Home কালকুঠুরি কালকুঠুরি পর্ব ৫৯

কালকুঠুরি পর্ব ৫৯

কালকুঠুরি পর্ব ৫৯
sumona khatun mollika

দেশের অবস্হার চরম অবনতি ঘটেছে । বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং ছাত্র জনতা ভিষণ গন্ডগোলে মত্ত। চারপাশে মিছিল মিটিংয় আন্দোলন ।। পুলিশের হামলায় আহত হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী ।
একটা বিষয় সর্বদা খেয়াল করে দেখবেন। যখন আপনাদের দুই পক্ষের ঝামেলা লাগবে তৃতীয় কোনো পক্ষ এসে আগুনে ঘি ঢেলে চলে যাবে। ২৪ সালের ওই ঘটনাতেও তাই হয়েছে। ছাত্র এবং সরকারের মধ্যে যখন বিরোধ চলছিল , কে বা কারা যেন অন্য বিষয় ছাত্রদের মধ্যে তুলে দিল,,
শুধু কোটাই নয়। সরকারও বদলাতে হবে। তৎকালীন সরকার নাকি অনেক বছর ধরে দেশকে লুটেপুটে খেয়েছে আর পাবলিক শুধু দেখেছে তার উন্নয়ন ।

সাফিন চেয়েছিল কয়েকটা দিন বিদেশ থেকে ঘুরে আসে। কারণ বলাতো যায়না বিরোধী দলীয় রা কখন আবার ছাত্র সেজে বাড়িতে বোমা মেরে দেয় । সিভান, সিয়েরা কেও আর স্কুলে যায় না। শিশুদের স্বাস্থ্য বিবেচনায় নিয়ে স্কুল কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আবু সাঈদ নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে পুলিশের গুলিতে। জনতার বিক্ষোভ আরো বেরেছে বৈকি কমেনি। প্রথম দিকে তাদের স্লোগানগুলো ছিল,,

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

” চাইলাম অধিকার হয়ে গেলাম রাজাকার ”
এখন তাদের স্লোগান বদলেছে অন্য দাবিতে। স্বৈরাচারী নিপাত যাক।
মাঝখানে ঝামেলা কিছুটা কম শোনা গেলেও এখন আবার এইসব ঝামেলার উৎপত্তি। তারা পুরো সরকারকেই বদলে দিতে চায়। পুলিশ যখন পরিস্থিতি সামলাতে পারলোনা তখর শিক্ষার্থীদের হামলা করে পরিস্থিতি বেগতিক করে তুলল। মাহবুব উদ্দিন এর ডিউটি পরেছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তার মন একদমই সায় দিচ্ছিলোনা ছাত্রদের বিপক্ষে দাড়াতে। তবুও সে সরকারের চাকর। অর্ডার পালন করতেই হবে।

ক্লাস শেষে সামির তার কেবিনে বসেছিল। হুড়মুড়িয়ে একদল ছাত্র চেচামেচি করে তাকে ডাকতে শুরু করল,,,
” ভিরান স্যার, আপনি কি কিছুই বলবেন না? আপনাকে আমরা সবচে বেশি ভরসা করি, আপনি ট্যালেন্টেড জন্য কি সবাইকে আপনার মতো হতে হবে? আপনি কেন কিছু বলচেন না? ”
শার্টের হাতা গুটিয়ে সামির সামনে এসে দাড়ায় । বিরক্তিকর মুখভঙ্গিমা। সূর্যের তাপ সকল কিছু মিলে বিরক্তিকর পরিবেশ । সামির পকেটে হাত গুজে দাড়িয়ে শুধালো,,
“কার কি সমস্যা ক? ”
“আমাদের সমস্যা বলেওতো লাভ নাই। আপনি সমাদান দিতে পারবেন না। ”
“তাইলে আমার পিছনে খোঁচা মারতেছিস কেন? ”

তর কথা কাওকে হাসাতে পারলোনা। সবাই বিষয়েটা নিয়ে চরম সিরিয়াস। সামির হাই তুলে বলল,,
“গন্ডগোল না কইরা যা, দু একটা রাস্তায় গিয়ে মরে পরে থাকার অভিনয় কর। আর খবর পাঠাবি এতডি লোক রে মাইরা দিছে। ব্যাস ঢাকার অরা পাওয়ার পাইয়া যাইবো। আর যার যার শখ মিটলোনা, বোঁচকা বুঁচকি বেধে রওনা দে ঢাকায়। ”

