Home রৌদ্রময় বালুচর রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ১৫

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ১৫

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ১৫
সোহানা ইসলাম

” তোমাদের একা যেতে হবে না। রোহান আর জাহেদ তোমাদের পৌঁছে দিয়ে আসবে। ”
— আরমানের কথা তার দিকে দু’জনই বড় বড় চোখ করে তাকায়। তারা কীভাবে পৌঁছে দিয়ে আসবে..?? তারা তো এখান কার কিছুই চিনে না। দুজনে মুখ খোলে কিছু বলতে নিবে তারা আগই জারা বলে –” তার কোনো দরকার পরবে না। আমরা একাই যেতে পারব, সমস্যা হবে না কোনো।!”
জারার কথায় আরমান রাস বারি কন্ঠে বলে — ” তোমার কাছে জানতে চেয়েছি কিছু আমি..?? যা বলছি তাই হবে, তারা দু’জন তোমাদের পৌঁছে দিয়ে আসবে ব্যাস।এটাই আমার শেষ কথা।”

— আরমানের ধমক শুনে চুপ হয়ে যায় জারা, দ্বিতীয় কোনো বাক্য মুখ দিয়ে উচ্চারণ করার সাহস হলো না তার।
ভাইয়ার কথায় জিনিয়া এগিয়ে এসে বলে –” তাহলে ভাইয়া আমিও যাই ওদের সাথে।” জনিয়ার কথা শুনে আরমান তাকায় তার দিকে। বড় ভাইয়া কঠিন দৃষ্টি দেখে আমতা আমতা করে বলে — ” না ‘ মানে ওদের সাথে শুধু ছেলে মানুষ দেখলে ওদের বাড়ির লোকেরা খারাপ ভাবতে পারে। তাই বলছিলাম আর কী ।”
জিনিয়ার কথা আরমানের কাছে ঠিক মনে হলো। ছেলেমেয়ে একসাথে দেখলে গ্রামের মানুষের মনে হাজার টা কুচিন্তা ঘুরে। ” আচ্ছা ঠিক আছে যাহ, কিন্তু তাড়াতাড়ি ফিরে আসবি আবার। রোহান ওকে ভালো করে দেখে নিয়ে যাবি তোর দ্বায়িত্বে। ”
“আরমানের একথায় বড় বড় চোখ করে তাকায় রোহান, মনে মনে ভাবে —” এ কী বলছে তার বন্ধু..?? সে কী ঠিক শুনছে তার কানে। সেদিন রাতেই না বললো ওর থেকে দূরে থাকতে! এখন আবার বলছে জিনিয়া কে যেনো সে নিজের দ্বায়িত্বে ভালো করে নিয়ে যেতে। সে কী সপ্ন দেখছে না-কি..??এখন যদি তার বন্ধু কে দুইটা চু*ম্মা ও দেয় তাহলে কম হবে। খুশিতে মনটা আকুপাকু করছে তার। ”
— রোহান কে তার দিকে এমন ভাবে তাকিয়ে থাকতে দেখে আরমান বলে — ” এভাবে না তাকিয়ে, নিয়ে যা ওদের তাড়াতাড়ি। ”

জেরিন ও তাদের পিছ ধরে বলে আমিও যাবো তোমাদের সাথে । আমাকেও নিয়ে চলো। ”
” জেরিনের এমন লাফালাফি করতে দেখে জাহেদ জেরিনের চুলে টাক দিয়ে বলে — ” সবসময় বড়দের বিষয় তোর নাক গুলাতেই হবে তাই না রে জেরি..??
– ভাইয়ার কথা শুনে গাল ফুলিয়ে অগ্রসর হয় জারা’র দিকে। জারার কাছে এসে গাঁ ঘেঁসে দাঁড়িয়ে পরে জেরিন। কাঁদো কাঁদো মুখ দেখে বলে—” আমায় তোমার সাথে নিয়ে যাবে সাদা পরী..?? দেখ ভাইয়া বলছে নিবে না আমায়। ”
– জেরিন কে দেখে জারা’র খুব মায়া হলো। জেরিনের গালে হাত দিয়ে বলে — ” আচ্ছা নিয়ে যাব আমার সাথে বুলবুল পাখি। ”
জারা’র কথায় খুশিতে লাফালাফি করতে করতে
জাহেদের কাছে এসে মুখ বাকিয়ে বলে — ” দেখেছো আমায় নিয়ে যাবে বলেছে সাদা পরী। ”

