Home নীরব উন্মাদনা নীরব উন্মাদনা পর্ব ৯৭

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৯৭

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৯৭
সুরাইয়া জিয়াসমিন

পরপর আরো কিছু কথা বলে নাবিল কল কেটে দিলো।নাবিলের মনটা আজ ফুরফুরে নিশ্চয় বউ বাচ্চা খুঁজে না পেয়ে আরহাম কুত্তার মতো এখানে ওখানে ছুটছে তবে নাবিলতো জানে না আরহাম তার থেকে এক ধাপ আগে এগিয়ে আছে ।

আরহামের চিন্তায় মাথার রগ কিছুটা ফুলে গেছে,,,,গাড়ি চালাচ্ছে সে তবে বারবার ভয়ংকর কান্ড ঘটাচ্ছে যেনো এখনি এক্সিডেন্ট করে ফেলবে এমন,,,
এদিকে হারুন মির্জা আরাফকে নিয়ে পুলিশ স্টেশনে গিয়েছে,, অবশ্য আরহাম প্রথমে যেতে চাইলেও মাথায় কিছু একটা আসতেই সে গাড়ি নিয়ে বেড় হয়ে গেলো,,,তার ধারনা যদি সত্যি হয় তবে তাকে মাটিতে পুঁতে রেখে আসবে,,আর যদি ভুলেও তার বউ বাচ্চার গায়ে ফুলের টোক্কা দেয় তবে ওর সাথে কি হবে সে নিজেও জানে না,,,

ইশা মথায় আঁচল টেনে মাথা নিচু করে নিলো,,,গালে একটা পড়েছে তার,,,পরিকে সবার সাথে আলাপ করিয়ে দেওয়া হচ্ছিলো অবশ্য এতে তার বিন্দু পরিমাণো যায় আসে না তবে এই দিকে খেয়াল রাখতে যেএ নীরার খেয়াল রাখা হয়নি,,, ছোট্ট নীরা কোথা থেকে পানি নিয়ে ভিজেছে,,,যার ফলস্বরূপ ইশার ফর্সা গালে কষানো একটা থাপ্পর পড়েছে,,,
নাহিয়ান দাঁতে দাঁত চেপে বললো
_ মেয়ের খেয়াল রাখতে পারিস না তুই,,,
ইশা শুকনো ঢোক গিলে বললো,,
_ আ,,আমি লিভিং রুমে ছিলাম,,
নাহিয়ান চেঁচিয়ে উঠে বললো
_ যদি মেয়ের ঠান্ডা লেগে যায় তবে তোকে কাঁচা চিবিয়ে খাবো আমি,,,,
ইশা বেশ কাতর কন্ঠে বললো
_ আমি খেলায় করিনি,,, আমার সাথেই ছিলো,,,
নাহিয়ান রেগে বললো,,

_জানোয়ার একটা ঘড়ে তুলেছে কোনো দিক দিয়ে পারে না,,না কাজ কাম পারে,,না মেয়ের খেলায় রাখতে আর না জামাইকে বিছানায় সুখ দিতে পারে,,,এভাবে চলতে থাকলে মাজায় লাত্থি মেরে ছুরে ফেলবো,,,তার পর রাস্তায় পড়ে থাকিস,,,তোর মতো মেয়ের অভাব হবে না,,,
ইশার রাগ প্রচন্ড,,মাঝে মাঝে যখন রাতে পাশে ঘুমায় তখন তার মনে হয় একটা বঁটি এনে গলা থেকে মাথা আলাদা করে দিতে,,তবে পারে না সে,, বাচ্চাটার কথা ভেবে,,আর না সে তার মতো অমানুষ যে মানুষ খুন করবে,,সে আল্লাহর উপর সব ছেড়ে দিয়েছে,তার প্রতি করা প্রতিটা অন্যায়ের প্রতিবাদ আল্লাহ একদিন না একদিন করবে।সেই আশায় আছে সে,
ইশাকে এভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে নাহিয়ান গাল চেপে ধরে বললো
_”একদম চোখ তুলে ফেলবো এভাবে তাকিয়ে থাকলে ”
ইশা কম্পিত কন্ঠে বললো
_”আমি এসেছিলাম আপনার কাছে কেনো আমার বাবাকে মেরে আমাকে এনেছিলেন?আপনার মতো অমানুষ ____
বাকি কথা বলতে পারলো না সে।গলা চেপে ধরা হলো তার।পরপর নাহিয়ান কিছু বলতেই নিবে তখনি নীরা এসে আদুরে কন্ঠে বললো,

