প্রিয় রাগিনী পর্ব ১৩
লামিয়া ইসলাম শাম্মী
রাত একটা বেজে বিশ মিনিট। বাইরে ঝিরঝির করে বৃষ্টি পড়ছে। কয়েকদিন ধরে টানা রাতের বৃষ্টি। এতে সবারই ঘুম ভালো হচ্ছে, কিন্তু আজ লামিয়ার চোখে কোনো ঘুম নেই। পড়ার টেবিলে বসে বইয়ের পাতায় চোখ বুলিয়ে যাচ্ছে। পরশুদিন পরীক্ষা—এই নিয়েই তার মাথায় ভয়ংকর চাপ।
ঠিক তখনই ধুম করে কারেন্ট চলে গেলো।
– “আহ! আবার কারেন্ট গেলো? মরণ!” — বিরক্ত হয়ে দু-একটা গালিও দিলো সে।
ড্রয়ার থেকে মোমবাতি বের করে জ্বালালো। টেবিলে রেখে একটু হেঁটে এসে বারান্দায় দাঁড়াতেই দু-এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি মুখে এসে পড়লো। ঠাণ্ডা পানির ছোঁয়ায় চোখ বন্ধ করে ফেললো সে। আর চোখ বন্ধ করতেই ভেসে উঠলো এক মিষ্টি অতীত।
আকাশ মেঘে ঢাকা। কালো হয়ে আছে চারদিক।
পাঁচ বছরের গুলুমুলু ছোট্ট একটি মেয়ে, লাল টুকটুকে ফ্রক পরে, মাথায় দুটো ছোট ঝুটি বাঁধা। হাঁটু ছিলে টুপটুপ করে রক্ত পড়ছে।
ঘাসের উপর বসে পা ছড়িয়ে সে কাঁদছে। কান্নায় চোখমুখ ফুলে গেছে। চারপাশে তাকাচ্ছে, চেনা কারো খোঁজ করছে—কিন্তু কেউ নেই। ভয়ে জড়সড় হয়ে বসে আছে।
ঠিক তখনই ঝুম বৃষ্টি নামলো। সাথে বাজের গর্জন। ছোট্ট মেয়েটি এবার ভয় পেয়ে জোরে চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো।
হঠাৎ দূর থেকে ভেসে এলো চেনা কণ্ঠ—
– “লামিয়া! লামিয়া!”
বৃষ্টির ভেতর দিয়ে ভিজে-চুপচুপে দৌড়ে আসছে এক ১২ বছরের ছেলে। তাকে দেখে চোখ ভিজে উঠলো ছোট্ট মেয়েটার। হাত উঁচু করে ডাকলো—
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
– “তুবলো ভাই! আমি এখানে! তারাতাড়ি আসো! আমার ভয় করছে!”
