Home তোমার নামে নীলচে তারা তোমার নামে নীলচে তারা পর্ব ৪৯

তোমার নামে নীলচে তারা পর্ব ৪৯

তোমার নামে নীলচে তারা পর্ব ৪৯
নওরিন মুনতাহা হিয়া

মেঘের দুই হাতের ভাঁজে ফারহান তার হাত রাখে এরপর শক্ত মুষ্টিবদ্ধ করে ধরে অনুরোধ করে বলে উঠে
“মেঘ‚ আমি তোমায় ভীষণ ভালোবাসি। প্রথম যখন আব্বু তোমার ছবি আমায় দেখিয়েছে! ওইদিন থেকে ধীরে ধীরে তোমার প্রেমে পড়ে গিয়েছি আমি। আমি তোমায় বিয়ে করতে চাই মেঘ? নিজের ঘরের বউ করে রাখতে চাই! দয়া করে আমায় ফিরিয়ে দিও না তুমি!”

ফারহানের কাতর কণ্ঠে বলা কথা শুনে মেঘের খারাপ লাগে! সে ইচ্ছা করে কখন চাইনি ফারহানকে কষ্ট দিতে। নিজের প্রিয় মানুষকে এক আকাশ পরিমাণ ভালোবেসে‚ তার থেকে অবহেলা আর প্রত্যাখান পাওয়ার নিদারুণ যন্ত্রণা মেঘও সয্য করেছে! কিন্তু মেঘের দ্বারা কখন ফারহানকে ভালোবাসা সম্ভব নয়। মেঘের মন‚ আত্মা‚ শরীর সব জুড়ে শুধু এক আদ্রিয়ানের আধিপত্য বিস্তার করার অধিকার রয়েছে। এই নূন্যতম অধিকার মেঘ অন্য কোন পুরুষকে দিতে পারবে না অসম্ভব। মেঘ শান্ত গলায় বলে
“ফারহান‚ আই এম সরি। আপনাকে কষ্ট দেওয়ার কোন ইচ্ছা ছিল না আমার। কিন্তু আমার দ্বারা এই বিয়ে করা সম্ভব নয়! আদ্রিয়ান ছাড়া অন্য কোন পুরুষকে স্বামী রূপে গ্রহণ করার মতো শক্তি এই মেঘের নেই। শুরু থেকে শেষ অবধি আমি শুধু আদ্রিয়ানকে ভালোবাসি! আমায় ক্ষমা করে দিবেন ফারহান। একমাস পর আমার আর আপনার কোন বিয়ে হবে না!

আরও গল্প পড়তে এখানে ক্লিক করুন 

মেঘের কথা ফারহান শুনে না সে অধিক শক্ত করে মেঘের হাত চেপে ধরে বলে
“মেঘ‚ শুধু একবার আমায় ভালোবেসে দেখ মেঘ। আমি তোমায় অনেক ভালোবাসব! তুমি আমার বউ না বরং ঘরের রানী হবে। রানীর মতো যত্ন আর ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখব তোমায়।”
ফারহানের কথায় মেঘের মন গলল না তার সিদ্ধান্তে কোন পরিবর্তন হয়নি! মেঘ দৃঢ় আর স্পষ্ট স্বরে বলল
“ফারহান‚ আমি আর এই বিষয়ে কোন কথা বলতে চাই না। আশা করি ভবিষ্যতে আর কখন আমার আর আপনার দেখা হবে না! ভালো থাকবেন। আর নিজের জন্য কোন যোগ্য মেয়ে দেখে বিয়ে করবেন! আমি এখন আসি। বাসায় আদ্রিয়ান আমার জন্য অপেক্ষা করছে।”

মেঘ আর কথা বাড়ায় না। চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়িয়ে রেস্টুরেন্টে থেকে উঠে যাওয়ার উদ্দেশ্য পা বাড়ায়। ঠিক তখন পিছন থেকে ফারহান তার হাত চেপে ধরে নিজের কাছে নিয়ে আসে। হঠাৎ ফারহানের এমন কাণ্ডে মেঘ অবাক হয়ে যায়! মেঘ কোন প্রতিবাদ করতে যাবে। তার আগেই আদ্রিয়ান রেস্টুরেন্টের ভিতরে প্রবেশ করে।
রেস্টুরেন্টে ঢুকে এমন দৃশ্য দেখে আদ্রিয়ানের রাগ উঠে যায়! দাঁত কটমট করে তাকায় ঘনিষ্ঠ অবস্থায় থাকা মেঘ আর ফারহানের দিকে! হাত মুষ্টি বদ্ধ করে নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু সম্ভব হয় না। বউকে অন্য কোন পুরুষের সাথে কোন পুরুষই তার রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আদ্রিয়ানও পারল না! রাগী কর্কশ কণ্ঠে জোরে ডাক দিয়ে বলে

