My Husband part 19+20
সামহা সামি
প্রহেলের এমন কাজে আনেয়া বিস্ময় চোখ বড়ো বড়ো করে তাকিয়ে আছে, নাজমা বেগম, চোখে হাত দিয়ে বেরিয়ে যেতে বলে।
__” নাউজুবিল্লাহ নির্লজ্জ ছেলে এই সব দেখার আগে আমি অন্ধ হলাম না কেন?
নাজমা বেগমের কথা শুনে প্রহেল আনেয়ার ঠোঁট ছেড়ে, বলে উঠে।
___” এটা নির্লজ্জ না শাশুড়ি আম্মু এটা আপনার মেয়ের প্রতি আমার ভালোবাসা তাই অন্ধ না হয়ে জমজম করতে শিখুন?
নাজমা বেগম আর এক মিনিট ও দাঁড়ালেন না দ্রুত পায়ে কেবিন ত্যাগ করলেন। প্রহেল ঠোঁট কামড়ে আনেয়ার উপরে আরো কিছু টা ঝুঁকে এসে, কপালে কিস করে ফিসফিস করে বলে।
আরও গল্প পড়তে আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন
“_- আম সরি ছোট ফ্লাওয়ার এবারের মতো মাপ করে দেও জান, যতটা কষ্ট দিয়েছি সব আমার আদর দিয়ে পুষিয়ে দিবো বিলিভ মি?
আনেয়া প্রহেলের কথায় এতক্ষন ঘোড়ের মাঝে থাকলেও, এখন নিজের মাঝে ফিরে আসে, চোখ নামিয়ে অন্য দিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়, প্রহেল আর একটু ঝুঁকে কিছু বলবে, পিছন থেকে কেউ বাহু টেনে,
ঠাস।
থাপ্পড় বসিয়ে দেয়, আকস্মিক থাপ্পড়ে প্রহেল বেড থেকে পড়ে যেতে নিয়েও নিজেকে সামলিয়ে নেয়, রেগে কিছু বলবে তখনি মুখ খুলে আনেয়ার আব্বু?
“__ লজ্জা করছে না এখানে আসতে আমার মেয়েটাকে মৃত্যুর দুয়ার থেকে
ঘুড়িয়ে এনে এখন আদিখ্যেতা করা হচ্ছে?
প্রহেল এক নজর বেডে আধ সুয়া হয়ে থাকা আনেয়ার দিকে তাকিয়ে, ঠোঁটের কোন থেকে গড়িয়ে পড়া রক্ত মুছে, আনেয়ার আব্বুর চোখে চোখ রেখে বলে।
“_ আই ডোন্ট নো আব্বু আমি আপনার মেয়ের কাছে নয় , আমি আমার বউ উরফে ছোট ফ্লাওয়ারের কাছে আসছি,?
আনেয়ার আব্বু রফিক সাহেব রেগে প্রহেল কে মারতে তেরে এসে বলে।
__” বেয়াদব ছেলে গুরুজনদের সাথে কি ভাবে কথা বলতে হয় যানো না, আমি বেঁচে থাকতে আমার ফুলের মত মেয়েকে তোমার মত নির্যাতিত মানুষের কাছে পাঠাবো না।
প্রহেল, গোলাপি অধর জোরা প্রসারিত করে হাল্কা হাসে সে যানে এমন কিছু একটা হবে, যাক না শুশুর মশাইয়ের সাথে না হয় সেও একটু মজা করলো এই মজা করার, ব্যাপারটা তাঁর ডিকশনারিতে ডাউনলোড নেই, তবে বউকে কাছে রাখতে সেও না হয় নিজের মাঝে এই অপশন টা স্রেফ করবে, বসা থেকে উঠে মুখ’মুখি দাঁড়িয়ে গা ছাড়া ভাব নিয়ে বলে?
___” আপনি বেঁচে থাকার চেয়ে মরে যান শশুর আব্বু, আপনি থাকলেও আপনা ফুলের মত মেয়ে, উঁহু রং কথা বলুন, তোমার দেওয়া ডিএনএ দেওয়া আমার মেয়েকে নিয়ে যাও বাবা?