_”বাবা থুমি মাকে মারতো খেন?”(বাবা তুমি মাকে মারছো কেন)
মেয়ের কন্ঠ শুনে নাহিয়ান ইশাকে ছেড়ে দিলো পরপর মেয়েকে কোলে তুলে বললো
_ তোমার মা অনেক বাড় বেছে তাই বকে দিচ্ছিলাম।তবে তুমি কেন দুষ্টুমি করো,হুম! এরকম কেউ করে। ঠান্ডা লেগে যাবে না মা?
নীরা বাবার গলা জরিয়ে ধরে বললো
_”আমাল ভালো লাগে”
ইশা চেয়ে রইলো।পরের মেয়ের উপর অত্যাচার আর নিজের মেয়ের প্রতি এতো আদিখ্যেতা। আল্লাহ কি সইবে কখনোই না।এর শাস্তি সে পাবে

পরি দাঁতে দাঁত চেপে বসে আছে।নাজমা বেগম পরিকে স্বর্নের চুরি পড়ানোর চেষ্টা করছে।আর বারবার তাকে বুঝাচ্ছে “সবার সামনে ঝামেলা করো না তোমারি ক্ষতি হবে”
তবে পরি কিছুতেই এই সব হাতে পড়বে না। জব্বার খান এতো সময় সবি দেখছিলো তবে এবার ধমকে উঠলেন তিনি,
_”এই মেয়ে!নাটক হচ্ছে তোমার সাথে,হুম। অসভ্য বড়দের অমান্য করো,চুপচাপ চুরি গুলো পড়ে নেও। এগুলো খানদানি___
বাকি কথা বলার আগেই পরি চেঁচিয়ে বলে উঠলো
_ “আপনি কাকে অসভ্য বলছেন যেখানে আপনি নিজেই একদম ধর্ষকের বাপ, একজন খুনির বাপ,আবার এই বিষয় নিয়ে গর্ব করেন। আবর্জনা কোথাকার।”
নাহিয়ান আর নাবিল দুই জনেই এই মাত্র আসলো তবে দুই জনের কানেই কথা টুকু গেলো।নাবিল হুংকার ছেড়ে তেরে আসলো।পরি নিজেকে সবকিছুর জন্য প্রস্তুত করে নিলো। এরকম মানুষের সাথে থাকার চেয়ে উল্টা পাল্টা কথা বলে তাদের হাতে মারাও যেনো ভালো।সেই চিন্তা করেই এই সব করছে পরি।
নাবিল তেরে আসলো তবে কিছু বলার আগেই জব্বার খান গর্জে উঠে বললেন