___ মেঘ___.
হঠাৎ আদ্রিয়ানের রাগী আর গম্ভীর কণ্ঠস্বর শুনে মেঘ আঁতকে উঠে। দ্রুত ফারহানকে দূরে ঠেলে ভয়ার্ত মুখশ্রী নিয়ে পিছনে ফিরে তাকায়। রেস্টুরেন্টের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে স্বয়ং আদ্রিয়ান রেদোয়ান ! অতিরিক্ত রাগের ফলে তার মুখ অস্বাভাবিক লাল হয়ে গেছে। চোখ দিয়ে যেন আগুন বের হচ্ছে। আদ্রিয়ানের রাগী চোখের দৃষ্টি এখন মেঘের উপর সীমাবদ্ধ। মেঘ ভয়ে শুকন ঢুক গিলে! ভয়ে তার কপাল বেয়ে মৃদু মৃদু ঘাম জমা হয়। মেঘ ভয়ার্ত কণ্ঠে অস্পষ্ট স্বরে বলে উঠে

____ আদ্রিয়ান? আপনি এখানে কি করছেন? ___.
মেঘের এমন প্রশ্ন শুনে রাগের পরিমাণ দিগুণ হল আদ্রিয়ানের। গম্ভীর কণ্ঠে হুংকার দিয়ে বলে উঠে
___ তুমি এখানে কি করছ মেঘ? ফারহানের সাথে?
মেঘ কোন উত্তর প্রদান করতে যাবে তার আগেই ফারহান পুনরায় মেঘের হাত ধরে। তার বুকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে আদ্রিয়ানের দিকে তাকিয়ে বলে উঠে
____ মেঘ। আমার সাথে দেখা করতে এসেছে আদ্রিয়ান। তোমার কোন সমস্যা? ___.
ফারহানের কথা শুনে আদ্রিয়ানের রাগী মুখে হাসি ফুটল। ঠোঁটের কোণায় বাকি হাসি বজায় রেখে শান্ত চোখে তাকায় ফারহানের দিকে। এরপর দাঁত কটমট করে বলে

___ ফারহান চৌধুরী তুই আমার বউয়ের ধরবি। তার সাথে রেস্টুরেন্টে দেখা করতে আসবি! আবার আমার সামনে তাকে জড়িয়ে ধরবি। এখানে আমার কি প্রবলেম থাকতে পারে বল! তবে এখন প্রবলেম হবে। আমার নয় বরং তোর। তোকে আজ খুন করব আমি!
___ ফারহানের বুকে জোরে ধাক্কা দিয়ে তাকে দূরে সরিয়ে দেয় মেঘ। আদ্রিয়ান তার মুষ্টিবদ্ধ করে রাখা হাত জুড়া খুলে এরপর বড় বড় পা ফেলে এগিয়ে আসে ফারহানের কাছে! যখন আদ্রিয়ান ফারহানের মুখে ঘুষি মারতে যাবে! তখন হঠাৎ মেঘ তার সামনে চলে আসে। অতি দ্রুত এগিয়ে গিয়ে পায়ের উপর ভর দিয়ে কাঁধে হাত রেখে গলা জড়িয়ে ধরল মেঘ। মেঘের বুক আদ্রিয়ানের শরীর স্পর্শ করে! আদ্রিয়ান একটু শান্ত হয়। কিন্তু তার রাগ এখনও কমেনি। ফারহানকে খুন করার তীব্র ইচ্ছা এখনও ধমন হয়নি।

পুনরায় যখন আদ্রিয়ান ফারহানের কাছে এগিয়ে যাবে। তার আগেই মেঘ এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড করে ফেলল। কাঁধ থেকে মাথা সরিয়ে আদ্রিয়ানের চুল তার হাতের ভাঁজে নিয়ে। ঠোঁট বসিয়ে দেয় আদ্রিয়ানের উষ্ণ অধর জুড়ায়। মুহুর্তের মধ্যে যেন আদ্রিয়ান শান্ত হয়ে যায় তার হৃদস্পধন তীব্র হারে বেড়ে যায়! চোখ বড় বড় করে তাকায় মেঘের মুখশ্রীর পানে! মেঘ এখন কোন হুঁশে নাই। তার আশেপাশে থাকা মানুষজন বা অন্য কোন কথা সে ভাবে না। শুধু আদ্রিয়ানের রাগ শান্ত করার জন্য সে নিজের স্বস্ব বিলিয়ে দেয়!
ফারহান যেন থমকে যায় মেঘের কাণ্ডে! মেঘ অনবরত আদ্রিয়ানের ঠোঁট অসংখ্য চুমু খেয়ে যাচ্ছে! ফারহান দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কয়েক পা পিছিয়ে যায়! তার সমস্ত পৃথিবী যেন থমকে যায়। আদ্রিয়ানের প্রতি মেঘের যে উন্মাদনা। তা অবিশ্বাস্য চোখে তাকিয়ে দেখে ফারহান।

