Home রোমান্টিক ভাইয়া রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৫

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৫

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৫
মহাসিন

গুটি গুটি পায়ে কবিতা ড্রেসিং টেবিলের সামনে এসে দাঁড়াল। ড্রয়ার টেনে একটা ভাঁজ করা কাগজ বের করল সে। পরমুহূর্তেই পাগলের মতো হাসতে লাগল। হাসির মাঝেই বলে উঠল,
“তোমরা সবাই আসলে বোকা। মানুষ এত বোকা কীভাবে হয়, বলো তো? শাপলা তোমাদের সবাইকে ছাগল বানিয়ে পাগলের মতো ঘুরিয়েছে!”
মহুয়া ভ্রু কুঁচকে বললেন,
“যা বলার সরাসরি বল। তোর এই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কথা আমার মাথায় ঢুকছে না।”
কবিতা এক পা এগিয়ে, চোখে বিজয়ের ঝিলিক নিয়ে বলল,
“তোমার বোনের মেয়ে শাপলা… তোমার প্রিয় শাপলা… সে সিয়ামকে বিয়ে করেছে।”
মহুয়া চমকে উঠে দাঁড়ালেন।
“মানে? কী বলছিস এসব তুই?”
পাশ থেকে নীলাঞ্জনা তীব্র গলায় ধমকে উঠল,
“তুমি আজেবাজে বকা শুরু করেছ। এসব কথা বলা বন্ধ করো।”

কবিতা থামল না। বরং গলার স্বর আরও চড়িয়ে বলল,
“না, আমি বলব। আর তোমরা সবাই চুপ করে শুনবে। শাপলা আর সিয়াম অনেক আগেই বিয়ে করেছে। প্রমাণ চাও? এই যে আমার হাতে কাবিননামা।”
নীলাঞ্জনা ঝড়ের বেগে কবিতার হাত থেকে কাগজটা কেড়ে নিল। কাঁপা হাতে কাবিননামার লেখাগুলো চোখ বুলাতেই তার মনে হলো আকাশটা বুঝি মাথার ওপর ভেঙে পড়বে। পা দুটো আর সইল না, ধপ করে বসে পড়ল সে।
মহুয়া নীলাঞ্জনার হাত থেকে কাবিননামাটা নিয়ে নিজেও পড়তে লাগলেন। কিছুক্ষণ পর সন্দিহান গলায় বললেন,
“এটা যে সত্যি, তার প্রমাণ কী?”
কবিতা ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসল।
“বিশ্বাস না হলে সিয়ামের বন্ধু বীরের সাথে কথা বলে দেখো। ও তো আর মিথ্যা বলবে না। বিয়ের সময় বীরই ওদের সাথে ছিল। ওর সাহায্য নিয়েই আমি এই কাবিননামা জোগাড় করেছি।”
এক মুহূর্ত দাঁড়ালেন না মহুয়া। কাবিননামা হাতে নিয়ে দ্রুত পায়ে শাপলার ঘরের দিকে ছুটলেন।
নীলাঞ্জনা এখনও পাথরের মতো বসে আছে। কবিতা তার দিকে তাকিয়ে বিদ্রূপের হাসি হাসতে হাসতে বলল,
“কী হলো? এভাবে বসে আছেন কেন? আমি না বলেছিলাম শাপলা ভালো মেয়ে না? আমার ভাইকে বশ করে তারপর বিয়ে করেছে, যাতে এই বাড়ি গাড়ি, টাকা পয়সা, সম্পত্তি সব নিজের করে নিতে পারে।”
নীলাঞ্জনা কোনো উত্তর দিল না। নিঃশব্দে উঠে চলে গেল।
কবিতা পেছন থেকে ফিসফিস করে বলল, যেন নিজেকেই শোনাল,
“এবার দেখি, শাপলা, এই বাড়িতে তুই কীভাবে থাকিস। এই বাড়িতে তোর আর কোনো জায়গা হবে না।”

