Home তুই আমার ৭ মিনিট তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১৫

তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১৫

তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১৫
ঐশী আফরিন

ইদানীং মাধবীর তার আশেপাশে অদ্ভুত কিছু অনুভব করছে।কিন্ত বিষয়টা কি তা ধরতে পারছে না।সবসময়ই তার মনে হচ্ছে যেন তার আশেপাশে কারো উপস্থিতি।রাতে একা একা হাঁটলে মনে হয় তার পাশে কেউ হাঁটছে।আবার যখন একা থাকে তখন ক
হাড়ে কাপন ধরা ঠান্ডা বাতাস অনুভব করে।বিষয়টা এখনও কাউকে বলেনি।আর কাকেই বা বলবে।যাদের বলার তারা নিজেরাই তো বলে শেষ করতে পারে না।

এই যে সেই কখন থেকে আরশি তার কানের কাছে পকপক করেই যাচ্ছে।তার এত কথার মূল হলো আরিয়ান।কেন আরিয়ান ভাই তাকে অবহেলা করে।কেন তার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।এসব বলছে আর একটু পর পর নাক টানছে।এসব ছিঁচ কাঁদুনে মেয়েদের একদমই পছন্দ করে না মাধবী।কিন্ত এখন না করেও উপায় নেই।আরশি বলে যাচ্ছে আর সে এক কান দিয়ে ঢুকিয়ে আরেক কান দিয়ে বের করা তো দূর কানেই ঢুকাচ্ছে না।সে আছে তার ভাবনায়।রুহি আবার খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছে আরশির কথা।মাঝে মাঝে আবার আরশিকে সান্তনাও দিচ্ছে।
মাধবীকে একবার তাকালো রুহির দিকে।এবার তার পেট ফেটে হাসি আসলো।রুহি পেছন থেকে বসে সান্তনাও দিচ্ছে আবার ভেংচিও দিচ্ছে।আর মাধবীকে ইশারা করছে যেন সে একটা ধমক দিয়ে এই বাজনা চুপ করায়।রুহিকে বিরক্ত করতে মাধবী আরো আরশিকে বলতে থাকে,

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

“আহারে…তোর কষ্টাটা আমি বুঝছি।তোর মনে আরো যত কষ্ট আছে সব বল।রুহির দিকে ফিরে বল।রুহি তোর দুঃখে দুঃখিত ”
রুহি কটমটিয়ে তাকায়।এরমধ্যেই দরজায় কড়া নারে কেউ।কাঠের দরজার ওপাশ থেকে ভেসে আসে আরিয়ানের পুরুষালি কন্ঠ ” মধু…?”
মাধবী উঠে গিয়ে দরজা খুলে দেয়।আরিয়ান পাঞ্জাবির হাতা ভাজ করতে করতে বলে,
” পাঁচ মিনিটের মধ্যে তৈরি হয়ে নে ”
” কেন?”
” গ্রামে যাবো ”
মাধবী অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে ” আজ?”

” তো কি তোকে কাল নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঁচ মিনিটের মধ্যে রেডি হতে বলছি!”
” কিন্ত আগে বলেননি তো।কিছু কি হয়েছে?”
” না।সামনে আমি ব্যাস্ত থাকবো।তাই এখনই যা কাজ আছে সেরে আসতে হবে।আর যা বাকি থাকবে অজয় কে বুঝিয়ে দিয়ে আসতে হবে ”
” আচ্ছা তাহলে ঘোড়া বের করুন ”
” চটকানা খাবি মধু ”
” না ঘোড়াতে করে না নিলে আমি যাবোই না ”

