Home obsession vs love obsession vs love part 12

obsession vs love part 12

obsession vs love part 12
নিরুর কল্পনারাজ্য

ঝিলিক আর প্রফেসরটার এতো খাতির দেখে তিয়া-তিয়া-ঐশী-নির্ঝর সকলেই অবাক। কেননা ঝিলিককে তারা দেখছে অনেকবছর থেকে; মেয়েটা ছেলেদের সাথে কথা বলা তো দূর—ত্রিসীমানায় অব্দি যায়না। অথচ সেই মেয়ে কিনা এখন তার স্যারের সাথে হেসে হেসে কথা বলছে! নির্ঝর তো ঐশীকে ফিসফিসিয়ে বলেই ফেলে,
—ওয়াহ! কেয়া সিন হ্যায় ইয়ার।
ঐশী পাশ ঘুরতেই নির্ঝরকে দেখে ঘাবড়ে যায়। পরক্ষণেই চোখ কুঁচকে বিরক্ত নিয়ে বলে,
—ধ্যাত!
নির্ঝর ভ্রুকুটি করে পাশে থাকা তিয়ার কাধে হাত রাখে। তার কাছে গিয়ে ফিসফিসয়ে বলে,

—তিয়ু, বয়স কত হবে রে এই লোকটার?
পাশ থেকে তিয়া বলে,
—যত হবে হোক, হ্যান্ডসাম তো আছেই।
—ঠিক ঠিক, মানতেই হবে!
নির্ঝর কাবাবে হাড্ডি হয়ে ঝিলিক এবং সায়নের কথা মাঝে নাক গলায়। বলে,
—আরে আরে, সব কথা কী নিজেদের মাঝে হবে নাকি? রিসিপশন তো বর-কনের তাইনা? নাকি এই রিসিপশনেই দুজনের রিলেশন হয়ে যায়।
শেষের কথাটা ধীরে বলে সে। তাই অতটা না শোনায় সায়ন ভ্রুকুটি করে শুধায় তাকে,
—কিছু বললে?
নির্ঝর দাঁত দেখিয়ে হাসে। সিরিয়াস মুখ করে বলে,
—না না, একদমই নয়।

ঝিলিক সেসবে কান না দিয়ে চোখ ঘুরিয়ে একপলক আইয়ুশের দিকে তাকায়। আপাতত সে অন্যপাশে ফিরে। সাঁঝ কিছু বলছে হয়তো। ঝিলিক নিজেকে আরও বেশ শক্ত করে। ও চাইলেই নিজের অধিকারের জন্য লড়তে পারতো। অথচ তা করেনি একমাত্র ওই আইয়ুশ নামক পুরুষটির জন্য। যে তাকে ভালোই বাসতে পারলোনা বাকি জীবন তার ভরসায় কাটাবে ঝিলিক? অসম্ভব। সে এই মুহূর্তে চেয়েও আইয়ুশকে ঘৃণা করতে পারছেনা। অন্যনারীর সংস্পর্শ দৃশ্যমান হতেই তার রক্ত টগবগিয়ে উঠছে। হৃদয় জখম হচ্ছে! তবু সে চুপচাপ ঘাড় ঘোরায়। যে দহনে সে জ্বলছে; পুড়ছে; ছাড়খার হচ্ছে–সেই দহনের মাত্রা আইয়ুশও অনুভব করুক। সে সায়নের পানে তাকায়। সায়ন তখন নির্ঝরদের সাথে কথা বলছিলো। সায়নের সাথে সে নিজেই গিয়ে কথা বলে। নমনীয় স্বরে শুধায়,
—স্যার, ওদিকটায় আসুন। ওখানেই আমার বোন আর আইয়ুশ…মানে আইয়ুশ ভাই আছে।
সকলে আরও একদফা চমকায়। এই মেয়ের দ্বারা কখনো-ই তারা ভাই ডাকাতে পারেনি আইয়ুশকে। আর এখন? সোজা ভাই? বাহ! ঝিলিক সায়নকে নিয়ে এবার আইয়ুশের সামনে আসে। অন্যত্র চোখ ঘুরিয়ে রাখা আইয়ুশ এবার চোখ তুলে তাকায়। শক্ত চোয়াল আর বিরক্তিমাখা আদলখানা স্পষ্ট তার। শক্ত চোখে সে তাকায় ঝিলিকের পানে। তা দেখে ঝিলিক মুচকি হাসে। আইয়ুশ চোখ বুজে ভারি শ্বাস নেই। ঠান্ডা পরিবেশেও কলকল করে ঘামছে আইয়ুশ। ঝিলিক আইয়ুশ আর সাঁঝকে সায়নের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে দিতে বলে,

