Home এক রহস্যময় ভালোবাসা এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৪৪

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৪৪

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৪৪
Chadny islam

রাতের শুনশান অন্ধকার ঝাপিয়ে আকাশ কালো করে এলোমেলো ঝড়বৃষ্টি সম্ভবনা বেশ বেড়েছে অনেক খানি। বাইরে এলোমেলো বাতাস ঝিমঝিম বৃষ্টির দুই এক ফোঁটা পানি টুপটুপ করে পরছে মাটিতে।আদিল পরিহিত জ্যাকেট ফ্লোরে ছুরে ফেলে দাঁতে দাঁত খিসে বলে উঠলো!!
____আমার পারমিশন ছাড়া বাবার বাড়িতে আসার অনুমতি কে দিয়েছে তোমাকে??
ইরা খুব স্বাভাবিক ভাবে বললো!!

__আমার প্রয়োজন ছিলো আমি তাই এসেছি! আপনাকে বলার মতোন কোনো প্রয়োজন মনে করছি না আমি?
__আমাকে কি স্বামী মনে করো নিজের!
হ্যা অবশ্যই করি! যেহেতু ইসলামের কালেমা পরে আমাদের বিয়ে সম্পূর্ণ করা হয়েছিলো। সেহেতু আপনাকে অস্বীকার করা মানে ইসলাম কে অস্বীকার করা!
“””এত কিছু যখন যানো তখন তো এইটাও জানো!
ইসলাম অনুযায়ী তুমি আমার জন্য সম্পূর্ণ ভাবে জায়েজ!তাহলে বার বার কেনো দূরে সরিয়ে দেও।এতে কি তোমার আল্লাহ সন্তুষ্ট হয়?
“”এমন ভাবে বলছেন যেনো আল্লাহ শুধু আমার!
আদিল নিশ্চুপ থেকে ফের আবারও বললো!!

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

____আমার অধিকার আমাকে বুঝিয়ে দাও! আমার পরিপূর্ণ হক চাই তোমার থেকে।
ইরা হাসলো শব্দ করে বেশ অনেক খানি! ফের বললো!!
____আপনার মতোন নাফরমানি আল্লাহর বান্দার ইসলাম সম্পর্কে এত ধারণা দেখে আশ্চর্য না হয়ে আমি পারছি না। এত যে হক হক করছেন! নামাজ কালাম পরেন কি ঠিক মতোন??
“”বেডি মানুষ কিছু পারুক আর না পারুক! হাজার টা এক্সকিউজ দেখিয়ে একটা প্রশ্ন কে দশ টা বানানো তাদের ব্যাক্তিগত স্বাভাব! নাটক সিনেমা বাদ দিয়ে রেডি হন। বাসর করবো আমি! এখন আমাকে বাধ্য করবেন না! এত রাতে ফুল দিয়ে রুম সাজাতে!!
___ভয় দেখাচ্ছেন??
___না সত্যিটা বলছি! এখন তুমি ভয় পেলে আমি কি করতে পারি বলো!
দুইজনে বেশ কিছু মিনিট চুপ করে একে অপরের দিকে বারবার তাকা তাকি করতেই, আদিল দীর্ঘ শ্বাস টেনে বলে উঠলো!!

____বলে ছিলাম না! আদিল সিকদার এর কুওা কপাল মিলিয়ে নাও! এত এত ব্যাংক ব্যালেন্স ক্ষমতা থাকার পরও কিনা শশুর বাড়িতে বাসর করতে হবে! ছি..
বলেই আদিল শার্ট খুলতে খুলতে ইরার দিকে এগতে এগতে গুনগুন করে গেয়ে উঠে….
__আমি দুঃখে মইরা যাই আমি লজ্জায় মইরা যাই!
ইরা কপাল কুঁচকে এক ছুটে বিছানা থেকে নেমে যায়! আপাতত কোনো প্ল্যান উদয় করতে পারছে না মাথায়।তাই পুরোপুরি ভাবে পালানোর চেষ্টা করছে। আদিল শব্দ করে হেসে ঠোঁটে ঠোট কামড়ে হেসে বললো!!
____বাসর টা শশুর বাড়িতে করতে হবে বলে একটু দুঃখ হচ্ছে আমার কিন্তু ব্যাপার না। মজা তো একটা টাই সেটা নিজের বাড়িতে হোক কিংবা শশুর বাড়িতে!
ইরা শক্ত ডোক গিলে মনে মনে আওড়াতে লাগলো! তার স্বামী এত টাও ভালো মানুষ নয়!যে কোনো কারন ছাড়া সোজা শশুর বাড়িতে চলে এসেছে।হয়তো আজ সত্যি সত্যি ভাবতেই শব্দ করে আসতাগফিরুল্লাহ বলে নিলো।
তাই দেখে আদিল ঠোঁট কামড়ে হেসে ফেললো! আর শব্দ করে বলে উঠলো!!

