Home আসবো ফিরে আবারো আসবো ফিরে আবারো পর্ব ১০

আসবো ফিরে আবারো পর্ব ১০

আসবো ফিরে আবারো পর্ব ১০
সুরভী আক্তার

সকালে ব্রেকফাস্টের টেবিলে বসেছে শুভ্র আর আহিয়ান । মেঘা নিচে নেমেই হাস্যোজ্জ্বল মুখে ওদের সাথে বসতে বসতে হাসি মুখে দুজনের উদ্দেশ্যেই বললো….
” গুড মর্নিং, ভাইয়া আর জিজু ।
আহিয়ান মাথা তুলে মুচকি হাসলো । উত্তরে বললো….
” গুড মর্নিং মেঘা ।
প্লেট উল্টে নিজের জন্য বরাদ্দকৃত চেয়ারে খেতে বসলো মেঘা । বোল থেকে একটা পরোটা আর কিছুটা সবজি তুলে নিয়ে ডাকলো….

” মনি , আমার অমলেট দিয়ে যাও ।
শুভ্র চোখ তুলে তাকালো । খাওয়ার মাঝে প্রশ্ন করলো…
” টুকটুকি উঠেছে ?
” না ভাইয়া , ও তো ঘুমোচ্ছে । আজ আর ডাকিনি । পায়ের যা অবস্থা । ভার্সিটিতে তো যেতে পারবে না । ডেকে কি করবো ? ঘুমাক ও !
খেতে শুরু করলো মেঘা । আদ্র নিচে নামে নি এখনো ‌‌। ঘর হতে বেরোতেই রৌদ্রের মুখোমুখি হয়েছে ও । রৌদ্র ও উঠে পড়েছে ঘুম থেকে । নিচে নামবে ও নিজেও । দুই ভাইয়ের মধ্যকার নিরর্থক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ কারোর সাথে কথা বললো না । চোখে চোখ মিলতেই রৌদ্র চোখ ফিরিয়ে নিলো আগে । আদ্র এই কদিনে যা কথা বলার চেষ্টা করেছে , রৌদ্রের প্রতিক্রিয়া না পেয়ে সে নিজেও হাল ছেড়ে দিয়েছে । রৌদ্র নির্বিকারে চোখ ফিরিয়ে নিতেই তপ্ত শ্বাস ফেললো আদ্র । শার্টের হাতা গোটাতে গোটাতে নিচের দিকে পা বাড়ালো । সিঁড়ির দুদিকে দুই ভাই আগ পিছ না করে একসাথে নামছে দৃঢ় পায়ে । রৌদ্র প্যান্টের পকেটে হাত পুরে । আর আদ্র শার্টের হাতা গোটাতে গোটাতে । দুজনের মুখশ্রীর ভঙ্গিমা নিরেট , দূর্বোধ্য । আদ্র কিছুটা স্বাভাবিক হলেও, রৌদ্রের কপালে বিরক্তি সূচক ভাঁজ ।
নিচে নামতে নামতে টেবিলে ওদের তিন জনকে দেখে মুচকি হাসলো আদ্র । সিঁড়ি পেরিয়ে প্রফুল্ল স্বরে বলল….

