Home প্রফেসর জিয়ান কায়সার প্রফেসর জিয়ান কায়সার পর্ব ৩৮

প্রফেসর জিয়ান কায়সার পর্ব ৩৮

প্রফেসর জিয়ান কায়সার পর্ব ৩৮
জান্নাতুল ফেরদ্দোস ময়না

জিয়ান ফ্রেশ হয়ে তোয়ালে দিয়ে চুল মুছতে মুছতে ধীরপায়ে ঘরে প্রবেশ করল। ঘরের আবছা আলোয় তার চোখ পড়ল বিছানার দিকে। দেখলো এলোমেলো ভাবে ঘুমিয়ে আছে রিত্তিকা। প্লাজুটা খানিকটা হাঁটুর ওপরে উঠে গেছে। গায়ের সাদা টি-শার্টটাও কিছুটা উদরের ওপর উঠে এসে উন্মুক্ত করে রেখেছে তার কোমল ত্বক।
​জিয়ান ধীরপায়ে এগিয়ে এলো বিছানার কাছে। মেয়েটার রেশমি চুলগুলো এলোমেলো হয়ে বালিশের চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে। কি গভীর ঘুমে তলিয়ে রয়েছে রমনী! এই মুহূর্তে তাকে বড্ড নিষ্পাপ লাগছে। কিন্তু এই নিষ্পাপ মুখটার আড়ালে যে কতটা বেয়াদব আর জেদি মেয়ে লুকিয়ে আছে, তা ঘুম ভাঙলে আচরণগুলোতেই টের পাওয়া যাবে। জিয়ান নিজের অজান্তেই এক চিলতে হাসল। আলতো করে তার গালে ছড়িয়ে থাকা চুলগুলো কানের পাশে গুঁজে দিল। উঠে যাওয়া টি-শার্ট আর প্লাজুটা টেনে সুন্দর করে ঠিক করে দিয়ে সে রিত্তিকার গা ঘেঁষে পাশে শুয়ে পড়ল।

​সকালের মিষ্টি রোদ জানালার সফেদ পর্দা ভেদ করে ঘরে আঁচড়ে পড়তেই ঘুম ভেঙে যায় রিত্তিকার। চোখ মেলতেই সে অনুভব করে, কেউ একজন তাকে পেছন থেকে একদম অজগরের মতো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আছে। নড়াচড়া করার বিন্দুমাত্র উপায় নেই। অগত্যা রমনী নিজেকে ছাড়ানোর জন্য বার বার মোচড়ামুচড়ি করতে লাগল। এবার খানিকটা সফলও হলো সে।
​নিজেকে মুক্ত করে উঠে গেলেই জিয়ান এক হেঁচকা টানে তাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে শক্ত করে বুকের সাথে মিশিয়ে নিল। জিয়ানের শরীর থেকে ভেসে আসা সুপরিচিত পুরুষালি গন্ধে এবার রিত্তিকা নিজেই যেন কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ল, আনমনে মিশে গেল যুবকের সুগঠিত দেহের সাথে।
​কিন্তু পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে জিয়ানের বুক থেকে মাথা তুলল রিত্তিকা। রাগ দেখিয়ে তার সরু নাকটা ধরে বেশ জোরেশোরে টান দিতে লাগলো সে।
​ঘুম জড়ানো ভারী কণ্ঠে জিয়ান বলে উঠল,
“হোয়াটস ইওর প্রবলেম, রিশা? সকাল সকাল এভাবে কেন ডিসটার্ব করছ, বলো তো?”
​রিত্তিকা তার চোখের দিকে বড় বড় করে তাকিয়ে বলল, “আমি আপনাকে কোথায় ডিসটার্ব করছি, বুঝি? আপনি নিজেই তো আমাকে অক্টোপাসের মতো পেঁচিয়ে ধরে রেখেছেন! আমাকে ছেড়ে দিন, ব্যাস—সব সমস্যার সমাধান এমনিতেই হয়ে যাবে।”
​জিয়ান একগাল হেসে তাকে আরেকটু নিজের বুকের গভীরে টেনে নিল। এবার তাদের মাঝে এক চুল পরিমাণও ফাঁক রইল না। রিত্তিকার মুখটার দিকে তাকিয়ে সে বলল,