রফিক সাহেব দাঁত কিরমির করতে করতে আনেয়ার দিকে তাকায়,! রিহান সাগর বিরক্ত মুখে সিক্রেট রুমের ভেতরে বসে আছে, দুইজন, পারদর্শী পার্সোনাল ল্যাভেন্ডারের ডাক্তার রনির বুক থেকে গুলি বের করে ব্যান্ডেজ করে দেয়, একটু দূরে, চেয়ারে বাঁধা ফ্রান্সিকা এই সব দেখে ভয়ে কাঁপছে, তাঁর শরীর কুম্রগ্রন্থত ঠান্ডা হয়ে আসছে, সাগর কিছুটা ফ্রান্সিকার নিকট আসতে, ফ্রান্সিকা ঠোঁট কামড়ে নেশা জরানো কন্ঠে ডেকে উঠে।
__”_ হাতের বাঁধন মুক্ত করলে এক রাতের জন্য তোমার বেড পার্টনার হিসেবে নিজ দায়িত্বে পুষিয়ে দিবো?
” ফ্রান্সিকার কথায় মুহূর্তেই সাগর লাফিয়ে উঠে বলে?
_-‘ আস্তাগফিরুল্লাহ বলছ কি সাউ**য়া মা**গি ।
সাগরের চিল্লিয়ে কথা বলার কারণে, একটু দূরে দাড়ানো রিহান চেঁচিয়ে উঠে।
__”* মুরগীর বাপ, বেবি ,কি কিক মেরেছে, যে এমন পোয়াতি মহিলাদের মতো লাফাচ্ছিস ?
ফ্রান্সিকার কথায় সাগর ক্ষিপ্ত হয়ে রিহানের উদ্দেশ্য বলে।
__” রিহু বেবি তোমার বেডের জন্য নরম সফট ডিংকু বিংকু একটা বেডশিট পেয়েছি একদম সফ্ট সুলে একটুও ব্যাথা লাগবে না আরাম পাবে তাও সাধারণ আরাম নয় লা এ হলো, সফ্ট বেডশিটছর আরাম?
রিহান চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে বলে?
__” এই রুমে তুই বেডশিট কোথায় পেলি মুরগীর বাপ?
সাগর কুটিল হেসে ফ্রান্সিকার নিকট এগিয়ে পাশে থাকা, ছুরি টা দিয়ে ফ্রান্সিকার দিকে তাকিয়ে হেলেদুলে গেয়ে উঠে।
” কয়দিন আগে গিয়েছিলাম?
” পুবের বাংলা ঘরে?
” ওরনাটা ফালাইয়া আমি?
” ডাক দিলাম তোমারে?
” আর কি তোমায় সোযোগ দিবো?
” ভাঙ্গা কিরে বলা যায়?
” তেল মাইরা দে যৌবনের তালায় রে?
” তেল মাইরা দে যৌবনের তালায়?
ফ্রান্সিকা হতবঙ্গ হয়ে তাকিয়ে আছে, এই বেয়াদব ছেলে তাকে বডশিটের সাথে তুলনা করছে?অন্য দিকে কেবিনে এতো হইচই দেখে, আনেয়াকে হসপিটালে নিয়ে আশা ছেলেটি, যার নাম, ফরহাদ রেজা , এগিয়ে এসে আনেয়ার আম্মু কে বলে!
আসলামুল আলাইকুম আন্টি আমি আমি ফরহাদ রেজা, আপনার মেয়েকে আমি এখানে এনেছি,
নাজমা বেগম কৃতজ্ঞতা চোখে তাকায় ফরহাদ রেজা কেবিন থেকে চিল্লাচিল্লির আওয়াজ শুনে ভ্রু কুঁচকে নাজমা বেগমের দিকে তাকিয়ে আছে, কিছু না বলে কেবিনের ভেতরে প্রবেশ করতে রফিক সাহেবের কথা কানে আশে?
___” তোমার মত অপরিচিত ছেলের হাতে বিশ্বাস করে আমার ফুলের মত মেয়েটা কে দিয়েছিলাম আর আজ আমার মেয়েটা হসপিটালে সুয়ে আছে , তুমি ভাবলে কি করে আমি আবার একি ভুল করবো?
