mad for you part 28
তানিয়া খাতুন
ক্ৰিশ রুহিকে বুকের মধ্যে শক্ত করে ধরে আছে।
বাইরে পুলিশদের পায়ের আওয়াজ, হালকা সাইরেনের শব্দ—সবকিছু মিলিয়ে রাতটা আরও ভারী হয়ে উঠেছে।
রুহির শরীর তখনও কাঁপছে, কিন্তু ক্ৰিশ–এর বুকে মাথা রেখেই সে ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে।
ঠিক তখনই রফিক হাসান ভেতরে ঢোকেন।
তার মুখে ক্লান্তি, কিন্তু চোখে স্বস্তি—কারণ রুহিকে জীবিত দেখতে পেরেছে।
ঠিক তখনই রফিক গলা পরিষ্কার করে বলল—
রফিক: “বলছি কি ক্ৰিশ… এবার আপনাকে আমাদের সাথে যেতে হবে। রুহিকে আগে উনার বাসায় পৌঁছে দিই।”
ক্ৰিশ বিরক্তির ভাঁজ ফেলে রফিকের দিকে তাঁকাল। চোখে স্পষ্ট লেখা— এখন নয়।
ক্ৰিশঃ আপনি দেখতে পাচ্ছেন না?
অনেকদিন পর আমার বউকে আবার কাছে পেয়েছি।
এই মুহূর্তে আমাকে আর ডিস্টার্ব করবেন না, প্লিজ।”
রফিক একটু অস্বস্তিতে পড়ল। কথাটা হজম করতে না পেরে গলা খাকরিয়ে আবার বলতে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই রুহি নরম গলায় বলল—
রুহি: “আপনার তো জেলে ফিরে যেতে হবে… নইলে ঝামেলা হবে।
ক’দিন পরই কেসটা কোর্টে উঠবে।
তখন তো প্রমাণ দিলেই আপনি ছাড়া পেয়ে যাবেন।”
ক্ৰিশ রুহির দিকে তাকিয়ে বিস্মিত হয়—
কত ভয় পেয়েছে তাৱ লেদু টা , তবু মাথা ঠান্ডা রেখে যুক্তি দিচ্ছে।
রফিক গভীর নিশ্বাস ফেলে বলল—
“আমি সেটাই বলতে চাইছিলাম।
যদি উনি এখনই না যান— কেস উল্টা ওনার বিপক্ষে যেতে পারে।
আর উনি আমার মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে এনেছিলেন।
এখন লোকাপে না ফিরলে উল্টো কেস হবে।”
রুহি হঠাৎ শিউরে উঠে ক্ৰিশ –এর দিকে তাকাল।
রুহি: “আপনি… বন্দুক ঠেকিয়ে উনাকে নিয়ে এসেছেন?”
ক্ৰিশ চোখ নামিয়ে এক নিঃশ্বাস ছাড়ল। তার মুখে সেই চেনা don’t care ভাব।
ক্ৰিশঃ লকআপে যাওয়াৱ আগে আমাৱ তিৱিশ মিনিট চাই, আমাৱ বউটা আমাৱ প্ৰোটিন না পেয়ে শুকিয়ে পাপৱ হয়ে গেছে।
আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন
ওকে প্ৰোটিন দিয়ে তৱতাজা কৱি , তারপর আমি আপনার সাথে যাবো।
দয়া করে একটু বাইরে গিয়ে অপেক্ষা করুন।”
রফিক ক্ৰিশেৱ এই সরাসরি কথা শুনে হকচকিয়ে গেল।
রফিক: “বেশ… তবে তাড়াতাড়ি করবেন।”
বলেই তিনি ধীরে ধীরে দরজার বাইরে চলে গেলেন।
রুহি: “আপনি কি পাগল? ওনার সামনে ওইভাবে বলার কি দরকার ছিল?”
