দোলনচাঁপার সুবাস পর্ব ১৫

দোলনচাঁপার সুবাস পর্ব ১৫
তাসফিয়া হাসান তুরফা

বাসায় ফেরার পথ থেকেই অদ্ভুত স্বস্তি ভর করেছে দোলার মনে। অবশেষে সব দ্বিধা কাটিয়ে নিশীথকে ওর অবস্থা একটু হলেও বুঝাতে সক্ষম হয়েছে কিনা সেজন্য! তাই মনটা ফুরফুরে আছে। এরই মাঝে বাড়ি ফিরতেই দেখলো ওর মা ও ভাইবোনেরা সবাই রেডি হয়ে বসে আছে৷ দোলা কিঞ্চিৎ বিস্মিত হয়েই প্রশ্ন করলো,

—কোথায় যাচ্ছো নাকি সবাই? এ সময় একসাথে রেডি হয়ে বসে আছো যে!
পারভীন বেগম উত্তর দিবেন তার আগেই কামিনি বলে উঠলো,
—তুমি দেখছি কিছুই জানোনা, আপু। মা বলেনি তোমায় আমরা বড়মামার বাসায় যাচ্ছি?
কামিনির কথায় চোখ সরু হয়ে আসে দোলার। কই সে তো এ ব্যাপারে কিছুই জানেনা, মা তো ওকে একবারো বলেনি! তাই মায়ের উদ্দেশ্যে সে প্রশ্ন করে,

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

—বড়মামার বাসায় যাচ্ছো আমায় তো একবারো বললেনা, মা। তো কখন আসবে তোমরা? রাত হবে নাকি আবার?
পারভীন বেগম উত্তর দিবেন এর মাঝে আবারো কামিনি তাকে থামিয়ে দিয়ে আগ বাড়িয়ে বলে,
—ওহ আপু, এক মিনিট দাঁড়াও। তুমি কি ভাবছো শুধু আমরাই ওখানে যাচ্ছি?
দোলা হালকা করে মাথা নাড়ায় কামিনি আর শিমুল মাথা চাপড়ায় একসাথে। অতঃপর সে আর কিছু বলবে এর আগে পারভীন বেগম মেজো মেয়েকে চোখের ইশারায় থামিয়ে দিয়ে বলেন,

—আরে তোরা থামবি এখন? মেয়েটা আমার কেবল এলো সারাদিন পর। ওকে যে শান্তিমতো দুটো মিনিট কিছু বলবো তারও ফুরসত পাইনা তোদের জন্য!
অতঃপর দোলার দিক তাকিয়ে তিনি নরম সুরে বললেন,

—সকালে তুই বেরিয়ে যাওয়ার পর তোর বড় মামী ফোন দিয়েছিলো। ভাবি বললো অনেকদিন দেখা হয়না তোদের সাথে, তোর মামার শরীরটাও এখন ভালো। তিনি আমাদের সবার সাথে দেখা করতে চাইছেন। এজন্য আমরা রেডি হয়ে বসে আছি। তোকে বলার জন্য ফোন দিয়েছিলাম তিনবার কিন্তু তুই ধরলিনা তাই ভাবলাম ব্যস্ত আছিস। পরে যখন শেষবার ফোন ধরলি তখন তাড়াতাড়ি ফিরতে বললাম বাসায়। এই হলো কাহিনি! বুঝেছিস?

