Home obsession vs love obsession vs love part 9

obsession vs love part 9

obsession vs love part 9
নিরুর কল্পনারাজ্য

নিজের বাচ্চা কারও গর্ভে থাকার পরও কে তার হাসব্যান্ডকে ভাই বলে আইয়ুশের জানা নেই, তবে ঝিলিক যে বলেছে তাতেই সে তব্দা খেয়ে বসে আছে। মিনিট দু’এক বুঝতে সময় লাগলো যে তাকেই বলা হয়েছে কিনা। যখনই বুঝতে পারলো–তাকেই বলা হয়েছে তক্ষুনি চোখ বড় বড় করে চাইলো ঝিলিকের পানে। ঝিলিক মিষ্টি হাসলো যা আপাতত আইয়ুশের সর্বাঙ্গে আগুনের ন্যায় কাজ করছে। শেষ কবে ঝিলিক তাকে ভাই ডেকেছিলো তার মনে নেই। তাদের মাঝ হতেই সায়ন নিজের মুখ খোলে,
—আঙ্কেল, আজ নাহয় থাক পড়াশোনাটা। এভাবে তো আর স্টুডেন্ট পড়ানো যায় না।
ওসমান মির্জা বাধ সাধেন। বলেন,
—এভাবে চলে যাবে, বাবা? ব্রেকফাস্ট হলেও করে যাও!
—না আঙ্কেল, আমি ঠিক আছি।
ওসমান মির্জা শোনেন না। তার জোরাজোরিতে থাকতে হয় সায়নকে। আইয়ুশ ঠিক বুঝে উঠতে পারেনা সায়নকে কেনোই বা এখানে এতো জোর জবরদস্তি করে রাখতে হবে। হুট করে তার ফোনে নোটিফিকেশন বেজে ওঠে। ফোন খুলতেই ভেসে ওঠে,
— IT’S ALREADY ONE WEEK!
~MK

আইয়ুশের মাথা ধরে ওঠে। এতো চাপ তার মস্তিষ্ক নিতে পারেনা। কপালে বৃদ্ধা এবং তর্জনী আঙুল ঘষে নিজের ক্লান্তি প্রকাশ করে। এসব অবশ্য ঝিলিকের নজর এড়ায় না। আইয়ুশ তবু সেখান থেকে যায়না। ঝিলিকের সাথে দৃষ্টিমিলন ঘটতেই ঝিলিক চোখ ফেরায়। আইয়ুশ চেয়ে থাকে। সে বুঝতে পারছে এসব ঝিলিক ইচ্ছে করেই করছে। প্রতিশোধ নিচ্ছে! আইয়ুশ নিজের ভাগ্যের ওপর হাসলো। যে সময়ে তাকে ঝিলিকের পাশে থাকতে হতো সেসময়ে সে ঝিলিককে দূরছাই করছে। ঝিলিক, ঝিলিক, ঝিলিক! এই একটা নাম; একটা সত্ত্বা; একটা মানুষের জন্য আইয়ুশ নিজের প্রাণেরও পরোয়া করছেনা। ততক্ষণে বাড়ির বড়রা ডাইনিং এ চলে এসেছে। ছোটরাও কেও বেকার নয়। যার দরুণ একে একে সকলেই নামছে। ঐশী নেমেই আইয়ুশকে দেখে যেনো আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়ার মতো অবস্থা হলো। ক্লান্ত আইয়ুশকে দেখে তাকে টেনে নিয়ে গেলো অন্যপাশে। আইয়ুশ বিরক্ত হয়ে শুধায়,

