Home তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ৪৭

তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ৪৭

তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ৪৭
তানিশা সুলতানা

একজন নারী শুধুমাত্র তার সৌন্দর্যের জন্যই মিস ওয়ার্ল্ড এর খেতাপ জয় করে বিষয়টা তেমন নয়। শুধু সৌন্দর্য থাকলে মুকুট জয় করা যায় না। থাকতে হয় শিক্ষা, বুদ্ধি, আদর্শ এবং সর্বগুণে গুণান্বিত। আর পাঁচটা সাধারণ নারীর থেকে একটু বেশিই।
ঠিক যেমনটা ইয়াং ইউ।
সৌন্দর্যের পাশাপাশি তিনি একজন সাকসেস বিজনেস উম্যান, সেই সঙ্গে প্রচুর বুদ্ধিমতী এবং ধৈর্যশীল।
মায়ের মৃ/ত্যুর পরে বাবা যখন দ্বিতীয় বিয়ে করলো তখন সে খুবই ছোট। রাগ জেদ করার বয়সে নিজেকে ধৈর্যশীল বানিয়েছে। বাবাকে পছন্দ না করেও সব সময় তার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছেন। ফল সরূপ বাবার সম্পত্তির ৭০% ছিনিয়ে নিয়েছে।

আর এখনো খুব ভালো করেই জানে কিভাবে আবরার তাসনিকে কে দমাতে হবে। বা কিভাবে তাকে পেতে হবে।
মহৎ নয় সে।
ভালোবাসার মানুষটিকে তার ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে থাকতে দেবে এতটা উদার নয়। ভালোবেসেছে মানে যে কোনো মূল্যে তাকে পেতে হবে। খু/ন করতে হয় করবে।
বাঘের মুখ থেকে খাবার ছিনিয়ে আন লোক সে।
আর জনপ্রিয় মানুষদের দুর্বলতা হচ্ছে মিডিয়া। বেডরুমে কি হচ্ছে সেটা দেখার বিষয় নয়
মিডিয়া কি জানছে সেটাই বিষয়। রিলেশনশীপের কথা একবার পাবলিশ হয়ে গেলে নিজের পজিশন ধরে রাখার জন্য হলেও সম্পর্কটা এগিয়ে নিতে বাধ্য হবে।
কিন্তু বোকা ইয়াং ইউ এটা জানলো না আবরার তাসনিন পজিশনের ধার ধারে না। জনপ্রিয়তা, বিজনেস, প্রপার্টি এসবে তার ইন্টারেস্ট নেই।
তাসিন হাউজের সামনে দাঁড়িয়ে আছে ইয়ং ইউ। তার ফোন খানা অনবরত বেজে চলেছে। গ্রিলি কল করছে।
কিন্তু এই মুহূর্তে তার সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজনতা বোধ করছে না সে। তাই ফোন খানা বন্ধ করে ফেললো।
ইয়ং ইউ এর সঙ্গে রয়েছে কিছু গার্ড। এই গার্ড ছাড়া চলাফেরা করা একদমই অসম্ভব।
কালো রংয়ের দুখানা গাড়ি দাঁড় করে রাখা। আবরার তাসনিন এর মতো সেম সেম গাড়ি কিনেছে। ইয়াং ইউ গাড়ির আয়নায় নিজেকে একবার দেখে নিলো।

সে অনেক সুন্দরী। প্রথম দেখায় যে কোনো পুরুষ প্রেমে পড়তে বাধ্য। অতো সাজুগুজ বা পরিপাটি হওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। তারপরও আবরার তাসনিনের সামনে আসার জন্য সে নিজেকে সাজিয়েছে। কালো রঙের ড্রেস। নিজের পার্সোনাল ফ্যাশন ডিজাইনার দিয়ে অনেকগুলো টাকা খরচ করে ড্রেস খানা বানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে উঁচু জুতো। ডায়মন্ডের ছোট্ট কানের দুল।
আর ভারী মেকআপ।
মিস ওয়ার্ল্ড কম্পিটিশনেও এতোটা পরিপাটি হয় নি বা নিজেকে সাজানোর পাঁয়তারা আঁটে নি।
নিজেকে দেখে নিজেই মুগ্ধ হলো ইয়ং ইউ। ঠোঁটের কোনে হাসি ঝুলিয়ে কনফিডেন্স এর সাথে এগিয়ে যায়। গার্ডদের নির্দেশ দেয় এখানেই দাঁড়িয়ে থাকতে।
পরপর দুইবার কলিং বেল বাজানোর পরে দরজা খুলে ইভান।
ইয়াং ইউকে দেখে মোটেও অবাক হলো না। যেনো জানতোই সে আসবে। ঠোঁটের কোণে হাসি ঝুলিয়ে বলে
“ওয়েলকাম মিস

