Home কার্নিশে আলতা মাখানো কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ১৩

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ১৩

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ১৩
তন্ময়ী তিতিক্ষা

ছোট্ট একটা রুম। ভিতরের একটা টেবিল আর কয়েকটা চেয়ার। টেবিলের ওপর কিছু বই গুছানো। একপাশে পাতা চেয়ারটায় মাথা দুলিয়ে ঝিমুচ্ছে কাজি। রাত ১২টা ছুঁই ছুঁই। তিনি বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। কতগুলো ছেলেপেলে জোর করে তাকে এখানে উঠিয়ে নিয়ে এসেছে। যার কারনে ঘুমে বার বার ঢলে পড়ছেন। আকস্মিক কাঠের টেবিলটায় জোরে থাবা পড়তেই হকচকিয়ে যায় কাজি সাহেব। চমকে তড়িৎ গতিতে সোজা হয়ে বলে উঠল,
“আমাকে মারবেন না আমি কিছু করি নাই।”
পরপর কয়েকবার কথাটা বলেও সাড়াশব্দ পেয়ে মাথা উঁচিয়ে চাইলেন তিনি। ঠিক মাথার ওপরই দু’টো ছেলের মাথা দেখে পুনরায় হকচকালেন। প্রহর আর মিহির একে অপরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। পরক্ষণেই একত্রে ভ্রুঁ কুঁচকে চাইলো কাজির পানে। প্রহর এবার কিছুটা গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠল,
“কি ভাই? আমাদের কি গুন্ডা মনে হয় যে মারতে আসবো আপনাকে?”
“গুন্ডা নও তো কি? মাঝরাতে কে এভাবে উঠিয়ে আনে? তোমাদের নামে আমি মামলা করবো।”
“কি করবেন?”

রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে এগিয়ে এলো নীলা। এতেই ঘাবড়ে গেলো সাথে থাকা তিনজন। কেননা মেয়েটার মুখ চলে কম হাত চলে বেশি। এখন কাজিকে মেরে বসলে যাচ্ছে তাই একটা ব্যাপার হয়ে যাবে। মিহির এগিয়ে এলো তৎক্ষনাৎ। নীলার হাবভাব লক্ষ্য করে কিছুটা ঢোক গিলে বলে উঠল,
“কুল কুল! এমনে হট হয়ে থাকলে সব তো পুড়ে ছাই হয়ে যাবে মেরি মা।”
“আমি তোর কোন জন্মের মা লাগি? দিবো না একটা কানে গালে শ্লা।”
মিহির ঘাবড়ে গেল। ভয়ের চোটে লাফিয়ে পিছিয়ে গেল কয়েক কদম। এই মেয়েকে সে এক ফোঁটাও বিশ্বাস করে না। অনেক মার খেয়েছে আর না। তাদের দিকেই এতক্ষণ তাকিয়ে হতাশার নিশ্বাস ফেলল রাইসা। হা- হুতাশ করে বলে উঠল,

“এক একটা এলিয়েনের সাথে বাস করি। একদল এখানে দাঁড়িয়ে মাথা খাচ্ছে তো আর দু’জন দুলহা- দুলহান লাপাত্তা। বলি..বিয়ে কি আজ হবে? নাকি এখানেই ঘুমিয়ে যাবো কোনটা?”
কথাটা কর্ণপাত হতেই নাক মুখ কুঁচকে চাইল প্রহর। বিরক্তর স্বরে বলে উঠল,
“তোর কি খাওয়া ঘুম ছাড়া কোনো কাজ নেই? রাক্ষুসী একটা। খাইতে খাইতে তো দুনিয়াটাই খেয়ে ফেলবি।”
“শেটআপ প্রহর। তোরটা খাই আমি?”
রাইসার রাগ বুঝতে পেরে ভেঙচি কাটলো প্রহর। মিনমিন করে বলে উঠল,
“আমারটা না খেলেও মামুরটা তো খাস।”
এতক্ষণ কাজি সবটুকু গিলছিল। এবার তাদের কথার মাঝে প্রচন্ড বিরক্ত হলো। কাজি সাহেব আর অপেক্ষা না করে চেয়ার থেকে আধা উঠে দাঁড়ালো। মুখে চরম বিরক্তির ছাপ, চোখে ঘুম আর আতঙ্কের মিশ্রণ।
“এই যে..আমি কিন্তু চলে যাচ্ছি। তোমরা তোমাদের নাটক করো, আমি নাই। আমার বউ বাসায় একা বসে আছে। দেরি করলে বাসায় ঢুকতে দিবে না আর।”