___এই লাড়কি! আসতাগফিরুল্লাহ না, আলহামদুলিল্লাহ পরো।এবং শুকরিয়া আদায় করো! যেখানে স্বামীর ভালোবাসা পেতে ভাগ্য লাগে, আর সেখানে আমি কিনা ফ্রীতে তোমাকে দিতে চাইছি আর তুমি কিনা সেটাও নিতে নারাজ!
ভালোবাসা দিতে না পারো, অনন্ত নিতে তো পারো! বাই দ্যা ওয়ে, তোমার স্বামী কিন্তু অল্প স্বল্প ভালোবাসতে পারে না। একদম কঠিন ভালোবাসা দিবে তোমাকে! তুমি হাসবে নাকি কাঁদবে সেটা নিয়েও তুমি কনফিউজড থাকবে।
ইরা শুকনো ডোক গিলে বড় বড় চোখ ফেলে তাকিয়ে আছে আদিল এর দিকে। আদিল এবার হাতের ঘড়ি টা বিছানার ব্যাক সাইডে রাখতে রাখতে বললো!!

___আপনা আপনি দরা দিবে নাকি জোরাজোরি করতে হবে। আগেই বলে রাখি জিম করা বডি আমার,আমার শক্তির সাথে কিন্তু পেরে উঠবে না তুমি।
ইরা এবার অসহায় দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বললো!!
____প্লিজ আর কয়েক টা দিন সময় দেন!!
আদিল দাঁতে দাঁত পিসে গম্ভীর গলাই সুদরালো!!
___বার বার সময় চাইতে লজ্জা করে না। বিয়ের এক মাস অলরেডি হয়ে গেছে। তুমি কি চাইছো আর কয়েক টা দিন বলতে বলতে আমাকে বুড়ো বানিয়ে দিবে। কোনো সময় দেয়া হবে না তোমাকে আর, তুমি আমার কাছে আসবা নাকি আমি আসবো তোমার কাছে!
ইরা শব্দ করে বলে উঠলো!!

___আপনি এমন টা করতে পারেন না!
“””আমি অনেক কিছু করতে পারি সেটা তুমি কিছুখন পর টের পাবে! ছোট বলে কিন্তু ছারটা তুমি আর পাবে না।
ইরা মিনমিন করে বলে উঠলো!!
___আমি পানি খাবো!
“””তো খাও আমি কি দরে রাখছি নাকি! পানি বাদে অন্য কিছু খেতে চাইলে আমার কাছে আসো।
“”না না আমি শুধু পানিই খাবো! ব্যাস শুধু পানি!
আদিল এর ঠিক হাতের ব্যাক সাইডে পানির জগ এবং সাথেই গ্লাস! ইরার সত্যি পানির পিপাসা লেগেছে! কিন্তু আদিল এর ব্যাক সাইডে থেকে জগ টা আনতে বেশ ভয় পাচ্ছে! যদি দপাস করে দুই হাতে চাপটে দরে। তাহলে কে আসবে এই ঝড়বৃষ্টির রাতে তাকে বাচাতে! তাই ইরা সামনে এগোলো না বরং আদিল কে বললো!!
____একটু পানি ভরে দেন না!
আদিল নাক সিটকিয়ে গমগমে আওয়াজ তুলে বললো!!
___আমাকে দিয়ে কাজ করানোর পায়তারা বন্ধ করো বউ!তুমি চাইলে আমাকে নিয়ে একটু সুইতেও পারো! আই ডোন্ট মাইন্ড!
ইরা গম্ভীর গলাই বললো!!

