প্রফেসর উজান চৌধুরী পর্ব ২৬
বন্যা সিকদার
কথাটা শেষ করেই মৌ এক দৌড়ে সেখান থেকে হাওয়া হয়ে গেল। যাওয়ার সময় সে এক পলকের জন্যও পেছনের দিকে ফিরে তাকাল না। আর ওদিকে উজান রাগে আর বিস্ময়ে স্তম্ভিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
এমন সময় হুট করেই শিরিন উজান’কে জরিয়ে ধরলো। আর সাথে সাথে শিরিনে’র গালে এক সজোরে থাপ্পড় বসিয়ে দিল উজান। এমনিতেই মৌ’য়ের এমন অদ্ভুত কাণ্ডে সে মনে মনে প্রচণ্ড বিরক্ত ও ক্ষিপ্ত ছিল‚ তার ওপর এই ছেঁচড়া মেয়েটার বেহায়াপনা তাকে একদম অতিষ্ঠ করে তুলেছে। সে রাগে অন্ধ হয়ে শিরিনে’র মুখটা শক্ত করে চেপে ধরল এবং দাঁতে দাঁত পিষে বাঘের মতো গর্জন করে বলল‚
“তোকে আমি শতবার বলেছি না যে আমার থেকে সবসময় দূরে দূরে থাকবি? কিন্তু তুই কোন স্তরের নির্লজ্জ যে বারবার ওমন কুকুরের মতো আমার কাছে ছুটে আসিস? নেক্সট টাইম যদি তোকে আমার বা আমার বউয়ের আশেপাশেও ঘুরঘুর করতে দেখি‚ ট্রাস্ট মি তোকে একদম শুট করে দেব! জাস্ট ফিনিশ। উজান চৌধুরী তোর মতো থার্ড ক্লাস মেয়েদের পাত্তা দেয় না। সে ওয়ান অ্যান্ড অনলি তার মিসেস চৌধুরীকেই ভালোবাসে। সো‚ বি কেয়ারফুল।
যেহেতু এই ঘটনা আর কথাবার্তাগুলো শিরিনে’র ব্যক্তিগত কেবিনের ঠিক আড়ালে হচ্ছিল‚ তাই কলেজের অন্য কেউ তাদের এই রুদ্রমূর্তি আর বাকবিতণ্ডা দেখতে পেল না। শিরিন এক হাত দিয়ে নিজের লাল হয়ে যাওয়া গালটা চেপে ধরে চরম অবাক ও অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। এই অহংকারী ছেলেটাকে সে কোনোভাবেই নিজের বশে আনতে পারছে না। কিন্তু উজান চৌধুরীকে না পেলে যে তার চলবেই না। উজান তার দিকে আবারও এক তীক্ষ্ণ ও মারমুখী নজরে তাকিয়ে কড়া গলায় আওড়াল‚ “বাই দ্য ওয়ে‚ ওই পিচ্চিটা তোর সাথে কিসের ডিল করেছে‚ হ্যাঁ? সত্যিটা কী‚ আমি এখনই শুনতে চাই!
শিরিন উজানে’র এমন ভয়ঙ্কর রূপ দেখে ভয়ে তোতলাতে তোতলাতে বলে‚ “ত ত ত৷ তেমন কিছু না উজান।
“আমি তোকে লাস্ট টাইম বলছি পিচ্চি তোকে কী বলেছে তাড়াতাড়ি বল।
উজান আরও এক পা এগিয়ে এসে ধমকে উঠল। উজান তার দিকে ওভাবে তেড়ে আসায় শিরিন ভয়ে একদম ঘাবড়ে গেল। তার চোখ-মুখে তখন ভয় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে‚ যা সিআইডি এজেন্ট উজানে’র তীক্ষ্ণ চোখ এড়াতে পারল না। সে চোখ রাঙিয়ে তাকাতেই শিরিন আর কথা লুকাতে পারল না। “তোকে লাস্ট ওয়ার্নিং দিলাম। এরপর ডিরেক্ট…
বাকি কথা শেষ হওয়ার আগেই শিরিন গড়গড় করে কাঁপতে কাঁপতে সব বলতে শুরু করল। “বলছি বলছি উজান‚ প্লিজ মেরো না আমায়! তোমার ওই বউ‚ আই মিন মৌ তোমাকে আমার কাছে বন্ধক রেখেছে এবং এর বিনিময়ে আমার কাছ থেকে সব পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগেভাগে চেয়ে নিয়েছে। এটাই ডিল হয়েছে আমাদের দুজনের মধ্যে, ট্রাস্ট মি! এর বাইরে আর কিচ্ছু নয়।
“হোয়াটটটটটটট?
