Mad for you 2 part 9
তানিয়া খাতুন
রাতের অন্ধকার ধীরে ধীরে আরও ঘন হয়ে এসেছে।
ঘড়ির কাঁটা প্রায় এ
Mad for you 2 part 9
গারোটার ঘর ছুঁইছুঁই।
পুরো শহরটা অনেকটাই নিস্তব্ধ হয়ে গেলেও রাস্তার গাড়ি চলাচল এখনো থামেনি।
দূরে কোথাও গাড়ির হর্ন ভেসে আসছে, মাঝে মাঝে ঠান্ডা বাতাস বইছে।
রুহিদের বাড়ির সামনে একটা কালো গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।
গাড়িটার headlights নিভানো, শুধু রাস্তার লাইট এসে পড়েছে তার গায়ে।
গাড়ি থেকে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে আছে রুহি, তার আম্মু আর আব্বু।
রুহি শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে তার আম্মুকে।
যেন ছেড়ে দিলেই সব শেষ হয়ে যাবে।
সে ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছে। চোখদুটো ফুলে গেছে কান্নায়।
বারবার মাথা নাড়ছে—যেতে ইচ্ছে করছে না তার। কিন্তু পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করছে।
তার আম্মুও চোখের পানি আটকাতে পারছেন না। তবুও মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করছেন।
“কাঁদিস না মা… আল্লাহ সব ঠিক করে দিবেন…”
ঠিক তখনই রুহির আব্বু ধীরে ধীরে এগিয়ে এলেন।
তিনি মেয়ের মাথায় হাত রেখে নিচু গলায় বললেন—“নিজেকে শক্ত কর, রুহি…”
তারপর চারপাশে একবার তাকিয়ে আরও নিচু স্বরে বলেন—
“আমরা তোর ভালো চাই।
ওই বদমাশটার হাত থেকে বাঁচতে হলে তোকে এখনই পালাতে হবে।”
রুহির বুকটা কেঁপে ওঠে।
তার আব্বু আবার বললেন—
“Driver তোকে airport-এ নিয়ে যাবে। ওখানে তোর সাকিব ভাইয়া থাকবে।
তার সাথে দেশের বাইরে চলে গেলেই আর কোনো চিন্তা নাই।”
তিনি জোর করে হালকা হাসার চেষ্টা করলেন।
“সব ব্যবস্থা করা আছে।”
রুহি কান্নার মাঝেই এবার আব্বুকে জড়িয়ে ধরে।
“আমি তোমাদের খুব miss করবো, আব্বু…”
তার কণ্ঠ ভেঙে আসে।
রুহির আব্বুর চোখও ভিজে ওঠে। কিন্তু তিনি নিজেকে সামলে রাখেন। কারণ এখন ভেঙে পড়লে চলবে না।
এদিকে কুটুস হঠাৎ মুখ ফুলিয়ে বলে ওঠে—
“আমি video call-এ তোমার সাথে কথা বলবো!”
কথাটা শুনে কয়েক সেকেন্ডের জন্য সবাই চুপ হয়ে যায়।
রুহির আম্মু চোখ মুছে কুটুসকে কাছে টেনে নেন।
“হ্যাঁ বাপ… বলিস।”
তারপর রুহির গালে হাত রেখে বলেন—
“নিজের খেয়াল রাখিস, কেমন?”
রুহি কাঁদতে কাঁদতেই মাথা নাড়ে।
তারপর ধীরে ধীরে গাড়ির দিকে এগিয়ে যায়।
রুহির আব্বু নিজের হাতে দুটো luggage গাড়িতে তুলে দেন। সবকিছু যেন খুব দ্রুত হয়ে যাচ্ছে।
গাড়ির দরজা খুলে রুহি একবার পেছনে তাকায়।
তার আম্মু কাঁদছেন।
কুটুস কিছু বুঝতে না পেরে চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে।
আর তার আব্বু… নিজেকে শক্ত রাখার চেষ্টা করছেন প্রাণপণে।
রুহির বুকের ভেতরটা হঠাৎ মোচড় দিয়ে ওঠে।
সে হাত নাড়িয়ে বিদায় জানায়।
তারপরের মুহূর্তেই গাড়িটা ধীরে ধীরে গেট পেরিয়ে অন্ধকার রাস্তার দিকে বেরিয়ে যায়।
আর পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা তিনটা মানুষ শুধু তাকিয়ে থাকে—
যেন নিজেদের বুকের একটা অংশ দূরে চলে যেতে দেখছে…
প্রায় অনেকটা সময় পেরিয়ে গেছে।
গাড়িটা এখন এয়ারপোর্টের কাছাকাছি চলে এসেছে।
চারপাশে বড় বড় রাস্তার আলো জ্বলছে। দূরে উড়োজাহাজ ওঠানামার আলোও মাঝেমধ্যে চোখে পড়ছে।
রুহি জানালার পাশে মুখ ফিরিয়ে বসে আছে।
রাতের ঠান্ডা বাতাস এসে বারবার তার চুল উড়িয়ে দিচ্ছে।
তার বুকের ভেতর জমে থাকা ভয়টা ধীরে ধীরে একটু একটু করে হালকা হচ্ছিল।
ওখানে পৌঁছে গেলে ক্ৰিশ আর তাকে খুঁজে পাবে না—নিজেকে এই কথাটাই বারবার বোঝাচ্ছিল সে।
ঠিক তখনই—
হঠাৎ ড্ৰাইভার জোরে ব্ৰেক কষে।
রুহি সামনে হেলে পড়ে প্রায় ধাক্কা খেতে যাচ্ছিল।
তাড়াতাড়ি হাত দিয়ে সামনের সিটে চেপে ধরে নিজেকে সামলায়।
“কি হলো? গাড়ি থামালেন কেন?”