কথাটা শেষ হতেই ক্রিশ এক ঝটকায় রুহিকে নিজের বুকে টেনে নেয়।
তার দু’হাতের শক্ত আলিঙ্গনে রুহি মুহূর্তে থমকে যায়।
ক্রিশ নিচু গলায়, ক্লান্ত অথচ গভীর ভালোবাসায় ভরা স্বরে বলে—
“হ্যাঁ বাটারফ্লাই… আমি পাগল। তোকে ছাড়া বাঁচতে না–পারা একজন মানুষ।
এই চারটা বছর… আমি একটা রাতও ঠিকমতো ঘুমাতে পারিনি।
বুকটা সবসময় ফাঁকা ফাঁকা লাগত। আজ তোকে আবার কাছে পেয়েছি… তোকে ছাড়তে ইচ্ছেই হচ্ছে না।”
ক্রিশ মুখটা রুহির কানের কাছে এনে, ফিসফিস করে—
“প্লিজ… বোঝাৱ চেষ্টা কর। আমি নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছি না।”
তার কথায় রুহির পুরো শরীর দিয়ে হালকা কাঁপুনি নেমে আসে— যেন বিদ্যুতের ঢেউ খেলে যাচ্ছে। শ্বাস আটকে আসে, চোখের পাতা কেঁপে ওঠে।
রুহি: “কিন্তু… আপনাকে তো লকআপ—”
কথাটা শেষ হতে না হতেই ক্রিশ যেন আর নিজেকে ধরে রাখতে পাৱে না ।
হঠাৎই রুহির গোলাপী, নরম ঠোঁটে নিজের ঠোঁট ছুঁইয়ে দেয়।
এক মুহূর্তে দু’জনের মাঝের সব দূরত্ব যেন গলে যায়… চার বছরের সব যন্ত্রণা, অপেক্ষা, অভিমান সেই চুমুতেই জমে থাকা বরফের মতো ভেঙে পড়ে।
ক্রিশের চুম্বন মুহূর্তে গভীর হয়ে ওঠে—
আগুনের মতো, তীব্র, থামার কোনো ইচ্ছাই নেই।
রুহির ঠোঁটে নিজের সব হারিয়ে ফেলা বছরের যন্ত্রণা আর ভালোবাসা ঢেলে দেয় সে।
রুহি প্রথমে হতভম্ব হয়ে যায়…
তারপর ধীরে ধীরে—
চোখ বুঝে সায় দেয়।
তার নিঃশ্বাস গরম হয়ে ওঠে, কণ্ঠ কেঁপে ওঠে…
ক্রিশ সেটা বুঝতে পেরে আরও অস্থির হয়ে পড়ে।
রুহির ঠোঁটের প্রতিটা স্পর্শে ক্রিশের ভেতরের আগুন জ্বলে ওঠে।
মনে হয়, চার বছর ধরে জমে থাকা তৃষ্ণা—
এখন এক মুহূর্তেই তাকে পাগল করে তুলছে।
রুহির আঙুল ক্রিশের কাঁধে আঁকড়ে ধরে—
তার শরীর যেন নিজে থেকেই ক্রিশের ঘনিষ্ঠতায় হারিয়ে যাচ্ছে।
এতদিন পর নিজের মানুষটার স্পর্শ পেয়ে
রুহির শরীর–মন দুটোই গলে যাচ্ছে।
ক্রিশ এক হাত দিয়ে রুহির কোমর শক্ত করে জড়িয়ে ধরে—
আর অন্য হাতটা ধীরে ধীরে তার পিঠে, চুলে, কাঁধে ঘুরে বেড়ায়—
রুহি ক্ৰিশ কে থামায় না…
বরং আরও কাছে সরে আসে।
এই সায়টাই ক্রিশকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারাতে বাধ্য করে।
রুহির মাথা যেন ঝিম ধরে আসে, সে হালকা সুরে “উম্…” বলে ওঠে—শব্দটা শুনেই ক্রিশ আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে, ঠোঁটের তীব্রতা বাড়িয়ে দেয়, যেন রুহির পুরো ঠোঁটটাকেই খেয়ে নিতে চাইছে।
রুহি চোখ বন্ধ করে ফেলে। এতদিনের বেদনা, অপেক্ষা—সব মিলেমিশে তার বুকে শুধু একটা অনুভূতি জেগে ওঠে: এটাই তার মানুষ… এটাই তার আশ্রয়। সে কোনো বাধা দিতে পারে না, দিতে চায়ও না।
একসময় ক্রিশ একহাতে রুহির কোমর জোরে জড়িয়ে ধরে তাকে নিজের খুব কাছে টেনে নেয়।
রুহির পা দুটো প্রায় মাটি ছেড়ে দেয়, সে প্রায় ভেসে থাকে ক্রিশের বাহুর ভরসায়।
তারপর আকস্মিকভাবে—
ক্রিশ রুহিকে কোল তুলে নেয়। রুহি থমকে যায়, কিন্তু তার বাহুর শক্তিতে এক অদ্ভুত নিরাপত্তা অনুভব করে।
ঘরের ভেতরে কিছুই নেই—
ক্ৰিশেৱ চোঁখ যায় শুধু একটা ভাঙা জানলার দিকে।
