Home প্রিয় জারুলফুল প্রিয় জারুলফুল পর্ব ৭

প্রিয় জারুলফুল পর্ব ৭

প্রিয় জারুলফুল পর্ব ৭
সাদিয়া সাদু

দরজায় প্রবল কড়াঘাতে চোখ খোলে জারুল ‌। পিটপিট করে তাকিয়ে হাতড়ে ফোন খুঁজে , ফোনে সময় থেকে দুই ভ্রু আড়াআড়ি করে । সবে আজান দিয়েছে ।
এখন আবার কে ?
জারুল ফের বিছানায় গা এলিয়ে দেয় । কিন্তু দরজার অপর পাশ থেকে কড়াঘাতের শব্দ যাচ্ছে না । একেরপর এক ধাম-ধুম শব্দে মুখ দিয়ে চ সূচক শব্দ করে বিছানা থেকে উঠে ঢুলতে ঢুলতে মৃদু পায়ে দরজার কাছে যায় । দরজায় ডোর ভিউয়ারে চোখ রাখতেই ধরফরিয়ে উঠে বক্ষ যুগল। চোখ দু’টো হাত দিয়ে পরিষ্কার করে আবারো ডোর ভিউয়ারে চোখ রাখে‌ । না সে ঠিকি দেখছে । জিসা ! আর তার সাথে অচেনা একটা ছেলে ।

জারুল কিছু সময় দাঁড়িয়ে রইল স্তব্ধ হয়ে ‌।
তার মনে পড়ে গেলো ঠিক ৬ বছর আগের কথা , ঠিক এই সময়ের তার বাবাকে মেরেছে তারই সামনে ‌ । আর আজ ঠিক এই সময়ে-ই অপরিচিত একজনকে নিয়ে আসছে । এর মধ্যে নিশ্চিত কোনো রহস্য আছে । জারুল দাঁত দিয়ে হাতের নখ খুঁটতে খুঁটতে চিন্তায় দরজার সামনে বসে পড়লো । অপরপাশ থেকে এখন দরজায় থাপড়ানোর সাথে সাথে ধাক্কাচ্ছে ।
_’ কি করি এখন ? দিগন্তে কে জানালে সমস্যা বাড়বে বয় কমবে না ।’
জারুল কয়েক মিনিট ভেবে উঠে দাঁড়ায়।
বড় বড় পা ফেলে । রান্নাঘর থেক সবজি কাটার দা নিয়ে আসে । দাও হাতে নিয়ে আবারো দরজার সামনে আসে । বড় বড় শ্বাস ফেলে নিজেকে শান্ত করে এক হাত পিছনে রেখে দরজা খোলে ।‌
দরজার অপর পাশ থেকে জিসা বিশ্ব জয় করা একটা হাসির উপহার দেয় ‌ । দুই হাত বুকের সাথে বেঁধে একটু ঝুঁকে বলে ।

_’ ভেবেছিলাম ভয়ে দরজা খুলবি না । তোর সাহস আছে মাইরি । ‘
জারুল একটা বাঁকা হাসি উপহার দেয় । ঠোঁট বাঁকিয়েই বলে ।
_’ নির্লজ্জ দেখছি কিন্তু তোর মতো নির্লজ্জ আমি বাপের জীবনে দেখি নাই । কালকের থাপ্পড়টা গালে এখনো জ্বলজ্বল করছে আর তুই ফের থাপ্পড় খেতে চলে আসলি !’
জারুল এর কথায় জিসার হাত আপনাআপনি চলে যায় গালে । গালটা ঘঁষে দাঁতে দাঁত চেপে বলে ।
_’সেই প্রতিশোধ নিতেই আমার ভাইকে নিয়ে আসছি । জানে মারবো না জাস্ট তোর এই পৃথিবীতে থাকার অধিকারী কেড়ে নিবো। ‘
জারুল নির্লিপ্ত ভাবেই বলে ‌।
_’ এতো কাহিনী করছিস কেনো ? যা চেয়েছিলি তা দিয়ে দিয়েছি তাও আমার পিছনে পড়ে আছিস কেনো ? আর কি চাই ? ‘

