Home প্রিয় প্রণয়িনী প্রিয় প্রণয়িনী পর্ব ৫৩

প্রিয় প্রণয়িনী পর্ব ৫৩

প্রিয় প্রণয়িনী পর্ব ৫৩
জান্নাত নুসরাত

নীরিবিলি পরিবেশ। কোথাও কোনো পোকার মাকড়ের ডাকার শব্দ শুনা যাচ্ছে না। নুসরাত কে সরতে না দেখে জায়িন এক দৃষ্টিতে নুসরাতের দিকে তাকিয়ে আছে। নুসরাত জায়িনকে শান্ত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকাতে দেখে এক মিনিট বলে মেইন দরজা আটকে দিল। কিচেনের দিকে পা চালিয়ে যেতে যেতে ভাবলো ইসরাতের কাছ থেকে মাল পেয়েছে এবার জায়িনের কাছ থেকে মাল পাবে। শুধু গিফট আর গিফট! আয় হায়!
নুসরাত নিজের চিন্তা-ভাবনা এক পাশে রেখে কিচেনের দিকে অগ্রসর হলো। মিষ্টির রশি এক কোণে অবেহেলায় পড়ে ছিল তা তুলে নিল হাতে। মিষ্টি রশি আর কাঁচি হাতে নিয়ে দৌড়ে দরজার দিকে অগ্রসর হলো। মিষ্টির রশি দরজার এ-মাথা থেকে ও-মাথা পর্যন্ত বেঁধে নিয়ে দরজা খুলল।

দরজা খোলার আওয়াজে জায়িন চোখ তুলে তাকালো।নুসরাত হে হে করে হাসল জায়িনের দিকে তাকিয়ে। নুসরাতের এমন অদ্ভুত হাসি দেখে জায়িন চোখ উল্টে নিল।
“দুল্লাভাই কেমন আছেন? আপার পিছন পিছন দেখছি আপনি ও চলে আসছেন? ওয়াট আ ভালোবাসা আপনাদের?
জায়িন ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসল। নুসরাত যে তাকে ভেঙিয়ে কথাগুলো বলছে তা খুব ভালো জায়িনের বোধগম্য হলো। আজ জায়িন নুসরাত কে ছেড়ে দিল না। পায়ে পা লাগিয়ে নুসরাতের কথার উত্তর দিল।

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

” শালিকা আমি এতো কষ্ট করে আসলাম তুমি চা, কফি, জুস, মিষ্টি না খাইয়ে আমাকে এখানে দাঁড় করিয়ে রেখেছো। তারপর আবার জিজ্ঞেস করছো কেমন আছি? তোমার বোনকে ছাড়া যেমন থাকার কথা সেরকম থেকেছি। তুমি এটুকু আবেগ বুঝলে না শালিকা! ভেরি ভেরি বেড! আমি এটা তোমার থেকে আশা করিনি।
“আরে দুল্লাভাই, সবুর করুন। চা, মিষ্টি, জুস সবই খাওয়াবো আগে শালিকা কে খুশি করে টাকা ঢালুন। তারপর না হয় আপনাকে জামাই আদর করা হবে। আপনার আবেগ মূল্যায়ন করা হবে। যাই বলুন আর তাই বলুন প্রথম বারের মতো এসেছেন শশুর বাড়ি একটু তো পকেট ফাঁকা করতে হবে।
“ফাঁকা করবো শালিকা কিন্তু তুমি তো ভিতরে ঢুকতেই দিচ্ছো না।
নুসরাত হাসল শব্দ করে। জায়িন ঠোঁটে ঠোঁট চেপে হাসি আটকানোর চেষ্টা করলো। অন্ধকারে বোঝা গেল না জায়িনের হাসি আটকানোর দৃশ্য।
নুসরাত ধীর কন্ঠে বলল,

” দুল্লাভাই দেখুন,আপার দুঃখে আপনি অনেক কষ্ট করে আসছেন কিন্তু এখন আপনি যদি এমন পেঁচাল করতে থাকেন আপনার একমাত্র শালিকার সাথে তাহলে তো রাত শেষ হয়ে দিন হয়ে যাবে তবুও আমাদের কথা শেষ হবে না। এক কাজ করুন আপনি আমাকে আমার পাওনা বুঝিয়ে দিন আমি আপনাকে আপনার শশুড় বাড়ির ভিতর বুঝিয়ে দিব।
জায়িন কথা বাড়ালো না। রাশভারী গলায় বলল,
“কত টাকা চাও?
“এটা জিজ্ঞেস না করে জিজ্ঞেস করুন কি চাই?
“আচ্ছা কি চাও তাড়াতাড়ি বলো?

