সুখময় যন্ত্রণা তুমি পর্ব ১৪০+১৪১
neelarahman
নূর দরজা খোল বলছি খুব খারাপ হয়ে যাবে যদি দরজা ভেঙে ঢুকতে হয় ।নুর উঠে দাঁড়ালো ।চোখের পানির মুছলো আর হয়তো আটকে রাখা যাবে না ।জানে সাদাফ কে এখন দরজা খুলে দিতেই হবে ।নুর ধীরে ধীরে উঠে দরজার কাছে এসে বড় করে একটি নিশ্বাস নিল ।যেন কান্না লুকানোর চেষ্টা ।চোখের পানি মুছে সাথে সাথে দরজা খুলে দিল নুর।
দরজা খুলেই নূর নিচের দিকে তাকিয়ে রইল ।সাদাফের চোখের দিকে তাকিয়ে কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সাহস নেই নূরের।
সাদাফ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল নূরের দিকে ।নূর দরজা খোলার সাথে সাথেই সাদাফ খেয়াল করল নূরে চেহারা ।সাদাফ সাথে সাথে ভিতরে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দিয়ে নূরের এক হাত ধরে টেনে এনে বিছানায় বসালো ।তারপর ধীরে ধীরে হাঁটু ভে*ঙ্গে নুরের পায়ের কাছে বসে নূরের পায়ে ধরে হাত বুলাতে বোলাতে ।বললো,” কি হয়েছে নূর আমার সোনা পাখি বল কি হয়েছে?”
নূর পা ছাড়াইতে চাইলো। কিন্তু সাদাফ পা ছাড়লো না ।পা ধরে রাখলো। বললো,” কি হয়েছে আমাকে বল ?আমাকে বলবি না?”
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
নূরের কান্না পাচ্ছে ।ভীষণ কান্না পাচ্ছে ।নুর মাথা তুলে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে।সাদাফের দিকে তাকানোর সাহস হচ্ছে না নূরের ।যেন সাদাফের দিকে তাকালেই এখনই কান্না করে দিবে নূর।
সাদাফ এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল নূরের দিকে ।সাদাফের মন বলছে নূর হয়তো কোন ভাবে বুঝতে পেরেছে বা ওর রিপোর্ট দেখতে পেয়েছে ।তাই সাদাফ বললো,” কি হয়েছে আমাকে বল?চুপ করে আছিস কেনো?
কিছু শুনেছিস ?কিছু দেখেছিস ?কি নিয়ে এত মন খারাপ ?এত অভিমান কেন আর এই চোখে এত ছলছল পানি কেন শুনি?”
নুর আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না ।সাথে সাথে চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললো,” আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিন সাদাফ ভাই।আমি আপনার উপযুক্ত না।”
আমি অসুস্থ আমার অসুস্থতার জন্য আপনি কেন কষ্ট করবেন ?আমি মা হতে পারব না কিন্তু আপনি তো বাবা হতে পারবেন ।সারা জীবন আপনি আমার জন্য কেন সন্তানহারা হয়ে থাকবেন?
আমি এটা মেনে নিতে পারব না ।আপনি আমার জন্য সারা জীবন ও সন্তানের মুখ দেখতে পারবেন না ।সন্তানের মুখে বাবা ডাক এর মত মধুর ডাক শুনতে পারবেন না ।আমি আপনাকে বঞ্চিত করতে পারবো না ।আমাকে ছেড়ে দেন প্লিজ।”বলেই দু হাতে মুখ চেপে কান্না করতে লাগলো নুর।
সাদাফের বুকের ভিতরে যেন কেউ লোহার শুল গেড়ে দিল ঠিক এতটাই ব্যথা পাচ্ছে ।এতটাই আ*ঘাত পেয়েছে সাদাফ ।নুর কি করে ভাবল সাদাফ নুরকে ছাড়া খুশি থাকতে পারবে ?এই বুঝল নূর সাদাফের ভালোবাসা?”
সাদাফ নুরের হাত ধরল। হাত ধরে পাগলের মত চুমু খেতে খেতে বললো,” আমার ভালোবাসা ঠিক এতখানি মূল্য তোর কাছে নূর ?আমার ভালোবাসার কোন মূল্য নেই তোর কাছে ।তাই না ?আমার ইমোশন আমার আবেগ আমার চাওয়া পাওয়ার কোন মূল্য নেই ?তুই কি করে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলি আমাকে ছেড়ে দিবি বা আমি তোকে ছেড়ে দিব ?তোকে ছাড়া আমি ভালো থাকবো এটাই বা তুই ভাবলি কি করে?