_’ খান দের সকল প্রোপার্টি। আর তার একমাত্র উত্তারাধিকার দিগন্ত খানকে । কিন্তু কিন্তু কিন্তুওও তুই থাকলে দিগন্ত আমার দিকে ফিরেও তাকাচ্ছে না ‌ । তাই তোকেই আগে সরাতে হবে যেনো তুই না মরিস আর দিগন্তও তোকে না দেখতে পারে । ‘
জারুল ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে।
পাশের ছেলেটা নির্বাক তাকিয়ে আছে দুইজনের ঝগড়া খুব উপভোগ করলেও জারুল কে তার মনে ধরেছে। মারাত্মক সুন্দরী আর মাথা নষ্ট করা তেজ ।
জারুল ছেলেটার চাহনি আড় চোখে একবার পরখ করে ।
আবারো জিসার দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় ।
_’ তোর স্বার্থ বুঝলাম কিন্তু তোর পিছনে থেকে যে কলকাঠি নাড়ছে তার স্বার্থটা ঠিক বুজতে পারলাম না । ‘
_’ সময় হলেই বুঝবি । এই রাকিব । এই সুন্দরী আজকের জন্য তোমার । ‘
কথাটা বলে হাই তুলার মতো অভিনয় করে জিসা । পাশ থেকে রাকিব একটু একটু করে দরজা থেকে ভিতরে পা রাখে ।

রাকিবের তাকানো আর জিসার মুখের হাসি দেখে মৃদু কাঁপছে জারুল এর শরীর ‌।
বা হাতটা অনবরত কাঁপছে ‌। গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে আছে । নিজের কাঁপা শরীরটাকে থুয়াক্কা না করে ‌ চোখ দুইটা বন্ধ করে লম্বা শ্বাস ফেলে ততক্ষণে ছেলেটা তার হাত ধরে ফেলেছে । জারুল চোখ দুইটা খোলে
বিসমিল্লাহির বলে হাতের ধারালো দা দিয়ে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে ছেলেটার হাতে কো’প মারে । মুহুর্তেই কাটা স্থান থেকে ফিকনি দিয়ে র*ক্ত গড়িয়ে পড়ছে ‌ ।
ছেলেটা নিজের মনপ্রাণ দিয়ে চিৎকার করে বসে ‌‌ । জিসা ততক্ষণে বড় বড় পা ফেলে দাঁতে দাঁত চেপে ধরে জারুল এর কাছে একে ধরতে গেলে। জারুল পাশ কাটিয়ে দা জিসার গলা বরাবর ধরে দাঁতে দাঁত চেপে ধরে চিবিয়ে চিবিয়ে বলে ‌ ।
_’ আগের জারুল ভেবে থাকলে ভুল করবি ‌। ছয় বছর আগে এতো কিছু করতে পারছিস শুধু আমি প্রেগন্যান্ট ছিলাম বিধায় । এখন আমার মেয়ের গায়ে হাত দি বস দেখা টুকরো টুকরো করে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিবো । ‘
জিসার গলার সাথে ধারালো দা লেগে তাকায় । ভয়ে জড়সড় হয়ে আছে , শরীর পুড়োটা অবস হয়ে পড়েছে ‌ । মাথা থেকে পা পর্যন্ত ঝিনঝিন করছে , তার সাথে পা দুটো যেনো দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে ‌। জিসা শুকনো গলায় ঢোঁক দিলে ছেলেটাকে ইশারা করতেই ছেলেটা তার হাত দিয়ে চুল ধরতে গেলেই জারুল জিসাকে ঘুরিয়ে গলায় দা চালানোর মতো করেই ধরে বলে ‌।
_’ ভালোই ভালোই বেরিয়ে যা নয়তো তোর আম্মাজান থুক্কু তোর পাতানো বোন জীবিত বেরোতে পারবে না । ‘

