দুইজনাতেই পর্ব ২০
অলকানন্দা ঐন্দ্রি
দ্বিতীর হাতের ফোনটায় দ্বিতীর ঘুমন্ত অবস্থায় তোলা ছবিটা জ্বলজ্বল করছে। কিন্তু কখন তুলেছে এটা? ঘুমের মধ্যে? দ্বিতী বার কয়েক চাইল।এটাই মোবাইলে তোলা শেষ ছবিটা। লুকিয়ে লুকিয়ে ছবিও তুলে রেখেছে এই লোক। অথচ দ্বিতীর সামনে কি এটিটিউড দেখায়! দ্বিতী সরু চাহনিতে চাইল। অতঃপর ভ্রু বাঁকিয়ে বলল,
“ সাক্ষ্য এহসান, নিজের দিকটা আড়াল রেখে দ্বিতীকে ঘুরিয়েছেন তাই না? ইচ্ছে করেই করেছেন তাই না? দ্বিতীর দুর্বলতা দেখে নিশ্চয় মজা পেতেন, রাইট? অথচ আমি কতগুলো দিন রেগেছি, কষ্ট পেয়েছি এই ভেবে যে আমায় ইগ্নোর করছে। আমাকে! নিজেরই বিয়ে করা বউকে! সাহস কত। আর এখন? এখন জানলাম, সাক্ষ্য এহসান আসলেই গভীর জলের মাছ। এতোটাই যে দ্বিতীতে ঘুরিয়েছে। দ্বিতী ছেড়ে দিবে নাকি? মোটেও না। ”
দ্বিতী এইটুকু বলেই বাঁকা হাসল। ফোনটা আগের মতোই রেখে দিয়ে যখন পিছু ফিরল তখন দেখা সাক্ষ্য রুমে ডুকছে। তাকে তাকাতে দেখেই বলল,
“ ফোন কি করেছেন? কথা বলা শেষ না? ”
দ্বিতী ভ্রু কুঁচকায়। এমন ভাবে বলছে যেন ফোন খুব মহামূল্যবান জিনিস। বলল,
“ ওটা নিচে ফেলে দিয়েছি বেলকনি দিয়ে। যান খুঁজে আনুন। ”
সাক্ষ্য খুঁজে আনতে গেল না। বরং বাহবা দিয়ে বলল,
“ গুড। ভালো করেছেন। ওটা আপনার আশপাশে থাকাটাই চিন্তার বিষয় ছিল। এখন চিন্তামুক্ত। ”
দ্বিতী ভ্রু নাচায়। বিছানায় রাখা ফোনটা র দিকে হাত বাড়িয়েই বলল,
“ তাহলে ওটা বরং আমি আজ থেকে রেখেই দেই? আপনাকে চিন্তায় দেখতে আমার দারুণই লাগবে। ”
সাক্ষ্য প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই বিছানা থেকে ফোনটা ছোঁ মেরে নিল। গম্ভীর স্বরে বলল,
“ আমার জিনিস আমি কাউকে দেই না। ”
“ নিচ্ছেই বা কে? ”
“ নিলেই বা দিচ্ছে কে ম্যাম? ”
এইটুকু বলেই পকেটে ফুরল ফোনটা। অতঃপর দ্বিতীর সামনে দাঁড়িয়ে তাকাল শান্ত চাহনিতে। আঙ্গুল এগিয়ে কপালে পড়া চুলগুলো কানে গুঁজে দিয়ে বলল,
“ তৈরি হয়ে নিন। শামিমদের বাড়িতে যাব। ওখান থেকে ওর শ্বশুড়বাড়ি যাব। ”
দ্বিতী শুনলই কেবল। সাক্ষ্য ততক্ষনে বেলকনিতে গেল। দ্বিতী দুয়েক সেকেন্ড চুপ থেকেই ব্যাগ নিল হাতে। অতঃপর ব্যাগ হাতড়াল শাড়ির উদ্দেশ্যে। বিয়ে বাড়ি বলে কথা, শাড়ি পরবে না? এমনিই যাবে? এইটুকু ভেবেই ব্যাগে শাড়ির খোঁজ চালাল। অথচ দুর্ভাগ্যবশত ব্যাগে একটা শাড়িও পাওয়া গেল না। সব জামা। দ্বিতী হতাশ হলো। সর্বপ্রথম মাকেই কল দিল। ওপাশ থেকে রিসিভড হতেই বলল,
“ আম্মু? ব্যাগে শাড়ি দাওনি তুমি? কি আশ্চর্য! বিয়ে বাড়িতে শাগি পরার কত ইচ্ছে থাকে আমার, আর তুমি শাড়িই দাও নি।”
ওপাশ থেকে উত্তর এল,“ কি বলিস? আমি তো শাড়ি দিয়েছিলাম দ্বিতী৷ ঐ যে এইবার বিয়েবাড়িতে পরলি ওটাও দিলাম। দুটো শাড়ি দিয়েছি। সাক্ষ্যকে বলেও দিয়েছিলাম যে ব্যাগের নিচের দিকে শাড়ি আছে। ওকে একটু বলে দিও। ”
