Home নীরব উন্মাদনা নীরব উন্মাদনা পর্ব ৬৪

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৬৪

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৬৪
সুরাইয়া জিয়াসমিন

তখন সন্ধ্যা প্রায়,,, আরহামের মুখে শয়তানি হাসি,, অনেক খোঁজার পর একটা বুদ্ধি পেয়েছে সে,,যা অতুলনীয়,, সবসময় নুবার আশে পাশে থাকা যাবে এমন ব্যবস্থা,,,
আরহাম আমিনা বেগম কে বলে হাজেরাকে আটকে রেখছে যাতে তার কাজ শেষ হওয়া অবদি রুম পর্যন্ত না আসতে পারে,,,
আরহাম মেয়েকে নিয়ে আস্তে আস্তে নুবাদের রুমে ঢুকলো,,,নুবা তখন ক্লান্ত হয়ে শুয়ে আছে,,তার জীবন টা পুরাই ব্যর্থ,,, শুধু হতাশা,,আর হতাশা কোনো ফ্যান্টাসি নেই,,আছে শুধু কিছু বিচ্ছিরি অতীত,,,
আরহাম এসে গলা ছেড়ে কাশলো,,নুবা ভুরু কুঁচকে উঠে বসলো,,পরপর আরহামকে দেখে তার মুখ বিকৃত হলো,,তবে কিছু বলার আগেই খেলায় করলো আয়রা তার কোলে,,আয়ারকে দেখে নুবা কিছু বললো না,,,
আরহাম এক পলক সটান হয়ে নুবাকে দেখে তার দিকে কোনো কথা ব্যতিত একটি মোবাইলের box এগিয়ে দিয়ে বললো,,

_ হুম,,এটা তোমার জন্য,,সেদিন ভেঙ্গে ছিলাম না
আরহামের স্বাভাবিক কন্ঠ শুনে আর হাতে মোবাইল দেখে নুবা একটু খুশি হলো তবে উপর দিয়ে প্রকাশ না করে অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে সুধালো
_ আম্মু বলেছে কয়দিন পর মোবাইল ঠিক করে দিবে,, আমার লাগবে না,,,
আরহাম চোখ ছোটো ছোটো করে বললো
_ ও তাই নাকি,,আমি তো ভাবলাম তুমি নিবে,,,তবে থাককক,,,(শেষ শব্দে টান দিলো আরহাম)
মোবাইলের box সরিয়ে নিতে নিলেই নুবা খপ করে ধরে ফেলে বললো
_ এতো করে যেহেতু বলছেন না নিলে কি হয়,, অন্ততপক্ষে sorry হিসাবে রেখে দিলাম,,,তাই না,,
বলেই আরহামের হাত থেকে box টা নিয়ে নিলো,, আরহাম বিরবির করে বললো
_ একবারি তো বললাম,,এতো বার শুনলে কোথা থেকে,,,
নুবা মোবাইলে box খুলতে খুলতে বললো

_ অনেক সুন্দর করে বলেছেন তো, ছোটো বোন হিসাবে না করতে পারলাম না,,,
আরহামের মুখ কালো হয়ে গেলো,,বিরবির করে বললো
_ দে আমার ফোন দে তুই,, drama বাজ,,,
নুবা একটু মুখ বাঁকিয়ে বললো
_ উফ্ আপনিও না,,,আপনি একটু একটু ভালো আছেন,, বুঝলেন,,(পট্টি পড়াতে লাগলো নুবা,, কারণ ফোনটা হলে তার অনেক ভালো হবে)
নুবার মুখে সে একটু ভালো শুনে আরহাম আকাশে উড়তে লাগলো,,,নুবা মোবাইল খুলে বললো
_ এতো দামি ফোন দেওয়ার কি দরকার ছিলো,,,হিহিহি,,, 😁
আরহাম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে ড্রামা করতে থাকা নুবাকে দেখে বললো
_ কেনো পছন্দ হয়নি,,না হলে দিয়ে দেও,,
নুবা একটু হেসে বললো
_ বেশ পছন্দ হয়েছে,,এখন মেয়েকে রেখে আপনি ফুটেন,,,যান যান,,বাইরে আপনার বউ অপেক্ষা করছে,,একটু আগে আপনাকে খুঁজতে আসছিলো,,