” গুড মর্নিং,গাইজ ।
চকিতে হাসি সমেত ফিরলো আহিয়ান , শুভ্র আর মেঘা । রৌদ্র কে না দেখেই প্রত্যুত্তরে এক গাল হেসে খেতে খেতে উত্তর করলো মেঘা….
” গুড মর্নিং ভাইয়া ।
এতেই চোয়াল খিচে আসলো রৌদ্রের । বিরক্তির ভাঁজ রুপান্তরিত হলো ক্রোধের ভাঁজে । হাত মুঠো হলো তৎক্ষণাৎ । কাল ও এই মেয়েটাকে গুড মর্নিং বলেছিলো ,‌ প্রত্যুত্তরে এই মেয়ের থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পায় নি । আর আজ ? আজ আদ্রের সৌজন্যমূলক শুভেচ্ছায় হাসি সমেত উত্তর করলো এই মেয়ে ?
ক্রোধে জ্বলে রৌদ্র । দৃষ্টি নামিয়ে নিজেকে ধাতস্থ করে । শ্বাস টেনে ফের তাকায় । বরাবর মেঘার পাশের চেয়ার টা আদ্রের জন্য বরাদ্দ । বসার জন্য নিজের চেয়ারটা টেনে বের করতেই পিছন থেকে গজগজ করে এগিয়ে এসে ওর বের করা চেয়ারটাতে ঠাস করে বসে পড়লো রৌদ্র । আকস্মিক ঘটনায় আদ্র তব্দা খেয়ে গেলো । চেয়ারের পিঠে এখনো ওর হাত ।

নিজের পাশের চেয়ারে আদ্রের জায়গায় রৌদ্র কে দেখে কয়েক পলক খাওয়া থামিয়ে মূ্র্ত বনে চেয়ে রইলো মেঘা । পলক ফেলে দৃষ্টি সরালো । ফের মনযোগ দিলো খাওয়ায় । আদ্র বেশ অনেকটা অবাক হয়েছে । সাথে সাথে শুভ্র আর আহিয়ান । খাওয়া থামিয়ে হা করে রৌদ্রের দিকে তাকিয়ে আছে দুই জোড়া দৃষ্টি । আদ্রের দৃষ্টি সমেত তিন জোড়া । আহিয়ান গলা ঝেড়ে খুক খুক কেশে উঠলো । তিন জনে একে অপরের দিকে চাওয়া চাওয়ি করে ভ্রু নাচালো । আদ্র ঘাড় উঁচিয়ে শ্বাস ফেললো ফোঁস করে ।
বেশি কিছু ভাবলো না । অন্যপাশে মেঘার সামন বরাবর আরেকটা চেয়ার টেনে বসলো ও ।
এতক্ষণে রৌদ্র কারোর দিকে তাকায় নি । আদ্র পরোটা, সবজি, সেদ্ধ ডিম , সবটা নিজেই নিজের প্লেটে তুলে চোখ নামিয়ে খেতে আড়ম্ভ করেছে এর মধ্যেই ।
বাকি আছে রৌদ্র । নিজের হাতে এক গ্লাস পানি ঢেলে খায় নি কখনো । সে কি একা একা খাবার বেড়ে খাবে নাকি ?
বসে থেকেই হুংকার ছাড়লো রৌদ্র..

” মম , খেতে দাও ।
কিচেন থেকে তড়িঘড়ি করে বেরোলেন রুবিনা কাবির ।
ছেলের প্লেটে সবটা বেড়ে দিলেন । শাহিনা কাবির বেরোলেন আর এক মুহূর্ত বাদ । মেঘার জন্য অমলেট করে নিয়ে আসলেন তিনি । মেঘার প্লেটের এক পাশে সেটা রেখে আবার কিচেনের দিকে এগোলেন । খাবার চিবুতে চিবুতে বললো মেঘা….
” থ্যাঙ্ক ইউ মনি ।
রৌদ্র এ বেলায় আড়চোখে তাকালো মেঘার দিকে । পর মূহুর্তে ওর প্লেটের দিকে । ডিম ওর পছন্দ নয় । একেবারেই অপছন্দ । এ বাড়িতে সকালের নাস্তায় সবার পাতে সেদ্ধ ডিম পড়ে । তবে মেঘার ক্ষেত্রে আলাদা দেখে কপাল কুঁচকালো রৌদ্র । এই মেয়ে সেদ্ধ ডিম পছন্দ করে না । এটা রৌদ্রের অজানা ।
মেঘার পাতে অমলেট দেখে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইল রৌদ্র । পরোটা দিয়ে একটু খানি ডিম কেটে খেয়েছে মেঘা । বাকিটা আধো করে রেখে দিয়েছে । এমনি এমনি খেতেই ভালো লাগে বেশি ।
রৌদ্র কিছু একটা ভাবলো । হঠাৎই মেঘার প্লেট থেকে আধো খাওয়া অমলেট টা তুলে নিলো নিজের প্লেটে । মেঘা হকচকিয়ে বড় বড় চোখে তাকাতেই তৎক্ষণাৎ রাশভারী গলায় বললো রৌদ্র…..