—কী হয়েছে? এভাবে টানছিস কেনো?
—জানো না তুমি, কী হয়েছে?
—কী জানবো?
—তুমি সাঁঝ আপুকে বিয়ে করেছো কেনো?
আইয়ুশ ভ্রু কুঁচকায়। না বুঝে বলে ওঠে,
—কেনো? সমস্যা কী?
—তুমি জানো না ঝিলিক তোমায় ভালোবাসতো?
আইয়ুশ উত্তর দেয়না। ঐশী ফের প্রশ্ন করে,
—আমি যদি খুব ভুল হয়ে না থাকি তবে ওর বাচ্চার বাবাও তুমি। তাইতো?
আইয়ুশ তড়াক গতিতে তাকায় ঐশীর পানে। নিভু নিভু হয়ে আসা লাল চোখেও ফুটে ওঠে অবাকতা। বিষয়টি সে এড়িয়ে যায়। বলে,
—ঘুমোতে হবে আমায়। ছাড় তো!
—তার মানে তুমি ঝিলিককে ভালোবাসতে না?
আইয়ুশ খানিক চুপ রয়। চোখ-মুখ খিঁচে উত্তর দেয়,
—না!

‘না?’ এই না-তে আদৌও কী না আছে? তার সমীকরণ মিললোনা। তার ভাই কী এতোটা নিচু যে নিজের সন্তানকে স্বীকৃতি দিবেনা? জানে না সে। আইয়ুশ হেঁটে ওপরের দিকে যায়। ঝিলিক ততক্ষণে রুমে চলে গিয়েছে। ব্রেকফাস্টটুকু নিজ রুমেই সারবে। কানে ইয়ারফোন গুঁজে গান চালিয়েছে। আপাতত ঘুমানোর প্রচেষ্টায়। মস্তিষ্কে বারংবার ঘুরপাক খাচ্ছে প্রতিশোধের কথা। ঝিলিক অবশ্য একটা প্ল্যান বানিয়েছে। ইয়ারফোনে গান বাঝছে~
তুমি অন্য গ্রহের চাঁদ…
আমার একলা থাকার চাঁদ!
তোমার ফেরার সম্ভাবনা…
অমাবস্যায় জোছনা!
ঝিলিকের হুট করে তাদের পুরনো স্মৃতির কথা মনে পড়ে গেলো।
একবার আইয়ুশ ঝিলিককে নিয়ে বেড়িয়েছিলো। শুধু তারা দুজন। সেদিন তারা সারাদিন ঘুরেছিলো। ঝিলিক যা করতে বলেছিলো আইয়ুশ তা বাধ্য ছেলের মতো করেছিলো। তার মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়ে। মনে পড়ে সেই বিভৎস রাত যখন সে আইয়ুশের পায়ে পড়েছিলো একটুখানি ভালোবাসার ভিক্ষে চেয়ে। হঠাৎ করেই তার মতিভ্রম হওয়া শুরু হলো। ঝিলিক হ্যালুসুনেট করতে আরম্ভ করলো। এ’পাশ থেকে ওপাশ ফিরতেই সে তার পাশে আইয়ুশকে দেখতে পেলো। আইয়ুশকে দেখে তার চোখ হতে নিঃশব্দে জল গড়িয়ে পড়লো। ঝিলিক জিজ্ঞেস করলো,

