Home প্রণয়ের নব্য সূচনা প্রণয়ের নব্য সূচনা পর্ব ২৯

প্রণয়ের নব্য সূচনা পর্ব ২৯

প্রণয়ের নব্য সূচনা পর্ব ২৯
insia isha chowdhury

সূচনা পা টিপে টিপে নিজের ঘরের সামনে চলে এলো। আর তারপর স্থির দৃষ্টিতে প্রণয় এর দিকে নজর দিলো। প্রণয় বিছানায় বসে আছে। বাম হাত কপাল এ রেখে নিজের নয়ন বন্ধ করে রেখে দিয়েছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে বেশ কিছু নিয়ে সে গভীর চিন্তা করছে। সূচনা চোখ জোড়া ছোট ছোট করে নরম গলায় বলল,
“একটা মানুষ এটতা কম সময় কিভাবে ঘুমায়?”

সূচনার কন্ঠ কর্ণপাতে যেতেই প্রণয় সামনের দিকে দৃষ্টিপাত করলো। মেয়েটার পরনে কালো রঙের গোল জামা। মাথায় ওড়না দেওয়া ছিল তা ইতিমধ্যেই মাথা থেকে খুলে পড়ে গেছে। হালকা বাতাসে সূচনার চুল গুলো মৃদুভাবে আছড়ে পড়ছে। গোলাপি ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি।
চোখে হালকা করে কাজল দেওয়া। সবকিছুই নিখুঁত ভাবে প্রণয় পর্যবেক্ষণ করলো।
অজান্তেই প্রণয় এর মনে এক শান্তির প্রশান্তি বয়ে গেল। চোখে নেমে এলো মুগ্ধতা। আচ্ছা সূচনা মেয়েটা প্রণয়কে কিভাবে এতোটা আকর্ষণ অনুভব করায়? মেয়েটার মধ্যে কি আছে? যে প্রণয় তীব্র প্রবল ভাবে এই মেয়েটাকেই সবসময় দেখতে চাই? তার কাছ থেকে মেয়েটা সামান্য দূরে গেলেই প্রণয় কেন এত অস্থির হয়ে ওঠে? এইসব প্রশ্নের উত্তর প্রণয়ের জানা নেই। সে কেবল এতটুকুই জানে যে এই মেয়েটা তার অর্ধাঙ্গিনী। তিন কবুল পড়ে যাকে প্রণয় নিজের করে নিয়েছে। আর প্রণয় এই মেয়েটাকে অসম্ভব ভালোবাসে। অনুভব করে এই মেয়েটা তার অর্ধেক অংশ।

আর এমন মনভুলানো দৃশ্যটা দেখে প্রণয়ের মনে হলো সময়টা বোধহয় এখানেই থেমে যাওয়া উচিত। সে যদি সারাজীবন এমন দৃশ্য দেখে তাহলে হয়তো তার নয়ন আর হৃদয় কখনো ক্লান্ত হবে না।
প্রণয় এমন স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে‌ দেখে সূচনা কিছুটা হকচকিয়ে গেল। ওর মুখে কি কিছু লেগে আছে? মেয়েটা দৌড়ে গিয়ে আয়নার কাছে চলে গেল। আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব দেখল পরখ করলো নিজেকে। কই তার মুখে তো কিছুই লেগে নেই। সবকিছুই তো স্বাভাবিক আছে। তাহলে মানুষটা এইভাবে কি দেখছে? সূচনা প্রণয়ের পাশে গিয়ে বসে পড়লো। আর অপকটে জিজ্ঞাসা করল,

“এভাবে কি দেখছেন?”
একরাশ মুগ্ধতা নিয়ে প্রণয় উওর দিল,
“আমার প্রিয়তমাকে।”
সূচনা নজর ঝুঁকিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে লজ্জা মিশ্রিত ভাবে একটু হাসলো। তারপর আবার দুষ্টু হাসি দিয়ে বলল,
“তা মিস্টার প্রফেসর সাহেব আপনি এতো তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়লেন কিভাবে?”
প্রণয় কিছু বলল না বরং সূচনার দিকে এগিয়ে গেল। মুখটা নামিয়ে সূচনার কপালে ভালোবাসার পরশ এঁকে দিল। সূচনা লজ্জায় মুখটা ঘুরিয়ে নিল।
প্রণয় সূচনার কানের কাছে মুখ নিয়ে বলল,
“প্রফেসর সাহেব নামটা সুন্দর। আমার পছন্দ হয়েছে। কিন্তু তোমার জন্যই তো আমার সাধের ঘুমটা ভেঙে গেল।”

