চিত্রাঙ্গনা পর্ব ৭৭
ইশরাত জাহান জেরিন
কষ্ট কাকে বলে জানা আছে?
যখন নিজের অনুভূতিগুলোকেই নিজের অস্বীকার করতে হয়। বুকের ভেতর ঝড় চললেও মুখে শান্তির মুখোশ এঁটে বলতে হয়, “আমি ভালো আছি।” অথচ ভেতরে ভেতরে প্রতিটা মুহূর্ত ধসে পড়ে। কাউকে কাঁদতে দেখার চেয়েও ভয়ংকর হয়ে ওঠে নিজের কান্নাকে লুকিয়ে ফেলতে শেখা।
রাতের শেষ প্রহর। অন্ধকার আর ভোরের মাঝখানে ঝুলে থাকা এক অনিশ্চিত সময়। আকাশ তখনো পুরো আলো পায়নি, আবার রাতের কালচে ছায়াও সরে যাচ্ছে না। পূর্ব দিগন্তে ফিকে নীলচে রেখা জেগে উঠছে। কিন্তু সেই আলোতে কোনো উষ্ণতা নেই। কুয়াশা মাটির কাছাকাছি জমে আছে, কবরস্থানের প্রতিটা পথ, প্রতিটা নামফলক ঢেকে রেখেছে নিঃশ্বাসের মতো ভারী ধোঁয়ায়। চারপাশ নিস্তব্ধ। এতটাই নিস্তব্ধ যে নিজের হৃদস্পন্দনকেও অপরাধ মনে হয়। দূরে কোথাও একটা নিশাচর পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দ শোনা যায়, তারপর আবার সব চুপ। গাছগুলোর পাতায় পাতায় শিশির জমে আছে, ফোঁটাগুলো মাঝেমধ্যে ঝরে পড়ে, কবরের মাটিতে শব্দহীন আঘাত করে। মাটির গন্ধটা আজ আলাদা। সদ্য খোঁড়া মাটির কাঁচা গন্ধের সঙ্গে মিশে আছে স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডা একটা গন্ধ। কবরগুলো সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে, কেউ কারও দিকে তাকাচ্ছে না, তবু সবাই যেন একে অপরের কষ্ট জানে। নামফলকের অক্ষরগুলো কুয়াশার ভেতর আধো-অদৃশ্য।
ফারাজ মোহনাকে কবরে শুইয়ে দিল। ভাইয়ের কবরের পাশেই, একই সরল রেখায়, ভাইয়ের সহধর্মিণীকেও শুইয়ে দিল সে। বুকের ভেতর আফসোস জমে উঠল। ভাইয়ের শেষ অনুরোধটা সে রাখতে পারেনি। ভাই বলেছিল, চলে যাওয়ার পর মোহনাকে আগলে রাখতে। অথচ ফারাজ না পারল মোহনাকে বাঁচাতে, না পারল তার অনাগত সন্তানটাকেও রক্ষা করতে।
কবর জিয়ারত শেষে চল্লিশ কদম এগোতেই বুকটা আরও ভারী হয়ে এলো। এলাহী বাড়ি আর আগের এলাহী বাড়ি নেই। কবরস্থানের দিকে তাকালেই দেখা যায় মানুষ সেখানে পাশাপাশি শুয়ে আছে, অথচ এলাহী বাড়ি? দিন দিন সেটা কবরস্থানের থেকেও ভয়ানক হয়ে উঠছে। দুঃখ নামের যে পাহাড়, সেটার প্রকৃত নাম বোধহয় এলাহী মেনশন। কবরস্থান থেকে বের হতেই ফারাজের ফোনে একটা বার্তা আসে। ফোন বের করতে ইচ্ছে করে না তার। সে এখন কেবল সময় থেকে, মহাকাল থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। তবু অভ্রর দিকে তাকিয়ে ধীরে বলে ওঠে, “কাল প্লেনের টিকিট কাটবি। আমি ইতালি ফিরতে চাই। মায়ের কবর জিয়ারত করে সোজা চলে যাব। এই কিশোরগঞ্জ, এই দেশের মাটি আমার মতো অধমের জন্য নয়। ইতালিতে গিয়ে এবার নিজেকে বদলাব। ফারাজ ফিরবে কিন্তু আগের থেকেও ভয়ংকর হয়ে।”
অভ্র থমকে যায়। তারপর ধীরে বলে, “চিত্রা ভাবীর কথাটা একবার শুনতে পারতেন। আমাদের এখনও কত প্রশ্নের উত্তর জানা বাকি। মাথার ভেতর প্রশ্নগুলো কিলবিল করছে। ভাবীর একটা কথাই কিছুতেই মাথা থেকে বের হচ্ছে না, “ভালোবাসার জন্য পাপ করেছি মানে কী?”