—আ..আইয়ুশ, তুমি এসেছো আইয়ুশ?
কল্পনার আইয়ুশ যেনো মিষ্টি হাসে প্রত্যুত্তরে। ঝিলিক বলে যায়,
—আমি জানতাম তুমি আসবে। বলো, তুমি আমায় ভালোবাসো? বাসো তো, তাইনা?
—বাসি!
—বলো, তুমি আমায় ঠকাওনি। পুরো দুনিয়া মিথ্যে!
—হ্যাঁ, সব মিথ্যে!
ঝিলিক হাত বাড়িয়ে ছুঁতে যায় আইয়ুশকে। কিন্তু…আইয়ুশ নেই। এখানে-ওখানে কোথাও নেই। ঝিলিক হাত মুষ্টিমেয় করে ফেলে। বিড়বিড়িয়ে বলে ওঠে,
—তুমি তো কল্পনার মতো ও হতে পারতে বলো? কেনো তুমি বাস্তবতার কঠিন সত্য হলে? তুমি সে নও যাকে আমি ভালোবেসেছি। তুমি কখনোই সে হতে পারোনা।
ঝিলিক কাঁদে। কাঁদতে কাঁদতে ওখানেই ঘুমিয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের বিলাসবহুল স্থান ঢাকার গুলশানের আয়েশী ডুপ্লেক্স বাড়িতে এক অর্ধনগ্ন পুরুষ তার ব্যক্তিগত সুইমিংপুলে নিজের বিলাসিতায় মত্ত। হাতে তার পৃথিবীর সবচেয়ে দামী ওয়াইনের বোতল। কানে তার ইয়ারপডস গোঁজা। ক্ষণে ক্ষণে হেসে উঠছে সে। কী এমন জিনিস যা তাকে এতো হাসাচ্ছে? এই পুরুষটি কে কখনো এভাবে হাসতেই দেখেনি কেও। আশেপাশের গার্ডরা সতর্ক হয়। এই ছেলে যা সাইকো। দেখা গেলো নিজের খুশিকে দ্বিগুণ করতে কাওকে শ্যুট করে বসেছে। যার আনন্দ মানুষের রক্তে সে মানুষ মারা ছাড়া কতক্ষণ -ইবা থাকবে। হলোও তাই! হাসতে হাসতেই হুট করে একজন গার্ডের কপাল বরাবর শ্যুট করে দিলো। তাকানোর প্রয়োজনও তার পড়েনি। নিশান যেনো আগে থেকেই নির্ধারিত ছিলো। লোকটি বিকট চিৎকারের সাথে সাথেই মারা গেলো। কেও কিচ্ছুটি বললোনা। একটি শব্দও বের হলোনা কারও মুখ হতে। সকলে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রইলো। বলিষ্ঠ গড়নের পুরুষটির হাসি চওড়া হলো। পুরো স্থান কেমন কেঁপে কেঁপে উঠলো সেই সাথে। তখুনি পেছন থেকে নিকোলাস; তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত সঙ্গীর ডাক ভেসে এলো,
—বস, আমাদের এখন বেড়োতে হবে।
পুরুষটি ফের ওয়াইনের বোতলে চুমুক বসায়। উঠে যেতে যেতে তার বলিষ্ঠ ঘাড়ের মাঝ বরারবর একটু নিচে-দুই বাহুর মধ্যিখানে অঙ্কিত প্রজাপতি ট্যাটুখানা ভেসে উঠলো। কেও জানেনা এমন পিশাচ একজন মানুষের পছন্দের পাখি প্রজাপতি কীভাবে হয়? যেখানে প্রজাপতি কোমলীয়তার প্রতীক সেখানে এই পুরুষ একজন জানোয়ার। অথচ এসবের উত্তর কারো কাছেই নেই। কারও কাছে সেই সাহসটুকু নেই তা শুধানোর!

ঝিলিক যে ঘুমোলো; সেই ঘুম ভাঙলো তার বিকেলের দিকটায়। তাও তিয়া-তোতার ডাকতে আসায়। নিচে বৈঠক বসেছে। সেটাতে যাওয়ার জন্যই তাকে নিতে আসা। ঝিলিক উঠেই অবাক হলো। এতো সময় ঘুমোলো সে? এতো ঘুম কীভাবে এলো তার! দীর্ঘক্ষণ উল্টো হয়ে শোয়াতে পেটে অল্প খানিক চাপ অনুভূত হলো। ব্যাথা করছে কেমন। ঝিলিক ধীরে উঠে চোখে-মুখে পানি দেয়। তিয়া-তোতা বাহিরে অপেক্ষারত। ঝিলিক বেরোতেই তিয়া তাড়া দিলো,
—আরে, তাড়াতাড়ি কর। ওদিকে ওদের ম্যালোড্রামা শেষ হয়ে যাচ্ছে।
ঝিলিকের ভ্রু কুঁচকে আসে। কী হচ্ছে নিচে? সে প্রশ্ন করে,
—নিচে কী হচ্ছে?
—গেলেই দেখতে পাবি। আগে চল!
টেনেটুনে তারা দুজন ঝিলিককে নিচে নামালো। সিড়ির কাছে দাঁড়িয়েছে। দুই বাপ-ছেলের মাঝে ঝগড়া লেগেছে। ওসমান মির্জা ছেলেকে বলছেন,
—একটা অনুষ্ঠান তো করতেই হবে। নাহলে বাকিরা বিয়ের কথা জানবে কী করে?
আর ওদিকে আইয়ুশের এক কথা।

