Home হাওয়াই মিঠাই হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৪৬

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৪৬

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৪৬
তামান্না ইসলাম শিমলা

ফজরের সময়টা সৃষ্টিকর্তার এক নিঃশব্দ আহ্বান, শান্তি, সৌন্দর্য আর অনুপ্রেরণার এক মায়াময় মোহনা। রাতের গভীর নীরবতা যখন ধীরে ধীরে বিদায় নেয়, ঠিক তখনই পূর্বাকাশে আলোর ক্ষীণ রেখা দেখা যায়। পাখিরা ঘুম ভেঙে মৃদু কণ্ঠে গান গায়, যেন তারা প্রকৃতির প্রথম প্রহরের ঘোষণা দিচ্ছে।
আকাশে ধোঁয়াটে নীল আর হালকা গোলাপি রঙের মিশেল, যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা জলরঙের ছবি। বাইরে শীতল বাতাস, বাড়ির সকলেই উঠে কাজে লেগে পরেছে। বিয়ে বাড়ি বলে কথা, কাজ তো আর কম নয়। তনয়া নামাজ পরে বসে আছে ঘরে, মাথা ব্যথা করছে প্রচুর। তেহরাব মসজিদে গিয়েছিল নামাজ পরতে, সবেই আসলো সে। তনয়া এক পলক তেহরাবের দিকে তাকায়, তেহরাব চেয়ারে এসে বসে।
এখনো গম্ভীরতা দৃশ্যমান, তনয়া বিছানায় বসে থেকেই তেহরাবকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন ছুড়ল,,

“এখনো মুড অফ?”
তেহরাব তাকায় তনয়ার পানে, তার দৃষ্টিতেও গম্ভীরতা। কিছু না বলে চেয়ার থেকে উঠে এসে তনয়ার কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল, তনয়া কিছু না বলে তেহরাবের চুলের ভাঁজে হাত রাখে।
“আমাকে বলবেন না?”
“তুই বলিস আমাকে?”
তেহরাবের শীতল কন্ঠস্বরে চমকায় তনয়া, চট করে মনে পরে যায় গতরাতের কথা। তেহরাবের গালে হাত রেখে নিজের দিকে ঘুরিয়ে বলে,
“কালকে কোথায় গিয়েছিলেন আপনি? আর রাতে এত রেগেই বা কেন ছিলেন?”
তেহরাব চোখ বন্ধ করে নিয়ে তনয়াকে জড়িয়ে ধরল, ফের শীতল কন্ঠে বলে উঠল,
“তনয়া চল দূরে কোথাও চলে যাই, পাহাড়ে? নাকি সমুদ্রের আশেপাশে?”
তনয়ার অধর প্রস্বস্থ হয়, নরম স্বরে আওরায়,

“আপনি যেখানে আমিও সেখানে, পাহাড় হোক বা সমুদ্র।”
আর কোনো জবাব মিলল না তেহরাবের দিক থেকে, কিছু সময় স্থায়ী হল নীরবতা। আবারো হানা দিল পুরোনো প্রশ্ন, এবার সরাসরিই প্রশ্ন করে বসল তনয়া।
“রিমুর মামা লোকটাকে আপনি মেরেছেন তাই না? কিন্তু কেন?”
তেহরাব আগের ন্যায় শুয়ে আছে, তবে মুখশ্রীতে গম্ভীর্যতার ছাপ। কন্ঠেও তা প্রকাশ পেল,
“হ্যাঁ আমি মেরেছি, আর কারনটা তোকে বলার প্রয়োজন মনে করছি না।”
দীর্ঘশ্বাস ফেলল তনয়া, তার আর বুঝতে বাকি নেই কারনটা। তবে ভাবছে অন্য কথা, সে জানল কি করে সেদিনের বিষয়? সে তো এসব বিষয় নিয়ে কারো সাথে আলোচনা করেনি, তাহলে? ভাবতে লাগল তনয়া, নাহ মনে তো পরছে না। টনক নড়লো তার, গত কাল সকালের একটি কথা মনে পরতেই তনয়া অবাক দৃষ্টিতে দৃষ্টিপাত করে তেহরাবের দিকে। চোখ খোলা থাকলে বোধহয় এখন তেহরাব তনয়ার এমন চেহারা দেখে হাসতো।

গতকাল সকালে তাসলিমার সাথে টুকটাক কথা বলছিল তনয়া, রিমুদের সবাইকেই দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল। তারা আসেনি কেন সেটাই জিজ্ঞেস করছিল তনয়া, তাসলিমা জানান রিমুর মামা এসেছে গত সপ্তাহে তাই তাকে রেখে এখানে আসেনি। বিয়ের দিন চলে আসবে, তনয়ার কৌতুহল জাগে, সেই লোকটা কি তবে রিমুর মামা? ভাবতেই গা কেমন গুলিয়ে উঠছিল তার, ভুল বসত তৎক্ষনাৎ প্রশ্ন করে ফেলেছিল, “ মা ওই লোকটা কি খারাপ? কেমন যেন না?” তখন তাসলিমা ছোট করে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিল, “ হ্যাঁ, ক্যারেক্টার খারাপ। আগে আসলে ইরার গায়ের সাথে ঢলাঢলি করত, ভাগ্যিস তুই ছিলি না আগেই চলে এসেছিস।”
ব্যাস এটুকুই, তাসলিমা তো আর জানতেন না সেদিনের ঘটনা। তাই তনয়াও কথা ঘুরিয়ে অন্য বিষয়ে চলে গিয়েছিল, তবে সে জানত না তেহরাব তাদের আশেপাশেই ছিল। আর সবটা শুনেছে!
আর তারপরেই এত কিছু! এই রকম কিছু হবে জানত বলেই তনয়া বলতে চাইনি কিছু, তবে যেটার ভয় ছিল দিনশেষে তাই হল। তবে তনয়া বুঝতর পারছে না তেহরাব রাতে রেগে কেন ছিল? ওই বিষয়টা তো আগেই হয়েছে, তাহলে?

তনয়া চট করে তেহরাবের দিকে তাকায়, দেখতে পায় তেহরাবের নিষ্পাপ মুখশ্রী। লোকটা আবারো ঘুমিয়ে গিয়েছে, কি আর করার। ঘুম ভাঙাতেও ইচ্ছে হল না, তেহরাবকে কোনো রকম বালিশে শুয়িয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়াল তনয়া। নিজেরও মাথা ব্যথা হচ্ছে তার, কিন্তু এখন শুয়ে থাকলেও মানুষ কি না কি ভাববে। মাথায় ঘোমটা টানলো তনয়া, দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে আসলো। পাশের রুমে গিয়ে তানহাকে ডেকে তুলে গোসলে পাঠাল, পার্লারেও যেতে হবে। আজ আর তনয়া পার্লারে সাজবে না, তাকে ওসব ভারি সাজগোজে মানায় না। সে এভাবেই ঠিক আছে!

বিয়ে বাড়িতে দৌড়ঝাঁপ কম নয়, শফিককে সারাদিন একদণ্ড বসতেও দেখা যায়নি। আর না তেহরাবকে, সেও হাতে হাত লাগিয়ে সবটা সামলাচ্ছে। খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে বরযাত্রীর লোকদের আপ্যায়নে কোনো কমতি রাখেনি কেউ।
এখন রাফা আর প্রত্যয়ের বিয়ে হচ্ছে, একটু পর শিহাব আর তানহার হবে। শিহাবকে একা চুপচাপ বসে থাকতে দেখে শফিক এগিয়ে আসে তেহরাবের দিকে,
“বাবা আমার তো অনেক কাজ, তুমি একটু শিহাবের কাছে যাও। একটু আড্ডা দাও, তুমিও তো কম দৌড়ালে না সারাদিন।”
তেহরাব তাকাল স্টেজের দিকে, শিহাবের বন্ধুরা এখন বিয়াইন নিয়ে ব্যস্ত। আর শিহাব? ছেলেটা অন্য এক ভাবনায় মত্ত, কে জানে কি ভাবছে। শশুড়ের কথা ফেলত পারল না তেহরাব, অনিচ্ছা সত্ত্বেও এগিয়ে গেল শিহাবের কাছে। বসল পাশে, শিহাব অন্যমনস্ক!
“কি অবস্থা?”
ভাবনার জগৎ থেকে বেরিয়ে আসে শিহাব, তাকায় পাশে বসা ছেলেটির দিকে। কিছুটা সময় লাগলো যেন, তারপর বলল,
“আলহামদুলিল্লাহ, তোমা.. সরি আপনার?”
তেহরাব সৌজন্যমূলক হাসলো,
“সমস্যা নেই, তুমি বলেই ডাকতে পারো।”

শিহাব হাসে, আর কিছ বলার আগেই তাদের সামনে উপস্থিত হয় নীল রঙের জামদানী পরিহিত তনয়া। লম্বা চুল গুলো বেনি করে তাতে বেলি ফুলের মালা লাগানো, চোখে কাজল আর ঠোঁটে মেরুন লিপস্টিক। এতেই যেন পৃথিবীর সকল সৌন্দর্যকে হার মানাতে বাধ্য, এক মূহুর্তের জন্য ঘোরে পরে যায় তেহরাব। এটা তার এলোকেশী? আজ দ্বিতীয়বারের মতো শাড়ি পরেছে, তেহরাব যে আজ তার এলোকেশীকে দেখার সময়ই পায়নি। হঠাৎ নিজের পাঞ্জাবীর দিকেও নজর পরল তেহরাবের, সকালে তনয়া নিজেই নীল রঙের পাঞ্জাবীটা তাকে ধরিয়ে দিয়েছে। ফিচেল হাসলো তেহরাব, তার এদিক ওদিক ছুটে চলা চঞ্চল হরিণীর দিক থেকে তার নজরই সড়ছে না।
তনয়া এসেছিল তার কাজিনদের খুঁজতে, তবে দু একজন ব্যতিত একটাকেও পাচ্ছে না কোথায়। অথচ দূরে বসা দুটো চোখ যে অনবরত তাকে পা থেকে মাথা পর্যন্ত পর্যবেক্ষণ করে চলেছে সে খবর কি তনয়ার আছে? তেহরাবের নেশাক্ত দৃষ্টি নজরে পরলে আর এক মুহুর্ত হয়তো এখানে দাঁড়াতে পারতো না সে।

কে জানে কি হল, হঠাৎই নজর পিছলে চলে গেল শিহাবের দিকে। সাথে সাথে কপালে কিঞ্চিৎ বিরক্তির ভাজ পরলো তেহরাবের, তার এলোকেশীর দিকে কেন কেউ তাকাবে? শিহাবের শীতল দৃষ্টি,এই দৃষ্টির মানে খুব ভালো করেই জানা আছে তেহরাবের, কিন্তু তেহরাব যে এসব মানতে পারবে না। তার তনয়াকে ভালোবাসার অধিকার শুধু তার, শুধু তার একার। আর কারো না, মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি আসতেই ফিচেল হাসলো তেহরাব। ডান হাত দ্বারা নিজের ঘাড়ে হাত রেখে ভারিক্কি স্বরে বলে উঠল,
“তা শিহাব এখন তো ফ্রি আছো,একটা কাজ করে দিতে পারবে?”
তেহরাবের কন্ঠস্বর কর্ণপাত হওয়া মাত্রই চোখ সড়িয়ে নিল শিহাব, এখন তো তনয়ার দিকে তাকানো তার উচিত না। একদমই না! যথাসম্ভব স্বাভাবিক থেকেই তেহরাবকে জিজ্ঞেস করল,
“জি? কি কাজ?”
তেহরাব আড়ালে বাঁকা হাসলো, মুখটা বিরক্তিকর করে বলল,
“আশেপাশে ক্যামেরাম্যানকে দেখছি না, তুমিই আছো তাই বলছিলাম যে আমাকে আর তনয়াকে কয়েকটা ছবি তুলে দিতে পারবে? আমার ফোন কিন্তু ক্যামেরার থেকে কম না।”
শিহাব বিস্মিত নয়নে তেহরাবের দিকে তাকাল, তেহরাব ঠোঁট টিপে বলল।

“পারবে না?”
শিহাব নির্বাক রইলো কিছু সময়, এভাবে নাও করতে পারছে না। তাই মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল, তেহরাব যেন এই সুযোগের অপেক্ষাতেই ছিল। ক্রুর হেসে স্টেজ থেকে নেমে এদিক ওদিক ছুটতে থাকা তনয়ার কাছে এগিয়ে গেল,
“এই দাঁড়া।”
সবেই ছাদ থেকে যাওয়ার জন্য পা বারাচ্ছিল সে, এমন সময় তেহরাবের গুরুগম্ভীর কন্ঠস্বর শুনে থেমে গেল। পিছন ফিরে তাকাতেই তেহরাব খপ করে তনয়ার হাত ধরে ফেলল,
“চল ছবি তুলব।”
“আরেহ কি করছেন, কাজ আছে তো আমার।”
তেহরাব তনয়ার কথা শুনবে এটা হয়? রাগী দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল,
“ একে তো শাড়ি পরেছিস, আমি বলেছিলাম না আমি না বললে কখনো শাড়ি পরবি না। তার উপর ধৈধৈ করে দৌড়ে বেরাচ্ছিস, মার না খেতে চাইলে চুপ করে চল।”

তনয়া গাল ফোলালো, তা দেখে হাসি পেল তেহরাবের। কিছু না বলে স্টেজের কাছে আসলো, তেহরাব আলতো হাতে তনয়ার কোমরে হাত রেখে পাশে দাঁড় করালো। শিহাবের দিকে তাকিয়ে মেকি হেঁসে বলল,
“সুন্দর লাগছে না আমাদের? একদম মেইড ফর ইচ অ্যাদারস, তাই না?”
শিহাবের অসহায় দৃষ্টি আরো আনন্দ দিচ্ছে তেহরাবকে, শিহাব চোখ নামিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক হেসে বলল,
“হ্যাঁ, সুন্দর লাগছে।”
প্যান্ডেলের একপাশে ছবি তোলার জন্য আলাদা করে সাজানো হয়েছে, সেখানেই ছবি তুলতে তেহরাব।
“নিচে এসো শিহাব, ছবি তুলে দাও।”
তেহরাবের কথা শুনে হতভম্ব হয়ে যায় তনয়া, চোয়াল ঝুলে পরে তার। অবাক চোখে তেহরাবের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করে,

“কি করছেন এসব? উনি তো জামাই মানুষ, উনাকে দি…….
বাকি কথা বলতে পারে না তনয়া, তেহরাবের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিজের চোখের দিকে পরতেই মুখ আপনাআপনি বন্ধ হয়ে যায়। শিহাব ইতিমধ্যে নেমে এসেছে, তেহরাব হাসে। জায়গা মতো দাঁড়ায় দুজনে, তেহরাব তনয়ার পেছনে গিয়ে দাঁড়িয়ে তনয়াকে জড়িয়ে ধরে, তনয়ার কাঁধে নিজের চোয়াল রাখে। শিহাব ছবি তুলে দিচ্ছে, তনয়ার লজ্জা করছে এভাবে পোজ দিতে। তবে তেহরাবের ধমকে ভয়ে যেভাবে বলছে সেভাবেই পোজ নিতে হচ্ছে তাকে, আর এসব দেখে রীতিমতো বিরক্ত শিহাব। শুধু প্রকাশ করতে পারছে না!

হঠাৎ তনয়াকে কিছু বুঝে উঠার সুযোগ না দিয়েই তনয়াকে কোলে তুলে নেয় তেহরাব, মুচকি হেসে কপাল ঠেকায় তনয়ার কপালে। আশ্চর্যজনক ভাবে তনয়ার বেনিও খুলে গিয়ে ছড়িয়ে গিয়েছে চুল, লজ্জা মাখা চোখে তাকায় তনয়া। ঠিক এইভাবেই ছবিটা তুলে ফেলে শিহাব নিজের অজান্তেই, দশ সেকেন্ডের মাঝেই তনয়া নেমে পরে কোল থেকে। শিহাবের সামনে এভাবে তেহরাব তাকে কোলে নিবে ভাবতেও পারেনি সে, বড্ড লজ্জাও পেয়েছে। আর এক মুহুর্ত দাঁড়ায় না, লজ্জা মিশ্রিত মুখশ্রী লোকানোর বৃথা চেষ্টা করে দৌড়ে চলে যায় তনয়া।
আর তার যাওয়ার দিকে তাকিয়ে ক্রুর হাসে তেহরাব, মনে মনে বিড়বিড়ায়,
“আমি যতই ভাবি যে আমি আর তোকে কষ্ট দেব না, কিন্তু তুই তো নিজ থেকেই নিজের কষ্ট বারিয়ে ফেলছিস। তোর কপালে যে আজ কি আছে কে জানে, আমাকে দোষ দিতে পারবি না বলে দিলাম।”
তেহরাব নিজের ঘাড় নিজেই ডলতে থাকে, ঘাড় বাকিয়ে শিহাবের চুপসে যাওয়ার মুখের দিকে তাকায়। নিজেও অসহায় ভাব নিয়ে বলে,

“তোমার বোন, উপস এখন তো সম্পর্কে আপু হয় তাইনা? সবচেয়ে বড় কথা হলো আমার বউটা না খুব লাজুক, কি জ্বালায় যে পরেছি জানো? যাই গিয়ে লজ্জা ভাঙিয়ে আসি।”
তেহরাব যেতে নেয়, ফোনের কথা মনে পরতেই আবারও পিছিয়ে যায়। ফোনটা নিজের হাতে নিয়ে মুচকি হেসে বলে,
“বিবাহিত জীবনের জন্য শুভকামনা ও অভিনন্দন শালির জামাই, শালিকাকে দেখে রাখিও। আর হ্যাঁ, থ্যাংকস, এত সুন্দর ছবি তুলে দেওয়ার জন্য।”
অতঃপর বাঙ্গাত্বক ভাবে ফিচেল হেসে ফোনটা ঘোরাতে ঘোরাতে চলে আসে তেহরাব, যেতে যেতে ঠোঁট নেড়ে বিড়বিড়ালো,

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৪৫

“যা তেহরাবের তা শুধু তেহরাবেরই, তাতে কারো নজর প্রর্যন্ত প্রযোজ্য নয়। আর তনয়া তো আমার গোটা পৃথিবী, আমার সব কিছু, ওর ক্ষেত্রে এক চুলও ছাড় নেই। ভুল ক্রমে তাকালেও অন্তর আত্মা ঝলসে যাবে, আমি তেহরাব আর তনয়া শুধু তেহরাবেরই।”

হাওয়াই মিঠাই পর্ব ৪৭