প্রণয় কথা শেষ করে সজোরে একটা কামড় বসালো মেয়েটার কানের লতিতে। মেয়েটা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখালো মৃদু চিৎকার করলো। আর প্রণয়ের বাহুতে হাত দিয়ে হালকা করে একটা মারলো। আর সাথে সাথেই প্রতিবাদ করে বললো,
“মোটেই না আপনি একটা মিথ্যাবাদী। আমি এই ঘর থেকে তখনই বের হয়েছি যখন দেখলাম আপনি গভীর ভাবে ঘুমিয়ে পড়েছেন। আমি এসির টেম্পারেচার একদম ঠিক রেখেছি। আপনি যেই বই পড়ছিলেন ওইটা সুন্দর করে ডেস্কে রেখে দিয়েছি। এত কিছু করলাম আপনার জন্য প্রফেসর সাহেব। আর আপনি কিনা আমাকেই বলছেন যে আমার জন্যে আপনার সাধের ঘুমটা ভেঙ্গে গেছে?
আমি কোন দোষ করিনি তবু আমাকে দোষ দিচ্ছেন। আপনার তো শাস্তি পাওয়া উচিত।”
বরই দুঃখী কন্ঠস্বর মেয়েটার গাল ফুলিয়ে ঠোঁটটা উল্টে দিলো। এমন দৃশ্য দেখে প্রণয় কি বলবে ভাষা হারিয়ে ফেলল। তার বউ রাগ করছে কিন্তু সে কিভাবে বোঝাবে যে তার বউ ঘরে থেকে চলে যেতেই তার কিছুক্ষণ পরেই সে ঘুম থেকে উঠে পড়েছে। সূচনা এখনো ঠোঁট গাল ফুলিয়ে ক্ষীপ্ত নয়নে তার প্রফেসর সাহেব এর দিকে তাকিয়ে আছে। প্রণয় ডান হাত দিয়ে মাথা চুলকে বলল,

“শাস্তি! কি শাস্তি দেবে সুন্দরী? তুমি এই ঘরে থেকে চলে গিয়েই তো আমাকে শাস্তি দিয়েছো। আর কি শাস্তি দিতে বাকি রেখেছো? হুম বলো?”
“এইসব কথা বাদ রাখুন। আগে বলুন কেন ডেকেছিলেন? ঋতুর সঙ্গে তখন কথা বলছিলাম ও কিছু একটা জরুরী কথা বলতে চেয়েছিল।”
প্রণয় বিছানা থেকে উঠে ড্রয়ার খুললো। তারপর কাঙ্খিত জিনিসটা দিকে নজর যেতেই সেটি হাতে তুলে নিল। তারপর সূচনার দিকে এগিয়ে দিল। সূচনা দেখলো ছোট একটা বক্স। প্রণয় ইশারায় বাক্সটা খুলতে বললো। সূচনা বাধ্য মেয়ের মতো বাক্সটা খুলে ফেললো। চোখের সামনে ভেসে উঠল চকচকে নূপুর।
এক মূহুর্ত পরেই তার প্রফেসর সাহেব এর কন্ঠস্বর ভেসে এলো,

“তোমার পা জোড়া ফাঁকা থাকায় একদমই ভালো লাগছিল না প্রিয়তমা। তাই আজ শপিংমলে গিয়ে এই নূপুর জোড়া তোমার জন্য পছন্দ করে কিনে এনেছি। তোমার পছন্দ হয়েছে?”
সূচনা কিছু বলল না শুধু প্রণয়ের দিকে নিঃশব্দে তাকিয়ে রইল। প্রণয় সূচনাকে চুপচাপ থাকতে দেখে কিছুটা অবাক হয়ে গেল। প্রণয় ভেবেছিল তার চড়ুই পাখির মতো বউটা খুব খুশি হবে উপহার পেয়ে। তবে কি সূচনার উপহার হিসেবে নূপুর জোড়া পছন্দ হয়নি? তাই প্রণয় উদাস হয়ে বললো,
“কি ব্যাপার তোমার কি নূপুর পছন্দ হয়নি?”
“না না বিষয়টি তেমন নয়।”
“তাহলে কি হয়েছে? এই নূপুর টা দেখে এতো মন খারাপ হয়ে গেল কেন তোমার?”
“আসলে….”
“হুমম আসলে কি?”