নুসরাত জায়িনের গলায় ঝুলানো ট্রাভেলিং ব্যাগের দিকে তাকিয়ে বলল,”আপনার কার্ড চাই একদিনের জন্য!
জায়িন চুপচাপ কার্ড বের করে দিল। নুসরাত জায়িনের হাত থেকে কার্ড হাতেই নিল না। জায়িন ভ্রু বাঁকিয়ে তাকালো। কপালে ভাঁজ ফেলে বলল,” কি, নিচ্ছ না কেন?
নুসরাত জায়িনের কার্ডের দিকে ফিরে তাকালো না। জায়িনের চোখে চোখ রেখে গলা কিছুটা শান্ত করে বলল,”এটা না।
জায়িন অবাক হয়ে ছোট করে জিজ্ঞেস করলো,

“তাহলে কোনটা?
ভ্রু উপরে তুলে জায়িনের ব্যাগের দিকে ইশারা করলো। জায়িন হা করে তাকিয়ে থেকে বলল,” ব্যাগে কি?
নুসরাত ধীরে ধীরে বলল,
“ব্ল্যাক কার্ড!
জায়িন বাক্য ব্যয় না করে ব্ল্যাক কার্ড নুসরাতকে দিয়ে দিল। নুসরাত কার্ড পেয়ে খুশিতে উৎফুল্ল হুয়ে বলল,”আপনার মতো দুল্লাভাই ঘরে ঘরে হোক,আসুন আসুন ভিতরে আসুন। জায়িন ভিতরে ঢুকতে নিবে নুসরাত বলল, “ওয়েট।
জায়িন কিছুটা বিরক্ত হয়ে বলল,
” আবার কি?
নুসরাত জায়িনের হাতের দিকে কাঁচি এগিয়ে দিল।
“এটা কেটে ফেলুন তো দুল্লাভাই।

জায়িন নুসরাতের হাত থেকে কাোচি নিয়ে ফিতা কেটে ভিতরে ঢুকল।
“আপনি ফ্রেশ হুয়ে আসুন আমি আপনার নাস্তা পানির ব্যবস্তা করছি।
জায়িন হালকা মাথা নাড়িয়ে চলে গেল দু-তলার দিকে। দু-তলা উঠে একবার ইসরাতের রুমের দিকে তাকালো ভিতর থেকে লক করা। নুসরাত ও জায়িনের পিছন পিছন দু-তলা চলে আসলো। জায়িনকে দরজার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে ইসরাতের রুমের বাহিরে একটা বড় তালা মেরে দিল।
” আরে এটা কি করছো? রুমের বাহিরে তালা দিচ্ছো কেন?
নুসরাত তালা দিতে দিতে নিচু গলায় বলল,
“ইসরাতকে সুরক্ষা দিচ্ছি।
জায়িন অনেক ট্রায়াড ফিল করায় নিজের রুমে চলে গেল ফ্রেশ হতে। নুসরাতকে আর ঘাটালো না। দরজা লাগানোর সময় নুসরাতের উদ্দেশ্যে বলল,”আমার জন্য একটা কড়া করে ব্ল্যাক কফি নিয়ে আসো তো।
নুসরাত মাথা নাড়িয়ে কিচেনে চলে গেল। আজ সে জায়িনের সব কথা শুনবে। জায়িন থাকে ব্ল্যাক কার্ড
দিয়েছে। নুসরাত নাচতে নাচতে কিচেনে চলে গেল।

পরদিন সকাল,
ইসরাত রেডি হয়ে নিচে আসলো। নুসরাত আর ইরহাম আজ ভার্সিটি যাবে তাই তারা ও চলে এসেছে নাস্তার টেবিলে। সবাই টেবিলে বসার পর হেলাল সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, “কাল রাতে কে এসেছিল?
নাসির সাহেব বললেন,
” কে আবার আসবে!
ইসরাত বলল,
” কাল রাত দুটো কি তিনটের সময় আমি কলিং বেল এর আওয়াজ শুনেছি। কে এসেছে?
নুসরাত হে হে করে হেসে বলল,
“জায়িন ভাইয়া এসেছে।