“এই এই বসেন বসেন!”
প্রহর এগিয়ে গিয়ে আবার তাকে চেয়ারে বসিয়ে দিল। কাজি রাগে গজগজ করতে লাগলেন,
“এই বয়সে আইসা এইসব অপহরণ সহ্য করতে হবে ভাবি নাই। আমার বউ যদি দরজা বন্ধ করে দেয়, তখন কিন্তু তোমাদের খবর করে ছাড়বো।”
সকলে মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। মিহির এবার কিছুটা আগ্রহ নিয়ে বলে উঠল,
“কাজি ভাই, এত ভয় কেন? বউ কি খুব ডেঞ্জারাস নাকি?”
কাজি সাহেবের মুখটা অসহায়ের মত হয়ে গেলো। চোখের কোণেও যেন পানি এলো কিছুটা। যা দেখে মিহির গলে গেল। সেও অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো কাজির পানে। কাজি নিজের কোট থেকে রুমাল বের করে চোখ মুছলো। দুঃখের সহিত বলে উঠল,

“শুধু ডেঞ্জারাস না মহাডেঞ্জারাস। তোমরা আমাকে জোর করে নিয়ে আসছো কিন্তু বউ শুনলে আমাকেই সন্দেহ করবে। বলবে কোন মেয়ে নিয়ে রাত কাটিয়ে আসছি। বিয়ে করে ফেঁসে গেছি বাবা। ছাড়তেও পারি না রাখতেও পারি না। বউ খুব মারে। কিছু হলেই মারে। কেন যে দেশে পুরুষ নির্যাতনের বিচার নেই।”
কথাটুকু শেষ করেই নাক টানল কাজি। তার সাথে সাথে নাক টানল মিহির নিজেও। তাদের এই কান্ডে বাকি তিনজন কপাল কুঁচকালো। নীলার যেন আর সহ্য হলো না। মিহিরের পশ্চাৎতে লাথি বসিয়ে দিল। মাটিতে ছিটকে পড়ে গোল গোল চোখে তাকাল মিহির। কেন তাকে মারলো বুঝতে পারেনি ছেলেটা। নীলা কটমট করে বলে উঠল,
“ড্রামাবাজ মিহিইর্রা সামনের থেকে দূর হো। অপদার্থ!”
মিহির কিছু বলতে যাবে এর পূর্বেই আর্শিকে নিয়ে প্রবেশ করল আযরান। মুহুর্তে সকলের নজর গিয়ে ঠেকলো তাদের ওপর। আযরানের মুখশ্রী গম্ভীর। অপরদিকে পিছু পিছু কান্না করতে ব্যস্ত আর্শি। আর্শির হাতটা আযরানের হাতের মুঠোয়। এগিয়ে এসেই জোর পূর্বক আর্শিকে চেয়ারে বসিয়ে দিল। কাঁদতে কাঁদতে হিচকি উঠে গেছে আর্শির। প্রহর মিহিকে চোখের ইশারা করলো। মিহির মাথা নেড়ে বুঝালো সে কিছু বুঝছে না। রাইসা এবার এগিয়ে আর্শির চেয়ারের পাশের দাঁড়ালো। আযরানের পানে একবার তাকিয়ে বলে উঠল,

“কি হয়েছে রে আযরান। আর্শি এমন কাঁদছে কেন?”
“কিছু হয়নি। ওর মাথায় ঘোমটা টেনে দে। কাজি সাহেব শুরু করুন বিয়ে পড়ানো।”
আর্শির কান্না ক্রমশ বাড়ছে। আযরানের রক্তিম চেহেরা দেখে কেউ আর কিছু বলার সাহস পেল না। আযরানের হাত থেকে টুপ টুপ করে রক্ত পড়ছে। সেদিকে তাকিয়েই আর্শির কান্না বাড়লো কিছুটা। কাজি বিয়ে পড়াতে শুরু করল কথা না বাঁড়িয়ে। কিচ্ছুক্ষণের মাঝেই আর্শিকে কবুল বলতে বলা হলো। কিন্তু আর্শির মুখ দিয়ে টু শব্দটিও বের হচ্ছে না। আকস্মিক কাঁটা হাত দিয়েই দেয়ালে ঘুষি বসিয়ে দিল আযরান। সকলে চমকে উঠল নিমিষেই। প্রচন্ডভাবে কেঁপে উঠল আর্শি। এবার কিছুটা ভীতুও হলো। আযরানের হাতের অবস্থা দেখে অন্তরআত্মা কেঁপে উঠল তার। আর সময় ব্যয় না করে কাঁপা কন্ঠে বলে উঠল,
“কবুল”
পরপর দু’বার কবুল বলে মাথা নিচু করে বসে রইল। ব্যাস বিয়ে হয়ে গেল। আর্শি অবিশ্বাস্য চক্ষে তাকিয়ে রইল মেঝের দিকে। এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না তার আযরানের সাথে তার বিয়ে হয়ে গেছে। শঙ্কিত দৃষ্টি ফেলল একবার চারপাশে। বন্ধুরা সকলে উল্লাসে ব্যস্ত। সবকিছু যেন অসহ্য ঠেকছে আর্শির নিকট। চোখের বিষ মনে হচ্ছে সকলকে। সে এই বিয়ে চায়নি। কিছুতেই চায়নি। হুট করে উঠে দাঁড়ালো আর্শি। কারোর দিকে না তাকিয়ে সোজা বেরিয়ে এলো অফিসরুম থেকে।