তার কথাটা শেষ হওয়ার আগেই চোখ চলে যায় সামনের দিকে।
আর পরের মুহূর্তেই—
তার কণ্ঠ বন্ধ হয়ে যায়।
মুখের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে পড়ে।
সামনের দৃশ্য দেখে সে পুরোপুরি স্তব্ধ হয়ে যায়।
তার হাত-পা মুহূর্তের মধ্যে অবশ হয়ে আসে।
ড্ৰায়ভার ও ভয়ার্ত চোখে সামনে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলে—
“এত লোক এভাবে দাঁড়িয়ে আছে কেন, madam…?”
রুহিদের গাড়ির সামনে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে তিনটা কালো গাড়ি। পুরো রাস্তা আটকে রাখা হয়েছে।
চারপাশে কয়েকজন কালো পোশাক পরা লোক দাঁড়িয়ে আছে।
আর মাঝের গাড়িটার bonnet-এর উপর পা এর ওপর পা তুলে বসে আছে ক্ৰিশ।
চোখে কালো sunglasses, গায়ে কালো shirt আর কালো pant।
রাতের আলো-আঁধারিতে তাকে ভয়ঙ্কর সুন্দর লাগছিল।
এমন এক উপস্থিতি—যেটা দেখলেই বুকের ভেতর অকারণে ভয় ঢুকে যায়।
রুহির গলা শুকিয়ে আসে।
সে কাঁপা হাতে নিজের ফোনটা খুঁজতে শুরু করে।
আব্বুকে কল করতে হবে… এখনই…
কিন্তু তার আগেই ক্ৰিশ লাফ দিয়ে গাড়ির উপর থেকে নেমে আসে।
তার হাঁটার ভঙ্গিতেই অদ্ভুত আত্মবিশ্বাস।
সে সোজা এসে দাঁড়ায় রুহির জানালার পাশে।
তারপর এক ঝটকায় দরজা খুলে দেয়।
রুহি পিছিয়ে যেতে চাইলেও পারে না।
ক্ৰিশ তার হাত চেপে ধরে টেনে নিজের দিকে আনে।
“আমি জানতাম, butterfly…”
“আমার শ্বশুর মশাই এ্কটা চিজ এত সহজে নিজের মেয়েকে দেবে না।”
সে নিচু হয়ে রুহির চোখের দিকে তাকায়।
“কিন্তু উনাকে কে বোঝাবে…
উনি যেই খেলা খেলছেন—সেই খেলা আমি জন্ম থেকেই খেলতে অভ্যস্ত।”
“কি চান আপনি?!”
রুহি এবার চিৎকার করে ওঠে।
“কেন আমার পেছনে পড়ে আছেন?!”
ক্ৰিশ একটাও উত্তর দেয় না।
বরং হঠাৎ করেই তাকে টেনে গাড়ি থেকে নামিয়ে আনে।
রুহি ভারসাম্য হারিয়ে প্রায় পড়ে যাচ্ছিল। সে
“ছাড়ুন! কি করছেন—”
কী চাই আপনার?
ক্ৰিশ শক্ত করে তার কবজি ধরে টানতে টানতে নিজের গাড়ির দিকে নিয়ে যায়।
“তোকে চাই।”
তার গলা নিচু, কিন্তু ভয়ঙ্কর দৃঢ়।
“তোকে পেলেই কাহিনি খতম।”
সে দরজা খুলে ভেতরে ছুঁড়ে ফেলে রুহিকে ।
রুহি সঙ্গে সঙ্গে উঠে বসে দূরে সরে যেতে চায়।
ঠিক তখনই ক্ৰিশ ঝুঁকে আসে তার দিকে।
দাঁত চেপে নিচু গলায় বলে—
“তুই যদি ভেবে থাকিস, তোকে মনে ধরেছে বলে তোর সাথে লুতুপুতু করবো—তাহলে সেটা ভুল।”
তার চোখ ভয়ঙ্করভাবে স্থির হয়ে ওঠে।
“এই ক্ৰিশ খান ওসব পারে না…
সে শুধু পারে নিজের জিনিস ছিনিয়ে নিতে।”
কথাটা শুনেই রুহির চোখ রাগে আর অপমানে ভরে ওঠে।
সে চিৎকার করে বলে—
“আমি কোনো পণ্য নই, Mr. Krish Khan!
আমি মানুষ… আপনার গোলাম নই!”
ক্ৰিশ চোখ বন্ধ করে বড় বড় নিঃশ্বাস নেই তারপর ড্ৰাইভিং সিটে বসে পরে।
হাত বাড়িয়ে রুহির সিট বেল্ট লাগিয়ে দিতে যায় ঠিক তখনই রুহি আরো ক্ষেপে ওঠে ক্ৰিশের হাত ঝটকা মেরে সরিয়ে দেয়।
ক্ৰিশের মুখ শক্ত হয়ে যায় সে দাঁতে দাঁত চেপে বলে সরি বাটারফ্লাই এটা আমি করতে চাইছিলাম না কিন্তু তুমি আমায় বাদ্ধ করলে…….
সপাটে এ্কটা চড় পড়ে রুহির গালে,
চড় টা এত জোরে ছিলো যে রুহির মাথা ভনভন করে ওঠে।
ব্যাথায় টনটন করে ওঠে গাল কিন্তু পুরো ব্যাথা অনুভব করার আগেই সে ঢলে পড়ে ক্ৰিশের বুকে।
ক্ৰিশ নির্বিকার, রুহি কে তুলে সে নিজের কোলে বসিয়ে সিটবেল্ট বেঁধে নেয়।
কারা বলে যে বউ কে চুপ করানো যায় না, এরাকম এ্কটা দাবাং মার্কা চড় পড়লে এমনিই চুপ হয়ে যাবে।
চোখ খুলতেই চারপাশটা ঝাপসা লাগে রুহির।
মাথাটা ভারী হয়ে আছে। যেন অনেকক্ষণ ঘুমিয়ে ছিল, অথচ শরীরে কোনো বিশ্রামের অনুভূতি নেই।
সে চোখ বন্ধ করে আবার ধীরে ধীরে খুলে।
কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে বুঝতে—সে কোথায় আছে।
অগোছালো একটা রুম।
মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু জিনিষ পড়ে আছে।
টেবিলের উপর অর্ধেক খাওয়া coffee mug, আর কিছু পোড়া সিগরেট।
আর সে শুয়ে আছে সেই রুমের নরম বিছানায়।
হঠাৎ করেই রুহির বুক ধক করে ওঠে।
সে চিনতে পারে জায়গাটা।
এই রুম টা তেই ক্ৰিশ তাকে জোর করে বিয়ে করেছিল।
মুহূর্তের মধ্যেই তার শরীর ঠান্ডা হয়ে আসে।
রুহি তড়িঘড়ি করে উঠে বসে। চারপাশে তাকায়।
না… রুমে কেউ নেই।
সে দ্রুত বিছানা থেকে নেমে পড়ে। খালি পায়ে প্রায় দৌড়ে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দেয়।
কিন্তু হাত দিতেই দরজাটা খুলে যায়।
রুহি এক সেকেন্ডও নষ্ট না করে বাইরে বেরিয়ে আসে। তার নিঃশ্বাস দ্রুত চলছে।
পালাতে হবে… এখনই…
সে তাড়াতাড়ি সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যায়।
কিন্তু ঠিক তখনই—তার পা থেমে যায়।
সিঁড়ি দিয়ে ধীরে ধীরে উপরে উঠছে ক্ৰিশ।
কালো shirt-এর sleeves গুটানো।
এক হাতে ফোন অন্য হাতটা পকেটে। মুখে সেই পরিচিত বাঁকা হাসি।
রুহির বুক কেঁপে ওঠে।
ভয়ে সে তাড়াতাড়ি পাশের একটা রুমে ঢুকে পড়ে।
ভেতরে ঢুকেই পাগলের মতো চারদিকে তাকাতে থাকে।
কোথায় লুকাবে?!
হঠাৎ তার চোখে পড়ে বড় একটা টেবিল সামনে।
এক মুহূর্ত দেরি না করে সে দৌড়ে গিয়ে টেবিলের নিচে লুকিয়ে পড়ে।
নিজের মুখ নিজেই চেপে ধরে যাতে নিঃশ্বাসের শব্দও বাইরে না যায়।
কয়েক সেকেন্ড নিস্তব্ধতা।
তারপর দরজা খোলার শব্দ।
ক্ৰিশ ঢুকেছে।
রুহির বুকের ধুকপুকানি এত জোরে হচ্ছিল যে তার মনে হচ্ছিল পুরো রুম শুনতে পাচ্ছে।
ক্ৰিশ রুমের মাঝখানে দাঁড়িয়ে চারপাশে তাকায়।
তারপর ঠোঁট বাঁকিয়ে বলে—
“এটা ঠিক না, butterfly…”
সে কয়েক কদম এগিয়ে আসে।
“বর ছেড়ে শ্বশুর মশাইয়ের রুমে interest?”
“Very bad…”
রুহি আরও শক্ত করে নিজের মুখ চেপে ধরে।
তার চোখ বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়ছে।
কিন্তু পরের মুহূর্তেই ক্ৰিশ হঠাৎ নিচু হয়ে বসে পড়ে।
আর টেবিলের নিচে সরাসরি চোখে চোখ পড়ে যায় দুজনের।
রুহির চোখ আতঙ্কে বড় হয়ে যায়।
সে যেন কল্পনাও করেনি ক্ৰিশ এত দ্রুত তাকে খুঁজে ফেলবে।
ক্ৰিশ কয়েক সেকেন্ড স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তার দিকে। তারপর নিচু গলায় বলে—
“বেরিয়ে আসো, বাটারফ্লাই…”
তার ঠোঁটে ধীরে ধীরে হাসি ফুটে ওঠে।
“Come…”
রুহি ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে একটু সরে আসে।
ঠিক তখনই তার চোখে পড়ে টেবিলের ওপর পড়ে থাকা একটা পিস্তল।
তার চোখে মুহূর্তেই আতঙ্কের সাথে সাহসও জেগে ওঠে।
সে দ্রুত হাত বাড়িয়ে পিস্তলটা তুলে নেয়।
তারপর কাঁপা হাতে তাক করে ক্ৰিশের দিকে।
ক্ৰিশ ভ্রু কুঁচকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থাকে।
তারপর হঠাৎ হেসে ফেলে।
“আমি জানতাম তুমি লেদা ভাজা মাছটা উল্টে খেতেও জানো না…”
সে ধীরে ধীরে সামনে এগোতে থাকে।
“কিন্তু তুমি যে মাছ বেছে খেয়েও নিবে—এটা জানতাম না।”
রুহির হাত অনবরত কাঁপছে।
পিস্তল -টা ঠিকমতো steady রাখতে পারছে না সে।
” দূরে সরে যান… নয়তো আমি গুলি করে দেব!”
তার কণ্ঠ কাঁপছিল ভয় আর উত্তেজনায়।
ক্ৰিশ একটুও থামে না।
বরং আরও কাছে এসে বলে—
“আগে মৃগী রোগীর মতো কাঁপা বন্ধ করো, লেদু সোনা…”
তার চোখ নিচের দিকে নেমে যায়। তারপর ফিসফিস করে বলে—
“নইলে গুলিটা আমার main point-এ লাগবে… তোমার future অন্ধকার হবে।”
কথাটা শুনে রুহি লজ্জা আর রাগে কেঁপে ওঠে।
সে পিস্তলটা আরও শক্ত করে ধরে ধীরে ধীরে দরজার দিকে সরতে থাকে।
“কাছে আসবেন না…”
সে কাঁপা গলায় বলে।
“আমি সত্যি গুলি করে দেব…”
ক্ৰিশ এবার মুহূর্তের মধ্যে বড় বড় পা ফেলে তার সামনে চলে আসে।
রুহি trigger চাপার আগেই ক্ৰিশ তার কোমর জড়িয়ে নিজের দিকে টেনে নেয়।
পিস্তল হাত থেকে ছিটকে মেঝেতে পড়ে যায়।
ক্ৰিশ তার কানের কাছে মুখ এনে নিচু গলায় বলে—
Mad for you 2 part 8
“পিস্তলে গুলি নাই, baby…”
তার গরম নিঃশ্বাসে রুহির শরীর কেঁপে ওঠে।
ক্ৰিশ ঠোঁটের কোণে হাসি টেনে আরও কাছে ঝুঁকে আসে।
“চলো…”
“এবার বাসরটা করি…”
“তারপর আবার চোর পুলিশ খেলবো…”
