দুইজনাতেই পর্ব ৩০
অলকানন্দা ঐন্দ্রি
“ বেঁচেই যাচ্ছিলেন ম্যাম। কিন্তু নিজে থেকেই যখন কাছে এলেন তখন আলাদা আর থাকি কি করে বলেন? শেষ মুহূর্তে এসে সাক্ষ্য এহসানের প্রতি প্রেম দেখিয়ে তো ভুল করে ফেললেন..”
আচমকা সাক্ষ্যর কথায় এবং কোমড় খিচে ধরায় দ্বিতী হুমড়ি খেয়ে পড়ল সাক্ষ্যর বুকের উপরেই। আচমকা ধরা পড়ে যাওয়ায় চোরের মতো মুখ হলো। তবুও সে থতমত ভাব কাটিয়ে কৃত্রিম রাগ মুখে ধারণ করে বলল,
“ ঘুমানোর ভান করে নাটক করছিলেন? ”
সাক্ষ্য চোখ মেলে চাইল এবারে। মুখে আগের মতোই বাঁকা হাসি ফুটিয়ে বলে উঠল,
“ কেন? অসুবিধা হলো নাকি মিসেস এহসান? লুকিয়ে চুরিয়ে দেখার থেকে সরাসরিই দেখুন। সাক্ষ্য এহসান আপনারই। সমস্যা নেই।”
দ্বিতী চাইল। ভ্রু কুঁচকে সাক্ষ্যর দিকে চেয়েই উঠতে চাইল। রাগ রাগ ভাব দেখিয়ে বলে উঠল, “ আপনার মুখটা বড্ড বাজে দেখাচ্ছে। দেখলেই আমার অসহ্য লাগছে। বিশেষ করে বাঁকা হাসিটা। একদম অসহ্য। ”
সাক্ষ্য হাসিটা আরো চওড়া করল। দ্বিতীর মুখের দিকটায় চেয়ে থেকে বলল,
“ কিছু কিছু সময় অসহ্য লাগাটাও ভালো। অসহ্যই লাগুক বরং। আমার মিসেস যা ঘাড়ত্যাড়া অসহ্য না লাগলেই অদ্ভুত লাগত আমার।”
এইটুকু বলেই সাক্ষ্য উঠে বসল। নিজের বউ নামক মেয়েটিকে নিজের বাহুবন্ধনে জড়িয়েই আচমকা কোলে তুলল। পা বাড়াতে পা বাড়াতে ভেজা আর খোলা চুলগুলোতে নাক ডুবিয়ে ফিসফিস করে বলল,
“ আমার কাছে এসে ভেজা চুলের নেশাময় সুভাস ছড়িয়ে আমাকে মোহিত না করলেই পারতেন ম্যাম। দ্বিতী নামক মেয়েটার শরীরের মিষ্টি সুভাসের উপস্থিতি না দিলেও বেঁচে যেতেন এ যাত্রায়। অথচ নিজের শরীরের মিষ্টি সুভাস আর শ্যাম্পুময় চুলের সুভাস দিয়েই বিপদে পড়ে গেলেন। এখন আর সোফায় ঘুম আসবে না। ”
দ্বিতী বোধহয় করে উঠল নিজের চুলে সাক্ষ্যর মুখ গোজার কারণে। এক হাতে খামচে ধরল সাক্ষ্যর ঘাড়। মুহূর্তেই ধারালো নখের আঘাতে ছিলে গেল সাক্ষ্যর ঘাড়ের চামড়াটা। জ্বলে উঠল কেমন। বেচারা দাঁতে দাঁত ছেপে নাকমুখ কুঁচকেই পা এগোল। দ্বিতীকে বাচ্চাদের মতো যত্ন করে খাটে শুঁইয়ে দিয়েই হাত তুলে ধরল। ভ্রু কুঁচকে বলল,
“ নখ এত বড় রেখে লাভটা কি? কোন কাজ আছে এদের ? ”
দ্বিতী কপাল কুঁচকে উত্তর করল,
“ অবশ্যই কাজ আছে। কেউ আক্রমণ করলে প্রথমেই নখ দিয়ে আঁছড়ে দিব। আম্মু বলেছে পারলে সোজা চোখেই আঘাত করতে। ”