” না গেলে আমার কি!রাজ্য তোর বাবার।রাজ্যের রাণী মা তুই।তোর চিন্তা না থাকলে আমার কিছু করার নেই ”
এই এক বছর ধরে মাধবীকে নতুন রোগে ধরেছে।যেখানেই যাবে ঘোড়াতে চরে যেতে হবে।আগে নাকি বাবার ভয়ে গাড়িতে চলাফেরা করতো।এখন আর তাকে জোর করেও গাড়িতে তোলা যায় না।আরিয়ানও ঘোড়ায় চরে চলাফেরা পছন্দ করে না।এতে সবাই মাধবীকে দেখার সুযোগ পায়।সে অনেক করে বলেছিল মাধবীকে ঘোড়াতে এভাবে খোলামেলা না গিয়ে ঘোড়ার গাড়িতে যাক।কিন্ত মাধবী কোনভাবেই মানতে নারাজ।সে বুঝে পায় বাবারা মেয়েদের কত শখ আল্লাদ থেকে বঞ্চিত করে রাখে তবুও কেন মেয়েরা বাবাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে!
শেষে মাধবীর জেদের কাছে হাড় মেনে দুটো ঘোড়ার ব্যবস্থা করে।মাধবী তৈরি হয়ে নিচে নামে।আরশি বায়না ধরে তাদের সাথে যাবে।তার দেখাদেখি রুহিও বায়না ধরে।কিন্ত আয়াজের কড়া নিষেধ কোন মেয়ে বাড়ি থেকে না বলে বের হতে পারবে না।আরিয়ানের অনুপস্থিতিতে পুরো বাড়িটাকে সেই আগলে রেখেছে।যদিও আজ তাদের এই পর্যায়ে পৌঁছানোর সর্বোচ্চ অবদান আরিয়ানের।

বিকেলের দিকে দুজনে বেরিয়ে পরে ইশানস প্যালেস থেকে।এখান থেকে গ্রামের দুরত্ব বেশিও না আবার কমও না।বোরখা আর নেকাবের আড়ালে বোঝা গেল না মাধবীর অভিব্যক্তি।আরিয়ান বুঝতে পারে আজও কেন মাধবী সেই গ্রাম ছেড়ে চলে আসে না।মাধবী যে মনে মনে তার বাবার খুনিদের খোঁজে তাও সে জানে।মাধবী খুব পারদর্শীতার সাথে ঘোড়ার লাগাম টেনে নিয়ে যাচ্ছে।বাতাসে শোনা যাচ্ছে দুটি ঘোড়ার টগবগিয়ে ছুটে চলার আওয়াজ।দুটো ঘোড়া সমান তালেই ছুটছে।যেমন সমান তালে ছুটে চলে তাদের তীক্ষ্ণতা।কিছুক্ষন পিনপতং নিরবতার পর আরিয়ান ডাকে ” মধু…?”

মাধবী লাগাম শক্ত করে ধরে জবাব দেয় ” হুমমম ”
” কি হয়েছে?”
মাধবী এক পলক তাকায়।তারপর আবার সামনে তাকিয়ে বলে ” জানি না কি হয়েছে।তবে ইদানীং কিছু একটা অস্বাভাবিক লাগছে ”
আরিয়ান কপাল কুঁচকে জিজ্ঞেস করে ” মানে?”
মাধবী ঠোঁট উল্টায়।যার মানে সে নিজেও জানে না।আরিয়ানের কপালে চিন্তার ভাঁজ পরে।আকাশ পাতাল ভাবনারা উঁকি দেয় তার মস্তিষ্ক জুড়ে।বাকিটা পথ আর কেউই কোন কথা বলে না।
গ্রামে যাওয়ার পথে পরে জমিদার কাশেমের গ্রাম।মাধবী তীক্ষ্ণ চোখে লক্ষ্য করে প্রতিটা মানুষের চলাফেরা।সবার সন্দেহটা ঘুরে ফিরে জমিদার কাশেমের উপরই পরে।পুলিশ এখনও তদন্ত করে যাচ্ছে।তবে দু বছরে কোন সংবাদ পাওয়া যায় নি।