ক্রিশ হালকা দম নিতে নিতে সেই দিকেই হাঁটে।
রুহিকে শক্ত করে ধরে রাখে, যেন তাকে ছাড়ার ক্ষমতাই নেই এখন।
ভাঙা জানলার ফ্রেমটার গা ঘেঁষে এসে ক্রিশ রুহিকে আস্তে করে বসিয়ে দেয়—তার চোখে তখনো একই তীব্রতা, একই ভালোবাসা, একই অধিকার।
রুহি শ্বাসফুলে তাকিয়ে থাকে ক্রিশের দিকে।
আর ক্রিশ, তার দুই গাল দুহাতে ধরে, আবারও তার ঠোঁটের খুব কাছে মুখ এগিয়ে আনে…
আবাৱোও ৱুহিৱ ঠোঁটে ঠোঁট মিলিয়ে দেয়।
আবারও সেই দাবিদার স্পর্শে সায় দিতে দিতে রুহির নিঃশ্বাস কেঁপে ওঠে।
ক্রিশ তার কোমল সাড়া টের পেয়ে ধীরে ধীরে নিজের শার্টের বোতাম খুলতে থাকে।
রুহি দু’পা তুলে শক্ত করে তার কোমর জড়িয়ে ধরে, আর ক্রিশের ঠোঁটের স্পর্শে সে বারবার অস্থির হয়ে উঠতে থাকে।
এক টানে ক্রিশ নিজের শার্টটা দূরে ছুড়ে ফেলে।
রুহির সালোয়ারের চেইনটাও আলতো টানে খুলে দেয়।
রুহি আতকে গিয়ে তাকে জোরে জড়িয়ে ধরে, আর ক্রিশ তার পিঠ বেয়ে পুৱুষালি হাত বুলিয়ে তাকে আরও কাছে টেনে আনে।
ধীরে ধীরে দু’জনেই নিজেদেরকে একে অন্যের কাছে উন্মুক্ত করে ফেলে।
রুহির গা বেয়ে ক্রিশের ঠোঁটের স্পর্শ, হালকা কামর আর গভীর আদরে রুহি যেন এক অন্য জগতে হারিয়ে যায়।
ক্রিশও যেন এতদিন জমে থাকা সব ভালোবাসা, আদর, আবেগ একসঙ্গে উজাড় করে দেয় তার ওপর।
রুহির ছোট্ট শরীরটা সবটুকু নিয়ে তাকে সামলাতে পারে না— সে বারবার ছটফট করে উঠে আবার ক্রিশের বুকের ভেতর ঢুকে যেতে চায়, যেন সেখানেই তার পুরো পৃথিবী লুকানো।
ক্রিশ নিচু গলায় ফিসফিস করে বলে,
“বাটারফ্লাই… আমারটা ফিল করতে পারছিস, নাকি আরও ভিতরে ঢোকাবো?”
রুহি থরথর কাঁপা গলায় বলে,
“আর না প্লিজ… আমি পারছি না…”
তার কথাটা শুনেই ক্রিশর ভেতরে জমে থাকা সব উচ্ছ্বাস একটু থেমে যায়।
সে রুহির কপালে একদম নরম চুমু রাখে।
“সরি বাটারফ্লাই… আসলে অনেক দিন পর তোকে পেলাম তো… তাই একটু বেশি কন্ট্রোললেস হয়ে গেছিলাম।”
রুহি তখনও হাঁপাচ্ছিল।
ক্রিশ তার চুলগুলো সরিয়ে দেয়, আঙুল বুলিয়ে দেয় গাল বেয়ে।
তারপর মুচকি হেঁসে বলে—
“আমি যতদিন জেলে থাকবো… ভালো করে খাওয়া–দাওয়া করবে। আমি বাড়িতেই…ফিৱেই কিন্তু প্রতিদিন ম্যাচ হবে।”
রুহি মাথা তুলে হতবাক হয়ে তাকায়।
“কিসের ম্যাচ ?”
ক্রিশ দুষ্টু হাঁসি দিয়ে বলে—
“বাচ্চা ডাউনলোড করার ম্যাচ।
এৱ পরে দেড়ি করলে তো বাচ্চারা ‘বাবা’ না বলে ‘দাদু’ বলবে।”
রুহি লজ্জায় হেসে তাকে হালকা ধাক্কা দেয়।
“খালি উল্টো–পাল্টা! আপনার কাছে তো বেশি সময় নাই, তাড়াতাড়ি করুন।”
ক্রিশ তখন আবার রুহির গলা বরাবর ঝুঁকে আসে।
তার শ্বাস, তার গরম ঠোঁট—সবকিছু আবার রুহিকে কাঁপিয়ে দেয়।
ক্ৰিশঃ “আগে বলবি তো… যে তুই আরেকবার করতে চাইছিলি।”
রুহি লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে বলে,
“উম্ম… ওটা বলিনি! আমি বলছি তাড়াতাড়ি রেডি হন।”
এইবার ক্রিশ একটু দূরে সরে দাঁড়ায়। নিজের উন্মুক্ত শরীর দেখিয়ে বলেন,
“কেন এমন ভাবে আমায় ভালো লাগছে না নাকি?”
রুহি হঠাৎ চমকে উঠে মুখ ঢেকে ফেলে।
ৱুহিঃ “অসভ্য লোক! আগে জামা পরুন!”