নুবা খিলখলি করে হাসছে কত দিন পর মোবাইল পেয়েছে সে,,,খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেছে নুবা,, এদিকে হাজেরাকে বলেছে আমিনা বেগম মোবাইল দিয়েছে তাই হাজেরা কিছু বলেনি,,
আরহাম রুমে যেএ নিজের মোবাইল চেক করলো,,,মেয়েকে বিছানায় শুইয়ে কোনো একটা এপে ঢুকতেই নুবার চেহারা ভেসে উঠলো,,,চালাক আরহাম নুবার মোবাইলের সাথে নিজের মোবাইলকে একটা এপ দাঁড়া কানেক্ট করেছে,,এখন নুবার ক্যামেরা দিয়ে সে তার মোবাইলে সব পর্যবেক্ষণ করতে পারবে,,, এমন কি voice ও শুনা যাবে,,,
এদিকে নুবা মোবাইল অন করে অবাক হলো,,ফুল ১০০% চার্জ,,সাথে প্রয়জীয় জিমেইল থেকে শুরু করে সব খুলা,,,নুবার একটু সন্দেহ হলো নতুন মোবাইল এমন থাকে বুঝি,,পরপর আবার ভাবলো হয়তোবা দোকান থেকে কিনার সময় সব সেটিং করে দিয়েছে,,,
নুবা এক গাল হেসে মোবাইলে নেট কারেন্ট করলো,,,পরপর বিরবির করে বললো
_ খচ্চর টা লুচ্চা হলেও ভালো আছে,, বুঝলাম না ওই বুইড়া বেডা কি ভেবে আমাকে এটা দিলো,,এতো দিনে তো খবর ছিলো না,,,
পরপর একটু ভেবে বললো
_ হয়তো sorry গিফ্ট হিসাবে,,যা গ্গে আমার কি টাকার বাঁশ গেলে উনার গেছে,,,,
অতঃপর নুবা একটু গালিও দিলো আরহামকে কারণ কত থাপ্পর মেরেছে সে,,, আজকে সব সুধিয়ে দিলো,,,গালির সাথে একটু ভালো মন্দ মিলিয়ে বললো
অন্যদিকে আরহামের মুখ কালো হয়ে গেছে,,,কত বড় ব্রিটিশ এই মেয়ে,,তার মানে তার অগোচরে তাকে এই সব বলে,,, আরহাম মোবাইল অফ করে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ তোকে যদি আমি না বুঝিয়েছি আমি বুড়ো না কি মিনি হাতি,,,

এভাবে চলতে থাকলে যেনো দিন আর পাড় হবে না যেনো,,, সন্ধা প্রায় পরে গেছে তাও পরি হালকা ভাজাপুরি নিয়ে আরহামের রুমে ঢুকলো,, আরহাম কোনো একটা জরুরী কাজে ব্যস্ত ছিলো,, হঠাৎ রুমে কেউ প্রবেশ করার বিরক্ত নিয়ে সামনে তাকিয়ে পরিকে দেখে আরো বিরক্ত হয়ে বললো
_ এই তুমি জানো না কারো রুমে ডুকার আগে পারমিশন নিতে হয়,, হ্যাঁ,,জানো না তুমি,, সাধারণ জ্ঞান টুকু নেই,,
পরি আরহামের এরকম ধমকে কিছুটা কেঁপে উঠে বললো
_ sorry,,,আমি বুঝতে পারিনি,,
আরহাম উঠে দাঁড়িয়ে বললো
_ কতদিন বলতে হবে এই কথা,, কতদিন,,,
পরি মাথা নিচু করে খাবারের প্লেট টা চেপে ধরে বললো
_ আস্তে কথা বলুন আয়রা ভয় পাবে
আরহাম এগিয়ে এসে পরির হাতের হালকা খাবার ঠাস করে ফ্লোরে ফেলে দিলো রাগি কন্ঠে বললো
_ আমাকে জ্ঞান দিবি তুই,,, আমার মেয়ের কি হলো না হলো এটা তোর দেখার বিষয় নাকি,,,
পরি ছলছল চোখে আরহামের দিকে তাকিয়ে বললো

_ কয়দিন পর বউ হবো আপনার,,আয়রার মা হবো ,,তো ওর বিষয়ে আমি ছাড়া কে চিনতা,,,,
আরহাম এগিয়ে এসে পরির গাল চেপে ধরে বললো
_ বউ হসনি তো,, তুই কি মনে করিস তোর এই ধবধবে শরীরের রং দেখে আমি পটে যাবো,,কতটা চিপ মেন্টেলিটি তোর,, আমার পুরুষত্ব তোর এতোটাই ঠুনকো মনে হয় রে,,,
পরির চেয়ে রইলো আরহামের দিকে,,,,এক চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো,,,এই লোকটা এখানে আসার পর থেকে কোনো দিনও ভালো ব্যবহার করেনি,, সমস্যা কি এই লোকটার,,,
আরহাম পরিকে কাঁদতে দেখে ছেঁড়ে দিলো,,পরির ফর্সা মুখ লালা হয়ে আছে,,,পরি কম্পিত কন্ঠে বললো
_ আমি জানি না কেনো আপনি আমাকে দেখতে পারেন না,,,যেখানে আমাদের বিয়ের ডেট নির্ধাররিতো হয়ে আছে,,,,আমি চেষ্টা করছি আপনার মনের মতো হওয়ার,,,আপনি বুঝতে পারবেন না আমার ভিতরে কি চলছে,,না বলতে পারবো আর না কিছু করতে,,আমি অসহায়ের মতো এখানে এসেছি শুধু একটা ভরসা ভরা হাতের জন্,তাই এখানে পড়ে আছি,,না হলে আমার মা বাবার এতো নিচু মনোভাব না যে আমাকে বিয়ের আগেই এখানে পাঠিয়ে দিবে,,,
পরি ঠোঁট চেপে কাঁদে উঠলো,,পরপর থেমে বললো
_ আমি কতটা অসহায় আপনি ভাবতেও পারবেন না,,, নিজেকে বাঁচানোর জন্য এখানে পরে আছি,, কতটা জুলুম,,,,,,