সাক্ষ্য যুক্তি শুনে ফোঁস করে শ্বাস ফেলল। বলল,
“ আপনি যে মেয়ে নখ লাগবে না। নখ ছাড়াই তাকে মেরে নদীতে ভাসিয়ে দিবেন।”
“ হু, তো? ”
“ কিছু না। এমন বউ থাকা গর্বের বিষয়।”
দ্বিতী মুখচোখ কুঁচকাল কেমন। সাক্ষ্য হাসল যেন। অতঃপর ঝুঁকে বিছানাে ফুলগুলো সরাল। তারপরই ধীর পায়ে পা এগিয়ে ঘরের আলো নিভিয়েই দপ করে দ্বিতীর পাশটায় শুঁয়ে পড়ল। আলতো হাতে মেয়েলি শরীরটা জড়াতেই দ্বিতী মুহূর্তেই বলে উঠল,“ দেনমোহর দেওয়ার এই উদ্দেশ্য ছিল আপনার? ”
“ কোন উদ্দেশ্য? ”
“ দেনমোহরের যা উদ্দেশ্য তাই।”
“ জ্বী। দেনমোহর দেওয়ার যা উদ্দেশ্য তার কারণেই দিয়েছি। কারণ বউ হোন, হালাল সম্পর্ক। কখন কি হয়ে যায় বলা তো যায় না। আপনার যা মাথা পাগল দেখা গেল আমাকেও পাগলামোতে সামিল করলেন। তখন তো আবার বলেন দেনমোহর না দিয়েই পাগলামো করেছি। তবে চিন্তা নেই, এখন ঘুমাব। আপনার মতো উদ্ভট পাগল নই আমি। ”
“ উদ্ভট পাগল? আমি? ”
“ পাগল নন? শান্তিতে ঘুমোতে না দিয়ে নিজের ভেজা চুলের মাতাল করা ঘ্রানে মত্ত করলেন। দ্বিতী নামক মেয়েটার শরীরের মিষ্টি সুভাসের জানান দিলেন। এরপর কি বউ ছাড়া ঐ সোফায় ঘুমানো সম্ভব বলুন? অন্যায় হবে না আমার প্রতি? ”
দ্বিতী ফের ছটফট করে উঠল। সাক্ষ্যর দিকে ফিরেই তাকাল সাক্ষ্যর মুখপানে। আবছা আলোয় তাকিয়ে বলল,
“ আমার বেলায়ও অন্যায় হয়েছে। আমি কি আপনার মতো অন্যায় নাকি ন্যায় তা শুনতে চেয়েছি? ”
সাক্ষ্য মুখ টিপে হাসে। দ্বিতীর মুখপানে চেয়ে ঝুকল একটু। খাড়া, নাকফুলে জ্বলজ্বল করা নাকটা আলতো স্পর্শ করে বলল,
“ টিচার আর হাজব্যান্ডকে গুলিয়ে ফেলাকে অন্যায় বলে না মিসেস এহসান। বুঝেছেন? ”
“ নাটক কম করবেন। যা অন্যায় তা অন্যায়ই। দীর্ঘ চার পাঁচ মাস আপনার আমাকে নিয়ে কোন ধ্যান জ্ঞানই ছিল না। আর এখন মিসেস এহসান, মিসেস এহসান করছেন? বুঝি না? ”
সাক্ষ্য ফের হেসে উঠল। ভ্রু নাচিয়ে প্রশ্ন ছুড়ে,
“ কি বুঝেন? ”
“ তেইশ বছর বয়সে অবুঝ নয় নিশ্চয় আমি? ”
“ একদম। খুব বুঝদ্বার মেয়ে আপনি। কিন্তু আপনি যা মিন করছেন আমি তার মিসেস, মিসেস করছি না। ”
“ ওকে ফাইন। তাহলে আলাদা ঘুমান। আমার দিকে তাকানো নিষেধ আপনার। স্টুডেন্ট হই না? টিচার হয়ে স্টুডেন্টের দিকে তাকাবেন কেন?”
