Home তবু গল্পটা ভালোবাসারই তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ২

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ২

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ২
নাজনীন নেছা নাবিলা

অনেকদিন পর বাড়ির মানুষ ফিরে এলো বাড়িতে।বাড়িটি যেন প্রাণ ফিরে পেলো।ধুলোমাখা নিস্তব্ধতায় আনন্দের জোয়ার আসে, প্রিয়জনের আলিঙ্গনে জমে থাকা অভিমান গলে জল হয়ে যায়, আর ঘরের প্রতিটি কোণ নতুন করে গল্পের অপেক্ষায় মুখরিত হয়ে ওঠে—এটি এক অদ্ভুত আবেগপূর্ণ মুহূর্ত। মাহিন আজ বাড়ি ফিরছে তাই এত হইচই বাড়িতে। এমন না যে সে আজ বহু বছর পর বাড়ি ফিরছে।এই মাস খানেক হবে। পড়াশোনার জন্য হোস্টেলে থাকে সে। ঢাকা মটরডেম কলেজে পড়ে সে। ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট। হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে।মোহনা ক্লাস নাইনে পড়ে আর মাহিম ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে। মাহিন হলো এই বাড়ির প্রাণ।সব সময় বাড়িটি আনন্দ মেতে থাকবে যদি মাহিন থাকে।আর নয়তো সব সময় মোহনা আর মাহিমের ঝগড়া হবেই।

মোহনা দরজার সামনে ঘুর ঘুর করছে। মূলত সে নিজের প্রাণপ্রিয় বড় ভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করছিল। এমন সময় মাহিম এসে মোহনার মাথা ঘাটতি মারলো। মোহনা ব্যথার আর্তনাদ করে উঠলো।মাহিম ডোন্ট কেয়ার ভাব নিয়ে মোহনার পাশে দাঁড়াল।মোহনা সঙ্গে সঙ্গে মাহিমের পায়ের উপর লাফ দিল। মাহিমের চোখ বড় বড় হয়ে গেল ব্যাথায়।ব্যাস লেগে গেলো ঝগড়া।মাহিম মোহনার চুল ধরে টানছে।আর মোহনা যেহেতু মাহিমের চুল নাগাল পায়নি তাই মাহিমের গলা টিপে ধরেছে।কেউই কাউকে ছাড়তে রাজি না। ঠিক এই মূহুর্তেই সদর দরজা দিয়ে প্রবেশ করলো বাড়ির বড় ছেলে মাহিন খান।ভেতরে প্রবেশ করতে চেনা পরিচিত এক দৃশ্য দেখতে পেলো।এই দৃশ্য তার জন্য মোটেও পুরোনো না।এই বাড়িতে থাকালে এমন দৃশ্য দেখা অবাকের কিছু না । বরং এমন দৃশ্য না দেখা অবাকের। মাহিন নিজের কাধের ব্যাগ মেঝেতে ফেলে ভাই বোনের পিঠে থাবড় বসালো।থাবড়টা জোড়ে না হলেও এক শব্দ হলো।মাহিম এবং মোহনা উভয় থেমে গিয়ে সামনে তাকালো। নিজের বড় ভাইকে দেখে মূহুর্তেই ছোট দুজন থমকে গেল। চোখে মুখে খুশির ঝলক দেখা দিল।এক জন আরেক জন কে ছেড়ে দিয়ে বড় ভাইয়ের উপর ঝাপিয়ে পড়ল। মাহিন শব্দ করে হেসে নিজের ছোট ভাই এবং বোন কে আগলে নিল বুকের মাঝে। একটু আগেও যে দু’জন ঝগড়া করছিল তা তারা ভুলেই গিয়েছে।এখন মোহনা আর মাহিম নিজেরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরলো। এভাবেই কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত হলো।তখনই সাবিনা ইসলাম রান্না ঘরে থেকে আসতে আসতে পরনের ওড়নায় নিজের হাত মুছতে মুছতে বললেন ____

হয়েছে অনেক আদিখ্যেতা দেখিয়েছিস একজন আরেকজনকে।এখন বড় ভাইকে ঘরে এসে একটু জিরিয়ে নিতে দে তো।আমার ছেলেটা কতদিন পর বাড়ি ফিরল।
মাহিম এবং মোহনা দুজনেই ভাইকে ছেড়ে দিল।মাহিন বোনর মাথায় হাত বুলিয়ে ঘরের ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণ প্রিয় মায়ের কাছে চলে গেলো।এই দিকে মাহিন চলে যেতেই মেঝেতে পরে থাকা মাহিনের ব্যাগ কে তুলবে এইটা নিয়ে লাগলো বিপত্তি মোহনা এবং মাহিমের মাঝে। দুজন মিলেই ব্যাগ নিয়ে টানাটানি করছে।কে ভাইয়ের ব্যাগ নিবে এইটা নিয়ে তাদের মাঝে মূহুর্তেই তুমুল ঝগড়া লেগে গেল। সাবিনা ইসলাম ছেলেকে আদর করে মাথায় চুমু খেয়ে আবার রান্না ঘরে চলে গেলেন।উনার এইসব ঝগড়া দেখার সময় নেই। এইটা তো উনার কাছে নৃত্য দিনের দৃশ্য তাই বেশি পাত্তা দিলেন না।

