Home পৌষপার্বণ পৌষপার্বণ পর্ব ৩৪

পৌষপার্বণ পর্ব ৩৪

পৌষপার্বণ পর্ব ৩৪
Irfa Mahnaj

হসপিটালে বসেই উরাধুরা নাচ আরম্ভ করে দিয়েছে পার্বণ। তার খুশির আজ ঠিকানা নেই। সে এক রাউন্ডেই দুই গোল দিয়ে দিয়েছে খুশি হবে না? ওদিকে যে বাড়ির লোকের সবার মাথায় হাত সেদিকে নজর নেই ভন্ড পার্বণের।
সে নিজের সেল ফোনে জিৎ এর “ঝিংকু নাকুর নাক্কু নাকুর না না ” গান ছেড়ে দিয়ে সেই নাচ নাচছে। হসপিটালেই ওর জাউরামি দেখে লজ্জায় মাথা কাঁটা যাচ্ছে জ্যৈষ্ঠর।
শেষ তার ফাঁটাফুটা যতটুকু সম্মান ছিলো তাও আজ শেষ করে দিলো। বর্ষা আর মাঘ বাকরুদ্ধ। আর পৌষ সে তো পারছে না মাটির তলে ঢুকে যায়। মায়ের দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত চেপে বলে,

— বলেছিলাম না এই উজবুকরে না আনতে? এখন তো আমার শরমে বাঁশ গাছের সাথে ফাঁস দিতে ইচ্ছে করছে।
ফাল্গুনের আফসোসর শেষ নেই। সে তো পার্বণকে পেটে নিয়ে এমন কিছু করেনি যে এমন জাউড়া হবে!
— হায় হায়! এটা আমার পেট থেকে কি বের হলো!
নিজের কপালটা দেওয়ালে ঠুকতে ইচ্ছে করছে ফাল্গুনের। পার্বণের নাচ থামাতে হয়েছে। উঁহু মোটেই নিজের ইচ্ছায় নয়। বরং হসপিটাল হওয়ায় ওয়ার্ড বয় এসে থামতে বলে।
ফাল্গুন ছেলের কান টেনে ওকে নিয়ে যায়। পৌষ মাথায় ইয়া বড় ঘোমটা দিয়ে মাঘ আর বর্ষার সাথে চলে। ওদের যাওয়ার দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে জ্যৈষ্ঠ।
নিজেদের পিঠ বাঁচিয়ে তাকে গেড়াকলে ফাঁসিয়ে দিয়ে গেছে। একেই তো এই বয়সে বাবা হয়েছে তার উপর নেচে কুঁদে বাকি ষোলোকলাও পূর্ণ করে চলে গেছে পার্বণ। তার এক মাত্র মেয়ে জামাই।
ছোট বেলায় বিয়ের সময় যদি জানতো এই ছেলে বড় হয়ে এমন হাই লেবেলের ভন্ড হবে তো জীবনেও মেয়ের সাথে বিয়ে দিতো না।আগের জন্মে বোধহয় কোনো পাপ করেছিলো। তাই পার্বণকে জামাই হিসেবে পেয়েছে।
অটোতে উঠেই পৌষের পাশে ধপ করে বসে পড়লে ঝাড়ি মেরে উঠে ফাল্গুন।

— আস্তে এভাবে লম্ফো জম্ফো করছিস কেনো?
— ওউফস! ভুলেই গেছিলাম!
পার্বণের ঢং করে বলা কথায় গা পিত্তিতে জ্বলন ধরে পৌষের। ও খেঁকিয়ে উঠলো। পার্বণের দিকে চেপে ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে বলে,
— এগুলোকে আমার পেটে ঢালার সময় মনে ছিলো না? এখন তো ভুলেই যাবি।
পৌষকে ফ্লাইং কিস ছুড়ে মারে পার্বণ। আস্তে করে পৌষের কোমর জড়িয়ে ওকে আরেকটু নিজের দিকে চেপে ধরে। পার্বণ আর পৌষ আলাদাই একটা অটো নেয় আর বর্ষারা আলাদা।
— আমি যে তোকে কি পরিমানে ভালোবাসি তার প্রমাণ। ডাবল বেবি মানে ডাবল ভালোবাসা। নেক্সট টাইম ট্রিপল বেবি লোড করবো।
আঁতকে উঠে পৌষ। কোমর থেকে পার্বণের হাত ছাড়াতে চেষ্টা করে। হাত তো সরেই না উল্টে পৌষকে আরো চেপে ধরে।