—স্যার, ওনার সাথে তো আগেই দেখা হয়েছে। তবু আরও একবার পরিচয় করিয়ে দিই। হী ইজ আইয়ুশ মির্জা–আমার বড় বোন সাঝ মির্জার রিসেন্টলি ম্যারিড হাজব্যান্ড এবং আমার এক এবং একমাত্র জিজু!
আইয়ুশের ধৈর্য্য শক্তির পরীক্ষা নিচ্ছেন কী আল্লাহ? জিজু? ভাই তাও মানা যায়, জিজু? অবশ্য হবে না-ইবা কেনো? সবার চোখে তো সে ঝিলিকের বড়বোনের বিবাহিত স্বামী। সে শান্ত হয়। নিজেকে সামলাতে নিজমনেই আওড়ায়,
—কাম ডাউন আইয়ুশ, কাম ডাউন!
অতঃপর সায়নের পানে মুখ করে হাসে, পরিচিত হওয়ার খাতিরে মিছে অভিনয় করে বলে,
—হাই, আমি আইয়ুশ! নাইস টু মিট ইউ।
—আর আমি সায়ন, সায়ন চৌধুরী!
দুজন একে অপরের সাথে হ্যান্ডশেইক করে। ঝিলিক নিজ থেকেই বলে উঠে,
—স্যার, দেখুন তো! ওদের একসাথে ঠিক কতটা ভালো দেখাচ্ছে। তাই না? ইটস লুক লাইক দে আর মেইড ফর ইচ আদার!
আইয়ুশ ঠিক ভেবে পাচ্ছেনা হুট করে ঝিলিকের মাঝে এতোটা উৎসাহ আসছে কোথা থেকে? সায়ন হাসে ঝিলিকের কথায়। একপলক চায় ও ফিরে। আইয়ুশ লক্ষ্য করে তা।
সাঁঝ ও তাদের কথায় হেসে ওঠে। সায়ন সাঁঝের সাথেও কথা বলে,

—কংগ্রেচুলেশনস, মিসেস মির্জা!
সাঁঝ লাজুক হাসে। বলে,
—থ্যাঙ্কিউ!
তোতা হুট করে সবাইকে ডেকে ওঠে। বলে,
—এই সবাই ওদিকে চলো। এখন বোধহয় কাপল ডান্স শুরু হবে।
তা দেখে সায়ন বলে,
—আসি মিস্টার এবং মিসেস মির্জা। পরে কথা হবে তাহলে!
ঝিলিক ও হাসে তার কথায়। সকলেই এগিয়ে যায়। রয়ে যায় নির্ঝর। নির্ঝর তার বড় ভাইয়ের কানের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে। পাশে বসে বলে,
—ভাইয়ু দেখো! এমন মনে হচ্ছে যে ঝিলিক আর ওই প্রফেসরের জুটি স্বয়ং আল্লাহতায়ালা-ই খোদাই করে পাঠিয়েছেন। নইলে দেখো! প্রফেসরটার শার্টের কালার ও ঝিলিকের শাড়ির সাথে ম্যাচ হয়ে গেলো। লালে লাল একদম! বাহঃ কী জোসস!
হাসতে হাসতে সেসব বলতে থাকা নির্ঝর আইয়ুশের পানে ফিরতেই দেখতে পেলো তার ভদ্র-সদা নমনীয়; নরম ভাইটা তার দিকে তাকিয়ে আছে তীক্ষ্ণ চোখে। চোখ-মুখ লালচে দেখাচ্ছে। নির্ঝর ভড়কায়। সাথে থতমত খায়। আইয়ুশের নাকটা কেমন ফুলে আছে যেনো খুব জোরে শ্বাস নিচ্ছে সে আর সাথে চোখের ধারে এতোটাই তেজ ছিলো যে নির্ঝর এক মুহূর্তের জন্য ভয় পায়। আমতা আমতা করে বলে,