নুসরাতের কথা শেষ হতে দেরি হলো না, খাবার টেবিলে এক প্রকার হইচই লেগে গেল। লিপি বেগম নুসরাতের কথা বিশ্বাস করলেন না। তিনি হাতের সেমাইয়ের বাটি টেবিলে রাখতে রাখতে বললেন, ” নুসরাতের কথা বিশ্বাস করো না তো, একটু পরে বলবে মজা করছে।
যতো তাড়াতাড়ি হইচই শুরু হয়েছিল তার থেকে দ্বিগুণ তাড়াতাড়ি খাবার টেবিল আবার নিস্তব্ধ হয়ে গেল। নাজমিন বেগম নুসরাতের মাথায় গাট্টা মেরে বললেন,”গতকাল দিনে কথা হলো আর রাতের মধ্যে জায়িন চলে আসলো। তুই আমাদের এটা বিশ্বাস করতে বলিস? তোর কথা আর ব্যঙের প্রসাব দুটোই সমান।
নুসরাত কাউকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করলো না। তার সোজাসাপ্টা জবাব,” না করলে না করো, আমার কি?
“ইসরাত ততোটা মনোযোগ দিল না নুসরাতের কথায়। জায়িন আসার কথা শুনে তার শ্বাস যেন আটকে গিয়েছিল। নাজমিন বেগমের কথা শুনে সেই আটকে থাকা শ্বাস ছেড়ে দিল। নুসরাতের কথা সে খুব একটা আমলে নিল না।
মেহেরুন নেছা লাঠি ভর দিয়ে এসে টেবিলে বসলেন।
হাস্যরস গলায় বললেন, “আমার নাডিরে নিয়া কি কডা হইতাছে?
লিপি বেগম বললেন,

“কিছু না এমনি মা, নুসরাত মজা করছে। বলছে জায়িন এসেছে!
পিছন থেকে গম্ভীর গলায় জায়িন বলল,
” কে কি মজা করছে?
হঠাৎ কথার উৎস দেখে পিছন ফিরে সবাই তাকালো। জায়িনকে দেখে সবাই চোখ ঝাপটে নিল। মনে করলো চোখের ভুল দেখছে। ইসরাত জায়িনকে দেখে চোখ-মুখ অন্ধকার করে ফেলল। এক সাথে প্লেটের সব খাবার মুখে ঢুকিয়ে প্লেটের খাবার শেষ করে বের হলো ভার্সিটির উদ্দেশ্যে। একপ্রকার পালিয়ে গেল খাবার টেবিল থেকে।
পিছন থেকে নাজমিন বেগম আর হেলাল সাহেব ডেকে উঠলেন,”আরে মা কোথায় যাচ্ছিস? খাবার খেয়ে যা তো!
ইসরাত ছোট্ট করে উওর করল,
“ভার্সিটিতে! বাহিরে খেয়ে নিব কিছু।
জায়িন নির্লিপ্ত দৃষ্টিতে ইসরাতের যাওয়ার পানে তাকিয়ে থাকল। ইসরাত চলে যাওয়ার পর সবাই জায়িনকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। লিপি বেগম জায়িনকে জড়িয়ে ধরে ফুপাঁতে লাগলেন,” তুমি দেশে আসবে আমাদের জানালে না কেন?
জায়িনের গম্ভীর গলার উত্তর,

“সারপ্রাইজ দিতে এসেছি। সারপ্রাইজ দিলাম হাসবে তা না করে কান্না করছো।
হেলাল সাহেব নিজের স্ত্রীকে দূরে সরালেন জায়িনের কাছ থেকে।
“আরে কান্নাকাটি করো না। ওকে নাস্তা করতে দাও।
রাতে কিছু খেয়েছিস?
জায়িন মাথা নাড়ালো। নুসরাত আর ইরহাম নাস্তা শেষ করে ভার্সিটির উদ্দেশ্য বের হতে লাগলো। নাজমিন বেগম পিছন থেকে ডেকে বললেন,” আজ তাড়াতাড়ি চলে আসিস। তোকে নিয়ে শপিংয়ে যাব।
“ওয়াও, আম্মা তাহলে তো আজ আর ভার্সিটিতে গিয়ে কোনো কাজ নেই। আমি আর যাব না ভার্সিটিতে।
” বিকেলে যাবো শপিংয়ে। ভার্সিটি মিস দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এমনিতেই তো দু-মাস ধরে ভার্সিটি তে যাস না।

আজ অনেক দিন পর ইসরাত ভার্সিটিতে আসায় ফাতেহা ইসরাতকে সেই কখন থেকে জড়িয়ে বসে আছে আর একের পর এক প্রশ্ন করছে। হঠাৎ দেশে কেন চলে আসলো? জায়িনের সাথে ওর সম্পর্ক এখন কেমন? ফাতেহা ইসরাতের অনেক ক্লোজ বিধায় ইসরাত ফাতেহাকে সব বলল একে একে। এমেলির কথা শুনে এমেলিকে ফাতেহা জঘন্য গালি দিতে লাগলো।
“কিছুদিন পর তো অষ্টম সেমিস্টার তুইতো এখন বই শেষ করেছিস, না তোর কাছে কোনে নোটই আছে, এতো তাড়াতাড়ি কীভাবে সব সামাল দিবি?
” তোর কাছে তো নোট আছে না! আমাকে সব নোট দিয়ে দিস আমি যতটুকু পারি শেষ করবো।
ফাতেহা মাথা নাড়াোল। ভ্রু নাচিয়ে বলল,
“চল শপিং এ যাই! তাহলে তোর মন ও ফ্রেশ হবে।
ইসরাত প্রথমে না করতে চাইলে পরে মনে হলো ও ফাতেহার জন্য কিছু আনেনি ফ্রান্স থেকে আসার সময়। তাই ফাতেহাকে কিছু কিনে দেবে এই ভেবে চলল শপিংমল এর উদ্দেশ্যে।