“ কিন্তু কোন শাড়িই তো নেই আম্মু। কোথায় গেল? হাওয়া হয়ে গেল? ”
দ্বিতীর আম্মু আবারও বলল,
“ আমি দিয়েছি স্পষ্টই মনে আছে আমার। তোর যা যা দরকার সবই দিয়েছি। ”
দ্বিতী এবারে ওভাবেই কল রাখল। ফোনটা অবহেলায় ছুড়ে রেখে বিছানায় বসল নিরস মুখে। আর ঠিক তখনই সাক্ষ্য বেলকনি থেকে এল। ওভাবে বসে থাকতে দেখেই প্রথমে ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করল,
“ কি সমস্যা? যাবেন না? ”
“ শাড়ি নেই আমার। যাব না। ”
সাক্ষ্য ভ্রু বাঁকায়। প্রশ্ন ছুড়ে, “ শাড়ি কেন পরতে হবে? রুলস আছে কোন যে বিয়েবাড়িতে শাড়িই পরতে হয়? ”
“ আছে। বিবাহিত মেয়েদের শাড়িই পরতে হয়। ”
“ মনগড়া কথাবার্তা। ”
দ্বিতী চাইল ফোঁস করে। উত্তরে বলল,
“ ভালো। তো? ”
“ তো এখন তৈরি হবেন। জাস্ট টেন মিনিটস এর মধ্যে তৈরি হয়ে ডাক দিবেন আমায়। ”
“ তৈরি হবো না। কি করবেন? ”
সাক্ষ্য এবারে কয়েক কদম এগোতে এগোতে জানার,“ নো প্রবলেম, তাহলে তৈরি করে দিব। এদিকে আসুন.. ”
দ্বিতী ভ্রু কুঁচকায়। অন্যদিন তিড়িং করে লাফ মেরে পিছিয়ে গেলেও আজ পিছিয়ে গেল না। বরং ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“ আসলাম না। কি করবেন? আম্মু বলেছে আমার ব্যাগে শাড়ি ছিল। তাহলে কোথায় গেল শাড়ি দুটো? সব আছে। শুধু শাড়ি দুটোই মিসিং? ”
সাক্ষ্য এবারে কেমন থামল। পরমুহূর্তেই ভ্রু বাঁকিয়ে বলল,
“ ভালো হয়েছে। শাড়ি দুটো থাকলেও পরতে দিতাম না। ”
দ্বিতী সন্দেহী চোখে চাইল যেন। সঙ্গে সঙ্গেই বলল,“ আপনি, আপনি নন তো? আমার শাড়ি দুটো আপনিই সরিয়েছেন রাইট? ”
সাক্ষ্য ডোন্টকেয়ার ভাব নিয়ে জানাল,
” সরালেও কি প্রবলেম? ইচ্ছে হয়েছে সরিয়েছি। ”
দ্বিতীর রাগ লাগল এবারে। দাঁতে দাঁত চেপে বলর,“ খুব মহান কাজ করেছেন। এখন আমার ইচ্ছে হয়েছে শাড়ি পরব। মানে শাড়িই পরব। এনে দিন। ”
সাক্ষ্য শীতল স্বরে জানাল,
“ পরবেন না আপনি। শাড়ি টাড়িতে ভালো দেখায় না। ”
“ না দেখালেও পরব। ”
“ বড্ড বাড়াবাড়ি করেন আপনি। বলেছি না পড়বেন না? পড়বেন না মানে পড়বেনই না। ”
“ পড়ব মানে পড়বই। ”
“ পড়েন শুধু শাড়ি। তারপর দেখবেন আমার থেকে খারাপ কে হয়। ”
“ আপনি ভালোই বা কবে ছিলেন? আশ্চর্য! ”
সাক্ষ্য গম্ভীর ভাবে চাইল। যেন দ্বিতীর প্রতি শীতল রাগ উগড়াতে পারছে না। তাই তো যেতে যেতে বলে গেল,
“ শাড়ি পরেন বা লুঙ্গি পরেন আপনার হাতে টাইম শুধু পনেরো মিনিট মিসেস দ্বিতীকা। এর মধ্যেই তৈরি হবেন। টাইম স্টার্ট নাও। ”
এইটুকু বলেই সাক্ষ্য বেরিয়ে গেল। দ্বিতী শুধু চাইল। শাড়ি কোথায় পাবে সে? আশ্চর্য। অতঃপর মিনিট দুয়েক ওভাবেই থাকল। ফোনের স্ক্রিনে তখন ভেসে উঠল একটা ম্যাসেজ,