—ন..না..মানে..ইয়ে!
উপয়ান্তর না পেয়ে উঠে দৌড়ে যায়। যেতে যেতে ভণিতা করে বলে,
—আরে এই, তোরা আমাকে ফেলে গেলি কেনো?
আইয়ুশ ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। বিড়বিড় করে হিসহিসিয়ে বলে,
—শি ইজ মাইন, অনলি মাইন! ঝিলিক যদি কারো ভাগ্যে খোদিত থাকে তবে সেটা শুধু এবং শুধুমাত্র আমার ভাগ্য হবে। আমি ছাড়া ও আর কারও হতে পারেনা। খোদা ব্যতীত বাকি সকলের কাছ থেকে আমি ওকে ছিনিয়ে আনবো। আনবোই!
নির্ঝরের ওপর হতে চোখ সরিয়ে চলতে থাকা ঝিলিকের ওপর নজর যেতেই ও নিজেকে আর সামলে উঠতে পারেনা। ঝট করে উঠে যায়। সাঁঝ অবশ্য শুধায়,
—কোথায় যাচ্ছেন?

আইয়ুশ পাত্তা দেয়না। ওর হাত মুষ্ঠিমেয়। আশেপাশের নজরগুলো ওকে আরও বেশি বেসামাল করছে। সাঁঝ দ্বিধান্বিত চোখে চেয়ে থাকে তার পানে। আইয়ুশ যাওয়ার পরপরই সেখানে তার কয়েকজন বান্ধবী চলে আসে। যার কারণে তার আর দেখা হয়না আইয়ুশ কোথায় গেলো। আইয়ুশ এগিয়ে যায়। ঝিলিক ততক্ষণে ভিড়ে মিশে গিয়েছে। লোকসমাগম সেখানে একটু বেশি। যেহেতু তাদের পরিবার বড় এবং সাথে তাদের তিনভাইয়ের একসাথে বড় একটি কোম্পানি সাথে অন্যান্য ক্ষেত্রেও তাদের আনাগোনা রয়েছে সেহেতু লোকজনের আয়োজন একটু বেশিই করা হয়েছে। আপাতত একটা কাপল নাচছে। ঝিলিকরা সবাই তাই দেখছিলো। বড়রা অবশ্য অন্যপাশে বসে। তারাও দেখছে। তবে সে জায়গায় বয়স্ক লোকের আনাগোণা কম। খাবারের সাইডটাতে আপাতত ভীড়। আইয়ুশ গিয়ে ঝট করে নিজের শক্ত হাতের মুঠোয় ঝিলিকের কোমল হাত পুরে তাকে নিচতলায় থাকা একটি রুমে টেনে আনে। ঘটনা এতো তড়িৎ বেগে হলো যে ঝিলিকও বুঝে উঠতে পারলোনা। আইয়ুশ সহসাই দরজা লাগিয়ে দিলো। হতভম্বতা ছাড়িয়ে ঝিলিকের যখন বোধগম্য হলো কী হয়েছে তখন ঝিলিক বিরক্ত হয়ে হাত ঝাড়া মেরে ছাড়িয়ে নিলো। বিরক্তিমাখা কন্ঠে শুধালো,

