violent love 2 part 4
Mariam akter juthi
‘রিলাক্স রিলাক্স মৌ, তোমাকে মারব না।
‘সত্যি!
‘হুম। – বলে আরিশ মুখের ললিপপটা এপাশ থেকে ওপাশে নিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলল,
‘মৌ তোকে দেখতে এরকম লাগছে কেন? মুখ চোখ এরকম ফ্যাকাসে হয়ে গেছে কেন?
‘কেন আবার স্বামীর অভাবে।
‘ফালতু কথা বললে ঠাটিয়ে একটা চড় দিব।
‘সব সময় এত রেগে যান কেন? – জুথির কথায় আরিশ কপাল কুঁচকে বিরক্তি নিঃশ্বাস ফেলতে। জুথি সেদিক না তাকিয়ে আরিশের মুখের ললিপপ খাওয়া দেখতে দেখতে আমতা আমতা করে বলল,
‘আমি বুঝি আগে সুন্দর ছিলাম? তাই আমাকে বিয়ে করেছিলেন। এখন আমাকে দেখতে ভালো লাগে না, বলে। আমাকে অসুন্দর লাগে, বলে আমাকে আর ভালোবাসেন না। কিছু দেনও না। তাই না।
আরিশ জুথির পরপর এমন বোকা কথায় চরম বিরক্তি নিঃশ্বাস ফেলে বলল,
‘আমার মৌ যেমনই হোক, আমার কাছে সবচেয়ে সুন্দর ফুলটাই আমার মৌ। সে হোক কালো কিংবা ফর্সা। আমার এই মৌ টাকেই শুরু থেকে শেষ অব্দি চাই। – বলে আরিশ জুথির দিকে একটু ঝুঁকে এসে ফিসফিসিয়ে বলল,
‘যদিও সকল সুন্দর মানুষের ভিড়ে আমার বোকা মৌ আমার কাছে সবথেকে উর্ধ্বে। যাকে আমি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি ভালোবাসি। – বলতে বলতে টুপ করে জুথির নরম গালে চুমু খেল। আরিশের এমন কাজে বেশ লজ্জা পেল। কিন্তু লজ্জাটা কে এক পাশে রেখে,আরিশের মুখের দিক তাকিয়ে আরেকটু ওর দিক এগিয়ে আসতে আরিশ সেটা দেখে ঠোঁট কামড়ে বলল,
‘কি ব্যাপার ম্যাডাম এত ইগোচ্ছেন কেন? আদর খেতে ইচ্ছে করছে বুঝি! তাহলে সরাসরি বলতেই পারেন। আমি অলওয়েজ আপনার জন্য তৈরি থাকি। আপনি আদর খেতে চাইলে,,
জুথি তাকালো আরশির দিক, তবে তার ধ্যান আরিশের কথায় না, মুখে নেওয়া ললিপপটার দিক। জুথি মুখ লেওয়ে পর পর দুটো ঢোগ গিলে নিল। পরমুহূর্তেই কিছু একটা ভেবে মুচকি হাসি দিয়ে, আরিশ কিছু বুঝে ওঠার আগেই, ওর মুখ থেকে ললিপপ টা ছোঁ মেরে টান দিয়ে মুখের মধ্যে নিয়ে ঘাড় বেঁকিয়ে আরিশের দিকে তাকাতে তাকাতে দৌড়ে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে নিলে। দরজার বরাবর এসে ঠাস করে দরজার পাশে দেওয়ালে টাক খেয়ে, ‘আহহহ শব্দ করে। — সেভাবেই পড়ে যেতে নিলে আরিশ দ্রুত পায়ে জুথির কাছে এসে ওকে সামলে নিয়ে গম্ভীর কন্ঠে বলল,
‘এভাবে দৌড়ে পালানোর কি ছিল?
