Home আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ৫৩+৫৪+৫৫

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ৫৩+৫৪+৫৫

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ৫৩+৫৪+৫৫
ফারজানা মনি

বিকেল ৫ টা বেজে ৩০ মিনিট… মেঘের রুম থেকে শোনা যাচ্ছে ড্রয়িং রুমে সকলের কথাবার্তার আওয়াজ। মেঘের মন চাওয়া সত্ত্বেও সেখানে আজ যেতে পারছে না। তানভীর ও মনে হয় এইমাত্রই বাড়িতে ফিরলো। মেঘ রুমে বসে ভাইয়ার শব্দ ও পেলো। কিন্তু বাহিরে বের হওয়ার কোন ব্যবস্থা নেই। আবির যে আজ সারাদিন একজন দক্ষ পাহারাদারের মত পাহারা দিয়ে যাচ্ছে মেঘ কে।

এই যে এখন, মেঘ বিছানায় বিরক্তি নিয়ে শুয়ে আছে। আর আবির পাশে বসেই ল্যাপটপে কাজ করছে। মূলত নার্সিংহোম থেকে বাড়ি ফেরার পর মেঘ আর রুম থেকে বের হয়নি। বের হয়নি বললে ভুল হবে, আবির বের হতে দেয়নি। দুপুরের খাবারটা রুমে এনে আবির নিজের হাতেই খাইয়ে দিয়েছে।
খাওয়ার পর থেকে মেঘ একাধারে বিছানায় শুয়ে আছে। কখনো এ পাস আবার কখনও ওপাস, এভাবেই কাটছে সেকেন্ড মিনিট ঘন্টা। আবির এবার খানিকটা বিরক্তি চোখে তাকালো।
আবির: কি হয়েছে? এমন করছো কেনো?
মেঘের নির্লিপ্ত জবাব: এমনি..

আবির আবারও তার কাজে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করল । কিন্তু মনোযোগ দিতে সে কিছুতেই পারছে না। মেঘ সারাক্ষণ অস্বস্তিভঙ্গিতে নড়াচড়া করছে। আবির খানিকটা ভ্রু কুঁচকে তাকালো।
তারপর বিছানার সাইড টেবিলে ল্যাপটপটা রেখে, মেঘকে পাজাকোলে তুলে নিল। মেঘ চোখ গোল গোল করে আবিরের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখল, আবির ওকে ড্রয়িং রুমের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
সোফাতে বসিয়ে আবির গম গমে কন্ঠে বলল: যদি সোফা থেকে নেমে এক পা ও হাটিস, আমি তোর পা ভেঙে বিছানায় বসিয়ে রাখবো।
মেঘ ঠোঁট ফুলিয়ে আবিরের মুখের দিকে ফিরে তাকালো। আবির এবার শক্ত কণ্ঠে বললো: এভাবে তাকিয়ে লাভ নাই, যা বলেছি তাই করব । আমার কথা নড়চড় হবে না।
কি হয়েছে আমার বনুর? তানভীর এর কন্ঠ পেয়ে মেঘ ও আবির দুজনেই সিঁড়ির দিকে তাকালো। দেখলো তানভীর সিঁড়ি দিয়ে নামছে।
আবার বলল : ভাইয়া,,, তুমি আমার বনুকে কি বলেছ, ও এমন মুখটাকে ফুলিয়ে গোল আলুর মতো করে রেখেছে কেন?

আবির একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো। বলল: পুরান পাগলে ভাত পায় না , আবার নতুন পাগলের আমদানি।
তানভীর এবার কিছুটা তাড়াহুড়া পায়ে আবিরের সামনে এসে দাঁড়ালো। ভাইয়া..
কি হয়েছে? তুমি কি বনুর উপর রাগ করেছ ?
আবির ঠোঁট গোল করে একটা ভারি নিঃশ্বাস ফেললো। তারপর বলল: তোর বোন আমার কোনো কথা শোনে না তানভীর… তোর বোনকে তুই নিয়ে যা.. যে বউ কথা শোনে না তার শ্বশুরবাড়িতে থাকার প্রয়োজন নেই, তার জন্য বাপের বাড়ি ই বেস্ট।

