Home এমপি রুশভিয়ান মির্জা এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৯ (২)

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৯ (২)

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৯ (২)
ফাতেমা তুজ জোহরা

ঠোঁ*টে চুমু খাওয়া অবস্থা ইনানের ব্লা*উ*জে*র বোতাম খুলতে লাগলো রুশভিয়ান। ইনান ছ*ট*ফ*ট করছে কিন্তু কিছুই করতে পারছে না সে। রুশভিয়ান আস্তে আস্তে ব্লাউজটা শরীর থেকে সরিয়ে দিয়ে ঠোঁ*ট ছেড়ে ইনানের ব*ক্ষ*বি*ভা*জ*নে মুখ ডুবিয়ে ছোট ছোট কা*ম*ড় দিতে লাগলো। ইনান ধ*ড়*ফ*ড় করছে রুশভিয়ানের মতো শক্তিশালী পু*রু*ষে*র ছোঁয়ায় তার নাজুক শরীরটা ক্রমাগত ভে*ঙে আসছে। ইনান ভাঙা ভাঙা কন্ঠে বলল,” ছে ছে*ড়ে দিন? আমি পারছি না,খুব ক*ষ্ট হচ্ছে আমার?
রুশভিয়ান বিরক্ত হলো ইনানের এই ছে*ড়ে দাও কথাটাতে সে, ব*ক্ষ থেকে মুখ তুলে কাটকাট গলায় বলল,” এখন ছাইড়া দাও বলবি? পরে আবার পর পু*রু*ষে*র বিছানায় গিয়া বলবি আমার নাকি পু*রু*ষ*ত্ব নাই। তাই আজকে তোর কোন ছাড় নাই। একবার অ*প*বা*দ নিয়াছি পরের বার নিতে পারমু না!
ইনান রুশভিয়ানের কথার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারলো না। সে কান্না ভেজা চোখে রুশভিয়ানের দিকে তাকিয়ে রইলো।

রুশভিয়ান আলগোছে ইনানের হাত দুটো মুক্ত করে তার শ*রীর থেকে সরে আসলো। ইনান ল*জ্জা*য় দুইহাত দিয়ে আড়াআড়ি করে তার ব*ক্ষ*বি*ভা*জ*ন ঢেকে কান্নায় ভেঙে পড়লো সে। রুশভিয়ান ইনানের কান্না দেখে তার ঠোঁটে ফুটে উঠলো বাঁ*কা হাসি, শরীর থেকে শার্টটা খুলতেই দৃশ্যমান হলো পেশিবহুল হাত, সিক্সপ্যাক,লোমশ চাওড়া বুক। রুশভিয়ান আবার ও এগিয়ে এলো ইনানের দিকে। ইনান কাঁদতে কাঁদতে বলল, ” আমাকে ছে*ড়ে দিন? এত বড় স*র্ব*না*শ করবেন না আমার, না হলে ম*রা ছাড়া আর কোন পথ বাকি থাকবে না আমার কাছে?
রুশভিয়ান আবারও ইনানের হাত গুলো শক্ত করে চেপে ধরে গলায় মুখ ডুবিয়ে বলল,” সোয়ামির ভালোবাসায় কেউ ম*রে নারে,সোয়ামির ভালোবাসা তোর জীবন ধন্য হয়ে যাইবো?যতদিন আমার লগে থাকবি ততদিন তোরে অনেক আদর দিমু?দেখবি সারাজীবন এই রুশভিয়ান এমপি ভুলবার পারবি না” রুশভিয়ান কথাটুকু শেষ করে আবার ডুব দিলো ইনানের নরম অ*ধ*রে। কিন্তু এইবার রুশভিয়ান ইনানের নরম অধর কা*ম*ড়ে*র পর কা*ম*ড় দিতে লাগলো। যেন তার ভেতর কোন শ*য়*তা*ন ভর করেছে। ইনান থেকে থেকে গো*ঙ*য়ি উঠলো রুশভিয়ানের অ*ত্যা*চা*রে। দুইচোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো বিছানায়। রুশভিয়ান একহাত দিয়ে হাত চেপে ধরে অন্যহাত দিয়ে ইনানের শরীর থেকে বাকি কা*পড়ে*র টু*ক*রো গুলো খুলে ফেলল।
ইনান এখনো ধ**স্তা*ধ*স্তি করছে নিজের সম্মানটুকু বাঁ*চা*নো*র জন্য। রুশভিয়ান ইনান কে এমন ধ*স্তা*ধ*স্তি করতে দেখে,ইনানের ঠোঁট গুলো ছেড়ে,তার ঠোঁটে ক্রু*র হাসি ফুটিয়ে বলল,” এত নড়নচড়ন কইরা লাভ নাই,আজকে তোর ছা*ড়াছা*ড়ি নাই?

ইনান কাঁদতে কাঁদতে বলল, ” তোর মতো জা*নো*য়া*র কে আমি কোনদিন ক্ষমা করবো না ? আজকে আমার শরীরটাকে ভো*গ করবি তো কালকে এই ভা*ঙা শরীর নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে তোর বি*না*শ লিখবো আমি। এই ইনান তালুকদার কথা দিচ্ছে আমাকে আজকে যতটা ক*ষ্ট দিবি তোকে আমি এর থেকে দ্বিগুন ক*ষ্ট ফিরিয়ে দেবো ওই আল্লাহর কসম!
রুশভিয়ান ইনানের কথা শুনে হো হো করে হাসতে হাসতে বলল,” আমাকে ক*ষ্ট দিবে এমন কেউ পৃথিবীতে জন্ম নেয়নি রে নেং**টি ইঁদুর?

