃশান। পরপর কিছুটা ঝুঁকে নেশালো স্বরে বলল,
“ আজকে যদি তোর সাথে একটু বখাটেপনা করে ফেলি তাহলে কি তুই খুব বেশি রাগ করবি বাইকো? ”
কথাটার অর্থ বুঝতে পেরেছে কিনা হুমায়রার মুখ দেখে বুঝা গেল না। সে কিয়ৎক্ষণ প্রশ্নসূচক দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে উঠল,
“ বাইকো কি? ”
প্রশ্ন শুনে ঠোঁট চেপে হাসল কৃশান। কানের কাছে মুখ নিয়ে লো ভয়েসে জবাব দিল,
“ সিক্রেট! ”
চোখ ছোট ছোট হয়ে গেল মেয়েটার। এতক্ষণের লজ্জারা এবার উধাও হয়ে গেল নিমিষেই। তার চুপসে যাওয়া মুখপানে চেয়ে কিছু একটা ভাবল কৃশান। পরক্ষণেই হুমায়রাকে ছেড়ে দিল। বলল,
“ নামাজ পড়ে ক্ষিদে লেগে গেছে আমার। সেমাই নিয়ে আয় গিয়ে। ”
কৃশানের থেকে ছাড়া পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল হুমায়রা। এলোমেলো দৃষ্টি মেঝেতে রেখে উত্তর দিল,
“ এক্ষুনি আনছি। ”
বলেই কক্ষ ত্যাগ করল।
অস্থির দেহখানা এনে বিছানায় এলিয়ে দিল কৃশান। চোখ বন্ধ করতেই মানস্পটে ভেসে উঠল হুমায়রার অবয়ব। কিছুক্ষণ আগের চুমু খাওয়ার দৃশ্য মনে পড়তেই ঠোঁট দুটো কিঞ্চিৎ প্রসারিত হলো। আপনমনে আওড়াল,
“ মেয়েটার সাথে জড়িত সবকিছুই এমন সুখ সুখ লাগে কেন? অতি সুখে না আবার পাগল হয়ে যাই আমি। ”
এর মাঝেই সেমাই সহ অন্যান্য খাবার হাতে কক্ষে ফিরে এলো হুমায়রা। সেগুলো এনে কৃশানের সামনে রাখল। বলল,
“ নিন এবার তাড়াতাড়ি খেয়ে নিন। ”
শুয়া থেকে উঠে বসল কৃশান। মনযোগ দিল খাওয়ায়। তবে চোখ পড়ে রইল হুমায়রার পানে। তাকে খেতে দেখে কাচ ও সেমাইয়ে লেপ্টে থাকা মেঝেটা পরিষ্কার করার উদ্দেশ্যে পা বাড়াল হুমায়রা। তখনি কৃশান বলে উঠল,
“ তখন রুমে এসে প্রথমে কি যেন একটা বলেছিলি? ”
কিছুক্ষণ ভেবে কাটাল হুমায়রা। পরক্ষণেই মনে পড়ার ভঙ্গিতে কৃশানের দিক চাইল। মুখের মিষ্টি হাসি বজায় বলল,
“ ঈদ মোবারাক! ”
“ ঈদ মোবারাক বলে লাভ নেই, আমি সালামি দিব না! ”
উত্তরটা শোনা মাত্রই চোখ ছোট ছোট হয়ে গেল মেয়েটার। কিছুক্ষন মানুষটার দিক অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে বলল,
“ আপনি এমন কেন? ”
“ কেমন? ”
“ কিছুনা! ”
বলেই চলে যেতে নিল হুমায়রা। ওমনিই পিছু ডাকল কৃশান,
“ এই হুজুরনী, কোথায় যাচ্ছিস? আচ্ছা নিয়ে যা সালামি। ”
পিছু মোড়ল হুমায়রা। ওমনই তাকে কাছে ডাকল কৃশান,
“ এদিকে আয়। ”
এগিয়ে এলো রমণী। কিছুক্ষন মনযোগ সহকারে মেয়েটাকে পর্যবেক্ষণ করে কৃশান বলে উঠল,
“ সালামি হিসেবে কি শুধু টাকাই দেওয়ার নিয়ম আছে নাকি? কয়েকটা মাইর দিলে কি সেটা সালামি হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না? ”
কথা শুনে হতবিহ্বল হয়ে গেল মেয়েটা। অতিষ্ট চিত্তে কিয়ৎক্ষণ মানুষটার দিক তাকিয়ে রইল। কিছু বলার মতো শব্দ খুঁজে পেল না। পরপর ব্যার্থ সৈনিকের মতো পুনরায় হাঁটা শুরু করল। তখনি তার হাত চেপে ধরল কৃশান। হেসে বলল,
হৃদয় রাঙানো প্রেম পর্ব ৩৩
“ আরে দাঁড়া হুজুরনি, এতো অধৈর্য্য হচ্ছিস কেন? ”
সরু চোখে তাকাল হুমায়রা। কিছু বলতে নিবে এর আগেই মানিব্যাগ থেকে কতগুলো টাটকা নোট বের করল কৃশান। হাজার থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ দুই টাকা পর্যন্ত সবগুলোর চকচকে নতুন নোটগুলো একসাথে করে সেগুলো ধরিয়ে দিল হুমায়রার হাতে। অপ্রত্যাশিত কাণ্ডে বিস্ময়ে অভিভূত হয়ে গেল হুমায়রা।

Hay🙂🙂.akjer episode ta vison sundor hoice🙂🙂
But ak akta episode er jonno amder ato din wait korano ki thik apu?? 😞
Porar porbo ta taratari dio plz……