—অনুষ্ঠানের কী প্রয়োজন? আমরা আমরা জানি এতেই তো হলো। তাছাড়া আমার এতো সময় কই?
—চুপ বেয়াদব ছেলে, বিয়ে করতে পেরেছো আর সামন্য রিসেপশন এ জয়েন হতে পারবেনা? মষ্করা হচ্ছে?
আইয়ুশের কিছু বলতে উদ্যত হওয়ার আগেই মালিহা বেগম থামান তাকে। ওসমান মির্জা বলে চললেন,
—আগামীকাল সন্ধ্যায় রিসেপশন হবে মানে হবে। এই আমার শেষ কথা।
আইয়ুশ বিরক্ত হয়। একে তো দুনিয়ার ঝামেলার শেষ নেই আর এখানে এসব ফালতু কাজ? বিরক্ত মুখশ্রী হঠাৎ ঝিলিকের পানে পড়তেই চোখাচোখি হলো দুজনার। ঝিলিক যেনো তাকেই তাচ্ছিল্য করছে চোখের চাহুনি দিয়ে। আইয়ুশ ওপরে চলে যায়। ঝিলিক চেয়ে থাকে সেদিকপানে। চোখ ফিরিয়ে আবার যায় শাহদাদ মির্জার কাছে,
—বাবা তোমার সাথে আমার কথা ছিলো একটু।
—বলো মা, কী হয়েছে?
—বাবা আমি কোম্পানিতে জয়েন করতে চাই!!
শাহদাদ মির্জা অবাক হলেন। বললেন,
—এতো কম বয়সে..না, না। তুমি এ অবস্থায় পারবেই না!!
—পারবো বাবা।

সকলে তার কথা শুনে হা হয়ে গেলো। এতো ছোট হয়ে কীভাবে কোম্পানিতে জয়েন করবে সে? পাশ থেকে প্রহেলী আক্তার ছেলেকে চেঁচিয়ে উঠলেন,
—শিখো কিছু, নির্ঝর। সারাদিন ভিডিও গেমস নিয়ে পড়ে থাকো। নিজের ছোটো বোনটার থেকেও তো কিছু শিখতে পারো।
নির্ঝর কথাটা মাছি তাড়ানোর ভঙ্গিমায় উড়িয়ে দিলো। তার কাছে এখন সামনের দৃশ্যটা তারচেয়েও বেশি ইন্টারেস্টিং। ওদিকে সাঁঝ চৈতী চৌধুরীর সাথে এককোণে দাঁড়িয়ে। চৈতী চৌধুরী মেয়ে ডাকলেন,
—সাঁঝ, আইয়ুশকে একটু বোঝা না রে।
—হ্যাঁ মা। আমি বলবো ওনাকে!
সাঁঝ নিজেও জানে তার কথার এক আনা গিরুত্বও আইয়ুশের কাছে নেই। তবে তা তো আর বলে বেড়ানো যায়না। শাহদাদ মির্জা নিজের বড় ভাইয়ের দিকে তাকালেন। তিনি তাকে চোখ দিয়ে আশ্বাস দিলেন। শাহমীদ সুলতান ও তাকে উৎসাহ দিলেন। শাহদীদ মির্জা ফের মেয়ের দিকে তাকালেন। নরম সুরে বললেন,
—ঠিক আছে মা। যা তুমি চাও!
ঝিলিক জড়িয়ে ধরলো শাহদাদ মির্জাকে। সাথে সাৎে তার পেটেও হালকা ব্যথা অনুভূত হলো তার। ঝিলিকের ভয় হলো। হঠাৎ এমন পেটে ব্যাথার কারণ কী? সে মোটেই তা হালকাতে নিতে পারেনা। শাহদাদ মির্জা তখন বেরোচ্ছিলেন বোধহয় কোথাও। শুধু তিনি নয়; তারা তিন কর্তা-ই আজ এক ডিল ফাইনাল করতে যাচ্ছেন। ঝিলিক বললো,