— আমাকে মেরে ফেলার ধান্দা না?
— নো ওয়ে। এগুলো আমার ভালোবাসা।
— বা*ল বাসা এগুলো তোর। যা দূরে সর আমার থেকে।
— দুরেই তো থাকি। বাচ্চা গুলো ও ভাই আর আসার সময় পেলো না। বাপ সবে কিশোর বয়সে এরই মধ্যে এতো তাড়া যে চলে এসেছে এখনও যৌবনেই তো পা দিতে পারলাম না।
— সব তোর জন্য।
তেতে ওঠা কণ্ঠে শুধায় পৌষ। পার্বণ তা শুনে বলল,
— জান শোন আমার যৌবন আমি সব তোকে ঢালবো। তোর বাপ আমাকে তোর পেট খালি থাকার খোটা দিতেই পারবে না।

— মানে?
— কিশোর বয়সে বাচ্চার আগমন। এরপর আমার প্রতিটা যৌবনে আমি তোর পেট ভরা করে রাখবো। প্রমিস খালি একদমই থাকবে না।
পৌষের চোখ গুলো বেরিয়ে আসার জোগাড়। ও চেঁচিয়ে উঠলো।
— ওরে আমারে মেরে ফেলার প্ল্যান! বছর বছর বাচ্চা জন্ম দিতে থাকলে আমারে আর খুঁজেই পাওয়া যাবে না। এই শেষ এরপর তোর ছানা পোনা জন্ম নেওয়ার পর আমার ধারে কাছেও আসবি না। রুম আলাদা করবো আমি।
এবারে পার্বণের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে। ও বলে,
— আল্লাহ জান! এবার তো তুই আমাকে মেরে ফেলার প্ল্যান করেছিস। প্রতি বছর একটা করে বাচ্চা নেওয়ার বদলে দরকার হয় আমরা একবছর পর পর দুই তিনটা নিবো। সমস্যা কি? কষ্ট হলেও আমি মানিয়ে নিবো।
পার্বণের কথা শুনে পৌষের মুখ ভোঁতা হয়ে গেলো। ওর চোয়াল ঝুলে নামায় পড়লো! চোখের পলক ঝাপটায়। পৌষের অবস্থা দেখেই বুঝলো পার্বণ আসলে ভুল জায়গায় ভুল কথা বলে ফেলেছে।
— হে হে! বেব রাগ করিস না। তুই তো আমার কুচু পুচু রে! পৌষবউ তুই আমার। উম্মাহ!

পাশাপাশি দাড়িয়ে আছে কালমেঘ আর পূর্ণা। কালমেঘের সারা শরীর বেয়ে ঘাম ঝরে পড়ছে। এদিকে পূর্ণা চিল। ওরা দাড়িয়ে আছে কালমেঘদের বাড়ির সামনে।
কলিং বেল চাপতে বললেও ভয়ে কালমেঘ কলিং বেল চাপতে পারছে না। বিরক্ত হয় পূর্ণা। কিছুক্ষন আগেই দুজনের শুভ পরিণয় সম্পূর্ণ হয়েছে।
— এই মেঘ ভাই? তোমার কি হাগা পেয়েছে? বা পাদ মাদ মারবে তাই চেপে চুপে দাড়িয়ে আছো?
কটমট করে পূর্ণার দিকে তাকাতেই পূর্ণা তার চকচক করা দাঁত সাথে মাড়িও দেখিয়ে দেয় কালমেঘকে।
— হাগা আসলে ওগুলো তোর মাথায় হাগবো। আর পাদ ওটা তোর মুখের মধ্যে মারবো বেয়াদব মহিলা।
— ইয়াক ছি! মেঘ ভাই এটা কিন্তু ঠিক না। মানলাম আমি তোমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছি তাই বলে এসব বলবে।