সন্ধ্যার অনেকক্ষণ পর ওরা গ্রামে পৌঁছায়।বাড়ির সামনে ঘোড়া দাঁড় করিয়ে দুজনে নেমে দাঁড়ায়।বাড়ি বললে ভুল হবে একটা ছোটখাট প্রাসাদ বলা চলে এটাকে।যা মাধবীর জন্য তৈরী করা হয়েছে।যেন সে গ্রামে এসে থাকতে পারে।বর্তমানে বাড়িটাতে আরিয়ানের পি.এ অজয় ই থাকছে।বাহিরে ঘোড়ার পায়ের শব্দ পেয়ে অজয় বেরিয়ে আসে।মাথা নিচু করে সালাম ঠুকে।মাধবীর বিষয়টা ভালো লাগে না।তাই সে বলে,
” সামনে যেন এরকম ভূল আর না হয়।একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারও সামনে মাথা নিচু করবেন না।ঠিক আছে?”
অজয় মাথা নিচু করে জানায় আর করবে না।মাধবী ঠোঁট কামরে তপ্ত শ্বাস ফেলে।মানে একটা মানুষ কি পরিমান নির্বোধ হলে মাথা নিচু করে আবার বলছে আর মাথা নিচু করবে না।
” একা একা থাকতে থাকতে তাঁড় কি ছিড়ে গেছে মাথার?একা থাকতে সমস্যা হলে বলতে পারিস বউ এনে দেব ”
আরিয়ানের কথা পুরোটাই অজয় এর মাথার উপর দিয়ে গেল।একটা সুস্থ মানুষকে তাড়ছিড়া বানিয়ে দেওয়ার কারণটাও বুঝলো না।

” আরে গাঁধা মাত্র তোকে নিষেধ করলো মাথা নিচু না করতে আর এখনই মাথা নিচু করছিস!”
অজয় ভূল বুঝতে পেরে জিভে কাঁমোর দেয় ” ক্ষমা করবেন রাণী মা।বুঝতে পারি নি ”
মাধবী হেসে ভেতরে চলে যায়।আরিয়ান এসেই ফ্রেশ হয়ে আবার কোথায় যেন বেরিয়ে যায় অজয় কে নিয়ে।যাওয়ার আগে মাধবীকে পই পই করে বলে যায়,
” আমি আসার আগে বাড়ি থেকে বের হবি না।একা একা ভয় লাগলে….
মাঝপথে থেমে গিয়ে আবার বলে ” ওহ তোর তো আবার ভয় নেই।কিন্ত তোর ভয় না থাকলেও বিপদ কিন্ত আছে বারবার বলছি মধু ”
” যাওয়ার আগে অপুকে একবার বলে যাবেন আমি এসেছি।আর আপনি যেতে না পারলে কোন প্রহরীকে বলে যান যেন অপুকে সাথে করে নিয়ে আসে ”

সেই থেকে মাধবী অপুর জন্য অপেক্ষা করে বসে আছে।অপুকে আসতে না দেখে একা একাই চলে যায় ছাঁদে।বাড়িতে যে কয়েকখানিক কাজের লোক আছে সে জানে না।জানলে হয়তো কাউকে নিয়ে যেত।ছাঁদে পৌছাতেই সেই হাড় হিম করা ঠান্ডা বাতাস বয়ে যায় তার কাঁচের মত ফর্সা ত্বক জুড়ে।তবে সেই বাতাস মাধবীর বুকে ভয়ের ঢেউ তুলতে পারে না।এখানে এসেই গোসল করে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত লম্বা চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছিল।যা এখন সেই ঠান্ডা বাতাসে উঁড়ছে।পায়ের নূপুর জোড়া রিনঝিন শব্দ তুলছে।এই জোছনা ভরা রাতে এক ভয়ংকর সুন্দরী রমনী উঁড়তে থাকা অবাধ্য চুলগুলো মেলে দাঁড়িয়ে আছে।মনে হচ্ছে এক রূপকথার গল্প।নিচ থেকে যে কেউ এই দৃশ্য দেখলে ভড়কে যাবে।

