চিত্রাঙ্গনা পর্ব ৭৬
ইশরাত জাহান জেরিন
গুলির সঙ্গে ছিটকে আসা রক্তে ফারাজের সাদা শার্টটা মুহূর্তেই রঞ্জিত হয়ে গেছে। সে একবার ধীরে বুকের দিকে তাকায়। উষ্ণ রক্তে আঙুল ছুঁইয়ে নিশ্চিত হতে চায় এই রক্ত কি চিত্রাঙ্গনা জড়িয়েছে? তার বিবিজান?
হঠাৎ চোখ নেমে যায় ফ্লোরে। সিফাত আগেই পড়ে ছিল সেখানে। চিত্রার গুলি সিফাতের বুকে ঢুকে বুকটা ঝাঁঝরা করে দিয়েছে। রক্তে ভিজে আছে চারপাশ। চিত্রার গায়েও লেগেছে সেই রক্ত। ঠিক তখনই ফারাজ ডান দিকে তাকায়। জমেলা দাঁড়িয়ে আছে। হাতে রিভলভার। তার পাশেই বজ্র, তার হাতেও অস্ত্র। কোনো কথা নেই, কোনো দ্বিধা নেই। পরপর আরও কয়েকটা গুলি ছুটে আসে। শব্দগুলো ঘরটাকে চিরে দেয়। ফারাজ চিত্রার দিকে তাকায়। কি করে সম্ভব? তার নিষ্পাপ নারীর এমন নিষ্ঠুর রূপ? চিত্রা এগিয়ে আসে ফারাজকের দিকে। আর আগেই ফারাজ হাত উঁচু করে তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে, “কাছে আসবে না। একদম কাছে আসবে না।”
“ফারাজ আমাকে একবার এক্সপ্লেন করার সুযোগ দিন।”
“কিসের এক্সপ্লেইন চিত্রা? আমায় পুড়িয়ে ছারখার করে তুমি এক্সপ্লেন করতে চাইছো? আমার ভালোবাসা কি এতটাই ঠুনকো ছিল?” সে এক কদম পিছিয়ে যায়, বুকের ওপর হাত চেপে ধরে। “আমি তো বিশ্বাস করেছিলাম, চিত্রা। অন্ধের মতো বিশ্বাস করেছিলাম। নিজেকে, নিজের অহংকারকে, নিজের পুরুষত্বকে তোমার পায়ের নিচে রেখে দিয়েছিলাম। এই দুনিয়ায় কি বিশ্বাস করার শাস্তিটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ? আমার বিশ্বাসের কি কোনো দাম নেই এই পৃথিবীতে?” তার কণ্ঠ হঠাৎ ভারী হয়ে আসে। “নাকি আমার অপরাধ একটাই—আমি ফারাজ? ফারাজ এলাহী? এই ফারাজকেই কি এই দুনিয়া, এই আরশের মালিক বারবার বেছে নেয় ভাঙার জন্য?”
একটু থেমে সে বলে, চাপা স্বরে, “আমি কি এতটাই সহজ ছিলাম? আমার ভালোবাসা কি এতটাই সস্তা যে তুমি তাকে ব্যাখ্যার টেবিলে বসিয়ে কাটাছেঁড়া করবে?”
চোখ তুলে চিত্রার দিকে তাকায় সে। “জানো, আগুনে পুড়লে শরীর ছাই হয়… কিন্তু বিশ্বাস পুড়লে, মানুষটা মরে যায়, চিত্রা। আমি আজ মরছি আর তুমি আমাকে এক্সপ্লেন দিচ্ছো?” শেষ কথাটা প্রায় ফিসফিস করে বের হয়, “একবারও কি ভাবোনি… এই ফারাজটার বুকেও একটা হৃদয় আছে, যেটা আর সহ্য করতে পারছে না?”
চিত্রা কাঁপা গলায় বলে, “প্লিজ… একবার শুনুন। আমায় কি একটা সুযোগ দেবেন না? আপনি যা দেখেছেন, তা ভুলও তো হতে পারে?”
ফারাজের চোখ এবার ঝাপসা। “তুমি চাইছো সুযোগ?
আমি তো নিজের পুরো জীবনটাই তোমাকে সুযোগ হিসেবে দিয়েছিলাম। ভুল হতে পারে বলছো?