“আসলে আপনি আমাকে অনেক উপহার দিয়েছেন কিন্ত আমি আপনাকে কিছুই উপহার দিতে পারিনি এই জন্য আমার খুব খারাপ লাগছে।”
কথাটা বলেই সূচনা আরো ভালো করে বসে হাঁটুতে
মাথা দিয়ে রাখলো। প্রণয় কিছু বললো না। সূচনার পায়ের কাছে থাকা বক্স থেকে নূপুর জোড়া বের করলো। তারপর সাবধানে সূচনার পায়ে পড়িয়ে দিতে লাগলো। পায়ে হাতের স্পর্শে সূচনা সঙ্গে সঙ্গে মাথা তুলে ফেললো। কিছু বলবে তার আগেই প্রণয় এক আঙ্গুল দিয়ে সূচনার কোমল ওষ্ঠে রেখে সূচনার কথা থামিয়ে দিল। আর বলল,
“হুঁশ কোনো কথা না আমাকে আমার কাজ করতে দাও।”
সূচনাও চুপ হয়ে গেল। অতঃপর প্রফেসর সাহেব সুন্দরভাবে তার পিচ্চি বউকে দুই পায়ে নূপুর জোড়া পরিয়ে দিল আর নিজের ঠোঁটের ছোঁয়া দিতেও ভুললো না। সূচনা তাৎক্ষণিক পা হালকা সরিয়ে নিল। আর অস্ফুট স্বরে বলল,

“আ..আরে কি করলেন এটা? আ…আমার পায়ে কেন?”
“তুমি সম্পূর্ণ আমার। পায়ে চুমু দিয়েছি তো কি হয়েছে?”
সূচনা নিজের চিবুক লজ্জায় প্রায় গলায় ঠেকিয়ে দিয়েছে। বিয়ের দিন প্রণয়কে দেখে সূচনার যেই অনূভুতি কাজ করেছিল ভয়প্রীতি তা আর এখন নেই। সবকিছুই কোথায় যেনো হারিয়ে গেছে। সূচনা তার প্রফেসর সাহেবকে ভালোবেসে ফেলেছে। সূচনা প্রণয়ের সম্পর্কে আগে যা ভেবেছিল এখন সবকিছুই উল্টো হয়ে গেছে। প্রণয় সূচনার ভাবনার থেকেও তাকে বেশি ভালোবাসছে। সম্মান করছে ওকে নতুন করে স্বপ্ন দেখিয়েছে যা সূচনা পরিবারের চাপে প্রায় হারিয়ে ফেলেছিল। মেয়েটা বাড়িতে অনেক দুষ্টুমি করতো। তখন ও প্রায় বাড়ির মানুষদের মুখে শুনেছে যেই কথা গুলো তা হলো,
“এই সব আচার আচরণ পাল্টাতে হবে সূচনা। এত বড় হয়েছো এখনও বাচ্চাদের মত স্বভাব গেল না।”

হ্যাঁ বাড়িতে সবাই তাকে ভালোবেসেছে। কিন্তু এমন অনেক বিষয় ছিল যা সূচনার পরিবার বুঝতে পারেনি। তবে প্রণয় সূচনাকে বুঝেছে। ওর বাচ্চাদের মতো আচরণ উল্টাপাল্টা কথা বা যেকোনো কাজকর্মে প্রণয়ের ওকে সাহায্য করা। আর সূচনা যখন বুঝলো তার আচরণে প্রণয় তাকে বাধা দিচ্ছে না বরং উল্টো প্রণয় তাকে উড়তে সাহায্য করছে সেই মুহূর্ত থেকেই সূচনা নিজেও প্রণয়কে ভালোবেসে ফেলেছে। আর মেয়েরা কেবল তার সঙ্গেই বাচ্চাদের মতো আচরণ করে যার সঙ্গে সে সবথেকে বেশি কোমল ভালোবাসার,
বিশ্বাস যত্নের আর সম্মান পেয়ে থাকে।”

এক মূহুর্ত পরেই সূচনা দুহাত দিয়ে প্রণয়ের গলা জড়িয়ে ধরলো আর পরম আবেশে তার একান্তই ব্যক্তিগত পুরুষের বুকে মাথা রেখে দিল। প্রণয় ও সূচনাকে জড়িয়ে নিল নিজের বুকের সাথে শক্ত করে। পরের মুহূর্তেই সূচনার কন্ঠস্বর ভেসে এলো,
“আচ্ছা আমার বিয়ের দিন তো আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। তাহলে আমাকে ঘরে কে রেখে এসেছিল?”
প্রণয় কিছুই বলল না। শুধু মুহূর্তের মধ্যেই দুহাতের আজলায় সূচনার ছোট্ট, কোমল দেহটা তুলে নিল কোলে। হঠাৎ এমন কাণ্ডে সূচনা অস্পষ্ট আর্তনাদ করে উঠল। প্রণয় মৃদু হেসে বলল,
“শুধু মুখে বলব কেন? কাজে করে দেখিয়েই দিচ্ছি। দেখে নাও, কীভাবে ঘরে এসেছিলে!”
সূচনা সঙ্গে সঙ্গে ছটফট করতে করতে বলল,
“আরে আরে! কী করছেন? নামান আমাকে! আমার দরজা বন্ধ করতে একদম মনে ছিল না।”
প্রণয় একবার দরজার দিকে তাকাল। দরজায় অবশ্য পর্দা টানা রয়েছে। তবুও সূচনার অস্থিরতা দেখে তার ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল।