ফারাজ কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে। চোখে কোনো আবেগ নেই। সে খুব সংক্ষেপে ভাবে বলল, “জানি না…”
ভোর হবে হবে। ফারাজের ওযু করা আছে। ঠান্ডা পানির ছোঁয়া এখনো হাতের রেখায় লেগে আছে, তবু বুকের ভেতরের জ্বালা কিছুতেই ঠান্ডা হয় না। সে ধীর পায়ে এলাহী জামে মসজিদের দিকে এগোয়। এই মসজিদ ফরহাদ এলাহীর। তার বাবার হাতে গড়া। মানুষের মুখে মুখে শোনা কথা “শয়তানও আল্লাহর ঘর বানাতে পার।” এই কথাটার অর্থ ফারাজ আজ হাড়ে হাড়ে টের পায়। যদি শয়তানও রবের ঘর বানাতে পারে, তাহলে দেখো রবের ক্ষমতা কতটা অসীম।
ফজরের নামাজ শেষে সবাই একে একে বেরিয়ে যায়। মসজিদের ভেতরটা ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে আসে। কিন্তু ফারাজ ওঠে না। তার হাত এখনো দুয়ার দিকে তোলা, ঠোঁট নড়ছে। মুনাজাত যেন শেষ হতে চায় না। ইমাম সাহেব মুনাজাত শেষ করে তসবিহ হাতে বসেন। কিছুক্ষণ ধরে ফারাজকে লক্ষ করেন। এই মানুষটার নীরবতা অস্বাভাবিক দীর্ঘ। অবশেষে ফারাজ তার লম্বা মুনাজাত শেষ করে ইমামের দিকে তাকায়। চোখদুটো ক্লান্ত । ইমাম মৃদু হেসে বলেন, “রবের কাছে দুঃখ প্রকাশ করলে বুঝি?” এই মুহূর্তে ফারাজ টের পায় তার চোখ দিয়ে সত্যিই জল পড়ছে। সে নিজেও জানে না, এই জল কার জন্য।
চিত্রাঙ্গনার জন্য? তাকে আগের মতো ফিরে পাওয়ার আকুতি? নাকি নিজের অপরাধবোধের ভার সহ্য করতে না পেরে আত্মা কাঁদছে? তার মনে একের পর এক প্রশ্ন ভিড় করে আসে। চিত্রা নিজের যত্ন নেয় না রাতটা শেষ হয়ে ভোর হলো, সে কি কিছু খেয়েছে? সে ঠিক আছে তো? শরীরটা কি আগের চেয়ে আরও ভেঙে পড়েছে, নাকি কোনোভাবে টিকে আছে? যেই স্ত্রীর ঘুম কারও শব্দে ভেঙে গেলে সেই ঘুম ভাঙানো মানুষটাকে খুন করতেও ফারাজ একসময় প্রস্তুত ছিল আজ সেই স্ত্রীকেই সে আঘাত করেছে। এই বাড়িতে যে নারীটাকে প্রথম কোলে তুলে গৃহপ্রবেশ করিয়েছিল, তাকেই সে ধাক্কা মেরে বাইরে ছুড়ে ফেলেছে। এই চিন্তাই তাকে আগের চেয়ে আরও বেশি জ্বালায়, আরও গভীরভাবে পুড়িয়ে দেয়। কারণ কোনো শাস্তিই এত নির্মম নয়, যতটা নির্মম নিজের অপরাধ নিজের চোখে দেখা।