মায়ের কথায় দোলা ক্লান্তভাবে মাথা নাড়ায়। সকাল থেকে টিউশন, ভার্সিটি আর সবশেষে নিশীথের সাথে দেখা করা – সবটা মিলিয়ে সে সত্যিই ভীষণ ব্যস্ত দিন পার করেছে আজ। ফোনটাও ক্লাসে ঢুকে সাইলেন্ট করে রেখেছিলো তাই টের পায়নি তখন মায়ের ফোন। সবকিছু বুঝে ম্লান মুখে সে মায়ের উদ্দেশ্যে বলে,

—তো এখন কি করতে বলছো আমায়?
—ওমা! কি আর বললাম। হাতমুখ ধুয়ে দ্রুত রেডি হো, যা।
মেয়ের উদ্দেশ্যে তাড়া দিলেন পারভীন বেগম। কিন্তু ক্লান্ত দোলার মন চাইছেনা আজ মামার বাড়ি যেতে। সে ততক্ষণে সোফায় ঢলে পড়েছে। তাই মায়ের উদ্দেশ্যে সে বললো,
—আমি আজ না গেলে হয়না, মা? তুমি তো দেখলেই সকাল থেকে আমি কত ব্যস্ত! মাত্র বাসায় ফিরলাম একটু রেস্ট নিবো বলে। আমি ভীষণ টায়ার্ড!

দোলার ক্লান্তিমাখা মুখের দিক চেয়ে পারভীন বেগমের মায়া হয়। মেয়েটা তার সত্যিই বেশ পরিশ্রম করে এসেছে। কিন্তু বড় ভাই সাফ সাফ বলেছেন সবাইকে নিয়ে আসতে। তার ভাই-ভাবি তাদের সবার জন্য রাতের খাবারের ব্যবস্থা অব্দি করছেন, এ অবস্থায় দোলাকে রেখে গেলে তারা কি মনে করবেন? আর যাই হোক, বোনসুলভ আচরণের কারণে তিনি বড় ভাইয়ের নির্দেশ অমান্য করতে পারলেন না। আগ বাড়িয়ে এসে সোফায় হেলান দিয়ে বসে থাকা ক্লান্ত দোলার মাথায় হাত দিয়ে বললেন,

—আমি জানি তুই কত ক্লান্ত রে, মা। কিন্তু একটু আমার দিকটাও বুঝার চেষ্টা কর? তোর মামা-মামি কতদিন পর শখ করে সবাইকে ডেকেছেন। এ অবস্থায় তোকে রেখে আমরা চলে গেলে বিষয়টা কি ভালো দেখাবে তুই-ই বল?
মায়ের কথায় হতাশাময় এক দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে দোলা। সে এতক্ষণে বুঝেছে তার আজ না গিয়ে উপায় নেই। তাই সোফা থেকে উঠতে উঠতে মায়ের উদ্দেশ্যে বললো,

—আচ্ছা আমায় বিশ মিনিট হয়। হাত মুখ ধুয়ে রেডি হয়ে আসছি?
দোলা রুমে যেতে বাকি দুই ছেলেমেয়ের উদ্দেশ্যে পারভীন বেগম বললেন,
—দেখেছিস আমার মেয়েটা সারাদিন পর বাসায় এসেও কেমন সাথে সাথে আমার কথা শুনলো? একটা উফ পর্যন্ত করলোনা। আর তোরা? যাবিনা যাবিনা করে সকাল থেকে বিরক্ত করে মাথা খেয়েছিলি আমার! দুপুরের পর অবশেষে রাজি করতে পেরেছি তোদের দুটোকে। অথচ আমার দোলাকে বুঝাতে পাঁচ মিনিটও লাগলোনা!

মায়ের কথায় শিমুল ও কামিনি আড়চোখে একে-অপরের দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ে। বলাবাহুল্য, ওদের মায়ের এমন বহু ডায়লোগ সারাজীবন ওরা শুনেছে। দোলা নিঃসন্দেহে মায়ের সবচেয়ে প্রিয় সন্তান এ বিষয়ে এ বাসায় কারোই কোনো সন্দেহ নাই। তাই এখন এটা নিয়ে ওরা কেউ বিশেষ মাথাও ঘামায়না আর! শিমুল চুপচাপ বসে পড়তেই কামিনি বিরস মুখে মা-কে বলে,