__ জিনিয়া যখন শুনলো তার বড় ভাইয়া তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য রোহানকে দ্বায়িত্ব দিয়েছে, তখন থেকেই জিনিয়া রোহানের দিকে তাকিয়ে আছে। রোহান এক পলক জিনিয়ার দিকে তাকিয়ে দেখে তার চাঁদ সুন্দরী তার দিকে তাকিয়ে আছে। কিন্তু তার দৃষ্টি দীর্ঘস্থায়ী করেনি রোহান, সাথে সাথে চোখ সরিয়ে ফেলে জিনিয়ার থেকে। সে যে খুশি তা বোঝানো যাবে না তার চাঁদ সুন্দরী কে।
রোহান চোখ সরিয়ে ফেলতে দেখে বুকটা মুচড় দিয়ে উঠে জিনিয়ার। কী পাষাণ পুরুষ। —
—” আরমান এবার সবাইকে তাড়া দিয়ে বলে — ” যা এখন সবাই। ওদের তিনজন কে নিজ দ্বায়িত্বে পৌঁছে দিয়ে আসবি, কোনো গাফিলতির করা চলবে না। ”
আরমানের এমন হুকুম করা কথায় বিরক্ত ভোদ করছে জাহেদ । ফিহার দিকে তাকিয়ে মনে মনে ভাবে –” তাকে এই কটকটি মেয়েটার সাথে যেতে হবে এখন। এই মেয়েটাকে তার এমনিতেই পছন্দ না, সব সময় তার সাথে ঝগড়া করে। বেয়াদব মেয়ে কোথাকার। ”
ফিহার হটাৎ করে জাহেদের দিকে চোখ যায়, দেখে সে তার দিকেই তাকিয়ে আছে। কপাল কুঁচকে গলা খেঁকিয়ে জাহেদ কে বলে—” এই মিয়া,লুচ্চু দের মতো তাকিয়ে আছে কেনো আমার দিকে,..??জীবনে মেয়ে মানুষ দেখেন নি..? চোখ সরান বলছি আমার দিক থেকে!! ”

” দিলো.. দিলো শেষ করে তার মানসম্মান এই কটকটি মেয়ে । তাকে কেন কেউ সম্মান দেয় না।সে কী একটু সম্মান পাওয়ার যোগ্য না..?? রাগে দুঃখে নিয়ে চুল ছিঁড়তে মন চাচ্ছে তার। জাহেদ ফিহার দিকে কটমট দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে —” এই কটকটি মেয়ে, নিজেকে এতোটাও বিউটি গার্ল ভেব না। দেখতে তো পুরো কটকটির মতো!! আবার বড়দের সাথে বেয়াদবি করো, বাসার ঠিকানা বলো তোমার বাবার কাছে বিচার দিয়ে আসবো তোমার নামে। ”
ফিহাও জাহেদর কথা পাত্তা না দিয়ে বলে–“আমার বাড়ি বাংলাদেশ ”
” ইয়ার্কি করছো আমার সাথে, বাসার ঠিকানা বলো কটকটি”
” ইয়ার্কি কোথায় করলা, আজিব!! আমার আপনার সবার বাড়িতো বাংলাদেশই। ”
” কটকটি মেয়ে মানুষ!! এই গ্রামে তোমার বাড়ি কোথায় সেটা জিজ্ঞেস করছি.? ”
” বাসার ঠিকানা বলা যাবে না ”
” কেনো..?? ”

