Home আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ১৪+১৫+১৬

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ১৪+১৫+১৬

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ১৪+১৫+১৬
ফারজানা মনি

আবির আর মেঘ তানভীর এর রুমে গেল। গিয়ে দেখে আরিফ, রাসেল, শাকিব ও মিম আগে থেকেই অপেক্ষা করছে। আবিরের নির্দেশনা মতে, সবাই রুমটাকে সুন্দর করে সাজানো শুরু করেছে । আরিফ বারবার আড় চোখে মিমের দিকে তাকাচ্ছে । মীম লজ্জায় অন্যদিকে ফিরে কাজ করছে । কয়েকবার আরিফের তাকানো দেখে সাকিব মনে হয় কিছুটা বুঝতে পেরেছে। তাই সাকিব আরিফ কে বলল : কোন দিকে না তাকিয়ে কাজ কর । পরের বাসর টা তোর সাজাবো। মিম কিছুটা লজ্জায় নেতিয়ে পরলো । আরিফ কথাটা না শোনার ভাব ধরে কাজ করে যাচ্ছে । আবির মেঘের খেয়াল রাখায় এতটাই ব্যস্ত , যে এদিকে কি কথা হচ্ছে তা তার মস্তিষ্কে পৌঁছায় নি।
মেঘ একটা চেয়ার টেনে বসে আছে। আবির কাজ করছে আর মেঘের সাথে কথা বলছে। আবির তো মেঘকে কোনো কাজে হাত লাগাতেই দিচ্ছে না। রুম টা সাজানো শেষে আরিফ, সাকিব , আবির ও রাসেল দরজার বাইরে চেয়ার নিয়ে বসে তানভীরের অপেক্ষা করছে। মেঘ আর মিম গেল বন্যাকে নিয়ে আসতে। বন্যাকে আজ শুভ্র রঙের শাড়ি পরানো হয়েছে। খোপায় কয়েকটা শুভ্র গোলাপ। ওষ্ঠে গোলাপি লিপস্টিক ও চোখে কাজল পড়ুয়া বন্যাকে আজকে শুভ রঙের রানী মনে হচ্ছে।

মেঘ ডাকলো: বেবি….. আমি চলে এসেছি। তোমার অপেক্ষার দিন শেষ। এখনই তোমাকে আমার ভাইয়ার রুমে নিয়ে যাব।
বন্যা মেঘের কথা শুনে কি রিয়েকশন দিবে বুঝতে পারছে না…. হঠাৎ বন্যার বুকে ধুকপুকানি অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে যাচ্ছে। কেন জানি ভয় হচ্ছে খুব। মেঘ বন্যাকে জড়িয়ে ধরল, বলল :বেবি …. তোকে আজকে পুরো সাদা ফুলের রানী লাগছে।
হঠাৎ মেঘের শব্দে বন্যার ধ্যান ভাঙল। বন্যা খপ করে মেঘের দুহাত চেপে বলল : দোস্ত ….. আমার খুব ভয় হচ্ছে । কেমন জানি লাগছে।
মেঘ মুচকি হাসলো ,আর বলল : এই সময় সবারই এমন টা হয় । তাই চাপ নিস না । আমার ভাইটা তোকে খুবই ভালোবাসে।
মেঘ বন্যা কে নিয়ে তানভীর এর রুমে খাটের মাঝখানে বসালো। আর বলল :এখন থেকে এই রুম আর এই রুমের মানুষ দুইটাই তোর….

তানভীর বন্যার বাড়ির লোককে এগিয়ে দিয়ে এসে, মোজাম্মেল খানের দেওয়া অন্য এক কাজে গিয়েছিল। এখন রুমের সামনে এসেই দেখে “হরতাল”!!!!
মনে মনে আওরালো, এরা ঠিকমতো বাসর টাও করতে দেবে না।
দরজার সামনে গিয়ে বলল: কি সমস্যা??? আমার রুমের সামনে কি????
আরিফ দাঁত কেলিয়ে বলল : রুমের সামনে না…. রুমের ভেতর তোমার বউ …. যাবে তার কাছে…. তার কাছে যেতে হলে আমাদেরকে পার করতে হবে…..
তানভীর: রুমটাও আমার …. আর বউটাও আমার…. তাহলে তোদের কেন পার করবো???
সাকিব: কারণ, তোমার বউ এর কাছে যাওয়ার চাবিকাঠি টা আমাদের কাছে।
বাহিরে ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। তানভীর হালকা হালকা ভেজা ,ভিতরে গিয়ে চেঞ্জ করতে হবে ।না হলে ঠান্ডা লাগবে। তাই বলল: কি চাস বল??
রাসেল বলল: মাত্র ৫০ হাজার টাকা..

শুনে তানভীরের মাথা ঘুরাচ্ছে। তানভীর বলল: ওরে…
আমি সৎভাবে সরকারি চাকরি করি। আমার ব্যাংক ভর্তি টাকা নেই । পঞ্চাশ হাজার টাকা এখানে দিতে পারব না। তার চেয়ে ভালো বিশ হাজার টাকা নে আর রাস্তাটা ক্লিয়ার কর ।
সবাই হেসে বলল: না -না- না- তা হবে না….
আবি র নিরব দর্শক। চুপচাপ সব দেখছে। হঠাৎ তানভীর আবির কে ডেকে বলল : ভাইয়া… তুমি ওদের কিছু বলো না প্লিজ।
আবির একটা শয়তানি হাসি দিয়ে বলল: সমন্ধি ভাই.. আপনি আমার বউয়ের বড় ভাই আপনার বাসরে আমার থাকা মানায় না । আমি যাই ভাইয়ায়ায়া…..

বলে আবির শিস বাজাতে বাজাতে চলে গেল। তানভীর শূন্য চোখে আবিরের যাওয়ার পথে তাকিয়ে আছে।
অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে ৫০ হাজার টাকা দিয়েই রুমে ঢুকলো।
বন্যা হঠাৎ দরজা আটকানোর শব্দ পেয়ে ভীতু চোখে সামনে তাকালো। দেখলো তানভীর একটা শুভ্র পাঞ্জাবি পড়ে দাঁড়িয়ে আছে। বন্যা চোখ নামিয়ে নিল।
তানভীর এক নজর চারিদিকে তাকালো। বেলকনির সামনের শুভ্র পর্দাগুলো মৃদু মৃদু দুলছে। পুরো ঘরটা সাদা গোলাপ ,কাঠ গোলাপ ও রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে সাজানো। খাটের একপাশে একটা টেবিলের উপর অনেকগুলো মাটির প্রদীপ জ্বলছে। যার আলোয় দেখা যাচ্ছে, গোল শুভ্র বিছানায় এক মায়াবীনি.. শুভ্রতার রানী বসে আছে। পরনে তার শুভ্র এক শাড়ি খোপায় শুভ্র গোলাপ। তানভীর মোহনীয় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এটা তার অর্ধাঙ্গিনী.. হৃদয় ব্যাকুল করা মায়াবিনি। যার কাজল পরা সমুদ্রের মতো গভীর চোখে সে ডুবেছে বহুবার।
বন্যা খাট থেকে নিচে নেমে আসলো। নিচু হয়ে তানভীরকে সালাম করতে যাবে ঠিক তখনই তানভীর তাকে উঠিয়ে সোজা করে দাঁড় করালো। বলল তোমার স্থান পায়ে নয় আমার এই বক্ষে। বলেই তানভীর তার বা বুকে আঙ্গুলের ইশারা দিয়ে দেখালো।
আবির মেঘকে খাইয়ে দিচ্ছে, মেঘ খেতে চায় না আর কিন্তু আবির ধমকে খাওয়াচ্ছে। আবির হালকা রাগী রাগী কন্ঠে বলছে, একবার আমার আহিয়া আসুক । তারপর তোকে মেডিকেল নিয়ে বেঁচে দেব । স্টুডেন্টরা তোকে কঙ্কাল হিসেবে ইউজ করবে😁#আমৃত্যু_ভালোবাসি_তোকে🌷

মেঘ :আহিয়ার আব্বু … আপনি আমাকে এ কথাটা
বলতে পারলেন ?
আবির: আমি তো সত্যি কথাই বলেছি ।
মেঘ : ঠিক আছে.. আমি আপনার সাথে আর কথাই
বলব না। আমারটা আমি নিজেই খেয়ে নেব। দিন
আমায়😡😡
আবির মুচকি হাসলো। বলল :পাগলি মেয়ে.. এই যে খাইয়ে দিলাম এটা কার পেটে গেছে? আমার নাকি তোমার ? মেঘ ঠোঁট ফুলিয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে আছে। আবির আবারও বলল : মেঘ তুই কি জানিস? তোর ওই রাগী মুখের ফোলা ঠোঁট দুটো আমার খুবই প্রিয়।
মেঘ তাড়াহুড়া করে বলল : না..না.. আমি একটু ও রেগে নেই। খাইয়ে দিন।

তানভীর: বন্যা.. তুমি আমায় কখনো পায়ে ধরে সালাম
করবে না । কখনো যদি সম্মান দেখানোর খুবই
ইচ্ছে হয় । তাহলে এই বুকে মাথা রাখবে। কখনো
যদি খুব ভালবাসতে ইচ্ছা হয়, তাহলে ও এই
বুকেই মাথা রাখবে। আমার এই বুকটা তোমার
জন্য সর্বদাই উন্মুক্ত। তুমি যে এই বুকেরি বা
পাজরে তৈরি।

বলেই তানভীর বন্যাকে বুকে জড়িয়ে নিল। দুজন আজ শুনতে পাচ্ছে দুজনের বুকের ধুকপুকানি। বন্যার শরীরের অদ্ভুত এক মেয়েলি ঘ্রাণে তানভীরের যেন নেশা ধরে যাচ্ছে। তানভীর নিজেকে একটু গুছিয়ে নিয়ে বলল: বন্যা.. ওযু করে আসো , দুজনে একসঙ্গে উপরওয়ালার নিকট শুকরিয়া আদায় করব। বন্যা চলে গেল অজু করতে । তানভীর ব্যালকনিতে গেল ঘন ঘন মেঘ ডাকছে এবং বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে । হালকা ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। আজ আবহাওয়া টা খুবই চমৎকার। তানভীরের হঠাৎই ইচ্ছে হলো বৃষ্টি বিলাস করতে প্রিয় মানুষটার সাথে । সে রুমে গিয়ে দেখল বন্যা অজু করে রুমে এসেছে ।সেও গেল অজু করতে ।তানভীর আর বন্যা মহান রবের নিকট শুকরিয়া আদায় শেষে।

তানভীর বলল: বন্যা চলো.. আজ তোমাকে এক জায়গায় নিয়ে যাব।
বন্যা বলল :কোথায়?
গেলেই দেখবে বলেই তানভীর বন্যার এক হাত মুঠো করে ধরেছে
দুজন ছাদে গিয়ে দাঁড়াতেই ঝিরি ঝিরি বৃষ্টি মনকে
শীতল করে দিচ্ছে।
বন্যা আকাশের দিকে মুখ করে বৃষ্টির স্বাদ গ্রহণ করছে।

বন্যার চোখ দুটো বন্ধ। কিন্তু অন্যদিকে তার ভিলেন তার বন্ধ চোখেই তাকিয়ে আছে। হঠাৎ বাজ পড়ার শব্দে বন্যা ভয়ে চোখ খুলে দেখলো তার সামনে তানভীর দাড়িয়ে, তার দিকেই তাকিয়ে আছে। বন্যা আরো বেশি ভয় পেয়ে তানভীরকেই জড়িয়ে ধরলো।
তানভীর হাসলো। তার শখের নারীকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। বলল : বন্যা তোমাকে আজ বন্যা ফুলের মত লাগছে। জানো …. ছোটবেলা যখন নানুর বাড়িতে যেতাম, তখন আমরা সব কাজিনরা ঘুড়ি উড়াতে যেতাম। তখন দেখতাম, একটা বড় গাছে সাদা সাদা ফুল ফুটতো।
নাম জানতাম না কিন্তু ভালো লাগতো। একদিন নানুর কাছে জানতে চাওয়ায় , নানু বলল: এটা বন্যা ফুল। আজ সাদা শাড়িতে তোমাকে সেই ফুলের মত লাগছে, যা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি বহুবার😍😍😍
বন্যা তানভীরের কথা শুনে বুক থেকে মাথা তুলে সোজা হয়ে দাঁড়ালো। তানভীর বন্যার নরম দু’হাত তার হাতে মুঠোবন্দী করে, কন্ঠে মাদকতা নিয়ে বলল:

বন্যা ফুল….. তুমি কি জানো??? কত রাত জেগেছি তোমাকে আপন করে পাওয়ার অপেক্ষায়। দিনের পর দিন আকুল হয়ে ছুটে গেছি। তোমার ভার্সিটিতে … তোমার গলিতে… তোমাকে এক নজর দেখার অপেক্ষায়। সেই তুমি অবশেষে আমার হলে। তানভীর নেশাক্ত কন্ঠে বলল: খুব ভালোবাসি …. বন্যা ফুল….
বৃষ্টি বাড়ছে। দুজনেই পুরো ভিজে গেছে। বন্যা তানভীরের হাতের মুঠো থেকে নিজের হাতটা সরিয়ে নিয়ে দৌড়ে ছুটে গেল ছাদের মাঝখানে। তানভীর মোহনীয় দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। বৃষ্টির টুপটাপ শব্দের সাথে বন্যার পায়ের নুপুরের ছন্দ যেন তানভীরের কানে সুরের ঝংকার তুলছে। সাদা শাড়িটি বন্যার গায়ে আসঠে পৃষ্ঠে লেগে আছে। তানভীর এক মুহূর্ত তাকিয়ে চোখ সরিয়ে নিল। তারপর ভাবল :ও তো আমার বন্যা ফুল… একান্তই আমার নিজস্ব…
বন্যা প্রবল বৃষ্টির মাঝে ছাদের মাঝখানে দাঁড়িয়ে জোরে চিৎকার করে বলল: ভালোবাসি ভিলেন… খুব, খুব ভালোবাসি… ভীষণ ভালোবাসি … আমার এই ২০ বছরের জীবনে হৃদয়ে যত ভালোবাসা সঞ্চিত করেছি, সবটা আমি তোমায় দিতে চাই।

