Home নীরব উন্মাদনা নীরব উন্মাদনা পর্ব ৭

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৭

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৭
সুরাইয়া জিয়াসমিন

অনেক বছর বাংলা চর্চা না থাকায় হঠাৎ করে বাংলা বলায় সে ইংরেজি বাংলা গুলিয়ে ফেলেছে,,তবে আরহামের মতে কয়দিন বাংলা চর্চা করলে সে নিজের আগের মতো শুদ্ধ বাংলা বলতে পারবে,,,
আমিনা বেগম আরাফকে ইচ্ছে মতো বকেছে কেনো সে আয়রাকে একা ফেলে যাবে,, অন্ততপক্ষে কারো কাছে দিয়ে যেতো,,আর আরহাম যদি এই ব্যপারে জানতে পারে কতটা খেপে যাবে আরাফের ধারনা আছে,,,
হাজেরা বেগম হাতে হাতে কাজ করে দিচ্ছে,,নুবাই বাসার সব কাজ করছে,, অবশ্য আমিনা আর আরশিও সাথে সাহায্য করেছে,,
সবাই খেতে বসেছে,,আরহাম মেয়েকে কোলে নিয়ে খাচ্ছে,,, এদিকে নুবা রান্না করেই আগে খেয়ে নিয়েছে,, কারণ সারাদিন না খেএ থাকায় তার প্রচন্ড ক্ষুধা লেগেছিলো,,,
হারেজা বেগও খেতে বসেছে,,,তবে ডাইনিং এ নয় নিজের রুমে,,আজ পর্যন্ত নুবা বা হাজেরা ডাইনিং এ বসে খায়নি,, অবশ্য এতে তাদের কেউ কিছু বলবে না,,,বাড়ির মানুষরাই তাদের আরো জোর করে এক সাথে খেতে তবে নুবা হাজেরা কেউ ভুলে যায়নি তারা এ বাড়ির কি,,,
তারা এই বাড়ির সদস্য না হয়ে কি করে এখানে বসবে তাই তারা কখনো এখানে খায় না,,
নুবা সবাইকে খাবার বেড়ে দিচ্ছে,,,আরহামের জন্য আগে থেকেই আলাদা করে ঝাল তরকারি রেডি করে রাখা হয়েছে,,বেচারা আবার ঝাল ব্যতিত খেতে পারে না,,
আয়রা আরহামের কোলে শুয়ে খেলা করছে,,মুখ দিয়ে উম আহ শব্দ বের করছে,,,হাত নাড়ছে পা নাড়ছে,,নুবা আবার সবাইকে খাবার দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এই সব দেখছে,,,
আমিনা বেগম খেয়াল করলো আরহাম বাচ্চাকে নিয়ে খেতে পারছে না তাই আরহামকে উদ্দেশ্য করে বললো
_ বাবা আয়রাকে না হয় নুবার কাছে দে,,তোর তো খেতে কষ্ট হচ্ছে,,
আরহাম সোজা শব্দে বললো