‘আপনি যদি বকা দিতেন।
‘স্টুপিড। বললেই তো হতো তুই ললিপপ খাবি।
‘আচ্ছা তাহলে এখন আমাকে ছাড়ুন।
জুথি কথাটা বলতে আরিশের মেজাজ গরম হলো। সব ভুলে গেছে ঠিকই কিন্তু ছাড়ুন আমাকে কথাটা ভুলেনি। কথায় আছে না স্বভাব যায় না মরলে। ভেবে আরিশ চাপা রাগে জুথিকে এক প্রকার ধাক্কা দিয়ে নিজের থেকে সরিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বলল,
‘দূর হ আমার চোখের সামনে থেকে।
আজ সোমবার। জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখ। মোট ৭ দিন হতে চলল আরিশ বাড়ি ফিরেছে। প্রথম দুদিন বাড়িতে টাইম দিল এখন তার দেখা পাওয়া বড় মুশকিল। সেই আগের মত সকাল সাতটায় বের হয়। রাত ১১. টায় কিংবা ১২ টায় ফিরে। বাড়ির মানুষগুলো এ নিয়ে আর কি বলবে, ছেলের যা মর্জি বাধা দিলেও করবে না দিলেও করবে। এতদিন আরিশ না থাকায় আয়ান তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরলেও এখন আরিশ কে সাথে পেয়ে দুই ভাই একসাথেই বাড়ি ফিরে। শীতের বেলা, ১২ টা অব্দি কেউ জেগে থাকে না। ঘুমিয়ে পড়ে। কিন্তু আরিশ ফেরার পর থেকে জুথির ঘুম উধাও। আরিশ ফেরা না পর্যন্ত ভাতটুকু খায় না। আরিশ ফেরার পর খাবার গরম করে একসাথে খেয়ে তারপর ঘুমায়। এটা দেখে কাল রাতে তো আয়ান মুখ টিপে হেসে বলেই ফেলেছিল, – ‘আজ এমন একটা বউ নেই বলে কেউ রাত বারোটা অবধি অপেক্ষা করে না। খাবার গরম করে দেয় না। খালি বিছানায় কোলবালিশ জড়িয়ে শীতে কাপি। উম দেওয়ার মতোও একটা মানুষ নেই। আহা কষ্ট, আমারই কষ্ট। — আয়ানের এমন কথায় জুথি ফিক করে হেসে উঠেছিল।
এইতো সকাল সকাল আরিশ কম্বল সরিয়ে উঠে পড়তে, জুথি বেশ বিরক্ত। ৭ টা বাজে কেউ ঘুম থেকে উঠে নাকি? তাও শীতের বেলায়! এই লোকটা বিরক্তিকর। পালোয়ানদের মতো একটা শরীর আছে। সেটার মত সবাইকে মনে করে, ধুর।
জুথির বিরক্তিমাখা মুখ খানার দিক একবার তাকিয়ে আরিশ ফের জুথির কুঁচকে রাখা মুখের কাছে এসে জুথির এলোমেলো হওয়া চুলগুলো সরিয়ে গানের কাছে গুঁজে দিয়ে, ঝুঁকে এসে ফিসফিস করে বলল,
‘বাড়িতে আসলাম কতদিন। একটু কাছেও আসতে দিলে না। আদরও করতে দিলেনা। বুঝো বউ কাছে থাকা সত্ত্বেও বউ কে ছুঁতে না পারা কতটা কষ্টকর?
জুথি আরিশের কথায় আরিশের বুকের মধ্যে ঢুকে যেতে যেতে দুহাতে আরিশ কে জড়িয়ে ধরতে আরিশ আরেকটু ঝুঁকে জুথির কানের লতিতে আলতো করে কামড় দিতে জুথি কানে হাত চেপে বলল,
‘কামড় দিচ্ছেন কেন। লজ্জা লাগছে তো।
‘সিরিয়াসলি?
