Home Vilen vilen part 9

vilen part 9

vilen part 9
আনু

নিলয় সোজা তার অফিসে চলে যায়। নিলয়ের অফিসের কাজ শেষ হয় রাত ৯ টায় সে বাসায় চলে যায়।
কিন্তু নিলয়ের ঘুম আসছে না তার রোজের কথা বারবার মনে পড়ছে।
তবে সে আজ রোজিক আর ডিস্টার্ব করতে চায় না কারণ মেয়েটা অনেকদিন পর তার বাবার কাছে গিয়েছে তাছারা ওর উপর অনেক ধকল গিয়েছে। নিলয় ভাবে কালকে ওদের বাসায় যাবে!
সকাল দশটা নিলয়ের ঘুম ভাঙ্গে আজকের শেয়ার অফিস যায় না তার পিএকে বুঝিয়ে দেয় কাজ।
সে তার পিএকে কাজ বুঝিয়ে দিয়ে রওনা হয় এর বাড়ির উদ্দেশ্যে।
কিন্তু রোজির বাড়ি যেয়ে দেখে রোজির বাড়ি তালাবদ্ধ! নিলয় বাকরুদ্ধ হয়ে যায়।নিলয় তাড়াতাড়ি দারোয়ান এর কাছে যায়।

নিলয় : মামা রোজরা কোথায়?
দারোয়ান মামা : বাবা ওনারা আইজগা সহালে গেসেইগা বিদেশে।
নিলয় : কী বলেন মামা? আমি গতকাল সকাল এ রোজকে রেখে গিয়েছি রোজ কিছুদিন এইখানে থাক তাই।
দারোয়ান মামা : এয়হা বাবা কিতা কওন তুমি? রোজি মা কে আজইগা দেহলাম বড় সাহেব লিয়া গেলো।
নিলয় : রোজ কী নিজের ইচ্ছায় গেছে?
দারোয়ান মামা : হ বাবা কে তুমি জানো না?
নিলয় এটা শুনে মেজাজ তুঙ্গে উঠে যায়। নিলয় জিজ্ঞেস করে,
নিলয় : মামা বলতে পারেন কোন দেশে গিয়েছে?
দারোয়ান মামা : হ বাবা শুনছি হেরা আমেরিকা গেছে ওনতে ইতালি যাইবো।
এটা শুনে দারোয়ান মামা থেকে নিলয় বিদায় নিয়ে
চলে যায় আর মনে মনে ভাবে,

আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন

নিলয় : আমার শশুর আমার সাথে বেইমানি করলো? রোজ তোমায় পেয়ে নেই আগে আমার গার্ডদের দেখে নেই।
নিলয় বাড়িতে যায় আর তার ডানহাত রোহিদকে ডাক দেয় রোহিদ রক্ত খুন খারাবি এগুলায় মাহির আর অন্যদিকে রেদোয়ান অনেক ভিতু প্রকৃতির।
রোহিদ : ভাই বলো?
নিলয় : রোজ এর বাড়ি পাহারা দিচ্ছে কয়জন?
রোহিদ : কেনো ভাই ১১ জন?
নিলয় : সব কয়টাকে ডাকো।
রোহিদ : আচ্ছা।
২০ মিনিটে সব আসে রোহিদ নিলয়কে ডেকে আনে,
নিলয় আসে এসে কিছু নাহ বলেই সব কয়টাকে গুলি মারে একই সাথে AKM গান দিয়ে জীবন গুলে কেরে নেয়। রোহিদ চমকে ওঠে। নিলয় তার রুমে চলে আসে আর রোহিদ রেদোয়ানকে বলে।,
নিলয় : আমেরিকা যাবো boys তারাতাড়ি রেডি হয় আবার তার পাশাপাশি ইতালি ও যেতে পারি!
রোহিদ আর রেদোয়ান বুঝতে পারে নিলয় রেগে আছে কিছুতো হয়েছে। রোহিদ ভিত সরে ডাকে,