_ no mom,,
আমিনা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ ভুল করে এই ঝাল খাবার আয়রার গায়ে বা হাতে মাখলে বাচ্চাটা কষ্ট পাবে না,,,বলা তো যায় না চোখে মুখে গেলে,,,
মায়ের কথা আরহাম মন দিয়ে চিন্তা করে হঠাৎ নুবরা দিকে তাকালো,, হঠাৎ এরকম চাহনি দেখে নুবা ভরকে গেলো,,, তাড়াতাড়ি ঘাড় ঘুরিয়ে অন্য দিকে তাকালো,,,
ছেলের তাকানো দেখেই আমিনা বুঝতে পারলো ছেলে তার কি বলবে তাই সে বলে উঠলো
_ নুবা,,আয়রাকে নে তো মা,,,
নুবা ছোট্ট করে হুম বললো,,,
এগিয়ে যেএ আয়রাকে কোলে তুলে নিলো,,, কিন্তু ছোট্ট আয়রা সুযোগের সৎ ব্যবহার করলো,,নুবা কোলে নিয়ে লিভিং রুমে যেএ বসতেই আয়রা নুবার বুকে মুখ ঘষতে শুরু করলো,,নুবার বুকটা ধুকপুক করে উঠলো,,,আয়রাকে একটু দূরে সরিয়ে বললো
_ পচু মেয়ে,,, একদম পচু,,,আমি তোমার মা নই যে আমার বুকে নাক মুখ ঘেঁষে ভাবছো আমি তোমাকে দুধ দিবো,,, আমি তোমার ছোটো ফুপি হই বুঝলা,,,মনে রাখবা আমি তোমার ফুপি হই,,,
আয়রা বুঝলো কিনা কে জানে তবে ঠোঁট ফুলালো,,আবারো আয়রার বুকে মুখ ঘষলো,,,
নুবা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো

_ এমন করলে আমি তোমাকে কোলে নিবো না,,আজ সকাল থেকে তুমি পচামি করছো,,কেনো,,,এতো পঁচা কেন তুমি,,hmm,,
আয়রা উত্তর দিলো না,,তার সরু ঠোট দিয়ে নুবার নুবার বুক ছুঁয়ে দিলো,, পরপরই তার মারি দিয়ে ড্রেসের উপর দিয়ে কামড় দিতে শুরু করলো,,
নুবা হতভম্ব হয়ে গেলো,,একটু রেগে বললো
_ চাচার মতো লুচু হয়েছো নাকি,,যার তার বুকে মুখ দেও ছি,,,
বলেই নুবা আয়রাকে সোজা নিলো,,আয়রার মুখ যেএ ঠেলো নুবার কাঁধে,,তবে আয়রা শুধরালো না,,এবার নুবরা কাঁধও ছাড় পেলো না,,আয়রা মুখের নালা দিয়ে নুবার কাধ ভিজিয়ে দিলো,,,
নুবা শুধু দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললো,,,

আরহাম খাওয়া শেষ করে মেয়েকে নিতে আসলো,,এসে দেখলো নুবা তার নরম তুলতুলে মেয়েকে সোজা করে নিয়েছে যার কিনা মেরুদন্ডই এখনো শক্ত হয়নি,, হঠাৎ একটু ঘুরা মারলেই বা কাঁধ বাঁকা হলেই আয়রা প্রচন্ড ব্যথা পাবে,, এমন কি তার ঘ্যারও ভেঙ্গে যেতে পারে,,,তার উপর নুবা এক হাত এক হাত পিঠের উপর দিয়ে রেখেছে,,আয়রার মাথা বাঁকা হয়ে আছে,,মাথার উপর নুবা কোন রকম হয় দেয়নি,,,অন্য হাত দিয়ে সে সোফায় লেগে থাকা ময়লা ঝাড়ছে,,
আরহাম হতভম্ব হয়ে গেলো,,একটা মানুষ কি করে এতো অসচেতন হতে পারে,,,আরহাম ছো মেরে আয়রাকে কেড়ে নিলো,,,রাগে দাঁতে দাঁত চেপে বললো

_ Why are you carrying aira like this? You don’t know if you hold her like this, he’ll get hurt. (তুমি ওকে এভাবে কোলে নিয়েছো কেন,, তুমি জানো না এভাবে নিলে ও ব্যথা পাবে)
আরহামের কথায় নুবা বুঝতে পারলো আসলেই তার ভুল হয়েছে,,সে থাপ্পর খাওয়ার ভয়ে ৩/৪ কদম পিছিয়ে যেএ বললো
_ sorry,,,
আরহাম এগিয়ে আসলো,,নুবা ভয়ে পিছিয়ে গেলো,,,তখনি পিছন থেকে আমিনা বেগম আসলো আর বললো
_ কি হয়েছে,,,
আরহাম রেগে বললো
_ ও আমার মেয়েকে সোঝা করে কোলে নিয়েছে,,তাও এক হাত পিথের (পিঠের) উপর দিয়ে রেখেসিলো,আর একটু হলেই আমার মেয়ের ঘ্যার ভেঙ্গে যেথো,,
আমিনা ভুরু কুঁচকে নুবার দিকে তাকিয়ে বললো
_ আরহাম এই সব কি বলছে
নুবা শুকনো ঢোক গিলে মাথা নিচু করে বললো