‘সরি সরি, শব্দটা লজ্জা নয়, ব্যথা পাচ্ছি তো। – জুথি কথাটা বলতে আরিশ শ্বাস ফেলে জুথিকে আলতো করে বিছানায় রেখে উঠে ওয়াশরুম চলে গেল। আরিশ চলে যেতে জুথি চোখ ডলতে ডলতে উঠে বসলো। বালিশের পাশ থেকে ওড়নাটা নিয়ে নিচে নেমে এলো। জুথি রান্নার ঘরের দিকে আসতে দেখল মা চাচীরা মিলে সবে মাত্র ব্রেকফাস্ট বানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন তাদের খাবার বানাতে যতটা টাইম লাগবে, ততক্ষণে আরিশ রেডি হয়ে না খেয়েই চলে যাবে। ভেবে জুথি রান্নাঘরে ঢুকে ব্লেন্ডারে আধা কাপ ওটস, একটা পাকা সবরি কলা, এক গ্লাস দুধ আর সামান্য মধু দিয়ে ব্লেন্ড করে নিল। অতঃপর সেটা কাঁচের বাটিতে ঢেলে। কিছু বাদাম কিসমিস কুচি কুচি করে কেটে সাথে অল্প কিছু ডালিমের দানা নিয়ে বাটিটার উপর ছিটিয়ে দিল। অতঃপর বাটিটা হাতে নিয়ে টেবিলে আসতে দেখল আরিশ ইতিমধ্য রেডি হয়ে নিচে চলে এসেছে। আরিশ কে নামতে দেখে জুথি দৌড়ে আরিশের সামনে এসে বলল,
‘নাস্তা রেডি এখন শুধু খাবেন।
‘সময় হবে না বের হচ্ছি আমি।
‘আরে না ঘুমিয়ে কষ্ট করে আপনার জন্য খাবার বানালাম। আপনি না খেয়েই চলে যাবেন।
‘আচ্ছা দে।
সময়টা বেলা ১১.৩৬ মিনিট। খান বাড়ির কর্ত্রীরা রান্নাবান্নায় ব্যস্ত। আজ অফিসে মাহমুদ খান আর রাদিফ, গেছে। বাকি তিন ভাই বাড়িতেই আছেন। সামনের মাসে অফিসের কাজে বাহিরে যেতে হবে। তাই মোটামুটি অফিসের কাজ গুজ করা। সেজন্যই মূলত আজ উনারা তিন ভাই বাড়িতে থেকে গেছেন। মনি স্কুলে গেছে। রোদ ভার্সিটিতে ভর্তি হলেও ক্লাসে যায়নি। ইভা শ্বশুরবাড়িতে। জুথির আজ কলেজ নেই। সেজন্য সেও আজ বাড়িতে। সময়টা একা একা কাটবে না ভেবে তানিশাকে আসতে বলেছিল। কিন্তু তানিশাদের বাসায় মেহমান থাকায় আজ আসতে পারিনি। ফোন আর কতক্ষণ টেপা যায়। জুথির সময় কাটছে না ভেবে টিভি দেখবে তার উপায় নেই। কারণ তার বাবা চাচারা নিউজ দেখছেন। জুথি বড় করে নিশ্বাস ফেলে ফোনটা রেখে রান্নাঘরের দিক পা বাড়াল কিছু খাবে এই ভেবে। খাওয়া ছাড়া এই মুহূর্তে তো আর কিছু করার নেই। এমন সময় মেয়েলি কন্ঠে কেউ একজন – ‘আব্বু, বড় আব্বু, বড় আম্মু, মামনি, চাচ্চু, মেঝো মা তোমরা সবাই কোথায়?