কোনো শিক্ষক শিক্ষিকার পাত্তাই নেই। ছাত্রদের ভরসা ছিল সামির সিকান্দার ভিরান । তবে সেও নিরাশ করল। তাদের মধ্যের কয়েকজন ছাত্র হুট করে গায়েব হয়ে গেছে। বাড়িতেও ফেরত যায় নাই। ক্যাম্পাসেও নাই। এটা তাদের আরো বড় চিন্তার বিষয়।
মূলত ওই গায়েব হওয়া ১৫ জনকে কালকুঠুরি তে আটকে রেখেছে সাফিন। তাদেরকে আর সেখান থেকে মুক্তি দেওয়া হবে না।
সাফিন চেযেছিল ওদেরকে ওভাবেই অনাহারে মেরে দেবে। আজব ব্যাপার তাদের মধ্যে সাব ইন্সপেক্টর তৈমুর ও আছে।
ছেলেগুলোকে তোলার সময় তৈমুর দেখে ফেলেছিল। যার দরুন তাকেও আটক করেছে সাফিন। সিয়ামকে নুসরাত অনেক করে অনুরোধ করেছে এসব গন্ডগোল এ না জরাতে। কিন্তু সিয়াম তার ভাই বাদে কারো কথা শোনেনা৷
সাথি আর ইতি বর্তমানে দেশের বাইরে। সব কিছু ছেড়ে ছুড়ে ইতির ফিউচার চিন্তা করে সাথী ইতিকে নিয়ে বিদেশ চলে গেছে ।

বাড়ি ফিরতেই সামনে পরে নাজিয়া। সামির এখন আর আগের মতো হুট করে রেগে যায় না। এমনটা হযেছে সামহার কারণে। সামিরের খুব করে মনে পরে,, রাতের বেলা সামহা যখন ওকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতো,, সামিরের ফাঁকা বুকে ভয়ানক ডঙ্কা বাজতো। নিজেকে ছাড়িয়ে কোলবালিশ মাঝে দিয়ে দিত। ভয় হতো,,
“আমিতো অবৈধ । আমার ছোঁয়া বিষাক্ত৷! কোথাও আমার ছোঁয়া সামহার কাল না হয়ে যায় ! ”

সমহাকে নিয়ে যেমন সে ভিষণ খুশি ছিল তেমনি সামহার উপস্থিতি ক্ষণে ক্ষণে তাকে তার না হওয়া বাচ্চাটার অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন করত! যদি বাচ্চাটা অবৈধ সামির সিকান্দার এর না হতো, তবে হয়ত বেঁচে থাকতো। হয়ত একজন অবৈধ সামির সিকান্দার তার বাবা হওয়ার যোগ্যতা রাখতো না। কারণ সে খারাপ। আর খারাপের কখনো ভালো জিনিসে ভাগ থাকেনা। তার ছোঁয়া পেয়েই বুঝি সামহার ক্ষতি হয়েছে।

নাজিয়া হাসিমুখে জিজ্ঞেস করল,, কি হয়েছে?
“কিছু না। কিছু বলবে?”
” দুলাভাই ডেকেছে আপনাকে, জরুরি কিছু বলতে চায় ”
” হয়ত কাওকে খুন করতে পাঠাবে। নাহলে ডেলিভারিতে৷ এনিওয়ে , আমাকে একটু খেতে দিতে পারবে? খিদে লেগেছে খুব ”
” আপনি যান আমি ঘরে নিয়ে যাচ্ছি । ”

বিয়ে থেকে শুরু করে আজ অবদি যাযা ঘটেছে সব বলেছে রাহা। নাজিয়ার চোখ ভিজেছে সমবেদনায়। মনে মনে ঠিক করেছে, সামির যদি তাকে ভালো নাও বাসে, সে বাসবে। নিঃস্বার্থ ভাবে বাসবে। …. সিভান ও খাবার চেয়ে বলে, বাইরে যাবো খেতে দাও তো। নাজিয়া একদম কড়া করে বাইরে যেতে মানা করে দেয় । সিয়েরা আর সিভান দুজনেরি মেজাজটা চটে গেল । শালা বাইরে কারা ঝামেলা করছে তাদের জন্য নাকি আমাদের খেলা বন্ধ রাখতে হবে। এসব কি সহ্য করা যায়!

বেলা ঢলেছে। সময়ের সাথে তাল মিলিযে দৌড়ের ওপর সূর্য মামা ডুবতে বসেছে। মাহা মাত্র বাহির থেকে আসছে। সামিরের বেটি সামিরের মতই ত্যাড়া। একটু স্বাভাবিক হওয়ার পর থেকে সে আর মাহার সাথে কথা বলছে না। মাহাও রাগ করে কথা বলছে না। মাহা ড্রেসিয়ের সামনে দাড়িয়ে চুল আঁচড়াচ্ছিল। সামহার দিকে বারবার ঘুরে ঘুরে তাকালেও সামহা একবারো ঘুরে তাকাচ্ছে না।
বেলকনির গ্রিল দিয়ে পা বের করে মাথা ঠেকিয়ে বসে আছে রাস্তার পানে চেয়ে । মাহা নামাজ শেষে তার পাশে গিয়ে বসল। তাজবিহ জপতে জপতে সেতুও চলে এলো সেও সামহার পাশে বসে পরল। সামহা বড়দের মতো বিষন্ন মনে বলল,,
” সেতু, তুমি কি বুক ডাউন দিতে পারো? ”
” না তো ভুমি। কেন বলোতো? ”