আকাশে অসংখ্য তারার বিচরণ। ঝলমলে আকাশের নিচে ফাঁকা রাস্তায় হেঁটে চলেছে আর্শি। অন্যসময় হলে রাতের এই অপরূপ সৌন্দর্য মুগ্ধ দৃষ্টিতে দেখতো । কিন্তু আজ তার চোখে মুগ্ধতা নেই। আছে শুধু একরাশ অশ্রু আর ক্রোধ। আযরানের প্রতি তার রাগ হচ্ছে। প্রচন্ডরকমের রাগ। তাকে বাঁচিয়েছে বলে কি আযরান মাথা কিনে নিয়েছে? একদমই না। সে কি জানতো না আর্শির মনের বঙ্গুর অবস্থা? তাহলে কেন এমন জোর করে বিয়ে করল? সে কি করে মেনে নিবে এই বিয়েটা? কি করেই বা মানবে আযরানকে স্বামী রূপে? যেখানে কিনা আযরান তার ছোট। প্রচন্ডরাগে আর্শির চক্ষে পুনরায় অশ্রু জমলো। টলমলে চোখে চারপাশ একবার দেখে নিলো। সামনে থাকা ফাঁকা রাস্তায় একবার চক্ষুদ্বয় বুলিয়ে বলে উঠল,
“তুই আমার সবথেকে প্রিয় ছিলি আযরান। আর আজ থেকে তুই হলি আমার ঘৃণার পাত্র। আজ আর এখন থেকে তোকে আমি সবথেকে বেশি ঘৃণা করবো।”

বামহাতের সাহায্যে চোখের জল মুছে নিল আর্শি। পুনরায় ফাঁকা রাস্তায় চলতে শুরু করলো। আকস্মিক কিছুর শব্দ হতেই পিছু ফিরে চাইল। রাস্তার ওপাশটা ঘুটঘুটে অন্ধকার। এতক্ষণ খেয়াল না করলেও এখন দেখে যেন গায়ের পশম দাঁড়িয়ে গেল তার। আশেপাশে একটা কাকপক্ষীও নেই। ভয়ে বুক ধরফর করে উঠল নিমিষেই। সূক্ষ্ম একটা ঢোক গিলে পুনরায় সামনে ফিরে চাইল। নিজের মনকে বুঝ দিয়ে পুনরায় হাঁটতে শুরু করল। এইপথ আর্শি চিনে না। কোথায় যাবে জানা নেই তার। যেদিক দু’চোখ যায় চলে যাবে। হুট করে কর্ণের নিকট গরম শ্বাস অনুভব হতেই থমকে গেল আর্শি। ভূমিকম্পের ন্যায় কেঁপে উঠল প্রত্যেক অঙ্গ- প্রত্যঙ্গ। হৃদপিন্ডের অস্বাভাবিক উঠানামা নিয়ন্ত্রণ করে পাশ ঘাড় ঘুরিয়ে পিছন ফিরতে যাবে এর পূর্বেই একটা হাত তাকে পাশে থাকা দেয়ালের সাথে মিশিয়ে নিল। অন্তরস্থল কেঁপে উঠল আর্শির। ভয়ে চক্ষুদ্বয় খিঁচে ফেলল। আকস্মিক কর্ণে উষ্ণ কিছুর ছোঁয়া পেতেই নেত্রপল্লব মেলে চাইলো। সামনে খোঁচা খোঁচা দাঁড়িতে আবৃত গালখানা দেখে যেমন একদিকে স্বস্তি মিলল। তেমনি রাগটা যেন চাড়া দিয়ে উঠল। মুহুর্তে এক সেকেন্ডও ব্যয় না করে নিজের সমস্ত শক্তি দিয়ে আযরানকে ধাক্কা দিয়ে দূরে সরিয়ে দিল। তাচ্ছিল্যের স্বরে বলে উঠল,

