Home তুই শুধু আমার উন্মাদনা তুই শুধু আমার উন্মাদনা পর্ব ৬৬

তুই শুধু আমার উন্মাদনা পর্ব ৬৬

তুই শুধু আমার উন্মাদনা পর্ব ৬৬
তাবাস্সুম খাতুন

সেইদিনের পরে কেটে গেলো পুরো দুইটা দিন। এর মধ্যে সিমি একটু সুস্থ হয়েছে। সে আর নিশানের অবাধ্য হয় না। যা বলে চুপচাপ শোনে নিজের মতে কিছু বলে না। এমনকি এই দুইদিন নিশান ও সিমিকে ছেড়ে কোথাও যাই নি। ভালোই চলছে তাঁদের জীবন। সময়টা এখন দুপুর তিনটা বেজে চার মিনিট। হঠাৎ নিশানের ফোনে কল আসলো। কল রিসিভ করে ওইপাশ থেকে কি বললো জানা নেই তবে নিশান দ্রুত কল কেটে তৈরী হয়ে নিলো। সিমি চোখ ছোট ছোট করে নিশানকে দেখতে লাগলো।নিশান নিজেকে পরিপাটি করে সিমির দিকে তাকিয়ে কোন মতে বললো,
“আমার ইম্পরট্যান্ট কাজ আছে তাই যাচ্ছি। তুই এইখানে চুপচাপ বসে থাকবি বুঝেছিস?”

সিমি শুধু মাথা নাড়লো। নিশান বাড়ি থেকে বেড়িয়ে নিজের গাড়িতে উঠে বসলো। গাড়ি স্টার্ট দিলো নিজের গন্তব্যে অনুযায়ী চালাতে লাগলো। এইদিকে অরার বডিগার্ড গুলো নিশানের বাড়ি পাহারা দিচ্ছিলো। কখন নিশান বাড়ি থেকে যাবে আর সে নিজের কাজ গোছাতে পারবে। নিশান যেতেই অরা কাজে লেগে পড়লো। সে নিজের গাড়ি নিয়ে নিশানের বাড়ি থেকে একটু আড়ালে ব্রেক কোষলো। এরপর গাড়ি থেকে বেড়িয়ে কাউকে কল করলো। কল রাখার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই একটা লোক আসলো তার সাথে দশ বছরের একটি বাচ্চা মেয়ে। লোকটার পরনে ছেঁড়া ময়লা পোশাক। চুলগুলো উস্কো খুস্ক। মেয়েটার ও একই অবস্থা চুলগুলো জট পাকানো, পোশাক ছেঁড়া। আবার মেয়েটার হাতে চায়ের কেটলি আছে একটা, তবে সেইটা চা নয় কফি আছে।অরা চোখের ইশারায় কিছু বলতেই লোকটা মেয়েটাকে নিয়ে নিশানের বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করলো।বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করতেই লোকটা অন্ধ সাজার নাটক করলো। ওদের দেখে দুইটা বডিগার্ড এগিয়ে আসলো কর্কশ কন্ঠে বললো,

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

“এই তোরা এইখানে কি করিস?”
মেয়েটা কাঁদো কাঁদো কন্ঠে বললো,
“আঙ্কেল আঙ্কেল। আমার বাবা অন্ধ মানুষ, আমার বাবা রোজকার করতে পারে না। আমি রোজগার করলে বাবার খাওয়া হয়। আপনি প্লিজ আমার তৈরী কফি খেয়ে দেখেন অনেক ভালো। খেয়ে নেন আর আমাকে কিছু পয়সা দেন আঙ্কেল।”
বডিগার্ড আগের মতোই বললো,
“ইতালির রোমে তাহলে ভিক্ষুক আসছে?”
মেয়েটা আগের মতোই বললো,