ভুল হয় স্বপ্নে বাস্তবে না, যখন মানুষ চোখ খুলে দাঁড়িয়ে থাকে।” গলা নামিয়ে সে বলে, “তুমি জানো, সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা কী? এই যে এখনও তোমার কথা শুনছি।
এখনও এই বুকটা তোমার জন্য থেমে থাকতে চাচ্ছে এটাই। কিন্তু বিশ্বাস, চিত্রা… ও একবার মরলে, আর কোনো পুনর্জন্ম হয় না। বিশ্বাসের পূর্ণর্জন্ম নেই চিত্রা।”
চিত্রার চোখে তখন জল। সে কিছু বলতে যাবে তার আগেই হঠাৎ মাথাটা আবারও চক্কর দিয়ে উঠে। ফারাজের তখন হুঁশ নেই। তার চোখের সামনে তার চিত্রার শরীর খারাপ হচ্ছে। অথচ সে এগিয়ে আসছে না। সে পেছন ফিরে তাকালো একবার। অভ্র নেই। ফারাজ তো এখনো সহ্য করে দাঁড়িয়ে আছে। তবে অভ্র পারেনি। চোখের জল নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে গেছে।আয়েশা গেছে দৌড়ে তার পিছনে। চিত্রা বেহুঁশ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই হঠাৎ জমেলা আর বজ্র এগিয়ে এসে তাকে ধরল। বজ্র ফারাজকে বলল,”না জেনে বুঝে একজন মানুষকে ভুল বুঝা ঠিক না। চিত্রার এই মুহূর্তে তোকে পাশে দরকার।” ফারাজ তখনও মেঝের রক্তের দিকে চেয়ে আছে। সে কাঁদতে চাইছে না, তবে চোখ গড়িয়ে শব্দহীন জল পড়ছে। হঠাৎ তার ফোনটা বেজে উঠল। সে কাঁপা হাতে ফোনটা বের করে রিসিভ করতেই ভাঙার আরো একধাপ এগিয়ে গেল। একটার পর একটা জড় তাকে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। ফারাজ আর প্রতিরোধ করে না। সে শুধু দাঁড়িয়ে থাকে নিজের ভাঙনকে নিঃশব্দে গ্রহণ করে। তবে ফোনটা কেটে দেওয়ার পর একবার মৃত্যু কণ্ঠে আওরায়, “কেন মোহনা? কেন করলে?”
এলাহী বাড়িতে সেদিন আর হাসিমুখে ফেরা হলো না ফারাজ এলাহীর। তার শরীর তখন রক্তে ভেজা। কাপড়ে, হাতে সবখানে রক্ত। প্রথম ধাপটা পেরোতেই তার বুক ভারী হয়ে উঠল। সিঁড়ি বেয়ে দোতলার দিকে উঠতেই মানুষের ভিড় বাড়তে লাগল। হঠাৎ নদী তাকে দেখে দৌড়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কাঁপা হাতে ফারাজের বুকের ওপর আঘাত করতে করতে সে কেঁদে ওঠে,
“ফারাজ… সব শেষ ফারাজ। মোহনা এটা কি করল?”
তার কান্না এলাহী বাড়ির দেয়ালে দেয়ালে প্রতিধ্বনি তোলে। নদীর গলা ভেঙে আসে, চোখ উন্মত্ত হয়ে ওঠে।
“এই বাড়ির ওপর অভিশাপ লেগেছে ফারাজ।
কেউ বাঁচবে না। এই অভিশপ্ত বাড়ি সবাইকে খাবে।
এক এক করে সবাইকে শেষ করে দেবে, ফারাজ…”
কথাগুলো বলতে বলতে সে হাহাকার করে ওঠে।
সে কান্না শুধু শোকের নয় ভবিষ্যৎ জেনে ফেলার ভয়।
ফারাজ কিছু বলে না। সে স্থির দাঁড়িয়ে থাকে, যেন শরীরটা এখানে, কিন্তু আত্মাটা বহু দূরে কোথাও আটকে গেছে। রক্তে ভেজা তার উপস্থিতি যেন ঘোষণা করে, এলাহী বাড়িতে আজ আর কোনো স্বাভাবিক রাত নামবে না। এই বাড়ি ভালোবাসাকে আপন করে নেয়নি।
এই বাড়ি বিশ্বাসকে বাঁচতে দেয়নি। শেষ পর্যন্ত, ফারাজের ভেতরে এক নিঃশব্দ স্বীকারোক্তি জন্ম নেয়। সে মনকে প্রশ্ন করে, “কবিরা সব বলে গেছেন তাহলে এটা কেন বললেন না? ভালোবাসা মানুষকে বাঁচতে শেখায় না, ভালোবাসা মানুষকে বুঝিয়ে দেয়,
কোথায় গিয়ে সে সবচেয়ে বেশি ভেঙেছিল।
কেন বললেন না, নিয়তি কখনো তাড়া করে না।
সে শুধু অপেক্ষা করে মানুষ নিজে হেঁটে এসে তার সামনে দাঁড়াবে বলে। বললেন না কেন, সব ক্ষত যে রক্তাক্ত হয় না। কিছু ক্ষত নীরবে মানুষকে
নিজের কাছ থেকেই নির্বাসিত করে। এখন সবশেষে মনে হচ্ছে ভালোবাসা থাকুক কিংবা না থাকুক নিয়তি সুন্দর থাকা সবচেয়ে জরুরি। কারণ এই পৃথিবীতে ভালোবাসা যদি ইবাদত হয়,
তবে নিয়তি তার সবচেয়ে নিষ্ঠুর স্রষ্টা লাশ নামানো হয়েছে বেশ কিছুক্ষণ আগেই। পুলিশ পোস্টমর্টেম করবে। আত্মহত্যার লাশ এভাবে ছেড়ে দেওয়া যায় না। তবু ফারাজ পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছে। ভাইয়ের লাশে যেমন কাটাছেঁড়া হতে দেয়নি, মোহনার লাশেও সে তা হতে দেবে না। এসব ঝামেলা তার অসহ্য লাগে। যত দ্রুত সম্ভব দাফন—এটাই তার একমাত্র চাওয়া। এলাহী পরিবারের কবরস্থানে আজ আরেকটি কবর খোঁড়া হচ্ছে। রোশানের কবরের পাশেই মাটি দেওয়া হবে মোহনাকে। ফারাজ একবার কবরস্থানে যায়। রোশানের কবরটার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে কিছুক্ষণ। ভেজা মাটির দিকে তাকিয়ে মনে মনে বলে ওঠে, “অন্তত ভাইয়ের কবরটা শুকাতে দিতে, মোহনা। একটা কবর পাকা হওয়ার আগেই আরেকটা কবর এসে পাশে জুড়ে গেল। এটাই কি তাহলে ভালোবাসা?” মোহনা শুরুর দিকে ভাইয়ের সঙ্গে অনেক অবিচার করেছিল এ কথা ফারাজ জানে। কিন্তু মোহনা কখনো কিছু লুকায়নি। এমনকি ফারাজের জন্য এই বাড়িতে আসার কথাটাও নয়। তবে চিত্রা? সে কী করে পারল? ফারাজ কি চিত্রাকে কম ভালোবেসেছিল? যে নারীর মৃত্যু বিয়ের প্রথম রাতেই তার হাতে হওয়ার কথা ছিল, তাকেই ভালোবেসে সে সব ছেড়ে দিয়েছিল।
হায় তালুকদারের রক্ত, তোমাদের কাছ থেকে বিশ্বাসঘাতকতা আর নিষ্ঠুরতা ছাড়া আর কিছু আশা করাই কি ভুল? কবরস্থানে ফারাজ বেশিক্ষণ থাকতে পারে না। অভ্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। যে কষ্ট ফারাজ সহ্য করছে, অভ্রও ঠিক সেই কষ্টই বয়ে বেড়াচ্ছে। কারণ হৃদয় ভাঙে নিজের লোকের হাতেই। আর নিজের লোক যখন হৃদয় ভাঙে সে যন্ত্রণা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ যন্ত্রণাগুলোর একটিই হয়।
বাড়ি ফিরে ফারাজ দোলনায় এসে বসল। বুকের ভেতর জমে থাকা যন্ত্রণাটা যদি একবার চিৎকার হয়ে বেরিয়ে আসত, যদি একটু কাঁদতে পারত হয়তো শান্তি পেত। কিন্তু শরীর আর সায় দেয় না, মনটাও শক্তি হারিয়েছে। হঠাৎ সে অনুভব করল, পাশে কেউ এসে বসেছে। ফারাজ পাশ ফিরল। অভ্র এসেছে।
অভ্র ধীরে বলল, “পাপীদের ভালোবাসতে নেই, এই সত্যটা জানতে গিয়ে দেখলাম আমরা গল্পের শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।
ফারাজ চোখ নামিয়ে বলল, “আয়েশার কাছে যা।”
“আর আপনি?”
“আমি নিয়তির কাঁটাতারে জীবন বিলিয়ে দিয়েছি।”
“ভাই।”
ফারাজ এবার অভ্রর দিকে তাকাল। অভ্রর চোখ ভেজা। কাঁপা গলায় সে বলল, “আপনি ছাড়া আমাকে কেউ কখনো আপন মনে করেনি, ভাই। এই দুনিয়ায় একমাত্র আপনার ওপরই চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়।”
ফারাজ অভ্রর কাঁধে হাত রাখল। সান্ত্বনার এক নিঃশব্দ চেষ্টা। ঠিক তখনই বাড়ির ভেতর থেকে এক মহিলা এসে জানাল, “সাহেব, লাশের গোসল শেষ।”
ফারাজ উঠে দাঁড়াল। অভ্রকে বলল, “এই শরীর আর রক্ত নিয়ে সেখানে যাওয়া যাবে না। আগে গোসল করো।”
“জি, ভাই।” দু’জনেই বাড়ির ভেতরে ঢুকল। নিজের ঘরে ঢোকার সাহস পেল না ফারাজ। বাইরের গোসলখানায় স্নান সেরে সাদা পাঞ্জাবি পরে নিচে নামল। ততক্ষণে লাশ খাটিয়ায় তোলা হয়েছে। চারদিকে কান্নার রোল। বিশেষ করে নদী নিজেকে সামলাতে পারছে না।
লাশের কাছে যাওয়ার জন্য বাইরে পা বাড়াতেই সদর গেটের সামনে একটি গাড়ি থামতে দেখল ফারাজ। গাড়ি থেকে নেমে এলো চিত্রা। ফারাজকে দেখেই সে দৌড়ে এগিয়ে এল। চিত্রাকে দেখামাত্র ফারাজের বুকের ভেতরের যন্ত্রণা যেন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। চিত্রা একবার মোহনার লাশের দিকে তাকাল। তারপর সামনে এগোতেই ফারাজ তাকে থামিয়ে দিল।
“এখানে কেন এসেছ?”
চিত্রা অবাক হয়ে বলল, “কি বলছেন আপনি? আমার বাড়িতে আমি আসব না?”
“এই বাড়ি, এই সংসার এখন কিছুই তোমার নয়।”
“ফারাজ, আগে বলুন এই লাশ… মোহনা ভাবি?”
“বের হয়ে যাও।” ফারাজের গলা হঠাৎ কঠিন হয়ে উঠল।“আমি বলছি বের হও। কানে যাচ্ছে না?”
চিত্রা স্তব্ধ। যে মানুষটা তাকে নিঃশর্ত ভালোবেসেছে, সেই মানুষটাই আজ তাকে বাড়ি ছাড়তে বলছে এটা কি ভ্রম?
“ফারাজ, আমার কথা শুনুন….”
“বুঝতে পেরেছি এভাবে হবে না।” ফারাজ এগোতেই বজ্র সামনে এসে দাঁড়াল। “তুই আগে আমাদের কথা শোন। না হলে পরে পস্তাবি।”
“তুই তো চুপই কর।”বলেই বজ্রকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল ফারাজ। তারপর চিত্রার হাত শক্ত করে ধরে টেনে নিল। মুহূর্তের মধ্যেই তাকে গেটের বাইরে ছুড়ে ফেলল। চিত্রা মাটিতে পড়ে গেল। আয়েশা আর জমেলা ছুটে আসতেই চিত্রা হাত তুলে থামাল। তার চোখ ভিজে উঠেছে। ফারাজের দিকে তাকিয়ে সে কাঁদছে। এই কীভাবে সব শেষ হয়ে যায়? কথা বলার সুযোগও নেই? খোদা কি এভাবেই সব কেড়ে নেন? তিলে তিলে গড়া ভালোবাসা এভাবেই শেষ? ফারাজ দাঁত চেপে গেট বন্ধ করে দিল। চিত্রার শরীর সুস্থ নেই। দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হচ্ছে। জ্ঞান ফিরার পরই ছুটে এসেছে এখানে। ফারাজ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চিত্রার দিকে তাকাতেই চিত্রা চিৎকার করে কেঁদে উঠল, “আমি আপনাকে ভালোবাসি, ফারাজ। আপনি ভালোবাসার জন্য পাপ ছেড়েছেন, আর আমি ভালোবাসার জন্য পাপ করেছি। পার্থক্য শুধু এটুকুই। দয়া করে আমাকে এভাবে দূরে ঠেলে দেবেন না।”
সে উঠে দাঁড়িয়ে গেটে হাত রেখে আহাজারি করল,
“খুলুন গেট। একবার সুযোগ দিন। আমার কথা শুনুন। ফারাজ, আপনি কীভাবে আপনার বিবিজানের সঙ্গে এমন আচরণ করেন? আমার ফারাজ এমন হতে পারে না।”
ফারাজের কণ্ঠ নিস্তরঙ্গ, “কী বলল তোমার ফারাজ? বিশ্বাসঘাতকতার মাধ্যমে তুমি তাকে খুন করেছ। ভুলে গেছ? সে আর নেই। এখন যে আছে, সে ইতালির নিকৃষ্ট কালো দুনিয়ার অধিপতি। তার মনে মায়া নেই। কোনো নারীর জন্য আর কখনোই না।”
চিত্রাঙ্গনা পর্ব ৭৫ (২)
“ফারাজ।”
ফারাজ গর্জে উঠল, “আমি ফারাজ এলাহী বলছি, চিত্রাঙ্গনা তালুকদার যদি এই এলাহী বাড়িতে পা রাখে, তবে এই ফারাজের লাশ বের হবে এই বাড়ি থেকে। চলে যাও।”

Apu next part pls taratari diyo
Next part ta taratari dao . Koutohol to mitte chai na 😔😔😔
apu plz next part ta dio klk
Apu next part taratari diyo please
Next part ta khulche na kno 🙄
next part ta taratari dio apu….