_ “চুপচাপ ওখানেই দাঁড়া।এখানে সবাই উপস্থিত আছে। বাচ্চাদের উপর খারাপ প্রভাব পড়বে।হাত ভাংগ বা মুখ ভাং সব রুমে নিয়ে যেয়ে।এখানে একটা টু শব্দ করবি না।”
নাবিল রাগে ফুঁসতে লাগলো। জব্বার খান এগিয়ে এসে দাঁতে দাঁত চেপে বললো
_” মুখটা বেশি চলে।আমার ছেলেরো কিন্তু হাতটা ভালোই চলে।জমিনে গেঁথে রাখলেও কেউ কিছু বলার নেই।”
পরি তাচ্ছিল্য হেসে বললো,
_”শিক্ষা তো দিয়েছেন তাই’ই , ফল স্বরুপ এরকম খুনি হয়েছে।গাছ যেমন ফলতো তেমন হবেই। নর্দমার কীট ছি,”
বলেই পরি ফ্লোরে থুথু ফেললো,,নাবিল আবারো এগিয়ে আসতে নিলে জব্বার খান বলে উঠলো
_”নাবিল,থাম। তোকে শুধু এতটুকু বলবো এমন অবস্থা করবি যাতে জবান দিয়ে দুটো শব্দ বের করার আগে ১০০ বার ভাবে।তার আগে এখনকার কাজ শেষ করে নে।”
পরি রাগে কাঁপতে লাগলো।উপস্থিত দুই বউ শুধু অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো।ছোটো বউ কে তো ঘড় থেকেই বেড় হতে দেওয়া হয় না তবে আজ তাকে নিয়ে আসা হয়েছে সে নিশ্চুপ শুধু কাহিনি দেখছে কারণ এ ছাড়া উপায় নেই।
নাবিল দাঁতে দাঁত চেপে এগিয়ে আসলো।এসে মায়ের হাত থেকে চুরি নিয়ে পরির হাত চেপে ধরলো। ক্লান্ত পরি উঠে দাড়িয়ে হাত সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলো নাবিল দাঁতে দাঁত পিষে বললো,
_”যেইখানে আমার শরীলের অর্ধেক অংশ তোর ভিতরে স্থাপন করছি শতবার সেইখানে সমান্য চুরি টুকু ফিনতে (পড়তে)তোর শাওয়ায় জ্বলন উঠে যাইতেছে। যা বললি না তুই চুতমা*** আজকে তোকে ছিইল্লা লবন দিমু।
পরি রাগে হাসফাস করে বললো

_ “ধর্ষণ করেছেন প্রতিনিয়ত । আপনি একটা অমানুষ।”
নাবিল জোর করে পরিকে চুরি পড়িয়ে দিলো,, ধস্তাধস্তিতে হাত থেকে রক্ত পড়লো পরির পরপর নাক ফুল নিয়ে নাজমা বেগমের দিকে তাকিয়ে বললো
_কেমনে পড়ায়?
নাজমা বেগম বলে উঠলো
_ ওর তো নাক ফোটানো হয়নি এটা এখন রেখে দেও।
নাবিল ঘ্যাড়ত্যারামো করে বললো,
_এহনি পড়বো।নাক কেমনে ফোঁটায়।
নাজমা বেগম চাঁপা নিঃশ্বাস ফেলে বললেন
_এখন ফুটালেও কাঁচা নাকে নাকফুল দিলে ওর কষ্ট হবে।
নাবিল দাঁতে দাঁত চেপে বললো
_”হোক,কি লাগবো তুমি নিয়া আহো”
নাজমা বেগম পরিকে একটু রেহাই দেওয়ার জন্য বললো,

_”ঘড়ে তো সুঁই নেই নাবিল।ওটা ছাড়া হবে না।”
_ এতো বড় বাড়িয়ে একটা সুই নাই।থাক লাগবো না।
বলেই নাবিল পরির গাল চেপে ধরলো তার জানা মতে বাম পাশে নাকফুল পড়ে তাই নাবিল পরির নাকে ডিরেক্টর নাক ভুল আন্দাগুন্দা বসিয়ে চেপে ধরলো। অবশ্য সে নাক বরাবরই বসিয়েছে যেখানে নাকফুল থাকে আর কি।
পরি নড়েচড়ে উঠলো।তার এক আঙ্গুল নাকের ভিতরে ঢুকিয়ে নিজের শরীরের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চাপ দিলো সাথে সাথে পরির পাতলা নাক ফেটে নাকফুল ঢুকে গেলো,,পরি ব্যথায় সরে এসে আর্তনাদ করতে চাইলো,,,ইশা চোখ মুখ খিচে বন্ধ করে নিলো,,,তায়েবা চেয়ে থেকে হাসতে লাগলো,,তার মানুসিক অবস্থা বিপন্ন তবে শুধু চাহিদা পুরণের জন্য এই বাড়ির ছোটো ছেলে তাকে রেখেছে,
নায়মা এখানে নেই কারণ এই সব বিষয়ে তাকে রাখা হয় না,,মানে শুধু পরের মেয়ের উপরি অত্যাচার নিজের মেয়েটা রাজরানি,,,
পরির নাক বেয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়লো,,,চোখ বেয়ে পানি,,পরি ফুঁপিয়ে উঠলো,, কান্না করতেও যেনো কষ্ট হচ্ছে,,নামজা বেগম এগিয়ে এসে বললেন,,
_বাকিটা আমগ দেখেছি,, তুমি সরো,,