_ sorry চাচি,,আমি বুঝতে পারিনি,,
আরহাম রাগি কন্ঠে বললো
_আমার মেয়েকে নিথে(নিতে) না পারলে নিবে না,,তাও অসচেথনতা আমি সহ্য করবো না,,
আমিনা বেগম মলিন কন্ঠে বললো
_ কি দরকার ছিলো ওভাবে নেওয়ার,,তোর কি মাথায় জ্ঞান বুদ্ধি নেইরে,,
নুবা মাথা নিচু করে বিরবির করে বললো
_ আসলে চাচি,,
_ কি,,কি চাচি বলবি তো,,,কোনো সমস্যা,,ওকে নিতে পারিস না,,হতেই পারে ছটো বাচ্চাদের কোলে নিতে পারিস না,,তাই বলবি না নাকি,,
নুবা নাতুজান হয়ে বললো
_ না মানে চাচি,,,তো,, তোমার নাতনি কে কোলে নিলে,,আ,, আমার বুকে হাতাহাতি করে,,, আমার,, আমার কেমন জানি লাগে,,তাই আরকি,,,
আমিনা বেগম বুঝতে পারলো,, হয়তোবা আয়রা বুকের দুধ খাওয়ার জন্য এরকম করে,,আমিনা দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বললো
_ আচ্ছা এই ব্যপার,,,
পরপরই আরহাম পিছন থেকে বসে উঠলো,,,

_So what happened is it normal? It’s normal for a child to rub their face against your chest when you hold them in your arms. (তো কি হয়েছে,,, তুমি একটা বাচ্চাকে কোলে নিলে তোমার বুকে মিশে যাবে এটাই তো স্বাভাবিক তাই না)
নুবা বেশ লজ্জা পেলো আরহামের কথা শুনে,,,আমিনা ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলে চোখ বন্ধ করে নিলো,,তার ছেলেটা যে কি দিয়ে তৈরি,,,
নুবা আমিনা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললো
_ আয়ারাকে কোলে নিলে ও অকাজ শুরু করে দেয়,,তাই আমার uncomfortable লাগে চাচি,, তুমি আমার কথা বুঝতে পারছো তো,,
_ হ্যাঁ বুঝেছি,,রুমে যা,,,
নুবা মাথা ঝুঁকিয়ে রুমে চলে গেলো,,,আরহাম নুবার যাওয়ার পানে তাকিয়ে বিরবির করে কিছু একটা আড়ালো,,,

