Home নূর ই মহব্বত নূর ই মহব্বত পর্ব ২৪

নূর ই মহব্বত পর্ব ২৪

নূর ই মহব্বত পর্ব ২৪
তাবাসসুম তাজ্বওয়ারী

আহিলের বাড়িতে বর্তমানে আতঙ্ক ছড়িয়ে আছে। নওমির বুকফা’টা আর্তনাদ আছড়ে পড়ছে চারিদিকে। সে পা গলের মতো আহিলের শার্টের কলার খামচে ধরে অনবরত ঝাঁকাচ্ছে, আর ওর কণ্ঠ চিরে বেরোচ্ছে তীব্র আকুতি,
– আহিল, আমার আদনান কোথায়? ওকে এনে দাও! কেউ আমার কলিজাটা কেড়ে নিয়ে গেছে আহিল। আমার ছেলেকে এনে দাও প্লিজ!
আহিলের নিজের মাথার ভেতর তখন হাজারটা হাতুড়ির বা’ড়ি পড়ছে। বাড়ির আশেপাশে সব জায়গা খোঁজা শেষ কিন্তু আদনানকে কোথাও পাওয়া যায় নি! ও তো একা এত দূর যেতে পারবে না! তাহলে গেল কোথায়? এর মধ্যে তো উধাও হয়ে যেতে পারবে না!
ও চেষ্টা করছে নওমিকে শান্ত করার। নওমির পিঠে হাত বুলিয়ে শান্ত করার জন্য বললো,

– নওমি, শান্ত হও! আমি সিসিটিভি চেক করছি। আদনান এই আসেপাশেই আছে, আমি নিয়ে আসছি ওকে…
কিন্তু নওমি আর কোনো কথা শোনার অবস্থায় নেই। ওর চোখ দুটো উল্টে আসছে, গলার আওয়াজ বুজে আসছে। আচমকাই ও বিড়বিড় করে বলল, “আদনান” আর তার পরপরই পুরো শরীরটা ছেড়ে দিয়ে ও আহিলের বুকের ওপর গড়িয়ে পড়ল। আহিল ওকে ধরে ফেলল। এই নিয়ে তিনবার অ’জ্ঞান হয়েছে নওমি! বুকের সাথে চেপে এক হাতে গাল চাপড়ে বললো,
– নওমি! নওমি চোখ খোলো! আল্লাহ্ কাকে রেখে কাকে খুঁজবো আমি! কেন এমন হচ্ছে? নওমি! তাকাও না!
আহিল ওকে কোলে তুলে রুমে নিয়ে শুইয়ে দিল। মুখে পানি ছিটিয়ে দিতেই আধো আধো চোখ মেলে তাকালো। আহিলকে দেখে বিড়বিড় করে বললো, “আদনান কোথায়?” তারপর সে আশেপাশে তাকাল। হুট করে উঠে বসে আহিলকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে উঠল সে। মানসিক চাপে কি করছে নিজেও জানে না। স্বাভাবিক অবস্থায় যে মেয়ে ধারের কাছে আসে না সে এখন ওকে জড়িয়ে ধরেই কাঁদছে। নওমি আহিলের বুকের কাছের শার্ট খামচে ধরে ফুঁপাতে ফুঁপাতে বললো,

– আপনি আমাকে ফিরিয়ে এনেছেন কেন বলেন তো! না আনলে তো আমার আদনানকে কেউ টার্গেট করতো না! আমার আদনানকে এনে দিন না প্লিজ! আপনি যা বলবেন আমি শুনবো শুধু আমার ছেলেকে এনে দেন!
কাঁদতে কাঁদতে আহিলের বুকে মাথা ঠেকিয়ে বলল,
– আমার ছেলেকে ছাড়া আমি কিভাবে বাঁচব? ও তো একা একা একটুও থাকতে পারে না! আমার ছেলেকে এনে দিন না! ও নিশ্চয়ই কাঁদছে, ও নিশ্চয়ই ওর মাকে খুঁজছে!
আহিল নওমিকে নিজের বুকের সাথে আরও শক্ত করে মিশিয়ে নিল। ওর নিজের চোখ দুটোও তখন ঝাপসা হয়ে এসেছে, কিন্তু এই মুহূর্তে ওকে শক্ত থাকতে হবে। সে নওমির মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে দিতে অবরুদ্ধ গলায় বলল,

– নওমি, প্লিজ নিজেকে শক্ত করো। আমি বলছি তো আদনানকে এনে দেবো। এভাবে ভেঙ্গে পড়লে তো হবে না! কিচ্ছু হবে না আদনানের, আমার উপর ভরসা রাখো।
আহিলের এই কথা নওমির কানে পৌঁছাল কি না জানা নেই, তবে তীব্র মানসিক ক্লান্তি আর অনবরত কান্নায় ওর শরীরটা আবারও অবশ হয়ে আসতে লাগল। আহিলের শার্ট খামচে ধরে রাখা ওর আঙুলগুলো একটু একটু করে শিথিল হয়ে এলো। চোখ দুটো বন্ধ হয়ে ও আবারও নিস্তেজ হয়ে আহিলের কোলের ওপর গড়িয়ে পড়ল। আহিলের মা এগিয়ে এসে বললেন,
– আহিল রে! এমন হলে তো মেয়েটা ম’রে যাবে! তুই ওকে একটা ঘুমের ইঞ্জে’কশন দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রাখ তাতে যদি একটু শান্ত থাকে। নাহয় এই মানসিক যন্ত্রণা ও সহ্য করতে পারবে না।
আহিল ভালো করেই জানে, নওমির মস্তিষ্ক এখন তীব্র শ’কের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ওর বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। ও নওমিকে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে ড্রয়ার থেকে একটা মাইল্ড সিডে’টিভ ইনজেকশন বের করল। নওমির হাতে ওষুধটা পুশ করে দিতেই কিছুক্ষণ পর নওমির ছটফটানি একটু কমল, ও এক গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল।
আহিল ওকে রেখে বেরোনোর সময় মাকে আর চাচিকে বলে গেল,

– ওর পাশ থেকে কেউ সরবে না। আমি আদনানকে নিয়ে আসছি।
আহিল বেরিয়ে গেল। যেতে যেতে ফোন বের করে বললো,
– যেমনে পারবি ওমনে ট্র্যাক করবি! যেভাবে পারবি এই লোকরে ধইরা আনবি। এই জিনিস নিয়া যদি ব্যর্থ হস তাইলে তোদের খবর আছে!
ভদ্র আহিল তার ছেলের জন্য তোয়াক্কা করলো না কোনো ভদ্রতা। দ্রুত পায়ে বেরিয়ে যেতে যেতে হঠাৎ কানে সন্দেহভাজন কিছু আসলো। গন্তব্য পরিবর্তন করে অন্যদিকে চলে গেল সে।

একটা আধো অন্ধকার রুমে বসে আছে আদনান। ছটফট করছে সে এখানে ভালো লাগছে না। চেনাজানা কেউ নেই। তিনটে লোক আছে সামনে। এবার কান্না পাচ্ছে তার। ঠোঁট ফুলিয়ে বলে উঠলো,
– মাল কাচে যাবউ
ছলছল চোখে চেয়ে আছে সে। এক্ষুনি কেঁদে দিবে ভাব তার। সামনে বসে থাকা লোকটা বিরক্ত হয়ে বললো,
– যেতে হবে না চুপচাপ বসে থাক। তোর মাকেও এখানে নিয়ে আসব তারপর দুইটাকে বুঝবে কথা না শোনার ফল।
আদনান বাকিটুকু না বুঝলেও ভারি কণ্ঠের এইটুকু বুঝলো তাকে মায়ের কাছে যেতে দেওয়া হবে না। সে ঠোঁট ফুলিয়ে কেঁদে উঠল। তার কান্নার শব্দ ধীরে ধীরে বাড়ছে কিন্তু কেউ এগিয়ে এসে কোলে তুলছে না আর না কেউ এসে মায়ের মতো বুকে জড়িয়ে কান্না থামাচ্ছে। বরং তার কান্না দেখে সামনের দুজন লোক যেন পৈশাচিক শান্তি পাচ্ছে। একজন বিরক্ত হয়ে বললো,

– কিড’ন্যাপ করতে বললো করলাম এইসব সহ্য করতে হবে কয় নাই তো! ব্যাটা নিজের ঝামেলা নিজে শেষ করতে পারে না? হুদাই আমাগোরে এইটা সামলাইতে দিলো। কানের পোকা বের করে দিল এই পোলায়! এই কান্না থামা!
শেষ লাইনটা ধমকে বললো। আদনান ভয় পেয়ে কান্না থামিয়ে বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে দেখলো। কেউ তো ওকে এভাবে ধমকায় না! মুহূর্তেই ভেজা চোখে মুখ ফুলিয়ে আবার অস্ফুট স্বরে ডাকলো,
– বা…বা
– আবার বাবাকে ডাকোস কেন? কেউ আসবো না।
আদনান থামল না। ফের একইভাবে বলার চেষ্টা করলো,

– বাবা যাবউ! বা…বাআআ!
আদনানকে থামাতে চাইছে লোকটা।
– শাট আপ! একদম চুপ করবি!
এক পর্যায়ে লোকটা এটা ধমক দিয়ে টেবিল চাপড়ে উঠে দাঁড়াল। আদনান ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে এবার দুহাতে নিজের চোখ দুটো চেপে ধরল। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্নার ধাক্কায় ওর ছোট শরীরটা দুলে দুলে উঠছে। মা নেই, বাবা নেই, তুহি নেই নেই। ছোট্ট মনটাও বুঝতে পারছে এটা কমফোর্ট জোন নয়! এই চরম আতঙ্কের মাঝেও ওর অবুঝ মন অবচেতনভাবেই সেই মানুষটাকে ডাকছে, যার হাত ধরে ও গত দুদিন ধরে নতুন নতুন গাড়ি খেলেছে। যার সাথে সে খুব ঘোরাফেরা করেছে খেয়েছে, যার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়েছিল! মায়ের থেকেও যেন বেশি মনে পড়ছে তাকে!
একটা লোকের বোধহয় মায়া লাগলো। সে অন্যজনকে বললো,

– ছুডু একটা বাইচ্চারে মা’ইরা কী পাইবো? হেই কী দোষ করছে?
– আরে টেহার লোভ মানুষরে অমানুষ বানাইয়া ফালায় বুঝছোস? সেখানে এই বাচ্চা বুড়া কিস্সু না!
– হ রে!
বলেই লোকটা মাথা নাড়লো। আরেকজন বলে উঠলো,
– এইসব না বলে কাম কর। স্যার জানতে পারলে তোরও টাকার লোভ ঘুচিয়ে দিবে। তুইও টাকার জন্যেই এই কাজ করতেছিস।
– হইছে তোরে কওন লাগবো না তুই বেশি শিক্ষিত মা’রাইস না।
একজন ফোন বের করে কল দিলো কাউকে।সে রিসিভ করতেই বলে উঠলো,
– স্যার এই পোলাডারে কী করমু? হেই তো মা বাপ কইরা পাগল হইয়া যাচ্ছে।
ওপাশ থেকে ধমকে উঠলো লোকটা,
– তুই এইটা জানার জন্য আমাকে কল দিয়েছিস? বাচ্চাদের কীভাবে শান্ত করতে হয় জানিস না? ওরেও এভাবেই শান্ত করবি কিন্তু আমাকে কল করে ডিস্টার্ব করবি না একদম!
– ওকে স্যার
– আর হ্যাঁ একে বেশি কান্নাকাটি করতে দেওয়ার দরকার নেই পরে স্বার্থ হাসিলের আগে খতম হয়ে যাবে। শোন তোরা এখন পরিত্যক্ত ট্যানারি থেকে কোথাও সরানোর দরকার নেই। যেখানে আছিস ওখানেই থাকবি। বুঝেছিস? কোনো মুভমেন্ট দরকার নেই। আহিল লোক লাগিয়েছে খোঁজার জন্য। ওদের মাথায় ট্যানারির কথা আসবেও না। হাহা
বলতে বলতে ফোন কেটে দিল। ওপাশ থেকে ফোনের লাইনটা কেটে যেতেই লোকটা একটা স্বস্তির শ্বাস ফেলে মোবাইলটা পকেটে ঢোকাল। অন্য দুজনের দিকে তাকিয়ে বলল,
– শুনলি তো? স্যারের কড়া নির্দেশ। আপাতত ওরে নড়াচড়া করানোর দরকার নাই। এইখানেই চুপচাপ লক কইরা রাখ।

– হ আমি চা খাইয়া আসতাছি থাক তোরা।
একজন বেরিয়ে যেতেই ওরা এলোমেলো হয়ে সিয়ে পড়লো।
– আমি একটা ঘুম দিয়া উঠি। এইটা সেফ জোন আছে।
আধ ঘণ্টা মতন পেরিয়ে গিয়েছে। হঠাৎ কাঠের ভারি দরজা খুলার শব্দ হলো। একজন ঘুমে আচ্ছন্ন অপরজন ঝিমোচ্ছে। এদিকে কাঁদতে কাঁদতে আদনান ফ্লোরের একপাশে কাত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লো। ধুম করে লোহার কিছুর আওয়াজে ধড়ফড়িয়ে উঠে বসল ঝিমোতে থাকা লোকটা। অন্যজনকে ঠেলে বললো,
– এই কিসের আওয়াজ হইলো? এই ব্যাটা উঠ না!
ওর ধাক্কায় লোকটা উঠে কিছু বোঝার আগেই ধুলো আর অন্ধকারের বুক চিরে এক জোড়া রক্তবর্ণ চোখ আর ইস্পাতকঠিন অবয়ব ভেতরে প্রবেশ করল। সাদা শার্টের হাতা দুটো কনুই পর্যন্ত গোটানো, কপালে আর ঘাড়ের রগগুলো রাগে ফুলে-ফেঁপে নীল হয়ে আছে।

– এই কেডা তুই? এনে কি?
অবয়ব কোনো জবাব না দিয়ে এগিয়ে আসতে লাগলো দেখে লোকটা সুযোগ বুঝে কোমড়ে হাত দিয়ে কিছু একটা বের করার চেষ্টা করতেই তার উপর চিতাবাঘের ঝাঁ’পিয়ে পড়লো অবয়বটা। মুহূর্তেই নিজের ডান হাত দিয়ে কোমরের পেছনে গুঁজে রাখা সেই জিনিসটা টেনে বের করল, যেই জিনিস ও গত নয় বছরে ছুঁয়েও দেখেনি। একটা চকচকে কালো পি’স্ত’ল! পেছন থেকে অন্য একজন ছুটে আসছে বুঝতে পেরে পেছন ঘুরে পি’স্তলের বাঁট দিয়ে লোকটার চোয়ালে সজোরে একটা আঘা’ত করতেই ম’ট করে হাড় ভা’ঙার শব্দ হলো। লোকটা মুখ থুবড়ে র’ক্তব’মি করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল।
– আমার ছেলের দিকে হাত তোলার সাহস কোত্থেকে পেলি তোরা? কলিজা খুব বড় বুঝি?
আহিল পি’স্তলের নলটা সোজা অপর লোকটার কপালে ঠেকিয়ে দিল। ওর গলার স্বর এতটাই নিচু আর ঠাণ্ডা যে শুনলে মেরুদণ্ড দিয়ে হি’মস্রোত বয়ে যায়। পাশে তাকিয়ে আদনানকে ওই নোংরা মেঝেতে ওভাবে গুটিসুটি মে’রে অবহেলায় প’ড়ে থাকতে দেখে আহিলের মাথার ভেতরের শেষ বিবেকটুকুও ছা’ই হয়ে গেল। সে হুঙ্কার দিয়ে বলল,
– কোথায় হাত দিয়েছিস তোরা জানিস না! চিনিস না আমায়! চালাবো বু’লেট? বু লেটটা তোর মা’থার এপাশ দিয়ে ঢুকে ওপাশ দিয়ে বের হবে।

বাবার গলার তীব্র আওয়াজ এবং ধ’স্তাধ’স্তির তুমুল শব্দে আদনানের ঘুম ছুটে গেল। পিটপিট করে ঝাপসা চোখে হিং’স্র চেহারার আহিলকে দেখেও ও একটুও ভয় পেল না। কারণ ওর অবুঝ মন খুব ভালো করেই জানে এই মানুষটা অন্য কেউ নয়, এই মানুষটা ওর সুরক্ষাপ্রাচীর! ও যেন এতক্ষণে ওড়ার জন্য নিজের শক্ত ডানা খুঁজে পেয়েছে।
আদনান দুই হাত বাড়িয়ে ওখান থেকেই চিৎকার করে কেঁদে উঠল,
– বা… বাবা! বাবাআআ!

নূর ই মহব্বত পর্ব ২৩

এই প্রথম! কোনো চকোলেটের লোভ ছাড়া, কোনো জোর জুলুম ছাড়া, এক তীব্র অধিকার, টান আর পরম ভরসায় আদনানের মুখ থেকে নিজের জীবনের শ্রেষ্ঠ এবং বহুল আকাঙ্ক্ষিত ডাকটা শুনল আহিল। যেই ডাক শোনার জন্য সে তৃষ্ণার্তের মতো অপেক্ষা করছিল এমন এক মুহূর্তে সে সেটা শুনতে পেল! ডাকটা শোনা মাত্রই আহিলের ভেতরের সেই ভয়’ঙ্কর রূপটা যেন এক নিমেষে বাতাসে মিলিয়ে গেল।
ও এক সেকেন্ডও দেরি না করে পি’স্তলটা ওভাবেই লোকটার দিকে তা’ক করে রেখে, বাঁ হাত বাড়িয়ে আদনানকে ডাকলো। আদনান ছোট ছোট পায়ে কাছে যেতেই আহিল এক টানে ওকে নিজের বুকের সাথে লেপ্টে নিল। বুকের সমস্ত ওম ঢেলে দিয়ে আদনানের ধুলোমাখা কাঁধে মুখ গুঁজে দিল আহিল। ততক্ষণে পেছন থেকে আরো তিনজন লোক এসে এই দুইজনকে ধরে নিল। আহিল সরে এসে আদনানকে আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে দিতে বিড়বিড় করে বললো,– বাবা এসে গেছে সোনা… তোমার বাবা এসে গেছে। আর কেউ তোমাকে কিছু করতে পারবে না! কেউ মায়ের কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না। কিচ্ছু হয়নি আমার বাবার, কিচ্ছু হয়নি…

নূর ই মহব্বত পর্ব ২৫

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here