আবিরের এমন হেঁয়ালি পূর্ণ কথা শুনে উপস্থিত সকলের ভেবাচেকা খেয়ে গেল।
সবচেয়ে বেশি হতবাক হয়েছে বন্যা.. কারণ বিয়ের এই কয়েক মাসে আবিরকে কখনো দেখিনি এমন দুষ্টুমির সুরে কথা বলতে, সারাক্ষণ দেখেছে আবির বাড়িতে
গম্ভীর মুখ নিয়েই চলাফেরা করে। তবে এটাও শুনেছে তানভীদের সাথে আবিরের ব্যবহারটা সম্পূর্ণই অন্যরকম।
তানভীর এবার মেঘের সামনে গেল। পাশে বসে মেঘের মাথায় হাত রেখে বলল: বনু… তুই কি এখনো ছোট বাচ্চা আছিস? তুই জানিস না, ভাইয়া তোকে নিয়ে কত টেনশন করে। তবুও কেন ভাইয়ার কথা শুনিস না?
মেঘ: শুনি তো ভাইয়া.. তুমি জানো, সেই দুপুর থেকে বিছানায় শুয়ে আছি। এখন এইমাত্র এখানে এসে বসলাম।
তানভীর বোনের মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল: আমি জানি বনু.. দুপুরে বন্যার কাছে তোর কথা জানতে চাওয়ায়, বন্যা সবই বলেছে। আমি এখন তোর রুমেই যাচ্ছিলাম। তো এখন কেমন আছিস তুই??

মেঘ : হুম.. ভালো।
আবির তানভীরের উদ্দেশ্যে বলল: তানভীর… তুই তোর বোনকে বলে দে, আগামীকাল থেকে আমি যখন অফিসে থাকব। তখনও যেন আমার কথার কোন নরচর না হয়।
আবিরের ব্যাকুল হৃদয়ের অভিমানটা তানভীর বন্যা সহ সকলেই বুঝতে পারলো। কিন্তু মেঘকি বুঝতে পেরেছে? বুঝলেও বা কতটুকু বুঝেছে???
আবিরের কথা শুনে তানভীর মুচকি হেসে মেঘের দিকে তাকাল। ঠান্ডা কন্ঠে মেঘের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল: আর কয়েকটা দিন বনু… একটু কষ্ট করে নে…
জানিস তো, সবুরের ফল সর্বদাই মিষ্টি হয়।

মেঘ ছোট করে উত্তর দিল: হুম.. তানভীর প্রশান্তি ময় হাসি হাসলো। হাসলো উপস্থিত সকলেও।
আবির হালিমা খান কে ডেকে বলল: মামুনি দুই কাপ কফি দিও তো।
রান্নাঘর থেকে হালিমা খানের তৎক্ষণাৎ জবাব: তোরা বস , নিয়ে আসছি…
আদি দৌড়ে ছুটে এসে, মেঘের পাশে বসলো। মেঘ সহ সকলেই খানিকটা ভয় পেয়ে গেল। আকলিমা খান সঙ্গে সঙ্গেই আদিকে দিল এক ধমক। বলল: তোকে না কতবার বলেছি, মেঘের কাছে হুটহাট ছুটে দৌড়ে আসবি না। যদি মেঘ ব্যথা পেত…
আদি হাঁপাতে হাঁপাতে বলল: পাবে না আম্মু.. আমি খেয়াল করেই এসে বসেছি।
এবার আবির সুন্দর মিহি কন্ঠে আদিকে ডাকল।
আবির: আদি শোন…
আবিরের ডাক কানে আসা মাত্রই আদি ছুটে গেল আবিরের কাছে।
আদি: বলো ভাইয়া..

আবির আদির হাত টেনে তানভীর আর আবিরের মাঝখানে সোফাতে বসালো।
আবির: এভাবে ছুটে এসে তোর মেঘ আপুর কাছে গিয়েছিলি কেন?
আদি খানিকটা চমকালো। চমকানো কন্ঠে বলল: আসলে ভাইয়া এমনি.. নিজের হাতের চিপসটাকে দেখিয়ে বলল: এই চিপসটা আমি বাবুর জন্য এনেছি.. শুনেছি মেঘ আপু খেলেই বাবুর খাওয়া হবে। তাই আপুকে দিতে আসলাম ‌
হঠাৎ তানভির কান টেনে ধরল আদির। বলল: তুই তো বেশ পাকা হয়েছিস।
উফফফফ ভাইয়া … ব্যথা পাচ্ছি… কান ছাড়ো… বলেই চিৎকার করে উঠলো আদি।
আকলিমা খান পাশে দাঁড়িয়ে মিটমিট করে হেসে বলল: এবার ঠিক আছে.. আরো বল পাকা কথা। বলেই ওনি রান্না ঘরের দিকে হাটলেন।
সন্ধ্যার আড্ডার পর সবাই যার যার মত রুমে চলে গেছে। পরবর্তীতে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য সকলে নিচে আসলেও। মেঘকে আবির আর রুম থেকে বের হতে দেয়নি।
আবির নিজেই মালিহা খানকে বলে মেঘের খাবার ঘরে আনিয়েছে। এবং তা নিজে হাতেই খাইয়ে দিয়েছে।
এই যে শুনছেন….. আবিরের টি-শার্ট ধরে টানতে টানতে বলল মেঘ। মেঘ শুয়ে আছে। পাশেই আদ শোয়া হয়ে বসে ফোন টিপছে আবির।