__ “উহুম, ফ্রিতে তো ছাড়ছি না। যদি আমাকে বেশ কয়েকটা মিষ্টি চু’মু খাও, তবেই তোমায় মুক্তি দেওয়া যেতে পারে।”
​মেয়েটা পড়ল এবার মহা ঝামেলায়! জিয়ানের এই জেদি স্বভাব তার জানা আছে। এই দাবি না মানলে এই লোক জীবনেও তাকে ছাড়বে না। অগত্যা আর কোনো উপায় না পেয়ে, নিজেকে ছাড়ানোর তাগিদে সে নিজ থেকেই জিয়ানের ধারালো গালে আলতো করে একটা চু’মু এঁকে দিল।
​চু’মু দিয়ে নিজেকে কিছুটা পিছিয়ে নিয়ে রিত্তিকা বলল,
__ “হয়েছে তো আপনার আবদার পূরণ? এবার তো দয়া করে ছাড়ুন!”
​মুখে এক চিলতে বিজয়ের অমলিন হাসি ফুটিয়ে জিয়ান তাকে ছেড়ে দিল এবং গম্ভীর স্বরে বলল,
__ “গুড গার্ল। এবার আর আলসেমি নয়, ঝটপট ফ্রেশ হয়ে পড়ার টেবিলে গিয়ে বোসো।”
​মুহূর্তের মধ্যেই রিত্তিকার মিষ্টি মুখটা ঘোর আাঁধারে ছেয়ে গেল। ‘বিচারি মেয়েটা একদিনের জন্যও কি এই পড়াশোনার অত্যাচার থেকে রেহাই পেলো না?’ জিয়ানের ফ্ল্যাটে আসার পর থেকেও প্রতিদিন তাকে সময় বেঁধে পড়তে হয়েছে, আবার নিয়ম করে ভার্সিটিতেও যেতে হয়েছে। এমনকি তার কোনো অজুহাত যেন না চলে, সেজন্য জিয়ান নিজে কায়সার ম্যানশনে গিয়ে তার সব বইপত্র এনে হাজির করেছে। রিত্তিকা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বিছানা থেকে উঠে বাথরুমে ঢুকে গেল।

​পড়ার টেবিলে বসে বইয়ের পাতায় চোখ বুলাচ্ছিল রিত্তিকা। হঠাৎ করেই সে বাথরুমের দরজা খোলার শব্দ পেল। পেছন ফিরে তাকাতেই তার চোখের পলক যেন থমকে গেল।
​বাথরুম থেকে বের হচ্ছে জিয়ান। তার পরনে শুধুই একটা সাদা তোয়ালে, যা কোমর থেকে হাঁটু পর্যন্ত পেঁচানো। হাতের আর বুকের পেটানো সুগঠিত পেশিগুলোতে এখনো জলের বিন্দু জমে রয়েছে। জিয়ানের এই ভেজা, আবেদনময়ী রূপ দেখে রিত্তিকার অন্তরে এক অদ্ভুত শিহরণ বয়ে গেল। রমনীর চোখের পলক পড়া একপ্রকার বন্ধই হয়ে গেল। তার আনমনা মন বলতে লাগল—‘ইশ, এই সময়টা যদি একদম থমকে যেত! কত সুন্দর লাগছে লোকটাকে…’
​জিয়ান খেয়াল করল, রিত্তিকা পড়ার বই ফেলে তার দিকে এক ঘোর লাগা দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এ পর্যন্ত কখনো সে রিত্তিকাকে এভাবে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখেনি। সে মুখে এক দুষ্টু হাসি চেপে ধীরপায়ে এগিয়ে এলো রিত্তিকার টেবিলের দিকে। কিন্তু রিত্তিকা মুগ্ধতার এমন এক গভীরে তলিয়ে ছিল যে, জিয়ানের উপস্থিতি যে একদম নাকের ডগায় চলে এসেছে, তা সে টের পায়নি।
​জিয়ান হঠাৎ তার চোখের সামনে তুড়ি বাজাল। তারপর নিচু, হাস্কি কণ্ঠে বলে উঠল,