নাবিল সরে দাঁড়ালো।নাজমা বেগম এগিয়ে এসে গলায় আর কানে পড়িয়ে দিলো।তবে পরি ক্লান্ত হয়ে পড়ে যেতে যেতে আবার সোঁজা হয়ে দাঁড়ালো শাড়ি পড়ানো হয়েছিলো তাকে যার অবস্থা খুবি খারাপ কোনো মতে শাড়িতে পেঁচিয়ে আনা হয়েছে তাকে কারন সে পড়বে না,,, পেঁচানো শাড়ির আঁচল খুলে পড়লো হাত পর্যন্ত,,,পরির সেদিকে খেয়াল রইলো না নাজমা বেগম বুক থেকে আঁচল সরার আগেই তা টেনে মাথায় পেঁচিয়ে দিলেন,,,নাবিল পাশ থেকে গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠলো।
_”যা আমার বাপের পায়ে মাথা ঠেকাইয়া মাফ চাইয়া তার পর সালাম কর”
পরি ধেতলার মতো দাঁড়িয়ে রইলো,,,সে করবে না সালাম আর না মাফ চাইবে,,,নিয়ম বাড়ির বউ আসলেই পা ধরে সালাম করবে বড়দের তবে পরি তো আর সেই অবস্থায় আসেনি তাই এখনি বলা হচ্ছে সাথে মাফ চাওয়ানো হচ্ছে তার কথার জন্য,, অবশ্য সে যা বলেছে ঠিকি বলেছে,,সত্য কথা নর্দমার কীট দের গায়ে লেগে গেছে।
পরি দাঁড়িয়ে রইলো।নাবিল বসা থেকে উঠে এসে পরির ঘাড় চেপে ধরে বললো

_” আমার কথা হুনোশ না তুই খান*** ।আবার কইতে লাগবো।”
পরি নাচোক করে বললো
_”মেরে ফেললেও মাফ চাইবো না আমি। কখনোই না”
পরির কন্ঠ কাঁপছে। ব্যথায় নাক জ্বলে যাচ্ছে সাথে শরীর দুর্বল হওয়ায় পড়ে যেতে চাইছে তবে তা পারছে না।নাবিল ঘাড় ধরে পরিকে জব্বার খানের সামনে নিয়ে গেলো।পরির ইচ্ছা করলো এক গাঁদা থুথু ছুরে মারতে তবে সে পারলো না।
নাবিল রেগে কিছু বলতেই যাবে তার আগেই
তখনি বাইরে থেকে ইমন ছুটে এসে হাঁপিয়ে যাওয়া কন্ঠে বললো
_ভাই বাইরে কেডা জানি আইছে।
নাবিল ভুরু কুঁচকে বললো
_কেডা?
_”কইতে পারতেছি না ভাই।”