“পেটের দায়ে ভিক্ষা করি। নেন না আঙ্কেল আমি ক্ষুদা লাগছে দুটো খাবার কিনে খাবো।”
বডিগার্ড শক্ত কন্ঠে বললো,
“এই মেয়ে চলে যাও তোমার বাবাকে নিয়ে আমাদের কফি খাওয়ার ইচ্ছা নেই।”
মেয়েটা কান্না করে দিলো বললো,
“আঙ্কেল প্লিজ নেন না। আপনাদের এইখানে অনেক মানুষ। আমাকে এক টাকা করে দিয়েন। নেন আঙ্কেল আমার ক্ষুদা লাগছে।”

মেয়েটার কান্না দেখে বডিগার্ড এর জন্য একটু মায়া হলো। তাই সে এক কাপ কফি নিলো। বিনিময়ে তাকে পঞ্চাশ টাকার নোট দিলো। মেয়েটা একটা হাসি দিলো। বডিগার্ড সবার উদেশ্য বললো এক কাপ কফি নিতে। মেয়েটা অনেক খুশি হলো। সবার কাছে নিয়ে গেলো কফি। সবাইকে এক কাপ করে দিলো। বিনিময়ে কেউ দশ টাকা কেউ পঞ্চাশ টাকা আবার কেউ একশো টাকা দিলো। একে একে সব বডিগার্ড কে কফি খাইয়ে মেয়েটা চলে গেলো। বডিগার্ড আবারো পাহারা দিতে দাঁড়িয়ে পড়লো। তবে তাঁদের আর গার্ড দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না চোখ ঝাঁপসা হয়ে আসছে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে। হুট করে সকলে একসাথে যে যেইখানে ছিলো সেখানে পরে গেলো গভীর নিদ্রাতে ডুবে গেলো। সবাই যখন নিদ্রাতে আছে তখন অরা আসলো। সবার দিকে তাকিয়ে একটা বাঁকা হাসি দিলো।এরপর সে সদর দরজার সামনে দাঁড়ালো।নিজের কাছে থাকা ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুললো। সে এইটা অনেক কৌশলে ডুপ্লিকেট তৈরী করে নিয়েছে। সিমি ড্রইং রুমে বসেছিল। দরজা খোলার আওয়াজ হতেই সেইদিকে তাকালো। নিশান আসছে হয়তো। দুই সেকেন্ড পরেই দরজা খুলে গেলো। উদয় হলো অপরিচিত এক মেয়ের মুখ। সিমি উঠে দাঁড়ালো অবাক হলো তবুও বললো,

“কে তুমি?”
অরা এগিয়ে আসতে আসতে মিষ্টি হেসে বললো,
“এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলে মেয়ে!ঐযে বলেছিলাম যেইদিন সময় পাবো সেইদিন এই শহর তোমাকে ঘুরে দেখাবো।”
সিমির খেয়াল আসলো এত সেই মেয়ে যার সাথে সে বেলকুনিতে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলো। কিন্তু এই মেয়ে এইখানে কি করে আসলো? সিমি বললো,
“অতীত অতীত থাকাই ভালো। আমি তোমার সাথে কোথাও ঘুরতে যাবো না। তুমি এইখানে কিভাবে আসলে? আর চলে যাও।”
অরা সিমির কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়ে বললো,

“এক বারে এত কথা বলতে নেই মেয়ে।”
সিমি আগের মতোই বললো,
“দেখ মেয়ে আমি তোমাকে চিনি না। আর চিনতে চাই ও না। প্লিজ তুমি চলে যাও। আর কোনদিন আসবে না।”
অরা ইনোসেন্ট ফেস করে বললো,
“আমার সাথে ঘুরতে যাবে না?”
“না আমি যাবো না কোথাও। তুমি যা..
বাকি কথা শেষ করার আগেই অরা সিমির মুখে স্প্রে করলো। সাথে সাথে সিমি ঢলে পড়লো অরার উপরে। অরা একটা বাঁকা হাসি দিয়ে সিমিকেকে টানতে টানতে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গেলো। বাড়ির সামনে তার গাড়ি রাখা ছিলো। সিমিকে টেনে ব্যাক সিট্ এ চেলে মারলো। নিজে গিয়ে বসলো ড্রাইভিং সিট্ এ। স্টেয়ারিং এ হাত দিয়ে ব্যাক সিট্ এ থাকা সিমির দিকে তাকিয়ে বাঁকা হেসে বললো,

“তুই নিষ্পাপ তবুও আমার তোকে মারতে হবে এইটাই বাস্তব। সরি আমাকে মাফ করে দিস। ধ্যাৎ এইটা আমার লাইন,আমি তোকে মাফ করে দিচ্ছি টাটা।”
বলে গাড়ি চালাতে লাগলো। বেড়িয়ে গেলো সেই জায়গা থেকে। এইদিকে নিশানের বাড়ির দুই বাড়ি পিছনে আড়ালে ছিলো নিশানের গাড়ি। আর তার পিছনে TN টিম এর কিছু সংখ্যক মেম্বার। নিশান গাড়িটার দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসি দিয়ে বললো,
“প্ল্যান সাকসেসফুল। এইবার আমার পালা।”

বলে গাড়ি স্টার্ট দিলো। নিশানের পিছু পিছু TN টিম ও যেতে লাগলো।অরা মনের সুখে গাড়ি চালাচ্ছে। সে রোম শহর এর শেষ প্রান্তে চলে আসছে ফাঁকা জায়গায়। তার গাড়ি চালানোর মধ্যে হুট করে তার গাড়ির সামনে আসলো নিশানের গাড়ি। অরা সাথে সাথে গাড়ি ব্রেক করলো। ভ্রু কুঁচকে সামনের গাড়ির দিকে তাকালো। এইদিকে TN টিম ঘিরে ফেললো গাড়িটাকে। সামনের গাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসলো নিশান। ঘাড় এইপাসে ঐপাশে করে ফুটিয়ে নিলো। অরা নিশানকে দেখে ঘাবড়ে গেলো এইদিকে তার গাড়ি ও ঘিরে ফেলছে সে যেতে পারবেনা। নিশান সোজা গাড়ির কাছে আসলো কিছু মেম্বার সরে গেলো। নিশান একটা বাঁকা হাসি দিয়ে আচমকা জোরে লাথি মারলো ড্রাইভিং সিট এর কাঁচে। অরা ওইপাস সরে গিয়ে চোখ মুখ বন্ধ করে নিলো। কাঁচ ভেঙে ভিতরে পড়লো বাইরে পড়লো। নিশান হাত ঢুকিয়ে গাড়ির দরজা খুললো। অরার এক হাত জোরে চেপে ধরে টেনে বাহির করে আনলো। অরা হাতে ব্যাথা পেলো, চোখ মুখ খিচে বন্ধ করে রাখলো। তবুও কিছু বললোনা। নিশান অরাকে টেনে এনে ছুড়ে মারলো। অরা গিয়ে পড়লো নিশানের গাড়ির পরে ব্যাথা পেলো চরম ভাবে। নিজেকে শক্ত করে নিশানের দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললো,

“শুয়ারের বাচ্চা আমাকে এইভাবে ফেলার সাহস দিসে কে তোর?”
অরার কথা থামতেই নিশান অরার কাছে এসে জোরে একটা থাপ্পড় মারলো অরার গালে। অরার চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়লো। সে গালে হাত দিয়ে নিশানের দিকে রাগী চোখে তাকাতেই নিশান হুঙ্কার ছেড়ে বললো,
“বারো ভাতারি নটি ভাবলি কিভাবে আমার চোখে ধুলো দিয়ে আমার কলিজাকে তুলে নিয়ে যাবি? কি ভাবছিস আমি কাঁচা খেলোয়াড়? শালী তুই কত জনের সাথে বেডে গেছিস তার লিস্ট পর্যন্ত আমার তৈরী করা আছে। তুই যে নেশা করিস তার ফুটেজ পর্যন্ত আমার কাছে আছে। বেয়াদব মহিলা আমার ইশুর জুতোর যোগ্যতাও রাখিস না তুই আর কিডন্যাপ করতে আসছিস? শালী মাদারবোর্ড তোকে জ্যান্ত দাফন দেবো।”

বলে অরার হাত টেনে ধরে আবারো চেলে ফেলে দিলো তার TN টিমের দিকে। সে রাস্তার উপরে উল্টিয়ে পড়লো হাত পা ছুঁলে গেলো কোমরে ব্যাথা পেলো। নিশান রাগে গজগজ করতে করতে বললো,
“এই বারো ভাতারি নটিকে আমার অন্ধকার কুপে আটকিয়ে রাখবি। আমি নিজে ওর শাস্তি দেবো। ”
TN টিম অরা কে নিয়ে যেতে লাগলো। অরা চিৎকার করছে গালাগালি দিচ্ছে ছোটাছুটি করছে। তবুও ছাড় পারছেনা।TN টিম অরা কে নিয়ে চলে গেলো। নিশান এইবার ব্যাক সিট এর দরজা খুললো। অজ্ঞান হয়ে পরে থাকা তার সিমিকে পাঁজা কোলে তুলে নিজের গাড়িতে উঠলো। অরার গাড়িটা TN টিমের দুজন মেম্বার নিয়ে গেলো। নিশান ড্রাইভিং সিট্ এ বসে সিমিকে নিজের কোলে রাখছে। জানলার কাঁচ ভাঙ্গায় ছোট ছোট কাঁচ সিমির কপালে আর হাতে লাগছে। নিশান খুব যতনে সুন্দর করে কাঁচ গুলো তুলে ফেলে দিলো। গাড়িতে থাকা ফাস্ট এইড বক্স থেকে এন্টিসেপ্তিক মলম লাগিয়ে দিলো। কপালের এক পাশে হাল্কা ক্ষত আসছে সেখানে অনটাইম টেপ দিয়ে দিলো। সিমির মুখে আশা ছোট ছোট চুলগুলো সরিয়ে কানে গুঁজে দিলো। সিমির মুখের দিকে তাকিয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললো,

“সরি জান ওই মেয়েকে ধরার জন্য আমার তোকে ব্যাবহার করতে হয়েছে। আর তুই এত কষ্ট পেলি। তবে চিন্তা করিস না তুই যেইটুকু কষ্ট পেয়েছিস। তার থেকেও হাজার হাজার গুন কষ্ট আমি ওকে দেবো।”
বলে নিশান সিমির কপালে গভীর চুম্বন দিলো। সিমিকে এক হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে গাড়ি চালাতে চালাতে বললো,
“আমাদের উপরে আর কোন বিপদ নেই। এইবার আমরা ভালো থাকবো। আমি আবারো আগের মতো সবকিছু ছেড়ে দিয়ে তোকে নিয়ে সুন্দর ভাবে বাঁচবো। অতীত এর করা পাপ ভুলে যাওয়া উচিত। আর তুই আমার কাছেই আছিস আমার অস্তিত্ব জুড়ে তাহলে ঐসব পাপ কাজ করার কোন দরকার নেই জান। আমি তোর মাঝে ডুবে থাকতে চাই সুন্দর ভাবে, কোন বাঁধা বিপত্তি না নিয়েই। Because with you, everything feels complete my Janbaccha….”

নিশানের গাড়ি থামলো তার বাড়ির সামনে।সিমিকে কোলে নিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকলো। সোজা নিজের রুমে চলে গেলো সে। সিমিকে বেডে শুয়ে রেখে সিমির মাথায় হাত বুলিয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে বললো,
“ঘুমিয়ে থাক জানবাচ্চা আমি এসে তোর জ্ঞান ফিরাবো। আগে তার প্রাপ্য শাস্তিটা দিয়ে আসি।”
বলেই চলে গেলো। রুমের দরজা লক করে দিলো। গম্ভীর মুখ নিয়ে বেড়িয়ে গেলো। গাড়িতে উঠে রওনা দিলো তার আস্তানার দিকে।আধা ঘন্টার মধ্যে তার গাড়ি এসে থামলো। সে সোজা তার গোপন সুড়ঙ্গে গেলো। নিশান কে দেখে আদিল এগিয়ে এসে বললো,
“বস রেখে আসছি তাকে। এইবার আপনার কাজ শুরু করে দেন।”
নিশান আদিল এর ঘাড়ে একটা চাপর মেরে বললো,
“Gd জব নিজের কাজে লেগে পর।”

আদিল মাথা নেড়ে চলে গেলো। নিশান নিজেও গেলো সেই বন্ধী রুমে যেইখানে অরাকে আটকিয়ে রাখছে। গোপন সুড়ঙ্গের একদম শেষ রুম। সাউন্ড প্রুফ যেইখানে কত কত মানুষকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে তবে তার শব্দ চার দেয়ালেই সীমাবদ্ধ। নিশান রুমের দরজা খুললো রুমের ভিতরে থাকা রক্তের দুর্গন্ধ ভেসে আসলো। নিশান নাক টেনে নিশ্বাস নিলো রুমের ভিতরে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলো রুমের লাইট অন করে বললো,
“কতদিন পরে আবারো এই ঘ্রান আমার নাকে আসছে।”
এইদিকে অরাকে বেঁধে রাখা হয়েছে দুটি লোহার খাম্বার সাথে তার দুই হাত লোহার শিকল দিয়ে বাঁধা। অরার রাগে মাথা ফেঁটে যাচ্ছে। এই নিশান তাকে ধরে আনছে এইভাবে!ভাবতেও নিজের উপরে ধিক্কার লাগছে। নিশান ঘাড় কাত করে অরার দিকে তাকিয়ে বললো,
“আল্লাহকে ডাক যদিও গুনাহর ভার অধিকাংশ তবুও খাস দিলে আল্লাহকে ডাকলে বোঝা কমতেও পারে।”
অরা চিৎকার করে বললো,

“আমি কোন আল্লাহকে বিশ্বাস করি না। আমার পাপের বোঝাই আমার কাছে পূর্ণ। কাউকে ডাকা এইসব তুই কর। আমি এইসব করি না। আমাকে ছেড়ে দে আমি..
বাকি কথা শেষ করার আগেই নিশান একটা ছোট ছুরি চেলে দিলো যেইটা সোজা অরার বাম হাতে গেঁথে গেলো। অরা চিৎকার করে উঠলো। নিশান এগিয়ে এসে রাগানিত্ব কণ্ঠে বললো,
“এক মিনিটের জন্য আজরাইল কে দেখলি। তোর মতো নিচু মানুষ ও যে দুনিয়াই আছে ভাবতেও ঘৃণা লাগে।”
বলেই নিশান এক খাবলা থুথু চেলে মারলো অরার মুখে। অরা চিৎকার দিয়ে বললো,

তুই শুধু আমার উন্মাদনা পর্ব ৬৫

“খা*নকির পুত, ছাড় বলছি। তোর কত বড়ো সাহস আমার মুখে থুথু মারিস। শালা তোর জান হাতে ধরিয়ে দেবো।”
নিশান দেয়ালে ঝুলে থাকা চাবুকটা হাত লম্বা করে টেনে এনে জোরে চাবুক বসালো অরার অরার বাহুতে। অরা কুকিয়ে উঠলো। নিশান দাঁতে দাঁত চেপে বললো,
“আমার জান হাতে ধরিয়ে দিবি তুই? আমার সাহস কত পরিমান সেইটা কল্পনাটেও নেই রে বারো ভাতারি নটি।”
বলে আরেক বাহুতে জোরে মারলো চাবুক। অরা কান্না করে দিলো, চিৎকার করে বললো….

তুই শুধু আমার উন্মাদনা পর্ব ৬৭