” এটা আমি খাবো ।
ছলকে রৌদ্রের মুখপানে তাকালো মেঘা । রৌদ্রের কন্ঠস্বরে একে একে বাকিরাও খাওয়া ফেলে তাকালো । রুবিনা কাবির ছেলের পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন । তিনি হতবাক হয়ে কিছু বলার আগেই মেঘা দাপুটে গলায় কন্ঠ খিচে বললো….
” এটা আমার ডিম !
রৌদ্র সহসা তাকালো মেঘার চোখ পানে । মেঘার রাগান্বিত লালচে দৃষ্টি ।‌ বিপরীতে ফিচেল দৃষ্টি রৌদ্রের । ঠোঁট বাঁকিয়ে হেসে পরিপ্রেক্ষিতে সহসা ভেঙ্গিয়ে বললো রৌদ্র….
” তুই ডিম ও পারিস…?

বলেই আবারো চোখ নামিয়ে হাসি চাপে রৌদ্র । খাওয়ায় মনযোগ দেয় ।
এদিকে ভ্যাবাচ্যাকা খায় মেঘা । না চাইতেই আকস্মিক রৌদ্রের কথাটা রসিকতা বুঝে ফিক করে হেসে ওঠে হেসে শুভ্র আর আহিয়ান । আদ্র ও বাদ পড়লো না । কেনো যেনো ও নিজেও হাসি আটকাতে পারলো না । রৌদ্রের কথার সাথ সাথ মেঘার হতবাক বোকা বোকা চেহারা খানা দেখতেই ফিক করে হেসে উঠলো আদ্র নিজেও ।
রৌদ্রের থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে হাসির ক্ষিন ঝংকার অনুসরণ করে মেঘা একে একে শুভ্র , আহিয়ান আর আদ্রের দিকে তাকালো আহম্মক বনে । অমনি জোর পূর্বক ঠেলে ঠুলে হাসি চাপলো সকলে । বাকিদের কথা বাদ , কিন্তু আদ্র ? আদ্রের হাসিতে ফুঁসে উঠলো মেঘা । বললো অভিযোগী স্বরে…..

” ভাইয়া তুমিও ?
ঠোঁট আঙ্গুল চাপলো আদ্র । ঘাড় ঝাঁকিয়ে ফিটফাট হয়ে গলা ঝেড়ে বললো…
” কই , আমি কি ?
নাকের পাটা ফুলিয়ে ফুঁসতে থাকে মেঘা । রুবিনা কাবির রৌদ্রের কান্ডে বললেন ভার গলায়…
” রৌদ্র , ওর পাত থেকে ডিম তুলে নিলি কেনো তুই ?
” খাবো,তাই ।
” তুই তো ডিম খাস না ?
” আজ খেতে ইচ্ছে করছে ।
” ওটা মেঘার এঁটো করা ডিম , ওকে ফিরিয়ে দে । আমি তোকে অন্য একটা ভেঁজে এনে দিচ্ছি ।
” এটাই খাবো আমি ।
নাছোড়বান্দা জবাব রৌদ্রের । রুবিনা কাবির বিঘূর্ণিত না হয়ে পারেন না । খানিক দাঁড়িয়ে থেকে ছেলের অভিব্যক্তি বোঝার চেষ্টা করেন ‌। অতঃপর কিচেনের দিকে এগোন জায়গা ত্যাগ করে । এই ছেলের মতিগতি বোঝা বরাবর দূর্বোধ্য ব্যাপার ।
মেঘা আর খেলো না । খানিক লজ্জা জনক অপমানিত বোধ হলো তার । বাকি খাবার ফেলে ফোঁস করে উঠে দাঁড়িয়ে বেসিনের দিকে এগোতেই আদ্র মোলায়েম কন্ঠে ডাকলো….