” বাসার ঠিকানা বললেই আপনি আমাদের বাসায় যাবে। তখনও অনেক খরচ হবে। বাসায় কেউ প্রথম গেলে তাকে না খাইয়ে ছাড়া যায় না। তাই বাসার ঠিকানা বলা যাবে না ”
ফিহার কথা জাহেদ ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। এই কটকটি মেয়ে কতো দূর ভেবে ফেলেছে। জাহেদ ফিহা কে বলে — ” কী কিপ্টে মেয়ে তুমি কটকটি..?? তোমায় যে বিয়ে করবে তার পু*কি*তে সবুজ বাতি জ্বলে যাবে। তোমার স্বামীর সংসারে শুধু আয় আর আয় হবে। ”
ফিহাও ভাব নিয়ে বলে –” স্বামীর সংসারে আয় করার জন্যই এখন থেকে কিপ্টামি করা প্রেকটিস করছি। ”
” জাহেদ এবার নিজের মাথা চুলকায়। লজ্জা লজ্জা ভাব নিয়ে বলে — ” তোমার মতো কিপ্টে মেয়েই আমার দরকার। সংসারে সবুজ বাতি জ্বালানোর জন্য। ”
“কী বললেন আপনি.??
” কিছু না কটকটি!! আমার কথা তোমার মোঠা মাথায় ঢুকবে না। ”
__ জাহেদ তাকে সেই কখন থেকে কটকটি বলছে এখন আবার মাথা মোটা বলতে দেখে রাগী দৃষ্টিতে তাকায়। মুখ বাঁকিয়ে ফিহাও বলে—

” ডিক বাজিওলা জাহেদ খান ”
” জাহেদ খান” কথা টা জাহেদ না বোঝলেও আর সবাই ঠিকই বোঝতে পারে। সবাই মুখ টিপে টিপে হাসে জাহেদের দিকে তাকিয়ে।
ফিহা কে এমন পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করতে দেখে মিম আর জারা দু’জনই চোখ রাঙ্গায়। তাদের চোখ রাঙ্গানো দেখে ভদ্র মেয়ের মতো চুপ হয়ে যায় ফিহা।
জিনিয়া ভাইকে এমন নাস্তানাবুদ হতে দেখে খুব মজা পাচ্ছে। মুখ লুকিয়ে হাসছে সে। এরা দু’জন যদি এখানে দারিয়ে সারাদিন ঝগড়ায় করে তাহলে বাড়ি ফিরবে এখন। তাই সবাইকে তাড়া দিয়ে বলে –” হয়েছে তোমাদের দুজনের ঝগড়া করা..?? এখন আমরা যেতে পারি সবাই.?? ”
রোহানও সবাইকে তাড়া দিয়ে বলে –” হ্যা….হ্যা..সবাই চলো। আমাদের আবার ফিরতে হবে। পাঁচটা প্রায় বাজতে চললো। ”

___ এক, এক করে সবাই ঘর থেকে বাইরে বের হয়। জারা তখনকার চোখাচোখি হওয়ায় লজ্জায় এখন পর্যন্ত একবার ও আরমানের দিকে তাকায়নি। ঘর থেকে বেরিয়ে আসার সময়ও এজবার বলে আসে নি। শুধু চুপচাপ মাথা নিচু করে বেরিয়ে আসে জারা।
আরমানও আর জারা’কে কিছু বলেনি, শুধু তাকিয়ে ছিলো তার দিকে। সবাই ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে গেলে আরমানও নিজের রুমে চলে আসে। হটাৎ করেই তার কেনো যানি ক্লান্ত লাগছে, অসুস্থি লাগছে। তাই পরনের টিশার্ট টা খুলে উদােম শরীরের বিছানায় শুয়ে পরে।
____ জারা’রা প্রায় গেটের সামনে চলে আসে। জারা’র কেন যেনো মনে হচ্ছে সে কিছু ভুলে রেখে যাচ্ছে। তার কেমন যেনো খালি খালি লাগছে। হটাৎ মিমের কাঁদে ব্যাগ দেখে দাড়িয়ে যায়। নিজর কাঁদে হাত দেয়। তার ব্যাগ কোথায়.?? তার মানে মনের ভুলে রেখে চলে এসেছে সে। হায় খোদা!!
জিনিয়া পিছন ঘুরে দেখে জারা দাড়িয়ে পরেছে। তাই জারা’র কাছে এসে জিজ্ঞেস করে — ” কী হয়েছে জারা..?? দাড়িয়ে পরলে কেনো, শরীর খারাপ লাগছে..??