বলতে বলতে বাড়ির ভিতরে ঢুকে বসার ঘরের সোফায় সাইফুল খানকে দেখে সোজা কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে ওনাকে গিয়ে জাপটে জড়িয়ে ধরল। হঠাৎ এমন হওয়ায় সাইফুল খান মাহমুদ খান সাফওয়ান খান কেউ কিছু বুঝে ওঠতে পারলেন না। ব্যাপারটা কি হলো। ততক্ষণে পুনরায় শোনা গেল,
‘আব্বু কেমন আছো তুমি আব্বু। কত কত দিন পর তোমাকে দেখলাম। বলে সাইফুল খানের গলা ছেড়ে পায়ের কাছে বসতে। ওনারা ফারিকে দেখা মাত্র চোখ দুটো বড় বড় করে সাইফুল খান মেয়েকে পুনরায় বুকে জড়িয়ে নিয়ে বললেন,
‘আমার ছোট মা তুমি। আমার বাচ্চা কেমন আছে। আমার বাচ্চাটাকে কতদিন স্বচক্ষে দেখিনি। এতই অভিমান যে বাবা-মাকে দেখতে একটা বারও আসলে না।
ফারির দুচোখেও জল টলটল করছে। সেতো আসতে চেয়েছিল। কিন্তু ভয়ে সে আসতে পারেনি। যদি তাকে ফের লুসিয়ানের সাথে যেতে না দেয়। এই ভয়টাই তাকে বারবার বাধা দিচ্ছিল নিজ বাড়িতে ফিরতে। ফারি ফুঁপিয়ে উঠতে সাইফুল খান মেয়ের মাথায় চুমু খেয়ে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল,
‘আমার মা কাঁদে না।
ফারি ওর আব্বুর থেকে সরে এসে। বড় আব্বু ছোট চাচ্চু্র দিক এগিয়ে মাথাটা নিচু করে বলল,
‘বড় আব্বু, চাচ্চু কেমন আছো তোমরা। – ফারির কথায় সাফওয়ান খান মুচকি হেসে ফারিকে কাছে ডাকতে ফারি উনার কাছে যেতে উনি ফারির মাথায় হাত রেখে বললেন,
‘আলহামদুলিল্লাহ! আমরা সবাই ভালো আছি মা। — কথাটা বলে উপরের দিক তাকাতে ওনাদের চোখ পরলেন মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকা লুসিয়ানের দিকে। উনাদের চোখে চোখ পড়ায় লুসিয়ান মাথা নিচু রেখেই বলল,
‘আসসালামু-আলাইকুম।
‘ওয়ালাইকুম আসসালাম।
বসার ঘরে মেয়ের কন্ঠ পেয়ে, মেহজাবিন খান হন্তদন্ত হয়ে ছুটে বেরিয়ে আসতে উনার অন্যান্য জাও পিছন পিছন এলেন। মেহজাবিন খান বসার ঘরে এসে মেয়ে সাথে মেয়ের পালিয়ে যাওয়া জামাইকে দেখতে পেয়ে চোখ ছোট ছোট করে তাকালেন। ফারি তার মায়ের এমন দৃষ্টি দেখে ঘাবড়ে গেল। ভয়ে সিটিয়ে গিয়ে বাবার কাছে এগিয়ে কাচুমুচু হয়ে মাথা নিচু করে বসতে মেহজাবিন খান গম্ভীর কণ্ঠে বললেন,
‘এই বাড়িতে কেন এসেছ তুমি?
