প্রেমের পাঁচফোড়ন সিজন ২ পর্ব ৫৬
Afnan Lara
আহানা সোজা রুম থেকে বেরিয়ে মায়ের কাছে চলে গেছে
শান্ত গালে হাত দেওয়া অবস্থায় আয়নার দিকে তাকালো
তাকে সদ্য জেল থেকে বের হওয়া কয়েদির মতন লাগছে
এরকম অবস্থা দেখে সে সাথে সাথে গাল থেকে হাত সরিয়ে নিলো তারপর চুপ করে বসে থাকলো,মনে মনে এটা ঠিক করলো আহানাকে আর জিন্দেগিতেও ছুঁবে না সে,তাকাবেও না
ওদিকে আহানা সোফায় পা তুলে বসে রাগ করবে নাকি শান্তর বুকের ক্ষতটার কথা ভেবে কাঁদবে তা সে ভেবে পাচ্ছে না,বিরাট একটা ভাবনায় পড়ে গেলো সে
২/৩মিনিটেই ডাক্তার এসে হাজির,আহানা বিচলিত হয়ে বললো”শান্তর বুক থেকে রক্ত যাওয়া অফ হচ্ছে না কিছুতেই, কি করা যায়?”
ডাক্তার আহানাকে চিন্তা করতে মানা করে রুমে এসে শান্তর ক্ষতটা চেক করায় ব্যস্ত হয়ে পড়লেন
এদিকে রিপা আহানাকে বারবার ফোন করছে এটা জানার জন্য যে আহানা আর শান্ত দুজনের একজনও কেন বাসায় নেই,মা অনেক দুংশ্চিন্তা করছেন
আহানা শেষে কল রিসিভ করে বললো একটা কাজে এসেছে সে তার মায়ের বাসায়,সাথে শান্ত ও এসেছে,মাকে বলে দাও যেন চিন্তা না করে
ডাক্তার শান্তকে একটা ইনজেকশান দিয়ে আবারও ড্রেসিং করে দিয়ে চলে গেছেন
আহানা দূর থেকে শান্তকে দেখছে
শান্ত ডাক্তার চলে যাওয়ায় শুয়ে পড়েছে আবার,আহানা নিজের হাতের দিকে তাকিয়ে হাসলো,কেন যে আজ চড় মারলাম!
মাঝে মাঝে কি হয় বুঝি না আমি,বেচারা মনে হচ্ছে উনাকে এখন,ইস!
আহানা আস্তে আস্তে এগিয়ে এসে শান্তর পাশে বসতেই শান্ত বুঝতে পেরে আরেক দিকে ফিরে শুয়ে পড়লো
আহানার বুঝতে বাকি নেই যে শান্ত রাগ করেছে,রাগ করারই কথা,কিস করতে গিয়ে এই নিয়ে দুবার চড় খেলো আবার বিয়ের দিন ও চড় খেয়েছিলো
খালি চড় আর চড়
আহানা নিজেকে নিজেই বকতে বকতে বিছানা থেকে উঠে বেরিয়ে চলে আসলো
সন্ধ্যায় কয়েকবার গিয়ে শান্তকে সে দেখে এসেছে,ইঞ্জেকশানের প্রভাবে শান্ত বেঘোর ঘুমাচ্ছে
শেষে ডিনারের সময় হওয়ায় আহানা শান্তর কাছে এসে ওর কাঁধে হাত রেখে বললো”শান্ত?”
শান্ত মুখ তুলে এমনভাবে তাকালো আহানার দিকে যেন এখনই কাঁচা খেয়ে ফেলবে
আহানা ভয়ে ভয়ে বললো”ভাইয়া!ডিনার টাইম হয়ে গেছে,উঠে বসুন,আমি খাবার আনছি”
শান্ত ঠিক হয়ে বসে গম্ভীর গলায় বললো”আমি এখন আমার বাড়ি ফিরে যাবো,এখানে থাকতে আমার ভালো লাগছে না,তোমার পার্সোনাল রুমে টিভি নাই তার উপর বারান্দায় বিন ব্যাগ ও নাই,আমি কম্পোর্টেবল ফিল করছি না
কথাটা বলে শান্ত শার্ট পরতে লাগলো
আহানা মুখটা ফ্যাকাসে করে বললো”আমি যাব না?”