ছোট বলে শুভ্র নামটা উচ্চারণে তার কষ্ট হয়।
ছেলেটি—শুভ্র, দৌড়ে এসে হাঁটু গেড়ে বসলো লামিয়ার কাছে।
– “কোথায় গিয়েছিলে ভাইয়া? আমায় একা ফেলে । দেখো, আমার পা কেটে রক্ত পড়ছে!” — ঠোঁট উল্টে কান্না করতে করতে বললো লামিয়া।
শুভ্র মুখ মলিন করে তার রক্তাক্ত হাঁটুর দিকে তাকালো, তারপর ভিজে মুখের দিকে। কান্না করায় মেয়েটার মুখ ফুলে বেলুন হয়ে গেছে। শুভ্র আর কিছু না ভেবে তাড়াতাড়ি পকেট থেকে রুমাল বের করে ক্ষতে বেঁধে দিলো। তারপর লামিয়াকে কোলে তুলে নিলো।
আকাশে মেঘের গর্জন হচ্ছে।
লামিয়া ভয়ে তার গলা আঁকড়ে ধরে হেঁচকি তুলে কাঁদতে লাগলো। এতে বিরক্ত হয়ে শুভ্র ধমকালো। অথচ ধমক শুনে কান্নার শব্দ আরও বেড়ে গেলো।
প্রচণ্ড বৃষ্টিতে দু’জনই ভিজে যাচ্ছিলো। শুভ্র তাকে নিয়ে দৌড়ে এক দোকানের ছাউনি তলায় আশ্রয় নিলো। বৃষ্টি কমলে বাসায় যাবে ভেবে।
হঠাৎ পিছন ঘুরে তাকাতেই
চকোলেটের দিকে চোখ গেলো ছোট্ট লামিয়ার। কান্না থেমে গিয়ে সে গুমরে বললো—
– “আমায় চকোলেট কিনে দাও।”
শুভ্র গম্ভীর গলায় জবাব দিলো—
– “আমার কাছে টাকা নেই। পরে কিনে দেবো।”
কিন্তু লামিয়া একগুঁয়ে। চকোলেট না নিয়ে সে বাসায় যাবে না। শুভ্রের পা আঁকড়ে ধরে জেদ করতে লাগলো। শুভ্র পা ছাড়াতে চেষ্টা করলো কিন্তু পারলো না। তাই রেগে হালকা করে ছোট্ট ছোট্ট গালে থাপ্পড় মেরে দিলো। থাপ্পড় পড়তেই কান্নার স্রোত আরো বেড়ে গেলো। শুভ্র চুপচাপ দাঁড়িয়ে কান্না দেখলো কিন্তু কিছু বললো না।
বৃষ্টি থামতেই শুভ্র কোলে নিতে চাইলো। কিন্তু লামিয়া রাগে বললো—
– “না! আমি একাই যাবো!”
বলেই জেদি ছোট্ট পায়ে একা হেঁটে রওনা দিলো। শুভ্র তার পিছনে পিছনে চললো। ভেজা রাস্তায় হঠাৎ স্লিপ খেয়ে আবার পড়ে গেলো। হাঁটুর ক্ষত থেকে আবার রক্ত বের হতে লাগলো। তা দেখে আবার কেঁদে উঠলো লামিয়া। শুভ্র এবার রেগে তাকালো, তারপর কোলে তুলে নিলো। শুভ্রের গলা জড়িয়ে কান্না করতে করতে ঘুমিয়ে পড়লো লামিয়া।
বাসায় ফিরে শুভ্র লতিফা বেগমের হাতে লামিয়াকে দিয়ে তার বাড়ি চলে গেলো। ঘুম ভেঙে লামিয়া দেখলো, শুভ্র তার ক্ষতে মলম লাগাচ্ছে। সে মুখ গোমড়া করে অন্যদিকে ফিরতেই শুভ্র হেসে ছয় বক্স চকোলেট এগিয়ে দিলো।
কিন্তু রাগে লামিয়া বললো—
– “আমার লাগবে না! তুমি আমাকে মেরেছো! আমি বড় হয়ে তোমাকে বিয়ে করবো না!”
শুভ্র মুচকি হেসে এগিয়ে এসে ছোট্ট গালে চুমু দিলো।
– “ঠিক আছে, তোকে আমি রিকশাওয়ালার সাথে বিয়ে দিয়ে দেবো।”
লামিয়া চোখ বড় বড় করে বললো—
– কেন?”
শুভ্র অভিমানী সুরে—
– “তুই তো আমাকে বিয়ে করবি না, তাই।”
তাড়াতাড়ি গলা জড়িয়ে ধরলো লামিয়া—
– “না! আমি তোমাকেই বিয়ে করবো! ওই রিকশাওয়ালার কাছে দিও না, প্লিজ!”
শুভ্র তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলো—
– “মনে থাকবে তো?”
– “হ্যাঁ!” — বলেই শুভ্রের গালে চুমু খেলো ছোট্ট লামিয়া।
চকোলেট হাতে পেয়ে খিলখিল করে হাসলো সে। শুভ্র মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে রইল।
– “তুবলো ভাই, তুমি অনেক ভালো। আই লাব ইউ তুবলো ভাই।”
শুভ্র হেসে জিজ্ঞেস করলো—
– “আই লাভ ইউ মানে জানিস?”
লামিয়া ছোট্ট হাত দুটো উঁচু করে শুভ্রের সামনে ধরলো। শুভ্র বুঝলো সে কোলে উঠতে চায়। তাই কোলে তুলে নিলো। লামিয়া গলা জড়িয়ে ধরে বললো –
– “জানি তো! আই লাব ইউ মানে আই লাব ইউ!” বলে
খিলখিল করে হেসে উঠলো আবার।
শুভ্রও মুচকি হেসে তাকিয়ে রইলো।
– “আই হেট ইউ শুভ্র ভাই… আই হেট ইউ।”
চোখ ভিজে উঠলো লামিয়ার।
“আপনি আপনার কথা রাখেন নি। আমাকে একা ফেলে চলে গেছেন। বেইমানের মতো… অনেক ঘৃণা করি আমি আপনাকে।”
বলেই চোখ মেললো। দু’ফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়লো। হাতের উল্টো পিঠে মুছে আবার মোম নিভিয়ে শুয়ে পড়লো।
আজ মনে হয় না কারেন্ট আসবে। হালকা শীত লাগছিলো। আলমারি থেকে চাদর বের করে গায়ে জড়িয়ে শুয়ে পড়লো। চোখ বন্ধ করতেই আবার ভেসে উঠলো সেই চোখজোড়া।
ফট করে আবার চোখ খুললো। কিছুক্ষণ বিরবির করে নিজেকেই কিছু বললো। তারপর ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে গেলো।
সকাল হতে না হতেই চেঁচামেচি শুরু আজ শুক্রবার থাকায় ছুটির দিন তাই সবাই বাসায়। খান বাড়ির কর্তারা ইসলাম বাড়ি এসে চায়ের আড্ডা জমিয়েছে তাদের সাথে সাফওয়ান ও এক কোণে বসে আছে। মা চাচিরা সব রান্না ঘরে নাস্তা বানাতে ব্যাস্ত।
তখনই হুট করে একটি লোক বাড়ির গেটে প্রবেশ করলো। লোকটি কে দেখে হামিদ সাহেবের মুখে হাসির রেখা দেখা গেলো। উঠে যেয়ে লোকটির সাথে কৌশল বিনিময় করে তাদের মাঝে বসিয়ে পরিচয় করিয়ে দিলেন সবার সাথে। লোকটির নাম জব্বার, একজন ঘটক। হামিদার জন্য ভালো একটি সমন্ধ এনেছে সে। শুনে সবাই খুশি হলেও সাফওয়ানের মুখে যেনো আঁধার নেমে এলো।
হামিদ সাহেব হালকা হেসে বললো – তা জব্বার সাহেব ছেলে কি করে?
– ভাই আমি আপনার কথা মতোই ছেলে এনেছি। বেশি বড়লোক না, একটা ছোট্ট খাটো চাকরি করে,ফ্যামিলি অনেক ভালো তারা শুধু একটা শান্ত ভদ্র মেয়ে চায়। আপনার বড় মেয়ে একদম সেইরকম। এখন আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে তাঁরা এসে দেখে যেতে পারে।
সবাই জব্বার সাহেবের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলো।
হামিদ সাহেব আনিসুল সাহেবের দিকে তাকিয়ে বললো – বড় ভাই আপনি কী বলেন?
আনিসুল সাহেব বললেন – মেয়ের যখন বিয়ের বয়স হয়েছে তাহলে তো বিয়ে দিতেই হবে তা নিয়ে সমস্যা নেই কিন্তু হামিদ হামিদার সাথে কি কথা বলেছো?
হামিদ সাহেব মাথা নাড়িয়ে বললেন- না ভাই।
আনিসুল সাহেব গম্ভীর গলায় বললেন – ওর সাথে আগে কথা বলে নাও, এখনকার যুগের ছেলেমেয়ে তাদের ও পছন্দ অপছন্দ থাকতে পারে তাই না?
পাশ থেকে শফিউর সাহেব চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বললেন – তা ঠিক বলেছিস আনিসুল, হামিদ তোমার উচিত হামিদা মার সাথে কথা বলা তারপর না হয় এইসব কথা আগানো যাবে।
হামিদ সাহেব কিছু একটা ভেবে জব্বার সাহেবের দিকে তাকিয়ে বললেন – ঠিক আছে জব্বার সাহেব আমি আমার মেয়ের সাথে কথা বলে নেই তাহলে।
জব্বার সাহেব মাথা নাড়িয়ে চলে গেলেন।
সাফওয়ান একটু হাক ছেড়ে বাঁচলো। তারপর ভাবলো না এইভাবে চলতে থাকলে প্রিয় মানুষটিকে সে হারিয়ে ফেলতে পারে। তাই সে সিদ্ধান্ত নিলো বাসায় গিয়ে আজই বাবার সাথে কথা বলতে হবে।
– ভ আকার ভা, ল ওকার লো, ব আকার বা, স ওকার সো। ভালোবাসো, ভালোবাসো, আমায় তুমি ভালোবাসো।
অনেক্ষণ যাবত গলা ফাটিয়ে বাথরুমে বসে বসে গান গাচ্ছিলো তায়েব।
তায়েবের পাশের রুমটা লামিয়ার তার পাশে মাহিরের, মাহিরের পাশেরটা তায়েবার।
তায়েবের গলা ফাটিয়ে গান শুনে লামিয়ার ঘুম ভেঙে গেলো। ঘুম ভাঙার কারনে ক্ষিপ্ত হলো বেশ।
তাড়াতাড়ি উঠে তায়েবের রুমে যেয়ে বাথরুমের দরজায় লাথি মেরে বললো – হারামজাদা দরজা খুল, তোর ভালোবাসা যদি না ছুটাই আজকে তাহলে আমার নাম ও লামিয়া ইসলাম না। বলে আরো একটা লাথি মারলো দরজায়।
দরজায় ধাম ধুব শব্দ আর লামিয়ার চিল্লাচিল্লি শুনে মাহির তায়েবা দৌড়ে এসে লামিয়া কে আটকালো।
লামিয়ার রাগি কন্ঠ শুনে তায়েব শুকনো ঢোক গিলে বাথরুমের ভিতর থেকে বললো – বোইন তুই রাগিস না আমার হা* গা আটকিয়ে গেছে তোর ভয়ে প্লিজ এই ভাইয়ের উপর একটু দয়া কর। এসব জিনিস আটকিয়ে রাখলে আমি পেট ফেটে মরে যাবো।
লামিয়া রেগে আবার তেড়ে গিয়ে দরজায় লাথি মেরে বললো – তুই ওইখানেই মরে থাক, আর যদি বের হস তাহলে আজকে তোকে আমি মেরে ফেলবো। বলে আরো একটা লাথি দিলো দরজায়।
তায়েব ভয়ে লাফিয়ে উঠলো, তারপর আবার নিজের কাজ করতে বসে গেলো।
মাহির তায়েবা লামিয়াকে আটকালো।
লামিয়া রেগে ওদের ঝারা মেরে ছাড়িয়ে বললো – হারামজাদা রে বাহির কর এখন ই নয়তো দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে মারবো।