জিসা ও ভয়ে অস্পষ্ট স্বরে বলে ।
_’চচলো যযা। ‘
ছেলেটা আর দাঁড়ায় না । কাটা হাত চেপে ধরে বেরিয়ে যায় । জারুল আগের ন্যায় দাঁড়িয়ে দাঁতে দাঁত চেপে ধরে বলে ‌।
_’ তোর পিছনে খান বাড়ির আর কে আছে বল ? ‘
জিসা অস্পষ্ট স্বরে বলে ।
_’ ববলছি ববলছি নামা। দা নামা । ‘
_’ এভাবেই বল । ‘
জিসা পর পর কয়েকবার শুকনো ঢোঁক গিলে ‌ ঢলে পড়ে নীচে। জারুল ভ্রু কুঁচকে ‌,
পায়ে লা’থি দেয় ‌ । চিবিয় চিবিয় বলে ।
_’ এই উঠে । অভিনয় করে লাভ নাই উ।’
” মাম্মা। ”

বাকি কথা বলার আগেই পিছন থেকে মেয়ের ডাকে তড়িঘড়ি করে হাতের দা টা পিছনে লুকিয়ে ফেলে ‌ ।
দিয়া দৌড়ে জারুল এর কোমর জড়িয়ে ধরে । নীচে পড়ে থাকা জিসার দিকে। আঙ্গুল তাক করে বলে ‌ ।
_’ পড়ে গেছে কিভাবে? দাঁড়াও আমি পানি নিয়ে আসছি ‌ ‌ । ‘
দিয়া আবারো দৌড়ে রান্নাঘরে চলে গেলে ‌জারুল হাটু গেঁড়ে বসে শ্বাস চেক দেয় ।
কয়েকবার ডেকেও সারা শব্দ না পেলে টেনে দরজার বাহিরে নিয়ে এসে দরজা লাগিয়ে ফেলে ।
দিয়া পানির গ্লাস হাতে নিয়ে দৌড়ে এসে জিসা কে না ফোলা ফোলা ঠোঁট দুটো আরেকটু ফুলিয়ে বলে ।
_’কোই গেছে ।’
জারুল হাঁটু মুড়ে বসে পড়ে মেয়ের সামনে ।
দুই গালে হাত দিয়ে চমকে উঠে । শরীরের তাপমাত্রা অনেক !জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে. জারুল মেয়ের গালে শব্দ করে চুমু খেয়ে
আদুরি গলায় বলে।
_’চলে গেছে আম্মু । তোমার গায়ে তো অনেক জ্বর এই জ্বর নিয়ে নেমেছো কেনো ? ‘
_’ পাপা যাবোউউ।‌’
মেয়ে কথা শুনে লম্বা একটা শ্বাস ফেলে জারুল ‌ ।‌ মেয়েকে বুঝিয় আবারো বিছানায় শুয়ে দিয়ে দরজা খোলে দেখে জিসা আছে না গেছে ।
নাই।
_’ কি ড্রামা বাজ। তোর কপাল ভালো মেয়ে না উঠলে তোর কপালে দুঃখ ছিলো ।”
একা একা বলতে বলতে চলে যায় বিছানায়।

সকাল গড়িয়ে দুপুর নেমেছে ধরণী জুড়ে ।
দিগন্ত গড়ানোর সাথে সাথে দিয়ার শরীরের তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে । কয়েকবার নাপা সিরাপ খাওয়াতে গিয়েও ব্যর্থ হয় জারুল ‌।
মেয়ের স্পষ্ট কথা , পাপা না আসলে খাবে না। জারুল তো ভীষণ অবাক হলো একদিনের দেখাই বাপের প্রতি এতো টান কাজ করছে মেয়ের ! রক্তের টান বড় টান ভেবেই ভিতর থেকে লম্বা একটা দীর্ঘশ্বাস বেড়িয়ে আসে।
মেয়ের পেছন ভাতের প্লেট নিয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে মোলায়েম কণ্ঠে উচ্চ গলায় বলে ।