__”একদম গিলে খাওয়ার মতো দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছ রিশা… তাতে তো আমি ভয়ই পেয়ে যাচ্ছি যদি আমার সাথে কিছু করে ফেলো! বাই দ্য ওয়ে, আমি তো তোমারই বিবাহিত স্বামী। খেতেই পারো, আমি বিন্দুমাত্র মাইন্ড করব না।”
​জিয়ানের এই অকপট কথায় রমনীর আবেশ মুহূর্তে কেটে গেল। কথার প্রকৃত অর্থ উপলব্ধি করতেই রিত্তিকার ফর্সা গাল দুটো এক লহমায় লজ্জায় লাল হয়ে উঠল।
​সে দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে, তোতলাতে তোতলাতে বলল,
__”আ-আপনি… আপনি এভাবে তোয়ালে পরে বাইরে বের হয়েছেন কেন? আপনার জামাকাপড়ের কি এতই অভাব পড়েছে যে এভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছেন? একটুও লজ্জা করে না আপনার?”
​জিয়ান তোয়ালেটা আরেকটু ঠিক করে ধরে ভ্রু নাচিয়ে বলল,
__”উহু! আমার লজ্জা করতে যাবে কেন? আমি তো কোনো পরনারীর সামনে এভাবে এসে দাঁড়াইনি যে লজ্জা পেয়ে পালিয়ে যাব। আর লজ্জা করলে কি চলে, বলো? আফটার অল, এতে লসটা তো আমারই হবে!”
​রিত্তিকা রাগে আর লজ্জায় লাল হয়ে বলে উঠল,

__”খচ্চর প্রফেসর একটা! আপনার মুখে দয়া করে একটু লাগাম টানুন তো! দিন দিন কেমন যেন একদম বেহায়া হয়ে যাচ্ছেন আপনি!”
​এবার জিয়ান আরো একধাপ এগিয়ে এলো। রিত্তিকার টেবিলের ওপর দুই হাত রেখে তার একদম মুখের কাছে মুখ এনে ফিসফিস করে বলল,
__ “তাই নাকি? চলুন তাহলে, আজ আসল বেহায়াপনাটা আপনাকে একটু ভালো করেই দেখিয়ে দিই?”
​রিত্তিকা কাঠ হয়ে বসে রইল, কী বলবে বুঝে উঠতে পারল না। এই নির্লজ্জ লোকটার সাথে মুখে তর্ক করে জেতা তার পক্ষে অসম্ভব। দিন দিন লোকটা কেমন চরম অশ্লীল আর হয়ে উঠছে!
​রিত্তিকা চোখ সরিয়ে নিয়ে বলল,
__”বাজে বকবক না করে চুপচাপ গিয়ে কাপড় পরুন তো! আর আমাকে শান্তিতে পড়তে দিন।”
​জিয়ান আর কথা বাড়াল না। মুচকি হেসে সে কাবাড থেকে একটা শার্ট আর প্যান্ট বের করে পরতে লাগল। আর রিত্তিকা দীর্ঘশ্বাস ফেলে যেন বুকে দম ফিরে পেল।