___ মেঘের ঠোঁটের উষ্ণ ছোঁয়ায় আদ্রিয়ান শান্ত হয়ে যায়। তার ক্ষিপ্ত রাগ যে শীতল বরফ খণ্ডের ন্যায় ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। অনারবত মেঘের ঠোঁটের স্পর্শে আদ্রিয়ানের সারা শরীর অদ্ভুত শিহরণ বয়ে যায়। প্রথমবার অজ্ঞানে তার স্ত্রী কাছাকাছি এসেছে সে, আদ্রিয়ান যেন ঘোরের মধ্যে চলে যায়। মেঘের মাথার পিছনের চুল ধরে তার শরীর মিশিয়ে নেয় নিজের সাথে এরপর ঘাড় উঁচু করে ঠোঁট ছুঁয়িয়ে দেয়। বেশ দীর্ঘক্ষণ যাবত একে অপরের মাঝে বিলীন হয়ে যায়!

বেশ কিছুক্ষণ পর আদ্রিয়ান এক চোখ খুলে ফারহানের দিকে তাকায়। ফারহানের চোখ – মুখে রাগ, কষ্ট আর যন্ত্রণা একসাথে বহিঃপ্রকাশ ঘটছে! আদ্রিয়ান মুচকি হাসে। আশেপাশের মানুষজন খাবার খেতে ব্যস্ত। আমেরিকায় এইটা সাধারণ বিষয়! তাছাড়া রেস্টুরেন্টে এক কোণায় বর্তমানে অবস্থা করছে তারা দুইজন। এক দেয়ালের আড়ালে তাই সবাই চোখের আড়ালে!
প্রায় দশ মিনিট পর মেঘের খেয়াল হয় সে কি করছে! তার বেশ জড়তা আর লজ্জা কাজ করে মনে৷ কিন্তু আদ্রিয়ানের অধর জুড়ার স্পর্শে সব ভুলে যায়! স্বামীর এমন সুখকর ছোঁয়ার কাছে সব আড়ষ্টতা আর জড়তা দূর হয়ে যায়। তবে আশেপাশের মানুষের কথা ভেবে মেঘ সামান্য দূরে সরে আসে আদ্রিয়ানের কাছ থেকে। এরপর শক্ত করে আদ্রিয়ানের বাহুদ্বয় জড়িয়ে ধরে বলে উঠে

____ আদ্রিয়ান, বিশ্বাস করুন। আমি শুধু আপনাকে ভালোবাসি। ফারহানকে নয়। আজ রেস্টুরেন্টে ওর সাথে দেখা করতে এসেছি ওর সাথে সব সম্পর্ক ভেঙে দিতে! একমাস পর আমাদের কোন বিয়ে হবে না।আমি ডিভোর্স দিব না আপনাকে!___
মেঘের কথা শুনে আদ্রিয়ান মৃদু হাসে এরপর আদুরে কণ্ঠে প্রশ্ন করে
___ তবে কি সংসার করবে আমার সাথে? উত্তর দাও মেঘ!
মেঘ সম্মতি সূচক মাথা নাড়িয়ে উত্তর দেয়
___ হুম করব সংসার আপনার সাথে। ভালোবাসি আপনাকে আমি আদ্রিয়ান। ভীষণ ভালোবাসি! দয়া করে আমার উপর রাগ করবেন না। আমায় ভুল বুঝবেন না। ___
আদ্রিয়ান মেঘের থুতনি ধরে তার মাথা উঁচু করে কপালে আলতো করে ঠোঁট ছুঁয়িয়ে দিয়ে বলে

___ আমিও তোমায় অনেক ভালোবাসি মেঘ। আর আমার এই মিষ্টি বউয়ের উপর রাগ করার সাহস কি আমার আছে! বউ হও না তুমি আমার?
___ হুম হয়তো। আর আপনি আমার জামাই ___.
আদ্রিয়ান আর মেঘ উভয়ই মুচকি হাসে এরপর পুনরায় একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে। কিন্তু তাদের এই সুন্দর মুহুর্ত সয্য হল না ফারহানের। সারা শরীর রাগে জ্বলে যাচ্ছে তার। আদ্রিয়ান যেন ফারহানের অবস্থা দেখে মজা লাগল! তাই ফারহানের রাগের আগুনে ঘি ঢালার জন্য আদ্রিয়ান বলে
___ ফারহান তোমার টেবিলের পাশে তাকা টিস্যু বাক্স থেকে দুইটা টিস্যু দাও তো। আমার ঠোঁটে লিপস্টিক লেগে গেছে। বউয় কিস করেছে! এখন এই দাগ নিয়ে কি করে বাহিরে যাব! প্লিজ ফারহান একটু টিস্যু দাও টেবিলের উপর থেকে!
ফারহানের রাগের স্তর বৃদ্ধি পায়। ফারহান দ্রুত পায়ে এগিয়ে যায় আদ্রিয়ানের কাছে। কিন্তু আদ্রিয়ান ভয় পায় বা বরং মিটমিট করে হাসতে থাকে। ফারহানের এগিয়ে আসার মাঝ পথেই মেঘ তাকে থামিয়ে দেয় পিছনে ঘুরে তাকিয়ে বলে উঠে

