Home violent love session 2 violent love 2 part 5

violent love 2 part 5

violent love 2 part 5
Mariam akter juthi

“শীতের সময় দুপুরটা বেশ আরামদায়ক। তবে সেই আরামটুকু সবার জন্য না। এখন দুপুর ১২,৪৫ মিনিট। যারা কর্মক্ষেত্রে নিজেদের কাজে ব্যস্ত সেই মানুষগুলো জন্য এই আরামদায়ক সময়টুকু প্রতিটা সময়ের মতোই একই। এইতো, আরিশ এতদিন এখানে না থাকায় কিছু রাজনৈতিক মানুষ ওর জায়গাটা নেওয়ার জন্য ওত পেতে একের পর এক গুটি চেলেছে। কিন্তু আরিশ না থাকলেও ওর জায়গাটা একটুও নড়বড় করতে পারিনি। সেই আগের মতো অটুট রয়েছে। সকালে বের হয়ে একটু টাইম বসেনি। এই জায়গা থেকে ওই জায়গা শুরু করে বিজনেসের প্রতিটা কনস্ট্রাকশনের ফাইল চেক করে এইমাত্র স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। এখন আবার তাকে সেই সব জায়গা গুলো একে একে চেক করতে হবে। এত মাস, কাজগুলো পরিচর্যা করতে না পারায় কেমন অগোছালো লাগছে। যদিও আয়ান যতটা পেরেছে সাধ্য মতো চেষ্টা করেছে। তবুও আরিশ প্রতিটা কন্সট্রাকশন একবার ঘুরে দেখতে চায়। আরিশ ক্লান্তিতে দুই হাত মাথার পিছনে রেখে চেহারাটায় হেলান দিয়ে চোখ বুঝতে আয়ান দুই হাতে খাবার নিয়ে টেবিলে রাখতে রাখতে বলল,

‘ভাই খাবার নিয়ে এসেছি খেয়ে নাও।
‘হুম।
‘ভাই!
‘হুম।
আয়ান আরিশের গম্ভীর কন্ঠে হুম বলা শুনে, আমতা আমতা করে বলল,
‘ভাই একটা কথা বলতাম।
‘হুম।
আয়ান আরিশের অনুমতি পেয়ে নিজের চেয়ারটায় আইড করে বসে বলল,
‘ভাই তুমি কি বড় আম্মুর নাম্বার ব্ল্যাকলিস্ট করেছ?
‘,,,,,,,,,,।
‘বড় আম্মু তোমাকে বারবার কলে ব্যস্ত পেয়ে আমাকে ফোন দিচ্ছে।
‘,,,,,,,,,।
‘ভাইইই।
‘হুম।
‘তুমি সেদিনের পর থেকে বড় আম্মুর সাথে কথা বল না কেন?
‘,,,,,,,,,।
‘বড় আম্মু তোমার আচরণে কষ্ট পাচ্ছে ভাই। এতটা বেপরোয়া কেন তুমি।
‘,,,,,,,,,,।
‘ভাই।
‘শুনছি তো।
‘তাহলে কিছু বলছো না কেন!
‘কি বলবো?
‘এই যে এতগুলো কথা বললাম তার উত্তর।
‘কি বলেছিস?
আয়ান আরিশের কথায় বিরক্ত হলেও পুনরায় আবারো বলল,
‘তুমি বড় আম্মুর সাথে এমন ব্যবহার করছ কেন?
‘তোর বড় আম্মু আমার কি হয়?
‘মা!

‘তাহলে সেই মানুষটা আমার মা হয়ে আমাকে এতটা আঘাত করল কিভাবে?
‘ভাই,
‘She didn’t know how deeply weak I was for that one person. I was ready to give up everything, but not that one person. She didn’t know that. She didn’t know that the slightest hurt to that person pained me deeply. The tiny drop of tear from that person’s eyes would break me into pieces from within. Didn’t she know how much my heart resonated with every footstep of that person? She didn’t know how much, how deeply I loved that one person. The person for whom I wouldn’t think twice to give up my life. The one for whom I had given up my life in a single word, and returned only by the grace of fate.Then why couldn’t she hold them closely? Why did they do that? Why was their behavior like that towards that person of mine?
She could have easily protected them from the beginning to the end. At least for my sake. But they didn’t do it. Everything happened because of them.