আবির: হুম বলো…
আবিরের মুখে সেই চিরচেনা ” হুম ” শব্দটা শুনতেই মেঘের মনটা যেন প্রশান্তিতে ভরে গেল।
মেঘ : আপনি কি এখন ও আমার উপর রেগে আছেন?
আবির এবার ফোনটা বালিশের পাশে রেখে মেঘের দিকে ঘুরে শুয়ে পড়লো। মেঘের মুখটা দুহাতের আজলায় নিয়ে ললাটে চুমু আঁকলো। তারপর মেঘকে আস্তে করে নিজের দিকে আরেকটু চাপিয়ে বুকে জড়িয়ে নিয়ে বলল:
মেঘ… আমার ক্লান্ত হৃদয়ের প্রশান্তি তুই… সারা দিনের সকল ক্লান্তি গোধূলি লগ্নে তোর কাছে ফিরলে শান্তিতে রূপ নেয়। তুই আর আমাদের বাবু দুইটাই আমার বড্ড শখের। তোদের কাউকেই আমি কোন পরিস্থিতিতেই হারাতে চাই না। trust me , তোদের ছাড়া সত্যিই আমি বাঁচতে পারব না।
মেঘ আবিরের বুকে মাথা রেখে ঢুকরে কেঁদে উঠলো। ভাঙা কন্ঠে বলল: আমায় এত কেন ভালবাসেন? কি আছে আমার মাঝে?
আবির মুচকি হাসলো। তারপর মেঘকে আরেকটু শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল: তোর ভেতরে যা আছে হয়তো তা পৃথিবীর অন্য কারো ভিতরে নেই।

বেলা সকাল ৭ টা। বন্যা ভোরের তাপহীন মিষ্টি সূর্যের আলোতে আধো আধো চোখ মেলে তাকালো। শরীরটা একটু বেশিই ভাড়ি লাগছে। ভালোভাবে তাকাতেই দেখলো একজোড়া হাত তার কোমর পেচিয়ে ধরে আছে।
গলার মাঝেও গরম কিছুর আভাস পেতে ই ভালোভাবে চোখ খুলে তাকালো।
দেখলো প্রতিদিনের ন্যায়, তানভীর আজও বন্যার গলায় মুখ ডুবিয়ে তপ্ত নিঃশ্বাস ফেলছে। বন্যা মায়া ভরা দৃষ্টিতে তানভীরের ঘুমন্ত মুখ অবয়বের দিকে তাকালো। এই মানুষটা বড্ড অদ্ভুত, এত বছর ধরে তানভীর কে দেখে আসছে বন্যা। কিন্তু কখনো বুঝতেই পারেনি, তানভীরের শক্ত খোলসের ভিতরে বাচ্চা একটা মন আছে। আর বুঝবেই বা কি করে…. কখনো তো বুঝার চেষ্টাই করেনি।

বন্যা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ওঠার চেষ্টা করল। কিন্তু একি, সে তো নড়াচড়া ই করতে পারছে না। তানভীর যেন আরো শক্ত করে পেচিয়ে ধরেছে বন্যার আঁকাবাঁকা লতানো কোমর। বন্যা একবার তানভীরের মুখের পানে তাকালো। দেখলো তানভীর ঘুমিয়ে আছে। বন্যা খানিকটা কপাল কুঁচকে বিড়বিড় করে বলল: উফফ.. একটা মানুষ ঘুমের মাঝেও এতটা শক্ত করে কিভাবে ধরতে পারে??
ভালোবাসার মানুষকে আর একটু বেশি সময় কাছে রাখার জন্য এই ভিলেন সব পারে ম্যাডাম…. তানভীরের কন্ঠ শুনে বন্যা হতবম্ভ। বন্যার ভাবনার মাঝেই ঘটল এক আশ্চর্য ঘটনা। বন্যা কে তানভীর এক হেচকা টানে নিজের বুকের নিচে চাপা দিয়ে বন্যার মুখোমুখি হয়ে বলল: এখন আপনাকে কোথাও যেতে দিচ্ছি না ম্যাডাম..
মুহূর্তেই যেন বন্যার শরীরটা ঝাঁকুনি দিয়ে উঠলো। তানভীরের তপ্ত নিঃশ্বাসগুলো আছড়ে পড়ছে বন্যার চোখে, মুখে, গলায়। দ্বিধা দ্বন্দ্ব কাটিয়ে বন্যা খানিকটা মিন মিনিয়ে বলল: প্লিজ এখন ছাড়ুন.. আপনার লেট হয়ে যাবে। আমাকে নিচে যেতে হবে।