— করে দেখাবো? দেখবি?
— না না দরকার নেই। তুমি কন্টিনিউ করো।
অনেক দেনামোনা শেষে অবশেষে কালমেঘ কলিং বেল চাপে। ভিতর থেকে আওয়াজ আসে সঙ্গে সঙ্গে।
— কোন পাঠার ছাওয়ালরে এতবার কলিং বেল চাপিস?
নিজের বাবার কথা শুনে আহাম্মক বনে যায় কালমেঘ। সে কলিং বেল তো চাপলোই একবার। ওর চিন্তার মধ্যেই দরজা খুলে দেয় বকুল। দরজার বাহিরে দাড়িয়ে থাকা কালমেঘকে দেখেই নিজের স্বামীর উদ্দেশ্য করে বলে,
— তুমি নামক পাঠার ছাওয়াল।
গন্ধরাজ থতমত খেয়ে গেলেন। এভাবে যে ধরাটা খাবেন তিনি ভাবতেও পারেননি। পায়ের জুতা হাতে নিয়ে চললেন কালমেঘের পাছা লাল করতে।
গিয়েই হতবম্ভ হয়ে গেলেন। তার পাঠা ছেলে বিয়ে করে এনেছে! তিনি অত্যধিক উত্তেজনায় বেমালুম ভুলে গেলেন তার স্ত্রী পূর্ণাকে জিজ্ঞেস করছে। তিনিও জিজ্ঞেস করতে গেলেই।

— এখান থেকে সর রামপাঠা। নো ডিসটার্ব।
বলেই গন্ধরাজকে দিলেন এক ধাক্কা বকুল। গন্ধরাজ ছিটকে মাটিতে উপুড় হয়ে পড়লেন। বাবার অবস্থা এক চোখ বুজে অবলকোন করে কালমেঘ।
গন্ধরাজ নিজের মাজা ধরে উঠে দাঁড়ালেন। ছেলেকে মুখ চেপে হাসতে দেখে চোখের ইশারায় বললেন,
— হাসো যত পারো হাসো। তুমিও এখন বিয়ে করেছো বুঝবে মজা।
কালমেঘ ও ইশারায় বুঝালেন আরে ধূর আমার বউ আমার সামনে টিকতেই পারবে না। দেখো তুমি। বলেই বুকের ছাতি ফুলিয়ে এগিয়ে গেলো পূর্ণার দিকে।
বকুলের মতো পূর্ণা ও যেই না ধাক্কা মেরে কালমেঘকে মক্কায় পাঠিয়ে দেয় অমনি ঘর কাঁপিয়ে হাসে গন্ধরাজ। চোখের ইশারায় বলে,
— বলেছিলাম না বাপ বউয়ের উপরে কিছু নেই!