আমার তো তোকে প্রয়োজন ।পুরো একটি পৃথিবীর বিনিময়ে যদি আমাকে কিছু চাইতে বলা হয় তবুও আমার তোকে প্রয়োজন ।পরিবার আত্মীয়-স্বজন সমাজ টাকা পয়সা ধন দৌলত এমনকি আমার শারীরিক সুস্থতার বিনিময়ে যদি কিছু চাইতে বলা হয় তখন ও আমার শুধু তোকে প্রয়োজন ।আমি শুধু তোকেই চাইবো।
সেখানে সন্তান তো একটি উপাদান মাত্র। পৃথিবীর সমস্ত সুখের বিনিময়ে আমি তোকে চাই ।সমস্ত পৃথিবী দিয়ে হলেও আমি তোকে চাই তোকে ছাড়া আমার এই পৃথিবীতে চাওয়ার এবং পাওয়ার কিছুই নেই নূর।
তোর জন্য একটি সন্তানের মুখ দেখার স্বাদ কেন হাজার সন্তানের মুখ দেখার স্বাদ আমি হাসতে হাসতে ত্যাগ করতে পারি ।তোর মুখ থেকে একবার সাদা ডাকটি শোনার জন্য হাজার সন্তানের মুখে বাবা ডাক শোনার মোহ আমি ত্যাগ করতে পারি।
আমার শুধু তোকে চাই পাগ*লী। ।তোকে ছাড়া আমার চলবে না সন্তান ছাড়া আমার চলবে এই বাড়ি ছাড়া আমার চলবে পরিবার ছাড়া আমার চলবে সবকিছু ছাড়া আমার চলবে কিন্তু তোকে ছাড়া আমার চলবে না ।তুই আমার নিঃশ্বাস আমার রক্তের আমার রুহুতে মিশে আছিস তুই। আমার দেহে প্রত্যেকটি শিরায় উপশিরায় মিশে আছিস তুই ।আমার শরীরে বয়ে চলা প্রতিটি র*ক্তের কোনায় র*ক্তের বিন্দুতে মিশে আছিস তুই ।তোকে ছাড়া তো আমার চলবে না।
আর একটা সত্যি করে কথা বলতো ?আজ যদি রিপোর্টটা আমার দেখতি যদি রিপোর্টে লেখা থাকতো সাদাফ কখনো বাবা হতে পারবে না তুই কি আমাকে ছেড়ে দিতি?”
নূরের বুকটা কেঁপে উঠল । বললো,” না কখনো না ।আল্লাহ না করুক আপনার কখনো এরকম কোনো সমস্যা হলে আমি আপনাকে কখনোই ছাড়তাম না?”
সাদাফের দুই চোখ দিয়ে পানি ঝরতে লাগলো । বললো,” তাহলে আমার ভালবাসার এই অবমাননা এই অপমান তুই কি করে করলি নূর ?তোর ভালোবাসা ভালোবাসা তুই প্রমাণ করতে পারলি আর আমার ভালোবাসা তোর ভালোবাসা মনে হয়নি?
তুই কি করে ভাবলি আমি তোকে ভালোবাসি না বা আমার ভালোবাসা এতটাই ঠুনকো যে শুধুমাত্র সন্তানের জন্য আমি তোকে ছেড়ে দিব ?আমার তো সেই চাহিদাই হবে না আর। কোন কিছু চাওয়া পাওয়ার স্বার্থ জীবিত মানুষের হয় ।তুই না থাকলে তো আমি মৃত মানুষের সমতুল্য ।তখন তো আমার পৃথিবীর কোন সুখ কোন কিছুই পাওয়ার ইচ্ছা জাগবে না আর।
তারপরও যদি বলিস ডিভোর্স চাই তাহলে থা*প্পর খেয়েছিস নিশ্চয়ই আমার হাতে আগে? এখন থেকে খাবি রোজ রুটিন করে খাবি ।সকাল বিকাল খাবি যতবার তোর মাথায় এরকম ধরনের বদ বুদ্ধি আসবে ততবার খাবি ।তোর হাত পা বেধে হলেও আমি সংসার করবো তোর সাথে।
শুধু আমার ভালোবাসা দেখেছিস নুর আমার রাগ ক্ষোভ আমার পা*গলামি তোর জন্য আমার আসক্তি তুই কিছুই দেখিস নি এখনও।
যখন জানবি আমি তোর জন্য ঠিক কি কি করেছি তুই অবাক হয়ে যাবি।
তোর জন্য আমি যা যা করেছি তা দিয়ে একটা উপন্যাস লিখে ফেলা যাবে।
জানতে চাস না আমি তোর জন্য কি করেছি ?যা তুই কখনো জানিস নি কখনোই বুঝিস নি আজকে তোকে আমি সেই সব কথাগুলো বলবো নুর ।শুনবি আমার কথা আমার সো*না ?পাখি প্লিজ আমার কথাগুলো শোন।