ৱুহিৱ গাল এইবার টমেটোর মতো লাল হয়ে যায়।
ক্রিশ শার্ট তুলতে তুলতে তাকিয়ে হেঁসে বলে,
“নিজের দিকে তাকা—তোকে আরও বেশি সুন্দর লাগছে।
আমার সামনে এমন থাকবি, তাহলে সকাল–দুপুর–বিকেল–সন্ধ্যা–রাত… বারবার তোকে আনবক্সিং করতে হবে না।”
রুহির এসময় হুঁশ ফিরে আসে—তার শরীরে সত্যিই একটুকুও কাপড় নেই।
সে তাড়াতাড়ি গুটিসুটি মেরে বসে পড়ে, লজ্জায় শরীর কাঁপছে।
ক্রিশ নিজের শার্ট–প্যান্ট পরে নেয়, তারপর রুহির সালোয়ার–কামিজ তুলে নিয়ে আস্তে আস্তে, খুব যত্ন করে একে একে পরিয়ে দিতে শুরু করে।
রুহি চোখ বন্ধ করে থাকে পুরো সময়, যেন লজ্জাতেই শ্বাস নিতে পারছে না।
সবকিছু ঠিকঠাক পরিয়ে দেওয়া হয়ে গেলে ক্রিশ তাকে কোলে তুলে নেয়।
রুহি সমস্ত লজ্জা, ভয় আর নিরাপত্তা একসঙ্গে নিয়ে ক্রিশের গলা জড়িয়ে ধরে।
আর ক্রিশ ধীরে ধীরে, নিঃশব্দে, রুহিকে বুকে চেপে ধরে ঘরটা পেরিয়ে বাইরের দিকে হাঁটা শুরু করে—
যেন পুরো পৃথিবীটা শুধু তাদের দু’জনকে নিয়েই গড়া।
গাড়িটা ধীরে ধীরে রুহির বাড়ির সামনে এসে থামে।
রাতের হাওয়ায় একটু শীতের ছোঁয়া, আর রুহির গালে এখনও ক্রিশের আগে ছুঁয়ে যাওয়া চুমুগুলোর উত্তাপ লেগে আছে।
ক্রিশ ইঞ্জিন অফ করতেই রুহি তার দিকে তাকায়—
চোখে অদ্ভুত শান্তি, আবার একটু ভয়ও।
ক্রিশ নরম গলায় বলে,
—“Butterfly… ভালো কৱে থাকবে কিছু নিয়ে চিন্তা কৱবে না, আমি আছি।”
রুহি আস্তে মাথা নাড়ে।
গাড়িৱ দরজা খুলে নেমে যায়, কিন্তু এগোনোৱ আগে থেমে যায়—
গাড়ির জানালার ভেতর মাথা ঢুকিয়ে খুব আস্তে বলে,
—“আপনিও নিজেৱ খেয়াল ৱাখবেন, আশা কৱছি খুব তাৱাতাৱি ফিৱবেন।”
ক্রিশ রুহির গালে হাত রেখে বলে,
—“তোমাৱ কাছে তো আমাকে ফিৱতেই হবে, বললাম না এসে ম্যাচ শুৱু হবে।”
রুহির গাল লাল হয়ে যায়।
সে ধীরে ধীৱে বাড়ির দিকে হাঁটতে শুরু করে।
দু’পা গিয়ে আবার পিছন ফিরে তাকায়—
ক্রিশ এখনো তাকে দেখছে।
ঠিক তখনই পেছনের সিটে বসে থাকা রফিক গলা খাঁকারি দেয়,
—“ক্ৰিশ, চলুন এমনিতেই অনেক দেৱি হয়ে গেছে .”
ক্রিশ হালকা বিরক্ত চোখে রফিকের দিকে তাকায়,
কিন্তু কিছু বলে না।
শুধু রুহিকে শেষবার একটা দীর্ঘ দৃষ্টি দেয়—
যেখানে ভালোবাসা, অধিকার আর অদ্ভুত ব্যথা—সব মিশে আছে।
রুহি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে দেখে—
রফিক হালকা কঠোর গলায় বলে,
mad for you part 27
—“চলুন এবাৱ , তাৱাতাৱি।”
ক্রিশ মুখ ফিরিয়ে নেই জানালা দিয়ে,
নিশ্বাস ফেলে খুব নিচু গলায় বলে,
—“Butterfly… এ্কটু অপেক্ষা কৱ…”
ক্ৰিশ গাড়ি স্টার্ট করে।
ধীরে ধীরে গাড়ি এগিয়ে যায়—
রুহির বাড়ি পিছিয়ে যেতে থাকে।
রুহি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে নিঃশব্দে,
গাড়ির লাল ব্যাকলাইট যত দূরে চলে যায়,
তার বুকের ভেতরটা তত বেশি ভারী হয়ে ওঠে।