ফারাজ অনেকক্ষণ চুপ করে ছিল। তারপর হঠাৎ ভেঙে পড়া কণ্ঠে বলল, “হুজুর… আমি আর পারছি না।”
ইমাম সাহেব তসবিহ নামিয়ে রাখলেন। এই কথাটা তিনি বহুবার শুনেছেন, তবু প্রতিবারই নতুন লাগে। “কী পারছ না?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন।
ফারাজ চোখ নামিয়ে বলল, “এই কষ্ট। এই বুকের ভেতরের চাপ। মনে হয় শ্বাস নিলেই বুক ফেটে যাবে। আমি পাপ করেছি, জানি। ভুল করেছি জানি। কিন্তু এই যন্ত্রণার শেষ কোথায়, হুজুর? কী করলে এর থেকে পরিত্রাণ পাব?”
ইমাম কিছুক্ষণ নীরব থাকলেন। তারপর ধীরে বললেন,
“কষ্ট যখন আল্লাহর দরজায় এনে দাঁড় করায়, তখন সেটা আর অভিশাপ থাকে না।”
ফারাজ মাথা নাড়িয়ে বলল, “কিন্তু এই কষ্ট আমাকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না হুজুর। এটা আমাকে খেয়ে ফেলছে। জানি খোদা আমাকে ক্ষমা করবে না।”
ফারাজের চোখ দিয়ে জল পড়ল। হুজুর শান্ত গলায় বললেন,“ফারাজ, আল্লাহ কঠিন পাপীকেও ক্ষমা করে দেন। মানুষ যাকে শেষ মনে করে, আল্লাহ সেখানে শুরু করেন। তাই নিজের মনকে শত্রু বানিয়ে নিও না।”
ফারাজ চুপ করে শুনছিল। “মন যা চায় সব সময় সেটা পাপ হয় না,” হুজুর আবার বললেন। “অনেক সময় মন শুধু শান্তি চায়, বাঁচতে চায়। যে পথে গেলে বুকের ভেতরের আগুন একটু নিভে, যে সিদ্ধান্তে তুমি নিজেকে মানুষ বলে অনুভব করো সেই পথটাই বেছে নাও।”
ফারাজের চোখ কাঁপল। হুজুর ধীরে যোগ করলেন,
“লোক কী বলবে, সেটা আল্লাহ দেখেন না। তিনি দেখেন তুমি কী নিয়ে তাঁর সামনে দাঁড়াও। যদি অন্তরটা সৎ থাকে, অনুশোচনা সত্যি হয়, তাহলে আল্লাহর রহমত কোনো পাপের চেয়েও ছোট নয়।”
ফারাজ ফিসফিস করে বলল, “তাহলে আমি যা করলে শান্তি পাই…?”