দ্বিতীর প্রতিশোধ স্পৃহা দেখে সাক্ষ্যর কেবল হাসিই পেল। নিশ্চয় কতশক অভিযোগ রেখেছে। শুধু স্বভাববিরুদ্ধ হয়ে প্রকাশ করতে পারছে না। সাক্ষ্য ছোটশ্বাস ফেলে। জানাল,
“ ওটা ভার্সিটি। এটা আমার রুম। আপনি ওখানে আমার স্টুডেন্ট হলেও এখানে আমার ওয়াইফ ম্যাম। কাজেই আলাদা ঘুমাতে পারছি না আপাতত। তবে নো টেনশন, আপনার যেহেতু ধারণা চার পাঁচমাস আপনার প্রতি অন্যায় হয়েছে সেহেতু আমিও নিজের প্রতি অন্যায় আরোপ করলাম। আপনার অভিযোগ দূর করে সাক্ষ্য এহসানের দিকে একটু একটু করে টেনে নিব ঠিকই কোন একদিন। ”
এইটুকু বলেই দ্বিতীকে বাহুবন্ধনে জড়িয়ে চোখ বুঝল। দ্বিতী যখন ছটফট করে উঠল ঠিক তখনই হুট করে বলল,
“ দ্বিতী? প্লিজ ঘুমাই? ”
দ্বিতী বোধহয় থেমে গেল এবারে কেমন। কন্ঠটা কেমন শোনাল কি? নাকি দ্বিতীর কাছেই লাগল এমন? দ্বিতী বুঝে না। তবে বাকিটা সময় সে স্থিরই ওভাবে সাক্ষ্যর বুকে পড়ে থাকে। ভেজা চুলগুলো সাক্ষ্যর চোখে মুখে, বুকে পড়াতে কিছু কিছু ছিটে পানি পড়ল চোখমুখে। টিশার্টটা ভিজে গেল অনেকটাই। তবুও সাক্ষ্যর চোখ বুঝে আছে। কি সুন্দর নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে।
কথা রাত জেগে পড়ছিল। মেডিকেলের পড়ার ছাপে পিস্ট হয়ে যে অনুষ্ঠান, উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারে এই তো অনেক। কথা পড়ল। মাঝেমাঝেই কফির মগে চুমুক দিল। অতঃপর পড়া শেষ হতেই ঘাড় আর কোমড় ধরাতে পা বেয়ে গেল ছাদে। ফুরফুরে হাওয়া কি ভীষণ। কথা ওদিকে গিয়ে দাঁড়াতেই হুট করে কানে এল,
“ আরেহ কথা নাকি? কেমন আছো? মেডিকেল লাইফ কেমন চলছে হু?”
কথার চোখে চশমা। পরনে একটা টিশার্ট আর ঢিলেঢালা একটা পায়জামা। গলার ওড়নাটা সুন্দরভাবে জড়িয়ে ও কাচুমাচু হয়ে দাঁড়াল। টিশার্ট পরে বাসায় থাকলেও কোন ছেলের সামনে যেতে অস্বস্তি হয় ওর। তাই কোনরকমে মুখে হাসি টানল। তাকিয়ে দেখল এটা সাম্যর বন্ধু নিহাল। একসাথেই ভার্সিটিতে পড়ে দুইজনে। এর আগেও কয়েকবার কথা হয়েছে। ম্যাসেঞ্জারে এখনো বোধহয় ছেলেটার ম্যাসেজ আনসিন হয়ে আছে। কথা জোরপূর্বক হেসেই বলল,
“ভালো আছি নিহাল ভাই। আপনি কেমন আছেন?”