মাঝরাত। বাড়িটা ঘুমে নিথর, নিস্তব্ধতা ছিঁড়ে যাচ্ছে টক টক টক শব্দে।
মহুয়া শাপলার রুমের দরজায় অনবরত টোকা দিয়েই যাচ্ছেন। প্রতিটা টোকায় যেন জমে থাকা রাগ আর অপমান বাড়ছে।
নীলাঞ্জনা গুটি গুটি পায়ে এসে পাশে দাঁড়াল। চোখে ঘুম নেই, বুকে একটা কাঁপুনি।
ভেতর থেকে শাপলা ঘুম থেকে ধড়ফড় করে উঠে দরজা খুলে দিল। চোখে ঘুমের ঘোর, মুখে আতঙ্ক। এত রাতে আন্টি আর ভাবীকে দেখে বুকের ভেতরটা হিম হয়ে গেল। কাঁপা গলায় বলল,
“একি! এত রাতে তোমরা এখানে কেন?”
কেউ উত্তর দিল না। মহুয়া আর নীলাঞ্জনা নীরবে ঘরে ঢুকে গেল। মহুয়ার চোখ দুটো জ্বলছে। শাপলার দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বললেন,
“দরজা আটকে দে।”
শাপলা আঙুল কাঁপতে কাঁপতে ছিটকিনি লাগাল। বুকের ভেতর ধুকপুকানি বাড়ছে। কি হচ্ছে, কিছুই বুঝছে না ও।
মহুয়া শাপলার মুখোমুখি দাঁড়ালেন। গলার স্বর তিক্ত, ছু*রির মতো ধা”রালো।
“তুই আর সিয়াম বিয়ে করেছিস?”
শাপলা চোখ তুলে তাকাল। গলা শুকিয়ে কাঠ। উল্টো প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল,
“ এসব কে বলেছে?”
“আমাকে যেই বলুক! শুধু একটা জবাব চাই হ্যাঁ, নাকি না?” মহুয়ার চোখ রসগোল্লার মতো বড় হয়ে গেছে।
শাপলা চুপ। মাথার ভেতর হাজারটা কথা পাক খাচ্ছে, কিন্তু মুখ দিয়ে একটা শব্দও বের হচ্ছে না। ভয়ে বুকের পাঁজর ভেঙে যাচ্ছে।
নীলাঞ্জনা ফিসফিস করে বলল, “কি হলো? চুপ করে আছ কেন? মা যা জিজ্ঞেস করছে, উত্তর দাও।”

শাপলা তবু চুপ। ওর নীরবতাই যেন সবচেয়ে বড় স্বীকারোক্তি।
মহুয়া হঠাৎ চিৎকার করে উঠলেন, “শাপলা! চুপ করে থাকিস না! উত্তর দে!”
এমন ভয়াবহ রূপ শাপলা কখনো দেখেনি আন্টির। কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে, চোখের পানি আটকাতে আটকাতে ও বলল,
“হুম… আমি আর সিয়াম ভাইয়া বিয়ে করেছি।”
কথাটা শেষ হতেই বাতাস কেটে একটা থা*প্পড় এসে পড়ল শাপলার গালে। শব্দটা দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এল। শাপলা টাল সামলাতে না পেরে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল। চোখ দিয়ে শ্রাবণের মেঘ নেমে এল অঝোরে।
মহুয়া হিস্টিরিয়ার মতো চিৎকার করছেন, “তোর এত বড় সাহস হয় কীভাবে? আমার ছেলেকে বিয়ে করেছিস? আমার খেয়ে, আমার পরে, আমার পিঠেই ছু**রি বসালি?”
নীলাঞ্জনা শাপলার দিকে তাকিয়ে কঠিন গলায় বলল, “তোমাকে আমি খুব ভালো মেয়ে ভেবেছিলাম। আর তুমি শেষে এমন কাজ করলে?”
মহুয়ার চোখে পানি, বুকের ভেতর দাউ দাউ করা কষ্ট। কান্না ভেজা গলায় বললেন, “তোকে তো নিজের মেয়ের চেয়েও বেশি আদর করেছি। আর তুই কিনা এমন করলি? লজ্জা করে না তোর?”
শাপলা মেঝে থেকে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমি সিয়াম ভাইয়াকে ভালোবাসি… তাই বিয়ে করেছি।”
“চুপ! একদম চুপ!” মহুয়া গর্জে উঠলেন। “তোর চোখে লজ্জা পর্দা নেই। থাকলে এমন কাজ করতে পারতি না। তুই একদম তোর মায়ের মতো হয়েছিস। তোর মা যেমন তোর বাবাকে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেছিল, তুইও তোর মায়ের মতো ভুলী। মায়ের মেয়ে হয়ে ভালো হবি কীভাবে?”