“ শাড়ি পরবেন ভালো কথা, কিন্তু শুধু কেউ একবার ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকুক ওখানে আপনার দিকে.. তখন দেখবেন কুরবানি ঈদের আগেই কিভাবে কুরবানি হয় আপনার। প্রথম বার বেঁচে গেছেন, কিন্তু প্রতিবার নয়৷ ওকে? ”
দ্বিতী ম্যাসেজটা পড়ে আরো চটল। এত বড় হুমকি? এত বড় সাহস? এসব ভেবেই ফোঁসফাঁস করল। তারপর হুট করেই কি যেন বুদ্ধি মাথায় এল কিজানি দ্বিতী তাড়াতাড়িই পাশে ফিরল। পা বাড়িয়ে সাক্ষ্যর ব্যাগটা দ্রুত চেইন খুলে চ্যাক করল। সৌভাগ্যবশত সাক্ষ্যর ব্যাগে দেখা মিলল ঐ দুটো শাড়িরই। দ্বিতী বিস্ময় নিয়েই তাকিয়ে থাকল। কি পরিমাণ খারাপ এই লোক। তার শাড়ি অব্দি লুকিয়ে রাখল? কেন? কেন? শাড়ির সাথে কি শত্রুতা হুহ? দ্বিতী বাঁকা হাসল। শাড়ি হাতে নিয়েই হেসে বলল,
“ ভেবেছে পাবো না। আরেহ সাক্ষ্য এহসান, আপনি চলেন ডালে ডালে আর দ্বিতী চলে পাতায় পাতায়। বোকা বানানো এত সহজ হুহ? ”
এইটুকু বলেই হাসল সে। মন জয় করা হাসি। অতঃপর নিজের শাড়ি সহ সব নিয়ে ওয়াশরুমে গেলে। সময় নিয়ে গোসল সারল। তারপরই আবার রুমে এল। ভেজা চুলগুলো তোয়ালে দিয়ে মুড়িয়ে যখন শাড়ির কুচি সহ পিন করতে গেল তখনই ঘটল আরেক বিপত্তি। আম্মু সব দিলেও তাকে পিন দেয়নি। তাহলে? পিনাপ করবে কিভাবে? দ্বিতী আবারও ফোন করে ডাকল সাক্ষ্যকে। হতাশ হয়ে কিছু বলতেই নিতেই সাক্ষ্য দ্রুত ডুকল। দ্বিতী হতাশ গলায় বলল,
” আমার পিনও নেই। কি করি আমি হুহ? ওভাবে হুট করে কেউ আসে না কোন ইনভাইটেশনে। আমি এসেছি। আপনার জন্য। অথচ এমন ভাবে এসিছি যে এক পায়ের স্যান্ডেল থাকলে অন্য পায়েরটা খুুঁকজে খুঁজতেই দিন শেষ। ”
সাক্ষ্য চাইল। মাত্রই শামিমের ওয়াশরুমে গোসল সেরেছে। আর ঠিক তখনই দ্বিতী কল দিয়েছে। কোনরকমে একটা টিশার্ট জড়িয়েই ছুটে এসেছে। আর এসে শুনল কি? পিন নেই? হতাশ হলো। তার চেয়েও হতাশ হলো যখন দ্বিতীর শরীরে শাড়ি আছে খেয়াল করল। শাড়িই পরেছে তাহলে? এত ত্যাড়া কেন এই মেয়ে? সাক্ষ্য ভ্রু নাচিয়েই বলল,
“ শাড়িটা পরতেই হতো? ”
“ হতো। ”
“ গুড। তাহলে আপনার ব্যাগে দেখুন। আছে। অদিতি আন্টি বলেছেন আমায়। ”
দ্বিতী শুনল। গুঁটিকয়েক পা এগিয়ে ব্যাগ চ্যাক করল। এবং পেয়েও গেল। সাক্ষ্য এবারে সামনে দাঁড়িয়েই হাত মেলল। বলল,
“ এদিকে দিন। এখন বলবেন আবার, পিন মেরে দেওয়ার মানুষ ও নেই। ”
দ্বিতী আসলেই বলতে নিত। অতঃপর সাক্ষ্য বলে দেওয়াতে সুবিধাই হলো। বলে বলে সব পিনই সাক্ষ্যকে দিয়েই পিনাপ করাল। কিন্তু বিপত্তি হলো ব্লাউজে আঁচলের যে পিনটা লাগায় তাতেই। দ্বিতী কিছুইতেই চাইল না পিনটা মারতে দিতে। বরং সাক্ষ্যর হাত থেকে পিন টেনে নিজেই চেষ্টা করল। সাক্ষ্য বুঝল কি কিছুই। অপর দিকে দ্বিতীর চেষ্টা দেখে নিজেই দ্বিতীর দুই কাঁধ ধরে টেনে নিজের সামনে দাঁড় করাল। আঁচলের ভাজটা ব্লাউজের গলার দিকটাতে পিন করার জন্যই ব্লাউজটা সরিয়ে ধরল। আর ঠিক তখনই দ্বিতী লাফিয়ে উঠল। এক হাতে চেপে ধরল ঐ অংশটুকু। এমন নয় তার শরীর দেখা যাচ্ছে তবুও সে হাত দিয়ে চেপে ধরল যেন কিছু লুকাতেই। স্পষ্ট স্বরে বলল,