—হয়েছে তোমার মা? দোলাপুকে এই কথা আরও একশবার শুনেছি আমরা তোমার কাছে। এখন তো এটলিস্ট এসব বলা বন্ধ করো! আর কত?
মেজোমেয়ের বিরক্তিতে মেজাজ বিগড়ে যায় পারভীন বেগমের। ওকে দু-চারটে ভালোমন্দ শুনিয়ে নিজমনে বিড়বিড় করতে করতে বাসার জানালাগুলো লাগাতে মনোযোগ দেন। আধা ঘণ্টার মাঝেই নিজ রুম থেকে রেডি হয়ে বেরিয়ে আসে দোলা।

ওর ভেজা চুল জানান দিচ্ছে সদ্য গোসল সেড়ে বেরিয়েছে সে। গায়ের হালকা গোলাপি রঙের জামাটাতেও পানির ছিটেফোঁটা দেখা যাচ্ছে। মুখে পাউডার, চোখে একটুখানি কাজল আর ঠোঁটে লিপবাম লাগিয়ে সে বেরোনোর জন্য প্রস্তুত!
এদিকে দোলাকে রেডি হয়ে আসতে দেখে সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো। যাক! অবশেষে মামাবাড়ি যাওয়া হচ্ছে তবে!

বাসায় ফেরার পর থেকে নিশীথের মুখখানা থমথমে হয়ে আছে। ওর এই পরিবর্তন আসমা বেগম লক্ষ্য করেছেন বেশ আগেই। খাবার খাইয়ে দিতে চেয় ডেকেছেনও ছেলেকে বারকয়েক, তবুও নিশীথ সাড়া দেয়নি। রুমের দরকা খুলেনি। মা হিসেবে বিষয়টায় নিঃসন্দেহে খটকা লাগলো আসমা বেগম এর মনে! হঠাৎ করে কি হলো তার হাসিখুশি ছেলেটার? সচারাচর নিশীথ রাত করেই বাসায় ফিরে, তবু আজকে একটু বেশিই রাত করে ফিরেছে সে।

এ নিয়ে ওর বাবা আয়মান তালুকদার বেজায় চটেছেন নিশীথের উপর। ১২টা পার হয়ে গেছে তবুও ছেলে বাড়ি ফিরছিলোনা বলে কয়েক দফা রাগ দেখিয়েছেন আসমা বেগমের উপর, আরও বলেছেন তার ও দাদুর প্রশ্রয়ের জন্যই নাকি আজ নিশীথের এই দূর্গতি! আসমা বেগম মনে কষ্ট পেলেও ছেলের চিন্তায় অন্যদিকে ভাবার অবকাশ পাননি!

নিশীথকে বেশ ক’বার ফোন করার পরেও যখন ওর ফোন বন্ধ আসছিলো তখন একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়ে অগত্যা আয়মান তালুকদার ঘুমোতে চলে যান পরদিন সকালে অফিস আছে বলে। উনি ঘুমোতে যাবার মিনিট দশেকের মাথায় নিশীথ বাড়ি ফিরে। ছেলেকে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও ওর অস্বাভাবিক চুপচাপ মুখশ্রী নজর এড়ায়নি তার। উপরন্তু, এতবার ডাকার পরেও নিশীথ সাড়া না দেওয়ায় উদাস মুখে তিনি চলে যাচ্ছিলেন খাবারের প্লেট নিয়ে এমন সময় তাকে অবাক করে দিয়ে ছেলে রুমের দরজা খুলে দেয়।

দরজা খোলার শব্দে হাসিমুখে পেছন ফিরতেই আসমা বেগম দেখলেন ছেলের চুল ভেজা, উদোম গায়ে দরজার হ্যান্ডেল ধরে দাঁড়িয়ে আছে নিশীথ। এ অসময়ে বাসায় ফিরে সে গোসল করছে কেন? ওর কি শরীর খারাপ? মায়ের মনে চিন্তা হয়। সেভাবেই ছেলেকে শুধান,