নুসরাত চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে আছে নোটিশ বোর্ডের দিকে। নোটিশ বোর্ডে নোটিশ দেওয়া আর দুই দিন পর পঞ্চম সেমিস্টার।
নুসরাত বিস্ময় নিয়ে বলল,
” ওরে বাবা এটা কখন দিল? কিছুই তো পারি না।
নুসরাত মাথায় হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো নোটিশের দিকে তাকিয়ে। সৌরভির নোটিশ দেখে কোনো ভাবাবেগ হলো না।
নুসরাত মিনমিন করে বলল,
“এই সেমিস্টারে নির্গাত ফেল।
সাদিয়া পিছন থেকে বলল,

” প্রত্যেকবার একই কথা বলিস পরে পাসড হয়ে যাস।
“দেখে নিস বোন এবার একশত পার্সেন্ট ফেল করবো।
ইরহাম ঠোঁট কামড়ে নোটিশের দিকে তাকিয়ে রইলো। নুসরাত কে উদ্দেশ্য করে বলল,”পড়ে আর কি হবে?সেই তো ফেল করবো।
নুসরাত নোটিশের থেকে চোখ ফিরিয়ে ইরহামের পানে তাকালো। ইরহামের কোমরে লাথ মেরে বলল,
” আসছেন আমার পড়াকু! প্রত্যেক বার কার দেখে লিখে পাসড করিস তুই? নুসরাত ইরহামকে ভেঙ্গিয়ে বলল,”পড়ে কি হবে? সেই তো ফেল করবো।
ইরহাম মুখ লুকালো সৌরভির পিছনে। নুসরাত মাথা টেনে ইরহামকে সৌরভির পিছন থেকে নিয়ে আসলো। ভ্রু নাচিয়ে জিজ্ঞেস করলো, “বল কে দেখায় তোকে?
ইরহামের মিনমিনে জবাব,

” তুই।
নুসরাত ইরহামকে ছেড়ে দিল। সৌরভি নির্লিপ্ত গলায় বলল,”আমার কাছ থেকে নোট নিয়ে নিস?
নুসরাত বলল,
“ফেল করবো, নোট নিয়ে পড়ে কি হবে? সেই তো ফেল করবো! পাস তো করবো না। তাই কোনো রকম পরীক্ষা দিয়ে ফেল করবো।
ইরহাম ও সেম কথা বলল। অগত্যা নোটিশ থেকে চোখ সরিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হলো সবাই। নুসরাত অলস ভঙ্গিতে সামনে তাকাতেই চোখ বড় বড় হয়ে গেল। প্রায় পাঁচ মাস পর লোকটার সাথে নুসরাতের দেখা। নুসরাত হা করে তাকিয়ে থাকল লোকটার দিকে। লোকটা নুসরাতের বিস্ময় দেখে হালকা হেসে দৌড়ে এসে জড়িয়ে ধরলো তাকে। হঠাৎ জড়িয়ে ধরায় হাত পা ছেড়ে দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো মেয়েটা। বিস্ময় নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করতে যাবে ও-পাশের লোকটা থামিয়ে দিয়ে বলল,”ডু ইউ নো নুসরাত! ওয়াট ইজ আ পার্ফেক্ট হাগ?
নুসরাত নিশ্চল গলায় বলল,

” ওয়াট আরমান?
“যখন তোমার থেকে কেউ পারমিশন না নিয়ে তোমাকে জড়িয়ে ধরবে সেটাই হলো পার্ফেক্ট হাগ সিস্টার।
নুসরাত হালকা হাসল। আরমান নুসরাত কে ছেড়ে দিয়ে ইরহামের দিকে তাকালো। ভ্রু উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করলো,
” ওয়াট’স আপ ব্রো?

প্রিয় প্রণয়িনী পর্ব ৫২ (২)

ইরহাম নাথিং বলে মাথা দু-দিকে নাড়ালো। আরমান নুসরাতের সাথে কথা বলতে লাগলো। ক্যাম্পাসে হাঁটতে লাগলো দু-জন দু-জনের হাত ধরে। কেউই একবার দেখলো না গেটের সামনে থেকে ঘুরে চলে যাওয়া ব্ল্যাক অডি এ ফোর এর মালিকের।

প্রিয় প্রণয়িনী পর্ব ৫৩ (২)