“ তোমাকে দেখে ভালো হয়ে গেলাম। ”
কথা মৃদু হাসল বিপরীতে। হেসে বলল,
“ ভাইয়ার বিয়েতে তো আপনাকে দেখিনি। বিকালে আসলেন বুঝি? ”
নিহাল হেসে উত্তর করতে নিবে ঠিক তখনই পেছন থেকে ঘাড় বাঁকিয়ে চাইল সাম্য। ভ্রু নাচিয়ে বলে উঠল,
“ তুই বুঝি খুঁজেছিলি নিহালকে? আমাকে বললেই তো পারতি। খুঁজে এনে দিতাম। ”
কথা চাইল। নিরাশ চাহনিতে চেয়ে বলল,
“ খুঁজিনি। দেখিনি বলেই বললাম। ”
“ তো এই রাতের বেলায় তুই এখানে কি করিস? আব্বু তো মাত্রও তোর প্রশংসা করে গেল। আব্বুর মেয়ে নাকি বিয়ের অনুষ্ঠানেও রাত জেগে পড়তেছে আর আমরা ছাদে হৈ চৈ করে পড়ার ব্যঘাত ঘটাচ্ছি। এখন দেখি, আব্বুর মেয়েই হাজির হয়ে গেছে? ”
কথা খোঁচা দিয়ে বলা কথা গুলো শুনে মিনমিনে চোখে তাকাল। দাঁতে দাঁতে চেপে কিছু না বলেই পা বাড়াল আবার। অতঃপর যেতে নিতেই ছাদের পিচ্ছিল জায়গায় পা পিছলে মুহূর্তেই পড়ে গেল। ব্যালেন্স রাখতে না পেরে ছাদের খসখসে মেঝেতে মুখ থুবড়ে পড়তেই সাম্য মুখ কুঁচকে ফেলল। পেছন থেকে সাম্যর বন্ধুমহল আর কাজিনমহল হেসে উঠল এ দশা দেখে। শুধু নিহাল ছাড়া। কথা সে হাসির রোল শুনেই ফিরে চাইল। এতগুলো ছেলে তাকে দেখে হাসছে ভাবতেই মুখ চুপসে এল। উঠতে নিতেই সাম্য হাত বাড়াল। ফের খোঁচা দিয়ে বলল,
“ এইজন্যই বলি একটু কম খা। বেশি খেলে তো ওজন বেড়ে এভাবে ঠপাস ঠুপাস পড়বিই। একটু কম খা এবার থেকে কাঁথা। ”
সাম্যর কথা শুনে দ্বিতীয় দফায় সবাই হেসে উঠল। এমনকি কণাও ওখানে থেকে হাসল। কথার চোখ টলমল করল আবারও। এটা ওর দুর্বলতা। শারিরীক আকার নিয়ে কথা শুনতে শুনতে এখন এটা একপ্রকার মানসিক ট্রমাতে পরিণত হয়েছে মেয়েটার। তবুও শুকনো ঢোক গিলে সাম্যর হাতটা ধরল। উঠে দাঁড়াতেই সাম্য ফের আবারও বলল,
“ কি খাওয়া খাস দেখলি? তোর ওজন এত বেশি যে সামান্য হাত টেনেও উঠাতে পারছি না কাঁথার বাচ্চা কাঁথা। সারাজীবন খালি পড়ালেখাই করলি। নিজের ওজনটা আর কন্ট্রোল করলি না। ”
কথার গলা জড়িয়ে এল কেন। কান্নারা গলায় এসে আটকে গেল। মেয়েটা শুকনো ঢোক গিলেই বিষাদ গিলে নিল। মনে মনে সিদ্ধান্ত নিল, সে এই সাম্যর সাহায্য কখনো নিবে না। কখনো না। মরে গেলেও না।
দ্বিতী ঘুম থেকে উঠল একটু দেরি করেই। তার আগে সাক্ষ্যরই ঘুম ভেঙ্গেছে। বুকের উপর পাখির ছানার মতো মুখ গুঁজে থাকা মেয়েটাকে নিজের বন্ধনে দেখতে অতোটাও খারাপ লাগল না তার। বরং ভালোই লাগল। ঠোঁট এলিয়ে হেসে মুখ এগিয়ে চুম্বন আঁকল দ্বিতীর কপালে। একটা দৃঢ় চুম্বন এঁকেই পরপরই গালে, নাকে, থুমনিতে চুমু দিয়ে নরম গলায় বলল,
“ ভাগ্যিস নিজের ঘরে আনার ব্যবস্থাটা করেছিলাম। আপনার এত সুন্দর ঘুমন্ত মুখটা সবসময় দেখার কারসাজিটাও হয়ে গেল বলুন?”