পরি আর বলতে পারলো না,,গালায় শব্দ আঁটকে গেলো তার,,,পরপর আরহামের দিকে কিছুটা এগিয়ে যেএ ঠিক তার মুখ বরাবর মারা উঁচিয়ে তাকিয়ে বললো
_ আমি বাঁচতে চাই,,তবে আমাদের ক্ষমতা নেই,,টাকা নেই,, অমানুষদের সাথে লড়াই করার শক্তি নেই,,ঘড়ে একটা ছোটো বোন আছে,,আমি চাই না আমার জন্য তার কোনো ক্ষতি হোক,,বা আমার পরিবারের উপর এই সবের প্রভাব পড়ুক,,আমি,,আমি খুব অসহায় আরহাম,,আপনি সেটা আন্দাজো করতে পারবেন না,,,
বলতে বলতে পরি আরহামের বলিষ্ঠ বুকে ঠাই নেওয়ার চেষ্টা করলো,,এই মূহুর্তে তার একটা ভরসার হাত খুবি দরকার,,কেউ যদি জানতো প্রতি রাত সে কিভাবে অসহায়ের মতে জেগে থাকে,,,নিজের সাথে নিজে লড়াই করে,,,কখন কে কোথা থেকে তাকে টেনে হিচরে নিয়ে গেলো এই ভয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে,,কেউ বুঝবে না,,,এই সব জনালে সবাই তাকে ধিক্কার জানাবে,,, ঘৃনা করবে,,ভালো চোখে দেখবে না কেউ,,,তাকে সমাজ থেকে আলাদা করে দিয়ে বললে
_ ২/৩ দিন এক পরপুরুষ তোমাকে তুলে নিয়ে যেএ রেখেছে,, কিছুই নাই করেছে,,,তবে শুধু পরিই জানে তার সাথে কি হয়েছিলো যা সে এখনো ভুলতে পারেনি,,,

দুই জন যখন অনেক কাছাকাছি,,পরি কেবল অন্যমনস্ক আরহামের বুকে মাথা রাখবে রাখবে এমন অবস্থা তখনি দরজা ভেদ করে নুবা হাস্যোজ্জ্বল মুখ নিয়ে রুমে প্রবেশ করলো,,,পরপর সামনে এরকম দুই জনকে কাছাকাছি দেখে সে চমকে উঠলো,, হয়তোবা ভুল সময়ে চলে এসেছে,,,
হঠাৎ রুমে কারো উপস্থিত টের পেয়ে দুইজনি তাকালো,,,তাদের চাহনি দেখে নুবা বেয়াক্কেলের মতো হেসে পরনের জামা চেপে ধরে মাথা নিচু করে বললো
_ sorry sorry,,ভাই – ভাবি,,আমি বেঠিক টাইমে এন্টি নিয়েছি sorry,,,
বলেই নুবা উল্টো ঘুরে দিলো এক দৌড়,,, আসলে সে আয়ারকে নিতে এসেছিলো,,হাজেরা আমিনার সাথে কোথায় জানি গেছে তাই সে সুযোগ পেয়ে এসেছিলো তবে এমন কিছু দেখবে তার জানা ছিলো না,,,
আরহাম নিজের হুসে ফিরলো,,,পরির বাহুতে ধাক্কা দিয়ে দুরে সরিয়ে বলো
_ Don’t try to come near me. ,, idiot,,
বলেই আরহাম রুম থেকে বেড় হয়ে দেখলো নুবা করিডোর দিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে,,, আরহাম পিছন থেকে ডেকে উঠলো