তানভীর বন্যাকে পেছন থেকে কোমর জড়িয়ে ধরলো। মুহূর্তেই বন্যার সারা শরীর কাঁপুনি দিয়ে উঠলো। শরীরটা তার কাঁপছে। তানভীর বন্যার বৃষ্টিভেজা চুলের ঘ্রাণ নেওয়ায় মগ্ন।
হঠাৎই বন্যা সামনে ঘুরে তানভীর কে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। তানভীর বন্যার সদ্য ভেজা নরম কোমল ঠোঁটে ঠোঁট ডুবালো। বন্যা আবেশে চোখ বন্ধ করে আছে। হঠাৎ বন্যা নিজেকে শুন্যে অনুভব করলো। চোখ মেলে দেখলো: তানভীর তাকে কোলে তুলে রুমের দিকে যাচ্ছে 😊😊🫣🫣
মেঘ: আহিয়ার আব্বু… আপনি কোথায়??
লোডশেডিং বুঝতে পেরে আবির তাড়াহুড়া করে ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে বেরিয়েছে। বলল: এইতো আমি চলে এসেছি.. তুমি ভয় পেয়ো না।

মেঘ বলল: ফোনের ফ্ল্যাশ টা অন করুন প্লিজ।
আবির বলল কিভাবে করব? তুমি তো আমায় জড়িয়ে ধরে আছো।
মেঘ : আসলে প্রচুর বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে বাহিরে। আমার ভয় লাগছে খুব।
আবির একটু হাসলো। হাত বাড়িয়ে পাশে টেবিলে থাকা মাটির প্রদীপ গুলো জ্বালালো। মেঘ তো অবাক। রুমে মাটির প্রদীপ কিভাবে আসলো? মেঘের প্রশ্নে আবির বলল: তানভীরের রুম সাজানোর জন্য বেশি করে আনিয়েছিলাম, সেখান থেকে তোমার জন্য এনেছি। মেঘ আবিরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল: আহিয়ার আব্বু… আপনার মত করে আমায় কেউ বোঝেনা।
আবির আবারো হাসলো। মেঘের হাসি মুখ দেখলে তার মুখে সহসাই হাসি ফুটে ওঠে । মনে হয় আবিরের প্রাণ হাসছে।

অন্ধকারে মিম ফোনের ফ্লাশ জ্বালিয়ে নিচ তলায় মায়ের রুমে যাচ্ছে। হঠাৎই কেউ তার মুখ চেপে ধরেছে। মিম ভয়ে অজ্ঞান প্রায়। চিৎকার করতে পারছে না। অন্ধকারে সে বুঝতে পেরেছে, পুরুষদেহী লোকটা তাকে সিড়ি বেয়ে ছাদের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। মিম কাঁপছে। আর মনে মনে আওরাচ্ছে,, আল্লাহ ….আমাকে বাঁচাও… বাসায় মনে হয় ডাকাত পড়েছে । আচ্ছা, আমাকে কি ছাদ থেকে ফেলে দিবে নাকি ছাদে পাইপ বেয়ে কিডন্যাপ করে নিয়ে যাবে? ভাবতেই মিমের সারা শরীর কাঁপছে । ছাদে এসেই মুখের উপর থেকে হাতটা আলগা হলো। মিম হাতটা সরিয়েই চিৎকার দিল: আব্বু… ভাইয়া…
হঠাৎ একটা হাত মুখটা আবারো চেপে ধরলো। পেছন থেকে হিসহিসিয়ে বলল: চুপ.. আমি আরিফ.. ভয় পেয়ো না.. বলেই আরিফ হাত সরিয়ে নিল।

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ১১+১২+১৩

মিম দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল : আরিফ ভাইয়া আপনি?
আরিফ নিশ্চুপ । এক দৃষ্টিতে মিমের বৃষ্টি ভেজা মুখের দিকে তাকিয়ে আছে।
মিম: কথা বলছেন না কেন? এত বৃষ্টিতে আমাকে ছাদে কেন আনলেন?
আরিফ এখনো চুপ। আজ কোন কথাই নেই তার মুখে।
মিম: কি হলো আরিফ ভাইয়া.. অন্য সময় তো মুখে কথার খই ফোটে, আজ কোন কথা বলছেন না কেন?
আরিফ চুপচাপ মিমের দিকে এক পা আগালো..

আমৃত্যু ভালোবাসি তোকে সিজন ২ পর্ব ১৭+১৮+১৯