—কি হয়েছে, বাবা? তোকে এমন দেখাচ্ছে কেন? আর এত রাতে গোসল করলি কেন? শরীর খারাপ লাগছে?
মায়ের নরম কথায় নিশীথের প্রাণ জুড়ায়। আর কাঠিন্য ধরে রাখতে পারেনা সে। বরং সে নিজেও নম্রভাবে বলে,
—ভীষণ মাথা ধরেছিলো, মা। তাই গোসল করলাম। আজকে এসির টেম্পারেচার লো করে ঘুমাবোনা, আমার ঠান্ডা লাগবেনা। তুমি টেনশন করোনা।

ছেলের কথায় ইষত হাসেন আসমা বেগম। হাতের প্লেটের দিক ইশারা করতেই নিশীথ আবারো বলে,
—প্লেটটা আমাকে দিয়ে দাও। আমার ঘুমোতে দেরি আছে। রাতে ক্ষুধা লাগলে খেয়ে নিবোনি। তুমি গিয়ে ঘুমোও গিয়ে!

—সত্যি বলছিস তো? দেখ নিশীথ, খালি পেটে ঘুমাবিনা কিন্তু! আর আমি জানিনা আজকে তোর বাড়ি ফিরতে কেন এত দেরি হলো কিন্তু এরপর থেকে অন্তত সময় করে ঘরে ফিরিস, বাবা। তুই তো জানিস তোর বাবা এসব পছন্দ করেনা। অন্তত তার জন্য হলেও এখন শুধরে যা, এসব বদ অভ্যাস ছেড়ে দে?
মায়ের কথায় নিশীথ বড় করে এক দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে। সে কেন বাড়ি দেরি করে ফিরেছে, ওর মনের অবস্থা কিরকম, এসব তো আর চাইলেই কাউকে বলতে পারবেনা সে! তাই মুখে জোরপূর্বক হাসি ফুটিয়ে মাথা নাড়িয়ে সায় দেয় মায়ের কথা৷ তা দেখে আসমা বেগম চলে যেতে উদ্যত হন। সে সময় কি মনে করে যেন নিশীথ তাকে পেছন থেকে ডাকে। উনি পেছন ফিরতেই নিশীথ সরু চোখে প্রশ্ন করে,

—বাবা কি তোমায় কিছু বলেছে আমি দেরিতে ফেরার জন্য? তোমায় বকেছে?
ছেলের কথায় আসমা বেগম কি জবাব দিবে ভেবে পাননা। আয়মান সাহেবের উনার উপর চিল্লানোর ব্যাপারটা নিশীথ একেবারেই পছন্দ করেনা এবং এটা নিয়ে বাবার সাথে ওর বেশ ক’বার ঝগড়াও হয়েছে বটে। সুতরাং, এখন নিশীথ যদি জানে ওর বাবা আজও তার উপর চিল্লিয়েছেন তবে নিশ্চয়ই কালকেও কথা কাটাকাটি করবে উনার সাথে এ ব্যাপারে। তাই ছেলেকে আশ্বাস দিতে ঠোঁটে মেকি হাসির রেখা টেনে আসমা বেগম বলেন,

—না রে, বাবা। তুই তো জানিসই তোর বাবার একটু রাগ বেশি। তাই মাঝেমধ্যে রাগ দেখান আমার উপর। তবে আজকে জিজ্ঞেস করেছেন তুই এত রাতেও বাসায় ফিরিসনি কেন এসব নিয়ে। এজন্যই বলছি এরপর থেকে এরকম করিস না। আমরা তো তোর ভালোর জন্যই বলি রে বাপ!