_’তুমি খেয়ে ওষুধ খেলে পাপা আসবে । আমি কল দিবো । না খেলে আসতে বারণ করে দিবো। ‘
দৌড় থামিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে যায় দিয়া ।
ফোলা ঠোঁট দুটো গোল করে মাকে কিছু বলতে যাবে তার আগেই কলিং বেল বেজে উঠলো ।‌ ছোট ছোট দু’টো হাত দিয়ে লাফিয়ে উঠে। _’ ইয়েহ পাপা এসেছে । ‘
জারুল ভ্রু কুঁচকে ফেললো , সকালের কাহিনী মনে পড়তেই কলিজা কেঁপে উঠলো । জারুল মৃদু পায়ে এগিয়ে ডোর ভিউয়ার চোখ রেখে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো ।‌ দিগন্ত দাঁড়িয়ে আছে ।
জারুল ভারী মুখে দরজা খোলে দেয় ।
দিগন্ত দুই হাতে দুটো দুটো চারটে কাগজের বড় শপিং ব্যাগ নিয়ে হাজির হয় ।
দিয়া বাবাকে দেখে উৎফুল্লে দিগন্তের দুই হাঁটু জড়িয়ে ধরে ।
দিগন্ত ব্যাগ চারটে ফ্লোরে রেখে মেয়েকে কোলে নেয় ,হাসি হাসি মুখটা নিমিষেই আধার নেমে আসে । ডান হাতটা উল্টেপাল্টে কপাল চেক করে মলিন মুখে আদুরে গলায় বলে ।

_’ আম্মাজান আপনার শরীরে তো জ্বর ।‌ওষুধ খেয়েছেন ?’
_’ না সকাল থেকে কিছু খায়নি।‌আমি বুঝতে পারছি না এই শরীর নিয়ে কিভাবে এতো লাফাচ্ছে। ‘
পাশ থেকে জারুল বলে উঠে‌ কথা খানা ।‌
দিগন্ত বিরক্ত মুখে তাকায় জারুল এর পানে। কিন্তু মুখ ফোটে কিছু বলে নি ।‌
দিয়া বাবার কাঁধে মুখ এলিয়ে দেয় ‌ । দিগন্ত মেয়েকে জড়িয়ে বেড রুমে প্রবেশ করে সালমা বেগমকে সালাম দেয় ।
মেয়েকে নিয়ে প্লাস্টিকের চেহারে বসে ।
আগের ন্যায় বলে ।
_’ তোমার জন্য প্রিন্সেস ড্রেস এনেছি। খেয়ে ওষুধ খেয়ে পাপার মতো স্টং হলে ঘুরতে নিয়ে যাবো ‌। ‘
_’ মাম্মাও সটং। ‘
মেয়ের কথায় হেঁসে ফেলে দিগন্ত ।
নিজের হাঁটুতে বসিয়ে খাইয়ে ওষুধ খাইয়ে দেয় । দিয়ার ছোট্ট ক্লান্ত শরীরটা এলিয়ে দেয় দিগন্তের কোলে , দিগন্ত পরম আদরে মেয়েকে জড়িয়ে নেয় ‌। ঘুমিয়ে পড়েছে ।
জারুল দিগন্তের ইশারায়ই বাহিরে আসতে বললে সোজা চলে আসে ‌ ।
ভ্রু দু’টো আড়াআড়ি করে বলে ।