এগুলো শুনেও যদি মনে হয় তুই আমাকে ছেড়ে যাবি ,তাহলে আমি তোকে আটকাবো না ।কারণ আমি বুঝে যাব আমি আমার ভালোবাসা দিয়ে আমি তোকে জয় করতে পারিনি ।আমার ভালোবাসা তোকে স্পর্শ করতে পারেনি।
তবে সেই ব্যর্থতা আমি আমার কাঁধে নিবো।আমি নিজেকে শাস্তি দেবো তোর কাছ থেকে দূরে গিয়ে কারণ আমার ভালোবাসা যদি তোকে স্পর্শ না করে আবার বিয়োগ অতটা দুঃখ দিবে না তোকে নুর যতটা দুঃখ আমি পাব।
তুই জানিস যেদিন তোর জন্ম হয়েছে সেদিন প্রথম বার যখন তোকে আমি কোলে নিলাম কোলে নিয়েই আমি আব্বুর কাছ থেকে তোকে চেয়ে নিলাম সারা জীবনের জন্য । ওই ছোট্ট বয়সে আমি বুঝে গিয়েছিলাম তোকে আবার লাগবেই তাই বাবার কাছ থেকে কথা নিয়েছিলাম।
বাবা ও হাসিঠাট্টা ছলে কথা দিয়ে দিয়েছিল ।কিন্তু জানতোনা আজ পর্যন্ত এমনকি আমরন আমি এই কথাটি সবসময় পালন করে যাব যে জন্মের পর থেকে আজ অবধি এমনকি মৃ*ত্যুর আগ পর্যন্ত তুই শুধু আমার নূর।
জানিস ১০ বছর বয়সে যখন আমার খেলার বয়স বাহিরে গিয়ে বন্ধুদের সাথে দৌড়াদৌড়ি করার বয়স সেই বয়সে আমি তোকে কোলে নিয়ে সারাদিন বসে থাকতাম ।কাউকে দিতাম না ।তোকে খাওয়াতাম হিসু করলে তোকে পরিষ্কার করতাম। তোকে নিজ হাতে গোসল করাতাম।
সবাই মনে করত আমি তোকে আমার পুতুল ভেবে নিয়েছি ।পুতুল যেভাবে নিয়ে বাচ্চারা খেলে আমিও হয়তো তোকে নিয়ে সেভাবে খেলছি ।কিন্তু না তুই তো শুরু থেকে আমার অক্সিজেন ছিলি ।তুই আমার কাছে না থাকলে আমার আশেপাশে না থাকলে যে আমি নিঃশ্বাস নিতে পারতাম না।
কিভাবে তোর নয় মাস হলো জানি না।কথা বলা একটু দেরিতেই শিখেছিলি তুই।কিন্তু টি*য়া পাখিকে যেমন সারাক্ষণ মানুষ কথা বলা শিখায় আমি সারাক্ষন তোকে শিখাতাম সাদাফ সাদাফ।
নিরন্তর ভাবে ক্লান্তিহীন ভাবে আমি সারাদিন তোর কানের কাছে শুধু সাদাফ সাদাফ বলতাম তোর চোখের সামনে শুধু সাদাফ সাদাফ বলতাম ।তুই জানিস তুই প্রথমবার বাবা-মা এগুলো বলে ডাকিস নি তুই প্রথমবার সাদা বলে ডেকেছিলিস ।সাদাফ পুরোপুরি বলতে পারিস নি।
পরে শুরু হল আমার আরেক যুদ্ধ ।যখন তোর দেড় বছর পার করলি মোটামুটি একটু কথা বলতে পারিস তখন থেকে আমি তোকে কবুল বলা শিখাতাম ।তুই যখনই আমার কাছে আসতি আমি বারবার বলতাম কবুল কবুল ।দেড় বছরের সময়ে প্রথমবার কবুল বললি।
কিন্তু পা*গলী তোকে কে বোঝাবে একবার কবুল বললে কি বিয়ে হয় ?এরপর কতবার চেষ্টা করি তুই তিনবার কবুল কখনও একসাথে বলিস না।
একবার দুই বছর পার হল যখন তুই এটা সেটা চাইতে শিখলি প্রথমবার তুই আমার কাছে একটা চকলেটের বায়না ধরলি ।তোতলা তোতলা কন্ঠে যখন বললি চককেল দাও তখন আমি বলেছিলাম কবুল বলবি তিন বার।তুই মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলেছিলি। হ্যাঁ আমি তিনবার তোকে কবুল বলতে বলেছি।
আমি চকলেটের লোভ দেখিয়েছিলাম কিন্তু তুই তো নিজের মনের ইচ্ছায় কবুল বলেছিস তাহলে সেদিন থেকেই তো তুই আমার বউ হয়ে গিয়েছিলি তাই না?