“ আমি পারব পিন করতে। যান। ”
সাক্ষ্য ভ্রু কুঁচকায়। কি হলো? দ্বিতী আর দাঁড়াল না সামনে। সরে গেল। সাক্ষ্য তা দেখেই বিড়বিড় করল,
” আজব! ব্লাউজের আড়ালে কি আড়াল করছিল ? ”
দ্বিতী কালোর মধ্যে স্টোনের কাজ করা গর্জিয়াস একটা শাড়ি পরেছে। চুলগুলো রেখেছে খোলা। সাক্ষ্যকে জ্বালাতে ইচ্ছে করেই সেজেছে। ঠোঁটে লাগিয়েছে লাল টকটকে লিপস্টিক। ঐ যে বলেছে কেউ তাকালেই কুরবানি দিবে? দ্বিতী ও দেখতে চায়, কিভাবে দেয়।দ্বিতী দেখতে চাইল ঠিকই, সাক্ষ্যকে জ্বালাতে চাইল ঠিকই তবে জ্বলল সে নিজে। সাক্ষ্য ও তালে তাল মিলিয়ে কালো পাঞ্জাবী পরেছে। ফর্সা শরীরে বেশ মানিয়েছেও তা। আর মানানোর ফলেই সে তখন থেকেই খেয়াল করে যাচ্ছে শামিমের আত্মীয় স্বজনদের মেয়েরা হতে, বিয়েবাড়ির মেয়েরা সবাই ই প্রায় আড়চোখে দেখে যাচ্ছে ছেলেটাকে।দ্বিতী রেগে চাইল কেমন। সাক্ষ্যকে পাঞ্জাবীতে দারুণ লাগছে। দারুণ বলতে তাকিয়ে থাকতেই ইচ্ছে করছে এমন৷ কিন্তু শুধু সে তাকিয়ে থাকলেই একটা কথা ছিল, অন্যরা কেন তাকাবে? ওভাবেই তীর্যক চাহনি ফেলে বলল,
“ কি আশ্চর্য! মেয়েরা আড়চোখে আপনার দিকে বারবার তাকায় কেন? মেবি পাঞ্জাবী পরার কারণে। পাঞ্জাবীটা তো একদম বিচ্ছিরি। ”
সাক্ষ্য তখন কপাল কুঁচকাল। ভ্রু নাচিয়ে বলল,“ তো? ”
“ খুলে ফেলুন। ”
একটা বিয়েবাড়িতে এসে এখন বলছে পাঞ্জাবী খুলে ফেলুন৷ সাক্ষ্য কি এখন তাহলে খালি গায়ে ঘুরঘুর করবে বন্ধুর বিয়েতে। দিয়েছে আল্লাহ তাকে একটা বউ। মুখে ফটফট কথা থাকলেও আক্কেল জ্ঞান কিচ্ছু নেই। ভ্রু বাঁকিয়ে বলল,
“ না খুললে? ”
দ্বিতীর আরেকটু রাগ লাগল যেন। বলল,
“ ইচ্ছে আপনার। আমার কি? আপনাকে খারাপ দেখাচ্ছে তাতে আমার কি অসুবিধা? ”
সাক্ষ্য ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসল মৃদু। বলল,
“ সুবিধা বলছেন? ”
দ্বিতীর গা জ্বালা করল যেন। বলল,“আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে না। প্লিজ বের হোন। ”
সাক্ষ্য বের হলো না। বরং এগিয়ে দাঁড়াল। দ্বিতীর থেকে কয়েক ইঞ্চি সামনে দাঁড়িয়েই চোখে চোখ রেখে বলল,
“ শাড়ি পরেছেন না খুব? নিষেধ করা স্বত্ত্বেও পড়েছেন। এখন আপনার শাড়ির সাথে আমার পাঞ্জাবিটাই ম্যাচ করবে। ”
দুইজনাতেই পর্ব ১৯
“আশ্চর্য! আমার সাথে ম্যাচ করতে হবেই বা কেন?”
“ কারণ অন্য কারোর সাথে ম্যাচিং হলে মানুষ আবার সন্দেহের চোখে দেখে। এই জন্য সন্দেহ করলে যাতে আপনার সাথেই সন্দেহ করে তাই ম্যাচিং হতে হবে। ”