” মেঘ , সরিই , আর হাসবো না । খেয়ে যা…
” তুমি নিজে খাও । আর ঐ রাইনো মুখো টাকেও খাওয়াও । খাবো না আমি ।
রাইনো মুখো কাকে বলা হলো উপস্থিত কেউ বুঝলো না ।
হাত ধুয়ে ব্যাগ নিতে উপরে উঠেছে মেঘা । ঘরে ঢুকে খানিক সময় নিয়ে আরেকটু পরিপাটি হলো ।
শাফাহ্ এখনো ঘুমিয়ে । মেঘা ওকে এক পলক দেখে দেয়াল ঘড়ির দিকে তাকালো । নয়টার দোরগোড়ায় ঘন্টার কাঁটা । পিলে চমকে তড়িঘড়ি করে ব্যাগ হাতে বাইরের দিকে দ্রুত পদে ছুটলো মেঘা । দরজা মারিয়ে ঘর হতে বেরোনোর সাথে সাথে মুখোমুখি ঠাস করে ধাক্কা খেলো শক্ত মতো কিছু একটার সাথে । অমনি নরম কোমলাঙ্গ ঝমঝমিয়ে ওঠে মেয়েটার । হুটহাট ব্যাথা পেয়ে মৃদু স্বরে আর্তনাদ করে । অনুচ্চ মেয়েটার কপাল ঠেকেছে কারোর শক্ত উন্নত বক্ষে । না পিছিয়ে চিবুক উঁচিয়ে চোখ তুলে তাকালো মেঘা । নজরে পড়লো শৈলচূড়াসম অটল অবয়ব । নড়চড় হীনা সটান হয়ে দাঁড়িয়ে রৌদ্র । মুখো ভঙ্গিমা বরাবরের ন্যায় নিরেট, অনুভুতি হীন ।
ক্লিন্ন মনে দু পা পিছিয়ে আসলো মেঘা । কপালে বিতৃষ্ণ ভাঁজ ফেলে বাহু ডলতে ডলতে বিরস বদনে বললো….
” শরীর নাকি খাম্বা ? এমনি এমনি রাইনো বলি নি আমি ! মুখের সাথে সাথে চেহারাও পুরো গন্ডারের মতো । যত্তসব..

ফের গন্ডার সম্বেধনে ক্ষুব্ধ হয় রৌদ্র । চোয়াল খিচে দু পা এগোয় মেঘার দিকে । পেছাতে গিয়ে দেয়ালের সাথে পিঠ ঠেকে মেঘার । মাঝামাঝি দূরত্ব রেখে ওর দিকে ঝুঁকে আসে রৌদ্র । চাপা স্বরে গর্জে ওঠে….
” ইডিয়ট , এটুকুতে ব্যাথা পেলি ?
পরবর্তীতে মোকাবেলা করবি কি করে আমায় ?
মুখ ঝামটালো মেঘা । দেয়াল ঘেঁষেই ডান দিক থেকে সরে আসতে চাইলে ডান দিকের দেয়ালে নিজের বাম হাত ঠেসে মেঘার পথ রোধ করলো রৌদ্র । নাক ফুলিয়ে শ্বাস ফেললো মেঘা । এই লোকের সাথে কথা বলার অভিরুচির সংকট । আর এই লোকটাই এই মুহূর্তে ওর এতো কাছে । ডান দিকে বাঁধা পেয়ে বাঁ দিক থেকে সরে আসতে চাইলেও একই কাজ করলো রৌদ্র । এবার নিজের ডান হাত দেয়ালে ঠেসে মেঘার পথ বন্ধ করলো । আরো একটু ঝুঁকে আসতেই কন্ঠ চিপে খেকিয়ে উঠলো মেঘা….