বাকি কথা শেষ করার আগে ইভানকে পাশ কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে পড়ে মেয়েটা। এদিক ওদিক দৃষ্টি ফিরে খুঁজতে থাকে আবরার তাসনিনকে।
সিয়াম কিচেন থেকে বের হতে হতে বলে
“কনগ্রাচুলেশন
রিলেশনশিপে চলে গেলেন অথচ আমরা জানলাম না।
বিরক্ত হলো ইয়াং ইউ। চোখ মুখ কুঁচকে বলে
“where is Tasin?
আহাদ জবাবে বলে
“তাকে দিয়ে আপনার কি কাজ? আর রিপোর্টারদের কাছে মিথ্যে কথা কেনো বলেছেন? কি নাটক শুরু করলেন?
“তাসিন লুকিং হট।
আই লাভ ইউ সো মাচ
দ্যাটস হুয়াই
ইয়াং ইউ এর কথা শুনে মুখ বাঁকালো সিয়াম। আমান বললো
“হট বলেই গলায় ঝুলতে চাইবেন? মিথ্যে নিউজ ছড়িয়ে বদনাম করবেন?
তখনই নিজ কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসে আবরার। বাইক নিয়ে বেরোবে তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে। ইয়াং ইউ খুশি হলো। জুতোর খটখট আওয়াজ তুলে এগিয়ে গেলো আবরারের দিকে। হাত বাড়ায় ছোঁয়ার জন্য। কিন্তু ছুঁতে পারে না।
আবরার দু পা পেছালো। দুই ভ্রু আড়াআড়ি ভাবে কুঁচকে গম্ভীর স্বরে বলে

” ডোন্ট টাচ মি।
ভয় পেলো মেয়েটা। ছোঁয়ার সাহস হলো না। যেভাবে এগিয়েছিলো ঠিক সেভাবেই পেছালো।।
সিয়াম বলল
“দেখেছো তোমার টাচ করতেই দিচ্ছে না তোমার সঙ্গে রিলেশনশিপে যাবে?
বা তোমায় বিয়ে করবে?
এসব ঢং বাদ দাও। তাছাড়া আবরার অলরেডি ম্যা
বাকিটা শেষ করার আগেই আবরার বলে
“শাট আপ। ইয়াং ইউ জানে সে কি করছে।
আর আমিও জানি আমাকে কি করতে হবে। তাই না?
থেমে গেলো সিয়াম। মেয়েটা আবরারের কাছে নিজেকে ইনোসেন্ট প্রমাণ করতে কিছু বলার চেষ্টা করলো তবে শোনার সময় বোধহয় নেই আবরারের তাই টি টেবিলের ওপরে থাকা হেলমেট হাতে নিয়ে গান গাইতে গাইতে বেড়িয়ে গেলো

“You Wrap around me
And you give me life
And that’s why night after night
I’II Fa*****kin you right
ইয়াং ইউ কপাল কুঁচকালো। এরপর কি করতে হবে এটাও তার জানা।
আশ্চর্যজনক বিষয় হচ্ছে
যে ছেলেটা কিছুদিন আগে তার শহরে গিয়ে তার বাবাকে খু/ন করে এসেছে সেই ছেলের বিরুদ্ধে একশন না নিয়ে তাকে ভালোবেসে তার সঙ্গে থাকতে চাচ্ছে। কুকুরের মতো ছুটে এসেছে।া
মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে
প্রয়োজনে পা ধরে বসে থাকবে
ভালোবাসা ভিক্ষে চাইবে। একবার লাথি মেরে দিলে আবার ঘুরে দাঁড়াবে। তবুও এই মানুষটার পিছু ছাড়বে না। ভালবাসতে হবে না।

কখনো যত্ন করতে হবে না। শুধু তার সঙ্গে একটুখানি থাকতে দিলেই হবে।
ইয়াং ইউ এর মতো শ্রেষ্ঠ সুন্দরী আবরার তাসনিনের পা ধরে বসে থাকবে।
বিজনেস, প্রপার্টি টাকা পয়সা সব দিয়ে দেবে তাকে। বিনিময় একটুখানি স্বীকৃতি চায়। পাশে থাকতে চায়।
আমান কিছু মুহুর্ত তাকিয়ে রইলো মেয়েটার মুখ পানে। আসলে সে সেরা সুন্দরী। নজর ফেরানো দায়। কিন্তু আফসোস ভুল মানুষকে চুজ করেছে৷
সে এগিয়ে এসে বলে
” মিস আপনি ভুল ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছেন।
ইয়াং ইউ বুঝলো না। বাংলা খুব ভালো জানে না সে। শুধু বললো
“আসছি হ্যাঁ?
তোমরা ভালো থেকো
সিয়াম কবিতার সুরে বললো
” যাবে যাও দূর হও
চোখের সামনে থেকে
আমার আব্বা ভালো ছেলে
কিন্তু অল্প বয়সেই গেছে পেকে
তুমি মেয়ে যবর তেড়া
বোঝো না হিসেব
আব্বা আমার জনমের লয়্যাল
তোমার সাথে হবে না নিকেশ
বিরক্ত ইউ দাঁত কটমট করে একটুখানি তাকালো সিয়ামের দিকে। তারপর চলে গেলো।
চার বন্ধু দীর্ঘ শ্বাস ফেললো।