কিন্তু তানভীর যেন বন্যার কোন কথা শুনতেই পায়নি। মুখ ডুবালো বন্যার গলায়, কাঁধে। ছোট ছোট চুম্বনে ভরিয়ে দিচ্ছে বন্যার চোখ, মুখ ,ঠোঁট ,গলা ,কাধ পেট।
বন্যার শরীরটা যেন শিহরণে বারবার ঝাকুনি দিয়ে উঠছে।
বন্যাও বুঝতে পেরেছে, তানভীর কে হাজার বললেও আর থামানো সম্ভব না। তাই নিজেও সাই দিল তানভীরের পাগলামিতে। মেতে উঠল দুই প্রেমাতাল 🫣 তাদের প্রেমলীলায়।
ঘড়ির কাঁটা সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটে। তানভীর বন্যা দুজনেই ছুটে গেল ওয়াশরুমে। বন্যা ঝটপট ফরজ গোসল সেরে
নিচে চলে আসলো তানভীরের ব্রেকফাস্ট গোছাতে।
এসে দেখে ইতিমধ্যে সকলেই ডাইনিং টেবিলে উপস্থিত। তানভীরও তাড়াহুড়া করে হাতে ঘড়ি পড়তে পড়তে নিচে নেমে আসলো।

বন্যা নাস্তা খেতে বলায়, জানালো সে অফিসে গিয়ে খেয়ে নেবে। হালিমা খান ও মালিহা খান ও ছেলেকে জোর করল। কিন্তু তানভীর বরাবরের মতোই মানা করে। লেট হচ্ছে বলেই বের হয়ে গেল। আবির খানিকটা হাসলো। যা হয়তো সকলের চোখের আড়ালেই রয়ে গেল।
আবির খাওয়া শেষ করে উঠতে উঠতে বলল: মামুনি, মেঘের খাবারটা আমাদের রুমে পাঠানোর ব্যবস্থা করো।
হালিমা খান হাতের ঝটপট কাজগুলো শেষ করতে করতে বলল: তুই ভেতরে যা আমি নিয়ে আসছি
আবির রুমে প্রবেশ করে দেখলো, মেঘ… ফোনে কাকে যেন টেক্সট করছে। আবির ধীর পায়ে এগিয়ে গেল মেঘের দিকে। মেঘের পাশে বসে বলল: সকাল সকাল এত মনোযোগ দিয়ে ফোনে কি করছিস?
আবিরের কন্ঠ পেয়ে মেঘ মুখ তুলে তাকালো। বলল: তামিমের সাথে চ্যাটিং করছি। জানেন…
আবির সঙ্গে সঙ্গেই বলল : না, জানিনা… বলো।

মেঘ এবার খানিকটা আবিরের দিকে চেপে এসে বসে বলল: আগামী শুক্রবার তামিমের বাগদান সম্পন্ন করা হবে। দুই থেকে তিন মাস পর বউ উঠিয়ে আনা হবে।
আবির খানিকটা হেসে বলল: ওহ…
মেঘ: তামিম বলছে আজ সন্ধ্যায় আমাদের বাড়ি আসতে চায় নিমন্ত্রণের জন্য।
আবিরের শক্ত তমাটে মুখোয়ব যেন আরো শক্ত হয়ে উঠেছে। বুঝতে পেরে মেঘ সঙ্গে সঙ্গে বলল: আরে আপনি রাগ করছেন কেন? আমাকে আগে তো পুরো কথাটা বলতে দিন।

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ৫০+৫১+৫২

মেঘ একটা দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিয়ে বলল: আমি ওকে বলেছি, বিকালে এসে আমাদের বাড়ি ঘুরে যেতে। কিন্তু বিয়ের দাওয়াতের কোন প্রয়োজন নেই। এখন আমার শরীরের যে অবস্থা আমি যেতে পারব না। আমরা বরং ওর আনুষ্ঠানিক বিয়েতে যাব কয়েক মাস পরে।
এবার যেন আবিরের কুঁচকানো ভ্রু যোগোল খানিকটা শিথিল হলো। আবির মেঘের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল: আমার সাথে থাকতে থাকতে তোর মাথার বুদ্ধি একটু বেড়েছে বলতে হবে।
মেঘ হতভম্ভ ও স্তব্ধ।।

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ৫৬+৫৭+৫৮