___ ফারহান। আমার স্বামীর গায়ে হাত তুলার কোন অধিকার আপনার নেই! দূরে সরে যান আদ্রিয়ানের কাছ থেকে। আই সেড লিভ।
ফারহান রাগে জ্বলে উঠে মেঘকে প্রশ্ন করে উঠে
___ আদ্রিয়ান যদি তোমার স্বামী হয় মেঘ! তবে আমি কে হয় তোমার?
মেঘ স্পষ্ট স্বরে উত্তর দেয়
__ কেউ হন না আপনি আমার। আমাদের দুইজনের মধ্যে কোন সম্পর্ক নাই। আর না ভবিষ্যতে কখন হবে!
___ মেঘ আমি তোমায় ভালোবাসি? তুমি কেন বোঝ না আমার কথা।
___ ফারহান আমি আদ্রিয়ানকে ভালোবাসি! আপনি কেন বুঝেন না?
ফারহান মেঘের কথা শুনে রেগে যায়। আদ্রিয়ান যেন এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। সে শব্দ করে হাসছে! ফারহানের মুখের অবস্থা দেখে। তার বউ যে এতো ঝগড়াটে তা সে জানত না। তবে খারাপ নয় বউ রোমান্টিক আর ঝগড়ুটে না হলে সংসার করা যায় না। আদ্রিয়ান বেশ খুশি খুশি হয়ে পৈশাচিক আনন্দ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ফারহান হুমকি দিয়ে বলে

___ মেঘ। তুমি কিন্তু ভুলে যেত না আমি ফারহান চৌধুরী! আমায় অপমান করার শাস্তি কিন্তু তোমায় পেতে হবে।
ফারহানের হুমকি শুনে মেঘ ভয় পায় না বরং সাহসী কণ্ঠে বলে উঠে
___ ভালো খারাপ যায় হোক আমার স্বামীর হাত আমি কখনও ছাড়ব না। আপনি যতই আমায় শাস্তি দিন ফারহান তবুও আমি হাজার বার। আমি আদ্রিয়ানকে ভালোবাসি। l love Adrian. l always love only Adrian.
আদ্রিয়ান পাশ থেকে মেঘের কথা শুনে বাচ্চাসুলভ কণ্ঠে বলে উঠে
___ আই লাভ ইউ টু বউ। উম্মাহ্।
হাত দিয়ে ফ্লাইং কিস দেখিয়ে বলে উঠে আদ্রিয়ান। মেঘ মিষ্টি হাসি দেয়। কিন্তু ফারহান যেন তেলে বেগুনে জ্বলে উঠে! মেঘ এইবার শান্ত হয়ে বলে

___ ফারহান আমি যদি আপনাকে কষ্ট দিয়ে থাকি। তবে এরজন্য দুঃখিত আমি। কিন্তু আমার দ্বারা আদ্রিয়ান ছাড়া অন্য কোন পুরুষকে ভালোবাসা সম্ভব নয়!
সব কথা শুনে ফারহান বলে
—– মেঘ। তুমি আর কথা শোন!
কিন্তু ফারহানের কথা শেষ করার আগেই মেঘ হাত দিয়ে তাকে থামিয়ে দেয়। এরপর পিছনে ঘুরে শক্ত করে আদ্রিয়ানের হাত ধরে, মিষ্টি হাসি দিয়ে বলে

তোমার নামে নীলচে তারা পর্ব ৪৮

___ চলুন আদ্রিয়ান। বাসায় যাওয়া যাক। রাতের খাবার খাননি আপনি। বাসায় গিয়ে রান্না করতে হবে __.
__ হুম চল মেঘ! সরি বউ ___.
উভয়ই একে অন্যর মুখের দিকে তাকিয়ে হাসে। এরপর তারা একসাথে হাত ধরে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে যায়। ফারহান হয়ত এই অপমান সয্য করতে পারল না! তার ভালোবাসা এমন ভাবে মেঘ প্রত্যাখান করবে তা হয়ত কল্পনা অবধি করেনি। এরজন্য মেঘের সামান্য শাস্তি অবশ্যই পাওয়া উচিত। ফারহান যানে তার এখন কি করা উচিত!

তোমার নামে নীলচে তারা পর্ব ৫০