” না… না.. আপু শরীর একদম ঠিক আছে। কিন্তু… “”
” কিন্তু কী জারা..??
” আসলে আপু আমি মনের ভুলে আমার ব্যাগটা রেখে এসেছি ”
” ওহহ! এই কথা, দাঁড়াও জাহেদ ভাইয়াকে বলছি এনে দিতে। ”
” না… না…আপু তার কোনো প্রয়োজন হবে না। আমিই যাচ্ছি, ভাইয়ার কষ্ট করে যেতে হবে না।”
” এই বোকা মেয়ে কষ্ট কেনো হবে..?? দাঁড়াও ডাক দিচ্ছি আমি। ”
” এই জাহেদ ভাইয়া এদিকে এসো তো ”
জিনিয়ার ডাক শুনে জাহেদ চলে আসে বোনের কাছে। ” কী হয়েছে ডাকিস কেনো.?? ”
__ আসলে ভাইয়া জারা তার ব্যাগটা ভুল না রেখে এসেছে , যদি এনে দিতে __
জাহেদ বললো –” আচ্ছা তোমরা দাঁড়াও এখানে, এনে দিচ্ছি আমি। ”
জারা একপ্রকার জাহেদ কে জোর করে বলে –” ভাইয়া আপনি দাঁড়ান আমিই যাচ্ছি, বলে আর দাঁড়ালো না দৌড়ে চলে যায় বাড়ির দিকে। আজ ওরা তাদের অনেক হেল্প করছে তাই জারা চায় না তার জন্য ওরা আর কোনো কষ্ট করুক। —

__ বাড়ির ভিতরে এসে সোজা চলে আসে সে যে ঘরটায় জ্ঞান হারিয়ে ছিলো। এই রুমেই তার ব্যাগ রেখে গেছে হয়তো। দরজা ঠেলে ভিতরে ডুকতে চোখ তার চড়কগাছ হয়ে যায়। লোকটা এখনো উদোম গায়ে শুয়ে আছে, চোখের উপরে উল্টো হাত দিয়ে । শুকনো ঢোক গিলে জারা। লজ্জা করছে তার, এখন রুমের ভিতরে কী ভাবে যাবে..??
___ দরজা খোলার শব্দ শুনে চোখ থেকে হাত সরিয়ে তাকায় দরজার দিকে আরমান। এখন এখানে সে তার হাফ ইঞ্চি মেয়েকে আশা করেনি। সে তো চলে গেছে তাহলে আবার ফিরে এলো কেনো.?? শুয়া থেকে উঠে এসে জারা’র সামনে দাঁড়ায়। জারা’র দিকে মোহনীয় দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে –” কী চাই দৃষ্টি..?? আবার কেনো এসেছো এখানে..?? আবার জ্ঞান হারানোর ইচ্ছে আছে নাকি.??
__ দৃষ্টি বলে ডাকে দেখে জারা তাকায় একবার দরজার বাইরে। যদি অন্য কেউ হয় তাই!! কিন্তু তার পিছনে কেউ নেই।
জারার এমন দৃষ্টি এলোমেলো অবস্থা দেখে আরমান বলে —” কী দেখছো বাইরে দৃষ্টি?? এখানে তুমি আর আমি ছাড়া কেউ নেই। ”