“হ্যাঁ তো কী হয়েছে? তুমি আমার বিয়ে করা বউ।”
কথাটা বলে প্রণয় আলগোছে দরজাটা বন্ধ করে দিল। সূচনার ঠোঁটের কোণে লুকোনো হাসি ফুটে উঠল। হালকা স্বরে বলল,
“উফ! আমাকে ছাড়ুন।”
প্রণয়ও মৃদু হেসে সূচনাকে কোলে নিয়েই এদিক-ওদিক দু-একবার ঘুরিয়ে বলল,
“আমি তোমাকে কোনোদিনই ছাড়ব না।”
কথাটা বলেই প্রণয় ঘরের স্মার্ট স্পিকারের দিকে তাকিয়ে স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলল,
“হেই গুগল, ‘হাম নাবাব’ গানটা প্লে করো।”
মুহূর্তের মধ্যেই ঘরের নীরবতা ভেঙে সফট ভার্সনে গানটি বেজে উঠল। গান শুরু হতেই সূচনা অবাক চোখে প্রণয়ের দিকে তাকিয়ে বলল,

“আশ্চর্য! এভাবে হঠাৎ গান কেন বাজাচ্ছেন?”
প্রণয় কোনো রকম দ্বিধা ছাড়াই উত্তর দিল,
“আমার ওয়াইফের সঙ্গে কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করব, এজন্য।”
সূচনা এবার প্রণয়ের ঘাড়ে আলতো করে আঙুল বুলিয়ে তার চুল আঁকড়ে ধরে মুচকি হেসে বলল,
“আচ্ছা, তাই? কিন্তু আপনি তো আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না!”
প্রণয় ভ্রু কুঁচকে বিস্ময়ে বলল,
“কেন? তুমি কি তোমার প্রশ্নের উত্তর পাওনি?”
“না, পাইনি। আপনি তো বললেন না! তাহলে আমি কীভাবে আমার প্রশ্নের উত্তর পাব?”
প্রণয় এবার আর কোনো কথা বলল না। শুধু সূচনার কপালে আলতো করে একটি চুমু এঁকে দিল। তারপর গালে মৃদু চুমু ছুঁইয়ে হেসে বলল,

“আমার বউকে আমি ছাড়া আর কে কোলে করে ঘরে নিয়ে যাবে?”
কথাটা শুনে সূচনার মুখে লজ্জা আর মিষ্টি হাসি ফুটে উঠল। সূচনার কাঁধে আলগোছে পড়ে থাকা ওড়নাটার একপ্রান্ত প্রণয় হাতে তুলে নিল। তারপর মৃদু টানে ওড়নাটা মাথার ওপর তুলে দুজনকেই তার কোমল আড়ালের ভেতর আবদ্ধ করে নিল।
হঠাৎ চারপাশের সবকিছু যেন তাদের দুজনের কাছ থেকে দূরে সরে গেল। ওড়নার সেই ছোট্ট আড়ালে কেবল প্রণয় আর সূচনা। আর তাদের দুজনের নিঃশব্দ ভালোবাসা। প্রণয়ের খোঁচা খোঁচা দাড়ি আলতো করে সূচনার গালে ছুঁয়ে যেতেই সূচনা খিলখিল করে হেসে উঠল। সেই হাসির মায়ায় প্রণয়ের ঠোঁটেও ফুটে উঠল প্রাণখোলা হাসি।
কয়েক মুহূর্ত দুজনেই শুধু হাসল। চোখে চোখ রেখে, এতটা কাছাকাছি থেকেও যেন একে অপরকে নতুন করে নতুন রূপে এক অন্যরকম অনুভূতিতে আবিষ্কার করল। তারপর প্রণয়ের দুষ্টুমিভরা হাসিটা ধীরে ধীরে কোমল হয়ে এলো। সে তার প্রিয়তমার মুখের দিকে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। মুহূর্তের জন্য সময় থমকে দাঁড়াল।

প্রণয়ের নব্য সূচনা পর্ব ২৮

অবশেষে প্রণয় ধীরে ধীরে সূচনার আরও কাছে ঝুঁকে পড়ল। ভালোবাসায় ভরা এক কোমল চুম্বনে ছুঁয়ে দিল তার প্রিয়তমার ঠোঁট।
সেই মুহূর্তে ওড়নার আড়ালটুকু হয়ে উঠল তাদের নিজস্ব এক ছোট্ট পৃথিবী। যেখানে বাইরের কোনো শব্দ নেই, কোনো ব্যস্ততা নেই; আছে শুধু দুজন মানুষের গভীর ভালোবাসা আর একে অপরের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার এক অপূর্ব অনুভূতি।

প্রণয়ের নব্য সূচনা পর্ব ৩০