____উল্টা পাল্টা কথা বলা বন্ধ করে, আপনি বরং ঘুমান!!
আদিল হাত দ্বারা চুল গুলো কে ঠিক করতে করতে বললো!!
____আগে ৯/৬ করবো পরে ঘুমাবো! এত হটস বউ পাশে থাকলে কি আর এমনি ঠিকঠাক মতোন ঘুম হবে!
ইরা কৌতুহল নিয়ে আদিল কে জিজ্ঞেস করলো!!
___৯/৬ মানে কি??
আদিল সিরিয়াস গলায় বললো!!
___কাছে আসো পারটিক্যাল ভাবে বুঝিয়ে বলছি!
“””৯/৬ এর মানে বোঝার জন্য কাছে যেতে হয় বুঝি??
আবার জিগায়! কাছে আই ছেমরি! যৌবন ফুরিয়ে জিলাপি হয়ে যাচ্ছে আমার দিন দিন! জীবনের বারো টা বাজিয়ে দিলি।!! আমার জীবন মানেই কুওা কপাল!
ইরা কপাল কুঁচকে বললো!!!

____এই আমি কি আপনার খালাতো মামাতো চাচাতো বোন লাগি??
___না বউ লাগো!
___তাহলে তুই তুকারি করেন কেনো??
__আরে ছেমরি তুই এই ডাও বুঝছ না! তুই হইলো একদম পিউর ভালোবাসা!!
__মুখের ভাষায় ভালো না! আবার নাকি পিউর ভালোবাসা!! হুো.!
আদিল এত খন ইরার সাথে শান্ত গলাই কথা বললেও এখন কিছু টা সিরিয়াস হয়ে বললো!!
____বাসর টা শশুর বাড়িতে করতে হবে বলে দুঃখ হচ্ছে! তবে অতিরিক্ত আনন্দে খুশিতে গদগদ হয়ে চেচামেচি করো না।পাশের রুমেই আমার সম্মানিত শশুর মহাশয় ঘুমাচ্ছেন!
আদিল বাঁকা হেসে বললো!!

___ক্যাম! কোলে আসো!!
__আমি কেনো আপনার কোলে যাবো! আমি কি বাচ্চা নাকি??
__হুম তুমি খুবি ছোট, পুরো বাচ্চাদের মতোন!!
___তাহলে আমার ফিডার কই! বাচ্চা যেহেতু তাহলে বরং আমি বসে বসে ফিডার খাই!
আসো কাছে আসো! ফিডার এর থেকেও ভালো ফ্রেশ ইনটেক কয়েক টা টপাটপ চুমু দিয়ে দিচ্ছি!
ইরা কপাল কুঁচকে বললো!!
____আপনার চুমু আপনিই খান!
“”কোনো আমার চুমু তে কি উচ্চ মানের এর্লাজি আছে??
“””থাকতেও পারে! আপনি মানুষ টাই তো আমার জন্য একটা এর্লাজি!
“”তাই বুঝি!!!

আদিল বিছানার এক পাশে বসে আছে তো অন্য দিকে ইরা দরজার কার্নিশ ঘেসে দাড়িয়ে আছে! বাইরে বৃষ্টির সাথে ঝড়ের তাপমাত্রাও বেশ অনেক টাই! বাইরে ঘনঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে! মনে হচ্ছে কিছু খনের ভেতরে কারেন্ট টাও চলে যাবে। ইরার ভাবনার মাঝেই টুস করে কারেন্ট টাও ভ্যানিশ হয়ে হয়ে যায়।এত খন লাইটের আলোর জন্য সব টা ঠিক থাকলে ও এখন ভয়ে শিথিল হয়ে উঠছে পুরো শরীর! এত অন্ধকার রুমে ফোন টা কে এখন কোথায় খুঁজবে ইরা। আদিল নিজেও তো ফোনের ফ্লাস ওন করছে না,তাহলে এবার কি হবে। ভেবেই ইরা চুপ করে কার্নিশ ঘেসে চুপটি করে দাড়িয়ে আছে!
আদিল এর দুষ্ট মনের দুষ্ট বাসনা মূহুর্তেই সব জেগে ওঠে!আদিল বিছানা থেকে ওঠে এগিয়ে যায় ইরার দিকে!যেখানে ইরা গাপটি মেরে দাড়িয়ে আছে ঠিক সেই খানে!আদিল টপ করে ইরার হাত টেনে দরে দাঁত খিসে একটা ডায়লগ ছেড়ে দিয়ে বলে!!