তখন রাত ১২ টা নাগাত,,,বাসার সবাই সারাদিন কাজ করে ক্লান্ত হয়ে ঘুমাচ্ছে,,তবে নুবা বাদে,,নুবা আয়রাকে কোলে নিয়ে লিভিং রুমে বসে আছে,,,আয়রা ঘুমায়নি , বরং সে নুবাকে অস্থির করে তুলছে,,,অনাবরত নুবার বুকের সাথে তার অত্যাচার চলছে,,নুবা গুটিসুটি মেরে মাথা নিচু করে বসে আছে,,, এদিকে আয়রার মুখের লালায় নুবার বুকের অংশের ড্রেস ভিজে লুতুপুতু হয়ে গেছে,,,আয়রা বুকের দুধ না পেয়ে মাঝে মাঝে খিচে কান্না করে উঠতে চায়ছে,তবে নুবা আয়রাকে দোল দিয়ে ঠান্ডা করছে,,, অন্যদিকে ঘুমে তার চোখ ভেঙ্গে আসছে,,,
এদিকে আরহাম তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে নুবা আর আয়রার দিকে তাকিয়ে আছে,,,নুবা বারবার ওরনা ঠিক করছে,,সে যে কিসের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে সেই একমাত্র জানে,, এমন অবস্থা তার কান্না পেয়ে যাচ্ছে,,তার ধারনার বাইরে ছিলো এমন কিছু হবে,,,
রাত ১১:৩০ এর দিকে আরহাম নুবাকে রুম থেকে ডেকে এনেছে,,নুবা প্রথমে প্রচন্ড ভয় পেয়েছিলো এই রাতে তাকে ডাকার মানে কি,,সে ভেবেছিলো আরাফ,,তবে পরে খেয়াল করে আরহাম,,,
নুবা দরজা খুলতেই কারো পরোয়া না করে নুবার হাতের কব্জি ধরে লিভিং রুমে টেনে নিয়ে আসে,,
নুবা এতোটাই আশ্চর্য হয়েছিলো যে,সে মুখ দিয়ে শব্দ করা ভুলে গিয়েছিলো,,
নুবাকে এনে সোফায় বসিয়ে আরহাম তার কোলে আয়রাকে ধরিয়ে দেয়,, অতঃপর বলে

_ As long as my daughter is not sleeping, you will sit with her, then you will feel comfortable with my daughter in your arms.
(যতখন পর্যন্ত আমার মেয়ে না ঘুমায় ততখন পর্যন্ত তুমি ওকে কোলে নিয়ে বসে থাকবে,,, অতঃপর তুমি আমার মেয়েকে কোলে নিয়ে uncomfortable নয় comfortable ফিল করবে,,,আর হ্যাঁ তোমাকে এটা স্বাভাবিক ভাবে নিতে হবে)
আরহামের কথায় যেনো নুবা তখন হতভম্ব হয়ে গেছিলো,,নুবা কিছু বলতে গেলেই আরহাম চোখের ইশারায় চুপ করিয়ে দেয়,,,
তখন নুবার মনে পড়ে ‘যেটা আমাদের কাছে অস্বাভাবিক সেটা আরহামের কাছে স্বাভাবিক ”
নুবা মনে মনে ভাবতে থাকে এটা কিরকম জোরজবরদস্তি,,,এটার কোনো মানে হয়,,তবু কিছু বলতে পারে না সে,, কারণ এ কোনো স্বাভাবিক মানুষ নয় লা,,এ হলো আস্থা পাগল,,,কথা বললে থাপ্পর খেতে হবে
অন্য দিক দিয়ে আরহাম এর জিদ এই জায়গায় যে তার এই পরির মতো মেয়েটাকে কোলে নিয়ে কেন কেউ uncomfortable ফিল করবে,,,এটা তো তার ফুলের টুকরাকে indirectly অপমান করা হলো,,এই জিদে সে এই কাজটা করেছে,,, অবশ্য কোনো স্বাভাবিক মানুষ হলে করতো না,,,
টানা এক ঘন্টা কেটে যায়,,তবে আয়রা ঘুমায় না,,নুবা বসা,,আরহাম বসা,,সে তো এক মূহুর্তের জন্য চোখ সরাচ্ছে না,,,