প্রহেল রাগ কন্ট্রোল করতে চেয়েও পাড়ে না দাঁতে দাঁত চেপে রফিক সাহেব কে বলে?
“__ আপনি না দিলেও আপনার মেয়ে আমার রাজ্যে যাবে আপনি চাইলেও যাবে মাইন্ড ইট শশুর আব্বু এন্ড fu***k you শশুর মশাই?
কথা শেষ করে আর এক মুহূর্ত দাঁড়ায়নি প্রহেল! আনেয়া চোখ বুঝে ক্লান্ত দেহ টা বেডে ছেড়ে দিয়ে সুয়ে আছে! দেখতে দেখতে কেটে গেলো সাতদিন প্রহেল সে দিন যাওয়ার পর আর আসেনি, তবে সব সময় আনেয়ার আশেপাশে লোক লাগিয়ে খবর নিছে?
শীত শীত ভাব থাকলেও, রাস্তা ঘাটে গরমের ভয়াবতা বেশি, মাথার উপরে মস্ত একটা সুর্য তাঁর! তাপে মানুষকে ঝলসে দিতে সক্ষম, দূপুর ২:৩০ নাগাত, প্রহেল অফিস থেকে বেড়িয়ে, রিহান সাগর কে সাথে নিয়ে কোথাও একটা বেড়িয়ে পড়ে,¡ আজ আনেয়াকে হসপিটাল থেকে রিলিজ দেওয়া হবে, আগের থেকে কিছু টা সুস্থ এখন,আনেয়াকে বাসায় এনে, নাজমা বেগম ফ্রেশ করিয়ে, নিচে চলে যায়, আনেয়া বিছানায় আধশোয়া হয়ে বসে হাতে একটা উপন্যাসের বই , তাঁর নেশা বই পড়া, বই পেলে সে দুনিয়া ভুলে পড়তে থাকে, আশেপাশে কি হচ্ছে সেই খেয়াল নেই তাঁর, এই তো বইয়ে মুখ ডুবিয়ে পড়তে বসছে, কিছু’দিন আগে একটা রোমান্টিক বইয়ের প্রচার দেখছে উমনি শেই বই কিনে ঘরে তুলছে,বইয়ের নাম ( হ্যান্টিং অ্যাডেলাইন) ! অব্যশ নাজমা বেগম এই বইয়ের খবর যানে, যানলে হয়তো আনেয়ার মাইর একটাও মাটিতে পড়তো না,! প্রহেল,সাগর, রিহান শহর থেকে বেরিয়ে গ্রামের দিকে যাচ্ছে তবে কেন যাচ্ছে দুই জনের একজনও যানে না, প্রহেল কে জিজ্ঞেস করবে কিন্তু, ভয়ে পারচ্ছে না যদি রেগে গাড়ি থেকে নামিয়ে দেয় , রিহান সাগরের অবস্থা দেখে হেসে গড়াগড়ি খাওয়ার অবস্থা! নিরিবিলি জায়গায় এসে গাড়ি সাইড করে নেমে আসে প্রহেল, রিহান সাগর ওহুরমুর করে বেড়িয়ে আসে, কিছু টা সামনে যেতে একজন গার্ড এগিয়ে আসে, মাথা নিচু করে হাতে কিছু দিতে, সোজা হেঁটে একটা, বাড়ির ভিতরে চলে যায়, রিহান সাগর ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছে সাগর এবার, আর থাকতে না পেরে বলে উঠে?