শিরিনে’র মুখ থেকে সত্যিটা শোনামাত্রই উজান পুরো করিডোর কাঁপিয়ে এক বিকট চিৎকার দিয়ে উঠল! বিচ্ছু মেয়ে তলে তলে এত বড় ফন্দি এঁটে বসে আছে? প্রশ্ন ফাঁসের লোভে নিজের বরকে অন্যের কাছে বন্ধক দিয়ে দিল। কথাটা ভাবতেই উজানে’র পুরো গা শিউরে উঠল। এখন সে বুঝতে পারছে সামনে পরীক্ষা থাকার পরেও মেয়েটা কেন দিনরাত ওমন রিল্যাক্সে টইটই করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এই ধুরন্ধর মেয়েকে এখনই সাইজ না করলেই নয়। উজান নিজের কপালে হাত দিয়ে চরম হতাশায় বিড়বিড় করে উঠল।
“শাশুড়ীর মেয়ে করেছেটা কী? নিজের জামাইকে কেউ এক্সের কাছে বন্ধক দেয়? তুই কোন লেভেলের জাউড়া মেয়েকে বউ করেছিস উজান। এর থেকে কচু গাছের সাথে ফাঁসি দিতি‚ সেটাও ভালো ছিল।
উজানে’র এমন কথাবার্তা শুনে শিরিনে’র মুখটা পুরো থমথমে হয়ে গেল। সে প্রচণ্ড ভয়ে এক পা দু পা করে পেছনের দিকে পিছিয়ে যেতে লাগল। ওমনি উজান খপ করে তার হাতটা চেপে ধরে চোখ রাঙিয়ে তাকাল‚ “শাঁকচুন্নি এখনই পালাচ্ছিস কোথায়? তার আগে বল‚ আমার ওই অবুঝ আর নিষ্পাপ বউটাকে তুই-ই এই কু-বুদ্ধি দিয়েছিস তাই না?
শিরিন আমতা আমতা করে। “আ আ আ আমি কেন তোমার বউকে এমন বুদ্ধিসুদ্ধি দিতে যাবো হ্যাঁ? তোমার বউই তো নিজে থেকে আমার কাছে এসে সাধল‚ এমনকি দুটো বিষয়ের প্রশ্নপত্র অলরেডি নিয়েও গেল! আর এখন তুমি সব দোষ আমার ঘাড়ে দিচ্ছো উজান?
“তোরই দোষ। আমার বউ না হয় অবুঝ কিন্তু তুই কালনাগিনী আবার ড্যাং ড্যাং করে কীভাবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন দিলি? বিড়ালের বাচ্চার মতো বউটা আমার এমনিতেই পড়তে চায় না‚ এখন তোর জন্য একবারে গোল্লায় যাবে! যদি আমার বউ পরীক্ষায় ফেল করে‚ তবে তোকে নর্দমায় চুবাবো। কালনাগিনী‚ নিজের দোষ ঢাকতে আমার নাবালিকা বউটার ওপর দোষ চাপাস।
শিরিন’কে ওখানেই দাঁড় করিয়ে রেখে উজান এক প্রকার দৌড়ে মৌ’য়ের সন্ধানে রওনা হলো। পরীক্ষার আগের দিন প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গেছে আর সেটা কি না প্রিন্ট করেছে প্রফেসরের ওয়াইফ। এই কথা জানাজানি হলে কি হবে? উজান আর কিছু ভাবতে পারছে না‚ অস্থির মাথায় সে করিডোর দিয়ে দ্রুত পা চালাল।
এদিকে মৌ ক্লাসরুমে ঢুকেই খুশিতে সবার সামনে ধেই ধেই করে নাচতে শুরু করেছে। স্বামী’কে বন্ধক দিয়ে যে এত বড় একটা মুশকিল আসান হয়ে যাবে‚ সে তা ভাবতেই পারেনি। যে কাজটা উজানে’র হাত-পা ধরেও করা সম্ভব হয়নি‚ সেটা ওই শিরিন ডাইনিকে দিয়ে কত সহজেই না হয়ে গেল। এখন অন্তত সে কোনো টেনশন ছাড়া বিন্দাস পরীক্ষা দিতে পারবে। হঠাৎ ললিতা তার সামনে এসে দাঁড়িয়ে কপাল কুঁচকে তাকাল। ললিতা’কে দেখা মাত্রই মৌ মুখ বাঁকিয়ে অন্য দিকে সরে গেল। এই মেয়েটাকে দেখলেই তার গা জ্বালা করে‚ পুরো দিনটাই মাটি হয়ে যায়। অথচ যেখানেই যায়‚ এই আপদটার সাথেই দেখা হয়। ললিতা হাত গুটিয়ে বাঁকা গলায় প্রশ্ন করল‚
“পাগলের মতো ওভাবে নাচছিস কেন ?