​বেলা তখন আড়াইটে। ভার্সিটির ক্লাস শেষ হয়েছে প্রায় আধঘণ্টা আগে। এই দীর্ঘ আধঘণ্টা ধরে রিত্তিকা এক জায়গায় দাঁড়িয়ে জিয়ানের জন্য অপেক্ষা করছে, কিন্তু প্রফেসরের দেখা মেলার কোনো নামই নেই।
​এই কাঠফাটা চড়া রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে রিত্তিকার মেজাজ চড়ে গেছে সপ্তমে। ইচ্ছে করছে এখনই একা একা রিকশা নিয়ে চলে যেতে। এমন সময় পেছন ফিরে তাকাতেই সে দেখল, সব অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে জিয়ান হাতে কিছু ফাইল নিয়ে ভার্সিটির মেইন গেটের দিকে এগিয়ে আসছে।
​জিয়ান কাছে আসতেই রিত্তিকা মুখ ভার করে অভিমানের সুরে বলল,

__”সেই কখন থেকে এই কড়া রোদের মধ্যে আমাকে দাঁড় করিয়ে রেখেছেন, খেয়াল আছে আপনার? আর আপনার বুঝি এখন আসার সময় হলো? আমি কি এখানে গাছের মতো দাঁড়িয়ে থাকব?”
​জিয়ান নিজের হাতঘড়ির দিকে একবার তাকাল। আসলেই তার আসতে আধাঘণ্টা দেরি হয়ে গেছে। সে রিত্তিকার রাগ ভাঙানোর ভঙ্গিতে ফাইলগুলো দেখিয়ে বলল,
__ “প্রিন্সিপালের রুম থেকে এই ইম্পর্টেন্ট ফাইলগুলো কালেকশন করতে গিয়েই একটু দেরি হয়ে গেল রিশা। আই অ্যাম সরি। চলো, এবার বাসায় যাওয়া যাক।”
​রিত্তিকা মুখ ঘুরিয়ে জিয়ানের সাথে গাড়ির দিকে এগিয়ে গেল। ঠিক তখনই রাস্তার ওপাশে চোখ পড়তেই সে থমকে দাঁড়াল। রাস্তার পাশে একটা রঙিন হাওয়াই মিঠাইয়ের দোকান সাজানো রয়েছে। এতদিন তো এই দোকানটা এখানে ছিল না, হয়তো নতুন বসেছে।
​রিত্তিকা গাড়িতে না উঠে জিয়ানের গা ঘেঁষে দাঁড়াল। তারপর একহাত দিয়ে দোকানটার দিকে নির্দেশ করে মিষ্টি কণ্ঠে বলল,

__ “শুনুন না, প্রফেসর সাহেব! ওই যে দেখুন, কত সুন্দর হাওয়াই মিঠাইয়ের দোকান! আমাকে প্লিজ দুটো কিনে দেবেন?”
​জিয়ান রিত্তিকার আঙুলের দিক অনুসরণ করে দেখে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
__ “ওসব ক্ষতিকর জাঙ্ক ফুড খেয়ে পেট নষ্ট করার কোনো দরকার নেই। রাস্তার ধুলোবালির খাবার খেলে পরে শরীর খারাপ করবে।”
​রিত্তিকা জিয়ানের হাত ধরে একটু ঝাঁকিয়ে আবদারের সুরে বলল,
__”আহা, প্লিজ প্রফেসর সাহেব! একটিবার কিনে দিন না! এগুলো কিন্তু অনেক টেস্টি হয়, আপনি জানেন না।”
​জিয়ান একদম শক্ত গলায় বলল,
__ “আমি একবার যা বলেছি সেটাই শেষ কথা। শরীর খারাপ করবে, তাই এসব খাওয়া চলবে না।”
​রিত্তিকা আর একটা কথাও বলল না। অভিমানে মুখটা হাতির মতো ফোলা করে ঝপ করে গাড়ির সিটে গিয়ে বসে পড়ল। তার হাবভাব দেখে জিয়ান স্পষ্ট বুঝতে পারল—এখন যদি এই মেয়েকে হাওয়াই মিঠাই কিনে দেওয়া না হয়, তবে সে তার সাথে কথা বলবে না নে ।
​জিয়ান একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে দোকানটার দিকে হেঁটে গেল। দোকানে গিয়ে দোকানদারকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করল,
__ “আপনার এই ঝুড়িতে মোট কতগুলো হাওয়াই মিঠাই আছে?”
​দোকানদার একটু অবাক হয়ে গুনে বলল,