—কী হয়েছে? সমস্যা কী? আমার হাত ধরলেন কোন সাহসে?
আইয়ুশ কিছু বলতে পারেনা। রাগে তার সম্পূর্ণ শরীর কাঁপছে। চোখ বুজে শ্বাস ফেলে।নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে কিছু না বলেই টেনে এনে আয়নার সামনে দাঁড় করায় ঝিলিককে। ঝিলিককে পিছু মুড়িয়ে আয়নার দিকে নজর দিয়ে বলে,
—দেখো, ইডিয়েট। শাড়ি পরেছো অথচ ব্লাউজের ফিতেটা লাগালেনা? এতোটা কমনসেন্সলেস কেও কীভাবে হতে পারে? আশেপাশের পুরুষগুলো চোখ দিয়ে গিলে খাচ্ছিলো তোমায়।
ঝিলিক হতভম্ব হয়ে চেয়ে থাকে আইয়ুশের পানে। ওর মনে হলো ও হঠাৎ করেই সেই আগের আইয়ুশকে দেখছে। যে তাকে নিয়ে পজেসিভ ছিলো। ঝিলিক নজর সরায়। আমতা আমতা করে বলে,
—আ..আমি খেয়াল করিনি। আর হ্যাঁ, আমাকে নিয়ে আপনাকে আর ভাবতে হবেনা। বেরিয়ে যান। আমি নিজেই করে নিবো।
আইয়ুশ বিনাবাক্যে দূরে সরে এসে দেওয়ালের সাথে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে রইলো। হাতদুটো বুকে গুঁজলো। ঝিলিক ফিতে ঠিক করতে হাত বাড়িয়েছিলো। আইয়ুশকে ওভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে থেমে গেলো ওর হাত। ভ্রুদুটো কুঁচকে দৃঢ়স্বরে শুধালো,
—কী হলো? যেতে বলেছি না?
আইয়ুশ ও গম্ভীরমুখেই জবাব দেয়,
—আগে তুমি ফিতে লাগাও!
ঝিলিক আইয়ুশের সাহস দেখে অবাক হয়। সে এগিয়ে গিয়ে আইয়ুশের সাথে কথা আগানোর আগেই আইয়ুশের কন্ঠ ভেসে আসে,
—উঁহু, তোমার সাথে বাজে বকার সময় আমার একদমই নেই। ফিতে লাগাও!
ঝিলিক জানে ও কখনোই নিজ থেকে ফিতে লাগাতে পারেনা। তবু ও চাইছিলোনা আইয়ুশ থাকুক। ওই বেঈমানটার চোখেই কেনো এসব পরতে হবে?
আইয়ুশ জানে ঝিলিকের স্বভাব। তাইতো যাচ্ছেনা। ঝিলিক তবু হাত দিয়ে ফিতে লাগানোর বহু চেষ্টা করে। অথচ ও তো গিট দিতেই জানেনা। আইয়ুশ এগিয়ে আসে। মুখে তার বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট। ও সাহায্য করতে চায়। অথচ ঝিলিক সরে আসে। ভ্রু কুঁচকে বলে,

—করছেন টা কী? আপনি বড় আপুর হাজব্যান্ড এখন। আমাকে স্পর্শ করে আমাকে কেনো পাপী করছেন?
আইয়ুশ না পারছে সহ্য করতে আর না পারছে ছেড়ে যেতে। তাইতো সে দাঁতে দাঁত পিষে জবাব দেয়,
—তো যাও, গিয়ে আবারও তোমার মোহময়ী; উন্মুক্ত ফর্সা পিঠ সকলকে দেখিয়ে ঐশী, তিয়া বা তোতাকে ডেকে আনো।
ঝিলিক বিরক্তিতে মনে মনে নিজেকেই গালি দিলো। অতঃপর রাগত্ব স্বরে বললো,
—ঠিকাছে, কিন্তু স্পর্শ করবেন না বলে দিলাম!
বলেই পিছু ফিরলো। কাধে ভাগ্য ভালো লম্বা চুলগুলো ছিলো। তবে ব্লাউজটার পিঠ একটু বড়ই ছিলো। চুল দ্বারা আবৃত হয়নি সম্পূর্ণটা। আনাচ-কানাচগুলো খোলামেলা। তাও এই ছেলের চোখে পড়লো কী করে? অবশ্য চোখে লাগারই কথা। ঝিলিকের পিঠ এতোটাই ফর্সা যে-ওখানে থাকা লাইটের আলোতে পুরো পিঠ উন্মুক্ত না থাকলেও যতটুকু ছিলো ততটুকু দ্বারাই সেখানে থাকা প্রত্যেকটি পুরুষকে আকৃষ্ট করার মতো ক্ষমতা ছিলো এবং হয়েছেও তাই। ঝিলিক চুল সরালো।আইয়ুশ আলতো হাতে ফিতে বেধে দিলো ওর। ব্লাউজের ফিতে ঠিক করা শেষ হলে মুখোমুখি হয় আইয়ুশ এবং ঝিলিক। আইয়ুশ ফিতে ঠিক করেই চলে যাচ্ছিলো। ঝিলিক আয়নায় ফিতেটা দেখে আইয়ুশকে সম্মান বাঁচানোর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ বলে উঠে,