ইনান আর কিছু বলতে নিলেই রুশভিয়ান ঝাঁ*পি*য়ে পড়লো তার শরীরে উপরে। পুরো শরীরকে ক্ষ*ত বি*ক্ষ*ত করে তুলতে লাগলো ইনানের। ইনান দাঁতে দাঁত চেপে সব ক*ষ্ট স*হ্য করে নিলো। কিন্তু মনে মনে শপথ নিলো এই শ*য়*তা*নকে বিনাশ না করা অবধি সে ম*র*বে না। এই ভাবে টানা দুই ঘন্টা ইনানের উপরে শা*রী*রি*ক নি*র্যা*ত*ন করার একসময় ইনান আর স*হ্য করতে পারলো না অ*জ্ঞা*ন হয়ে ঢলে পড়লো বিছানায়।
রুশভিয়ান অ*জ্ঞা*ন রত ইনানের মুখের দিকে তাকিয়ে সরে তার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়লো। এমনিতেই রাত জাগা তার উপরে এত পরিশ্রমের কারনে রুশভিয়ান চোখ দুটো বন্ধ করে ইনানকে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে শুয়ে পড়লো। দুজনের শরীরে সুতো অবধি নেই। তাদের পরনের কাপড় গুলো নিচে পড়ে আছে।
সকাল সাড়ে এগারোটা,,ইনান ছোট বিড়াল ছানার মতো করে রুশভিয়ানের হাতে মাথা রেখে বুকের সাথে লেপ্টে আছে। ঠোঁটের ক্ষ*ত গুলো শুকিয়ে কালচে হয়ে গেছে, গালের কা*ম*ড়ে*র দা*গ গুলো লালটকটকে হয়ে আছে। বিছানার চাদর বালিশ গুলো নিচে অ*ব*হে*লা*য় পড়ে আছে।

এমন সময় দরজা ক*রা*ঘা*তে*র শব্দ ইনানের ঘুমটা হালকা হয়ে গেল। সে পিটপিট করে চোখ খুলে সামনে তাকাতেই রুশভিয়ানের মুখ দেখে কিছুক্ষণ আগের কথাগুলো মনে পড়লো। কত আ*র্ত*না*দ করেছিলো মানুষটার সামনে এই লোকটা কোন কথা না শুনে তার শরীরটাকে জা*নো*য়া*রের মতো ছিঁ*ড়ে খেয়েছিলো। ইনান রুশভিয়ানের বাহুবন্ধনী থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য পিছনে সরতে নিলেই শরীরের ব্যা*থা*য় অস্ফুটস্বরে মৃদু আ*র্ত*না*দ করে উঠলো।
ইনানের মৃদূ আ*র্ত*না*দে রুশভিয়ান চোখ খুলে সামনে ইনানকে দেখে তার ঠোঁটে ফুটে উঠলো পৈ*শা*চি*ক হাসি। সে আবারো ইনানের কোমড় ধরে একঝটকায় বুকের উপরে ফেলে দেয়। ইনান ব্যা*থা*য় এতটাই অস্থির হয়ে ছিল যার কারনে বুঝতে পারেনি এই শ*য়*তা*ন*টা আবার উঠে গেছে। ইনানের সারা শরীর ঘৃ*ন ঘৃ*ন করতে লাগলো। সে ঘৃ*না*য় একদিকে মুখ ঘুরিয়ে থাকলো।

ইনানের এত দেমাক রুশভিয়ানের পছন্দ হলো না। রা*গে চোখ মুখ লাল টকটকে হয়ে এলো তার। সে একহাত বাড়িয়ে ইনানের চিবুকটাকে শক্ত করে ধরে তার দিকে ঘুরালো। ইনান এবার না চাইতে ও রুশভিয়ানের চোখে চোখ রাখলো। রুশভিয়ান দাঁতের সাথে দাঁত পিষে বলল,” এত দেমাক কই থেকে আসে তোর, সকালের অ*ত্যা*চা*র গুলা মনে নাই খা*ন*কি*র বেটি? ভ*য় লাগে না আমারে তোর?

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ৯

ইনান ভ*য় না পেয়ে কাটকাট গলায় বলল,” ভ*য় পেলে আমার আল্লাহকে ভ*য় পাবো, তোর মতো জা*নো*য়া*র*কে কেন ভ*য় পাবো। হ্যাঁ আমি ভ*য় পাচ্ছিলাম নিজের সম্মানের। কিন্তু যে সম্মান তুই আমার কাছ থেকে কে**ড়ে নিলি আমার শরীরটাকে বন্যপ্রানীর মতো ছিঁ**ড়ে কু*টে খেলি তখনই আমার সব ভ**য় চলে গেছে?
রুশভিয়ান ইনানের উত্তর গুলো শুনে রা*গা*ন্বি*ত হয়ে ইনানের গালে জোড়ালো এক থা*প্প*ড় মে*রে দেয়। ইনান থা*প্প*ড়ে*র তোড়ে ঝুঁকে গেল ঠিক কিন্তু কাঁদলো না উল্টে পাগলের মতো হো হো করে হেঁসে উঠলো সে। হাসতে হাসতে তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়লো তবুও হাসি থামলো না।

এমপি রুশভিয়ান মির্জা পর্ব ১০