__” প্যাকেটে ভরা সব মিলিয়ে মোট ১০১ টা আছে।”
​জিয়ান পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করতে করতে বলল,
__ “ঠিক আছে, ১০১ টার সবকটাই আমাকে সুন্দর করে প্যাক করে দিয়ে দিন।”
​দোকানদার চোখ কপালে তুলে বলল, “কন কী ভাই!
এতগুলো হাওয়াই মিঠাই দিয়ে আপনি কী করবেন? পাইকারি বেচবেন নাকি?”
​জিয়ান গম্ভীর মুখে উত্তর দিল, “আমি খাবো । আপনি কথা না বাড়িয়ে দয়া করে তাড়াতাড়ি প্যাক করুন।”
​দোকানদার আর কথা না বাড়িয়ে দ্রুত সবগুলো হাওয়াই মিঠাই বড় দুটো প্যাকেটে প্যাক করে দিল। জিয়ান কাঙ্ক্ষিত টাকা মিটিয়ে দিয়ে হাওয়াই মিঠাইয়ের বিশাল প্যাকেট দুটি হাতে নিয়ে গাড়ির দিকে ফিরে এলো।
​গাড়িতে উঠে সে দেখল, রিত্তিকা জানালার দিকে মুখ ঘুরিয়ে একঘেয়েভাবে বসে আছে। জিয়ান যে গাড়িতে উঠেছে তা বুঝতে পেরেও সে মুখ ফিরিয়ে তাকাল না।
​জিয়ান হালকা হেসে বলল, “রিশা, এদিকে তাকাও।”
​রিত্তিকা জেদ ধরে বসে রইল, তাকাল না।
​জিয়ান আবার বলল, “আহা! তাকাচ্ছ না কেন? দেখো তোমার জন্য কী এনেছি!”
​তবুও রিত্তিকা অনড়। এবার জিয়ান নিজ হাতে রিত্তিকার চিবুক ধরে নিজের দিকে ফেরাল এবং শান্ত স্বরে বলল,
__”গাড়ির পেছনের সিটের দিকে একবার তাকিয়ে দেখো তো।”
​রিত্তিকা না সূচক মাথা নেড়ে বলল, “কেন তাকাব? আমি আপনার ওপর ভীষণ রেগে আছি।”

__​”আমি বলছি তো, একবার তাকাও।”
​রিত্তিকা অনিচ্ছা সত্ত্বেও পেছনের সিটের দিকে তাকাতেই তার চোখ দুটি বিস্ময়ে ছানাবড়া হয়ে গেল! পুরো পেছনের সিট জুড়ে শুধু গোলাপি আর সাদা রঙের হাওয়াই মিঠাইয়ের পাহাড় জমে আছে!
​রিত্তিকা বিস্ময় চেপে রাখতে না পেরে চোখ বড় বড় করে বলল, “এত… এতগুলো হাওয়াই মিঠাই! সত্যি এগুলো আপনি আমার জন্য এনেছেন?”

প্রফেসর জিয়ান কায়সার পর্ব ৩৭ (২)

​জিয়ান গাড়ির স্টার্ট দিতে দিতে মুচকি হেসে বলল, “হ্যাঁ, ম্যাডাম। পুরো ১০১ টা আছে। এবার যত ইচ্ছে খেয়ে তোমার শখ মেটাও।”
​রিত্তিকা আর এক মুহূর্তও দেরি করল না। চট করে পেছনের সিট থেকে ৩টে হাওয়াই মিঠাইয়ের প্যাকেট টেনে নিয়ে মহা আনন্দে খেতে শুরু করে দিল।

প্রফেসর জিয়ান কায়সার পর্ব ৩৯

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here