নাবিল পরিকে ছেড়ে দিলো ।এই অসময়ে কে আসবে। নিশ্চয় বিশেষ কেউ এসেছে না হলে ইমন কি নাই চিনতো।ভাবতে ভাবতে নাবিল বাড়ির সদর দরজা ভেদ করে বেড় হয়ে আসলো। বাইরে আসতেই নজরে পড়লো একটা গাড়ি এসে অনাবরতো হর্ন দিচ্ছে হয়তোবা হর্নের মাধ্যমে তাঁকেই ডাকা হচ্ছে,,,
নাবিল প্রকৃতির ষ আলোর ভিতরে এসে দাঁড়াতেই শব্দ করে গাড়ির ডোর খুলে আরহাম বেড়িয়ে আসলো,,সে অনেক ভেবেছে, আপাতত তার এমন কোনো দূশমান নেই যে নুবা বা তার মেয়ে উপর নজর দিবো পরপর নাবিলের কথা মনে পড়তেই চালাক আরহাম টের পেলো এই কাজটা,এই পিঠে ছুরি মারা নাবিল ব্যতিত কেউ করতেই পারে না,সে ১০০% sure নাবিলি পুরো প্লান করে তাকে দমাতে তার আগোচরে তার কলিজায় আঘাত আনার চেষ্টা করেছে,,
আরহাম কে দেখেই নাবিলের ভুরু প্রথমে কুঁচকে গেলো পরপর কিছু একটা মনে করতেই সে এগিয়ে গেলো। আরহাম গাড়ি থেকে বেড় হয়ে বন্দুকের নল ঠিক করতে করতে নাবিলের সামনে এসে তার দিকে ত্যাগ করলো,
নাবিল পরিস্থিতি বুঝে ঠোঁট হেলিয়ে হেসে বললো

_”যাক তবে কুকুর শুকতে শুঁকতে ঠিক জায়গায় আইসা গেছে,হেও এতো তাত্তাড়ি,খুবি হতাশ!”
আরহাম দাঁতে দাঁত চেপে বললো
_” কুকুর হবি তুই, মানুষের পিঠ পিছে আঘাত হানিস,তোর মতো ভীতু না আমি তাই লেজ না গুটিয়ে সামনাসামনি এসে দাঁড়িয়েছি তবে তুই তো আস্ত একটা ভয় কুঁড়ে।”
নাবিল এগিয়ে এসে আরহামের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে শব্দ করে হাসতে লাগলো,,আরহামের শরীর জ্বলে উঠলো,,,নাবিল দুই আঙ্গুল দিয়ে আরহামের ধরে রাখা বন্ধুক নিচে নামাতে নামতে বললো
_’বেডা তুই মনে হয় কিছু ভুইয়া যাইতেছোস। হয়তোবা মির্জা সাব ভুইলা গেছে তার বউ বাচ্চা আমার ধারে।ছ্যে ছ্যে এত্তখানি বোকামি। তোর হেনে আওয়া ঠিক হয়নিরে সোনা।”
আরহাম কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই নাবিলের নাক বরাবর একটা ঘুষি লাগিয়ে দিলো। হঠাৎ এমন হওয়ায় নাবিল কিছুটা পিছিয়ে গেলো। ছন্নছাড়া আরহাম এগিয়ে যেএ নাবিলের কলার চেপে ধরে হুংকার ছেড়ে বললো

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৯৬

_” আমার বউ – বাচ্চা কোথায়।”
নাবিলের দাঁতে দাঁত চেপে আসলো তবে শান্ত মাথায় সবটা সমাধান করতে চাইছে তাই দাঁতে দাঁত পিষে হেসে উঠলো পরপর বাজখাঁই কন্ঠে বললো,
_” ওহোরে বউ বাচ্চা ঘন্টা খানিক চোক্ষের সামনে থেইক্কা দূর হতেই পাগল হইয়া গেছে,তাইলে ভাব, হারা জীবন যদি তাদের খোঁজ না পাস।”
বলেই হাসতে লাগলো,, আরহাম চেঁচিয়ে উঠে বললো
_”আমার সম্পদে যদি তুই ফুলের টোক্কাও দিস তবে আজকে তোর শেষ দিন হবে। তোর শরীর থেকে হাড্ডি আলাদা করে দিবো আমি।”

নীরব উন্মাদনা পর্ব ৯৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here