শান্ত বিছানা থেকে নামতে নামতে বললো”তোমাকে তো যেতে মানা করি নাই আমি”
তারপর শান্ত আরেকটা লাইন বললো গালের ভেতর রেখে,তার পুরোটাই আহানা বুঝলো,
আসলে আহানা যেন কথাটা শুনে সেরকম করেই বলেছে শান্ত
আর সেই কথাটা ছিলো”বউ হইছে প্রেম পিরিতের টাইমে চড় মারার জন্য”
আহানা কাঁদো কাঁদো মুখ করে শান্তর পিছু পিছু গিয়ে কারে উঠে বসেছে,শান্ত গালটা এখনও ফুলিয়ে রেখেছে
বাসায় আসতে আসতে প্রায়ই ১৫/২০মিনিট লেগেছে
শান্ত বাসায় ফিরে সবার আগে মায়ের রুমে গিয়ে মাকে জড়িয়ে ধরলো তারপর তার সাথে কিছু কথা বলে মুড ঠিক করে রুমে ফিরে আসলো
আহানা ডাইনিংয়ে খাবার আনতেছে এক এক করে
শান্ত তার গায়ের শার্টটা চেঞ্জ করে একটা টিশার্ট পরে নিয়েছে
তারপর বিছানায় বসে টিভিটা অন করলো
আহানা করিডোর দিয়ে পা টিপে টিপে এসে দরজার কোণায় পুতুলের মতন কোনো শব্দ না করে, কোনে নড়াচড়া না করে ঠাঁই এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে শান্তর মুখের দিকে চেয়ে
শান্ত বুঝতে পেরেছে আহানা সেখানে তাও সে সেদিকে তাকাচ্ছে না ইচ্ছে করেই
আহানা প্রায়ই অনেকক্ষণ চেয়ে থেকে যখন দেখলো শান্তর কোনো সাড়াশব্দ নেই তখন সে এগিয়ে এসে বললো”ডিনার করবেন না?”
শান্ত টিভির দিকে চোখ রেখেই বললো”খিধা পেলে গিয়ে খেয়ে আসবো,তোমায় এত টেনসন নিতে হবে না”
আহানার খুব কান্না পাচ্ছে,জাস্ট চড়ই তো মেরেছি তাই বলে এত রাগ দেখাবে?উনিও তো আমাকে চড় মেরেছিলেন সেটার কি হবে?আমি কি সেটা মনে ধরে বসে ছিলাম?সেই কবেই সব ভুলে গিয়েছি
আহানা নাক টানতে টানতে বারান্দায় থাকা বিন ব্যাগটায় গিয়ে বসলো,বিন ব্যাগের সামনের টি টেবিলটার উপর একটা গ্লাস আর একটা পার্পল কালারের বোতল
গোলগাল বোতল,দেখে জুসের বোতলই মনে হচ্ছে, তার উপর বড় বড় করে লিখা আছে “রোজ এ্যাপল ফ্রেভার”
আহানার জাম অনেক পছন্দ,কাঁদতে কাঁদতে গলা শুকিয়ে গেছিলো বলে সে আর দেরি না করে সেই জামের জুসটা গ্লাসে ঢেলে ঢকঢক করে খাওয়া শুরু করে দিলো
শান্ত ভাব ধরে থাকলেও তার নজর ছিলো সম্পূর্ণ আহানার উপরেই,তাই যখন সে আড় চোখে দেখতে পেলো আহানা কি যেন খাচ্ছে সাথে সাথে তার মনে পড়লো কিছুক্ষণ আগে সে একটা বিয়ারের বোতল টি টেবিলটার উপরে রেখে এসেছিলো,আহানার থেকে পাওয়া চড়টার স্মৃতি ভুলার জন্য মদটা খাবে সে ভেবে রেখেছিলো আর সেটা কিনা এখন আহানা খাচ্ছে???
শান্ত লাফ দিয়ে বিছানা থেকে নেমে সেদিকে দৌড় দিলো
সে আসতে আসতে আহানা পুরো বোতলের মদ সাবাড় করে দিয়েছে
এখন আবার বোতলটা উল্টো করে ঝাঁকাচ্ছে আরেকটু জুস পাবার আশাতে
শান্ত মাথায় হাত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে আহানার মুখের দিকে তাকালো
চোখ ঘোলাটে হয়ে গেছে তার
তার উপর দাঁত কেলিয়ে তাকিয়ে আছে সে শান্তর দিকে
শান্তর আর বুঝা বাকি নাই যে আহানাকে পুরোপুরি নেশায় ধরেছে
আল্লাহ জানে!! এই মেয়েটা নেশার মধ্যে আমাকে আর কত চড় মারবে!! এখন এই মেয়েটাকে কি করে সামলাই!
শান্ত মাথায় হাত দিয়ে রুমে ফিরে আসলো,বিছানার মাঝখানে বসে ভাবতে লাগলো আহানা এবার চড় দিতে আসলে ওরেও চড় দিয়ে বসিয়ে রাখবো আমি
মিনিট পাঁচেক পর আহানা বারান্দা থেকে হেলেদুলে আসলো এদিকে, হাতে মদের খালি বোতলটা
আহানা হেঁটে হেঁটে শান্তর পাশে এসে দুম করে বসে গেলো
তারপর বোতলটা একপাশে রেখে বললো”এই শান্ত ভাইয়া,আমাকে আরেকটা জুসের বোতল এনে দাও”
রিপা!!!রিপা!!লেবুর শরবত এক গ্লাস দিয়ে যাও,চিনি দিবা না তাতে,এক চিমটি লবণ দিবা
আহানা ব্রু কুঁচকে বললো”আমি বললাম এরকম জুস,রোজ এ্যাপেল ফ্লেভারের,লেমন জুস তো চাইনি
সে যাই হোক,চুপ করে বসে থাকো,বেশি কথা বলবা না
আহানা তার ঠোঁটজোড়ার মাঝ বরাবর নিজের হাতের আঙ্গুল একটা দিয়ে শান্তর মুখের দিকে চেয়ে থাকলো
শান্ত নিশ্চিন্ত হলো এই ভেবে যে আহানা সজ্ঞানে না থাকার সত্ত্বেও তাকে চড়টড় মারে নাই এখনও,কথা ক্লিয়ার আর মারবেও না
সে তো ভেবেছিলো এতদিনের চাপা সব রাগ আজ ঝাড়বে
আহানা এবার ঠোঁট থেকে আঙ্গুল সরিয়ে আরেকটু এগিয়ে গিয়ে বসলো,একেবারে শান্তর গা ঘেঁষে
তারপর শান্তর গালটা ধরে নিজের দিকে ফিরিয়ে অসহায় একটা লুক নিয়ে বললো”ব্যাথা পেয়েছো ভাইয়া??খুব লেগেছে?”
শান্ত ব্রু কুঁচকে চেয়ে থেকে মনে মনে ভাবলো”আহানা এরকম ভাইয়া ভাইয়া বলছে কেন?মনে মনে আমাকে ভাইয়া মনে করে নাকি?”
আহানা হুট করে মুখটা এগিয়ে এনে শান্তর ঠোঁটটা ছুঁয়ে ফেললো
শান্তর চোখ ছিলো টিভিতে,আহানার এমন কান্ডকলাপে তার হাত থেকে রিমোট পড়ে গেলো সাথে সাথে
রিপা লেবুর জুস এনে দরজার কাছে এসে এই কান্ড দেখে পালিয়েছে,আর দাঁড়াইনি
শান্ত চোখটা এবার আহানার দিকে ফিরালো
আহানা সাথে সাথে একটু পিছিয়ে গিয়ে ঠোঁটটা হাতের উপরের পিঠ দিয়ে মুছতে মুছতে বললো”যাও,কিস কিস করে চড় খাইলা বারবার তাই দিয়েই দিলাম যাও,এবার খুশি তো তুমি শান্ত ভাইয়া?”
শান্ত ভূত দেখার মতন মুখ করে বসে আছে,দম বন্ধ হয়ে গেছে তার,আহানা বিছানা থেকে নেমে হেলেদুলে ওয়াসরুমে চলেও গেছে অথচ শান্ত এখনও একই জায়গায় বসে আছে
আমি কিস করতে চেয়েছিলাম বলে দুবার চড় খেলাম,আর সে মদ খেয়ে নিজ থেকেই করে দিলো!
না জানি হুস আসলে আমার কপালে কত চড় লেখা থাকবে,আমি তো ওকে বলিনি যে কিস করো,নিজ থেকেই তো করলো,কি জানি এই মেয়েটার হাবভাব একেক টাইমে একেক রকম হয়
আহানা মুখটা ধুয়ে মাথায় হাত দিয়ে এসে বিছানার এক কোণায় শুয়ে পড়লো,শান্ত ওর এমন হাল দেখে রুম থেকে বেরিয়ে রান্নাঘরে এসে দেখলো লেবুর শরবত বানিয়ে সেটা এক পাশে রেখেছে রিপা
এখন সে তার কাজ করছে
কি ব্যাপার রিপা?লেবুর শরবত বানানো হয়েছে,দিয়ে আসলা না কেন?
ইয়ে স্যার আসলে ঐ সময়ে আপনাদের দরজা খোলা ছিলো আর আমি…
শান্তর গাল লজ্জায় লাল টমেটো হয়ে গেছে, লেবুর শরবতের গ্লাসটা নিয়ে সে রুমে ফিরে আসলো আর কিছু না বলে,
আহানা আজ ইজ্জতের ফালুদা করে দিয়েছে আমার
শান্ত রুমে এসে দেখলো আহানা মাথায় হাত দিয়ে শুয়ে শুয়ে ওর মাকে ডাকছে
শান্ত কাছে এসে বললো”নাও এই শরবতটা খেয়ে নাও,”
আহানা শুধু বললো সে খাবে না,তার শরীর খারাপ লাগছে
শান্ত আহানার হাত দুটো ওর মাথা থেকে সরিয়ে মাথায় হাত রেখে দেখলো ধুম জ্বর,হঠাৎ করে এসময়ে জ্বর আসলো কি জন্যে সেটাই ভেবে পাচ্ছে না সে,তাড়াহুড়ো করে পাশ থেকে চাদরটা নিয়ে আহানার গায়ে জড়িয়ে দিলো শান্ত তারপর আহানার কথাবার্তায় বুঝলো মদের নেশা কেটে গেছে,সুতরাং শরবত না খেলেও চলবে
কি ঝামেলা!একদিনে সব ওলট পালট করে ফেললো মেয়েটা!
আজ দুপুর বেলায় বৃষ্টিতে ভিজেছিলো খুব তাই হয়ত এত জ্বর এসেছে
আমার বুকের ব্যাথার ভেতর এখন তার সেবা করতে হবে আমায়
শান্ত আবার রান্নাঘরের দিকে ছুটলো,এক প্লেট খাবার নিয়ে রুমে এসে আহানাকে ডেকে তুললো সে,তারপর নিজের হাতে ওকে খাইয়ে দিলো,দুপুরবেলায় আহানা ওকে খাইয়ে দিয়েছিলো আর এখন সে আহানাকে খাবার খাওয়াচ্ছে
কত মিল,কত কো-ইন্সিডেন্স
আহানা খাবার খেয়ে এবার ঔষুধ খেয়ে নিলো তারপর শান্তকে বললো”আপনি খেয়ে নিয়েন”
কথা শেষ করে আহানা শুয়ে পড়েছে আবার,আর কোনো কথা বলার ইচ্ছা তার নেই,শরীর খারাপ লাগছে প্রচণ্ডরকম ভাবে
শান্ত ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে ওর কপালে একটা চুমু দিশে ফিসফিস করে বললো”যদি চড় না মারো,জড়িয়ে ধরে ঘুম পাড়াতে পারি?”