___”বস কি কাউকে মারতে ভেতরে গেছে নাকি বউকে কাছে না পেয়ে সন্ন্যাসী হওয়ার আশ্রমে গেছে, ?
রিহান বিরক্ত প্রচুর বিরক্ত সে, যা তাঁর মুখ দেখেই বুঝা যাচ্ছে, ! প্রহেল বাড়িটির ভেতরে যেতে, বেড়িয়ে আসে এক যুবকের করুন আর্তনাদ, রনির চোখ দিয়ে ওঝর ধারা রক্ত পানি গড়িয়ে পরছে, সেই দিন প্রহেল রনিকে গুলি করলেও, মরে যাবে এমন ভাবে ট্রিগার চাপেনি, ডাক্তার কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া তার কয় এক দিন পড় ঠিক হয়ে যায়! ফ্রান্সিকা কে কোথায় রাখা হয়েছে তা প্রহেল কে ছাড়া কেউ যানে না, এমনি এমনি সে সবাই কে ছেঁড়ে দিবে উঁহু মুটেও না, এক একটা হিসাব চুকিয়ে তাঁর পর না হয়, এই দুনিয়ায় থেকেই বিদায় দিবে! প্রহেল রনির কাছে এগিয়ে কানের কাছে ফিসফিস করে বলে।
__” আমাকে ভেবে খুব ভুল করলে মাই ডিয়ার ফ্রেন্ড! ও নো মাই ফাকিং ফ্রেন্ড!
বলেই রনির বুকে গরম করে আনা! লাল টকটকে হওয়া রড টা বুকের মাঝ বড়া’বড় ঢুকিয়ে দেয় ‘ এতেও খেন্তো হয় না প্রহেল বুক থেকে রড বেড় করে এক এক করে ঢুকাছে তো বেড় করছে, এতো ও শান্ত হয়নি প্রহেল!সে রড বের করে চোখে ঢুকিয়ে দেয়। ব্যাথায় ছটফট করে উঠে রনি, তবে চিৎকার করতে পারে না, সেই সুযোগই দেয়নি প্রহেল, ওই দিন হসপিটাল থেকে বেরিয়ে প্রহেল রনির কাছে গিয়ে এখানে নিয়ে আসে, রাগে রি’রি করতে করতে মুখ এনে দাঁতে দাঁত চেপে বলে।
___”যেই চোখ , এই ঠোঁট, এই জিহ্বা দিয়ে আমার ছোট ফ্লাওয়ারের দিকে বাজে নজরে, তাকিয়ে ছিলি না, আমি বলার পড়েও তুই সেই আমার পিছন চাটা শুরু করলি, তোকে ছেড়ে দেই কি করে বল?
:- রেগে গিয়ে দাঁড়ালো ছুরি দিয়ে রনির জিহ্বা কেটে দিয়ে জবান বন্ধ করে দেয় চির জিবনের জন্য! বর্তমান , সাদা ফ্লোরে রক্তের খেলায় মেতে উঠেছে প্রহেলের হাতে গারো রক্ত মেখে একা কার, প্রহেল হাসে, এতোক্ষণে রনির দেহ থেকে আত্মা বেরিয়ে গেছে! প্রহেল রনির নিথর হয়ে পড়ে থাকা দেহ টাকে এক নজর দেখে চোখ সরিয়ে নেয়, জোরে নিঃশ্বাস টানে নিজের মাঝে, বির’বির করে বলে উঠে?
__” তোকে মারতে আমার বিষন কষ্ট হয়েছে , নিজেকে শুধরে না নিয়ে কেনো আমার, হাতে নিজের জিবন তুলে দিলি?
“_ প্রহেল বেড়িয়ে যায়, প্রহেল কে দেখে রিহান সাগর, থরথর করে কাঁপছে, প্রহেলের চোখ অসম্ভব লাল হয়ে আছে! শরীরে বিন্দু বিন্দু রক্তের ছিটে চাটে.! প্রহেল এক নজর তাকিয়ে গাড়িতে উঠে বসে, রিহান সাগর ও তাই করে, নিজ গতিতে চলতে থাকে, গাড়িটি! বরফে গেড়া গোহাতে বসে বসে, কিছু একটা করছে ইয়াং, সেই রাতে ওঁদের থেকে পালিয়ে সে সুইজারল্যান্ড । নিজের গুপ্ত ল্যাবে মালঞ্চ করে, হাতে থাকা জিনিসটা গুড়িয়ে দেখতে দেখতে, বিশ্রী এক হাসি দিয়ে বলে ।
__” আমি পালাবো তবে বার’বার নয় আমাদের আবারো দেখা হবে, ।
_- চোখ দিয়ে যেনো আগুন ধরিয়ে দিবে চার’পাশ।
রাত ১১:৩০? ঘুমের মাঝে বুকের উপর ভারি ভারি মনে হতে আনেয়া? পাশ ফিরে শুতে চায়, আশ্চর্যজনক ব্যাপার সে নড়াচড়া করতে পারে না? মনে হচ্ছে শক্ত কিছু একটা তাঁকে সাপের মত পেঁচিয়ে ধরে আছে! আনেয়া ঘুম ঘুম চোখে মাথা তুলে নিজের উপর কি আছে। দেখার চেষ্টা করে , বুকের মাঝে কেউ মুখ ডুবিয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে প্রহেল, এলোমেলো চুল থেকে শ্যামপুর ঘ্রাণ ভেসে আসছে, ! আনেয়া যখন ব্যাপার টা বুঝতে পারে, তখনি ঘুম ছুটে যায়! ঘুমের মধ্যে হঠাৎ ধাক্কায় তাল সামলাতে না পেরে বেডের নিচে পড়ে যায় প্রহেল? নিজের এই কাজে বেক্কল বনে যায় আনেয়া, প্রহেল চোখ ছোট ছোট করে তাকিয়ে আছে,? আনেয়া সুখনো একটা ঢুক গিলে তেজি সুরে বলে?