” প্রবলেম কি আপনার ?
” তুই আমার প্রবলেম ।
” কাছে আসবেন না আমার , দূরে সরুন !
” দূরে সরানোর চেষ্টাও করবি না ।
” আর আপনি আমার কাছে আসার চেষ্টা করবেন না । শরীর থেকে রাইনো রাইনো গন্ধ ছাড়ছে । দূরে যান আমার থেকে ।
এতক্ষণে রৌদ্র একটু শিথিল হয়ে এসেছিলো , শিথিলতা টিকলো না আর । ফের চড়াও করে উঠলো মস্তিষ্ক । দপ করে ক্ষিপ্ততা ঠিকড়ে উঠলো । রক্ত বর্ন দৃষ্টি পাত করে রাগ ঠিকড়ে উচ্চারণ করলো….

” ইভারা ?
এবার রাগের বিপরীতে ঠোঁট ফাঁক করে মেঘা । সেই তখন থেকেই একে অপরের চোখের দিকে তাকিয়ে । এবার তাকানোর দৃষ্টি আরো গাঢ় আর প্রখর হলো । মেঘার চোখের দিকে তাকিয়েই রাগ সামলাতে ডান হাতে দেয়ালে পাঞ্চ করে রৌদ্র । তৎক্ষণাৎ বাঁ দিকে ফিরে খানিক চমকায় মেঘা ‌। দাঁতে দাঁত চেপে কর্কশ স্বরে বলে রৌদ্র….
” আমাকে রাগানোর চেষ্টা করবি না । তোর উপর রাগতে চাই না আমি । এখন আমার প্রশ্নের উত্তর দে , খাওয়া ছেড়ে উঠলি কেনো তুই ? আমার উপর রাগ দেখিয়ে , নাকি আদ্র তোর উপর হেসেছে তাই বলে ? বল কার উপর রাগ দেখিয়ে টেবিল ছাড়লি তুই ?
মেঘা প্রশ্নের মানে বুঝলো না । কুঁচকে ফেললো কপাল । রৌদ্র কে ঝটকা মেরে ঠেলে বললো গমগমে গলায়…

” কিসব বলছেন ? আদ্র ভাইয়ার উপর রাগতে যাবো কেনো আমি ?
” এক্সাটলি , আদ্রের উপর রাগবি না ।
তোর রাগ থাকবে শুধু আমার উপর ‌। তোর সবকিছু হবে শুধু আমাকে ঘিরে । ভুল করেও যদি আমার অধিকারে কাউকে ভাগ দিস , তাহলে থাপ্পরে চোয়ালের সব দাঁত ফেলে দেবো একদম ।
মেঘা মুখ বাঁকায় । তাচ্ছিল্য করে । বুঝেও অবুঝ সে । গোড় অবধি বুঝেছে তা বোঝানোর ভঙ্গিমা প্রকাশ করে না চেহারায় । রৌদ্র এবার ছাড়ে ওকে । পথ ছেড়ে দেয় ।

আসবো ফিরে আবারো পর্ব ৯

মেঘা পা চালিয়ে ধুপধাপ সিঁড়ির দিকে এগোয় গজগজ করতে করতে । কি যেনো বলে হিসহিসিয়ে ।
একেই দেরি হয়ে গেছে । এই লোকের জন্য আরো বেশি দেরি হয়ে গেলো ।
চক্ষু আড়াল না হওয়া অবধি পেছন থেকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল রৌদ্র । এমন সময় পেছন থেকে সিরাতের চিকন কন্ঠে ডাক ভেসে আসে….
” রৌদ্র …..

আসবো ফিরে আবারো পর্ব ১০ (২)