মাহিন ভাই বোন কে আবার লেগে পরতে দেখেই হতাশ কন্ঠ বলল____
হায় আল্লাহ,থাম তোরা।কি শুরু করেছিস আবার? একটুও কি মিলে মিশে থাকতে পারিস না তোরা? আর আমার ব্যাগ কেউ ধরবি না ।আমার হাত আছে। নিজের কাজ আমি নিজেই করতে পারবো সর দেখি।
বলেই মাহিন দরজার সামনে থেকে নিজের ব্যাগ কাঁধে নিয়ে সোফায় বসল।সে বসতেই তার দুই পাশে এসে মোহনা এবং মাহিম স্থান দখল করল। মাহিন হেসে মাথা কাত করে দিল সোফায়।মোহনা ভাইয়ের চুল টেনে দিচ্ছে তো মাহিম ভাইয়ের হাত দিপে দিচ্ছে।মাহিন ভাই বোনের দেওয়া সেবা অনুভূব করতে করতে চোখ বন্ধ করে ফেলল। কিছুক্ষণ সময়ে অতিবাহিত হয়ে গেলো এভাবেই। হঠাৎ নিরবতা ভেঙে মাহিন বলল তোরা যে এত ঝগড়া করিস ক্লান্ত হয়ে পরিস না? অথবা বিরক্ত লাগে না?
মোহনা অভিযোগ করে বলল___

ভাইয়া আমি মোটেও ঝগড়া করি না।ঝগড়া তো এই হনুমান করে‌। আমাকে দেখে কি তোমার ঝগড়ুটে মনে হয়?
মোহনা আরো কিছু বলতে যাবে তখনি মাহিম মোহনার কথার মাঝে ফোড়ন কেটে বলল____
শাকচুন্নী তুই চুপ পর।ঝগড়া করে আমাকে জ্বালিয়ে ভাঁজা ভাঁজা করে ফেলিস। প্যাঁচাল পেরে কানের পোকা নাড়িয়ে ফেলিস আবার বলছিস যে ঝগড়া করিস না।তুই যেমন ঝগড়ুটে তেমনি মিথ্যুকও ভাগ ফকিন্নি।
মোহনা কপাল কুঁচকে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে বলল____
ভাইয়াআআআআ দেখো এই হনুমান কি সব বলছে আমায়।আমি কিন্তু ওকে খুন করে জেলে যাব।
মাহিম কানে হাত রেখে বলল____

কিন্তু তোর স্থান জেলে না বরং পাগলা গারদে।
মোহনা এইবার নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলো‌।সে যেই না কিছু বলতে নিবে ওমনি মাহিন বলে উঠলো ___
থাম মেরি মা এন্ড বাপ তোদের একজনের কাহিনী বলি।
মোহনা এবং মাহিম দুজনেই থেমে গেলো।বড় ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে নড়ে চড়ে উঠলো। মুহূর্তেই তাদের দুজনের অবয়বে এক গভীর গাম্ভীর্য ফুটে উঠল।তারা এখন তাদের ভাই আগামীতে কি বলতে চলেছে তা শুনতে আগ্রহী।
কিন্তু মোহনা কি জানতো এই আগ্রহই কোনো এক সময় তার কষ্টের কারণ হয়ে যাবে? কেউ একজন তার হৃদয়ের ভেতরে বসবাস করে তার হৃদয়কেই ক্ষতবিক্ষত করবে। আদৌও কি কখনো তাকে বুঝে ছিল লোকটি? কখনোই না। মোহনা তো কখনো সেই ব্যক্তিটির মুখ থেকে নিজের নামটা পর্যন্ত শুনতে পায়নি।সব সময় তাকে ডোরামি বলে ডাকতো।আর সে কিনা সেই লোকটিকে মন প্রান দিয়ে ভালোবেসে ফেলেছে।

এয়ারপোর্টের সামনের রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে অতীতের ঘটনাগুলো স্মৃতিচারণ করছিল মোহনা। প্রত্যেক সপ্তাহে অন্তত একদিন সময় করে সে এয়ারপোর্টের এই রাস্তায় আসে শুধুমাত্র নিজের মনকে সান্ত্বনা দেবার জন্য। এই একটা দিন সে কেবল এই রাস্তা জুড়ে নিজের সেই প্রাণপ্রিয় ডায়েরি খোঁজে। অবশ্য সেই ডাইরি কে সে নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি মূল্য দিত এবং এখনো দেয়।তাই তো ডায়রির টানে গত পাঁচ বছর যাবৎ এই এয়ারপোর্টের সামনে আসে। কখনো সুযোগ পেলে ভেতরেও চলে যায় কিন্তু প্রতিবারই তার ফলাফল শূন্য। তাকে খালি হাতেই ফিরতে হয়। আজও অনেকক্ষণ যাবত এই রাস্তায় হাঁটা হাঁটি করল কিন্তু ডায়রি পেলো না।সে জানে আর কখনোই ডায়রিটি পাবে না তবুও মন যে তার মানতে চায়না।সে হাঁটতে হাঁটতে উত্তরা দিয়াবাড়ী চলে এলো।সে অবশ্য একা আসেনি সঙ্গে করে এক বান্ধবী কেও নিয়ে এসেছে।ক্লান্ত হয়ে সেখানে থাকা একটি বেঞ্চের উপর বসে পরল‌।তার পেছন পেছন দৌড়িয়ে নাতাশাও এলো।পুরো নাম নাতাশা। মোহনা ক্লাস সিক্সের ফ্রেন্ড। বর্তমানে তারা বেস্ট ফ্রেন্ড। নাতাশা ক্লান্ত হয়ে বেঞ্চের উপর ধপ করে বসে পরল। বেচারি হেঁটে কাহিল। কিন্তু কি করবে নিজের বেস্ট ফ্রেন্ড কে তো আর একা ছাড়তে পারে না।আর না পারে মেয়েটির পাগলামি থামাতে। তাই নিজেও মোহনার পাগলামিতে সামিল হয়ে পরে। মোহনা এখানে একাই আসতে চেয়েছিল যেমনটি সব সম বয়স চায়। এবং সেও মোহনা কে একা আসতে দিল না যেমনটা সে সব সময় করে। মোহনা সকল কষ্টের কথা তো এই একটা মানুষই জানে।
মোহনা দূর আকাশে চেয়ে থেকে গান ধরল_______

স্বপ্ন,তুমি স্বপ্ন
আজও আমার চোখে’তে
স্বপ্ন,তুমি স্বপ্ন
আজও আমার চোখে’তে
বলো তুমি,কবে আমি
হো..বলো তুমি,কবে আমি
পারবো তোমায়..একটু ছোঁতে
নাতাশা মন দিয়ে গানটি শুনলো।এইটি কেবল গান না বরং মোহনার মনের কথা।যা কখনোই মোহনা মুখ ফুটে বলতে পারেনি।

মোহনা গানের গুটি কয়েক লাইন দিয়ে থামল। চোখ দিয়ে নোনা জল গড়িয়ে পড়ার আগেই নিজেকে সামলে নিল। মনের বিষন্নতা দূর করে মুখে মিথ্যে হাসির রেখা ফুটিয়ে নাতাশার উদ্দেশ্যে বলল___
চল বাড়ি ফিরে যাই। কিন্তু যেহেতু আমার জন্য এত কষ্ট করে হেঁটেছিস যাওয়ার আগে তোকে কোণ খাওয়াবো সঙ্গে আমিও খাব।
নাতাশা এক দীর্ঘশ্বাস ফেলল। এছাড়া সে আর কিই বা করতে পারে? কেউ মুখে হাসি ফুটিয়ে এনে বলল ___
চল চল। প্রথমে আইসক্রিম খাব তারপর ফুচকা খেয়ে বাড়ি ফিরে যাব। এবং রিকশা করে যাওয়ার সময় চিপস আর বাদাম খেতে খেতে যাব।
মোহনা হাসলো। তারপর দুই বান্ধবী মিলে আবার হাঁটা ধরল।

র‍্যাম্বল (Ramboll) অফিসের চতুর্থ নাম্বার ফ্লোরের বেলকনিতে দাঁড়িয়ে আছে রাইফ। সবেমাত্র কাজ করে কাজ থেকে বিরতি নিল। বাংলাদেশে যাবে বলে ছুটি নিয়েছে এখন মাহিনের জন্য অপেক্ষা করছে।দুই বন্ধু মিলেই এক সাথে দেশ ছেড়েছিল।আবার দুই বন্ধু মিলে এক সঙ্গেই বিদেশ ত্যাগ করে যাবে। এবং দুজনেই নিজেদের ভালোবাসার মানুষের টানে যাবে।রাইফ যাবে মাহিনের ছোট বোন মোহনা অর্থাৎ নিজের মহীনির টানে এবং মাহিন যাবে রাইফের চাচাতো বোন মুনমুনের অর্থাৎ তার নিজস্ব চাঁদ কিংবা মুন এর টানে।এই ক্ষেত্রে দুই বন্ধু একে অপরকে বেশ সাহায্য করে। নিজেরা নিজেদের বোনের খবর দেয় বন্ধুর কাছে।

রাইফ এই বিগত পাঁচ বছরে একবারে জন্যও মোহনার ছবি দেখেনি অথবা দেখতে চায়নি মাহিনের কাছ থেকে। কারণ তার ধারণা মোতাবেক মোহনা একজন কে ভালোবেসে যাকে সে না দেখেই প্রথম ভালোবেসে ফেলেছি ্ল‌ এবং পরবর্তী তাকে দেখার জন্য ছটফট করেছিল‌।রাইফ নিজেও মোহনার জন্য ছটফট করতে চায়।মোহনা যেমন অন্য কাউকে ভালোবাসে কষ্ট পেয়েছে, যন্ত্রণা অনুভব করেছে তেমনি সেও মোহনার সেই কষ্ট, যন্ত্রণার ভুক্তভোগী হতে চায়। মোহনার কষ্টে নিজেকে সামিল করতে তো এতটুকু সে করতেই পারে তার মহীনির জন্য।
রাইফ পকেট থেকে ফোন বের করে গ্যালারিতে গেলো যেখান তার আর মোহনার ছবি আছে যা আরো পাঁচ বছর আগের ছবি।সেই ছবি দেখে অজান্তেই রাইফের ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠল।চোখ ভিজে উঠলো।রাইফ ছবির দিকে তাকিয়ে থেকে ছবির সাথে কথা বলতে লাগলো ____

মহীনি ডায়রিতে তো লিখেছিলে তোমার প্রিয় মানুষ কখনোই তোমাকে তোমার নাম ধরে সম্বোধন করেনি।তাই তুমি চাইতে কখনো যদি তোমাকে আবার ডাকে সে তাহলে যেন মহীনি বলেই সম্বোধন করে। এইযে দেখো আমি ডাকছি। আমার ডাকাতে তুমি খুশি হবে তো? ইস্ কত কি করছিলে তুমি সেই ছোট থাকতে আমার জন্য।আজও তোমার কাছে আমি ঋণী হয়ে থাকব আজীবন।তখন কেন তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা জন্মেনি? আমার কাছের মানুষরাও আমার জন্য এতটা করেনি যতটা তুমি করেছিল। এমন কি আমি নিজেও কখনোই নিজের জন্য এতটা করিনি।আজ আমি যা আছি তা কেবল তোমার জন্য। এত দূর পর্যন্ত আসার সাহস তো তুমিই জাগিয়েছিলে। তোমার জন্যই খুঁজে পেয়েছিলাম নিজেকে। খুঁজে পেয়েছিলাম নিজের হারানো বাবা এবং মাকে। তোমার জন্যই মা, বাবাকে এক করতে পেরেছিলাম।বাবা মায়ের ভালোবাসা, স্নেহ পেলাম, বাবাকে তার পরিবারের সাথে মিলিয়ে দিতে পারলাম কেবলমাত্র তোমার জন্য।আর সেই সময় তোমাকে ভালোবাসলাম না।কি করে পারলাম? হয়তো ভালোবেসেছিলাম কিন্তু তুমি ছোট বললে নিজের অনুভূতিকে পাত্তা দেয়নি। এখন ভিশন আফসোস হয় আমার করা সেই ভুলের কারণে।যদি আমিই সেই হতাম যাকে তুমি এতগুলো বছর ধরে এক কথা ভালোবেসে এসেছো তাহলে হয়তো এই পৃথিবীর সব থেকে ভাগ্যবান ব্যক্তি আমি হতাম। খুব ইচ্ছে করে তোমার ভালোবাসার মানুষ হতে। কিন্তু তার মানে এই না তোমাকে আমি যেতে দিব‌। নিজের ভালোবাসা সেক্রিফাইস করার মত সাহস আমার নেই। তোমাকে নিজের বানিয়ে তারপর তোমার মন থেকে সেই মানুষটিকে সরিয়ে দিব। তুমি যদি কখনো আমাকে ভালো নাও বাসতে পারো তবুও তোমাকে আমার সাথে থাকতে হবে। তোমাকে কখনো কষ্ট পেতে দিব না। এত ভালবাসা দিব যা কখনো তুমি ফিরিয়ে দিয়ে থাকতে পারবে না।
রাইফ মোহনার সেই ছবির কপালে ভালো পরশ একে দিয়ে গান ধরলো ______

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ১

এত ভালবাসা,দেব তোমায়,
যে ভালবাসা পৃথিবীতে নাই
জানি না,কি করে,
আমি তোমাকে বোঝাই,
না বলা,কথা,আজ বলে দিতে চাই

তবু গল্পটা ভালোবাসারই পর্ব ৩