____এই ছেমরি তুই শুধুই আমার!
আদিল এর কান্ডে মূহতেই ইরা আমতা আমতা করে বলে উঠলো!!
____খা..খাচ্চার বেডা! হাত ছাড় সুযোগ পেলেই হাত দরে টানাটানি করেন! এটা কোন ধরনের ম্যানার্স পারিবারিক শিক্ষা বলে কিছু নাই নাকি??
“”না কোনো শিক্ষাই নাই! তুমি একটু শিখায়া দাও আমি ও একটু শিখি!
“”কাল শিখাবো! আজ নয়, অন্ধকারে একটু ভয় লাগে তো তাই! কোনো ফাকি_বাজি করবেন না ওকে।
“”ফাঁকি বাজি তো আমার রক্তে মিশে আছে বউ!
বলেই আদিল হেচকা টান মেরে ইরার কে নিজের বুকের কাছে আনে। ইরা টানের গতি বেগ বুঝতে না পেরে ধপাস করে আদিল এর বুকে গিয়ে পরে ।ইরা দাঁতে দাঁত পিসে বলে উঠলো!!
____সমস্যা কি তোমার, সুন্দর ছেলে দেখলেই বুঝি গা ঘেসাঘেসি করতে হয়! তোমার পারিবারিক শিক্ষা ঠিক আছে তো???
ইরা রাগে রিরিরি করে বলে উঠে!!

____আপনি আসলেই অসভ্য!!
“”এতদিনে ঠিক চিনছো বউ!আজকে প্রেট্রিক্যালি তোমাকে তার প্রমাণ ও দেখাবো।
কথা শেষ করে আদিল দেয়ালের সাথে শক্ত করে পিসে দরে ইরাকে। নরম তুলতুলে ঠোঁটের বাজে ঠোঁট বুঝে দয়ে,ইরা হাত ছড়াছড়ি করে আটকাতে চাইলে আদিল শক্ত হাতে ইরার হাত গুলোকেও চেপে দরে দেয়ালের সাথে। আদিল বেশ কয়েক কিছু মিনিট নিজের ঠোঁট গুলো দারা ইরার ঠোঁটে উপর আক্রমণ চালাতে থাকে।প্রায় মিনিট পাঁচ পরে ঠোঁট ছেড়ে মুখ ডুবিয়ে দেয় গাড়ে। এলোমেলো চুল কে হাত দারা সরিয়ে দিয়ে অনুমক্ত গাড়ে শব্দ করে কয়েক টা চুমু বসিয়ে দিলো।ইরাকে কাচুমাচু করতে দেখে আদিল শক্ত দাঁতের কামুড় বসিয়ে দিলো ইরার গাড়ে।যা ইরার গাড়ে টনটনে দাগ সহ ব্যাথার দৃষ্টি করে দিয়েছে! ইরার পরিহিত সুতির নরম তুলতুলে থ্রি পিস বুকের সাথে মেশানো ওড়না একটানে খুলে ফেলে দিয়ে আবারো মুখ ডুবালো গাড়ে। দুজনের নিঃশ্বাস ঘন হয়ে উঠছে বারবার ইরা শক্ত করে খামচে দরে আছে আদিল এর শার্ট! আদিল ইরার বিষয় টা বুঝতে পেরে কোলে তুলে নিয়ে এগোলো বিছানার দিকে। ইরা কে বিছানার উপর রেখে নিজেও উঠে পরলো বিছানায়! নিজের শার্টের বোতাম গুলোকে খুলে ফেললো। তার ঝাপিয়ে পরলো ইরার ছোট শরীরের উপর। গাড়ে মুখ ডুবিয়ে দিলো,কপালে গালে ঠোঁটে শব্দ করে বেশ কয়েক টা চুমু খেয়ে নিলো। আদিল দুহাতে টেনে খোলে ফেললো ইরার জামা, ইরা বার বার আটকানো চেষ্টা করলেও আদিল এর শক্ত পুরুষয়ালী শক্তির সাথে পেরে উঠে না বরং সম্পূর্ণ ভাবে নিজের পরিপূর্ণ ভার ছেরে দেয় বিছানায়। স্বামীর মিষ্টি পরশে শরীরের শীরা অপশরীর প্রতিটি লোম শিহরিত! পুরো রুমে নিশর্তায় ছেয়ে আছে রুমের ভেতরে দুইটি প্রাপ্ত বয়স্ক নারী পুরুষের নিঃশ্বাস বিলিন হয়ে ছড়িয়ে পরছে বার বার।ইরা কাঁপা কাঁপা গলাই বলে উঠলো!