হুজুর মাথা নেড়ে বললেন, “হ্যাঁ। যা তোমাকে ভাঙে না, বরং টিকে থাকতে শেখায় তাকেই বেছে নাও। আল্লাহ ক্ষমা করতে জানেন, কিন্তু মানুষকে আগে বাঁচতে দেন।”
মসজিদের ভেতর তখন সকালের আলো পুরোপুরি ছড়িয়ে পড়েছে। ফারাজের বুকের ভারটা পুরো নামেনি, কিন্তু সে বুঝে গেল। হুজুরের কথা শুনে অনেকটা শান্তি বোধ হচ্ছে।
“দোয়া করবেন হুজুর,” সে বলল।
ইমাম মাথা নেড়ে বললেন, “করব। কিন্তু মনে রেখো দোয়া পথ দেখায়, হাঁটতে হয় নিজেকেই।”
ফারাজ কিছু বলল না। কেবল উঠে গেল। তাকে এবার পৃথিবী নয় মনের সঙ্গেও দেখছি নতুন করে বোঝাপড়া করতে হবে।
ফারাজ মসজিদ থেকে বের হতেই তার ফোনে একটা ম্যাসেজ এলো। সেই ম্যাসেজ দেখে মুহূর্তেই ভ্রু কুঁচকে এলো তার। “কি? চিত্রা প্রেগন্যান্ট?” সেই ম্যাসেজের রেশ কাটতে না কাটতেই হঠাৎ ফারাজের ফোনে বজ্রর কল এলো। সে রিসিভ করবে কি করবে না ভাবতে ভাবতেও রিসিভ করেই ফেলল। ওপাশ থেকে বজ্রের ব্যতিব্যস্ত গলা, “চিত্রা তোর কাছে?”
“মানে?”
” চিত্রাকে পাচ্ছি না।”
চিত্রা চোখ মেলল। চারপাশ ঝাপসা, আলো-ম্লান, সবকিছু স্বপ্নের মতো লাগছে। এক মুহূর্তের জন্য ভেতরে ভেতরে মনে হলো, সে কি স্বপ্ন দেখছে, নাকি সত্যিই এই অবস্থায় আছে? মাথার ভেতর খোঁজখবর করতে করতে ভেসে উঠল ঘটনার কিছু অংশ।
শেষরাতে সে আবার এলাহী বাড়ির দিকেই ছুটে আসে। বজ্র আর আয়েশা কেউই আর তাকে আটকাতে পারেনি। কারণ ফারাজকে সব খুলে না বলা পর্যন্ত তার ভেতরে কোনো শান্তি আসছিল না। সে জানত, ফারাজ অভিমান করে আছে। কিন্তু সে এটাও জানত সব সত্য জানলে ফারাজ আবারও তাকে নিজের দিকে টেনে নেবে। এই বিশ্বাসটাই তাকে মাঝরাতে অসুস্থ শরীর নিয়েও রাস্তায় নামতে বাধ্য করে। হাঁটতে হাঁটতে শরীর আরও খারাপ হয়ে আসে। পেটে কিছু পড়েনি। ক্ষুধা আর অসহ্য ব্যথা একসঙ্গে চেপে বসে। গলা শুকিয়ে আসে, পানির তীব্র পিপাসা অনুভব করে। পা দুটো যেন আর কথা শুনছে না। এক সময় চিত্রা থেমে যায়। নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। ঠিক তখনই হঠাৎ তার মনে হয় কেউ যেন তার পেছনে আছে। অস্বস্তি নিয়ে ধীরে পিছন ফিরে তাকায় সে। চোখে পড়ে ঝাপসা একটা ছায়া। স্পষ্ট কিছু বোঝার আগেই সেই ছায়াটা মুহূর্তের মধ্যে তার কাছে এসে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শক্ত করে তার মুখ চেপে ধরা হয়। চিৎকার করার সুযোগটুকুও পায় না। সবকিছু যেন এক ঝটকায় ঘটে যায়। ক্লান্ত শরীর, দুর্বল মন আর কোনো প্রতিরোধ গড়ে ওঠে না। একটু পরেই সব অন্ধকার হয়ে আসে।
এর পর আর কিছু মনে নেই চিত্রার। কিন্তু প্রশ্ন সেটা নয়, প্রশ্ন হলো এটা কোন জায়গা? এখানে সে এলো কি করে? চোখ দু’টো এখনো জ্বালা করছে। মাথা ধরে আছে। চিত্রা শরীর নড়াচড়া করার চেষ্টা করল। ঠান্ডা মেঝের সঙ্গে শরীরের সংযোগ টানটান করল। হঠাৎ