তায়েবা নাক মুখ খিচে বললো – ছি তুই কি জানিস ওর গু য়ে কতো গন্ধ। একবার ওর বাথরুমের কল নষ্ট হওয়ায়, আমার বাথরুমে গিয়েছিলো। আমি ঘরে বসে বসে পড়ছিলাম বিশ্বাস কর বাথরুমের দরজা যদি খুলতে পারে পুরো রুম আমার গুয়ের গন্ধে ভরে গিয়েছিলো। রুম স্প্রে করেও সে গন্ধ দূর করতে পারি নি। আর তুই কি না দরজা ভেঙে মারতে চাইছিস। এখনই যদি দরজা খুলে তুই গন্ধে এখানেই মাথা ঘুরে পড়ে যাবি।
তায়েবার কথা শুনে লামিয়া কপাল কুঁচকালো। মাহির হেঁসে উঠলো। তখনই বাথরুমের দরজা খট করে খুলে গেলো। তায়েব দরজা খুলে বের হয়ে পেটে হাত রেখে বললো – হা*গা করে যে সুখ এই সুখ আর কোথাও পাবি না তোরা। কেনো শুধু হা*গার সময় বিরক্ত করিস তোরা।
লামিয়া রেগে কিছু বলতে যাবে তার আগেই উড়না দিয়ে নাক চেপে ধরলো।
তায়েবা নাকে হাত দিয়ে বললো – ইয়াককক, দেখছিস তোদের বলেছিলাম না আমার কথা মিললো তো। ওওওয়াকক।
বলেই দৌড়ে রুমের বাইরে এলো। লামিয়া বড় বড় চোখ করে তাড়াতাড়ি বাহিরে এসে দাঁড়ালো।
মাহির পারে না ওইখানেই বমি করে দেয়। ওয়াক ওয়াক করতে করতে ফ্লোরে বসে পরেছে।
তায়েব দৌড়ে মাহির কে ধরতে গেলে মাহির চিৎকার করে বলে – হারামজাদা খবরদার ধরবি না সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে এসেছিস কিনা তাই সন্দেহ। ছি কুত্তা মরা খাস নাকি যে এতো গন্ধ। বলেই ঠোঁট গোল করে ওয়াক করলো। তারপর ক্লান্ত স্বরে বললো – লামিয়া, তায়েবা বোন আমার কোথায় তোরা আমারে বাঁচা।
লামিয়া তায়েবা আবার দৌড়ে এসে মাহির কে টানতে টানতে দরজার বাহিরে নিয়ে গেলো।
তায়েব ওদের দেখে মুখ বাঁকিয়ে বললো – তোরা এমন ভাব করছিস যেনো তোদের গুয়ে গন্ধ নেই।
তায়েবা রেগে বললো – অন্তত তোর মতো নেই।
মাহির চিৎ হয়ে পড়ে আছে ফ্লোরে । তায়েবা দৌড়ে রুম থেকে পানি এনে মাহিরের উপর ছিটা দিতেই মাহির চোখ খুলে তাকিয়ে বললো – আমি কী বেঁচে আছি?
তায়েবা বললো – হ ভাই তুই বাইচ্চা আছোস।
মাহির বুকে হাত রেখে বললো – সালার ওর গুয়ের কী গন্ধ একটু হলেই শ্বাস আটকে মারা যেতাম। বিড়ালের গুয়েও মনে হয় এতো গন্ধ না। ছিঃ
তায়েব কপাল কুঁচকে বেশ বড় করে নিঃশ্বাস নিয়ে বললো – দেখ তেমন গন্ধ না কিন্তু, শুধু শুধু আমার গুয়ের বদনাম করবি না।
প্রিয় রাগিনী পর্ব ১২
লামিয়া নিজের পায়ে জুতা খুলে তায়েবের দিকে ছুঁড়ে মারলো।
আরো একটা হাতে নিয়ে ছুঁড়ে মারতেই তায়েব ভয়ে তাড়াতাড়ি করে দরজা লাগিয়ে দিলো।
লামিয়া দরজায় লাথি মেরে বললো – হারামি আজ থেকে সারাদিন পানি খাবি তুই। খবিশ কোথাকার। বলেই রুমে চলে গেলো।
