সে আমার বন্দিনী পর্ব ৪৪
তানিয়া হুসাইন
আদ্রিয়ান গাড়ি চালাচ্ছে, গন্তব্য রাহির বাড়ি।
ধীর গতিতে গাড়ি এগিয়ে চলেছে, গাড়ির হেডলাইটের আলো কেবল সামনের রাস্তাকে আলোকিত করছে।
আদ্রিয়ানের চোখে মুখে উদাসীনতার ছাপ, তার চেহারায় এক গম্ভীর ভাব। ভেতরের সমস্ত অনুভূতি একদম জমাট বেধে আছে, আর সেই বোঝা নিয়ে সে ছুটে চলেছে।
সে যাচ্ছে কেবল তার মায়ের অসুস্থতার জন্য,মায়ের অনুরোধ রক্ষা করতে।
তার নিজের ইচ্ছে নেই, হৃদয়ের টান নেই, তবুও যেতে হচ্ছে তাকে এই পথে।
আদ্রিয়ান জানে রাহির মনের অবস্থা কতটা এলোমেলো।
সে চেয়েছিল রাহী যেন নিজেকে গুছিয়ে নেয়, নতুন করে জীবন শুরু করে, কারণ সে নিজেই তো এক জীবন্ত লাশ একটা শূন্য খোলস।
একটা নিঃশেষ মানুষ আরেকজনের জীবনে কী দিতে পারবে সে,তার কাছে যে দেওয়ার মতো কিছুই নেই।
কিন্তু আজ তার কাছে কোনো উপায় নেই,
যেতে হবে, মায়ের জন্য, আর কিছুই করার নেই।
গাড়ি এসে থামে রাহিদের বাসার সামনে।
আদ্রিয়ান দরজা নক করে,
রেহেনা বেগম এসে দরজা খোলেন,
চোখে বিস্ময়, এতদিন পর এই ছেলেকে হঠাৎ দেখে।
তিনি তাকে ঘরে বসান, যত্ন করে চা-নাস্তা আনান।
আদ্রিয়ান বোঝে এই মানুষটি ছোটবেলা থেকেই তাকে স্নেহ করতেন, সেই স্নেহ এখনো চোখে মুখে স্পষ্ট।
রাহির বোন দৌড়ে গিয়ে রাহিকে খবর দেয়,
রাহি, রাহি! আদ্রিয়ান ভাইয়া এসেছে।
___এমন কথায় রাহির ভেতরটা কেঁপে ওঠে।
আদ্রিয়ান এসেছে শুনেই চোখ ভিজে আসে, বুকের ভেতর কেমন চাপ ধরে আসে।
কিন্তু অভিমান, হারানোর বেদনা তাকে বিছানা ছেড়ে উঠতে দেয় না।
সে চুপচাপ থাকে, নিজের সাথে লড়াই করে।
—
অন্যদিকে, আদ্রিয়ান চুপচাপ বসে আছে,
তার চোখে ক্লান্তির ছাপ,
রেহেনা বেগম বারবার তাকাচ্ছেন, কিছু বলতে চেয়েও থেমে যাচ্ছেন।
তিনি জানেন, এই ছেলেটার মনের জট কত গভীর।
ছেলেটি ছোট থেকেই সাফার সাথে ছিল, তাদের ভালোবাসা ছিল স্বপ্নের মতো।
কিন্তু এখন সবকিছু শেষ।
তিনি নিজেও অসহায় বোধ করছেন, কিন্তু কিছুই করার নেই।
___রাহি কোথায় খালা?
___রেহেনা বেগম ধীরে বলেন আছে তার ঘড়ে।
___আদ্রিয়ান কোন ভনিতা ছাড়াই বলে,
আমার রাহির সাথে কিছু কথা ছিলো।
_____বারান্দার এক কোণে দাঁড়িয়ে আছে রাহি।
আড়চোখে দেখছে আদ্রিয়ানকে,
মুখের দাড়ি আগের চেয়ে বড় হয়েছে, চুলও অগোছালো হয়ে আছে।
সবমিলিয়ে তাকে অচেনা লাগছে রাহির কাছে।
তার বুকের ভেতর হাহাকার করছে, তবুও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না।
চারদিকে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা নেমে এসেছে,@ বাতাসও তাদের বিষণ্ণতা টের পেয়ে থমকে আছে।
কারো মুখে কোনো শব্দ নেই,
আদ্রিয়ান অদূরে তাকিয়ে সিগারেটের ধোঁয়া উড়াচ্ছে।
হঠাৎ নিস্তব্ধতা ভেঙে আদ্রিয়ান নিচু গলায় বলে,
— চল, আমার সাথে।
তোকে নিতে এসেছি আমি।
তার কণ্ঠে একধরনের ক্লান্তি, একধরনের অনুরোধ,
____ঠিক আছে,
আপনি গাড়িতে গিয়ে বসুন, আমি আসছি।
রাহি কথাগুলো বলেই আর এক সেকেন্ডও দাঁড়ায় না, দৌড়ে চলে যায়।
আদ্রিয়ান অবাক হয়ে পিছনে তাকায়,
সে ভেবেছিল, রাহি হয়তো শেষ মুহূর্তে আবার পিছিয়ে যাবে, আবার ও বিয়ের কথা উঠাবে,আবারও তাকে বোঝাতে হবে, আবারও একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে হবে।
কিন্তু রাহি তার সব ভাবনা ভুল প্রমাণ করে দিয়ে,
এক ঝটকায় নিজেকে শক্ত করলো আর তার সাথে যাওয়ার জন্য রাজি হয়ে গেলো।
রাহির এই পরিবর্তনে আদ্রিয়ানের মুখে অস্পষ্ট একটা হাসি ফুটে উঠে।
সে খুশি হয় রাহি অন্তত তাকে বুঝেছে।
তাকে কোন কিছুর জন্য জোর করেনি।
___রাহি ব্যাগ গোছাচ্ছে, তখন দরজার পাশে দাঁড়িয়ে রেহেনা বেগম বিস্মিত হয়ে বলেন,
— তুই না বলেছিলি, আর কখনো ওখানে ফিরবি না?
রাহি ব্যাগে জিনিসপত্র ঢোকাতে ঢোকাতেই বলে,
— বলেছিলাম,কিন্তু এখন মত পাল্টেছি মা।
আমাকে ওদের প্রয়োজন, শুধু নিজের সুখ, নিজের স্বার্থ নিয়ে ভাবলে চলবে না।
আমি চাই ওরা ভালো থাকুক, শান্তিতে থাকুক।
ওই মানুষটাও আমি জানি তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবো না, তবু….
বলতে বলতেই কণ্ঠ ভেঙে আসে রাহির,
চোখের পানি আটকে রাখতে পারলো না, ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে সে।
রেহেনা বেগম এসে মেয়েকে বুকে জড়িয়ে নেন।
মেয়ের পিঠে হাত বুলিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করলেন।
— শক্ত হ তুই যা করছিস, সেটাই ঠিক।
আমার আপুর প্রয়োজন তোকে।
তোর মামনির খেয়াল রাখিস।
___অবশেষে রওনা হলো তারা।
গাড়িতে বসে রাহি সিটে হেলান দিয়ে জানালার বাইরে তাকিয়ে আছে
দীর্ঘ রাস্তায় সে একবারও কোনো কথা বলেনি।
শুধু তার চোখের কোণ বেয়ে বারবার পানি গড়িয়ে পড়ছে,একটা মানুষকে এতোটা ভালোবেসে ও সে কখনো তাকে পাবে না এটাই সে মানতে পারেনা
আদ্রিয়ান কে তার ছোট থেকেই ভালো লাগতো,কিন্তু বড় হওয়ার পর সাফা আদ্রিয়ানকে একসাথে দেখে সে আস্তে আস্তে সরে আসে,তার অনুভুতি গুলো চাপা পড়ে যায় ওদের ভালোবাসা দেখে। কিন্তু আজ এই লোকের এই বিধ্বস্ত অবস্থা সে আর নিতে পারছেনা।
ভেবেছিলো সে এইবার হয়তো তাকে পাবে,
কিন্তু তার কপালে যে এত সুখ নেই।
রাহি চুপচাপ হাতের আঙুল দিয়ে চোখের পানি মুছে নিচ্ছে।
কিন্তু কান্না যেন থামতেই চাইছে না।
আদ্রিয়ান হালকা আড়চোখে তাকাচ্ছে বার বার রাহির দিকে,
তার ও খারাপ লাগছে রাহির কষ্ট দেখে,
কিন্তু তার যে কিছুই করার নেই।
মূহুর্তেই জায়গাটা র*ক্তাক্ত লা*শের স্তূপে পরিণত হয়।
ডিয়েগো এবং নিকো হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
কেউ কিছু বলার সাহস পাচ্ছেনা।
___ভীরের হাত তখনো কাপছে, তার শ্বাস খুব দ্রুত চলছে।
ভীর ধপ করে বসে পড়ে বিছানায়,নিকো দৌড়ে আসে তার কাছে।
ভীরের চোয়াল শক্ত, চোখে আগুন ভেতরে ভয়।
এই প্রথম জীবনে এই প্রথম ভীর কাউকে হারিয়ে ফেলার ভয় পাচ্ছে।
হ্যাঁ, এই নিষ্ঠুর, ভয়ংকর জীবনে এই প্রথম ভীর অনুভব করছে এক অজানা শূন্যতা, এক হাহাকার। কাউকে হারিয়ে ফেলার ভয়! এতদিন যে মানুষটার কাছে মৃ*ত্যু, যু*দ্ধ, র*ক্তপাত ছিল শুধুই এক খেলা, সেই ভীর আজ নিজেরই গড়ে তোলা বন্দিনীর জন্য ভিতরে ভিতরে কেঁপে উঠছে।
এতদিনের নির্ঘুম রাত, বিশাল ঝড়ঝাপটা, আর এই একের পর এক র*ক্তাক্ত মিশন সবকিছুর ক্লান্তি, মানসিক চাপের পাহাড় যেন এই এক মুহূর্তে এসে ভীরকে পুরোপুরি ভেঙে দেয়,
ভীরের বুকের ভেতরটা ধকধক করছে, শ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে মনে হচ্ছে, ভেতরে অজানা ভয় ইশায়াকে হারিয়ে ফেলার,যদি এক মুহূর্ত দেরি হয়, সে ইশায়াকে চিরতরে হারাবে!
এসব ভাবনার মাঝখানেই চোখের সামনে অন্ধকার দেখা শুরু হতেই দুলে ওঠে ভীর,
___ভাই!
নিকোর গলা ফেটে যায় আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠে সে,
এক লাফে এগিয়ে এসে দুই হাতে ভীরকে জাপটে ধরে।
ডিয়েগোও ছুটে আসে ভীরের কাছেম
___ডক্টর! ডক্টর!
ডাক্তার ডাকো! এক্ষুনি! নিকোর কণ্ঠে হুকুমের সঙ্গে শোনা যায় ভয়।
পৃথিবীতে একমাত্র আপন কাউকে হারিয়ে ফেলার ভয়।
ভীরকে ধরে বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হয়। ঘরের চারদিকে ওদের চলাচলের ধ্বনি, দ্রুত নিঃশ্বাস, আতঙ্কের ভারী নিস্তব্ধতা।
___জরুরি তলব ডাক্তার ছুটে আসে।
ভীরের চোখ, শ্বাস, নড়াচড়া সবকিছু পরীক্ষা করে বলে
___ এক্সট্রিম টেনশনে হার্টরেট বেড়ে গেছে। মানসিক চাপ থেকে হয়েছে। ইনজেকশন দিচ্ছি, কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরবে।
চিন্তা করবেন না।
কিন্তু ওনাকে বলবেন টেনশন কম করতে।
___ডাক্তার ভীরের হাতে ইনজেকশন পুশ করে।
ডাক্তার চলে গেলে নিকো, ডিয়েগো, সান্তিয়াগো, ম্যাটিয়াস সবাই রুমে দাঁড়িয়ে একদৃষ্টিতে ভীরের দিকেই তাকিয়ে থাকে।
সবার ভেতরে একটাই ভয় যদি ভীরের কিছু হয়ে যায়? যদি একটা মেয়ের জন্য এই রাজা ভেঙে পড়ে?
তাহলে তাদের এত দিনের কষ্টে গড়া এই সাম্রাজ্য এক মুহূর্তে ধস নামবে।
নিকো কে কি করতে হবে সেটা সে ভালো করেই জানে, তাই সে সময় নষ্ট না করে কাজে লেগে পরে।
এদিকে…
___ইশায়া তখন এক দুঃসাহসিক পলায়নের পথে।
অজানা ভয় তাকে তাড়া করছে যেন হাজারো হাত তার পেছনে লেগেছে।
সাফার সেই কণ্ঠ এখনো কানে বাজছে তার অনবরত,
পালিয়ে যা! এখনই তোর সুযোগ!
এটাই তোর কাছে শেষ সুযোগ।
না হয় সারা জীবন তোর এখানে পড়ে থাকতে হবে, সারাটা জীবন এই দাসত্ব করে যেতে হবে, নিজের কোন অস্তিত্ব থাকবে না।
বাঁচতে হলে বাঁচার মতো করে বাঁচ।
চাঁদরের আড়ালে মুখ ঢেকে, নিজের শরীরটাকে যতটা সম্ভব সঙ্কুচিত করে ইশায়া অন্ধকার কোণের পর কোণ বেছে নিচ্ছে।
ইশায়া ভয়ে পুরোপুরি কুঁকড়ে যাচ্ছে।
তার বুকের মধ্যে যেন দম আটকে আসছে প্রতিটা নিঃশ্বাসে ভয় আর শঙ্কা।
সে জানে, আজ যে দুঃসাহসিক কাজটা করেছে, তার শাস্তি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে।
কিন্তু তবুও একটুকরো আশার জন্য, পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার আশায়, বাবা-মায়ের মুখ দেখার জন্য, একবার মায়ের কোলে মাথা রাখার আকাঙ্ক্ষায়
সে নিজের জীবন বাজি রেখে এতো বড় পদক্ষেপ নিয়েছে।
শরীরের প্রতিটা পেশি ব্যথায় ভেঙে যাচ্ছে, কিন্তু তার চোখে ভয়ের পাশাপাশি অদম্য জেদ।
পিছনে ফিরে দেখার সাহস নেই, তার ভেতরে কেবল একটাই কথা ঘুরপাক খাচ্ছে,
যদি থেমে যাই যদি একমুহূর্ত দেরি করি তাহলে সব শেষ!
তার মনে হচ্ছে সে যদি একটা বারের জন্য ও থামে তাহলে ওরা ওকে ধরে ফেলবে।
এজন্যেই নিজেকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যাচ্ছে সে।
মনে হচ্ছে প্রতিটা পদক্ষেপে মৃত্যু তার পেছনে ছুটে আসছে।
এই মুহূর্তে বেঁচে থাকার একটাই উপায় তাকে এখান থেকে বেরোতে হবে, আর সেটাও এখনই, ঠিক এই ক্ষণে!
কারণ ইশায়া জানে, ভীরের কাছে খবর পৌঁছে গেলে সে এই পুরো এলাকা ঘিরে ফেলবে, তখন তাকে বাঁচাতে পারবে না কেউ!
কিন্তু কোথায় যাবে সে? কোথায় এমন আশ্রয় পাবে, যা ভীরের ভাবনারও বাইরে?
চোখে অন্ধকার, তবুও তার পা দৌড়ে চলেছে নিজের অজান্তেই।
___ভীরের জ্ঞান ফেরে প্রায় এক ঘণ্টা পরে।
চোখ খুলতেই কয়েক সেকেন্ড বোঝার চেষ্টা করে সে কোথায় আছে, কী হচ্ছে!
কিন্তু যখনই পুরো ঘটনার সব টুকরো মনে পড়ে, তখনই ভীর উঠে বসে পড়ে।
তার ক্ষতবিক্ষত বুক একেবারে উন্মুক্ত।
চুল এলোমেলো, ঘামে ভেজা, ক্ষত চিহ্নে লেগে থাকা শুকনো রক্ত আর ধুলোর আস্তর তাকে যেন এক হিংস্র জানোয়ারে পরিণত করেছে।
চোখ দুটো লাল, পাথরের মতো কঠিন, পুরো রুম কাঁপিয়ে বেরিয়ে আসছে রাগের শ্বাস!
___ভীরের জ্ঞান ফেরার খবর পেয়ে একজন গার্ড তড়িঘড়ি করে নিকোর কাছে খবর নিয়ে যায়।
নিকো শুনে দ্রুত পায়ে রুমে ঢোকে।
কঠিন চোখে ভীরের দিকে তাকায় সে।
ভীর গম্ভীর গলায় নিকোকে লক্ষ্য করে বলে,
সালদানা ছিলো না আজকে।
ও বাঁচলো কীভাবে? ওর খোঁজ বের করো, এক ঘন্টার মধ্যেই খুঁজে আনো!
যদি ইশায়ার কিচ্ছু হয় আমি এই পুরো শহর ধ্বংস করে দেব।
সালদানাকে খুঁজো!
___নিকো ঠান্ডা গলায়, কিন্তু স্পষ্ট উচ্চারণে বলে, সালদানা কিছুই করেনি।
ভীরের মুখ মুহূর্তেই শক্ত হয়ে যায়।
তার লাল চোখ আরও লাল হয়ে ওঠে, গলার শিরাগুলো ফুলে ওঠে,
ভীর চিৎকার করে বলে ওঠে,
ও কিছু করেনি তাহলে ইশায়া কোথায়?
Where is she? Where is she? Why isn’t she here? Where is my wife?
ভীরের গলার স্বরে চিৎকারে পুরো রুম কেপে উঠছে।
ভীর আবারো বলে,
Despite having so many guards, how could no one protect her? If anything happens to her, I will destroy everything. I won’t spare anyone.
____গার্ডরা বাইরে দাঁড়িয়ে আতঙ্কিত দৃষ্টিতে একে অপরের মুখের দিকে তাকায়।
একটু আগের ঘটনায় সবাই ভয় পেয়ে আছে,
এখন এই মানুষটা নিজের শ্বাসের শব্দও সহ্য করতে পারছে না।
তাদের কি অবস্থা করবে।
সে আমার বন্দিনী পর্ব ৪৩
____নিকো এবার শক্ত গলায় বলে,
সিসিটিভি ফুটেজ টা একবার দেখো।
ভীর তার দিকে তাকায়, চোখে কুন্ডলী পাকানো আগুন নিয়ে, বুঝতে পারছে না নিকো কেন এভাবে বলছে!
আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে ভীর যায় সিসিটিভি ফুটেজ চেক করতে।