প্রেসার বেড়ে গেছে ভাদ্রের। চৈত্র মাথায় পানি ঢালছে। পার্বণ ভাদ্রের ঘরের বিন ব্যাগে বসে ফোনে গেমস খেলছে।
— ওরে পার্বণরেএএএ! একটু আস্তে ভাই। তোর যে একটা বড় ভাই আছে কেমনে ভুলে গেলি!
ভাদ্রের আহাজারী শুনে এবার ফোনের স্ক্রিন থেকে মাথা তুলে তাকায় পার্বণ। হাসি দিয়ে বলে,
— বড় ভাই যদি এখানে আসল কাম না করতে পারে আমি কি করতে পারি?
— তাই বলে এভাবে আলোর গতিতে ছুটবে ভাই?
বসন্তের কথায় হেমন্ত ওর মাথায় গাট্টা মেরে বলে।
— কি আর বলবো দুঃখের কথা তোর তো তাও আম্রপালি আছে আমার? আমার জন তো জুনিয়র পেয়ে গুরুত্বই দেয় না। আসতে ঠুয়া মারে যাইতে ঠুয়া মারে!
এদের একেকটার কথা শুনে ভাদ্রের এখন গলায় কলসি দিয়ে ডুবে মরে যেতে করছে! না না হারপিক খেয়ে অক্কা পেতে ইচ্ছে করছে। ও চিৎকার করে সবগুলোরে যেতে বলে।
— বের হ সব গুলায় আমার রুম থেকে। একজনের বয়স অ্যাডাল্ট হয়নি তার আগেই সে অ্যাডাল্ট কাজ করে বাবা হয়ে গেছে। আর দুটোর এখনও গা থেকে দুধের ঘ্রাণ আসছে তারা গফ নিয়ে পড়ে আছে!
জুতা মুতা খুলে যে যেমনে পারছে দৌড় লাগায়। ভাদ্রের রুম থেকে বের হয়েই হেমন্ত ও বসন্ত তাদের পার্বণ ভাইকে চেপে ধরে।

— ভাই তুমি এতো স্পিডে কেমনে কি? মানে এক ধাক্কায় দুই বাচ্চার বাবা!
— ছি ছি! বসন্ত তুই এসব অশ্লীল কথাবার্তা কেনো বলিস?
পার্বণের কথায় হেমন্ত নাক মুখ কুঁচকে বলে,
— আর তুমি যে অশ্লীল কাজ করো তার বেলা?
— শোন এসব করাই যায় তবে তোদের জন্য নয়। আমি বড় তো তাই এগুলো আমার।
বিরোধিতা করে বসন্ত। অত্যন্ত বিস্মিত হয়ে শুধায়,
— তুমি বড়! দুই বছরের বড় এতেই আমরা একদম গ্যাদা আর তুমি বুইড়া হয়ে গেছো?
— শোনো হ্যা বৎস কবি বলিয়াছেন, যারা পিতা তারা বড়। এদের কোনো বয়স নেই।
— এমন উজবুক মার্কা কথা কোন কবি বলল?
হেমন্তের কথায় ওর পিঠে কিল মেরে পার্বণ ঠিক করার ভঙ্গিতে বলে,
— মূর্খের দল। এটা উজবুক মার্কা কথা নয়। এটা বলেছেন কবি পার্বনান্দ দাশ।
অতপর বসন্ত ও হেমন্ত দুই ভাইকে বগল দাবা করে নিয়ে প্রস্থান করে পার্বণ।

রাতের বেলা ~
দু দুটো বাচ্চা! মুখের কথা নয়। বৈশাখ সেই লেবেলের খেপেছিল তবে ফাল্গুন সামলে নেয়। এখন বৈশাখের ঘরে একান্তে তলব পড়ে পার্বণের।
যে কিনা বর্তমানে বউয়ের সাথে কিসমিস রোমান্স করতে ব্যাস্ত। বৈশাখ তেতবিরক্ত হয়ে গেছে।
— উফ এই ছেলেকে আসতে বললাম সেই কখন। আর এখনও আসার কোনো নাম ধাম নেই।
অন্যদিকে পার্বণ ব্যাস্ত তার মহান গুরুত্বপূর্ণ কাজ কিসমিস রোমান্স এ। কিছুক্ষন আগেই শোয়ার জন্য বিছানা ঠিকঠাক করে পৌষ। যেইনা শুবে তখনি হুড়মুড় করে কোথা থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসে জনাব পার্বণ মহাদয়।
— পৌষ, পৌষ,পৌষ আমার তো লটারি লেগে গিয়েছে।
হুট করে এসে হাট করে এমন অদ্ভুদ কথা শুনে বিস্ময়ে বিস্মিত পৌষ। পার্বণকে উদ্দেশ্য করে ঝাঁঝালো স্বরে বলে,
— নাচন কোদন বাদ দিয়ে আসল কাহিনী বল।
পার্বণ এগিয়ে গিয়ে নিজের মুঠো করা হাত সামনে ধরে মুঠো খুলে দিয়ে দেখায়। হাতের মধ্যে একটা কিসমিস ধরা।
— কি এটা?
পৌষের প্রশ্নে জ্বলজ্বল করা ফেস নিয়ে উত্তর দিলো পার্বণ,
— কিসমিস ডিয়ার।
নাটকীয় ভঙ্গিমায় দুই হাতে তালি বাজিয়ে পৌষ শুধালো,
— বাহ! বাহ! কেয়া বাত হ্যা! তুই না বললে আমি তো জানতামই যে এটা কিসমিস। গাধা কিসমিস কেনো এনেছিস সেটা জিজ্ঞেস করেছি।