চোখের সামনে গড়ে উঠল ধীরে ধীরে একটা বাস্তবতা। ভালো করে দেখতেই বুঝল এটা লঞ্চের গুদামঘর। ইঞ্জিনের শব্দে আর তেলের গন্ধে বমি চলে আসবে।
এখানে সব অগোছালো জিনিসপত্র, দুর্বল আলো, মৃদু নড়াচড়া। নদীর ঢেউয়ের ধ্বনি বাইরে থেকে ভেসে আসছে। হঠাৎ চিত্রার কানে একটা গলা ভেসে আসে।
পুরুষের গলা। সে চমকে ওঠে। বুকের ভেতরটা কেঁপে যায়। ধীরে ধীরে সামনে তাকায়। আবছা আলোয় সে দেখতে পায় একটা কাঠের চেয়ারে একজন পুরুষ বসে আছে। পরনে সাদা শার্ট, কালো লুঙ্গি। পায়ে চামড়ার স্যান্ডেল। শরীরটা ঢিলেঢালা ভঙ্গিতে হেলান দেওয়া। হাতে ধরা চায়ের কাপ। সে বিশ্রীভাবে চায়ে চুমুক দিচ্ছে। কোনো তাড়াহুড়া নেই, কোনো অস্বস্তিও না। চা শেষ হলে সে কাপটা একটু কাত করে। আঙুল ঢুকিয়ে কাপের তলায় লেগে থাকা মালাইগুলো তুলে নেয়। তারপর এক এক করে মুখে পুরে নেয়। চোখ বন্ধ করে, তৃপ্তির একধরনের বিকৃত হাসি টেনে নেয় ঠোঁটে। এই দৃশ্যটা চিত্রার শিরদাঁড়া ঠান্ডা করে দেয়। তার গলা শুকিয়ে আসে। বুকের ভেতর থেকে শব্দটা কাঁপতে কাঁপতে বেরিয়ে আসে, “সোহান পালোয়ান?” সোহান তাকায় না। চায়ের কাঁপটা পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলের হাতে এগিয়ে দেয়। সেই ছেলের চায়ের কাপ রেখে পানি এগিয়ে দিতে সামান্য একটু খানি দেরি হয়। তবে সেই দেরি সোহান পালোয়ান সহ্য করতে পারে না। সে পাশের দু’টো ছেলের দিকে তাকাতেই তারা ওই ছেলেটিকে ধরে নিয়ে যায়। ছেলেটি আর্তনাদ করে বলে, “ভাই আর কখনো দেরি হবে না৷ ভাই মাফ করে দেন।” সোহান পাত্তা দেয় না। সে হাত ধুয়েমুছে বিরক্ত ভাব নিয়ে চিত্রার দিকে তাকিয়ে বলল, “শুভ দিনে চাইনি কারো জীবন যাক, কিন্তু কি আর করার বলো?”
চিত্রাঙ্গনা পর্ব ৭৬
সোহান চিত্রার দিকে এগিয়ে আসতেই চিত্রা পুনরায় বলল, “সোহান পালোয়ান আপনার উদ্দেশ্য কি?”
সোহান এইবার দাঁত বিকশিত করল। হাত বাড়াতেই পাশের ছেলেটি হাতে লাল শাড়িটা তুলে দিলো। সোহান একবার সেই শাড়ির দিকে তাকালো। তারপর হেসে চিত্রার দিকে শাড়িটা ছুঁড়ে ফেলে বলল, “তোমাকে বিয়ে করা।”

apu next part dio taratari aiii chitagona golpor jonno koto wait kori ami jano na tumiiii
Wow apu onk sundor hoice ajker part ta. But faraz r citrar jonno onk krp lagce
next part ta taratari diyen
Apu next part ta tara Tari deo
Ami are o sob khoje ses porer part…appo please tara tari 78 number part ta den..
Apu next part ta taratari diyo please.
আপু পর্ব ৭৮কই
আর নাই নাকি এখানেই শেষ