—বাবা, আমার ডাক্তারের কাছে যেতে হবে!
শাহদাদ মির্জা ব্যস্ত হলেন।
—কোথায় খারাপ লাগছে মা?
—রিল্যাক্স বাবা। তোমরা বোধহয় বেরোচ্ছো, আমাকে ড্রপর করে দিও হসপিটালের সামনে। আমি নিজেউ ডক্টরের কাছে যেতে পারবো।
শাহদাদ মির্জা মেয়েকে ছাড়তে নারাজ। এখানে তেমন কেও নেই যে তার অবর্তমানে ঝিলিকের অত বেশি খেয়াল রাখতে পারবে। হুট করে আইয়ুশের কথা মনে হতেই তিনি ওসমান মির্জাকে আইয়ুশকে ডাকতে বললেন। তিনিও তাই করলেন।
—আইয়ুশ, আইয়ুশ। এদিকে এসো!
আইয়ুশ বিরক্ত মুখে নিচে আসে। ঝিলিক বাধ সাধে।
—কাওকে দরকার নেই বাবা। আমি একা-ই পারবো।
তিনি কী আর বাধ শোনার মানুষ। তিনি তবু আইয়ুশকে বলেন,
—আইয়ুশ, ঝিলিকের শরীরটা খারাপ করছে। তুমি একটু ওকে হসপিটাল নিয়ে যাবে?
আইয়ুশের মন উতলা হয়। তবু নিজেকে শান্ত রাখে। বলে,
—আমি..আমি কেনো?
ঝিলিকের চোয়াল শক্ত হয়। বলে,

—বাবা, আমি বললাম না কাওকে প্রয়োজন নেই আমার।
শাহদাদ মির্জা শোনেন না তার কথা।
—আইয়ুশ আমরা সবাই এখন বেরোচ্ছি। তুমি একটু ওকে হসপিটাল নিয়ে যাও। বোঝো-ই তো! তোমার মা-চাচিরা এতো ভালো বুঝেনা। আর নির্ঝরের ওপর তো ভরসা করা যায়না। ছোট মানুষ!
আইয়ুশ তড়িঘড়ি নিচে নামে। সে-তো এমনিতেও যেতো-ই। তাড়াহুড়ো করে ঝিলিককে বলে,
—দ্রুত চলো।
ঝিলিক বিরক্ত হয়। এই ঠকবাজের সাথেই যেতে হবে কেনো? ঝিলিকের বিরক্তিকে পরোয়া না করে আইয়ুশ ঝিলিকের হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে যেতে বলে,

obsession vs love part 8

—বুঝেছি মেঝোবাবা। তুমি চিন্তা করোনা, আমি খেয়াল রাখবো!
ঝিলিক তাচ্ছিল্য হাসে। যে পুরুষ তার মনের খেয়াল রাখতে পারেনা সে নাকি তার খেয়াল রাখবে। হাস্যকর। ঝিলিক এক ঝটকায় হাত ছাড়িয়ে নেয় নিজের। গম্ভীর স্বরে বলে,
—আমি নিজেই যেতে পারি…!

obsession vs love part 10