— দেখবি?
— অবশ্যই।
পার্বণ মুখ চোখ কেমন চকচক করে উঠলো। ওর দিকে চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে থেকে সন্দেহি সুরে জিজ্ঞেস করে,
— পুরো ডালই তো কালো মনে হচ্ছে।
— আরে কিসের কালো। পুরো সাদা। আমার মাইন্ডের মতো সাদা।
— থাক আর তোর ওই পঁচা মাইন্ডের কথা অন্তত আমাকে বলতে আসিস না।
— আচ্ছা এসব বাদ দে। একটা ম্যাজিক দেখবি?
— দেখা।
— শোন এই কিসমিস টা মুখে নিবি তুই। খাবি না। অর্ধেক মুখের ভিতরে আর অর্ধেক মুখের বাহিরে রাখবি। বুঝা গেছে?
— এতে লাভ?
— আরে ইয়ার এতো লাভ লস খোঁজতে হয়না সব কিছুতে।
তারপর পৌষ পার্বণের কথা অনুযায়ী কাজ করে। পার্বণ ও কিসমিসটার দিকে তাকিয়ে বাঁকা হাসে।
— লেটস গো জান।

বলেই রুক্ষ পুরু বুড়ো আঙ্গুল পৌষের নরম চোয়ালে চেপে বাকি আঙ্গুল গুলো ঘাড় সহ চুলের মাঝে গলিয়ে পৌষের ঠোঁটের কাছে ঠোঁট নেয়।
বের হওয়া কিসমিসের অংশটুকু দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরে। পৌষের কিছু বোঝার আগেই ওর নরম মেয়েলি ওষ্ঠজোড়া পার্বণের পুরুষ ওষ্ঠের ভাঁজে চলে যায়। আয়ত্ব করে ফেলে।
কিসমিস সহিত পৌষের অধরের নিজস্ব অমৃত সুধা পানে ব্যাস্ত হয়ে পড়ে পার্বণ। চূড়ান্ত দখলদারিত্ব করে ফেলে পার্বণ তার প্রিয়তম স্ত্রীর অধরে। নিজের পৌরুষ ছাপ বসাতে ব্যাস্ত হয়ে যায়। কিসমিস খন্ডটা পৌষ খেতে পারছে না। তাকে খেতে দিচ্ছে না বজ্জাত, উন্মাদ পার্বণ।

পৌষপার্বণ পর্ব ৩৩

জিহবা দিয়ে আটকে রেখেছে। আরাম করে লিপ*কিসের জন্য আরাম করে বসে পৌষকে দুই হাত দিয়ে আগলে ধরে পৌষের অধর চুম্বনে লিপ্ত হয় পার্বণ। গভীর আবেগ ঘন মুহূর্তে দুজনেই ভেসে যায়।

পৌষপার্বণ পর্ব ৩৫