~ অর্থ; ‘সে জানতো না ওই একটা মানুষকে ঘিরে আমার কতটা দুর্বলতা। আমি সবকিছু ছাড়তে রাজি শুধু ওই একটা মানুষটাকে ছাড়তে পারবো না। সেটা সে জানতো না। সে জানতো না সেই মানুষটার সামান্য আঘাত আমাকে কতটা ব্যথিত করে। সেই মানুষটার সামান্য চোখের জল আমাকে ভিতর থেকে কতটা ভেঙে চুরে চুরমার করে দেয়। সে কি জানতো না, তার প্রতিটা পায়ের পদধ্বনি আমার হৃদয় কতটা ঝংকার তুলে। সে জানতো না ওই একটা, ওই একটা মানুষকে আমি কতটা, কতটা ভালোবাসি? যেই মানুষটার জন্য আমার জীবন দিতে একবার ভাবি না। যার জন্য নিজের জীবন আমি এক কথায় বিলিয়ে দিয়েছিলাম। সেখানে কেবল ভাগ্যের জোরে ফিরে এসেছি। তাহলে সে কেন আগলে রাখতে পারল না। কেন এমনটা করল? কেন ছিল আমার সেই মানুষটার সাথে তার এমন ব্যবহার? সে তো চাইলেই পারতো প্রথম থেকে শেষটা তাকে আগলে রাখতে। অন্তত আমার কথা ভেবে। কিন্তু সেটা সে করেনি। তার জন্যই তো এমন হয়েছে।
‘ভাই আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু,, – আরিশ আয়ানের কথার মাঝে হাত জাগিয়ে আয়ানকে থামিয়ে দিয়ে বলল,
‘আজ বাড়িতে তাড়াতাড়ি ফিরব। আমার বউ বলে দিয়েছে আজ বাড়িতে তাড়াতাড়ি ফিরতে।
‘যত্তসব বউ পাগলা, – ফিসফিসিয়ে।
‘কিছু বললি?
‘ক- কই নাতো কিছু বলিনি।
‘হুম।

“বিস্ময় আঁখি পল্লব সেই কখন থেকে যে ছানাবড়া হয়ে তাকিয়ে ছিল দুজনার কেউই হয়তো আন্দাজ করতে পারলো না। একজন বোকা চাওনিতে তো আর একজন বিস্ময় চাওনিতে। হঠাৎ চাওয়া চাইর এক সময় জুথি অস্বস্তিবোধ হতে আমতা আমতা করে বলল,
‘আপু আমার হাতটা ছাড়ুন রুমে যাব।
ফারি জুথির এ কথায় আরো অবাক হয়ে এক নিমিষে মুখটা হা করে করে তিন চারবার চোখের পলক ফেলে এবার মেজাজ হারিয়ে বলল,
‘দিবো এক কানের নিচে চর। কি তখন থেকে একবার তুমি একবার আপনি বলে সম্বোধন করছিস।
‘,,,,,,,,,।

‘জুইথা আমি তোর ফারু। কথা বলিনি এতদিন তাই বেশি অভিমান করেছিস? বিশ্বাস কর আমি তোর সাথে কথা বলতে চেয়েছিলাম অনেক বার। অনেকদিন বলেছিলাম তোর কাছে ফোনটা দিতে কিন্তু কেউ দেয়নি। শুধু শুনেছি তুই ভালো আছিস। ভালো আছিস শুনে আর কিছু বলিনি। কিন্তু আমার ভুল হয়েছে আমার জোর করে হলেও তোর সাথে কথা বলা উচিত ছিল। তার জন্য সরি এবার তো কথা বল।
‘আপু আপনি,
‘আবার নাটক করে, এখন কিন্তু রাগ হচ্ছে।
জুথি ফারির রাগান্বিত দৃষ্টি দেখে ভয় পেয়ে গেল। জুথির এক হাত ফারির হাতের মুঠোয়। অন্য হাত বারবার কচলাচ্ছে। এই মুহূর্তে সামনে থাকা মেয়েটাকে কি বলবে কিছুই মাথায় আসছে না। তবে ফারি নামটা তার কাছে কেমন পরিচিত মনে হলেও কিছুতেই মনে আসছে না। কিছু মনে করতে চাইলেও কেমন প্রচন্ড মাথা ব্যথা শুরু হয়। জুথি চোখটা বন্ধ করে নিল। ফারি, ফারি কে চিনি ভাবতে নিলে ফারির থেকে হাতটা ঝাটকা মেরে সরিয়ে দুহাতে মাথা চেপে ধরে কিছুক্ষণ পর অসহায় দৃষ্টিতে তাকালো সামনে থাকা মেয়েটির দিকে। জুথির এমন দৃষ্টি দেখে ফারি পুনরায় অবাক হয়ে কিছু বলতে নিবে এমন সময় রোদও নিজের রুম থেকে নিচে আসছিল। তখন দুজনার কথোপকথন শুনে ওদের দিকে এগিয়ে এসে বলল,
‘জুথি তুই রুমে যা।
‘আচ্ছা।
‘না তোর সাথে কথা আছে দাঁড়া।
‘ফারি ওকে রুমে যেতে দে।
‘আপু ,
‘বললাম তো ওর হাতটা ছাড়।