_’ মেয়ে কি ভাই বোন আনার বায়ন ধরেছে ?
দিগন্তের কথায় দাঁতে দাঁত চেপে ধরে জারুল ‌ চিবিয়ে চিবিয়ে বলে ।
_’আগের মতোই নির্লজ্জ আছেন দেখছি । ‘
আপনার ফিওন্স জিসখ খান এসেছিলো সকালে।’
জিসার কথা শুনে দিগন্ত ভ্রু দু’টো কুঁচকে ফেলে । শক্তপোক্ হৃদপিণ্ডে হালকা ধাক্কা কাজ করে জারুল এর কথাটায়
জারুল সকালের সকল কাহিনী বলে থামে ।
মুহুর্তেই দিগন্ত শক্ত করে ফেলে মুখটা।
দাঁতে দাঁত চেপে ধরে । রাগের তোপে হাতের পেশী গুলো ফুলে উঠেছে, কপালের সুক্ষ্ম রগ গুলোও ফুলে উঠেছে । দাঁতে দাঁত চেপে হিসহিসিয়ে বলে ।
_’ আমি ওকে জিন্দা কবর দিয়ে ফেলতে চেয়েছিলাম শুধু তোমার জন্য এইখানে আসার সাহস পেলো ।’
_’ এর পিছনে যে আছে তাকে বের করতে হবে । আজ জিসাকে মারবেন কাল নতুন আরেকজন কে লাগিয়ে দিবে । তাই বলছি কোম্পানির সকল টাকা পয়সা সরিয়ে দেউলিয়া করে দেন সকল রহস্য আপনাআপনি বেরিয়ে আসবে ।‌’

_’ এতো বড় কোম্পানি দেউলিয়া করতে একটু সময় লাগবে ।‌’
জারুল ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরে নিঃশ্বাস ফেলে বলে ।
_’ লাগুক সমস্যা নেই । আপনি এইখানে আসেন এইটা কেউ দেখেছে?
দিগন্ত উপর নিচ মাথা নাড়িয়ে দা বুঝিয়ে ।
গম্ভীর মুখে বলে।
_’ এই বাসা চেঞ্জ করো । আমি আমার মেয়ের লাইফ নিয়ে কোনো রিস্ক নিতে চাই না । প্রয়োজনে আমি গার্ড রেখে দিবো ।‌’
জারুল আর কিছু বলে না ।‌
শান্ত চোখে তাকিয়ে রয় দিগন্তের রাগান্বিত মুখের দিকে যে এই মুহূর্তে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে গভীর মনোযোগ দিয়ে মেয়ের জামা কাপড় গুলো ব্যাগ থেকে বের করছে ।
_’ নাও তৈরি হয়ে আসো । কোথায়ও থেকে ঘুরে আসি ।‌’
জারুল আর দ্বিধা করতে পারে না ।
এতো এতো চিন্তা ঝামেলার মধ্যে নিজেকে একটু সময় দেওয়া উচিত মন মাইন্ড ফ্রেশ থাকে। জারুল আর দাঁড়ায় না । দিগন্তের হাত থেকে শপিং টা নিয়ে চলে যায় ।

রাগে হাঁসফাঁস করছে জিসা । গলায় দা”য়ের দাগ বসে গেছে। তার সামনে পায়ের উপর পা তুলে রাজকীয় ভঙ্গিতে বসে আছে জহুরা ,গজভদ্র মহিলার চোখেমুখে খেলা করছে গভীর এক রহস্যের খেলা।
জিসা কাঁদো কাঁদো করে বলে ।

প্রিয় জারুলফুল পর্ব ৬

_’ নানুমনি ওই বজ্জত জারুল কে তুমি বাড়ে বাড়ে ছেড়ে দিবে ? দেখো আমার ফর্সা মসৃণ গলাটায় কি করেছে। ‘
_’ তুমি আর যাবে না জিসা । বিড়াল থেকে বাঘের রুপ ধারণ করেছে ।‌ ওর ওই রুপ আমি বনের হিংস্র পশু দিয়ে নকশা করে দিবো । জাস্ট ওয়েট এন্ড সী। ‘
জিসাও কান্নার মাঝেও হেসে ফেলে।

প্রিয় জারুলফুল পর্ব ৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here