“__ নির্লজ্জ পুরুষ, কারো রুমে আসতে গেলে পারমিশন নেওয়া লাগে এটা যানেন না।
আনেয়ার কথা শুনে প্রহেল নিচ থেকে উঠে আনেয়ার উপরে ঝুঁকে, ঠোঁটে চুমু খেতে এক হাত দিয়ে আনেয়ার কমর চেপে নিজের কাছে এনে কানে ঠোঁট ছুঁইয়ে বলে!
___” নির্লজ্জ বলেই তো তোমার কাছে আসলাম জান, আমি ভালো মানুষ নয় তাই আমাকে ভালো ভেবে ভুল করো না। কাছে আসো আমার এখন তোমাকে চাই।
আনেয়া প্রহেলের থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে নিতে বলে!
___” আপনার এই নষ্ট হাতের স্পর্শ আমার জন্য ফুটন্ত গরম পানি ছাড়া কিছু না?
প্রহেল হাসে রাগ নেই তবে কেমন একটা মাতাল করা চাহনি , আনেয়া কে আর একটু জরিয়ে ধরতে ধরতে কটাক্ষ কন্ঠে বলে?_”-
তুমি গরম পানিতে পুড়বে কেনো তুমি তো আমার গরম উষ্ণতায় রাঙ্গা হয়ে পুড়বে , ছোট ফ্লাওয়ার।
প্রহেলের কথায় আনেয়া ক্ষেত্রে যায়, প্রহেলের চোখে চোখ রেখে দাঁতে দাঁত চেপে বলে?
__-” যেই পুরুষ নিজের বউয়ের সামনে অন্য নারীকে নিজের গার্লফ্রেন্ড বলে পরিচয় দেয়, এমন সাউয়া মার্কা জামাই আমার না হলেও চলবে?
আনেয়ার মুখে এমন গালি শুনে হতভম্ব চোখে তাকিয়ে আছে প্রহেল, এলোমেলো চুলে আনেয়া রাগান্বিত হয়ে গালিও দিতে পারে? প্রহেল অবাক চোখে বলে?
“__ ছোট ফ্লাওয়ার তুমি গালিও দিতে পারো,
“_ হুম আমি সব পারি এখন আসতে পারেন
প্রহেল হাসে এই মেয়ে যে আরো কি কি করবে, হাত ধরে টান দিতেই আনেয়া প্রহেলের প্রস্তুত বুকে এসে মুখ থুবড়ে পড়ে, প্রহেল ফিসফিস করে বলে?
__” বের পড়ে হবো জান আগে তো, খেয়ে নিতে দেও, আমি আর সোহয্য করতে পারচ্ছি না জান, প্লিজ, আই নিড ইউ মিসেস প্রহেল?
My Husband part 17+18
আনেয়া কেঁপে কেঁপে উঠছে পরিচিত হাতের স্পর্শে কেঁপে উঠছে তার সর্বাঙ্গ , আবারো প্রহেলের মাতাল করা নেশালো কন্ঠ কানে আসে?
রাগ পড়ে করো জান, আপাতত তোমার মাঝে মিশে যেতে দেও, চিল্লিও না অনেক দিনের উপশ আমি আমার রক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে জান?
“__: আহ্, উম -:
