Home তবু গল্পটা ভালোবাসারই তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ১

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ১

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ১
নাজনীন নেছা নাবিলা

২০২০ সাল “রাত এখন ২টা।হন্যে হয়ে একটি ডায়রি রুমে খুঁজতে ব্যস্ত ষোড়শী কণ্যা।খুঁজছে বইয়ের তাকে, বিছানার তোশকের নিচে, এবং নিজের খোঁজ চালু রাখার জন্য আলমারির পুরনো কাপড় সব কিছু ওলটপালট করে ফেলল সে। চোখে বেয়ে অঝোরে জল গড়িয়ে পড়ছে,আর ঠোঁটে কেবলই একটানা ফিসফিসানি,
‘কোথায় গেল? ওটা ছাড়া আমি শেষ!’

প্রতিটা নিঃশ্বাসের সাথে তার বুকের ভেতরটা যেন দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে, ডায়রিটা না পেলে সে পাগল হয়ে যাবে, না, পাগল তো সে হয়েই গেছে, এই ঘরভর্তি ধ্বংসস্তূপের মাঝে সে নিজের হারানো অস্তিত্ব খুঁজছে।সবে মাত্রই এয়ারপোর্ট থেকে বাড়ি ফিরেছে #মোহনা_খান। বয়স কেবল ষোলোর কাটায়। ক্লান্ত শরীর আর বিষন্ন মিশ্রত মন নিয়ে বিছানায় বসতেই কাঙ্খিত জিনিসটার কথা মনে পরে গেল।তাই তো দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে সে খুঁজে মরছে, ঠিক যেন খড়কুটোর মাঝে এক টুকরো হীরা খোঁজা।। অবশ্য হীরার যেমন বহু মূল্য তেমনি মোহনার ডায়রি মোহনার কাছে অমূল্য। এখানে লুকিয়ে আছে তার ভালোবাসা যা সে বছর দুয়েক ধরে নিজের মনে এবং এই ডায়রিতে আড়াল করে রেখেছিল। পৃথিবীতে ভালবাসার চেয়ে দামি কিছু হতে পারে না। আর তার ভালোবাসার প্রত্যেক কথা তো এই ডাইরিতে উল্লেখিত আছে এবং সে নিজে রাত জেগে থেকে উল্লেখ করেছিল।যখন সে পুরো রুম তছনছ করে যখন ডায়রি পেলো না তখন হঠাৎ তার মস্তিষ্কে টান লাগলো। কিছু একটা মনে পড়তেই টনক নড়ে উঠলো।সে তো এয়ারপোর্টে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিল ডায়েরি। হয়তো রাস্তায় কোথাও পরেছে গিয়েছে আর না হয় এয়ারপোর্টে ফেলে এসেছে। মাথায় আপনা আপনি হাত চলে গেলো ষোড়শীর। এত বড় ভুল সে কি করে করতে পারলো? এর জন্য কি কখনো নিজেকে ক্ষমা করতে পারবে? না কখনোই পারবেনা। আমৃত্যু আফসোস রয়ে যাবে নিজের করা গাফিলতির কারণে।এই আফসোস থেকে, এই অনুশোচনা থেকে কখনো বের হয়ে আসতে পারবে না সে।এখন তো আফসোস হচ্ছে কেন সে ডায়রিটি নিয়ে গিয়েছিল সেখানে।যেই উদ্দেশ্যে নিয়ে গিয়েছিল সে কাজে তো সফল হতে পারেনি। মাঝখান দিয়ে নিজের অবলম্বন খোয়ে ফেলল।

মোহনার চোখের কোণে জমে থাকা জলভার এবার বুঝি আর সামলানো গেল না। বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো অশ্রুধারা গড়িয়ে পড়ল তার নিস্পৃহ গালে। বুকের ভেতর জমে থাকা দীর্ঘশ্বাস দীর্ঘতর হয়ে এক কান্নার তুফান তুলে তার সমস্ত অস্তিত্ব যেন চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দিল, ঠিক যেন কালবৈশাখীর ঝড়ে তছনছ হয়ে যাওয়া কোনো এক নিভৃত বাগান।তার কান্নায় কোনো উচ্চস্বর ছিল না, ছিল এক নীরব হাহাকার—এক অলক্ষ্য দীর্ঘশ্বাসের আর্তনাদ, যা তার সমস্ত সত্তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিল। টেবিলের কোণায় হাঁটু গেড়ে বসে মুখ চেপে কাঁদতে লাগলো ষোড়শী। এমনিতেই অনেকক্ষণ যাবত কান্না থামিয়ে রেখেছিল সে।এখন সব কান্না এক সাথে দলা পাকিয়ে বের হচ্ছে। সেও নিজেকে আর সামলালো না আর না নিজের কান্নাকে আটকানোর মিছে চেষ্টা করল। সারারাত কেঁদে গেলো নিঃশব্দে।

“জানলার পর্দা বাতাসে ফাঁক হতেই ভোরের এক টুকরো নরম রোদ এসে পড়ল টেবিলের ওপর মাথা ঠেকিয়ে রাখা যুবতী নারীর চোখের পাতায়। বাইরে তখনো কুয়াশার হালকা চাদর, কিন্তু তার আড়ালেই লুকিয়ে আছে এক নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয়। শহরটা এখনো পুরোপুরি জাগেনি, তবু বাতাসের যেন এক অদ্ভুত মাদকতা আছে—পুরনোকে ভুলে নতুনকে বরণ করে নেওয়ার মাদকতা।সাল ২০২৫ তারিখ ১ জানুয়ারি।(এই গল্পটিতে ২৫ সাল কে বর্তমান হিসেবে ধরা হয়েছে)নতুন বছরের প্রথম সকালটি যেন এক মুঠো সোনালী রোদ আর নতুন স্বপ্নের সূচনা।পুরনো বছরের সমস্ত ক্লান্তি আর মলিনতাকে বিদায় জানিয়ে নতুন দিনের প্রত্যয়ে প্রতিটি মানুষের চোখেমুখে ফুটে ওঠে নতুন আশা, নতুন জীবনের স্বপ্ন। কিন্তু সব সময় কি পুরোনো স্মৃতি,ক্ষত ভুলাতে মানুষ সক্ষম হয়? না হয় না কেবশ সময়ের সাথে সাথে পুরনো স্মৃতি আড়াল করে এবং ক্ষত মনে বয়ে নিয়ে চলতে শিখে যায়।

চোখ মুখ কুঁচকে তাকালো মোহনা। রাতে পড়তে পড়তে কখন যে চোখ লেগে গিয়েছিল সে টেরও পায়নি। একজন মেডিকেলের স্টুডেন্ট সে। ঢাকা মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস করছে।এই বছরের ভর্তি হয়েছে প্রথম বর্ষে।একজন মেডিকেল স্টুডেন্টের জীবন মানেই ধোঁয়াশাচ্ছন্ন এনাটমি ডিসেকশন হল, বইয়ের পাহাড়, আর অনিদ্রার হাতছানি।সংক্ষেপে, একজন মেডিকেল স্টুডেন্টের জীবন এক কঠিন, শ্রমসাপেক্ষ, অথচ মানবিক ও মহানুভবতায় পূর্ণ যাত্রা।সেই যাত্রায় কেবল হেঁটে যেতে হচ্ছে নীরবে মোহনার। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলো বেলা ছয়টা বেজে গেছে। বিরক্তিতে মেজাজ গরম হয়ে গেল। গতরাতে এসাইনমেন্ট শেষ করার জন্য রাত জেগে ছিল ফলস্বরূপ আজ ফজরের নামাজ পড়তে পারেনি। এখন নিজের ওপর নিজের রাগ উঠছে। আর বসে না থেকে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো।দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থাকার কারণে ওঠার সময় শরীর ভীষণ আড়ষ্ট, ব্যথাতুর ও দুর্বল অনুভূত করল মোহনা। মূলত কোমর, পিঠ ও ঘাড়ে তীব্র ব্যথা, হাঁটু ও নিতম্বের পেশী শক্ত হয়ে আছে, পায়ে ঝিনঝিন ভাব ধরছে। কিছুক্ষণ এভাবেই দাঁড়িয়ে থেকে তারপর বাথরুমে চলে গেলো। অবশ্য বাথরুমে ঢোকার আগে কাভার্ড থেকে আজকের পরনের কাপড় নিয়ে নিলো। একদম শাওয়ার নিয়ে বের হবে। কারণ আবার টিউশনি করানোর জন্য এক স্টুডেন্টের যেতে হবে তাকে। সে পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেও টিউশন করায়। বাড়ি থেকে টাকা নেওয়া বন্ধ করেছে এইচএসসি পরীক্ষা দেবার পর থেকে। এডমিশন টাইমে ব্যস্ততার মাঝেও সে টিউশনি করিয়েছিল।