”ভাতারের কথা মনে পড়েছে‚ তাই নাচছি। আমার ইচ্ছে হলে আমি গাইব‚ লাফাব‚ তাতে তোর কী হ্যাঁ? সর ওখান থেকে ডাইনি একটা।
এরপর মৌ গিয়ে নিজের বেঞ্চে ধপ করে বসল। তার এমন ত্যাঁড়োমুখো উত্তর শুনে ললিতা একটুও খুশি হতে পারল না বরং তার মনে একরাশ ক্ষোভ ও হিংসা জমা হলো। ঠিক তখনই ক্লাসরুমের দরজা দিয়ে হুরমুরিয়ে ভেতরে ঢুকল উজান। প্রফেসরকে এভাবে হঠাৎ ক্লাসে ঢুকতে দেখে সব ছাত্র-ছাত্রী তড়িঘড়ি করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেল। এখন তো উজানে’র ক্লাস নেওয়ার সময় নয়, তবে সে কেন এই অসময়ে এল? তা কেউ বুঝতে পারল না। উজান কোনো দিকে না তাকিয়ে সোজা মৌ’য়ের বেঞ্চের সামনে গিয়ে দেয়ালের মতো শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। পেছন থেকে ললিতা আমতা আমতা করে প্রশ্ন করল।
“স্যার অ্যানি প্রবলেম?
উজান ললিতার দিকে এক পলকও না তাকিয়ে চরম বিরক্তিকর কণ্ঠে উত্তর দিল। “নো‚ সিট ডাউন। আর মিস তাসফিয়া মৌ‚ প্লিজ কাম টু মাই কেবিন।
উজানে’র গম্ভীর কণ্ঠের আদেশ শুনে মৌ মোটেও ভয় পেল না বরং সে উজানে’র দিকে তাকিয়ে একদম বত্রিশটা দাঁত কেলিয়ে হাসল। পুরো ব্যাপারটা বুঝতে না পারলেও সে খানিকটা আন্দাজ করতে পারছে যে উজান কেন এখন হন্যে হয়ে এখানে ছুটে এসেছে। সে উজান’কে বিন্দুমাত্র পাত্তা না দিয়ে‚ নিজের চুলগুলো আঙুল দিয়ে পেছনে উড়িয়ে বেশ ভাব নিয়ে বলল‚
”সরি স্যার আপনার সাথে আমি যদি এখন যাই তবে আমার বয়ফ্রেন্ড বড্ড রাগ করবে। সে একদমই চায় না যে আমি অন্য কোনো পর পুরুষের সাথে একা কোথাও যাই।
মৌ’য়ের মুখ থেকে এমন অদ্ভুত ও অভাবনীয় উত্তর শুনে উজান ভরা ক্লাসের মাঝখানেই পুরো ভ্যাবাচেকা খেয়ে থমকে গেল। জীবনে সে অন্তত নিজের বউয়ের কাছ থেকে এমন বাঁশ মার্কা উত্তর আশা করেনি।
মৌ’য়ের এমন আজব উত্তর শুনে ক্লাসের সবাই একযোগে হো হো করে হাসতে শুরু করল। উজান নিজের রক্তচক্ষু নিয়ে পুরো ক্লাসের দিকে একবার তাকাতেই মুহূর্তের মধ্যে পিনপতন নীরবতা নেমে এলো‚ সবাই একদম চুপ। উজান নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে দাঁতে দাঁত চেপে আবারও বলল‚ “মিস মৌ! আপনি কি ভদ্রভাবে আমার সাথে আমার কেবিনে যাবেন নাকি…..
উজানে’র কথা শেষ হওয়ার আগেই মৌ ডেস্কে হাত রেখে ফিসফিস করে বলে‚ “সরি স্যার আমি যেতে পারব না। আমার বয়ফ্রেন্ড দেখলে আমার সাথে ব্রেকআপ করে দেবে। আপনার যা বলার আপনি প্লিজ এখানেই বলুন।
“জাস্ট ফাইভ মিনিটস। এর মধ্যে আপনাকে আমি আমার কেবিনে দেখতে চাই‚ নয়তো আপনার পরীক্ষার খাতার নম্বর কেটে জিরো করে দেওয়া হবে‚ জাস্ট মাইন্ড ইট!