____আমি কি আপনাকে আটকাতে পারি না!
আদিল ইরার দিকে তাকিয়ে আলতো করে হেসে ফেললো! যেই নারী পুরোপুরি ভাবে স্বামীর ভালোবাসা উন্মাদ হয়ে আছে সেই কিনা আটকাতে চাইছে।আদিল গম্ভীর আওয়াজে বলে উঠলো!!
____না ম্যাডাম! আপনি চাইলেও আজকে আমাকে আটকাতে পারবেন না! ট্রেমপারেটলি আই রেইলি নিড ইউ বউ!!!
আদিল এর কথা কানে যেতেই ইরা শক্ত করে নরে উঠলো, সেই সাথে আরও বেশি ছটপট করতে শুরু করলো! ইরা কে কাচুমাচু করতে দেখে আদিল দাঁত পিসে বলে উঠলো!!
____চর মেরে ফেলে দিবো বেয়াদব!
___মুড সুয়িং করাস না আমার!!!
মূহুর্তেই আদিল ইরাকে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে নিলো! ডুব দিলো ভালোবাসার অথিন গহনে! ভালোবাসায় পরশ একে দিলো ইরার প্রতিটি শরীরে বাঝে! ভালোবাসার এক তুলপার মূহুর্ত একে অপরের সাথে সম্পূর্ণ ভাবে বিলিন হয়ে গেলো।

দুই ঘন্টা খানেক………
প্রচন্ড ঝড়ের সাথে সাথে আকাশ কালো করে ছেয়ে পরছে বৃষ্টির বড় বড় ফোঁটা! সেই সাথে চমকে উঠছে পুরো আকাশ! ইরা বিছানার এক পাশে এক রাশ অভিমান নিয়ে সুয়ে আছে। আদিল এর তীব্র ভালোবাসার পরশ শরীরের প্রতিটি অঙ্গ স্পষ্ট। আদিল চুপ করে তাকিয়ে আছে ইরার দিকে। হয়তো তাকানো তাও বৃথা কারেন্ট নেই ঘরটাও বেশ অন্ধকার।যখন আকাশ চমকে উঠে তখন অনেক টাই আলো এসে পরে রুমে। আদিল আর দূরে নয় বরং ইরা কে এক টানে নিজের কাছে নিয়ে আসলো কোমর টেনে! আদিল ঠোঁট ঠোঁট কামড়ে বলে উঠলো!!
_____বুঝতে পেরেছি ভালোবাসা একটু কম হয়েছে তোমার! কাছে আসো আরেক টু দিচ্ছি।
আদিল এর কথা শুনে ইরা ঝরঝর করে কেঁদে উঠলো! একটা মানুষ টানা দুই ঘণ্টা তীব্র যন্ত্রণা দেয়ার পর আবার বলছে ভালোবাসা নাকি কম হয়েছে!! ছি!
রাগে কপাল কুঁচকে ফেললো ইরা। আদিল ইরার কোমর চেপে অনুমুক্ত গাড়ে গলা ডুবিয়ে দিয়ে বললো!!

____আর এক বার! ট্রাস্ট মি ব্যাথা দিবো না!
ইরা কাঁদো কাঁদো গলায় বলে উঠলো!!
____প্লিজ..
কে শুনে কার কথা! আদিল ফের আবারো ইরার উপরে উঠে দুই হাতে শক্ত করে চেপে ফের আবারো আদর করতে শুরু করলো। ইরা রাগে রিরি করে বলে উঠলো!!

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৪৩

_____ছারুন কি করছেন এসব!
আদিল ইরার গাড় থেকে মুখ তোলে ঠোঁটে ঠোট বুঁজে দিতে দিতে বললো!!
_____৯/৬ করছি বউ!! এখন ছাড়াছাড়ি করা যাবে না…!

এক রহস্যময় ভালোবাসা পর্ব ৪৫