রোহিদ : ভা ভা ভাই?
নিলয় উওর করে নাহ রোহিদ আবার জিজ্ঞেস করে,
রোহিদ : ভাই শুনছো?
নিলয় : কী হয়েছে কী কী করতে হবে বল্লাম নাহ?
রোহিদ : হয়েছে কী ভাই হঠাৎ আমেরিকা টু ইতালি কী করে না মানে ভাই আপনার কি কোন মিটিং রয়েছে ওখানে?
নিলয় : চুপচাপ যা বলেছি তা করো।
রেদোয়ান : ভাই বলুন নাহ আপনাকে অন্যরকম লাগছে?

নিলয়: আমার রোজ পালিয়ে গেছ হোল ফ্যামিলি সহকারে!! আর কি জানতে চাও?
ওরা আর কিছু বলে নাহ কারন নিলয় ওদের খুন করে ফেলবে নিলয় ওর সকল কিছু গুছিয়ে নেয়।
রেয়৷ দোয়ান ও রোহিদ ও রেডি সবাই একই সাথে রওনা হয়। এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে ৬ টা গাড়ি চলছে সামনের দুই গাড়িতে গার্ড মাজের দুই গাড়িতে নিলয়, রোহিদ,রেদোয়ান আবার শেষের দুই গাড়িতে গার্ড এটা একটা টেকনিক নিজের বসের রক্ষা করার। এয়ারপোর্টের সামনে এসে গাড়ি থামে চেকিং শেষে ওরা ফ্লাইট এ উঠেছে।
প্লেন থেকে নামে ওরা রওনা হয় হটেলের উদ্দেশ্যে এমন নাহ যে নিলয় এর ইতালিতে বাড়ি নেই। বাড়ি আছে কিন্তি সে উঠবে নাহ আজ হটেলে কাটাবে কারন তার সেই বাড়ি অনেক দিরে এয়ারপোর্টে থেকে। হোটেল কর্তৃপক্ষ নিলয়কে দেখে এগিয়ে আসেন।

হটেল কর্তৃপক্ষ : স্যার এদিকে আপনার রুম!
নিলয় : ওকে রেদোয়ান চাবি নিনে come fast!
রেদোয়ান চাবি নিয়ে যতো দ্রুত সম্ভব দরজা খুলে কারন নিলয় যা রেগে আছে!!! তবে নিলয় এখানে আসার পর থেকে শান্ত।
নিলয় নিজের রাগ প্রকাশ করে নাহ সহজে।
এূিকে রোজি রাত হতেই তারা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পরে কারন তাদের কালকে রোজির খোজ নিতে যেতে হবে।
তবে বলে নেই সেই দিন নিলয় রোজিকে রোজির বাবার বাড়ি রেখে আসার পর রোজির বাবা নিজের আসল রুপে আসেন।
রোজির বাবা : রোজির মা রোজ মামনি রেডি হও আমরা দেশ ছাড়ছি!!
রোজি : বাবা কী বলছো???
রোজির মা : কি বলছো রোজির বাবা পগল হয়ে গেছো?
রোজির বাবা : আমার মান-সম্মনা শেষ এখন আমার মেয়েকে কষ্টে দেখতে আমি পারবো নাহ!!!
রোজি তুই চল এই ছেলে এসে পরবে।