নিশীথের গালে হাত রেখে বলেন আসমা বেগম। মায়ের কথায় রোবটের ন্যায় মাথা নেড়ে তাকে বিদায় জানিয়ে রুমের দরজা লাগিয়ে দেয় সে। জানালা দিয়ে শীতল বাতাস প্রবেশ করছে রুমে। সেই সাথে প্রবেশ করছে সদ্য ফোটা দোলনচাঁপার ঘ্রাণ। হয়তো নতুন কুড়ি ফুটেছে আবারো। নিশীথ খাবারের প্লেট সাইড টেবিলে রেখে বারান্দায় এগোতেই নাকে এসে বাড়ি খায় সেই মিষ্টি ঘ্রাণ। ওর প্রিয় ঘ্রাণ! কিন্তু আজকে এই ঘ্রাণে নিশীথ ভালোবাসা খুজে পায়না, আগেকার ন্যায় মায়া খুজে পায়না। কারণ আজকে ওর দোলনচাঁপা, ওর চোখে আংগুল দিয়ে সত্যিটা জানিয়ে দিয়েছে ওকে। যেটুকু প্রেমের আশায় নিশীথ এতদিন প্রহর গুনছিলো সেই আশায় গুড়েবালি দিয়েছে।

নিশীথের ভীষণ অভিমান হয় দোলার উপর। কেন সে ওর ভেতরটা দেখলোনা? শুধু ওকে বাহ্যিকভাবেই বিচার করে গেলো? কেন সে একটাবার ওর মনে বহমান অনুভুতির ধারা অনুভব করতে পারলোনা? দোলা কি দেখতে পারেনি ওর চোখেমুখে ওর প্রতি আকাশসম মুগ্ধতা? সে কি বুঝেনা ওর প্রতি নিশীথের প্রণয়াকাঙ্ক্ষা? যদি বাকি সবাই দেখতে পারে তবে কেন শুধু সে-ই দেখতে পারলোনা?

নিশীথ মনে মনে ফুসে উঠে আরেকবার। আরেকটি সিগারেট জ্বালাতে যেয়েও জ্বালালোনা। ইতিমধ্যে অনেক বেশি নিকোটিন সেবন করে ফেলেছে আজকে। হৃদপিণ্ডের যন্ত্রণায় ফুসফুসের আর ক্ষতি করতে মনটা সায় দিলোনা কেন যেন! তাইতো হাতের সিগারেট ছুড়ে ফেলে দিয়ে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লো। চোখ বন্ধ করতেই দোলার মুখ ভেসে উঠায় উপুড় হয়ে বালিশে মুখ গুজে ঘষলো কতক্ষণ! পরক্ষণেই আবার উঠে বসে দু’হাতে বিছানায় কিল বসালো দুটো। পাশে থাকা ফোন নড়ে উঠায় লকস্ক্রিন জ্বলে দোলনচাঁপার হাসিমুখ ফের দৃষ্টিগোচর হলো। তা দেখে বিরক্তি সহিত নিশীথ চেচিয়ে বললো,

—কেন করছো এমন আমার সাথে, হ্যাঁ? কেন-ই বা এত জ্বালাচ্ছো? তুমি তো বললেই তোমার মনে আমার জন্য কিছু নেই তবু কেন আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছো?
কথাগুলো বলার মাঝে নিশীথ দু’হাতে মাথার চুল খামচে ধরে। গোসলের পর মাথার যন্ত্রণা কমে গেলেও এখন আবার বেড়ে গেছে মনে হচ্ছে! এখন জোরপূর্বক একটা ঘুম না দিলে নির্ঘাত বেশ ভোগান্তি হবে। নিজের মনকে মানিয়ে জবরদস্তি চোখবন্ধ করে সে ঘুমোতে গেলো!

দোলনচাঁপার সুবাস পর্ব ১৪

দোলা নির্বিঘ্নে ঘুমোচ্ছে। স্বভাবতই ওর ঘুম পাতলা হওয়ার দরুন কিছুক্ষণ এদিক-সেদিক করার মাঝে ওর কেন যেন মনে হলো এখানে কেউ আছে। এবং সেই ব্যক্তিটি ওর দিকে ঝুকে আছে। মাঝরাতে এমন মনে হওয়ার দোলার মনে ভয় বিরাজ করলো।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, এ সময় এখানে কে আসবে?

দোলনচাঁপার সুবাস পর্ব ১৬

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here