বাড়ি থেকে না করলেও সে কারো কথা শুনেনি। সে স্বাবলম্বী মেয়ে তাই নিজের খরচ নিজেই বহন করা উত্তম মনে করে। অবশ্য কেউ একজন আছে, একটি গল্প যা শুনে সে এত অনুপ্রাণিত হয়েছিল যখন তার বয়স ছিলো কেবল ১৪ বা তার কিছু ঊর্ধ্বে। এসব কথা মনে পড়তেই পুরনো ক্ষত জাগ্রত হয়ে যায় মোহনার হৃদয়ে।এক দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে।

গোসল করে গামছা দিয়ে চুল মুছতে মুছতে বের হয়ে এলো সে।পরনে তার সাদা রঙের হালকা বাদামি রঙের জামা আর কালো রঙের পায়জামা।ওড়না টি সুতির বাদামি এবং কালো রঙের মিশ্রিত। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পরখ করে নিলো মোহনা। ভাদ্র মাসের ভরা গঙ্গা”র মতো রূপ, সাধারণ গড়ন, স্নিগ্ধ মুখশ্রী, এবং লাবণ্যময়ী কিন্তু অনাড়ম্বর চেহারা।সে সুন্দরী, কিন্তু তার রূপ চোখের পলকে ঝলসে ওঠা বিদ্যুৎ নয়, বরং স্নিগ্ধ জোছনার মতো। আয়ত চোখ দুটিতে এক ধরণের সংশয়, অসামান্য স্বপ্ন বা আত্মবিশ্বাস, যা বড় বড় নামজাদার মাঝেও তাকে অনন্য করে তোলে। লম্বায় পাঁচ ফুট পাঁচ।ঘন কালো চুল যা কাঁধ ছাড়িয়ে অনেকটা নিচে নামলেও এখনো কোমর হতে পারেনি। আসলে মোহনাই ছুঁতে দেয়নি। কারণ চুল ভিজে থাকলে তার সর্দি হয় এবং সর্দি হলে তার পড়াশোনার ঘাটতি দেখা দিবে তাই তো চুল সব সময় কোমরের উপর পর্যন্ত রাখে। বয়স হলো হবে কুড়ি
কিন্তু পরিপক্বতা যেন ৩০ বছরের মানুষের মতোন। পরনে ওড়না সুন্দর করে পিন আপ করলো।ব্যাগ গুছিয়ে রুম থেকে বের হলো সে।এখন সকালের খাবার খেয়ে তারপর ঘরে এসে হিজাব বেঁধে বাড়ি থেকে বের হবে। খাবার টেবিলে অলরেডি তার মেজো ভাই বসে আছে।পাউরুটিতে জেলি ভরিয়ে ভরিয়ে আয়েস করে খাচ্ছে। মোহনা নিজের ভাইয়ের সামনাসামনি চেয়ারে বসলো।তারা দুই ভাই এক বোন। মোহনা হলো সবার ছোট এবং আদরের।আর তার সামনে বসে যে আয়েশ করে খাচ্ছে তার নাম মাহিম খান। বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি ডিপার্টমেন্টে অনার্স করছে তৃতীয় বর্ষে। পাশাপাশি চাকরির পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। তার ইচ্ছে শিক্ষক হবার।মোহনার জন্য গরম গরম ফুলকো রুটি এবং আলু ভাজি নিয়ে এলেন তার মা মিসেস সাবিনা ইসলাম।তিনি এই বাড়ির কর্তা।২০ বছর বয়সে মিস্টার মামুন খান কে বিয়ে করে এই বাড়িতে পা দিয়েছিলেন।এর পর থেকে এই বাড়ি উনার নিজের বাড়ি হয়ে গিয়েছে। শশুর শাশুড়ি এবং স্বামীর যেমন সেবা যত্ন নিয়েছিলেন ঠিক তেমনি নিজের পড়াশোনাও চালিয়ে গিয়েছিলেন স্বামীর সাহায্যে। যখন স্বামী চাকরি করার অনুমতি দিলেন তখন নিজ ইচ্ছায় নাকোজ করে দিলেন মিসেস সাবিনা ইসলাম। উনি এ পরিবারের সেবা করে বাকিটা জীবন পার করতে চান। সন্তানদের কাছ থেকে তাদের সময় কেড়ে নিতে চান না। আর পড়াশোনা করার ইচ্ছে ছিল যা তিনি সম্পূর্ণ করেছেন এখন আর কোন আফসোস নেই।