_ নুবা,,,
নুবা দৌড়াতে দৌড়াতে পিছন ফিরে তাকিয়ে চেঁচিয়ে বললো
_ sorry ভাইয়া,,আমি জানতাম না আপনারা ফস্টি নষ্টি করছেন,,,,😁
নুবার কথা শুনে আরহামের রাগ ধৈই ধৈই করে বাড়লো,,রাগে হুংকার ছেড়ে বললো
_ অসভ্যের বাচ্চা,,,আয়রা কান্না করছে,,,ওকে নিয়ে যা,,,,
নুবা কথা শুনে সিল্প কাটলো,,,একটু থেমে আয়রার লোভ সামলাতে না পেরে গাড়ি পিছন দিকে ঘুরিয়ে বাচ্চাদের মতো দৌড়ে ফিরে আসলো,,, হাঁটুতে দুই হাত দিয়ে ভর করে নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ দেন,,আমি ওকে নিয়ে চলে যাই তার পর আপনারা লুতুপুতু করিয়েন,,আমি একটুও ডিস্টার্ব করবো না,,,
নুবার মুখে দুষ্টুমির হাসি,,,আরহামের মেজাজ খারাপ হলো,,তার মানে এই মেয়ের মনে এখনো পর্যন্ত সে তার জন্য এক বিন্দুও অনুভূতি তৈরি করতে পারেনি,,
আরহাম কিছু না ভেবেই ঠাটিয়ে একটা চড় মারলো নুবাকে,,,নুবার মাথা ঘুরে উঠলো,,, কিছু সময় চড় খেএ স্তব হয়ে থেকে পরপর মুখে কালো মেঘ জমিয়ে কাতর কন্ঠে বললো
_ আয়ারকে দিবেন বলে ডেকে চড় বসিয়ে দিলেন,,এ কেমন বিচার,,,
আরহাম রাগি কন্ঠে বললো

_ first of all সোজা হয়ে দাঁড়াও,,আর 2nd এতো দৌড়াদৌড়ি করো কেন বাচ্চা তুমি,, কয়দিন পর ২০ বছরের বুড়ি হয়ে যাবে,,,
এর ভিতরে পরি বেড় হয়ে আসলো,,, স্বাভাবিক ভাবে চোখে মুখে কান্নার রেশ নেই,,,নুবা পরির দিকে তাকিয়ে একটু সাহস পেয়ে এক আঙ্গুল নিজের নিজের দিকে ত্যাগ করে বললো
_ মেম,,মারলো,,চড় মারলো,, কিছু বলেন,,,
বাচ্চাদের মতো ঠোঁট উল্টে দিলো নুবা,,,মেম হয় তার,, আবশ্যই বড় বোন বা মায়ের মতো তার কাছে ব্যতিত কার কাছে বিচার দিবে,,সেই তো আছে যে আরহামকে সোঁজা করতে পারবে ঠিক আরাফের মতো,,
আরহাম নুবাকে সারপ্রাইজ হিসাবে আর একটা থাপ্পর মেরে রাগে হাসফাস করে বললো
_ ও কি বিচার করবে হুঁ,,,

পরি ওখানে দাঁড়ালো না পাশ কাটিয়ে নিজের রুমে চলে গেলো,,বুক ফেটে যাচ্ছে তার,,সে বারবরা ব্যর্থ হচ্ছে,,কেন যে এই মানুষ টা তাকে দেখেও গলছে না কে জানে,,,
পরি যেতেই আরহাম নুবাকে হাত ধরে টেনে রুমে নিয়ে গেলো,,যে কিনা দুই গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে,,,এতো বড় অপমান,,এই নিয়ে পরির সামনে ৩ টা থাপ্পর দিলো,,এই শোধ নুবা তুলবেই,,,
আরহাম নুবাকে রুমে আনতেই নুবা রাগি কন্ঠে বললো
_ আজ চাচু আসুক,,বিনা কারনে আমাকে,,,,
পরপর নুবার ঠোঁট দুই আঙ্গুল দিয়ে চেপে ধরলো আরহাম,,নুবার কথা ছুটে গেলো,,, আরহাম ঠোঁট প্রায় ছিরে ফেলবে এরকম উপক্রম,,,
নুবা ব্যথায় ককিয়ে উঠলো,, আরহাম ঠোঁট ছেঁড়ে দিয়ে বললো

_ Talk less, I don’t like talking so much. ,,
নুবার নাকের পাঠা ফুললো,,,ঠেডার মতো সটান হয়ে চলে যেতে লাগলো,,, আরহাম নুবাকে টেনে ধরে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরলো,,,,,পরপর একদম শান্ত কন্ঠে বললো
_ কি শাস্তি দিতে চাও,,,মুখ দিয়ে বলো শুধু,,আমি মাথা পেতে নিবো,,
নুবা চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে বললো
_ লুচ্চা বেডা,,,বউ এর সাথে romance করতে দেয়নি দেখে কি আমাকে থাপ্পর মারবেন,,আর এভাবে অসভ্যদের মতো দেওয়ালে চেপে টেপে ধরেছেন কেন,,আমি কিন্তু আপনার ছোটো বোনের মতো তাই আপনি ,,,,,,,
আরহাম নুবাকে ধমকে উঠে বললো
_ just shut up,,না হলে মুখ ভেঙ্গে ফেলবো,, অভদ্র,,আর লুচ্চামির দেখেছো কি তুমি,, হ্যাঁ,,,যদি তেমনি হতাম তবে সেদিন ওয়াশরুমে ছেড়ে দিতাম তোমাকে হুম,,,
নুবা দেওয়ালের সাথে চিপকে যেএ বললো

_ ছাড়ুন বলছি না হলে চাচার কাছে যেএ,,
আরহাম আরো রেগে উঠলো,,, শুধু চাচা চাচা,, বিচার বিচার,, আরহাম নুবাকে ধাক্কা দিয়ে ছেড়ে দিয়ে বললো
_ যা কার কাছে বিচার দিবি দে,,,যা ইচ্ছা তাই বল,,দুই এক লাইন বাড়িয়ে বলিস,,,সবসময় বিচার বিচার,,বিচারের মায়রে চু***** ,,,তোকে তো,,,,
বলেই আরহাম রুখে আসলো,,নুবা চম্কে উঠে বললো
_ অতিরিক্ত করছেন আপনি আমি বিচার দিবো কিন্তু,,,
আরহাম নুবার এরকম কথা শুনে আরো রেগে গেলো,,পরপর যা না হওয়ার ছিলো তাই হলো,,, আরহাম এসে নুবার দুই গাল চেপে ধরে রাগি কন্ঠে বললো
_ তোর জন্য আমার জীবন টা হেল হয়ে গেছে,,,চুট্টি সাজিস তুই,, কিছু বুঝিস না,,একটা মানুষ সবাইকে রেখে তোকে প্রয়োরেটি দিচ্ছে,,,বারবার তোকে দেখার জন্য ছটফট করছে,,,,নিজের হবু বউ কে রেখে তোর পিছনে ঘুরছে,, কিছু বুঝিস না তুই,,,, বাচ্চা তুই,,,,

নুবার চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো,,,আরহামের কথা বোঝার চেষ্টা করলো না সে,,,আর না শুনার চেষ্টা করলো,,,নুবা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বললো
_ সবাই খারাপ,,সবাই খারাপ,,চলে যাবো আমি,,সবাই আমাকে প্রয়োজনে ব্যবহার করে আপনিও,,আপনিও একটা খারাপ,,আয়রার জন্য আমাকে ব্যবহার করেন,,,নিজের বউ কে ফিড করাতে দিবেন না,,যদি বোডি ফিগার নষ্ট হয়ে যায়,,আর অন্য মেয়েকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করাবেন,,,তাও আমি কিছু বলিনি,,তবে আপনি কথায় কথায় আমার গায়ে হাত দিবেন কেন,,, আপনি একটা জঘন্য মানুষ,,,মাস খানিক আগে আমাকে হসপিটালে পাঠানোর পর যে মার গুলো খেলেন লজ্জা হয় না আপনার,,আবার আমার সাথে এরকম করতে,,আর লজ্জা হবে কি করে,,যে পুরুষ পরনারীর গায়ে কোনো দোষ ব্যতিত হাত তুলতে পারে তার ভিতরে কি আদেও ভদ্রতা আছে,, অসভ্য কোথাকার,,, বিচ্ছিরি মানুষ,,,
আরহামের ইচ্ছা করলো থাপ্পর মেরে খোমা বিগড়ে দিতে,, কিন্তু পারলো না,,নুবাকে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বেড় করে বললো

_ তুই আমার ধারের কাছেও আসবি না,,, জানোয়ার কোথাকার,,,কোখনো কিছু বোঝার চেষ্টা করে না,,,
নুবা আহাম্মকের মতো কিছু সময় দাঁড়িয়ে থেকে পরির রুমে যেতে লাগলো বিচার দিয়ে যাবে,,তবে যেতে যেতে আবার ফিরে আসলো,,পরপর আরহামের রুমে দুটো লাত্থি মেরে বললো,,,
_ তুই জানোয়ার,,তোর,,তোর ১৪ গুষ্টি,,, অসভ্য লোক কোথাকার,,
বলেই নুবা আর একটা লাথি মারার জন্য দরজায় লাথি দিতেই আরহাম দরজা খুলে ফেললো,, সাথে সাথে নুবা রুমের ভিতরে যেএ মুখ থুবড়ে পড়লো,,
নুবা হতভম্ব হয়ে গেলো,,,মাথা উঁচু করে সামনে তাকালো,, আরহাম নুবাকে টেনে তুলে বললো
_ কি বললি,,,
নুবা নিজের মুখে হাত চেপে ধরে বললো
_ দরজা খুললি কেন,,, শয়তান,,,
ব্যাস,,,আরহামের এতোটা রাগ হলো,,কত বড় সাহস তুতোকারি করছে,,আগে ভয় পেতো ইদানিং ভয়ের ভ টাও পায় না,,,

আরহাম রুমের দরজা লাগিয়ে দিলো,,,নুবা এবার একটু ভয় পেলো,,,সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বললো
_ দরজা লাগালি কেন,,দরজা খুল,, লুচ্চা,,সবকয়টা চরিত্রহীন,,
বলেই নুবা দরজা খুলতে লাগলো,, আরহাম নুবাকে টেনে নিয়ে যেএ বিছানায় ফেললো,, এদিকে দোলনায় থাকা আয়রা আর চোখে তাকালো,,এতো শব্দ শুনেও সে শান্ত কারণ তার পেট ভরা,,
নুবার এবার ভয়ে কলিজা শুকিয়ে আসলো,,, হয়তোবা অতিরিক্ত সাহস দেখিয়ে ফেলেছে,,সে ভুলেই গেছিলো এটা আস্ত একটা খবিশ,,
নুবা উঠার চেষ্টা করলো,, আরহাম নুবাকে এক ধাক্কায় উল্টো করে দিলো,,পরপর নুবার উপড়ে বসে তার দুই হাত মুচড়ে পিছন দিয়ে চেপে ধরলো,,,
নুবা ছটফট করে উঠলো,,,রাগি কন্ঠে বললো
_ ছাড়,,, আম্মু,,,, খচ্চর কোথাকার,,,একটা মেয়ে মানুষের শরীরের উপর বসিস লজ্জা লাগে না,, লুচ্চা,,,পরি মেমের কাছে সব বলে দিবো আমি,,, আম্মু
আরহাম নুবার মাথা চেপে ধরে বললো,,,

_ আজকে তোকে দেখাবো লুচ্চা কত প্রকার কি কি,,,,
নুবার গলা শুকিয়ে আসলো,,,এই লোকটা অতিরিক্ত করছে,,,নুবা রাগে গজগজ করে বললো
_ কুত্তার বাচ্চা,,,
নুবার মুখ দিয়ে গালি শুনে আরহাম আরো তেতে উঠলো,,ফট করে নুবার সুতির ড্রেসে হাত দিলো,,,নুবা হতভম্ব হয়ে গেলো,, আরহাম রাগি কন্ঠে বললো
_ তুইতোকারি করিস,,তাই না,,আমি কুত্তার বাচ্চা,, কুকুর তো কমড় দেয়,,,দিবো একটা,,,
নুবা বিচলিত হয়ে বললো
_ না না না না,,,
আরহাম নুবার ড্রেসের চেইন ধরে বললো
_ বেয়াদবি করবি,,,
নুবা মাথা নাড়িয়ে বললো
_ না না না না আআআ,,,ছেড়ে দেন ভাইয়া আর কখনোই এমন করবো না ,,,কক্ষনো না,,,
আরহাম নুবার চুলের মুঠি ধরে বালিশের সাথে দিলো এক ডুয়া,,,পরপর বালিশে মুখ চেপে ধরলো তার,,,নুবা চাঁপা কন্ঠে বললো
_ আর বলবো না আর বলবো না,,,ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি,,আর কখনো বলবো না,,,
আরহাম আর একটু চেপে ধরে বললো

_ বান্দরের মতো লাফালাফি করবি,,,
_ না না,,,
_ তুতোকারি করবি,,
_ না না,,,
_ লুচ্চা‌ বলবি আমাকে,,,
নুবা চুপ হয়ে গেলো,,, আরহাম আর একটা ডুয়া মেরে বললো
_ কি হলো বল,,
নুবা চাঁপা কন্ঠে বললো
_ না,,বলছি না,,(বাল)
_ এখন উঠে ১০০ বার কান ধরে উঠবোস করবি,,
_ না না না,,
_ কি বলল্লি
নুবা হাঁসফাঁস করে বললো
_ হ্যাঁ হ্যাঁ,,,
আরহাম নুবাকে ছেড়ে দিলো,,ছাড়া পেয়ে নুবা জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেলে ক্ষুন্ন চোখে আরহামের দিকে তাকালো,,,আর বিরবির করে মনে মনে বললো
_ তোর মেয়েকে আর ফিড করালে আমার নাম নুবাইরা না,,,
আরহাম দুই হাত দিয়ে মাথার চুল ঠেলে বললো