মহুয়া এক মুহূর্তও দাঁড়ালেন না। বি*ষ ঝরানো গলায় বললেন, “কাল সকালেই এই বাড়ি থেকে চিরতরে বিদায় হবি। কোথায় যাবি, কি করবি আমি জানি না। আর সিয়ামের ধারে কাছেও যাবি না তুই।”
কথা শেষ করেই মহুয়া দরজা খুলে ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেলেন।
নীলাঞ্জনা শাপলাকে মেঝে থেকে টেনে তুলল। তার চোখেও পানি, কিন্তু গলায় কাঠিন্য।
“শাপলা, তুমি কীভাবে পারলে? আমাকে একবার বলতে পারতে। এটা তুমি আর সিয়াম কেউ ঠিক করোনি। আমি আর কিছু করতে পারব না। এই বাড়িতে এটাই তোমার শেষ রাত। আমি যদি তোমার হয়ে সুপারিশ করতে যাই, তাহলে তোমার সাথে আমারও শেষ রাত হবে এখানে।”
নীলাঞ্জনা গুটি গুটি পায়ে দরজার দিকে এগোল। শাপলা পেছন থেকে কান্না ভেজা গলায় ডাকল,
“ভাবী… কে বলেছে তোমাদের আমি আর সিয়াম ভাইয়া বিয়ে করেছি?”
নীলাঞ্জনা থামল। শাপলার দিকে না তাকিয়েই বলল, “কবিতা।”
নীলাঞ্জনা চলে যেতেই ঘরটা হঠাৎ ক*বর হয়ে গেল। শাপলা মেঝেতে বসে দুই হাঁটুর মাঝে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে।
কবিতা গুটি গুটি পায়ে হেঁটে শাপলার রুমে প্রবেশ করল। ঠোঁটের কোণে বাঁকা হাসি, চোখে জয়ের উল্লাস। শাপলা মেঝেতে বসে আছে। চোখ ফোলা, চুল এলোমেলো, বুকের ভেতর ভাঙা স্বপ্নের টুকরো।
কবিতা শাপলার পাশে দাঁড়াল। তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বলল,
“আহারে বেচারী! খুব কষ্ট হচ্ছে, না?”
শাপলা মুখ তুলল না। চুপ করে রইলো।

কবিতা ঝুঁকে ওর হাত ধরে টেনে তুলল। গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল শাপলার। কবিতা ন্যাকামো করে বলল,
“আহ্, এভাবে কাঁদলে চলে? চোখের পানি মুছে জামা কাপড় গুছিয়ে নে। কাল সকালেই তো এই বাড়ি ছাড়তে হবে তোর।”
শাপলার গলা কেঁপে উঠল। কান্না ভেজা স্বরে শুধু একটাই প্রশ্ন বের হলো,
“এমনটা কেন করলেন?”
কবিতা এক পলক ওর দিকে তাকাল। তারপর নির্মম গলায় বলল,
“তোর প্রশ্নের উত্তর দিতে আমি বাধ্য নই, শাপলা।”
একটু থেমে আবার বলল, “আচ্ছা, আমি কি তোর জামা কাপড় গুছিয়ে দেব?”
শাপলা আবার প্রশ্ন করলো, “এমন টা কেন করলেন।”
কবিতা এবার একদম কাছে চলে এল। শাপলার কানের কাছে মুখ নামিয়ে ফিসফিস করে বলল ওর নিঃশ্বাসে যেন বি*ষ মেশানো,
“তোকে বারন করেছিলাম না? সা*পের লে*জে পা দিস না। তবু তুই দিলি। এখন ছো*বল তো খে*তেই হবে, তাই না?”
কথাটা শেষ করেই কবিতা সোজা হয়ে দাঁড়াল। ঠোঁটে সেই একই নি*ষ্ঠুর হাসি। তারপর পেছন ফিরে ধীর পায়ে বেরিয়ে গেল।

দরজাটা বিকট শব্দে আটকে গেল। ধাম!
শাপলা বসে বসে অঝোরে কাঁদছে। চোখের পানি বাঁধ মানছে না। বুকের ভেতরটা দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে।
“এই বাড়িতে আর থাকতে পারব না আমি… সারাজীবনের জন্য চলে যেতে হবে। সব ছেড়ে, সবাইকে ছেড়ে…”
একবার মনে হলো সিয়াম ভাইয়াকে সব বলে দেবে।
কিন্তু পরমুহূর্তেই নিজেকে সামলে নিল। ঠোঁট কামড়ে ধরে ফিসফিস করে বলল,
“না… বলব না। আমার জন্য ওর আর পরিবারের মাঝে দেয়াল তুলে দিতে পারব না। ওর মা বাবার সাথে সম্পর্ক নষ্ট হোক, এটা আমি চাই না।”
শাপলা চোখের পানি মুছলো। জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল। রাতের আকাশে জোনাকির মতো কয়েকটা তারা জ্বলছে, নিভছে।
“থাক… তার চেয়ে বরং কাল চলে যাব। অনেক দূরে… একদম অনেক দূরে।”
কথাগুলো বলতে বলতে গলার স্বর ভেঙে যাচ্ছে। বুকের ভেতর একটা ফাঁকা মাঠ।যেখানে শুধু হাহাকার হেঁটে বেড়ায়।