আহানা মুচকি হেসে শান্তর দিকে ফিরলো,শান্ত ওকে বুকে আগলে ধরে নিজেও শুয়ে পড়লো পাশে
আহানা একটু দূরত্ব রাখলো শান্তর থেকে,কারণ না হলে শান্তর বুকের ক্ষতটায় চাপ লেগে ও ব্যাথা পেতে পারে
আহানা যখন ঘুমিয়ে পড়েছে ঠিক তখনই শান্ত ওকে রেখে বিছানা থেকে নেমে গেছিলো
তারপর গিয়ে মায়ের আর নিতুর সাথে বসে ডিনারটা করে নিলো,মাকে বললো আহানার জ্বরের কথা,তাই মা এসে আহানাকে একবার দেখে গেছেন
রাত পনে ১২টা বাজে,সবাই ঘুমে
আহানাও ঘুমে,কিন্তু শান্ত জেগে আছে,নিজের ঠোঁটটা ডান হাতের উপর এলিয়ে রেখে বিন ব্যাগে বসে এক দৃষ্টিতে সে আহানার দিকে তাকিয়ে আছে,বাউন্ডারির পাশে থাকা ল্যাম্পপোস্টটার আলো এসে বরাবর গিয়ে আহানার মুখে পড়ছে
শান্তর কেমন একটা ভালোলাগা ফিল হচ্ছে এখন,আহানার থেকে পাওয়া প্রথম স্পর্শটাকে সে ভুলতেই পারছে না
আচ্ছা আহানার কি মনে আছে?
নিশ্চয় মনে নেই?কিন্তু আমার তো সেই সময়টা হুবুহু মনে আছে
ভাবতেও পারিনি মেয়েটা আজই আমার ইচ্ছাটা পূরন করে দিবে
শান্ত এবার আহানার ভাবনা থেকে বেরিয়ে আরেকটা ভাবনায় এসে পড়লো আর সেটা হলো যেহেতু সব সম্পত্তি এখন আহানার নামে মজনু চাচা আহানার কোনো ক্ষতি করে বসবে না তো??
আহানা তো বাসায় একা থাকে,রিপা সারাদিন মাকে নিয়ে ব্যস্ত থাকে,নিতু স্কুলে থাকে,আহানার যদি কোনো ক্ষতি করার চেষ্টা করে কেউ?
না যে করেই হোক কোনো না কোনে একটা স্টেপ আমাকে নিতেই হবে,শুধু যে আহানার লাইফ রিস্ক আছে তা কিন্তু নয়,তার সাথে ওর আম্মু,ওর খালা এমনকি আমার পরিবারের ও লাইফ রিস্ক আছে
মোটকথা আমার পুরো পরিবার রিস্কে
ভাবতে ভাবতে শান্ত বারান্দা থেকে চলে এসে পর্দা টেনে দিলো তারপর আহানার জ্বরের পরিমাপ চেক করে ওর পাশে শুয়ে পড়লো সে
প্রেমের পাঁচফোড়ন সিজন ২ পর্ব ৫৫
আহানা হাত নাড়াচাড়া করছে বারবার,যার কারণে চুড়ির ঝুনঝুন আওয়াজ ভেসে আসছে
শান্ত ওর পাশ দিয়ে হাত নিয়ে ল্যাম্পশ্যাডটা অন করে দেখলো আহানার হাতের চুড়ির সাথে ওর চুল আটকে গেছে আর সে ঘুমের ঘোরে হাত ছাড়ানোর চেষ্টা করছে
শান্ত আরেকটু এগিয়ে এসে আহানার চুলটা ছাড়িয়ে দিলো ওর হাতের চুড়িটা থেকে