রোজি দ্রুত রেডি হয় তারা তাড়াতাড়ি আমেরিকায় এসে পরে রোজির বাবা মনে একই প্রশ্ন তার মান সম্মান নষ্ট করে এই ছেলে তার মেয়েকেও কষ্ট দিচ্ছে সে এটা মেনে নিতে পারে নাহ
তাই সে প্লান করে রোজিকে নিয়ে দেশ ছাড়ার সেইদিন রাতে ইমারজেন্সি টিকিট কেটে তারা আমেরিকায় আসে ৩ দিনের জন্যে তাই নিলয় খোজ পাচ্ছে নাহ।
কারন রোজির বাবা জানতো নিলয় দারোয়ান কে জিজ্ঞেস করবে তাই সে বলেনি ঠিক কতদিন । রোজির বাবা পুরো পরিবার এখন ইতালিতে রোজি ইতালির একটি কলেজে ২য় বর্ষে ভর্তী হয়েছে সে ভেবেছে নিলয় আর আসবে নাহ সে শান্তিতে জিবন কাটাবে। তার বাবা এইদিকে তার অনেক আগে ইতালিতে বানানো বাড়িতে উঠেছেন।
রোজি প্রতিদিনের মতো নতুন কলেজে যায় তার একটি নতুন বান্ধবি ও হয়েছে।
নাম : মিওমি, লিলি।

মিওমি খুব ভালো একটি মেয়ে সে ইতালির বাসিন্দা দেখতে ভালোই মিষ্টি দেখতে। তবে রোজওর মতো আগুন সুন্দরী নাহ। লিলিও দেখতে সুুন্দর মিষ্টি দেখতে।
রোজির আজকে ৪দিন দরে কলেজ যায় আজ তার ৫নাম্বার দিন। রোজি ৯ টায় উঠে আর নিচে যায় তার মা তাকে দেখে বলে,
রোজির মা : কীরে ? এতে বেলায় উঠিস মানে কী শান্তি তাই নাহ? আগে সকাল সকাল কলেজ যাওয়া লাগতো আর এখন ১০ টায় বাহহহ।
রোজি : তাই তো তোমার বকা ও শুনা লাগে নাহ।
বলেই খিলখিলিয়ে হেসে উঠলো। রোজি খুব খুশি কারন বাংলাদেশে থাকতে তার সকাল ৬ টায় উঠতে হতো কলেজ ৭:৩০ এ থাকায় তবে ইতালিতে কলেজ ১০ টায় তার পাশাপাশি আরও একটি কারন আছে এখানে নিলয় এর মতো বাধা দেওয়ার মতো কেও নেই। নিলয় এর থেকে মুক্তি পেয়েছে সে তাই সে আরও খুশি।

রোজি ব্রেকফাস্ট করে নেয়। তারপর সে তার রুমে যায় যেয়ে রোডি হয় একটা শার্ট ও ফরমাল প্যান্ট। কাদে একটা ব্যাগ জুলিয়ে নেয় মাথার চুলগুলো সামনে থেকে বেনি করে ফিছনে উচু করে পনিটেল করে নেয়।
মুখে সানস্ক্রিন দিয়ে নেয়, একটু লিপবাম,একটু ব্লাস রোজি রেডি সে ৯:৩০ এ বেরিয়ে যায় বাসা থেকে।
এদিকে নিলয় নিকের আসল বাড়িতে ওঠে রোজির এক কাজিনকে অনেক হ্যারাস করে রোজির হোল ঠিকানা বের করে তবে রোজিরা সবাইকে বলেছে তারা আমেরিকা যাবে ইতালি যাবে নাহ রোজিরা জানতো নাহ এই কথাটাই কাল হয়ে দাড়াবে!!!

vilen part 7+8

নিলয় আমিরিকায় না পেয়ে তার বাংলাদেশে থাকা লোকদের রোজির কাজিন এর কাছে পাঠায় রোজির কাজিন জানতো নাহ রোজি আমেরিকায় বলে ইতালি যাবে তাই সে রোজিকে বাচানোর জন্যে রোজির ইতালির বাড়ির ঠিকানা বলে দেয়।
নিলয়: যাক রোজ তোমায় পেয়েছি এখন দেখবে কী হয়!!!তোমার পাখনা কাটতে হবে দেখছি স্বাধীনতা দিয়ে ভুল করেছি!

vilen part 10+11