‘,,,,,,,,।
‘এখন কথা বলছো না কেন? – ওনার কন্ঠ কেমন কঠিন থেকে ভাঙ্গা ভাঙ্গা শোনালো। ফারি হুট করে মাথা জাগিয়ে মায়ের দিক তাকাতে দেখল উনার চোখে পানি টলটল করছে। ফারি ঢোগ গিলল। ভীতু চোখ নিয়ে বাবার দিক তাকালো। ফারি উনার দিক তাকাতে উনি ইশারায় আশ্বাস দিলেন মায়ের কাছে যেতে। বাবার ইশারা পেয়ে ফারি উঠে দাঁড়িয়ে দৌড়ে গিয়ে মাকে জাপটে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে উঠলো।
‘আম্মু, ভীষণ ভালোবাসি তোমাকে আম্মু। আমার উপর রাগ করে থেকো না।
‘বাড়িতে এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরেছ মায়ের কাছে যাও নি। একদম রাগ করিনি আমি। ছাড়ো আমাকে। — মেহজাবিন খানের কন্ঠে কেমন হিংসে টের পাওয়া গেল। ফারি মায়ের এমন কথায় মুচকি হেসে ওভাবেই বলল,
‘ভুল হয়ে গেছে ক্ষমা করে দাও। হিংসুটে মা।
হিংসুটে মা কথাটা বলতে মেহজাবিন খান মেয়ের থেকে মুখ সরিয়ে নিয়ে বললেন,
‘৬ মাস ১৩ দিন বাড়ি ছেড়েছো। মায়ের কথা কি একটু ও মনে পরেনি।
‘হুম।
‘বাড়িতে না হয় আসো নি। মায়ের সাথে কি একটু ভিডিও কলেও কথা বলা যেতে না।
‘তুমিই তো আমার সাথে কথা বলতে চাইতে না। তাইতো,,
‘হয়েছে। তা হঠাৎ না জানিয়ে এলে যে। পথে খাটে সমস্যা হয়নি ত।
‘না আম্মু। কোন সমস্যা হয়নি। আরিশ ভাই হসপিটাল থেকে কাউকে কিছু না জানিয়ে সোজা বাড়ি চলে এলো। লুসিয়ান ভাইকে নিয়ে চিন্তা করেছিল। ভাই কে দেখার জন্য এখানে আসতে চাইছিল। তাই আমিও চলে এলাম।
‘ওও।
লুসিয়ান মেহজাবিন খানের কাছে এসে সালাম দিতে উনি কোন কথা না বলেই পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন। উনি এভাবে চলে যেতে সাইফুল খান নিঃশ্বাস ফেলে লুসিয়ানের কাছে এসে ওর ঘাড়ে হাত রেখে বললেন,
‘তোমার মা একটু রেগে আছে। কিছু দিন গেলে ঠিক হয়ে যাবে।
‘হুম।
‘তুমি বস। – বলে লুসিয়ান কে লেবুর শরবত, খাবার দিতে বলে গোসলের জন্য রুমে চলে গেলেন। সাইফুল খান চলে যেতে কর্ত্রীরা ফারি লুসিয়ানের সাথে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলে রান্না ঘরে চলে গেল। ওনারা রান্না ঘরে চল যেতে ফারি নিশ্চিত নিঃশ্বাস ফেলে লুসিয়ানের দিক যেতে নিলে হঠাৎ চোখ পরলো রান্না ঘরের পাশে নিশ্চুপে চোখ ছোট ছোট করে ওর দিকে তাকিয়েই দারিয়ে আছে জুথি। ফারি বেশ অবাক হল। জুথি বাড়িতে, ফারি আসল দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরল না। এখনো এভাবে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। ভেবে জুথির এমন দৃষ্টি দেখে ফারি কাছে এগিয়ে ভ্রু কুঁচকে বলল,
violent love 2 part 3
‘মৌ তুই কলেজে যাসনি? বাড়িতে আছিস। আমি আসলাম, এখানে দাঁড়িয়ে দেখলি। অথচ আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস ও করলি না আমি কেমন আছি?
জুথি জড়তা নিয়ে আমতা আমতা করে হাসার চেষ্টা করে বলল,
‘তুমি কে?

Vayolent love part 5 chai please tratari dyen🥹🥹🥹🥹🥹
Apu taratri porer part diben pls😩
Apu part 5 den na keno 🙂
Please api tratari diyen porer part😫😫
Plz apu aj koto din hoya gelo porer part ta diyan please please 🥺
Please tratari den apu porer part😩😩😩