_ নে,,কান ধরে উঠবোস কর আর বল,,আমার ভুল হয়ে গেছে
নুবা বিছানা থেকে নেমে দাঁড়ালো,,,মাথাটা ঘুরে উঠলো তার,,সে করবে কান ধরে উঠবোস কখনোই না,,
নুবা বিছানা থেকে নেমে চোখের পলকে দৌড় দিয়ে রুমের দরজার সাযনে চলে গেলো,, আরহাম দাঁতে দাঁত চিপে বললো
_ আমি জানতাম,,,আমি জানতাম তুই কতটা পাকা,,,
নুবা দরজা টেনেও খুলতে পারলো না,,,এর ভিতরে আরহাম নুবার পিছনে এসে দাঁড়ালো,,,নুবা দরজা ঘেঁষে আরামের দিকে তাকালো,,, আরহাম দরজার দুই পাশে হাত দিয়ে নুবাকে বন্দি করে নিলো,,,নুবা ঠোঁট চেপে কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বললো
_ দেখুন,,,ভাইয়া,,,আমি খুবি সভ্য আর ভদ্র একটা মেয়ে,,,দূরে সুরুন,,,হুস হুস,,,,
_ কান ধরে উঠবোস করতে বলেছিলাম তোকে,,
নুবা নাক মুখ কুঁচকে বললো
_ আমি বাচ্চা নাকি sorry তো বলেছি,,এর থেকে বেশি আশা করবেন না,, আমাকে ভালোই ভালোই যেতে দেন,,না হলে,,,না হলে,,,
আরহাম আর একটু এগিয়ে এসে বললো

_ কি করবি,, বিচার দিবি,,
নুবা মাথা ঝুঁকিয়ে হ্যাঁ বললো,, আবার না বললো,,,
_ যেএ সুন্দর মতো কানধরে উঠবস কর কিচ্ছুটি বলবো না,,যা,,,
নুবা মাথা ঝুঁকিয়ে বললো
_ না,,,না,,,আমি বাচ্চা না,,,বেশি,,বেশি করলে আয়ারকে দুধ দিবো না বলে দিলাম,,,
আরহাম কটমট করে বললো
_ তুই আমাকে ঠেট দিচ্ছিস,,,
_ হ্যাঁ দিচ্ছি,,, আমাকে যেতে দিন না হলে,,,
বলেই ডান হাতের তর্জনীয় আঙ্গুল উঁচু করে আরহামকে শাশলো,, আরহামো কম যায় নাকি,,সেই আঙ্গুল টুস করে মুখে পুরে নিলো,,পরপর দাঁত দিয়ে চেপে চেপে ধরলো,,,নুবা এমন কান্ডে হতভম্ব হয়ে গেলো,,,চোখ বড় বড় করে আরহামের দিকে তাকালো,,,,
আরহাম ভুরু নাচালো,,,নুবা আঙ্গুলে চাপ পড়ায় “ahhh ” শব্দ করে উঠে বললো
_ ছাড়ুন,,, রাক্ষস,,,
শেষ পর্যন্ত অনেক যুদ্ধ করার নুবা রুম থেকে বেড় হয়ে দিলো এক দৌড়,,আর ফিরেও তাকাবে না এদিকে,, আরহাম ফিক করে হেসে দিলো,,আর বললো
_ আপনাকে কানে ধরে উঠবোস না করালে আমার নামো আরহাম না,,,

রাত পেরিয়ে আবার সকাল হলো,,নুবার আর বিচার দেওয়া হলো না,, কারণ সে মুখেই পটপট করে বিচার দেওয়ার যোগ্যতা তার নেই,,, এদিকে মোবাইল ঘেটতে ঘেটতে কত গুলো বকা যে দিলো আরহামকে সবি শুনলো আরহাম,,,”আরহামকে মেরে আলু ভর্তা করবে,,আবার গাছে ঝুলাবে তাকে,,,এবার নিজে হাতে মারবে,,আরো কত কি”
দিন চলে যায় তবু নুবাকে আর হাত করা হয় না তার,,হাত করতে নিলেই একটা না একটা ঝামেলা বেঁধে যায়,,কখনো ঝগড়া লেগে যায়,,কখনো কেঁদে ভাসায় নুবা,,কখনো আয়রাকে ফিড করাবে না এই ঠেট দেয়,, আরহাম বিরক্ত,,কি করবে না করবে,,এই সব কি তার দাঁড়া সম্ভব,, শেষ পর্যন্ত কি হবে কে জানে,,তার উপর পরি,, সবসময় আরহামের মন জয় করতে মরিয়া হয়ে উঠে,,, ইদানিং আরহাম খারাপ ব্যবহার করা অফ করে দিয়েছে কারণ এই মেয়েকে খারাপ ব্যবহার করলেও আশে পাশে ঘুরঘুর করে,,, কাঁদে,,যা আরহামের পছন্দ না তাই সে শুধু উপেক্ষা করার চেষ্টা করে,,