জুরিখ নদীর পাশে বসে আছে আবরার। তার পাশেই বাইক রাখা। ঠোঁটের ফাঁকে সিগারেট এবং হাতে গিটার।
কিছু মুহুর্ত আগেই গিটাররা কিনেছে।
পড়ন্ত বিকেল, সুইজারল্যান্ড এর জুরিখ শহরে একটুখানি রোদে দেখা মিলেছে। সেই সঙ্গে মানুষের সোরগোল বেড়েছে।
আবরার কে দেখে সকলে চিনতে পেরেছে। কিন্তু কাছে এগিয়ে এসে কথা বলার মতো সাহস কারোরই নেই।
সবাই নিজেদের ফোন বের করে পিকচার তুলছে ভিডিও করছে।
যেনো দেখতে পেয়েই খুশি। গত পৌরসুর রেসে আবরার তাসনিনকে অন্য রকম সুন্দর লাগছিলো। মেয়েরা নতুন করে প্রেমে পড়েছে। কিন্তু আফসোসের বিষয় হচ্ছে তাদের ক্রাশের নাগাল পাওয়া অসম্ভব। একটা সেলফি পর্যন্ত নেওয়ার সুযোগ নেই। এটা নিয়ে অনেকেরই আফসোসের শেষ নেই।
তবে আজকে সকলের আফসোস মিটিয়ে দিয়ে গিটারের টুংটাং আওয়াজ তুললো আবরার। অদ্ভুত সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর সেই সুর। কালো রংয়ের বাইক খানা চিকচিক করছে রোদের আলোতে। আবরারের পরণে কালো রংয়ের শার্ট এবং বোতাম সব গুলো খোলা। সিক্স প্যাক বডি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
এক মুহুর্তের জন্য সুর তোলা থামায়। বড় বড় চুল গুলো পেছনে ঠেলে বাইকের মাথা নিজের দিকে ঘোরায়। যেনো তার প্রেমিকা।

তারপর নিচু স্বরে গেয়ে ওঠে
“মনের কিনারে চলে আয়
এলোমেলো করে দে আমায়
বুকে জ্বলছে আগুন
চোখে স্বপ্ন তোরই
তোর জন্যই বাঁচা
তোর জন্যই মরি
সুইজারল্যান্ডের কেউ বাংলা বোঝে না। তাই তারা গানের লিরিক্স বুঝলো না। তবুও মুগ্ধ হলো সকলে।
কেউ কেউ ভিডিও করে তখুনি আপলোড করে দিলো ফেসবুক ইনস্ট্রাগ্রাম টিকটক ইউটিউব সহ বিভিন্ন এপস এ। চিৎকার চেঁচামেচি হাত তালিয়ে মুখোরিত হলো গোটা স্থান।

আসিফ আদনানের জন্মদিন। সেই সঙ্গে আজকে অহনার বউ ভাত। সকাল থেকে একদমই শরীরটা ভালো লাগছেনা আদ্রিতার। সেই সঙ্গে এ্যানিরও শরীর খারাপ। এমন পরিস্থিতিতে বাড়ি থেকে বের হতে চায় না সে।
কিন্তু কিছুই করার নেই। যেতেই হবে।
বড় মায়ের মন খারাপ। গত দুইদিন যাবত ছেলেকে অনবরত কল করে যাচ্ছে কিন্তু সে রিসিভ করছে না। আদ্রিতার খারাপ লাগে। মানুষটা এমন কেনো?
তার কি কারো জন্য একটুখানি মায়া হয় না?
ঠিক আছে
আদ্রিতা কে তার পছন্দ নয়। বা হয়তো পছন্দ ছিলো কিন্তু ইয়াং ইউকে দেখার পর আর পছন্দ হচ্ছে না। মেনে নিয়েছে ও।
আরেহহ কোথায় আবরার আর কোথায় সে।
বামুন হয়ে কি আর চাঁদে হাত দেওয়া যায়? যায় না।
কিন্তু মা
সে তো বামুন নয়।

