হৃৎস্পন্দন পর্ব ৩২
সাঞ্জেনা শাজ
শুভ্রতাদের পরিক্ষার আগে দু’দিন বন্ধ পড়েছে। এখন ছুটিতে আছে সে আর সোহানা। দু দিন পর একেবারে পরিক্ষা দিতে যাবে। বিকেলে সামান্তা এসেছে তালুকদার বাড়িতে। আশিক’ই দিয়ে গিয়েছে। তিন বান্ধুবি মিলে কিছু সাজেশন মিলাবে তারপর একে একে সব পড়া কম্পলিট করবে। শুভ্রতা এমনিতে পড়া লেঝায় ভালো মাথায় বুদ্ধি কম থাকলেও। সামান্তাও মোটামুটি। আল্লাহ দিলে সবচেয়ে ভালো সোহানা! মাইয়াটা পড়েও না পড়ার ধারে কাছেও এরে দেখা যায়না। এই মেয়ের কোন কিছুই গা’য়ে জড়ায় না৷
“তোরা দুইজন ভালো করে পড় বুঝলি? আমার যদি তোদের আশেপাশে সিট পড়ে একটু দেখাইস তাইলেই হইবো। আমার পড়তে টরতে একটুও ভালো লাগছে না।”
আপালে কামড় দিয়ে চিবুতে চিবুতে বললো সোহানা। অবস্থান -শুভ্রতার বিছানায় শোয়া। পা দুটো দেয়ালের সাথে ঠেসে উপরের দিকে তোলা।
“তোর ভালো লাগে কবে রে সোহানা? তোর কি পরিক্ষায় পাস করার ইচ্ছা নেই, সত্যি করে বলতো?” সামান্তা বলে উঠলো অতিষ্ঠ ভঙ্গিতে। মেয়েটা সব সময় খামখেয়ালি করে। তাই বলে পরিক্ষার সময়ও করবে!
“কি বলিস পাস করবো না কেন? ইনশাআল্লাহ ৩৩ পাইয়া হলেও পাস করবো। সারা বছর কি ঘোড়ার ঘাস কাটছি নাকি! একটুও তো পড়ছি না-কি? ৩৩ পাবো ইনশাআল্লাহ। এর বেশি কিছু আশা টাশা করা যাবে না আর কি! আর যদি না করি সবাই মিলে বিয়ে টিয়ে দিয়ে দিলেও ভালো। আমার একটুও খারাপ লাগবে না। হিহিহি। ” বলেই হাসলো সোহানা।
“হ্যাঁ, আশায় বাচে চাষা। দিবে তোকে বিয়ে! তোর পিঠে কচি ঝিংলা ভাঙ্গবে মেঝো মা। আর মেহরাদ ভাই তো আছেই! রেজাল্ট একটু হেরফের হলে ধাক্কা দিয়ে তালুকদার বাড়ি থেকে বের কবে দিবে। বলবে – যেই মেয়েরা সামান্য পাশ টুকু করতে পাড়ে না তাদের মতো নির্লজ্জ, পড়া চোরদের তালুকদার বাড়িতে থাকা শোভা পায় না। যাহ, বেরিয়ে যা। এক্ষুনি বেরিয়ে যাবি এ বাড়ি থেকে।” শেষের কথাটা মুখ ভেঙিয়ে ভেঙিয়ে বললো শুভ্রতা।
শুভ্রতার কথা শুনে ফিক করে হেসে দিলো সামান্তা, সোহানা। শান্তা। পা নামিয়ে শোয়া থেকে উঠে ঠিক হয়ে বসলো সোহানা৷ আবারও আপেলে কামর বসিয়ে বললো,
“ভুল। তোকে বের করবে না। তুই তো এ বাড়ির’ই বউ। করলে আমায় বের করে দিবে বিয়ে দিয়ে। তুই প্যারা নিস না, চিল। ”
“আর বউ! ” হতাশার ভারী নিশ্বাস ফেলে বললো শুভ্রতা। তার জীবন যে গোলকধাঁধার মতো কোথায় আটকে গেছে সে নিজেও জানে না। সেদিন কলেজে যাওয়ার আগে মেহরাদের সাথে যা-ই একটু অপ্রস্তুত কথপোকথন হয়েছিল। এরপর আর তা-ও হয়নি। লোকটা কেমন নীরব দূরত্ব বাড়িয়ে রাখে তার সাথে। কবে ঠিক হবে সব কিছু! তার যে আর ভালো লাগে না কিছু। কোন আক্কেলে সেদিন এগুলো বলেছিলো! আল্লাহ জানে!
“হে রে শুভ্রতা, এখনো কি ভাইয়ার সাথে তোর কথা হয় নি? ” সামান্তা জিজ্ঞেস করলো শুভ্রতাকে।
এদিক সেদিক মাথা নাড়াল শুভ্রতা। মুখ ভার করে বললো,
“কথা বলবো কি! উনি আমায় দেখলেই না দেখার মতো ভান করে। মনে হয় আমি অদৃশ্য কেউ। তাকায়ই না! আর কথা বলবে কি!”
“তুই গিয়েছিলি কথা বলতে? সরি বলেছিস?”
“নাহহ।” কিছুটা নিচু স্বরে বললো শুভ্রতা। তার নিজেরই লজ্জায় মুখ ছোট হয়ে আসে।
“পরিস্থিতি যেমনি ছিলো সেদিন, তুই ভাইয়াকে হার্ট করেছিস শুভ্রতা। আমরা সকলেই জানি ভাইয়া কতটা ভালোবাসে তোকে। সেদিনকার ওসব কথাবার্তার পর তোর সুস্থ হওয়ার পর ভাইয়ার কাছে যাওয়া উচিৎ ছিলো। একবার সরি বলা উচিৎ ছিলো।” সোহানা বললো বুঝদারের মতো। প্রেম ট্রেম না করলে-ও প্রেম ভালোবাসায় এর আবার জ্ঞান ট্যান বেশি। বুঝে ভালো।
“কিহ! একবার সরি বলা উচিৎ ছিলো! সে যায়নি বলতে? এই মেয়ে গুলো জানে সে কতবার মেহরাদ ভাইয়ের দরজার সামনে গিয়েছে শুধু একটা সরি বলতে! কিন্তু তাকে দেখলেই না দেখার ভান ধরে। ইগনোর করে৷ তখন তার কথা বলার ইচ্ছেই ম’রে যেতো। বাবা এসে নতুন মোবাইল কিনে দিলো। তার তো মেহরাদ ভাইয়ের নম্বর মুখস্ত ঠুটোঁস্ত অন্তস্থ। সে সাথে সাথেই একটু সুস্থ হবে ‘ভালোবাসা’ দিয়ে মেহরাদ ভাইয়ের নম্বর সেব করে কতো মেসেজ দিলো! অথচ, তাকে কি করলো! সোজা ব্লক দিয়ে দিয়েছে। এরপর থেকেই তো সে মনে মনে ফুসেছে। একটা সুযোগ দেওয়া যায় না? লজ্জায় ওঁদেরও কিছু বলেনি। ওঁরা যদি মজা উড়ায়! তাই সে-ও এমন ভান ধরেছে, সে-ও রেগে আছে মেহরাদ ভাইয়ের সাথে।নিজের দুঃখ, নিজের অপমান নিজে নিজেই হজম করেছে। এঁরা কেউ জানে এ খবর? উঁহু। জানেনা। ” মনে মনে কথাগুলো স্মরণ করলো শুভ্রতা৷
“কিরে কোথায় হারিয়ে গেলি? ” শুভ্রতাকে ধাক্কা দিলো সামান্তা। এঁরা পড়া কম গসিপ করছে বেশি। কতোক্ষণব্যাপী এরটা তো ওরটা।আসলে, বান্ধুবিরা একসাথে থাকবে পড়া না হয়ে গসিপ হবে এটাই স্বাভাবিক! এতে অস্বাভাবিকের কিচ্ছু না!
“হ্যাঁ, হ্যাঁ। হুম সরি বলতে হবে। বলা উচিৎ আমার। কিন্তু উনি তো পাত্তা দিবে না রে।” ভাবনা থেকে বেরিয়ে বললো শুভ্রতা৷ আগেই দেয় নাই। এখন আবার দিবে!
“আরেহ দিবে দিবে। কবি বলেছে, ‘একবার না পাড়িলে দেখো শতবার।’ তুই নয়তো সহস্র, লক্ষ, কোটি বার যাবি! সমস্যা কি? আমরা আমরাই তো! ভালোবাসার মানুষের কাছে কোটি বার গেলেও কিচ্ছু হয় না। আর মেহরাদ ভাইয়ের মতো প্রেমিক পুরুষের কাছে গেকে আরও আগেই কিছু হবে না। ”
“উহ! প্রেমিক পুরুষ না ছাই!” বলেই মনে মনে ভেঙ্গচি কাটলো শুভ্রতা সামান্তার কথায়। এঁরা এই লোককে কি ভাবে! সে-এ না আসল রূপ চিনে এই লোকের। এ লোক ভালোর ভালো, আবার খারাপের এক’শের!
এরকম ভাবেই আরও অহরহ জ্ঞান দিতে থাকলো দু’জন মিলে শুভ্রতাকে। শুভ্রতাও চুপটি করে শুনলো। তারপর তিন বান্ধুবি একসাথে কি করতে হয়েছিলো সেটাই ভুলে বসেছিলো।
সন্ধ্যার সময় গড়িয়ে এলে আশিক এসে সানান্তাকে নিয়ে গেলো। বাসায় যেতে যেতেও দু’জনার মধ্যে একচোট ঝগড়া ঝাটি হয়ে গেলো বাইকের মধ্যে। এতক্ষণ শুভ্রতাজে জ্ঞান দেওয়া মেয়েটা নিজে পা’য়ে পা লাগিয়ে আরেকজনের সাথে ঝগড়া করতে করতে বাসায় পৌছালো।
সন্ধ্যার পর দ্বীপ আসলো শুভ্রতাকে পড়াতে। বোর্ড পরিক্ষার আগ পর্যন্ত সে ই পড়াবে বলে ঠিক করেছে।
শুভ্রতা পড়তে বসলো উদাস মুখে। তবুও দ্বীপের সাথে একটু হাসিখুশি কথা বললো। দ্বীপ ভাইয়ের জিন্য তার মায়া লাগে বেশ! লোকটার মা নেই। তারও তো মা থেকেও নেই! তাই এ না থাকার মর্ম সে বুঝে। আর এমনিতেও দ্বীপ ভাইকে তাদের ভালো লাগে। কি সুন্দর বাইক নিয়ে ফুরুত ফুরুত করে আসে যায় চুল গুলো উড়িয়ে!
শুভ্রতা মেহরাদ ভাই ছাড়া কারো কাছেই হায়ারমেথ বুঝে না। তবে,অন্যান্য সাবজেক্ট গুলোও পড়ছে। সোহানাও বসেছে। সেও পড়ছে দ্বীপের কাছে। পড়ুক! তাতে সমস্যা না। সমস্যা হচ্ছে, একজনের কা মুখ দিয়ে কথাই বের হয় না পড়াও বের হয় না। আর আরেকজন! পড়বে দূরে থাক, কথাই এর শেষ হয় না। অত্র এলাকার খবর নেওয়া শুরু করে! সে কি বিটিভি না-কি? বুঝলো না, যে নিউজ সাপলাই করবে!
আর…আর আরেক খালাম্মা তো আছেই! সরিহ, আন্টি! সেদিন খালাম্মা বলায় ভদ্র আন্টি এখনো তাকে দেখতে পাড়ে না। এই যেমন নাস্তা দিতে দিতে কেমন করে চোখ পাকিয়ে তাকিয়ে রইলো তার দিকে! মনে হচ্ছে সে মহাভারত অসুদ্ধ টসুদ্ধ কিছু করে ফেলেছে বুঝি। আরেহ! আগে করতে দিবি তো অশুদ্ধ কিছু! তারপর না-হয় এ লুক দিস!
কপালের চিকন ঘাম টুকু মুছে চোখের চশমাটা ঠিক করলো দ্বীপ। সে যে কেন পড়াতে রাজি হয়েছিলো! এমন না তার টিউশনি করতেই হবে৷ তাদের অবস্থা ভালো। বলতে গেলে বেশ ভালোই। তার মা নেই। বড় বোন থাকে দুলাভাই’য়ের সাথে ঢাকার বাহিরে। তার বাবা থাকে ব্যাবসা নিয়ে সারাদিন বিজি। সে এক ভার্সিটিতে বাইক নিয়ে হুরহুর করে আসতো আর যেতো। আড্ডা ফাড্ডা দিতো বন্ধুদের সাথে। তবে এমনিতে তার মেধা ভালো। তাইতো আদনান ভাই তাকে এই গোল্ডেন অপারচিউনিটইর কথা জানালো। তাকে বলেছিলো কাউকে খুজে দিতে। তবে সে আর খোজার ধারে কাছে যায় নি। নিজেই হাজির হয়েছে পড়াতে। তার কথা শুনে আদনান ভাই প্রথম আশ্চর্য হলেও সে বেশ বুদ্ধি খাটিয়ে মানিয়েছে। বলেছে, – এখনকার দিনে ভাই কাকে বিশ্বাস করবেন? পরিচিত ছাড়া কাউকে পাঠানো যাবে তালুকদার বাড়িতে? মেহরাদ ভাই আস্ত রাখবে কোন হেরফের হলে? তাই নিজেই যাচ্ছি। সমস্যা নেই, আমিই ওদের একটু সময় দিবো নাহয় দু তিনটে মাস!তার কথায় আদনান ভাই শুধু মাথা নাড়িয়েছে অর্থাৎ নীরবে সম্মতি জানিয়েছে।
তবে সে রাজি হয়েছে অন্য কিছুর টানে। টাকা পয়সা এদিকে কোন ম্যাটার না। তবে যেই টানের জন্য এদিকে আসছে সেই টানকে গত চারদিকে দেখার দ-ও পায়নি। উপরে রুমে কি করে আল্লাহ জানে! একটু কি নিচে টিচে এসে দর্শন টর্শন দেওয়া যায় না!
তার চিন্তা ভাবনার মাঝখানেই শান্তা নামলো বড় মা কে ডাকতে ডাকতে। ‘রোজা আপু পাস্তা খাবে একটু বানিয়ে দাও তো। ‘ বলতে বলতে সে এসে দাড়ালো ড্রয়িং রুমে দ্বীপদের সামনে। হেসে দ্বীপকে গিয়ে বললো,
“তুমি ওদের পড়াচ্ছো, আমি শুনে খুব খুশি হয়েছি দ্বীপ। এরা না পড়লে ভাইয়াকে জানাবে বুঝলে! তুমি কি ইদানীং ভার্সিটি যাওনা? তোমায় দেখা যায় না খুব একটা। ”
দ্বীপ তাকিয়ে দেখলো মেয়েটার হাসি। সেই সাথে নিজেও কিছুটা হেসে বললো,
“যাই তো ভার্সিটি। আপনি খেয়াল করেন আমি ভার্সিটি যাই কি না যাই? আশ্চর্যই হলাম শুনে৷ ”
“এই ছেলে এখানে আশ্চর্য হওয়ার কি আছে? এলাকার ছোট ভাই ব্রাদার বলে কথা! খেয়াল রাখবো না? ব্যাপার কি? চশমা পড়েছো যে? কই ভার্সিটিতে তো দেখিনা। ”
ছোট ভাই ব্রাদার! দ্বীপের মুখটা নিমিষেই অন্ধকার হয়ে গেলো। বাকা চোখে শান্তার দিকে তাকিয়ে রইলো। চশমা পড়েছি কেন সেটাও জিজ্ঞেস করতে হবে! সে তো পড়েছে একটু ভদ্র সভ্য দেখাতে নিজেকে। এখন এটাও কি ভেঙে বলতে হবে!
“,আচ্ছা পড়াও তুমি। আমি উপরে যাচ্ছি। কোন কিছু প্রয়োজন হলে ফ্রিলি জানিয়ো হু? আপু উপরেই আছি৷ ”
দ্বীপের একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকার মধ্যেই শান্তা বলে উপরে উঠে গেল। দ্বীপ আর সে এক ক্লাস জুনিয়র সিনিয়র। সে এবার ফোর্থ ইয়ারে আর দ্বীপ থার্ড ইয়ারে। যদিও তাদের সাবজেক্ট ভিন্ন। কিন্তু ভার্সিটি একিই।
দ্বীপের ইচ্ছে করলো সব ছুড়ে টুড়ে চলে যেতে। এতো এতো তালুকদার বাড়ির নাটক সহ্য করছে ক্রাশের মুখে আপু শুনতে? লাইক সিরিয়াসলি? আপু? এই আপু ওয়ালি জানে দ্বীপ প্রতিরাতে এই মেয়েকে বউ ভেবে বুকে জড়িয়ে ঘুমায়? আর…আর…
আর কিছুই ভাবলো না দ্বীপ। দাত কটমট করেই রইলো শুধু । শুভ্রতা আর সোহানাও দ্বীপের গম্ভীর মুখশ্রী দেখে এযাত্রায় পড়ায় মনোনিবেশ করলো। কি জানে হটাৎ কি হলো!
রাত বাজে দশটার উপরে, প্রায় এগারোটা । শুভ্রতা ঘরময় পাইচারি করছে। তার মাথায় পরিক্ষার চেয়েও মেহরাদকে নিয়ে টেনশন বেশি। এই লোক আজ এখনো বাড়ি আসেনি। কোথায় আছে কে জানে! তাকে তো ব্লক মেরে রেখেছে একটা কল যে দিবে তারও উপায় নেই।
শুভ্রতার পাইচারির মাঝেই নিচ থেকে গাড়ির শবদ পাওয়া গেলো। শুভ্রতা দৌড়ে গেল বারান্দায়৷ মেহরাদের গাড়ি ঢুকছে বাড়িতে। সে দৌড়ে নিচে নামলো সদর দরজা খুলে দিতে। কিন্তু তার আগেই মেহরাদ এক্সট্রা চাবি দিয়ে ভিতরে ঢুকে গিয়েছে। উপরে উঠে আসছে ক্লান্ত দেহ নিয়ে৷ সে নিজ স্থানেই দাঁড়িয়ে রইলো। মেহরাদ তাকে দেখে প্রথম ভ্রু কুচকালো। তারপর স্বাভাবিক ভাবেই ওঁকে এড়িয়ে সিড়ি বেয়ে নিজের রুমে চলে গেলো।
হৃৎস্পন্দন পর্ব ৩১
শুভ্রতার মন ভার হলো। আগে হলো তো খুব বকতো তাকে। শাসাতো। এখন কেন কিছু বলে না? তার কি গুরুত্ব কমে গিয়েছে? না-কি তার কথার অপরাধে তার এই শাস্থি?
সে নিজেও ঘুরে উপরে উঠতে থাকলো। মনে মনে ঠিক করলো যতই ইগনোর করুক আজ সরি বলবেই বলবে সামনা-সামনি। তারপর নিজের রুমে না গিয়ে হাটা দিলো অপর পাশের রুমের দিকে। গন্তব্য, প্রয়োজন, প্রিয়জন সব সেখানেই….