বাবাকে আমি খুশি হয়ে গিয়ে বললাম বাবা নূর কবুল বলেছে বাবা হাসলো । বললো,” ও কবুলের কি বুঝে ?ওকে তুই যা শিখিয়ে দিয়েছিস তাই তো বলেছে ।”
বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম তাহলে কবে কবুল বললে সেটা ঠিক হবে?
বাবা বললো,”আরেকটু বড় হলে যখন ও বুঝবে কবুল মানে বিয়ে তখন কবুল বললে ঠিক হবে।”
এভাবে তোকে নিয়ে আমি ঘুরতে লাগলাম দিনভর তোকে না হলেও শতবার কবুল বলাতে লাগলাম ।তোর জন্য ক্লিপ তোর জন্য চুরি তোর জন্য জুতো ফিতা খেলনা পুতুল সবকিছু তো আমি কিনে নিয়ে আসতাম ।আর বিনিময়ে শতবার কবুল বলাতাম যাতে তুই ভুলে না যাস।
এভাবে তুই বড় হতে লাগলি ।যখন তোর দশ বছর তখন আমার কলেজের লেখাপড়া শেষ হল। স্কুলের ফেয়ারওয়েল পার্টিতে তোকে নিয়ে গেলাম ।সেখানে সব বন্ধুরা তোকে অনেক আদর করত ।তার মধ্যে একটা বন্ধু ছিল তোর দিকে খারাপ দৃষ্টি দিয়েছিল তোকে কোলে নিয়ে চু*মু খেয়েছিল।
চু*মু খেয়েছিল সাথে বউ বলেছিল ।আমার বউকে আরেকজন কেন বউ বলবে ?সেদিন ওকে আমি খুব মা*রলাম ।এত মা*রলাম এত মা*রলাম পুলিশ কেস পর্যন্ত হয়ে যেত যদি শুধু আমার বয়সটা অল্প না থাকতো।
সেদিন বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন আমাকে আমেরিকা পাঠিয়ে দিবে ।তখন আমার ২০বছর তোর সবে ১০ ।তখন আমি বাবাকে শর্ত দিলাম যদি নুরকে আমার সাথে বিয়ে দাও তাহলে আমি বিদেশ যাব ।বাবা তো কোন ভাবে রাজি হলেন না আমি জিদ করে বাবাকে রাজি করালাম।
বাবা ভেবেছিল এটা আমার পা*গলামি ।বিদেশ গেলে সব ভুলে যাব ঠিক হয়ে যাব ।আর তাছাড়া তুই তো ছোট এই বিয়ের কথা তো তোর মনে থাকবেও না।
আর বয়সের তুলনায় একটু বেশি ছোট ছিলি আর বেশি চিকন চাকন ছিলি ।তাই বাবা ধরেই নিয়েছে তোর এগুলো কিছুই মনে থাকবে না।
তাই সে আবারো পুতুল খেলা মনে করে তোর সাথে আমার বিয়ে করিয়ে দিল ।জানিস যখন তোর দশ বছর তখন আমার ১৬ তোকে আমার কোলে নিয়ে কবুল করালাম ।লাল শাড়ি পরিয়ে তখন তুই আরেকবার আমার বউ হয়ে গেলি ।তখন তো সাক্ষী রেখে কাজী ডেকে তারপর বিয়ে করিযছি।তখন আর ছেলে মানুষী ছিল না।
নুর যেন কোন রিএকশন দিতে ভুলে গেল ।কি বলবে কি করবে সব কিছু ভুলে গেল ।শুধু এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল সাদাফের দিকে ।কি বলছে সাদাফ ভাই ! সেই ছোট্টবেলা থেকে বিয়ে বারবার বিয়ে ? দশ বছরের সময় বিয়ে ?তাও সাদাফ ভাই কোলে নিয়ে বিয়ে করেছে ?
সুখময় যন্ত্রণা তুমি পর্ব ১৩৮+১৩৯
নূরের মাথায় যেন কিছুই আসছে না তবে হ্যাঁ সবকিছু ভুলে গিয়েছে নুর। কি করে একটা লোক এরকম পা*গলামির সীমা পার করে ভালবাসতে পারে তাও সে জন্মের দিন থেকে নূর যেন অবাক হচ্ছে !কিন্তু সাদাফের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে বা জিজ্ঞেস করতে পারছে না।
সাদাফ নুরের দিকে তাকিয়ে এখনো নূরের পা দুটো বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে বলছে ,”জানতে ইচ্ছা করছে না তারপর কি হয়েছিল কি করেছিলাম?”