‘কিন্তু রোদ আপু ওর সাথে আমার কথা,, ফারির কথার মধ্যেই রোদ জুথির দিকে তাকিয়ে আবারো বলল,
‘কি হলো রুমে যেতে বললাম তো।
জুথি রুমে যেতে নিয়েও বেশ কয়েকবার পিছন ফিরে তাকিয়ে ফারিকে দেখে নিল। ফারির দৃষ্টি দেখে তার কাছে মনে হচ্ছে মেয়েটা তাকে চেনে খুব গভীরভাবেই চেনে। সেও হয়তো মেয়েটাকে চেনে কিন্তু এখন মনে করতে পারছে না। কিন্তু কেন পারছে না? কেন কিছু মনে করতে গেলেই সবকিছু চোখের সামনে ঘোলাটে হয়ে আসে। জুথি মাঝ সিঁড়িতে আবারো দুহাতে মাথা চেপে ধরল। যন্ত্রণা কেমন চিনচিন থেকে তীব্র আকার ধারণ করেছে। কত কত কিছু চোখের সামনে না চাইতেও ভেসে উঠছে। চোখটা যখন নিভু নিভু হয়ে আসছিল, তখন চারপাশটা কেমন হসপিটাল আর হসপিটাল দেখল। জুথি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। ঠিক সেই সময় মাথা থেকে হাতটা ছেড়ে দিয়ে ঠাস করে সিঁড়ির উপর পড়ে গড়াতে গড়াতে মেঝেতে পড়ল। ঠাস করে কিছু পড়ার শব্দ শুনে দুজনেই চমকে পিছন ঘুরে তাকাতে দুজনের চোখ বড় বড় হয়ে গেল। সাথে সাথেই রোদ ফারি লুসিয়ান দৌড়ে এসে জুথির কাছে বসে, রোদ কিছু বলার আগেই ফারি বিচলিত কন্ঠে জুথির মাথাটা নিজের কোলের মধ্য রাখতে রাখতে বলল,
‘এই বোন, – আর বলা হলো না। জুথির কপাল ফেটে রক্তে পুরো মুখ মাখোমাখো হয়ে গেছে। এটা দেখা মাত্র ফারি উত্তেজিত কন্ঠে জুথির গাল চাপরাতে চাপরাতে বলল,
‘এই বোন, কি হল তোর। পড়ে গেলি কিভাবে। চোখটা খুলনা আমার সোনা। এই মৌ। বলে ফুপিয়ে কেঁদে উঠলো। ফারি কেঁদে উঠতে লুসিয়ান তারা দিয়ে বলল,