মোহনা খাবার খেয়েই বের হয়ে পরল বাড়ি থেকে। ঢাকা বকশিবাজারে সরু গলিতে দুতলা নিজস্ব বাড়ি তাদের। ছোট থেকে এখানে বড় হয়ে উঠেছে। বাড়ি থেকে বের হয়ে মিনিট চারেক হাঁটলেই রিকশা পাওয়া। একটা রিকশায় চড়ে বসলো। উদ্দেশ্যে শাহবাগ যাবে দুই স্টুডেন্টর বাড়ি‌।তারা ভাই বোন একজন টু তে পরে এবং অন্যজন ক্লাস ফোরে পরে‌।মোহনা এই দুজনকে পড়িয়ে পাঁচ হাজার টাকা ইনকাম করে।আর বিকালে আছে আরো দুটি টিউশনি।রিকশা দিয়ে যেতে যেতে পুরনো এক স্মৃতির মাঝে ডুবে গেলো মোহনা।যা আজো তার মনে ভেতর থেকে মস্তিষ্ক উঁকি দিয়ে জানান দেয় মনে আজও একজনেরই বসবাস।

শরৎ এলে ফিনল্যান্ড তার শান্ত রূপ ছেড়ে এক অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয়। ‘রুস্কা’ বা রঙের উৎসবে মাতোয়ারা হয় প্রকৃতি। ম্যাপেল আর বার্চ গাছগুলো হলুদ, লাল আর কমলা রঙের এমন এক ক্যানভাস তৈরি করে, যেন কোনো শিল্পী ভুল করে তার রঙের পেয়ালা উপুড় করে দিয়েছে। হিমেল হাওয়ায় যখন সেই ঝরা পাতাগুলো হ্রদের বুকে ভেসে বেড়ায়, তখন মনে হয় প্রতিটি পাতা যেন এক একটি ফেলে আসা স্মৃতির টুকরো।ফিনল্যান্ডের এস্পো শহরের এক বিশাল বহুল আ্যপার্টমেন্টের একটি রুমের বারান্দার দেওয়ালের সাথে হেলান দিয়ে বসে আছে এক পুরুষ। হাতে থাকা গিটার থেকে টুং টাং আওয়াজ বের করছে। কিন্তু কি গান গাইবে তা এখনো ভেবে উঠতে পারে নি। গিটার হাতে নিয়ে বসে থাকা পুরুষটির নাম #ইহতেশাম_রাইফ_চৌধুরী। বয়স তার ২৬ পার হলো।Bachelor শেষ করে এখানেই Master শেষ করলো Aalto University থেকে। এখানেই একটা কম্পানি যে জব করছে বর্তমানে।২০২০ সালে দেশের মায়া ত্যাগ করে এখানে এসেছিল এরপর আর দেশে ফিরে যাওয়া হয়নি।

অবশ্য এখন পড়াশোনা শেষ তাই দেশে ফিরতেই হবে কিন্তু ভালো জব পাবার কারণে যাওয়া হয়নি নয়তো কবেই চলে যেতো।
পায়ের রানের উপর একটি ডায়রি। গত 5 বছর যাবত এই ডাইরিটি সে খুব যত্নে রেখেছে নিজের কাছে। ডায়রির মালিক নিজেকে এই ডায়রি তে মহীনি বলে সম্বোধন করেছে তাই রাইফও মহীনি বলেই ডাকে।এই মহীনি নামক কিশোরী ডায়রি পড়ে অন্যের প্রতি এই মহীনির এক আকাশ সমান একতরফা ভালোবাসা দেখে নিজেই এই ডায়েরির মালিককে একতরফা ভালোবেসে ফেলেছে রাইফ।বিগত পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন হলেও সে ৫০০ বার এই ডায়রি পড়েছে। এবং সর্বোচ্চ এর থেকে বেশিও হতে পারে। ডায়রিতে লেখা প্রত্যেক শব্দ, দাড়ি, কমা, চন্দ্রবিন্দু সকল কিছুই তার মুখস্থ। সে নিজের একাডেমিক পড়াশোনা এমনকি নিজের নাম ভুলে গেলেও এই ডাইরিতে যা লেখা আছে তা কখনোই ভুলতে পারবে না।ভাবা যায় এক কিশোরীর অন্য কারোর প্রতি যে ভালবাসাটা ছিল সেই ভালোবাসার কথা পড়ে সে নিজেই ওই কিশোরীকে ভালোবেসে ফেলেছে। হয়তো লোকে শুনলে হাসবে কিন্তু এতে কিছুই আসে যায় না রাইফের।সে ডায়রির দিকে তাকিয়ে গান ধরলো ___

:-বলবো তোমায়,আজকে আমি
একটি মেয়ের,গল্প প্রেমের
বলবো তোমায়,আজকে আমি
একটি মেয়ের,গল্প প্রেমের
চুপি চুপি,কার ছবি
চুপি চুপি,কার ছবি
এঁকে ছিল সে অন্তরে

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ২