Home সে খলনায়ক সে খলনায়ক পর্ব ৩০ (২)

সে খলনায়ক পর্ব ৩০ (২)

সে খলনায়ক পর্ব ৩০ (২)
ফারহানা সানিয়াত

লিফটের মধ্যে দুজন দাঁড়িয়ে,
প্রাণপ্রিয়ার শরীরে মৃদু কম্পন গলা শুকিয়ে কাঠ।
এই বাজে লোকটার সাথে এত দিন পর আবারো দেখা, কেনো! ভুলেই তো গিয়েছিল সব, আবারো কেনো !সে কেনো!
প্রানপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে চোখ বন্ধ করে নেয় এতে এবার মস্তিষ্কে চাড়া দেওয়া থেকে চোখে ভেসে ওঠে এমন কিছু দৃশ্য যা শরীরের কম্পন বাড়িয়ে দেওয়ার মত ছিল। সাথে সাথে প্রানপ্রিয়া চোখ খুলে শক্ত করে পড়নের জামা খিচে ধরে, না ভুলে গেছে সে, কিছু হয় নি কিছুনা।
দামিয়ান প্রানপ্রিয়ার পিছন দিকে থেকে খুটিয়ে খুটিয়ে তার শরীরের লেগে থাকা জামার উপর দিয়ে নিখুঁত শরীরের গঠন আর কম্পন দেখছে যা নেশা ধরার মত ছিল সাথে মাসখানেক পর মনে আনন্দ অনুভব।
দায়িয়ান তার দিকে এক কদম এগোয় ।
প্রানপ্রিয়া মনে মনে নিজেকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে। স্বাভাবিক থেকে এখান থেকে শুধু বের হতে হবে নাহলে দম বন্ধ হয়ে মারা যাবে এখন। প্রানপ্রিয়া চোখ তুলে কয় তলা তে আছে এক নজর দেখে তার ফ্যাকাসে মুখ ঘেমে একাকার পিছনের ব্যক্তি যার প্রতি তার তীব্র ঘৃনা বাজে লোক!!, প্রানপ্রিয়া মনে মনে বলে বড় শ্বাস ফেলে সে সব থেকে অসহায়বোধ করে এই লোকটার সামনে কিন্তু আশ্রমের মালিকের ছেলে মনে প্রচন্ড ঘৃণা নিয়ে ও মাথা নত রেখে পিছে ঘুরে তবে ঘুরতেই দামিয়ান কে অনেকটা কাছে দেখে চমকে ভয়ে পিছে দিকে লেগে যায়।

__ আআপনার সাথে দেখা হয়ে ভভালো লাগলো, দ্রুত কম্পিত কণ্ঠ প্রাণপ্রিয়ার।
দামিয়ান শান্ত ভাবে দাঁড়িয়ে দৃষ্টি তার ওপর সে আরো এক‌ কদম পা বাড়ায়।
প্রানপ্রিয়ার মাথা নত বলে দামিয়ানকে এগোতে দেখে ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে চুপসে লিফটে সাথে মিশে যাবে এমন।
__ তাই নাকি?
দামিয়ান ধীর কন্ঠে বলে তার ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি। মেয়েটি জঙ্গলের ঘটনা নিয়ে এখনো ভীত এটা স্পষ্ট।
প্রানপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে ধরে ঘন ঘন শ্বাস ফেলে আড়চোখে লিফটের দিকে তাকায় তৎক্ষণাৎ লিফটে দরজা খুলে যায়।
প্রানপ্রিয়া আর এক মুহূর্ত দাঁড়ায় না সামনে দাঁড়ানো দামিয়ানের পাশ দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মত হাটা শুরু করে।
দামিয়ান লিফট থেকে বের হয়ে তাকে ডাক দেয়।
প্রানপ্রিয়া না শুনে দ্রুত পায়ে হাঁটতে থাকে কিন্তু সে পালাতে ব্যর্থ হয় কারন দামিয়ান তার পাশ কাটিয়ে পথ আটকে ধরে।

__ দুঃখিত দেরি হচ্ছে আমার যেতে হবে।
প্রানপ্রিয়া ছটফট আকুতি কন্ঠে আশপাশ তাকিয়ে বলে উঠে। কিছু মানুষ তাদের সরু দৃষ্টিতে দেখছে।
দামিয়ান স্বাভাবিক ভঙ্গিতে পকেটে হাত গুজে দাঁড়ায়।
__ তোমার পালানোর কারণ কি যেটা আমাদের মাঝে হাওয়া উচিত না সেটা আবারো হয়ে যেতে পারে।
কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলার সাথে সাথে একটি হাসি তার ঠোঁটের কোণে।
কিছুক্ষণের জন্য প্রানপ্রিয়া শরীরে একটা উন্মাদনা ছুটে যায় এবং অবিশ্বাসে ভ্রু কুঁচকে তার দিকে তাকায় এমন আপত্তিকর কথায় যা মনে করতে চাইছিল না তা মুহূর্তে এক এক করে স্পষ্টভাবে চোখে ভেসে উঠছে।
প্রানপ্রিয়ার তীব্র উত্তাপে গাল লাল হয়ে যায় ।জঘন্য সেসব জঘন্য, রাগে ফুসে ওঠে সে।
লোকটা কতটা খারাপ আর অশ্লীল হলে একটা মেয়েকে বাজে ভাবে ছুঁয়েছিল আবার এখন এভাবে বলছেও, কি করে পারে অপমান করতে তাকে আসলে সে একজন নিলজ্জ আর অহংকারী পুরুষ।
দামিয়ান পকেট থেকে এক হাত বের করে তার ঘাড়ে রেখে হালকা ঘাড় এদিক ওদিক করে।

__ আমি আমার বাবার আশ্রমের একজন আশ্রিতাকে কফি কিনে খাওয়াতে চাই যার সাথে আমার এখানে দেখা হয়েছে যতই হোক তাদের বড় সাহেবের ছেলে বলে কথা এতিমদের ওপর দরদ রাখা আমারও উচিত এটা একটা ভালো কাজ হবে, তাই না?….
দামিয়ান ঠান্ডা গলায় কথা বলে। তার মুখের হাসি হারিয়ে যায়।__ অবশ্যই তাই ঠিক বলেছি না মিস প্রাণপ্রিয়া?
দায়িয়ান নিজের কথায় নিজেই উত্তর দিয়ে রেস্টুরেন্টের দিকে হাটা ধরে।
প্রানপ্রিয়া দাঁত চেপে হাত মুষ্টি বন্ধ করে তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে।
যদিও সে দামিয়ানকে খুব ভালো ভাবে চিনত না কিন্তু সে তার সম্পর্কে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ দিক জেনেছে।
সে সবসময় যা ভেবে নেয় তাই করে যেকোনো মূল্যে একজন হৃদয়হীন নির্দয় নিষ্ঠুর পাগল যার ভেতর অহংকারের শেষ নেই তাদের মত মানুষের মূল্য তার কাছে শূন্য একজন অশ্লীল বাজে লোক।
প্রানপ্রিয়া চোখ বন্ধ করে দীর্ঘ দুর্বল দীর্ঘশ্বাস ফেলে এরপর চোখ খুলে দামিয়ানের যাওয়ার পথে নিজে ও হাঁটা শুরু করে।
সে এমন একজন ব্যক্তির সাথে যাচ্ছে যাকে সে ঘৃণা করে আবারো অসহায় বোধ করে নিজেকে প্রানপ্রিয়া, না চাইতেও তার যেতে হচ্ছে ,,,

চারকোনা টেবিলে এক ওপরের মুখোমুখি নিরব হয়ে বসে আছে দুজন কিছুক্ষণ আগে ওয়েটার সার্ভ করে যাওয়া গরম কফি থেকে ধোয়া উঠে বাতাসে মিশে যাচ্ছে।
প্রানপ্রিয়া ঘামছে কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম বারবার টিস্যু দিয়ে মুছে নিচ্ছে। অতিরিক্ত অস্বস্তিতে এক পা দ্রুত গতিতে নাড়াছে এমন অনুভূতি সাথে সে পরিচিত যখনই এই লোক সামনে থাকে তখনই এমন অনুভূতি হয় যেটা কেটে যাওয়া তিন মাসের মধ্যে ছিল না কারন এই লোক ও ছিল না। প্রানপ্রিয়া আরো একটা অনুভূতি অনুভব করছিল যা আপত্তিকর ছিল যার কারনে বিশ্রীবোধ ও হচ্ছিল তার।
দামিয়ান পায়ের উপর পা তুলে আহানাফকে মেসেজ পাঠাচ্ছে,
লাঞ্চ করে গাড়িতে তার জন্য অপেক্ষা করতে।
প্রানপ্রিয়া হা করে শ্বাস ফেলে চারপাশে চোখ বুলিয়ে দামিয়ানের দিকে তাকায়,তৎক্ষণাৎ দামিয়ান ও চোখ তুলে,ঘাবড়ে যায় সে কাঁপা কন্ঠে বলে ওঠে,,
জজায়গায় টা সুন্দর তা…

__ অপ্রয়োজনীয় কথা পছন্দ না তুমি জানো,
প্রানপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে দৃষ্টি নত করে নেয় ,এটা সে বলতে চায়নি ,ঘাবড়ে মুখ ফুসকে বের হয়ে গেছে। তার মত পুরুষকে কিছু বলা কি সামনে থাকার ও ইচ্ছ নেই।
__ আমি শুধু জানি আপনি আমাকে সহ্য করতে পারেন না।
বলেই চোখ বন্ধ করে তবে সাথে সাথে আবার খুলে ফেলে লোকটাকে দেখার পর থেকে বিশ্রী অনুভূতি দুজনের চুম্বন চোখে ভেসে ওঠছে যা ছিল প্রচন্ড বিরক্তিকর।
__ ঠিক আছে আমি তোমাকে সহ্য করতে পারি না।
দামিয়ান তার কথায় সম্মতি জানায় ঠোঁটে হাসি ঝুলিয়ে,
প্রানপ্রিয়া তার দিকে চোখ তুলে, দামিয়ানের দৃষ্টি ও তার দিকে স্থির।
বাজে লোক টার মনে কি হৃদয় আছে , অবশ্যই নেই যাইহোক তার যেতে হবে এই লোকের সামনে
সে বেশিক্ষন থাকতে চায় না বাজে স্মৃতিগুলো মনে করে ওই দুঃস্বপ্নে দিনগুলোতে চলে যাক যখন তার মস্তিষ্কে এসব খচা দিত।
প্রানপ্রিয়া টেবিলে রাখা কফির কাপে দৃষ্টি ফেলে এই কপির জন্য ই তো সে এখানে,,তাড়াহুড়া করে প্রানপ্রিয়া কাপ হাতে নিয়ে চুমুক বসায়, অতিরিক্ত গরমের কারণে জিভ জ্বলে যাওয়ার মত ছিল তবুও সে কোনোমত শেষ করে মুখে হাত দিয়ে হা হা করে শ্বাস ফেলতে থাকে।
দামিয়ান দৃষ্টি নত করে তার বাচ্চামতে কিঞ্চিৎ
নিঃশব্দে হাসে।
প্রানপ্রিয়া স্বাস ফেলের মাঝে তার ব্যাগ থেকে কিছু টাকা বের করে টেবিলের উপর রেখে বসা থেকে উঠে দাঁড়ায়।
দামিয়ান চোখ তুলে তাকায় তাকে দাঁড়াতে আর টাকা রাখতে দেখে উপহাস করে,,

__ এটা কি?
__ আমার কফির মূল্য,
প্রানপ্রিয়া কথাটা বলতে কিছুটা হিমশিম খায় দৃষ্টি তার টাকার উপর আঙুলে।
তোমার কি মনে হয় এক কাপ কফির মূল্য দেওয়া জন্য দামিয়ান আবরারের তোমার মত একজনের প্রয়োজন।
আমি এমনটা বলি না আমি শুধু আপনার থেকে কিছু চাই না তাই।
দামিয়ানের চোখ তীক্ষ্ণ হয় উঠে ..
প্রানপ্রিয়া মনে মনে সাহস জোগায় সব সময় ভয় পেলে হবে না কারন রেস্টুরেন্টের ভেতর এই লোক কিছু করতে পারবে না ।
__ কি বললে আবার বলো, তার শক্ত ভারী গলা
প্রানপ্রিয়া জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজায়,
__ আপনার থেকে আমি কিছু পেতে চাই না।
প্রানপ্রিয়া বলেই দামিয়ানের দিকে তাকায়।
দামিয়ানের চোয়াল শক্ত হয়ে গেছে,
__ আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ এখন আমার যেতে হবে আমার বন্ধু অপেক্ষা করছে।
__ কি ডক্টর এর ছেলে?
প্রানপ্রিয়া কপাল গুটায়, দামিয়ান শান্ত ভঙ্গিতে তবে তার দৃষ্টি ঝলসে দেওয়ার মত।

__ দুঃখিত আপনি আমার ব্যক্তিগত কিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে পারেন না।
__ আমার ওপর কথা বলা পছন্দ না ।
প্রানপ্রিয়া চেয়ার থেকে সরে দাঁড়ায় তার বেপরোয়া সাহস ছুটে চলা ভয়ের ঢেউগুলো যেন নিঃশেষ করে দিয়েছে।
__ আমি আপনার দাসী না যে আপনার পছন্দমত সব করতে হবে।
দায়িয়ানের চোয়াল দ্বিগুন শক্ত হয়ে ওঠে এই মেয়ের সাহস তাকে নিয়ন্ত্রণের বাহিরে নিয়ে যাচ্ছে । সেই দিন জঙ্গলে এই মেয়ে কি হাল করেছিল তার মনে থাকা সত্ত্বেও সে কি চাইছে এর থেকে ভয়ংকর কিছু তার সাথে ঘটুক।
__ তোমার মুখে বুলি সেদিনের মত নিশ্বাস আটকে ধরলে বন্ধ হবে নাকি এর থেকে বেশি কিছু করতে হবে।
প্রানপ্রিয়ার যা সাহস ছিল তার এই কথায় যেন
ডুমড়ে মুছড়ে মাটি পড়ে মিশে চোখের কোণ ছল ছল করে উঠে সে দিনের ঘটনার পর সে ট্রমা তে ছিল কাউকে বলতে পারিনি সে তখন আর এখনো ও আর এই বাজে লোক!!
দামিয়ান উপহাস করে হেসে বসা থেকে উঠে প্রানপ্রিয়ার কাছে গিয়ে দাঁড়ায়,,,

__ তোমার সাহস গুরিয়ে দিতে কত সময় পছন্দ আমাকে বলো trust me I will satisfy you, (ফিসফিস কন্ঠ)
প্রানপ্রিয়ার শরীর ঝংকার দিয়ে ওঠে তার অশ্লীল কথা শুনে দ্রুত সে এক কদম পিছে যেতে নিলে দামিয়ান তার হাত ধরে নিজের কাছে এনে ঠাট্টা বিদ্রুপ কন্ঠে বলে,,
__ আর টাকার অহংকার দেখাচ্ছ, কারন কি ধনী ডক্টরের ছেলে,
প্রানপ্রিয়াকে প্রচণ্ড কম্পন এখন গ্রাস করে। সে দাঁত কিড়মিড় করে, কিন্তু দুঃখের উত্তপ্ত স্রোত ইতিমধ্যেই তার মুখে বয়ে গেছে।
__ তোমার জন্য আমি আগে থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি তোমার প্রেমিক মুখে বললেও কাজে কিছু করতে পারবে না। এখন যা সব তার গরিব মেয়ের প্রতি করুনা।
প্রাণপ্রিয়া অপমানে কিছুটা শব্দ করে কান্না করে ওঠে।
দামিয়ান বাঁকা হাসে কেমন অহংকার হাস্যকর হয়ে গেল। তাই না মিস প্রাণপ্রিয়া?
প্রানপ্রিয়া চোখ বন্ধ করে তার পড়নের জামা খিচে ধরে।
দামিয়ান ঘাড় ঘুরিয়ে টেবিলে রাখা টাকার দিকে এক নজর দেখে তার নিজের কাছ থেকে টাকা বের করে প্রানপ্রিয়ার দিকে ছুড়ে মারে।

__ মূল্যবান সময় নেওয়ার সাথে টিপস।
এত এত অপমানে প্রাণপ্রিয়ার চোখ দিয়ে অনবরত চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে সে ধীরে ধীরে চোখ খুলে দামিয়ানের আনন্দ তৃপ্তি পাওয়া মুখে দিকে তাকায়। দামিয়ানের দৃষ্টি ও তার ছলছল করা চোখে দিকে,,,
প্রানপ্রিয়া এমন একজন মেয়ে যে একবারও তাঁর উপস্থিতিতে হাসেনি, তবে সে সেই মেয়ে যে যখনই তাঁর সংস্পর্শে আসত, ভয় পেত অসস্তি বোধ করতো এবং সবশেষে অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাঁদতো।
আমি যদি তোমাকে হাসাতে না পারি, তাহলে কাঁদাবো।’
দামিয়ান তার সমস্ত প্রকাশে এখন আকর্ষিত। যদি সে কেবল তাকে ব্যথা দিতে পারে তবে সে তাকে যতটা পারে তত গভীরভাবে আঘাত করবে।
‘অন্তত, সে তাকে তার জীবনে একটি ছোট দাগ হিসাবে দেখবে না।’তার জীবনে সব কিছু মিলিয়ে সুখ হলে ও সে একা তার দুঃখ হবে।
প্রানপ্রিয়া ঠোঁট কামড়ে দামিয়ানের দিকে তাকিয়ে কোনোভাবে কান্না আটকায় দৌড়ে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে যায় আর একবারের জন্য ও পিছে ঘুরে তাকায় না।

সে খলনায়ক পর্ব ৩০

এক্সাম শেষ করে ইভান খোস মেজাজে কানে ইয়ারফোন গুঁজে তার আর প্রানপ্রিয়ার ঠিক করা রেস্টুরেন্টের নিচ তলায় এসে হাঁটছে ।মেয়েটা অবশ্যই তার জন্য অপেক্ষা করতে করতে ভর হয়ে গেছে শিওর তার ওপর চটে যাবে আর বাহানা বানিয়ে নানান ভাবে‌ জ্বালাবে যেমনটা সব সময়‌ জ্বালায়।
মনে মনে ভেবে হেসে উঠে ইভান ব্যাপার না আজ এমনিতেও চটে আছে জ্বালানোর লেভেল হাই,,
ইভান মনে মনে ভেবে হাটার মাঝে চারপাশে চোখ বুলাতে থাকে তবে হঠাৎ সামনে থেকে কান্নারত প্রাণপ্রিয়াকে দৌড়ে আসতে দেখে ইভান কপালে ভাঁজ ফেলে দাড়িয়ে যায়।

সে খলনায়ক পর্ব ৩১