দ্বিতী ঘুমের মধ্যেই মুখচোখ কুঁচকাল বাচ্চাদের মতো। মুখের উপর কারোর বিচরণ বুঝে উঠেই ঘুমকাতুরে স্বরে বলল,
“ আম্মু?”
সাক্ষ্য হেসে ফেলে। থুতনিতে কিছুটা সময় নিয়ে চুম্বন এঁকে উত্তর করল,
“ আটটা বাজে ম্যাম। ঘুম থেকে উঠবেন? ”
দ্বিতী একটু পরই চোখ ফিটফিট করে চাইল। ঘুমঘুম চোখে সাক্ষ্যর মুখচোখে হাসি দেখেই সর্বপ্রথম বলে উঠল,
“ হাসছেন কেন এমন ছাগলের মতো?”
“ কিসের মতো? ”
দ্বিতী চোখ কচলে নিতে নিতে বলল,
“ গরুর মতো। আপনাকে হাসলে খুবই বিশ্রী লাগে বুঝলেন? ”
“ এই বিশ্রী হাসিও বহুমানুষ পছন্দ করে বুঝলেন? আপনি আবার তখন জ্বলবেন না তো? ”
দ্বিতী সঙ্গে সঙ্গেই ভ্রু কুঁচকে চাইল। উত্তরে বলল,
“ আপনার জন্য জ্বলব? আমার কি এতই অকাল পড়েছে নাকি? ”
কথা গুলো গাল ভেঙ্গিয়ে বলতে বলতেই উঠে বসল সে। পরনের শাড়িটা অনেকটাই এলোমেলো হয়েছে ঘুমানোর তালে। দ্বিতী আঁচলটা ঠিক করতে করতেই সাক্ষ্যর দিকে ভ্রু বাঁকিয়ে বলল,
“ আমি যখন ঘুমে ছিলাম তখন তাকিয়ে ছিলেন? সত্যি করে বলুন। ”
সাক্ষ্য চাইল এবার। হেসে বলল,
“ না, তাকাইনি। চোখে কাপড় বেঁধে পড়ে ছিলাম। ”
দ্বিতীর মুখভঙ্গি পাল্টাল। আগুন চোখে চাইতেই সাক্ষ্য বলে উঠল,
“ কেন বলুন তো? তাকালে কি বিশেষ সমস্যা হতো? বা হবে? ”
দ্বিতী মুহূর্তেই উঠে দাঁড়াল। সাক্ষ্য যে তাকে লজ্জায় ফেলতে চাইল এইটুকু বুঝেই একটুও লজ্জা দেখাল না। বরং বলল,
দুইজনাতেই পর্ব ২৯
“ সমস্যা কেন হবে? পরপুরুষের ঘরে তো আর নেই আমি। ”
সাক্ষ্য ঠোঁট চেপে হেসে ভ্রু নাচিয়ে বলে উঠল,
“ সমস্যা হবে না বলছেন? শিওর আপনি? ”
(এই পর্ব বাদ দিয়ে আবার দেওয়া হয়েছে পর্ব ৩০(২) পরেন)