“বিয়ে হতে না হতেই চলে এসেছিস ডলাডলি করতে। এইসবের জন্যই তো বিয়ে করেছিস তাই না?”
শান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আযরান। ধীরে ধীরে আযরানের চক্ষুদ্বয় কেমন চিকচিক করে উঠল। আযরান কি কোনোভাবে কান্না করছে? নিমিষেই বিস্ময়ে ছেঁয়ে আর্শির চোখ। না না! স্ব ভুল দেখছে। হ্যাঁ ভুলই তো। এটা কখনো হতেই পারে না। একটা গভীর শ্বাস ফেলে নিজেকে শান্ত করল। আযরানের দৃষ্টির হুট করে পরিবর্তন হলো। বিচক্ষণ দৃষ্টিতে আর্শিকে পরখ করে বলে উঠল,
“কি যে বলছিলি? ডলাডলি রাইট? বিয়ে যেহেতু এই কারনেই করেছি চল বাসায় চল। রাত হয়েছে তো ডলাডলি করতে মজা লাগবে। একটু না হয় বউয়ের সাথে ডলাডলি করলাম।”
আর্শি এবার রেগে গেল। আযরানের দিকে আঙ্গুল তুলে তেড়ে গেল।
“দেখ আযরান রাগ উঠাবি না..।”

আর্শি আরও কিছু বলতে চাইলো এর পূর্বেই দু”কদম এগোলো আযরান। আর্শির আঙ্গুলটা নিজের কনিষ্ঠা আঙ্গুল দ্বারা আঁকড়ে ধরল। আর্শির দিকে তাকিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলে উঠল,
“দেখা কি দেখাবি। আমি তো দেখতে প্রস্তুত।”
তৎক্ষনাৎ কপালে ভাঁজ পড়ল আর্শির। সামনের ছেলেটার এই রূপটা একদম নতুন। এই আযরানকে সে আগে কখনোই দেখেনি আর না আযরান তার সাথে কখনো এভাবে কথা বলেছে। কিছুটা রাগ হলো তার। আর্শি যেন আযরানের এই রূপটা যেন মানতেই পারছে না। এবার কিছুটা রাগান্বিত স্বরে বলে উঠল,
“একদম ভালো হবে না কিন্তু। বেশি বেশি করছিস।”
“ভালো তো এখনও হচ্ছে না মুটি। আঁচল ঠিক কর। একরাশ বেহায়া ইচ্ছে মনে জাগ্রত হচ্ছে। পরে তো আবার বলবি..আমি নির্লজ্জ, অসভ্য। যদিও তোর থেকে এইসব শুনতে আমি প্রস্তুত।”
চোখ কপালে স্পর্শ করতে সময় ব্যয় করল না আর্শির। লজ্জায় নত হয়ে ঝটপট আঁচল সামলে নিয়ে মাথায় ঘোমটা টানল। শাড়ি কখন সরে গেছে খেয়াল করেনি। আযরানের ঠোঁটের কোণে বিদ্যমান হাসি দেখে লজ্জা আরও দ্বিগুন বেঁড়ে গেল। অস্বস্তিতে হাসফাস করে বলে উঠল,
“তুই সীমা ছাড়াচ্ছিস আযরান।”
“সীমা আর ছাড়ালাম কোথায়? সবে তো অধিকার পেলাম। অপেক্ষা কর। যেদিন সীমা লঙ্গন করবো..কেঁদেও কুল পাবি না।”

এবার আযরান আরেকটু এগিয়ে এলো। আর্শি ঘাবড়ালেও বুঝতে দিলো না। আযরান আর্শির মাথার কাছে দেয়ালে একহাত রেখে তাকে বন্ধি করে ফেলল। অন্যহাতে আর্শির চোয়ালটা চেপে ধরল কিছুটা শক্ত হাতে। ঘোমটার কারনে মেয়েটাকে বউ বউ লাগছে। বউই তো! আযরান হায়দারের বউ। আর্শির পুরো মুখশ্রীতে একবার চক্ষুদ্বয় বুলিয়ে নিল আযরান। লহুস্বরে বলে উঠল,
“আমি বেশি বেশি করছি না। যা করছি আমার নিজের ওপরই করছি। কারন তুই তো আমারই। অন্য কারো হলে ছুঁতামও না।”

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ১২

বাক্যগুলো শ্রবণশক্তিতে ঝংকার তুলল আর্শির। বুকের ভেতরটা কেমন যেন ধকধক করে উঠল। আযরানের কথাগুলো যেন সোজা গিয়ে আঘাত করলো তার হৃদয়ের গভীরে। এবার আযরান সোজা হয়ে দাঁড়ালো। হাত উঁচিয়ে আনমোড়া ভেঙ্গে হুট করে আর্শির কোমড় আঁকড়ে ধরল। শাড়ির ভাঁজের উন্মুক্ত অংশ চেপে ধরে ফিচেল স্বরে বলে উঠল,
“যা বলার বলেছিস, কাঁদাকাঁদিও শেষ.. এবার চল। বাসায় যাবো। আমার কেমন প্রেম প্রেম পাচ্ছে।”

কার্নিশে আলতা মাখানো পর্ব ১৪