আর হলোও তাই।গ্রামের এক ছেলে যাচ্ছিল সেই পথ দিয়ে।পেছন থেকে শুধু মাধবীর খোলা চুলগুলো আর গুনগুনিয়ে গান গাওয়ার শব্দ শুনতে পেল।এমনিতেই রাজবাড়িতে যখন তখনই নানান ধরনের ভৌতিক ঘটনা ঘটতে থাকে।এখন আবার এই বাড়িতেও শুরু হয়েছে ভেবে সেকেন্ডে ছেলেটার নিঃশ্বাস আটকে গা হিম হয়ে গেল।জান ছেড়ে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে সাথে সাথেই জ্ঞান হারায়।
তীব্র চিৎকারের সাথে কিছু ধপ করে পরে যাওয়ার শব্দে মাধবী তড়িঘড়ি করে পেছনে তাকায়।দৌড়ে যায় রেলিং এর কাছে।অন্ধকারে শুধু দেখতে পায় কারো অবয়ব চিৎ হয়ে পরে আছে।কিছু বলতে যাবে তার আগেই শুনতে পায় অপুর গলা।

” মাধবী?এই মাধবী?মাধবীর বাচ্চা….?”
বলে চিৎকার করতে করতে সিরি বেয়ে উপরে উঠে।এতদিন পর প্রিয় বান্ধবীকে পেয়ে মাধবী ছুটে যায় সিরির কাছে।মাধবী মিষ্টি হেসে জরিয়ে ধরতে যাবে অপুকে তার আগেই অপু খিলখিলিয়ে হাসতে হাসতে বলে ” আগে নিচে আয়।তোর সাথে কথা আছে ”
বলেই মাধবীকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে নিচে চলে যায়।মাধবী কিছুটা অবাক হয় অপুর আচরণে।একবার পেছনে ঘুরে তাকায়।পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিচে চলে যায়।নিজের রুমে গিয়ে দেখে অপু নেই। ভাবলো হয়তো ওয়াশরুমে গেছে।কিন্ত তার ভাবনাকে মিথ্যে প্রমানিত করে অপু রুমের বাহির থেকে আসে।সে ভাবলো হয়তো বাড়ি ঘুরে দেখছিল।তাই বলে,

” কেমন আছিস?”
” ভালো।খুব খুব খুব ভালো ”
অপুর কন্ঠের আনন্দের সুর দেখে সে বলে ” কিরে… কী খবর?এত খুশি যে!”
অপু বিছানায় বসতে বসতে বলে ” খুশিতো থাকবোই।কি হয়েছে জানিস?”
সেও বিছানায় বসতে বসতে বলে ” না বললে জানবো কি করে পাগলি ”
” জানিস উনার সাথে আমার চলছে ” বলেই লাজুক হাসে।
মাধবী ভ্রু কুচকে বলে ” এই উনিটা কে…
বলতে বলতেই আবার থেমে গিয়ে বলে “ওওওও এই উনি টাতো আবার অশুভ হায়দার ”
তারপর কিছুটা আগ্রহের সহিত বলে ” কি চলছে?”
কোন উত্তর না পেয়ে আবার জিজ্ঞেস করতে যাবে তার আগেই অপুর চোখ গরম করা দেখে থেমে যায়।

” তুই উনাকে অশুভ কেন বলছিস।উনার নাম কী অশুভ?”
” যা বাবা ভুল হয়েছে।এখন বল কি চলছে?”
অপু আবারও লজ্জা পায়।লাজুক হাসি দিয়ে বলে ” উনি আমাকে চিঠি দেয় ”
সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে “সত্যিই?কিভাবে কি বলনা ”
” আমি একদিন ওনার ঠিকানায় চিঠি লিখেছিলাম।কয়েকদিন কোন ফিরতি চিঠি আসেনি।পরে এক দু সপ্তাহ পর ওনি চিঠির উত্তর দিয়েছেন।তার পর এভাবেই চিঠি দেওয়া নেওয়া শুরু হয়।এখন উনিও আমাকে ভালোবাসে ”
” দেখেছিস?আমি বলেছিলাম না যে শ্যামাদের ভালোবাসতে গেলে ভালো মন লাগে।তাই উনি তোকে ভালোবেসেছেন ”