সকালটা এখনো পুরোপুরি জাগেনি।
কবিতা গুটি গুটি পায়ে এসে মায়ের রুমের দরজার সামনে দাঁড়াল। আস্তে করে ডাকল,
“মা… ও মা। তোমার সাথে খুব জরুরি কথা আছে।”
কিছুক্ষণ পর দরজা খুলল। মহুয়া চোখে ঘুম নিয়ে বের হলেন। ভ্রু কুঁচকে বললেন, “কি কথা?”
কবিতা গলার স্বর নামিয়ে বলল, “সিয়ামকে যেভাবেই হোক দূরে পাঠিয়ে দাও, মা। না হলে শাপলাকে তুমি এই বাড়ি থেকে বের করতে পারবে না। সিয়াম থাকতে ওকে তাড়ানো অসম্ভব। ও ঠিকই বাধা দেবে।”
মহুয়া এক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন। চোখ দুটো ছোট হয়ে এল। তারপর দৃঢ় গলায় বললেন,
“ঠিক আছে। তাই হবে। সিয়ামকে এক মাসের জন্য দেশের বাইরে পাঠিয়ে দিবো তাহলে।”
কথা শেষ করেই মহুয়া সোজা সিয়ামের ঘরের দিকে হাঁটলেন। দরজায় কয়েকবার টোকা দিতেই ভেতর থেকে সিয়াম চোখ কচলাতে কচলাতে দরজা খুলল।
“এত সকালে? কিছু বলবে?”
মহুয়া সোজা কথায় এলেন, “তোকে বিজনেসের কাজে এক মাসের জন্য দেশের বাইরে যেতে হবে। আজ সকাল আটার ফ্লাইট।”
সিয়াম অবাক হয়ে বলল, “আমি গিয়ে কি করব? নিরব ভাইয়াকে পাঠাও।”
“ও যেতে পারবে না। এখানে ওর অনেক কাজ। তোকেই যেতে হবে, আজই।” মহুয়ার গলা কঠিন।
সিয়াম আর তর্ক করল না। একটু চুপ থেকে বলল, “আচ্ছা, ঠিক আছে।”

মা চলে যেতেই সিয়াম চারপাশে একবার চোখ বুলাল। তারপর গুটি গুটি পায়ে এসে দাঁড়াল শাপলার দরজার সামনে। টোকা দিতেই দরজা খুলে গেল।
শাপলা বিছানার এক কোণে চুপ করে বসে আছে। চোখ মুখ ফোলা, মাথা নিচু। সিয়াম পাশে বসে কপালে হাত রাখল।
“কিরে, এভাবে বসে আছিস কেন? শরীর খারাপ লাগছে?”
শাপলা মাথা নাড়ল। “না, কিছু হয়নি।”
“তাহলে?” সিয়াম ওর থুতনি ছুঁয়ে মুখটা তুলল।
“এমনি।” শাপলার গলা কাঁপছে।
সিয়াম একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “আমি আজ দেশের বাইরে যাচ্ছি, এক মাসের জন্য। বল, তোর জন্য কি আনব বিদেশ থেকে?”
শাপলা ম্লান হাসল। “কিছু আনতে হবে না।”
“তা কি হয়? আমি বিদেশ যাচ্ছি আর আমার বউয়ের জন্য কিছু আনব না?” সিয়াম তার হাত ধরল।
“বল না, কি আনব তোর জন্য?”
শাপলা চোখ নামিয়ে বলল, “আপনার যা খুশি তাই আনবেন।”
সিয়াম হঠাৎ তার কাছে ঘেঁষে বসল। ঠোঁটে দুষ্টু হাসি।
“এক মাস তোকে কাছে পাব না… চল, দুজনে একটু রো*মা*ন্স করে নিই?”

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৪

শাপলা চমকে উঠে বলল, “প্রয়োজন নেই।”
“তা বললে কি হয়?” সিয়াম ওর ঠোঁটের দিকে ঝুঁকতেই শাপলা দুই হাতে ওকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিল।
“এসব কি করছেন? আপনি বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর অনেক রো*মা*ন্স করিয়েন।”
সিয়াম হেসে ওর কপালে একটা চু*মু দিল।
“সত্যি তো? তখন আর বাধা দিবি না তো?”
শাপলা মাথা নিচু করে বলল, “না… আর বাধা দেব না।”
সিয়াম ওর গালে আলতো করে চু*মু দিয়ে উঠে দাঁড়াল। যাওয়ার আগে শাপলার চোখে চোখ রেখে বলল,
“তাহলে কথা দিলি। এক মাস পর ফিরে এসে সব সুদে আসলে বুঝে নেব।”
বলে ও বেরিয়ে গেল। দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে।
শাপলা বসে রইল নি*থ*র হয়ে। বুকের ভেতর হাজারটা ঝড়।

রোমান্টিক ভাইয়া পর্ব ৩৬

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here