একদমে কড়া আলটিমেটাম দিয়ে উজান গটগট করে ক্লাসরুম থেকে বেরিয়ে চলে গেল। উজানে’র যাওয়ার দিকে তাকিয়ে মৌ এবার শুকনো ঢোক গিলল। সে যাবে কি যাবে না‚ তা নিয়ে গভীর ভাবনায় পড়ল। লোকটা বড্ড এক কথার মানুষ; যদি সত্যি সত্যি না যাওয়ার অপরাধে তার পরীক্ষার নম্বর কমিয়ে দেয়‚ তখন কী হবে? কিন্তু অনেক ভেবেচিন্তেও মৌ শেষ পর্যন্ত কেবিনে গেল না। কারণ সে খুব ভালো করেই জানে‚ এখন উজানে’র কেবিনে একা একা গেলে তার ওপর দিয়ে অনেক বড়সড় ঝড় বয়ে যাবে। তার চেয়ে বরং বাসায় গিয়ে উজানে’র মান ভাঙানো অনেক সহজ‚ সেখানে তার রাগ সামলাতে খুব বেশি বেগ পেতে হবে না। এই ভেবে সে মনকে সান্ত্বনা দিয়ে একদম রিল্যাক্সে রইল।
বিকেলের দিকে হসপিটালের সামনে এসে অটোরিকশা থামতেই মৌ আর মেহের দুজনেই নেমে পড়ল। আজ অনেক দিন পর তারা সাব্বির’কে দেখতে এসেছে। অবশ্য উজানকে এই ব্যাপারে কিছুই জানানো হয়নি‚ পুরো বিষয়টাই গোপন রাখা হয়েছে। কিন্তু অটোরিকশা থেকে নামতেই ঠিক পেছনের একটা গাড়ির অনবরত কর্কশ হর্ন শুনে মৌ মেজাজ হারিয়ে চেঁচিয়ে উঠল। “কোন শয়তানের নাতি রে ওমন কানের কাছে হর্ন দিচ্ছিস? তোকে এক লাথি দিয়ে উগাণ্ডায় পাঠিয়ে দে….
বলতে বলতে যেমনই মৌ পেছনের দিকে তাকাল‚ অমনি সে পুরো গ্যাস বের হওয়া বেলুনের মতো চুপসে গেল। উজান নিজের স্পোর্টস বাইকটার ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মৌ’য়ের কলিজা যেন শুকিয়ে কাঠ! মানুষটাকে না বলে এত লুকিয়ে তারা এখানে এলো‚ অথচ সে কি না ঠিক তাদের পেছনেই এসে হাজির। উজানে’র চোখ-মুখ দেখেই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে সে ভেতরে ভেতরে প্রচণ্ড রেগে আছে। উজান নিজের বাইকটা এক পাশে পার্ক করে দু-হাত বুকে বেঁধে মৌ’য়ের মুখোমুখি এসে দাঁড়াল। তারপর একরাশ গাম্ভীর্য নিয়ে গম্ভীর স্বরে আওড়াল‚
“মিসেস চৌধুরী! কী যেন বলছিলেন আমায়? কাকে লাথি দিয়ে উগাণ্ডায় পাঠাবেন শুনি?
মৌ জিব কেটে কাঁদোকাঁদো মুখে তোতলাতে তোতলাতে বলল‚ “আ আ আপনি? না না আমি আপনাকে কিছু বলিনি তো।
এই বলেই সে ওখান থেকে এক দৌড়ে পালাতে চাইল। কিন্তু উজান চিল পাখির মতো ক্ষিপ্র গতিতে খপ করে মৌ’য়ের নরম হাতটা শক্ত করে ধরে ফেলল। সে নিজের দাঁতে দাঁত পিষে কটমট করে তাকালো।
“উজান চৌধুরীর চোখ ফাঁকি দেওয়া? এত বড় সাহস। স্বামী বন্ধক রেখে প্রশ্ন আউট করা‚ আবার এখন না বলে হসপিটালে আসা? চল বাসায়‚ আজ তোমাকে খুব ভালো করে মজা দেখাচ্ছি।
এরপর উজান এক প্রকার জোর করেই মৌ’য়ের হাত ধরে হসপিটালের ভেতরে ঢুকে পড়ল। মেহের এতক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে পুরো দৃশ্যটা দেখছিল‚ এবার সেও মুচকি হাসতে হাসতে তাদের পিছু পিছু হাঁটতে লাগল। উজান করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময়ও কটমট দৃষ্টিতে তাকিয়ে মৌ’কে ইচ্ছেমতো শাসিয়ে যাচ্ছিল‚ যা দেখে মেহের নিজের ঠোঁট চেপে হাসি সামলানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা সাব্বিরে’র কেবিনের একদম সামনে চলে এলো। কেবিনের দরজার হাতল ধরার ঠিক আগ মুহূর্তে উজান হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত কড়া গলায় ফিসফিস করে প্রতিধ্বনি করল।
প্রফেসর উজান চৌধুরী পর্ব ২৫
“একদম চুপচাপ ভেতরে ঢুকবে আর সাধারণ সৌজন্যবশত সাব্বির’কে ভালো-মন্দ জিজ্ঞেস করবে। ভুলেও যদি তাকে জড়িয়ে-টরিয়ে ধরেছ‚ তবে সোজা নিয়ে গিয়ে তেঁতুল গাছে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখব। জাস্ট মাইন্ড ইট মিসেস চৌধুরী!
কে শোনে কার কথা। সঙ্গে সঙ্গে…..