” আমি অনেক অনেক অনেক খুশি মাধবী ”
বলেই মাধবীকে জরিয়ে ধরে।তারপর দু সখী আরো কিছুক্ষণ গল্প করে।রাত বেশি হচ্ছে দেখে মাধবী তাকে একটা প্রহরী সাথে দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।
এরমধ্যেই আরিয়ান আসে।মাধবী আগে ছুটে যায় ছাঁদে।তাকে এভাবে দৌড়ে ছাদে যেতে দেখে আরিয়ানও পিছু পিছু যায়।গিয়ে দেখতে পায় মেয়েটা রেলিং ধরে নিচের দিকে ঝুঁকে আছে।সে মাধবীকে হেচকা টানে সেখান থেকে সরিয়ে আনে।

” আরে কি করছিলি?পাগল হয়ে গেছিস?”
” আরিয়ান ভাই দেখুন না।এখানে কেউ একজন আজ্ঞেন হয়ে হয়ে পরে আছে ”
মাধবীর দেখাদেখি সেও নিচের দিকে তাকালো।দেখতে পেল একটা ছেলেকে।চোয়াল শক্ত করে মাধবীকে জিজ্ঞেস করলো ” তুই দেখলি কিভাবে?”
” আরে আমি এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম।হঠাৎ করে চিৎকার শুনে পেছনে ঘুরে দেখি ছেলেটা এভাবে পরে আছে ”
” এই সন্ধ্যা বেলা কেন এসেছিস এখানে?এখন তোর বিরাট বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারতো।মনে রাখবি সবসময় তোর আশেপাশে যা আছে সব কিছুই তোর জন্য নিষিদ্ধ ক্ষতিকর ”
এবার মাধবীও ফিরে আসে তার পেশাদারি কন্ঠে ” একজন সেনাপতি হিসেবে অবশ্যই আপনার দায়িত্ব রাজ্যের রাণীকে রক্ষা করা।তাই বলে ভুলে যাবেন না আমি কিন্ত রাণী সাথে একজন ট্রেনিং প্রাপ্ত বিচক্ষন তীরন্দাজ এবং যুদ্ধা।আমি নিজের রক্ষা নিজেই করতে পারি ”

” সাথে তুই একজন মেয়েও ”
” মানছি মেয়ে।আচ্ছা এবার এসব বাদ দিন।একটা কথা জিজ্ঞেস করবো উত্তর দিবেন ”
আরিয়ান পাঞ্জাবির বুকের বোতাম গুলো খুলতে খুলতে জিজ্ঞেস করে “কী?”
” আপনার বন্ধু অশুভ হায়দার যে ওনার কি প্রেমিকা আছে?না মানে কারো সাথে চিঠি আদান প্রদান করে ”
” ওর নাম অশুভ না অপূর্ব ”
তারপর ভ্রু কুঁচকে জিজ্ঞেস করে ” কেন ওর প্রেমিকা দিয়ে তুই কি করবি?”
মাধবীর ফটাফট উত্তর ” নাচবো ”
” চটকানা খেতে চাচ্ছিস?”

তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১৪

” আপনার এই নাই কাজের ‘চটকানা খাবি’ কথাটা বন্ধ করে যা জিজ্ঞেস করছি তা বলুন ”
” না ওর কোন প্রেমিকা নেই।তবে কাকে যেন খুব ভালোবাসে।কিন্ত বলতে পারছে না।আর তাকে ছাড়া আর কাওকে নাকি বিয়েও করবে না।এছাড়া আর কোন মেয়েঘটিত কাজে ওকে দেখিনি।কেন কি হয়েছে?”
মাধবী একা একাই বিরবির করে ” তাহলে অপু কি বললো!খুব বড় ধরনের কোন গোলমাল লাগছে না তো?”

তুই আমার ৭ মিনিট পর্ব ১৬