___ এবার বোঝলো জারা লোকটা তাকেই দৃষ্টি বলে ডাকছে। কিন্তু লোকটা তো তার নাম যানে, কাল রাতেই তো বলেছে সে। লোকটার কী সৃতিচারণ হয়েছে না-কি। আবার ভয়ও কাজ করছে এখন এখানে তারা দু’জন ছাড়া কেউ নেই। তারপরও নিজের ভয়টা প্রকাশ করলো না জারা। ধীর তাঁর সাথে বলে —” আ ‘ আমার নাম মা’ মানজারা। দৃষ্টি নয়!! ”
___” আমি যানি তোমার নাম মানজারা, দৃষ্টি নয়। কিন্তু তুমি কী তোমার নামের অর্থ জানো হাফ ইঞ্চি মেয়ে..?? ”
আরমানের কথায় মাথা ঝাঁকিয়ে সায় জানিয়ে বলে –” হ্যা..যা’ নি!! ”
” কী ”
” দৃষ্টি ”
” তাহলে আমি কী বলেছি তোমায়?? ”
” দৃষ্টি.. দৃষ্টি..!! অবাক হয়ে তাকায় আরমানের দিকে জারা।
” আরমান জারার দিকে আরও এগিয়ে এসে বলে –” আমার দিকে এভাবে তাকাতে হবে না। আমি যানি আমি খুব হ্যান্ডসাম। তো কী জন্য আবার এখানে এসেছো তুমি, আমাকে একুটু সময়ের মাঝে মিস করছিলে বোঝি..?? ”

__ আরমানের বলা কথায় মুখ বাঁকায় জারা। আবার অস্থির ও লাগছে তার,একরাশ লজ্জা এসে বি-র করছে তার চোখে। লোকটা উদোম গায়ে তার এতো কাছে।দম বন্ধ হয়ে আসছে তার। তাই দরজার কাছ থেকে পিছিয়ে গিয়ে বলে —
” মিস করতে যাবো কেনো?? আমি তো আমার ব্যাগ নিতে এসেছি এখানে। আমার ব্যাগটা দিয়ে দিন আমি চলে যাচ্ছি এখান থেকে। ”
” ভিতর গিয়ে নিজের ব্যাগ নিজেই নিয়ে নাও ”
আরমান দরজা সামনে থেকে সরে জাগায় করে দেয় জারা”কে। যেনো জারা রুমের ভিতরে ডুকতে পারে। দরজা কাছ থেকে সরে এসে বিছানায় বসে আরমান।
__ জারা ছোট ছোট পা দিয়ে হেঁটে রুমের ভিতর প্রবেশ করে। রুমের চারদিকে চোখ ভুলিয়ে দেখে তার ব্যাগ কোথায় আছে!! চোখ যায় বিছানায় থাকা তার ব্যাগটার দিকে। কিন্তু সেখানে আরমান বসে আছে উদোম শরীরে । কী করে ব্যাগটা নিবে সে। তাই মিনমিন সুরে বলে —” আ.. আপনার পাশে থাকা ব্যাগ দিন কষ্ট করে। ”

জারাকে এমন হাসফাস করতে দেখে যেনো মজা পাচ্ছে আরমান। জারার অস্থিরতা আরও বারিয়ে দিতে আরমান আগে ন্যায় বসে থেকেই বলে–” নিয়ে নেও!! আমি পারব না দিতে! ”
__ উপায় নেই কোনো আর জারা’র কাছে। লোকটা নাকচ করে দিয়েছে ব্যাগটা দিতে। তাই বিছানার দিকে এগিয়ে আসে জারা ব্যাগটা নেওয়ার জন্য। লজ্জা ভয়ে হাত পা কাপছে জারা’র। শুকনো একটা ঢোক গিলে যেই না ব্যাগটা নিতে যাবে এমনি ঘটে গেলো আরেক বিপদওী।

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ১৪

কী থেকে কী হয়ে গেলো আল্লাহ।এরকম অসুস্থিকর বিষয়ে পরতে হবে জারাকে তা সে কল্পনাতেও ভাবেনি। নিজের বোকামি তে নিজেই ছিঃ ছিঃ করছে জারা। পাকামু করে না আলসে এাব হতো নয়। এই শয়তান লোকটা এখন তাকে গায়ে পরা, নির্লজ্জ মেয়ে না যানি ভাবে। লজ্জা মাটির নিচে চলে যেতে মন চাচ্ছে জারা’র। ভয়ে ভয়ে কাজ করতে গেলে এমনই অবস্থা হয়। এই জন্যই আম্মু বলে, জারা তুই কোনো কাজই ঝামেলা না করে করতে পারিস না।

রৌদ্রময় বালুচর পর্ব ১৬

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here