সে খলনায়ক পর্ব ২৭ (২)
ফারহানা সানিয়াত
হতবাক, হতভম্ব, স্তব্ধ হয়ে ইভানের দিকে চেয়ে আছে প্রাণপ্রিয়া। সে কি কানে বেশি শুনলো! কয়েকবার চোখের পলক ফেলল সে।গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ঝুম বৃষ্টিতে পরিণত হয়েছে ছাতার নিচে দুজন একে অপরের দিকে তাকিয়ে,
ইভানের মুখ একদম শান্ত,
__ কি…ক বললি,
স্বাভাবিক কোনো দ্বিধা ছাড়া আবার বলে,
__ ভালোবাসি তোকে আমি ,
প্রাণপ্রিয়া দৃষ্টি এলোমেলো করে অন্য দিকে ঘুরে তাকায় , অবিশ্বাস্য কথায় অদ্ভুত অনুভূতি তার।
ইভান হা করে শ্বাস ফেলে, জানি এখন তুই কি বলবি তবুও ভালোবাসি,
প্রাণপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে চোখ বন্ধ করে আবার খুলে,
কিছুদিন আগে আমি তোকে বুঝিয়েছি আমাদের বন্ধুত্ব,,
__ টিকে রাখার জন্য দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এটা তোর সিদ্ধান্ত,
প্রাণপ্রিয়া ইভানের শান্ত মুখের দিকে তাকায়,
__ আমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ড কে ভালোবাসি। ষোল বছর বয়সে যে মেয়েকে দেখে প্রথম আমার অনুভূতি জেগে ছিল তাকে আমি ভালোবাসি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত একসাথে থাকতে চাই এটা আমার সিদ্ধান্ত।
__ কি অদ্ভুত কথা বলছিস এসব ইভান, আমি তোকে বন্ধু ছাড়া আর কিছুই ভাবি না আর হঠাৎ ।
ইভান দৃষ্টি নত করে মাথা নাড়ায়, জানি,
__ তাহলে জেনে কেনো?
__ এত কিছু ভেবে ভালোবাসা হয় না প্রিয়া শুধু হয়ে যায় ।এখন যাইহোক আমি তোকে ভালোবাসি, আমি আমার এত বছরের মনে লুকিয়ে রাখ অনুভূতি জানিয়েছি ।আর কেনো আমাদের বন্ধুত্ব সম্পর্কে তুই দূরত্ব বজায় থাকতে চাস এর কারণ আমি জানি আর সবকিছু সমাধান হিসেবে বিয়ে করতে চাই তোকে আমি ।
প্রাণপ্রিয়ার বিস্ময় চোখ বড় বড় হয়ে যায়,
__ তুই পাগল হয়ে গেয়েছিস ইভান!
__ হয়তো,
__ এমন কিছু আমাদের সম্পর্ক উলটপালট হয়ে যাবে। আমি অবশ্যই বন্ধু হিসেবে তোকে ভালোবাসি কিন্তু তুই যে ভালোবাসা বিয়ের কথা বলছিস আমি অনেক দুঃখিত,
ভারী বৃষ্টির শব্দের সাথে ইভানের মন ভাঙার শব্দ মিলে একাকার,
__ কখনো আর এসব বলবি না। এগুলো আমাদের মধ্যে সম্ভব না ।
প্রাণপ্রিয়া তার প্রস্তাবের দৃঢ় প্রত্যাখ্যানের উপর জোর দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সুরে বলে।
ইভান মন ভাঙ্গা নিয়ে ঠোঁটের কোণে হালকা হাসি টেনে চোখ তুলে প্রাণপ্রিয়ার কুচকানো মুখটার দিকে তাকায়,,
__ আমি জানতাম তুই প্রত্যাখ্যান করবি তবুও বলেছি, মেনেও নিলাম, কিন্তু আজকের জন্য আমি আবারো বলবো।
প্রাণপ্রিয়া অবাক হয় তার কাছে আজ ইভানকে অচেনা লাগছে ,
__ একদমই না,
ইভান ঠোঁটের কোণে হাসি চওড়া করে প্রাণপ্রিয়ার মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে দেয় যেন সে শিশু,,
__ আমি গীবাপ করবো না। প্রতিদিন একই কথা বলবো মানুষের মন পরিবর্তন হতে বাধ্য। আর এখানে প্লাস পয়েন্ট হলো তুই আমাকে ইগনোর করতে পারবি না।
প্রাণপ্রিয়া মুখে কিছুটা বিরক্ত ফুটে ওঠে, তিনদিন বেদে মাথায় এগুলো পাকিয়েছিস তুই।
ইভান হাসে,, নাহ দূরত্ব বজায় না থাকার সমাধান বের করেছি সব সময় একসাথে থাকার জন্য আমাদের বন্ধু ঠিক রাখার জন্য এটাই বেস্ট,,
__ তোর কথায় আমি অস্বস্তি অনুভব করছি ইভান, তোর থেকে এসব আশা করি না বন্ধুত্বের সম্পর্কে কখনোই ভালোবাসা,,,
__ আমার দিক থেকে শুধু, তুই বন্ধু হয়ে থাকিস কিন্তু সারা জীবন।
প্রানপ্রিয়া হা করে শ্বাস ফেলে তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
__ প্রিয়া মা, দুজনের কথা বলার মাঝে হঠাৎ কারো গম্ভীর কণ্ঠ,
ছাতা ভেতর থেকে ইভান ,প্রাণপ্রিয়া একসাথে পিছনে তাকায়,
মাথার উপর কালো ছাতা ধরে গম্ভীর মুখে রহমান দাঁড়িয়ে আছে, ইভানের হাত এখনো প্রাণপ্রিয়ার মাথায়, রহমান সেদিকে এক নজর দেখে অতঃপর ভারি কণ্ঠে প্রাণপ্রিয়াকে তার সাথে আসার কথা বলে সামনে আশ্রমের পথে হাঁটে ধরেন।
__ যা তাহলে,
প্রাণপ্রিয়া আঙ্কেলের যাওয়ার দিকে থেকে চোখ সরিয়ে ইভানের দিকে তাকায়, দুজনের চোখে চোখ মেলে। ইভান তার মাথার উপর থেকে হাতটা সরিয়ে বাজারের ব্যাগ এগিয়ে দেয়।
__ আবার দেখা হবে,
প্রাণপ্রিয়া ঠোঁট চেপে দৃষ্টি নত করে ব্যাগ হাত নেয়।
ইভান ছাতার ভেতর থেকে বের হয়ে যায় সাথে সাথে ভারী বৃষ্টি তাকে ভেজাতে শুরু করে।
প্রানপ্রিয়া আর একটা কথাও বলেনা ঘুরে সোজা হাটা ধরে।পাগল ছাগল ছেলের মাথা খারাপ হয়ে গেছে এটা বুঝতে তার বাকি নেই, এখন বৃষ্টির জলে ভিজে যদি ঠিক হয়।
ইভান পকেটে হাত গুজে দীর্ঘশ্বাস ফেলে, দৃষ্টি প্রাণপ্রিয়ার যাওয়ার দিকে নিবদ্ধ তার প্রত্যাখান মন ভেঙ্গে গেলেও সে জানতো এমনটাই হবে কিন্তু সেও নাছোড়বান্দা মন বদলিয়ে ই ছাড়বে।
পরদিন,
সকাল থেকে আবরার ম্যানসনে গেস্টদের গিজগিজ। হুমায়ুন আবরারের একমাত্র ছেলের এনগেজমেন্ট বলে কথা বাসার সব কিছুর আয়োজন বিলাসবহুল, গেস্টের দুপুরের খাবার থেকে শুরু করে রাতের খাবার পর্যন্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে আর বাড়ির চারপাশে ডেকোরেশন দেখার মত । তবে আপাতত বাড়ির সকলে গার্ডেনে গেস্টের সাথে আলাপ করতে ব্যস্ত,,
__ অবশেষে আমাদের মধ্যে বেয়াই সম্পর্ক হতে চলেছে মিস্টার চৌধুরী, হুমায়ুন স্বচ্ছ হাসি নিয়ে বলেলন,
সামনে দাঁড়ানো আদনান চৌধুরী হেসে মাথা নাড়ান, এর ই তো অপেক্ষা ছিল মিস্টার আবরার এনগেজমেন্টের সাথে সাথে আমাদের ডিলটা ও ফাইন হয়ে যাবে।
হুমায়ুন দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলেন, অবশ্যই। একসাথে ব্যবসায় লাভবান হওয়ার সাথে ছেলে মেয়েদের জীবন জুড়ে যাচ্ছে নতুন সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে দ্বিগুণ লাভবান।
গার্ডেনে র একপাশে সারা তার কাজিনদের সাথে দাঁড়িয়ে আছে। পরনে তার হোয়াইট কালার গর্জিয়াস জর্জেট শাড়ি সাথে ম্যাচিং জুয়েলারি মুখে ভারি মেকআপ পিঠ পর্যন্ত চুলগুলো কার্ল করে কাঁধের এক পাশে রাখা সব কিছু মিলিয়ে তাকে নজর করার মত সুন্দর লাগছে।
তার থেকে কিছু দূরে অ্যাস কালার কোট প্যান্ট পরা দামিয়ান। সারার ভাই রিয়ান তার সাথে কথা বলছে বোনের এনগেজমেন্টের জন্য কিছুদিন আগে আমেরিকা থেকে এসেছে সে।
সারা কাজিনদের সাথে কথা বলার মাঝে দামিয়ানের দিকে তাকায়। আজ তাকে সব সময় থেকেও বেশি সুদর্শন লাগছে তবে সুদর্শন পুরুষকে সে ভালোবাসে না, কিছু নেই তার মনে শুধু জীবনে ঠিক করে রাখা তার সাথে থাকতে হবে। কারন সে বাকি মেয়েদের থেকে বেস্ট সবকিছু পাওয়ার যোগ্য সারা ভেবে দীর্ঘশ্বাস ফেলে,,এক্সকিউজ মি,
পা বাড়ায় সে, হিল জুতো পরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না বসা প্রয়োজন ,
আহানাফ হাতে কোল্ডড্রিংসের ক্যান নিয়ে একা একা গার্ডেনে হাঁটছিল কিন্তু সারাকে একা চোখে পড়তে ই ঠোটে হাসি টেনে এগিয়ে যায়।
__ হেই বিউটিফুল,
সারা হাটার মাঝে থেমে দাঁড়ায় সামনে আহানাফ দাঁড়িয়ে,,
__ তুমি,
আহানাফ অপলক দৃষ্টিতে সারাকে দেখে তার পছন্দের মেয়ে তার বড় ভাই হবু স্ত্রী হবে আজ সামাজিকভাবে , হতাশা।
__ এগেইন কংগ্রাচুলেশন,
সারা কিঞ্চিৎ হাসে থ্যাঙ্ক ইউ,
আহানাফ সারাকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখে সে দিন বলা গোলাপ রঙের ড্রেস না পরলেও,
সাদা!
__ ব্রো এর দেওয়া গিফট তাই না, মানিয়েছে তোমাকে ,
সারা কপাল গুটিয়ে কিছুটা হাসে, গিফট!!!
__ হুম তোমার জন্য ব্রো হোয়াইট কালার ড্রেস কিনেছিল আমার সামনে যেদিন আমরা তিনজন শপিংয়ে গিয়েছিলাম এটা সেই ড্রেস তাই না,
আহানাফের কথা শুনে সারার মুখ থেকে আস্তে আস্তে হাসিটা গায়েব হয়ে যায় কারন দামিয়ান তো তাকে কোনো গিফট দেয় নি,
এদিকে আহানাফ সারার মুখ থেকে হাসি গায়েব হতে দেখে সে ও বুঝতে পারে তার ভাই যে সারাকে গিফট দেয়নি।
দুজন দুজনের ভাবনায় একসাথে ঘাড় ঘুরিয়ে পাশে কিছু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা দামিয়ানকে দেখে,,
যে ঠোঁটের কোণে হাসি নিয়ে রিয়ানের সাথে কথা বলছে সাথে হুমায়ুন আর মিস্টার চৌধুরী ও দাড়িয়ে
স্বাভাবিক ভাবে বোঝা মুশকিল তার মধ্যে কি চলছে ,
আহনাফের কপালে ভাজ পড়ে তার মস্তিষ্কে কামড়ের দাগের ব্যাপারটা ও আছে এখন আবার ড্রেস , তার ভাই কি কোনভাবে সারা থাকতে ও অন্য কোনো মেয়ের প্রতি আকৃষ্ট!
আশ্রমের মালিকের ছেলের এনগেজমেন্টের জন্য ভালো ভালো খাবার আশ্রমে পাঠানো হচ্ছে। বাচ্চারা খাবার দেখে বেশ খুশি, আজ যেন তাদের ঈদের আনন্দ। তাদের খুশি দেখে রহমান ও খুশিমনে বসার ঘরে মেঝেতে মাদুর বিছিয়ে সবাইকে একসাথে খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন সাথে প্রাণপ্রিয়াও তাকে সাহায্য করছে।
তৎক্ষণাৎ সদর দরজা দিয়ে আগমন ঘটে মিসেস সেলিনার,
__ সবাই কেমন আছো ? হঠাৎ চেনা পরিচিত এক কণ্ঠস্বর খাবার নিয়ে ব্যস্ত থাকা সবার কানে যেতে ই ঝড়ের গতিতে একসাথে সদর দরজার দিকে ঘুরে তাকায়।
কালো বোরকা পরিহিত সেলিনা মাঝারি আকারের ব্যাগ মেঝেতে রাখে স্বচ্ছ হাসিমুখ নিয়ে।
__ বললে না তো কেমন ,,, তার বাকি কথা শেষ করার আগে সবার একত্রে চিৎকার,
__ আন্টি!!খাবার দাবার রেখে তারা সেলিনার কাছে এক ছুট,
রহমান হো হো করে হেসে উঠেন এদের কাণ্ড দেখে।
সেলিনার খুশিতে চোখ ঝাপসা হয়ে যায় সবাই তাকে এক এক করে জড়িয়ে ধরে অতঃপর সর্বশেষ প্রানপ্রিয়া,,
__ মিস করেছি তোমাকে আন্টি, কান্নারত কন্ঠে তার।
__ আমিও মিস করেছি তোমাদের সবাইকে,
প্রাণপ্রিয়া হালকা নাক টানে মনের ভেতর চেপে রাখা বাজে ঘটনা আর চার দিন পর আন্টির দেখা দুটো মিলে একটু বেশি আবেগপূর্ণ হয়ে যায়।
সময় অনেকটা হাসিখুশি আনন্দ আর দুঃখ মিলে পাড় হয় যায় আশ্রমে। অন্যদিকে আবরার ম্যানশনে জাঁকজমক এনগেজমেন্ট পার্টি আরো জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে উঠেছে ধরণীতে অন্ধকার নামার সাথে সাথে চোখের পলকে যেন আনন্দ উল্লাসে দিন পাড় হচ্ছে। তবে এখন সবার দৃষ্টি দামিয়ান আর সারার একে অপরের রিং পড়ানোর দিকে। সারার নিজের হাতের ডায়মন্ড রিংয়ের দিকে এক নজর তাকিয়ে সামনে মিসেস চৌধুরীর দিকে তাকায়। যিনি হাসিমুখে হাত তালি দিচ্ছেন পাশে বাকিরাও।
সারা ঠোঁটে হাসি টেনে গোলাপের পাপড়ি ওপর রাখা রিং বক্স থেকে ডায়মন্ডের আংটি নিয়ে নিজে ও দামিয়ানের আঙুলে পরিয়ে দেয়, তৎক্ষণাৎ সাথে সাথে আকাশে রংবেরঙের আতশবাজি ফোটানো শুরু করে।
দামিয়ান হাত ঘড়ি দিকে দেখে সময় খুব অল্প বের হতে হবে তার । গেস্টদের মাঝে দাঁড়ানো ক্যাথরিন আর রাত্রী যাওয়ার জন্য একদম রেডি হুমায়ুন আর হাবিব তাদের দেখে খুশির মুহূর্তে ও দীর্ঘশ্বাস ফেলেন।
বাচ্চাদের সাথে অন্ধকার আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে প্রাণপ্রিয়া। কিছুক্ষণ পর পর আতশবাজির অপরূপ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বাচ্চারা দেখে এক এক জনের মুখে এর সৌন্দর্য নিয়ে নানান কথা তবে প্রাণপ্রিয়ার এসব বাজে লোকটার কথা আরো বেশি করে মনে করিয়ে দিচ্ছে। সেই কিছুদিন আগের পার্টিতে লোকটার নিষ্ঠুর পাগলদের মতো কথাবার্তা এরপর জঙ্গলে,,,, দ্রুত চোখ বন্ধ করে নেয় সে,,
উফফ ওই পাগল বাজে লোকটাকে নিয়ে কেনো এত ভাবছে যা হয়েছে সব ভুলে যেতে চায় সে। অন্যদিকে ঘুরে চোখের উপর এক হাত রাখে, গতকাল ইভানের অবিশ্বাস্য অনুভূতি প্রকাশ ও ভুলে বসেছে সে তাহলে ওই লোক কেনো তার মস্তিষ্ক জুড়ে যার প্রতি তার তীব্র ঘৃণা,
আবরার ম্যানশনের গেট দিয়ে কালো রঙের গাড়ি বের হয়, সাবার থেকে বিদায় নিয়ে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে ক্যাথরিন আর দামিয়ান।
গাড়ির পিছের সিটে তারা বসা সামনে ড্রাইভার আর রাত্রী।
দামিয়ানের দৃষ্টি বাহিরের দিকে মুখে গম্ভীরতার ছাপ।
ক্যাথরিন ছেলের কাঁধে হাত রাখেন,
সে খলনায়ক পর্ব ২৭
Please don’t say anything to Mikhail, keep a cool head, I will refund every deal you have,
দামিয়ান তার মমের কথায় ক্রূর হাসে,
I don’t have to give back because I like to take away বলেই দামিয়ান আশ্রমের পথে যাওয়ার রাস্তার দিকে তাকায় যা গাড়ি দ্রুত গতিতে ক্রস করে।