–থ্যাঙ্কিউ!
বলেই চলে যাচ্ছিলো সে। আইয়ুশ ওকে দাঁড় করায়। হঠাৎ কী মনে করে বলে ওঠে,
–দাঁড়াও। আমার রিসিপশনে তোমার কাজ কী? কেনো এসেছো?
ঝিলিক বাকা হাসে। চোখ ঘুরিয়ে বলে,
–কেনো আসবোনা? কনের একমাত্র বোন আমি। লাইমলাইট তো আমারই হওয়ার কথা।
আইয়ুশ মুখ ঘোরায় তা শুনে। ঝিলিক আইয়ুশকে পরখ করে হেসে বলে,
—বাই এনি চান্স, জ্বেলাস হচ্ছেন না তো?
আইয়ুশ চোয়াল শক্ত করে। গম্ভীর স্বরে ঝিলিকের চোখে চোখ রেখেই বলে,
–জ্বেলাস? হাহ! তোমার প্রতি আমি কেনো জ্বেলাস হবো? যাও যাও, ওই প্রফেসরটার কাছেই বরং যাও।
–তো আপনি কী ভেবেছেন? আপনি এতো সহজেই আমাকে ডাম্প করবেন? নেভার মি. মির্জা। আমি যাবো, এখন গিয়ে ওনার সাথে নাচবো ও!
আইয়ুশ– ওর সাহস দেখে অবাক হয়। ইচ্ছে করে ওই সায়নকে মেরে ফেলতে। অথচ মুখে বলে শুধু,

—হ্যাঁ, যাও যাও! যা খুশি করো। আমার কী?
ঝিলিক হাসে। পরপরই বেরিয়ে যায়। আইয়ুশ হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। বুকে হাত দিয়ে জোরে জোরে শ্বাস নেয়। সামলে উঠতে না পেরে দেয়ালে ইচ্ছেমতো কয়েকটা ঘুষি বসায়। ঘুষির মাত্র এতোটাই প্রখর ছিলো যে মাত্র তিন-চার ঘুষিতেই রক্ত বেরিয়ে আসে। মিনিট পাঁচেক সময় নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসে আইয়ুশ। বেরিয়ে আসতেই শুধু নজরে আসে স্টেইজের দৃশ্যটুকু। ওখানে ওই প্রফেসরটা। সায়ন! আর..আর ঝিলিক! একসাথে নাচছে। ব্যাকরাউন্ডে মিউজিকের তালে তালে,

obsession vs love part 11

bheegi bhegi raatoon mai…..
আর নির্ঝর-তিয়া-তোতা-ঐশী ওরা সবাই চিয়ার আপ করছে তাদের। আইয়ুশ এ দৃশ্য দেখে হঠাৎ থমকে গেলো। ওর তখন বাধ ভাঙলো। কিছুক্ষণের জন্য ও ভুলে বসলো ওর সবকিছু। শুধু মাথায় ওই দৃশ্যটুকুই চলতে থাকলো…সায়ন আর ঝিলিক একসাথে! স্টেইজে!

obsession vs love part 13