তার সঙ্গে একটু খানি কথা বললে, তাকে একটু কল করলে, কি এমন হয়?
সে তো জন্ম দিয়েছে, তার তো কষ্ট হয়। দেখতে ইচ্ছে করে।
এসব কি আর ওই মানুষটা বুঝবে?
ভাবতে ভাবতে দীর্ঘশ্বাস ফেললো আদ্রিতা।
সাজগোজ করার মুড নেই। শুধু জামা পাল্টেই বেরিয়ে পরলো। বাবা এবং মামার সঙ্গে যাবে সে।
ইদানিং বাবা মায়ের সঙ্গে ঠিকঠাক কথা বলা হয় না। মন ভালো থাকে না।
কি আর কথা বলবে?
তবে এবার থেকে ভেবে নিয়েছে খারাপ সব নিজের কাছে।
বাবা মাকে সেই মন খারাপের অংশ করা ঠিক হবে না।
তাই এ্যানিকে রেডি করিয়ে দৌড়ে গেলো মায়ের কক্ষে। বর্ষা ইতিমধ্যেই রেডি হয়ে গেছে। অহনার শ্বশুরবাড়ি সেও যাবে।
আদ্রিতা কিছুক্ষণ মায়ের প্রশংসা করলো তারপর আবদার জুড়ে দিলো তাকেও সাজিয়ে দেয়ার জন্য।
বর্ষা মেয়েকে মেকআপ করিয়ে দিলো। এ্যানির জন্য একটা ফ্রক কিনেছে সেটা বের করে পরিয়ে দিলো।
তারপর বেরিয়ে পড়লো।

অহনার শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছে গেছে অনেকক্ষণ আগেই। এতো ভির এবং মানুষজনের মধ্যে অস্বস্তি হচ্ছিলো আদ্রিতার। সেজন্য রাস্তায় চলে আসে। একটুখানি সামনে এগোলেই তিথির বাড়ি। কিছু মুহূর্ত আগেই তিথির সঙ্গে কথা হয়েছে ও আসছে।
সেজন্য ভাবলেও রাস্তায় দাঁড়িয়েই ওর জন্য অপেক্ষা করা যাক।
এ্যানিকে কোল থেকে নামাতেই ও এদিক-ওদিক ছোটা ছুটি করতে থাকলো। বাচ্চাটাও একদম মানুষ জন পছন্দ করে না। বিরক্ত হয়ে যায়৷
এই ফাঁকে নিজের ফোনের ডাটা কানেকশন অন করলো আদ্রিতা।
instagram এ ঢুকলো আবরারের আপডেট জানতে।
এই মানুষটাকে ও ছেড়ে দেবে।
তার জীবন থেকে চিরতরে হারিয়ে যাবে।
facebook whatsapp থেকে ডিলিট করে দিয়েছে। গ্যালারিতে একটা পিকচার পর্যন্ত রাখে নি। যাতে ভুলতে সুবিধা হয়। তবুও instagram এ তাকে চেক করছে। সে কি করছে, না করছে? ভালো আছে কিনা এসব জানার জন্য মনটা উতলা হয়ে উঠছে।
তবে কি এই পৃথিবীর সব থেকে বড় বেহায়া আদ্রিতা?
সব থেকে বড় নির্লজ্জ।

যে মূল্য দিচ্ছে না তার কাছেই বারবার ছুটে যেতে ইচ্ছে করে।
এবার এই বেহায়াপনা একটুখানি কমানো উচিত। নিজেকে শক্ত না করলে টিকে থাকা দায়।
instagram এ ঢুকতেই দেখতে পেলো ইভান একটা পিকচার আপলোড করেছে।
দেখেই আদ্রিতার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে উঠলো।
লাভ রিয়েক্ট দিয়ে একটুখানি নিচে নামতেই দেখতে পেলো আবরার গান গাইছে। বেশ কয়েকবার শুনলো গানটা। মাত্র ৩৪ সেকেন্ড এর একটা ভিডিও। মানুষটার পেছনের দিকটা দেখা যাচ্ছে। তবুও ভালো লাগছে। তার একটু নিজে স্কল করতেই দেখলো ইয়াং ইউ পিকচার আপলোড করেছে।

তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ৪৬

সে এই মুহুর্তে আবরার তাসনিন এর বাড়িতে।
বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠলো আদ্রিতার।
সঙ্গে সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম আনইন্সটল করে দিলো।
তারপরই কোথা থেকে যেনো একটা কালো গাড়ি আসলো। দরজা খুলে কেউ একজন রুমাল চেপে ধরলো আদ্রিতার নাকে। ব্যাসস
আর কিছু মনে নেই।।

তোমাতেই আসক্ত সিজন ২ পর্ব ৪৮

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here