আরহাম কিছু বই নিয়ে বসেছে The Art of Seduction,,How to Talk to Women,,, অনেক খোঁজাখুঁজির এই দুটি বই পেয়েছে,, এগুলোর ভিতরে ট্রিক দেওয়া আছে কিভাবে মেয়েদের মন বোঝা যায় কিভাবে মেয়ে পটানো যায়,,,
তবে বইটা পড়ে বিরক্ত লাগলো তার,,,এই সব তার দাঁড়া সম্ভব নয়,,,নুবার এতো কাছেও যেতে পারবে না সে যে এভাবে কথার জালে ফাসাবে,,,
আরহাম বই রেখে কিছু সময় শুয়ে রইলো,,কি দিন চলে আসলো তার একটা মেয়েকে বশ করার জন্য কতকিছু করতে হচ্ছে তবে এখন পর্যন্ত একটুও উন্নতি হয়নি,,
আরহাম মোবাইল হাতে নিয়ে Google এ গেলো সার্চ করলো
” মেয়েদের পটানোর সব থেকে সহজ প্রক্রিয়া বলো”
সর্বপ্রথম একটা আইডিয়া দিলো তা হলো গিফট,,,তাদের শাড়ি,,চুরি,,,দিলে তারা খুশি হয়,,

একটি নীল রঙ্গের শাড়ির কম্ব,,,খুবি দামি,,সব কিছু বাছাই করা,,,সোনায় মোড়ানো যেনো,,সাথে একটু ছোট্ট চিরকুটে নোট,,,,
পরপর আরো ৩ টা শাড়ির কম্ব,,তবে আলাদ,,তিনটা একি,,,এই তিনটা পরি,,ইশিতা আর আরশির জন্য,,, শুধু নুবাকে শাড়ি দিলে নিশ্চয় সবাই সন্দেহের চোখে দেখবে,,,
আমিনা বেগমের হাতে তিনটা box ধরিয়ে দিয়ে তিন জনকে দিয়ে দিতে বললো,,তা দেখে আমিনা বেগম মুখ কালো করে বললো
_ সবার জন্য তোর হাতে জিনিস পত্র উঠৈ তবে আমার জান্য উঠে না,,,
আরহাম দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ নাটক কর করো প্রিও,,, তুমি যে যখন যা ইচ্ছা তাই অর্ডার করো আমি কিন্তু জানি,,, এভাবেই আমার বাপের টাকার বাঁশ দিচ্ছো,,
আমিনা বেগম মুখ বাকালো
_ বেশি কথা বলিস,,,
,,বেজাত একটা ছেলে হয়েছে তার,,
আরহাম যেতে যেতে আবার ফিরে এসে বললো
_ ওই হাজেরাকে ধরে রাখো আমি এখনি আসছি,,

_ কি আর করবো মোবাইল টিপছি আর তুমি,,
_ সেম,, কাজ নেই,,,
নুবা মৃদু হেসে বললো,,
_ তোমার আর আম চুরি রিকশা ভাড়া দেওয়া হলো না,,
তৌসিফ হেসে বললো
_ হ্যাঁ তা তো বটে তবে ভবিষ্যতে দেখা যাবে,,
তারা টুকটাক কথা বলতে লাগলো,,, অনেক কষ্ট করে ফেসবুক আইডি খুঁজে বেড় করেছে তৌসিফের তবে ভাগ্য ভালো আরহাম নিজের মোবাইল চেক দেয় না তাই এই বিষয়টা খেলায় করেনি,,
এমন একটা সময়ে আরহাম রুমে প্রবেশ করলো,,, হঠাৎ আরহামকে দেখে নুবা ফাল দিয়ে উঠে বসে বললো
_বড্ড বেলাজ তো আপনি আবার চলে আসছেন,,,

আরহাম নুবার দিকে সরু দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললো
_ এটা তোমার জন্য এনেছি,,,i think তুমি নিবে,,,
নুবা এক পলক box টার দিকে তাকিয়ে বললো
_ কি এটার ভিতরে,,
_ খুলে দেখো,,, gift থাকতে পারে i think,,,
নুবা box টা নিয়ে বললো

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৬৩

_ আপনি যতটা খারাপ ততটাও খারাপ না,,,
আরহাম পকেটে হাত গুজে বললো
_ তোমার মতো পলটিবাজ একটাও দেখিনি,, গিরগিটি থেকেও খারাপ,,
নুবা মুখ বাঁকিয়ে বললো
_ তো এখন লুচ্চা বললে খুশি হতেন নাকি আজব,,আর ভুলেও তেতে উঠবেন না বাসায় কিন্তু সবাই আছে,,,
আরহাম শব্দ ব্যায় না করে রুম থেকে বেড় হয়ে গেলো,,,

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৬৫

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here