নুবার মেরুদন্ড ব্যাথা হয়ে উঠলো,,,,, এদিক দিয়ে আয়রার অত্যাচার ক্রমাগত বেড়েই চলেছে,,এবার যেনো সে ওরনা জামা সব সরিয়ে হামলা করবে,,,তার দুষ্ট হাত দুটো চলতেই আছে,,
নুবার এতোটা খারাপ লাগলো,, সাথে অস্থির ফিল হলো তা বোঝার উপায় নেই,,একে তো সে কখনো বাচ্চা কোলে নেয়নি,,আয়রাই প্রথম,,তার উপর এই অবস্থা,,তার শরীর শিরশির করছে,,, নিজের বাচ্চা হলে একটা কথা ছিলো,,পরের বাচ্চা নিয়ে,,ছি ছি
নুবা এবার ভাবতে বাধ্য হলো,,বাপ যেমন অস্বাভাবিক মেয়েটাও তেমন,,মা আর মাসিতে পার্থক্য বুঝে না,,,
আরো ২০ মিনিট বসার পর নুবার মেরুদন্ড ভেঙ্গে আসলো,,কোনো সময় সে এক লাগাতার এরকম বসেনি,,,নুবার মেরুদন্ড সহ মাংশ কেমন চিলিক পাড়তে শুরু করলো,,,নুবা না পেরে ঠোঁটে ঠোঁট চেপ টুপ করে কান্না করে দিলো,,,
একে তো আরহামের কেমন দৃষ্টি তার উপর পিঠ ব্যথা,,মরার উপর খাড়া হয়ে আবার আয়রা,,,নুবা ফুঁপিয়ে উঠলো,,,মুখ দিয়ে ফুস করে শব্দ বেড় হলো,,,টানা ২ ঘন্টা বসে থেকে তার অবস্থা খারাপ,,,এর ভিতরে আবার ঘুমে চোখ ভেঙ্গে আসছে,,
এবার হয়তোবা আয়রার একটু মায়া হলো,, শেষ পর্যন্ত অনেক অত্যাচার করার পর আয়রা লক্ষি বাচ্চার মতো ঘুমিয়ে পড়লো,,,
নুবা আয়রাকে ঘুমাতে দেখে বুক ফেটে নিঃশ্বাস ফেললো,, পরপরই আস্তে আস্তে সোজা হয়ে আরহামের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললো

_ ঘু,,ঘুমিয়ে গেছে,,,
নুবার চোখে মুখে কান্তি যেনো অধৈর্য হয়ে গেছে সে,,,
আরহাম মেয়েকে কোলে নিয়ে বললো
_ good,,,You are comfortable and my daughter also sleeps peacefully. (তুমিও comfortable ফিল করলে এবং আমার মেয়েও কিছু টা শান্তি পেয়ে ঘুমালো)
নুবা ঠোঁটে ঠোঁট চেপে উঠে দাঁড়িয়ে বললো
_ যাই,,
_ যাও,,
আরহাম উঠে দাঁড়িয়ে সিরির দিকে গেলো,,,নুবা এক পলক নিজের বক্ষ স্থলের দিকে তাকিয়ে নিজের নাক ছিটকালো,,বিরবির করে বললো

_ ছি,,,লালা দিয়ে লুতলুত করে ফেলেছে,,,
নুবা বলতে বলতে চলে গেলো,,আরহাম প্রথম ছিরিতেই পা দিয়ে থমকে গেলো,,,ঘাড় কাত করে পিছনে তাকিয়ে ঠোট বাঁকিয়ে বললো
_ ছিঃ,,,ওকে ,,i will teach you how to feel comfortable,,,
পরপরই আয়রার দিকে তাকিয়ে বললো
_ পাপা থোমাকে(তোমাকে )নিয়ে কাউকে নাক ছিটকাতে দিবে না মামুনি,,,i will punished her,,, ওকে,, don’t feel sad,,,

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৬

নুবা রুমে এসে দেখলো তার মা ঘুমাচ্ছে,,সে শান্তির নিশ্বাস ফেললো,, বক্ষ স্থল ভালো মতো পানি দিয়ে মুছে ড্রেস চেঞ্জ করে নিলো,,
নুবা নাক মুখ খিচে বললো
_ ahhh,,এতো cute বাঁচ্চা এতো ফাজিল কি করে হয়,,,আমি আর তোমাকে কোলে নিবো না আয়রা,, you are so bad grill,,,i don’t like you,,,

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here