‘Cry later, call the doctor first, there is bleeding।
রোদ কি করবে কোন কিছু ভেবে না পেয়ে, তৎক্ষণাৎ বাড়ির সবাইকে চিৎকার করে ডাকতে শুরু করল, ‘বড় আম্মু, বড় আব্বু, আম্মু আব্বু মামনি চাচ্চু বাড়ির সবাই কোথায় তোমরা। তাড়াতাড়ি নিচে এসো। – রোদের চিৎকার শুনে রান্নাঘর থেকে সানজিদা খান লিমা খান দৌড়ে বসার ঘরে আসতে ততক্ষণে বাকি সবাই ও নিচে আসতে এমন দৃশ্য দেখে সবার চোখ ছানাবড়া হয়ে গেল। ফারি জুথিকে জড়িয়ে ধরে ফুপিয়ে যাচ্ছে। এমন সময় রোদ ফারির দিক তাকিয়ে করা কন্ঠে বলল,
‘না করেছিলাম। বলেছিলাম ওকে রুমে যেতে দে। না তুই তো আমার কথা শুনলি না। সেই মেয়েটাকে বিচলিত করলি। এখন মেয়েটা অসুস্থ হয়ে পড়ল।
ফারি রোদের কথায় অবাক হয়ে বলতে চেয়েছিল, ‘আমি আবার কি করলাম। – কিন্তু ফারি কিছু বলার আগে ইউনুস খান তারা দিয়ে বললেন,
‘কথা বলে সময় কেন নষ্ট করছো। এক্ষুনি ডাক্তার কে কল কর। দ্রুত আসতে বল। আমার মেয়েটা,। বলে উনিও জুথির পাশে হাটু ঘিরে বসলো। ইউনুস খানের চোখ দুটো পানিতে টলটল করছে। এই একটা মেয়ে আর কত কষ্ট পাবে?

“ডক্টর চলে যেতে, সবাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো। ডক্টর যাবার আগে বলে গেল, –‘শুধু কপাল ফেটেছে। তেমন বড় কোন ক্ষতি হয়নি। তবে উনাকে জোর করে কিছু মনে করাতে যাবেন না। এমনিতেই ওনার মাথায় রক্ত ক্ষরণের আঘাতটা তখন তীব্র ছিল। এখনো এর রেশ রয়ে গেছে। আপনা আপনি কোনদিন যদি স্মৃতি ফিরে আসে তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। নয়তো ওনাকে ওনার মতোই থাকতে দিবেন।’ ডক্টরের কথায় উনারা শুধু উপর নিচ মাথা নেড়েছে। ডক্টর চলে যেতে জুথি তখনও সেন্সলেস। তাই ফারি জুথির সাথে থাকবে বলতে, সবাই নিঃশ্বাস ফেলে যে যার রুমে চলে গেল। যখন সবার সাথে রোদ ও চলে যাবে তখন ফারি রোদ কে পিছন ডেকে বলল,
‘রোদ আপু!
রোদ যেতে নিয়েও ফারির ডাকে পিছন ঘুরে বলল,
‘হু।
‘এখানে এসো। – রোদ ফারির কাছে বিছানায় গিয়ে বসতে ফারি জুথির কাছ থেকে সরে এসে রোদের পাশে বসে বলল,
‘রোদ আপু ডক্টর বলল, মৌকে জোর করে কিছু মনে না করাতে। কিন্তু কেন? আপু মৌয়ের সাথে কি হয়েছে? ও কি সব কিছু ভুলে গেছে?
‘হু।
‘মানে, কি হয়েছে ওর। কিভাবে ভুলে গেল সবকিছু।
‘,,,,,,,,।
‘আপু চুপ করে থেকো না বল আমাকে। কি হয়েছে ওর সাথে।
রোদ নিঃশ্বাস ফেলে, ছয় মাস আগের কথা মনে করে ফারি কে বলতে শুরু করলো,
[৬ মাস আগে]

“হসপিটাল জুড়ে নিরবতা বিরাজমান করছে। শুধু ডক্টরের বলা it will go down কথাটিতে। ডক্টর কথাটি বলে আরও কিছু বলতে চেয়েছিলেন কিন্তু ডক্টরের আর কোন কথা না শুনেই সাফওয়ান খান ডাক্তারের দিক তেরে এসে বললেন,
‘কি বলতে চাইছেন আপনি? আপনি না মাত্রই বললেন অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে? তাহলে আমার ছেলে কমায় কেন যাবে? কেন তাকে টাইমফিক্স করে দিয়েছেন। চুপ করে থাকবেন না ডক্টর। answer me।

violent love 2 part 4

‘Mrs Sk. আমার কথাটা মনোযোগ দিয়ে শুনুন,
আমাদের অপারেশন সাকসেসফুল হয়েছে ঠিকই। বন্দুকের বুলেট টাও আমরা বের করেছি। কিন্তু, আপনার ছেলের শরীরে থেরাপি দিতে হবে। যা অত্যন্ত আধুনিক টেকনোলজি দিয়ে তৈরি। আমাদের বাংলাদেশে এই চিকিৎসা পাওয়া যাবে না। তাছাড়া ওনার,,,

violent love 2 part 6

1 COMMENT

Comments are closed.