” আমার খুব বোর লাগছে ”
” তো তোমার পুইপুই বাজাও। বিরক্তি লাগলেতো তুমি ওটাই করো, দেখ তিতিনও চলে এসেছে ”
” আসবেই কারণ ওরও বিরক্ত লাগছে ”
” তিতিনও তো তোমার পুইপুই শুনতে পছন্দ করে। বাজাও। এনে দেই?”
‘” পুইপুই এর জন্য বিরক্ত লাগছে না। আমাদের রোজের অভ্যাস আব্বুর সাথে বুকডাউন খেলার।৷ জানো, আব্বু এভাবে এভাবে বুক ডাউন দিতো আমি পিঠে বসে থাকতাম। তিতিন লাফাতো আমাদের দেখে। খুশি হয়ে “”

সেতু একবার মাহার দিকে তাকালো । মাহা চোখে বিরক্তি নিয়ে বসে আছে। জ্ঞান ফেরার পর থেকে কতবার যে আব্বু কে মনে করেছে, কাউন্ট করতে করতে মুখ ব্যাথা হয়ে যেত। কই মাহা যে পাঁচ বছর তাকে একাই যুদ্ধ করে পেলেছে, জন্ম দিযেছে, ভালোবেসেছে, তাকেতো সামহা পাঁচ বছরেও মনে হয় না এতবার ডেকেছে! মুখ দিয়ে ফ্যানা উঠে যাচ্ছে আব্বু কই আব্বু কই করতে করতে। সেতু বাকা হেসে বলল,,

” বুঝেছি। চলোনা সেতু তোমার পছন্দের ভুনা খিচুড়ি রান্না করেছি। খাবে চলো। ”
” খাবোনা। আমি একা হাতে খাইনা আব্বু খাইয়ে দিতো ”
মাহা আচমকা জিজ্ঞেস করল,,
” রান্না কে করত? তোমার আব্বু তো রান্না করতে পারেনা? ”
” আপনি কি করে জানেন? আমার আব্বু সব পারে”
” তাই নাকি? তো তোমাকে যখন রাখতে পেরেছে মানে হয়ত সবি পারবে। ”
” হুউহ, এই সেতু চলোতো এখান থেকে । ”

রাগ দেখিয়ে সামহা ওখান থেকে উঠে যায় । মাহা একটু হাসলো । বাপের মতোই রাগ। কিন্তু চারপাশে যে গন্ডগোল লেগেছে ,, কাজের চাপ এখন অনেক বেশি। সাফিন সিকান্দার ওই ১৫ টা ছাত্র কে সরিয়েছে এটা মাহা একদম স্পষ্ট জানে। কিন্তু তার যোগ্য কোনো প্রমাণ নেই।
তাছাড়া রেখেছে কোথায় সেটাও জানা নেই। এইসকল ঝামেলার মাঝেও মাহা একদিন লালকুঠি তে গিয়েছিল। রুমাশা নামের ওই ছোট্ট বাচ্চাটা এখন বড় হয়েছে। সেও মাহাকে দেখে চিনতে পেরেছে। বাকি সবাই চিনেছে। কিন্তু সাফিন চলে আসায় মাহা বেশিক্ষণ দাড়াতে পারেনি।

রাতের অন্ধকার। চারপাশে স্তব্ধ নিরবতা! ঝিঝি পোকার ডাকে কানের বারোটা বাজবে অবস্থা । কাশেম জিজ্ঞেস করে,,
” আপনে হঠাৎ এখানে আইলেন? ভেতরে যাবেন?”
” যাব। ”
” মন না চাইলে বলেন ভাই, কোনো কাম থাকলে আমারে কন আপনার কি লাগবো? ”
সামির হাফ ছেড়ে বলে,,
” আমিতো তোকে ছোট থেকে পেলেছি কাইশসা। কতকি চেয়েছিস, সব দিয়েছি। আমি যদি একটা মাত্র জিনিস চাই দিতে পারবি? রকি তুই পারবি? পারবি ওই বাচ্চাটাকে এনে দিতে? ”

কাশেম আর রকি দুজনেই চুপ করে থাকে। যেখানে সামির নিজেই অপারগ সেখানে তারা দুজন কি করবে! কাশেম যেন ইচ্ছে করেই এড়িয়ে গেল। ওই একটা বাচ্চার জন্য পাগলামি করাটা আর নেয়া যাচ্ছে না । তবে তার সয়ে গেছে । ছোট থেকে দেখে আসছে। সামির সব কিছুতেই একটু বেশি বেশি। সামির নিঃশ্বাস টেনে বলে,, চল যাই।

তিনজনে অন্দকার ঠেলে কালকুঠুরির ভেতরে প্রবেশ করে। তিনজনের মুখই রুমাল দিয়ে বাঁধা। সোজা শেল নং ২১৬ তে। তৈমুর রুমালে বাঁধা চোখদুটো দেখেই চিনতে পারলো সামির এসেছে। কেন এসেছে জানা নেই!
কাশেম আর রকি দুজন চুপচাপ দাড়িয়ে রইল । সামির পকেট থেকে তার রূপোর ছুড়ি বের করে বলল,,,
” এই জিনিসটা এখন তোদের মুক্তি দিতে পারে। খুন করেও কিন্তু মুক্তি পাওয়া যায় । আমি দু’মিনিট দাড়াবো। তারপর আবার চলে যাবো। কারণ এই সামান্য রূপোর ছুড়ি দিয়ে ওই লোহার বেড়ি কাটা যাবেনা। ”

তৈমুর গাল বাঁকিয়ে হাসলো । অন্য ১৫ জন চেচিয়ে উঠলো,,
” আপনার দোহাই ভাই এক কোবে ধর পালাইয়া দেন। বাঁচান ভাই। বাচান ”
কাশেম জিজ্ঞাসা করে,, ” আপনি অদেরকে মারবেন কেন ভাই? সাফিন ভাই তো মারতে মানা কইরেছে। ”
” কাইশসা,, পদ্মায় আইছে ভাইশসা,, আরে বাঙ্গি রেএ,, অগোরে তুই চাইলেও ছাড়তে পারবিনা। আর যদি অরা এমনেই পরে থাকে,, আমারে নেওয়ার জন্য সেদিন সাফিন এসেছিল কিন্তু এদের নিতে কেও আসবেনা। ”

রকি কাশেমকে বোঝায়, সামির এটাই বোঝাচ্ছে এদের যদি এখানে রেখে যাওয়া হয়, এরা একেকজন মানসিক এবং শারিরীক নির্যাতনে মারা যাবে। কারণ এদেরকে খেতে দেওয়া হয় না । বাথরুমে যেতে দেওয়া হয় না । সুতরাং এই কারণেই ওরা বলছে ওদেরকে মেরে মুক্তি দিতে।
রি গলা উচিয়ে জিজ্ঞেস করে,,
” এমপি সাফিন সিকান্দার এর হয়ে কাজ কর। আমরা সুপারিশ করে দেব ”
তৈমুর জবাব দিল, ” অসম্ভব , আমরা দেশদ্রোহীতা করতে পারবোনা। জান যায় যাক। সৃষ্টিকর্তা যা নসিবে রেখেছে তাই হবে। ”

সামির তার কথায় বাকা করে হাসলো। শেষ বারের মতো জিজ্ঞেস করল, ” দু’মিনিট সময় শেষ। কারো কিছু বলার আছে? যদি না থাকে আমি চলে গেলাম। ”
“না ভিরান স্যার, অন্তত মৃত্যু উপহার দিয়ে যান ”
সামির অপেক্ষা করেনি এক এক করে ১৫জনকেই মেরেছে। মুহূর্তে চারপাশে ছড়িয়ে পরেছে রক্ত। তবে তৈমুর কে মারেনি। ক্ষোভে। সে যখন অনুরোধ করেছিল তাকে ছেড়ে দিতে তৈমুর তাকে আরো শক্ত করে ধরেছিল। তার জন্য তৈমুরের খারাপ লেগেছিল। কিন্তু ওইসব ঠুনকো অনুভূতি সামির সিকান্দার এর কাছে ফ্যাক্ট না। তৈমুর তাকে ছাড়েনি এটাই ফ্যাক্ট।

কালকুঠুরি পর্ব ৫৮

সিয়াম গিয়ে সাফিনকে খবর দিতেই সাফিন ছুটে চলে আসে কালকুঠুরি তে। চিৎকার করে ওঠে ” সামির শুয়োরে বাচ্চাাাাা ” রাগে তৈমুর কে হত্যা করে সাফিন। সামিরের কাজটা আপাত দৃষ্টিতে নৃশংস হলেও সে কিন্তু ছাত্র ১৫জনকে মুক্তি দিয়েছে কারণ সে জানে ওই কালকুঠুরি তে ধুকে মরা ঠিক কতটা কষ্টকর হবে। মায়া হয়েছে। সো কল্ড মায়া। সামহার সাথে থেকে থেকে অভ্যাসটা রয়ে গেছে।

কালকুঠুরি পর্ব ৬০